Aaj Khabor

বেহালা থেকে ঠিক সময়ে উড়তে পারলেন না অভিষেক

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৬/০১/২০২৬ : বোলপুর  বেহালা ফ্লাইং ক্লাব থেকে ঠিক সময়ে উড়তে পারলেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।  জড়িয়ে পড়লেন বচসায়।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হেলিকপ্টারের অনুমতি পাওয়া নিয়ে সমস্যা। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও বেহালা থেকে হেলিকপ্টারে উঠতে পারলেন না তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক। ঘটনার পিছনে বিজেপির ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে অভিযোগ তুলল তৃণমূল। বেহালা ফ্লাইং ক্লাবে নির্ধারিত সময়েই পৌঁছে যান অভিষেক। কিন্তু অনুমতি না মেলায় দীর্ঘ ক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় তাঁকে। কথা কাটাকাটি,তর্কাতর্কিও হয় বলে খবর। শেষে অনেকটা দেরিতেই অভিষেকের হেলিকপ্টার ওড়ার অনুমতি পায়।

বুধবার বীরভূমে ‘রণ সংকল্প সভা’ কর্মসূচি রয়েছে অভিষেকের। রামপুরহাটের বিনোদপুর মাঠে সভা করবেন বলে ঠিক ছিল। বেলা সওয়া ১২টা নাগাদ তারাপীঠের চিলার মাঠে নামার কথা ছিল তাঁর হেলিকপ্টারের। তারাপীঠের মন্দিরে পুজো দিয়ে অভিষেক সভাস্থলে পৌঁছবেন বলে ঠিক ছিল সকাল পর্যন্তও। কিন্তু দুপুর ২টো বেজে গেলেও অভিষেকের হেলিকপ্টার উড়তে পারেনি। শেষ পর্যন্ত সওয়া ২টো নাগাদ অনুমতি মেলে। এরপরেই উড়ে যায় অভিষেকের হেলিকপ্টার। অনেক দেরিতে হলেও বোলপুরে গিয়ে নামেন তিনি।


Loading

সব ঠিক করে ফেলো, নাহলে মহাকাল তোমাকে শেষ করে দেবে : মিঠুন

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] কোচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ,০৩/০১/২০২৬ :  কোচবিহারে জনসভা করতে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তুমুল সমালোচনা করলেন বিজেপি নেতা তথা সুপারস্টার  মিঠুন চক্রবর্তী।

মিঠুন চক্রবর্তী বলেছেন, “লক্ষীর ভান্ডার অবশ্যই ভালো প্রকল্প, এইপ্রকল্পের টাকা আসলে জনগনের টাকা। তাই এই টাকা নিয়ে বাংলার লক্ষীরা কোনো ভুল কাজ করেন নি। তবে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প সম্বন্ধেও ভেবে দেখাউচিত। এই প্রকল্পে চিকিৎসার জন্যে কেন্দ্র সরকার ৫ লক্ষ্য টাকা পর্যন্ত অর্থ সাহায্য দিচ্ছে। দেশের সর্বত্র মানুষ এই প্রকল্পের সুবিধা পেলেও  এই রাজ্যে সেই সুবিধা মানুষ পাচ্ছেন না।  বিজেপি এই রাজ্যে ক্ষমতায় এলে এই প্রকল্প অবশ্যই শুরু করে দেওয়া হবে।”

মিঠুন বলেন, “এই রাজ্যে আইন শৃঙ্খলার পরিবেশ নেই। এখানে রয়েছে শুধুই দুর্নীতি। এই রাজ্যে কাজের সুযোগ নেই। এই রাজ্যে কোনো রকম উন্নয়ন নেই। তৃণমূল কংগ্রেসের হিন্দু কর্মীরাও দুর্নীতির সাথে যুক্ত হয়ে গিয়েছে।  আপনারা কাশ্মীর ফাইল সিনেমাটা দেখেছেন ? সেখানে দেখা গিয়েছে কিভাবে কাশ্মীরি পন্ডিতদের কাশ্মীর ছেড়ে চলে যেতে হয়েছিল। এই পশ্চিমবঙ্গকেও পশ্চিম পাকিস্তান বানানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তাই হিন্দুদের একজোট হতে হবে। নাহলে বিপদ ঘনিয়ে আসবে।”

