আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৬/০৭/২০২৬ : তৃণমূল সাংসদ কোয়েল মল্লিক সংসদ পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর পর কিছুটা ধৈর্য্য হারালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি আর এক তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন পর্যন্ত নিজের মেজাজ হারালেন নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক ভূমিকায়।
রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “অভিনেত্রী থেকে রাজনীতিবীদ বনে যাওয়া কোয়েল মল্লিক সাংসদ হিসেবে কাজ শুরু করার কয়েক মাসের মধ্যেই কাজ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তিনি অবশ্য নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার আগে দলকে পুরো বিষয়টা জানিয়েছিলেন। কিন্তু আমি বলতে চাই , যাঁরা চাপে আছেন, তাঁরা ২১শে জুলাইয়ের আগেই সরে যান। কোয়েল তো দেখলাম অব্যাহতি নিয়ে বিজেপি নেতাদের সাথে যোগাযোগ করেছেন। যাঁরা আমাদের দলে থেকে বিক্ষোভ দেখিয়ে দূরে সরে গিয়েছেন, তারাও আমার সাথে যোগাযোগ রেখেছে চলেছে।”
Exhaust Fan @ Rs. 649/- {Click on the image]
মমতার থেকে আরও একটু এগিয়ে তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন নির্বাচন কমিশনকেই এক হাত নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “নির্বাচন কমিশন এখন বিজেপির শাখা হিসেবে কাজ করে চলেছে। নির্বাচন কমিশন আমাদেরকে মাত্র ৩ দিন সময় দিয়েছিল জবাব দিতে, আমরা তার মধ্যেই উত্তর দিয়েছি। কিন্তু নতুন তৈরী হওয়া বিশ্বাসঘাতক দলটি উত্তর দিতে পারছে না। নির্বাচন কমিশন তাদের উত্তর দেওয়ার মেয়াদ ক্রমাগত বাড়িয়ে চলেছে। এভাবে নির্বাচন কমিশনের উচিত নয় বিজেপির শাখা হয়ে কাজকর্ম করা। এটা ঠিক নয়। ”
Chimney Pipe 6 ” X 6 ‘ @Rs. 629/- (Click On The Image)
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] ইকো পার্ক, কলকাতা, ০২/০১/২০২৬ : রাজনীতির ময়দানে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ. তাঁর সক্রিয় হয়ে ওঠাকে কটাক্ষ করেছেন তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ. এবার সাংবাদিকদের এবং কুনাল ঘোষের প্রতিটা কথার জবাব নিজেই দিয়ে দিলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ.
১) কুণাল ঘোষ বলেছেন, “দীঘা জগন্নাথ মন্দির দর্শন আপনার ভাগ্য ফেরালো।”
দিলীপ ঘোষ : “উনি প্রবচন দিতেই থাকেন। লোকে মজা পায়। উনি সব ব্যাপারেই মন্তব্য করে থাকেন। ২৬ এর নির্বাচনে জগন্নাথ দেবের আশীর্বাদেই রাজ্যে পরিবর্তন হবে। “
২) “আপনার ভাগ্যে যে zone পড়বে তার মধ্যে অন্তত ৩৫ টি আসন তৃণমূলের দুর্ভেদ্য দুর্গ। “
পার্টি যাকে যে দায়িত্ব দেবে সেটা সে করবে। আমার এখনও জোন ভাগ নিয়ে কিছু জানা নেই। আমি ৩ বার ভোটে লড়েছি। ৩ বার সভাপতি বা অন্য দায়িত্ব সামলেছি। নিজের ছাড়াও অন্যের হয়ে প্রচার করেছি। ২১ এর ভোটে আমি প্রার্থী ছিলাম না।
৩) “একা শুভেন্দুকে দিয়ে হবে না বুঝেই কি আপনাকে স্বমহিমায় ফেরালো দলের হাই কম্যান্ড?”