শাসক দলকে সতর্ক করে মিঠুন বলেছেন, “এই রাজ্যে এখনও  পুরো পরিবেশ নষ্ট হয়ে যায় নি। এখনই সব ঠিক করে ফেলো, নাহলে মহাকাল তোমাকে শেষ করে দেবে।”


Loading

জগন্নাথ দেবের আশীর্ব্বাদেই রাজ্যে পরিবর্তন আসবে : দিলীপ ঘোষ

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] ইকো পার্ক, কলকাতা, ০২/০১/২০২৬ :  রাজনীতির ময়দানে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ. তাঁর সক্রিয় হয়ে ওঠাকে কটাক্ষ করেছেন তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ. এবার সাংবাদিকদের এবং কুনাল ঘোষের প্রতিটা কথার জবাব নিজেই দিয়ে দিলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ.

১) কুণাল ঘোষ বলেছেন, “দীঘা জগন্নাথ মন্দির দর্শন আপনার ভাগ্য ফেরালো।”

দিলীপ ঘোষ : “উনি প্রবচন দিতেই থাকেন। লোকে মজা পায়। উনি সব ব্যাপারেই মন্তব্য করে থাকেন। ২৬ এর নির্বাচনে জগন্নাথ দেবের আশীর্বাদেই রাজ্যে পরিবর্তন হবে। “

২) “আপনার ভাগ্যে যে zone পড়বে তার মধ্যে অন্তত ৩৫ টি আসন তৃণমূলের দুর্ভেদ্য দুর্গ। “

পার্টি যাকে যে দায়িত্ব দেবে সেটা সে করবে। আমার এখনও জোন ভাগ নিয়ে কিছু জানা নেই। আমি ৩ বার ভোটে লড়েছি। ৩ বার সভাপতি বা অন্য দায়িত্ব সামলেছি। নিজের ছাড়াও অন্যের হয়ে প্রচার করেছি। ২১ এর ভোটে আমি প্রার্থী ছিলাম না।

৩) “একা শুভেন্দুকে দিয়ে হবে না বুঝেই কি আপনাকে স্বমহিমায় ফেরালো দলের হাই কম্যান্ড?”

“পার্টি তো কোনো একক ব্যক্তির ভরসায় চলতে পারেনা। কিছু প্রমিনেন্ট মুখ থাকে যাদের অভিজ্ঞতা বেশি। তাদের গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনো একজন গোটা পশ্চিমবঙ্গ জিতিয়ে দেবে সেটা সম্ভব নয়।”

৪) আপনার তো এমন দুর্দিনও গেছে যেখানে প্রধানমন্ত্রী রাজ্যে এসেছেন আর আপনাকে বিমান ধরে অন্য জায়গায় চলে যেতে হয়েছে

“হতে পারে। পার্টি এক্সপেরিমেন্ট করে মাঝে মাঝে। আগে তো ভোটে লড়তে হয়নি। তখন দল ভেবেছিল একেকটা মুখকে একেকবার সামনে আনি। দেখি পাবলিক কিভাবে রিয়াক্ট করে। মাঝে কিছুদিন সেই প্রক্রিয়া চলেছে।”

৫) “হুমায়ূন যদি সংখ্যালঘু ভোট কাটুয়ার ভূমিকায় নামেন তাহলে তো আপনাদের অ্যাডভান্টেজ”

গতবার আইএএফ নিয়েও আপনারা একই ভাবে বিস্তর চর্চা করেছিলেন। রেজাল্ট কি হল? আমার মনে হয় ওই দলের সঙ্গে কোনো না কোনো পার্টির সেটিং হবে। গতবার নওশাদ সিদ্দিকী বড় বড় সভা করেছিল। আর হুমায়ূন কবির এখনও পর্যন্ত নিজের এলাকা ছেড়ে বেরোননি। তার পার্টির কি ভবিষ্যত? উনি সকালে একরকম বলেন। বিকেলে আরেক রকম। মানুষ তো এইভাবে বিশ্বাস করবে না। উনি আগে ওনার উদ্দেশ্য স্পষ্ট করুন। উনি জল মাপছেন। দাম বাড়াচ্ছেন।

৬) হুমায়ূনের ব্রিগেড সমাবেশ

“উনি আগেও অনেক বড় বড় কথা বলেও কিছুই করতে পারেন নি। উনি যদি সত্যিই ব্রিগেডে ১০ লাখ মানুষ জমা করতে পারেন নিঃসন্দেহে ওনার পার্টি একটা বড় শক্তি হিসেবে উঠে আসবে।”

৭) অভিষেক আজ থেকে আবার ফুল অ্যাকশনে

“ভোটে সব পার্টি অ্যাক্টিভ হয়। ওরাও করছে। আমরাও করব। ডায়লগ দিয়ে ইলেকশন জেতা যায়না। সিপিএম কে একসময় অজেয় ভাবা হতো। কেউ ভাবতেই পারেনি সিপিএম হেরে যেতে পারে। তারপর সিপিএম এমন ভাবে হারল আর কোনোদিন খুঁজে পাওয়া গেল না। বিজেপি অলরেডি সাড়ে ৩ হাজার পথসভা করে ফেলেছে। আমাদের রাজ্য সভাপতি উত্তর থেকে দক্ষিণ ট্যুর শুরু করবেন। আমরাও থাকব।”

৮) শীতকালে শীত ঘুম ভাঙ্গল দিলীপ ঘোষের?

“আমার শীত ঘুম ভাঙ্গেনি। আমি রোজ ইকো পার্ক এসেছি। এখানেই আপনাদের সঙ্গে কথা বলেছি। কার কাছে কখন কার গুরুত্ব কমবেশি সেটা পার্টি জানে। দিলীপ ঘোষ আগেও যা ছিল এখনও তাইই আছে। ভোটের মুখে আমাকে যে কাজ দেওয়া হল সেটাই করব।”

৯) প্রতিষ্ঠা দিবসে ফের গোষ্ঠী কোন্দল তৃণমূলে

“কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল তৈরির সময় এরা সমস্ত বদ গুণ নিয়ে এসেছে। ওটা তৃণমূলের ডিএনএতেই আছে। কংগ্রেস গোষ্ঠী কোন্দল করতে করতে শেষ হয়ে গেছিল। তৃণমূল সেই পথেই হাঁটছে। ক্ষমতা চলে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে।”

১০) কি ভোকাল টনিক দিলেন অমিত শাহ?

আমি নিজে কোনো ভোকাল টনিক দিই নি। কাজ শুরু করিনি এখনও।


Loading

অমিত শাহের থেকে ভোটে দুই তৃতীয়াংশ আসনে জয়লাভ করার স্ট্র্যাটেজি পেয়ে উজ্জীবিত গেরুয়া শিবির

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ৩১/১২/২০২৫ :  পশ্চিমবঙ্গ  সফরে এসে দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে একের পর এক বৈঠক সেরে নিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। গোটা দলকে চাঙ্গা করে গেলেন তিনি।

গুয়াহাটি সফর শেষ করে সোজা চলে এসেছেন পশ্চিমবঙ্গে আর এই রাজ্যে এসে একটুও সময় নষ্ট না করে একের পর এক বৈঠক নিলেন অমিত শাহ।  ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে রণনীতি ঠিক করলেন। টার্গেট আগেই ঠিক করে দিয়েছিলেন। এবার বিজেপি দুই তৃতীয়াংশ ভোট প্রাপ্তির লক্ষ্যে ভোটে নামতে চলেছে। সেই লক্ষ্যে অবিচল থেকে ঠিক কিভাবে কাজ করা উচিত হবে, সেই ব্যাপারেই একের পর এক রণনীতি ও পদক্ষেপ তৈরি করে দিয়ে যাচ্ছেন অমিত শাহ।