“পার্টি তো কোনো একক ব্যক্তির ভরসায় চলতে পারেনা। কিছু প্রমিনেন্ট মুখ থাকে যাদের অভিজ্ঞতা বেশি। তাদের গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনো একজন গোটা পশ্চিমবঙ্গ জিতিয়ে দেবে সেটা সম্ভব নয়।”
৪) আপনার তো এমন দুর্দিনও গেছে যেখানে প্রধানমন্ত্রী রাজ্যে এসেছেন আর আপনাকে বিমান ধরে অন্য জায়গায় চলে যেতে হয়েছে
“হতে পারে। পার্টি এক্সপেরিমেন্ট করে মাঝে মাঝে। আগে তো ভোটে লড়তে হয়নি। তখন দল ভেবেছিল একেকটা মুখকে একেকবার সামনে আনি। দেখি পাবলিক কিভাবে রিয়াক্ট করে। মাঝে কিছুদিন সেই প্রক্রিয়া চলেছে।”
গতবার আইএএফ নিয়েও আপনারা একই ভাবে বিস্তর চর্চা করেছিলেন। রেজাল্ট কি হল? আমার মনে হয় ওই দলের সঙ্গে কোনো না কোনো পার্টির সেটিং হবে। গতবার নওশাদ সিদ্দিকী বড় বড় সভা করেছিল। আর হুমায়ূন কবির এখনও পর্যন্ত নিজের এলাকা ছেড়ে বেরোননি। তার পার্টির কি ভবিষ্যত? উনি সকালে একরকম বলেন। বিকেলে আরেক রকম। মানুষ তো এইভাবে বিশ্বাস করবে না। উনি আগে ওনার উদ্দেশ্য স্পষ্ট করুন। উনি জল মাপছেন। দাম বাড়াচ্ছেন।
৬) হুমায়ূনের ব্রিগেড সমাবেশ
“উনি আগেও অনেক বড় বড় কথা বলেও কিছুই করতে পারেন নি। উনি যদি সত্যিই ব্রিগেডে ১০ লাখ মানুষ জমা করতে পারেন নিঃসন্দেহে ওনার পার্টি একটা বড় শক্তি হিসেবে উঠে আসবে।”
৭) অভিষেক আজ থেকে আবার ফুল অ্যাকশনে
“ভোটে সব পার্টি অ্যাক্টিভ হয়। ওরাও করছে। আমরাও করব। ডায়লগ দিয়ে ইলেকশন জেতা যায়না। সিপিএম কে একসময় অজেয় ভাবা হতো। কেউ ভাবতেই পারেনি সিপিএম হেরে যেতে পারে। তারপর সিপিএম এমন ভাবে হারল আর কোনোদিন খুঁজে পাওয়া গেল না। বিজেপি অলরেডি সাড়ে ৩ হাজার পথসভা করে ফেলেছে। আমাদের রাজ্য সভাপতি উত্তর থেকে দক্ষিণ ট্যুর শুরু করবেন। আমরাও থাকব।”
৮) শীতকালে শীত ঘুম ভাঙ্গল দিলীপ ঘোষের?
“আমার শীত ঘুম ভাঙ্গেনি। আমি রোজ ইকো পার্ক এসেছি। এখানেই আপনাদের সঙ্গে কথা বলেছি। কার কাছে কখন কার গুরুত্ব কমবেশি সেটা পার্টি জানে। দিলীপ ঘোষ আগেও যা ছিল এখনও তাইই আছে। ভোটের মুখে আমাকে যে কাজ দেওয়া হল সেটাই করব।”
৯) প্রতিষ্ঠা দিবসে ফের গোষ্ঠী কোন্দল তৃণমূলে
“কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল তৈরির সময় এরা সমস্ত বদ গুণ নিয়ে এসেছে। ওটা তৃণমূলের ডিএনএতেই আছে। কংগ্রেস গোষ্ঠী কোন্দল করতে করতে শেষ হয়ে গেছিল। তৃণমূল সেই পথেই হাঁটছে। ক্ষমতা চলে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে।”
১০) কি ভোকাল টনিক দিলেন অমিত শাহ?
আমি নিজে কোনো ভোকাল টনিক দিই নি। কাজ শুরু করিনি এখনও।
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ৩০/১২/২০২৫ : পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের সময় নানারকম অসঙ্গতির কারনে যে সব নাম বাদ পড়ে গিয়েছে, সেই সব নামের তালিকা প্রকাশ করতে নির্বাচন কমিশনকে জানালেন তৃণমূল নেত্রী শশী পাঁজা।
এদিন শশী পাঁজা বলেন, “আমাদের রাজ্যে শুনানি শুরু হয়েছে ২৭শে ডিসেম্বর। রাজ্যের বহু বয়স্ক প্রবীণ নাগরিকদের শারীরিক কষ্ট সহ্য করেও কমিশনের দপ্তরে যেতে হচ্ছে। কোনো যেতে নাম বাদ হয়ে যাচ্ছে ! অথচ কমিশনের কেউ অনুপস্থিত থাকলে সেখানে কেউ তারিখ দিচ্ছে না. গোটা বিষয়টি বেশ আমানাৰিক এবং অসাংবিধানিক। ” গত শনিবারই তৃণমূল কংগ্রেসের পাঁচ সদস্যের একটি দল নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে গিয়ে রাজ্যের নির্বাচন কমিশন অধিকর্তার সাথে গিয়ে দেখা করে এসেছেন, এই পাঁচ সদস্যের দলে ছিলেন স্পশী পাঁজাও।
তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে জানা গিয়েছে, “তৃণমূলের প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে এসেছে যে নির্বাচন কমিশন যে কার্জকলাপগুলি করে চলেছে তা জনগণের বিশ্বাসকে নাড়িয়ে দেয়. এতে নির্বাচন কমিশনের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট হবে. নির্বাচন কমিশন যেন প্রতিতাপদক্ষেপ আইনিভাবেই নেয় এবং বৈধ ভোটারদেরকে বাতিল হয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে.”