তিনি আজ যে বৈঠকে বসেছিলেন সেই বৈঠকেউপস্থিত ছিলেন রাজ্যের সব বিজেপি বিধায়ক ও  সাংসদেরা। তিনি প্রত্যেককে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, প্রত্যেক আসনে আসলে প্রার্থী থাকবেন আর কেউ, কিন্তু লড়াইটা  হবে নরেন্দ্র মোদীর সাথে বিপক্ষের। সুতরাং সেই বুঝে লড়াইয়ের ময়দানে নামতে হবে তৃণমূল কংগ্রেসকে ৩৬০ ডিগ্রির এক ডিগ্রিও ছাড়া চলবে না।

গতকাল তৃণমূল কংগ্রেস তথা মমতা বন্দোপাধ্যায়ের তুমুল সমালোচনা করেছিলেন অমিত শাহ।অনেকগুলি প্রশ্ন তিনি রেখেছেন সাধারণ মানুষের সামনে। আজ তিনি এই রাজ্যে বিজেপির বাস্তব সাংগঠনিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন। নানারকম স্ট্র্যাটেজি তিনি তৈরি করে দিয়ে গেলেন নেতা নেত্রীদের জন্যে। অমিত শাহকে রাজ্য সফরে পেয়ে উজ্জীবিত গেরুয়া শিবির।


Loading

১৪ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের নামের সাথেই মিশে গিয়েছে ভয় ও দুর্নীতি : অমিত শাহ

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ,৩০/১২/২০২৫ :  কলকাতায় এসেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় বইয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। গতকাল সন্ধ্যেবেলায় আসামের গুয়াহাটি থেকে তিনি কলকাতা বিমানবন্দরে অবতরণ করেছেন। বিমানবন্দর থেকেই তিনি শুভেন্দু অধিকারী ও শমীক ভট্টাচার্যকে গাড়িতে তুলে নিয়েছিলেন, প্রয়োজনীয় আলোচনাও সেরে নিয়েছিলেন।

মঙ্গলবার অমিত শাহ বলেন, “গত ১৪ বছর ধরে বাংলা ভয় ও দুর্নীতির পরিচায়ক হয়ে উঠেছে। এই রাজ্যে  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সরকারের লাগামছাড়া দুর্নীতি পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। নরেন্দ্র মোদী যে সব প্রকল্পগুলি চালু করেছেন, সেইসব প্রকল্পগুলি এই রাজ্যে এসে সিন্ডিকেটের ছায়ায় ঢাকা পড়ে  যাচ্ছে। বিগত ১৪ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের নামের সাথে ভয় আর দুর্নীতি একেবারে মিলে মিশে গিয়েছে। বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে পুনরুদ্ধার করার কাজ করবে বিজেপি।  বাংলার সাথে বিজেপির একটি ঘনিষ্ট সূত্র রয়েছে, বিজেপি তৈরি করেছিলেন ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি। তিনি ছিলেন এই বঙ্গভূমির সন্তান। এই রাজ্যের মহান নেতা ছিলেন তিনি।”

এদিন অমিত শাহ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আপনি বলুন তো, দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে কোন সরকার জমি দিতে অগ্রাহ্য করেছে ? সেটা আপনার সরকার। সীমান্তে কাঁটাতারের প্রাচীর তৈরি করতে আপনার সরকার জমি দেয় নি দেশকে।  অনুপ্রবেশকারীরা বাংলাদেশ থেকে আপনার রাজ্যেই প্রথমে প্রবেশ করে। সেক্ষেত্রে আমি জানতে চাই আপনার পাটোয়ারী আর পুলিশ কি করে ? এই অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানো হয় না কেন ? বাংলার সরকার কি জবাব দিতে পারবে কেন আসাম  ও ত্রিপুরা সরকার অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠিয়ে দেয় ? এখানে অনুপ্রবেশকারীদের জায়গা  দেওয়া হয় আপনার নজরদারিতেই। আপনি আপনার ভোটব্যাংক বাড়াতে পশ্চিমবঙ্গের জনবিন্যাসটাই বদলে দিতে চান ?”


 

Loading

রাজ্যবাসী পরিবর্তন করতে প্রস্তুত : দিলীপ ঘোষ

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ৩০/১২/২০২৫ :  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ যেভাবে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি পার্টির ভীত মজবুত করেছেন, গেরুয়া শিবিরকে তিনি যেভাবে তৈরি করে দিয়েছেন, এবারের বিধানসভা  নির্বাচনে তারই  প্রতিফলন ঘটবে, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এবার পরিবর্তন করতে প্রস্তুত হয়ে রয়েছেন, বলে মন্তব্য করলেন বিজেপির সিনিয়ার নেতা দিলীপ ঘোষ.

গতকাল সন্ধ্যেবেলায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আসামের গুয়াহাটি থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেছেন। বর্ষশেষে অমিত শাহের রাজ্যে সফরকে প্রশংসা করে ডিইপি ঘোষ বলেছেন, “অমিত শাহের পশ্চিমবঙ্গ সফর রাজ্য বিজেপিকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে। তাঁর উপস্থিতি, নেতৃত্ব পার্টির কর্মীদেরকে আরও মোটিভেট করবে। তিনি দেশের বর্তমান রাজনীতিতে অত্যন্ত সদর্থক ভূমিকা গ্রহণ করে থাকেন।”

দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে এবারের নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানুষ এখানে পরিবর্তনের জন্যে প্রস্তুত হয়ে আছেন। আমাদের রাজ্যে জাখানি কিছু ঘটেছে সেখানে ঠিক সময়ে পৌঁছে গিয়েছেন অমিত শাহ, দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন একেবারে সামনে থেকে। এবারেও এখানে তেমন কিছুই ঘটতে চলেছে। এই রাজ্যে ভোটের আর বেশিদিন বাকি নেই, অমিত শাহও ঠিক সময়ে  পৌঁছে গিয়েছে পার্টি কর্মীদের উজ্জীবিত করতে। ”


 

Loading

দুর্গাঙ্গন ও বাবরি নিয়ে মমতাকে বিঁধলেন জ্যোতির্ময়

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ৩০/১২/২০২৫ :  দুর্গাঙ্গন  ও বাবরি মসজিদ এই দুই প্রকল্প নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তোপ  দাগলেন বিজেপি সংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো।

এদিন বিজেপি সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো বলেন, “দুর্গাঙ্গন  ও বাবরি মসজিদ এই দুই প্রকল্পই মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়ের নিজের প্রকল্প।  অন্তিম সময় তিনি রাম নাম করতে চাইছেন। কিন্তু এখন আর রাম নাম করে কোনো লাভ হবে না।” তিনি বলেন, “গত ১৫ বছর ধরে তিনি হিন্দু জনগোষ্ঠীর ওপর অত্যাচার চালিয়ে এসেছেন। মুর্শিদাবাদের হিন্দুদের পালিয়ে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। দুর্গাপূজা করার জন্যে তাদেরকে আদালতে যেতে হয়েছে। বাংলার মানুষ কিছুই ভোলে নি। এর জন্যে তাঁকে (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে) জবাব দিতে হবে। বাংলার মানুষ তাঁকে শিক্ষা দেবে।  ২০২৬এর নির্বাচনে জনগণ তাঁকে বিদায় জানাবে।”

কলকাতার নিউ টাউনে দেবী দুর্গার পূজার জন্যে দুর্গাঙ্গনের  ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়। ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানকে তিনি বাংলা ও বাংলার ,মানুষকে উৎসর্গ করেছেন।  মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, “ইউনেস্কো থেকে প্রাপ্ত সম্মানের পর সেই সন্মান রক্ষার্থেই ওই দুর্গাঙ্গন  তৈরি করাটা খুবই প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছিল। দুর্গাঙ্গন  প্রস্তুতির জন্যে একটি ট্রাস্ট গঠন করাও হয়েছে। এই দুর্গাঙ্গন বছরের ৩৬৫ দিনই খোলা থাকবে।”


 

Loading

কাউকে জনগণের কণ্ঠরোধ করতে দেওয়া হবে না: তৃণমূল

আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ৩০/১২/২০২৫ : পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের সময় নানারকম অসঙ্গতির কারনে যে সব নাম বাদ পড়ে  গিয়েছে, সেই সব নামের তালিকা প্রকাশ করতে নির্বাচন কমিশনকে জানালেন তৃণমূল নেত্রী শশী পাঁজা।