তৃনমুলংগ্রেস জানিয়েছে, “আমরা বাংলার গণতান্ত্রিক অধিকারের জন্যে পাহারা দিচ্ছি। কোনো শক্তি, কোনো ষড়যন্ত্র, কোনো বিজেপি — ইসিআই সিস্টেমকে কোনোভাবেই জনগণের কণ্ঠরোধ বা অধিকার অধিকার দেওয়া হবে না. ”
ময়নাগুড়িতে পদ্মে ভাঙ্গন। শক্তি বাড়ল ঘাসফুলের। এদিন বিজেপি ছেড়ে প্রায় ৫০ জন বিজেপি কর্মী সমর্থক তৃণমূলে যোগদান করলেন। জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি বিধানসভার চূড়াভান্ডার অঞ্চলে একই বুথের দুই জায়গা থেকে প্রায় ৫০ জন বিজেপি কর্মী সমর্থক তৃণমূলে যোগদান করেন বলে তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি করা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে।
জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রামমোহন রায়ের হাত থেকে এই পতাকা তুলে নেন বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা। সামনেই ২০২৬ বিধানসভা ভোট, আর এই যোগদানে কিছুটা হলেও অস্বস্তিতে বিজেপি। তবে এই যোগদানকে তীব্র কটাক্ষা করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির বক্তব্য “এই ধরনের খবর বিজেপি নেতৃত্বের জানা নেই।” তৃণমূল কর্মীদের কেউ তৃণমূলে যোগদান করিয়ে প্রচারে আসার চেষ্টা করছে বলে কটাক্ষ বিজেপির। আর এতেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], শান্তিপুর,নদীয়া, ২৯/১২/২০২৫ : নদীয়ার শান্তিপুরে এক একজন যুবতী নিজেকে দাবি করছেন যে তিনি নদিয়া জেলা মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের কোর কমিটির সদস্য। ইতিমধ্যে সে খবর বাইরে আসতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
জানা যায়, গত ২৫শে ডিসেম্বর বড়দিন উপলক্ষে নদীয়ার শান্তিপুর ব্লকের বাগাছরা গ্রাম পঞ্চায়েতের ষষ্ঠিতলা এলাকার বাসিন্দা প্রিয়া সরকার নামে এক মহিলা বাচ্চাদের নিয়ে একটি মধ্যাহ্নভোজনের আয়োজন করেছিলেন। সেই অনুষ্ঠানে নদীয়া জেলার ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস থেকে শুরু করে স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামী, শান্তিপুর ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সন্দীপ ঘোষ, সহ একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তিকে এবং প্রশাসনিক কর্তাদের আমন্ত্রণপত্রে নাম দিয়ে আমন্ত্রণ করেছিলেন।
সেক্ষেত্রে আমন্ত্রণপত্রে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড তথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারন সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর ছবি ছিল। অনুষ্ঠানের জন্য দু রকমের আমন্ত্রণপত্র তৈরি করা হয়েছিল একটিতে তিনি নিজেকে ‘সমাজ সেবিকা’ বলে উল্লেখ করলেও অপর আরেকটি আমন্ত্রণপত্রে তিনি নিজেকে নদিয়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের কোর কমিটির সদস্যাবলে দাবি করেছেন। আর এতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
বক্তব্য রাখতে গিয়ে ওই মহিলা প্রিয়া বিশ্বাস সাংবাদিকদের জানান তিনি মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের নদীয়া জেলার কোর কমিটির সদস্যা। এরপরেই শান্তিপুরের তৃণমূল বিধায়ককে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান নদীয়া জেলায় এই রকমের কোন কোর কমিটি আছে বলে তাঁর জানা নেই। যদিও ওই মহিলাকে তিনি বিশেষভাবে চেনেন না, তবে দু:স্থ বাচ্চাদের পাশে থেকে মধ্যাহ্ন ভোজনের যে কাজ তিনি করেছেন সে কারণে তাই সেই আমন্ত্রণপত্র বিধায়ককে যেটা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কোর কমিটি বলে উল্লেখ নেই. তবে সাংবাদিকদের একটি চিঠি তিনি দিয়েছেন যেখানে কোর কমিটি বলে উল্লেখ রয়েছে। বিষয়টি তিনি খতিয়ে দেখবেন এবং ওই মহিলাকে ডেকে জিজ্ঞাসা করবেন বলে জানিয়েছেন।