এদিন শশী পাঁজা  বলেন, “আমাদের রাজ্যে শুনানি শুরু হয়েছে ২৭শে ডিসেম্বর।  রাজ্যের বহু বয়স্ক প্রবীণ নাগরিকদের শারীরিক কষ্ট সহ্য করেও কমিশনের দপ্তরে যেতে হচ্ছে।  কোনো যেতে  নাম বাদ  হয়ে যাচ্ছে ! অথচ কমিশনের কেউ অনুপস্থিত থাকলে সেখানে কেউ তারিখ দিচ্ছে না. গোটা বিষয়টি বেশ আমানাৰিক এবং অসাংবিধানিক। ” গত শনিবারই তৃণমূল কংগ্রেসের পাঁচ সদস্যের একটি দল নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে গিয়ে রাজ্যের নির্বাচন কমিশন অধিকর্তার সাথে গিয়ে দেখা করে এসেছেন, এই পাঁচ সদস্যের দলে ছিলেন স্পশী পাঁজাও।

তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে জানা গিয়েছে, “তৃণমূলের প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে এসেছে যে নির্বাচন কমিশন যে কার্জকলাপগুলি করে চলেছে তা জনগণের বিশ্বাসকে নাড়িয়ে দেয়. এতে নির্বাচন কমিশনের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট হবে. নির্বাচন কমিশন যেন প্রতিতাপদক্ষেপ আইনিভাবেই নেয় এবং বৈধ ভোটারদেরকে বাতিল হয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে.”

তৃনমুলংগ্রেস জানিয়েছে, “আমরা বাংলার গণতান্ত্রিক অধিকারের জন্যে পাহারা দিচ্ছি। কোনো শক্তি, কোনো ষড়যন্ত্র, কোনো বিজেপি — ইসিআই সিস্টেমকে কোনোভাবেই জনগণের কণ্ঠরোধ বা অধিকার  অধিকার দেওয়া হবে না. ”


 

Loading

ময়নাগুড়িতে পদ্মে ভাঙ্গন, যোগ তৃণমূলে

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], ময়নাগুড়ি, জলপাইগুড়ি, ২৯/১২/২০২৫ :  দক্ষিণবঙ্গের নন্দীগ্রামের পর এবার উত্তরবঙ্গের ময়নাগুড়িতেও ভাঙ্গন অব্যাহত রইল পদ্ম শিবিরে।

ময়নাগুড়িতে পদ্মে ভাঙ্গন। শক্তি বাড়ল ঘাসফুলের। এদিন বিজেপি ছেড়ে প্রায় ৫০ জন বিজেপি কর্মী সমর্থক তৃণমূলে যোগদান করলেন। জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি বিধানসভার চূড়াভান্ডার অঞ্চলে একই বুথের দুই  জায়গা থেকে প্রায় ৫০ জন বিজেপি কর্মী সমর্থক তৃণমূলে যোগদান করেন বলে তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি করা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে।

জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রামমোহন রায়ের হাত থেকে এই পতাকা তুলে নেন বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা। সামনেই ২০২৬ বিধানসভা ভোট, আর এই যোগদানে কিছুটা হলেও অস্বস্তিতে বিজেপি। তবে এই যোগদানকে তীব্র কটাক্ষা করেছে  বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির বক্তব্য “এই ধরনের খবর বিজেপি নেতৃত্বের  জানা নেই।” তৃণমূল কর্মীদের কেউ  তৃণমূলে  যোগদান করিয়ে প্রচারে আসার চেষ্টা করছে বলে কটাক্ষ বিজেপির। আর এতেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।


 

Loading

নিজেকে নদীয়া জেলার তৃণমূলের কোর কমিটির সদস্য বলে পরিচয় দিলেন মহিলা

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], শান্তিপুর,নদীয়া, ২৯/১২/২০২৫ : নদীয়ার শান্তিপুরে এক একজন যুবতী নিজেকে দাবি করছেন যে তিনি নদিয়া জেলা মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের কোর কমিটির সদস্য। ইতিমধ্যে সে খবর বাইরে আসতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