যদিও ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যের শাসকদলকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে বিরোধীদল বিজেপি। রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার এ প্রসঙ্গে জানান তৃণমূল কংগ্রেসের এটাই হচ্ছে নিয়ম; এক একজন একই পদের জন্য বিভিন্ন সময় নিজেদের সেই পদের দাবিদার বলে উল্লেখ করেন। পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে সমস্ত জায়গাতে এইরকম পদ ভাঙিয়ে দুর্নীতি করতে সচেষ্ট হয়। তবে প্রধানমন্ত্রী হোক বা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জন সেবামূলক কাজে যে কেউ তাদের ছবি ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু কোন রাজনৈতিক বিষয়ে কোনোভাবেই অনুমতি ছাড়া কারোর ছবি লাগানো উচিত নয়।
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], নন্দীগ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর, ২৯/১২/২০২৫ : নন্দীগ্রামে গেরুয়া শিবিরে ব্যাপক ভাঙন!! নন্দীগ্রামের ২ টি ব্লক থেকেই গেরুয়া শিবির ছেড়ে প্রায় ৮০ জন আদি বিজেপি নেতৃত্ব ও কর্মীদের ঘাসফুল শিবিরে যোগদান! নন্দীগ্রামে ঘাঁটি শক্ত হচ্ছে তৃণমূলের বলে দাবি রাজনৈতিক মহলের।
বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬ যত এগিয়ে আসছে, নন্দীগ্রামে ততই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদানের হিড়িক উঠছে। রবিবার নন্দীগ্রাম ২ নং ব্লকের খোদামবাড়ি দু’নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্মী সভাতে খোদামবাড়ী ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের আমড়াতলা , খোদামবাড়ী ও অন্যান্য গ্রাম থেকে প্রায় ৪০ জন আদি বিজেপির সক্রিয় কর্মীরা তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুজিত রায়ের হাত থেকে তৃণমূলের পতাকা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান করলেন। যোগদানকারী মোহন তুঙ্গ বলেন- ২০২১ সালে শুভেন্দু অধিকারীকে বুক চিতিয়ে লড়াই করে জিতিয়েছিলাম, তারপরে যোগ্যতম সম্মান আমরা পাইনি, তাই দল ছাড়তে বাধ্য হয়েছি।
তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুজিত রায় বলেন যত দিন যাচ্ছে ততই তৃণমূলে যোগদানের সংখ্যাটা বাড়ছে,যোগদানকারী বিজেপি কর্মীদের স্বাগত জানান সুজিত রায়,পাশাপাশি বলেন আদি বিজেপির কর্মীরাও স্বাগত।অন্যদিকে নন্দীগ্রাম ১ ব্লকের নন্দীগ্রামের চারগোলিয়া ৮৫ নম্বর বুথের ১০ টি পরিবারের প্রায় ৩০ জন বিজেপি নেতৃত্ব বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগ দেন ।
যদিও এই যোগদানকে কটাক্ষ করেছে বিজেপি নেতৃত্ব মন্ডল সভাপতি সৌমিত্র দে, তিনি বলেন “মোহন তুঙ্গ ও অন্যান্যরা গত সমবায় সমিতিতে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করেছিল তাই ওরা অনেক আগেই থেকে তৃণমূলের সঙ্গে বা তৃণমূল এতে যুক্ত ছিল। এতে বিজেপির কোন ক্ষতি হবে না।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৭/১২/২০২৫ : রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া চলছে আর এর মধ্যেই আজ তৃণমূল কংগ্রেসের পাঁচ সদস্যের একটি দল নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে গিয়ে দেখা করবেন মুখ্যম নির্বাচনী অধিকর্তার সাথে।