জানা যায়, গত ২৫শে ডিসেম্বর বড়দিন উপলক্ষে নদীয়ার শান্তিপুর ব্লকের বাগাছরা গ্রাম পঞ্চায়েতের ষষ্ঠিতলা এলাকার বাসিন্দা প্রিয়া সরকার নামে এক মহিলা বাচ্চাদের নিয়ে একটি মধ্যাহ্নভোজনের আয়োজন করেছিলেন। সেই অনুষ্ঠানে নদীয়া জেলার ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস থেকে শুরু করে স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামী, শান্তিপুর ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সন্দীপ ঘোষ, সহ একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তিকে এবং প্রশাসনিক কর্তাদের আমন্ত্রণপত্রে নাম দিয়ে আমন্ত্রণ করেছিলেন।

সেক্ষেত্রে আমন্ত্রণপত্রে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড তথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারন সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর ছবি ছিল। অনুষ্ঠানের জন্য দু রকমের আমন্ত্রণপত্র তৈরি করা হয়েছিল একটিতে তিনি নিজেকে ‘সমাজ সেবিকা’ বলে উল্লেখ করলেও অপর আরেকটি আমন্ত্রণপত্রে তিনি নিজেকে নদিয়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের কোর কমিটির সদস্যাবলে দাবি করেছেন। আর এতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

বক্তব্য রাখতে গিয়ে ওই মহিলা প্রিয়া বিশ্বাস সাংবাদিকদের জানান তিনি মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের নদীয়া জেলার কোর কমিটির সদস্যা। এরপরেই শান্তিপুরের তৃণমূল বিধায়ককে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান নদীয়া জেলায় এই রকমের কোন কোর কমিটি আছে বলে তাঁর জানা নেই। যদিও ওই মহিলাকে তিনি বিশেষভাবে চেনেন না, তবে দু:স্থ বাচ্চাদের পাশে থেকে মধ্যাহ্ন ভোজনের যে কাজ তিনি করেছেন সে কারণে তাই সেই আমন্ত্রণপত্র বিধায়ককে যেটা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কোর কমিটি বলে উল্লেখ নেই.  তবে সাংবাদিকদের একটি চিঠি তিনি দিয়েছেন যেখানে কোর কমিটি বলে উল্লেখ রয়েছে। বিষয়টি তিনি খতিয়ে দেখবেন এবং ওই মহিলাকে ডেকে জিজ্ঞাসা করবেন বলে জানিয়েছেন।

যদিও ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যের শাসকদলকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে বিরোধীদল বিজেপি। রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার এ  প্রসঙ্গে জানান তৃণমূল কংগ্রেসের এটাই হচ্ছে নিয়ম; এক একজন একই পদের জন্য বিভিন্ন সময় নিজেদের সেই পদের দাবিদার বলে উল্লেখ করেন। পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে সমস্ত জায়গাতে এইরকম পদ ভাঙিয়ে দুর্নীতি করতে সচেষ্ট হয়। তবে প্রধানমন্ত্রী হোক বা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জন সেবামূলক কাজে যে কেউ তাদের ছবি ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু কোন রাজনৈতিক বিষয়ে কোনোভাবেই অনুমতি ছাড়া কারোর ছবি লাগানো উচিত নয়।


 

Loading

congtogel

slot gacor

link slot gacor

slot

hartacuan

slot

slot gacor

slot gacor

slot gacor

situs slot toto

playaja

hartacuan

slot gacor

situs slot gacor

link slot online

slot gacor

link slot gacor

slot bet 200

slot dana

slot online

slot gacor

slot777

slot deposit pulsa

situs gacor resmi

link slot gacor

slot gacor

slot gacor

slot toto

link slot

slot

slot

situs slot

slot gacor

login congtogel

situs togel

togel online

slot wdyuk

congtogel

bandar togel

hartacuan

congtogel

slot gacor

slot gacor

slot gacor

londonslot link alternatif

slot gacor

wdyuk

togel online

togel online

situs toto

indosloto

situs toto

watitoto

congtogel

congtogel

danatoto

slot gacor