রাজ্যে চলছে এসআইআর প্রক্রিয়া। শুনানির জন্যে নোটিশ দেওয়ার কাজ চলছে রাজ্যের ভোটারদেরকে।এরমধ্যেই আজ দুপুরবেলায় দুটো নাগাদ বিবিডি বাগে নির্বাচন কার্যালয়ে গিয়ে মুখ্য নির্বাচন অধিকর্তার সাথে সাক্ষাৎ করবে তৃণমূল কংগ্রেসের পাঁচ জনের একটি দল। তৃণমূলের এই দলে থাকবেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য্য, মানস রঞ্জন ভূঁইয়া, মলয় ঘটক, অরূপ বিশ্বাস ও শশী পাঁজা। তৃণমূলের এই দলটি আজ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের অফিসে গিয়ে দেখা করবেন মুখ্য নির্বাচন অধিকর্তার সাথে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে যে রাজ্যে ৭,৬৬,৩৭,৫২৯ জন ভোটারের মধ্যে মোট ৭,০৮,১৬,৬৩০ এসআইআর ফর্ম ফিল আপ করেছেন। ১৬ই ডিসেম্বর থেকে আগামী ১৫ই জানুয়ারি পর্যন্ত ভোটার তালিকায় নাম তোলা নিয়ে নানারকম আবেদনগুলির শুনানি করা হবে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের দিন পিছিয়ে নিয়ে গিয়ে করা হয়েছে ২০২৬ সালের ১৪ই ফেব্রুয়ারি।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], টিটাগড়, উত্তর ২৪ পরগণা , ২৪/১২/২০২৫ : আগামী ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে আর জিততে পারবেন না, তা সাফ জানিয়ে দিলেন বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। আজ একটি সাংবাদিক বৈঠকে তিনি এই কথা জানান।
বিজেপি নেতা অর্জুন সিং এদিন বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আর কিচ্ছু করার নেই, ছাব্বিশের ভোটে তিনি আর আসছেন না। তৃণমূলের দলীয় কর্মসূচীতে পুলিশকে মাইক টেস্ট করতে বলে মমতা উচিত কাজ করেন নি বলে সমালোচনা করেন বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। তিনি বলেন, “পুলিশের এই পরিণতি হয়েছে। তাদেরকে রীতিমতো দলদাস বানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনো সংবিধানে এমন নিয়ম নেই যে পুলিশকে জুতো পরিষ্কার করতে বলা হবে বা মাইক টেস্ট করে দিতে বলা হবে।”
হুমায়ুন কবীর সম্বন্ধে বলতে গিয়ে এদিন অর্জুন সিং বলেন, “মুসলমানের নেতা একজন মুসলমানই হবে. অন্য ধর্মের কেউ হবে না। বাবর নিজে কখনো বাংলায় আসেন নি, কিন্তু তাঁর নামের শব্দ নিয়ে এই বাংলায় মুসলমান মানুষ এক কাঠ্ঠা হচ্ছেন, সেটা তো দেখাই গেলো। হুমায়ুন কবীর সেই কাজটা করে দেখিয়েছেন বাংলার রাজনীতিকে। মুসলমানরা তাদের নেতা পেয়ে গিয়েছেন, তাদের নেতা হুমায়ুন কবীর, ফিরহাদ হাকিম নন। ”
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ,১৮/১২/২০২৫ : “যারা আজ পশ্চিমবঙ্গকে অসম্মান করছে তারা কি প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে পারবে ? ” বিরোধীদের সম্পর্কে আজ এই প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিকদের বলেন, “বিজেপি পশ্চিমবঙ্গকে অনুপ্রবেশকারীদের প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করতে চাইছে। ওরা ষড়যন্ত্র করতে চাইছে। বিজেপি বলেছিল রাজ্যে এক থেকে দেড় কোটি রোহিঙ্গা আছে, যাদের নাম এসআইআর করে বাদ যাবে এবং খসড়া তালিকাতেও সেটা দেখা যাবে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন বাতিল নামের যে খসড়া তালিকা প্রকাশ করেছে, তাতে বিজেপির দাবী নস্যাৎ হয়ে গিয়েছে। আসলে এভাবেই ওরা পশ্চিমবঙ্গকে অসম্মান করতে চেয়েছিল।”
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, “বিজেপি নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করে এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গকে অসম্মান করতে চেয়েছিল। কিন্তু তাদের এই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে গিয়েছে। পশ্চিমবাংলাকে অসম্মান করার জন্যে তাদের উচিত প্রকাশ্যে রাজ্যের দশ কোটি মানুষের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেওয়া। সেটা কি তারা করবে ? যারা পশ্চিমবঙ্গকে রোহিঙ্গাদের প্রজনন কেন্দ্র বলেছিল। যারা বলেছিল এই রাজ্যে এক থেকে দেড় কোটি অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশী আছে, তাদেরকে ব্যর্থ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।”