Aaj Khabor

পুরোনো  মামলা থেকে বেকসুর খালাস বিজেপি বিধায়ক 

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], আলিপুরদুয়ার, পশ্চিমবঙ্গ, ০৭/০৪/২০২৫ :  পূরণ মামলা থেকে বেকসুর খালাস ফালাকাটা বিধায়ক।শ্লীলতাহানি,  অস্ত্র হাতে হামলা, টাকা লুঠের অভিযোগে আলিপুরদুয়ার আদালতে ফালাকাটার বিজেপি বিধায়ক দীপক বর্মন কে বেকসুর খালাস । আজ আদালতে চূড়ান্ত শুনানিতে বেকসুর খালাস ফালাকাটার বিজেপি বিধায়ক দীপক বর্মন । 

বিজেপি বিধায়ক দীপক বর্মন বলেন,২০১৮ সালের কেস। ৭/৮ বছর হয়ে গেছে। সমস্ত মিথ্যা অভিযোগ থেকে মুক্ত হলাম। বিচারপতি আজ জানালেন এই কেস থেকে আপনারা মুক্ত।  তিনি বলেন,আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল টাকা লুঠ, শ্লীলতাহানি ও অস্ত্র হাতে হামলার অভিযোগ।তার সাফ কথা ধর্মের কল বাতাসে নড়ে।  নিশ্চয় মুক্ত হলাম।  ভালো লাগছে।

এ ব্যাপারে তৃনমূল নেতা মৃদুল গোস্বামী বলেন,  তৃনমূল কে কেন জড়ানো হল বুঝলাম না।  ব্লক সভাপতি, পঞ্চায়েত, দলের কোন নেতৃত্ব অভিযোগ করেছিল? প্রশ্ন তোলেন তৃনমূল নেতা মৃদুল গোস্বামী।  তিনি আর ও বলেন, এটা সাধারন মানুষ অভিযোগ করেছিলেন।  দলের কোন নেতা অভিযোগ করেন নি।  এটা পলিটিক্যাল ব্যাপার নয়। অনেক কেস আদালতে বেকসুর খালাস হয় ।   তিনি প্রশ্ন তোলেন অভিযোগ কারী কে?  তখন তো আমি তৃনমূলের সভাপতি ছিলাম।   আমাদের দলের কেউ জড়িত নয়।

এদিকে এটি হাস্যকর  কেস বলে আখ্যা দেন দীপক বাবুর আইনজীবী ভাস্কর দে


Loading

শিক্ষকদের এই পরিস্থিতির জন্যে রাজ্য সরকারই  দায়ী  : শুভেন্দু 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি],  কলকাতা , পশ্চিমবঙ্গ, ০৭/০৪/২০২৫ :   বিধানসভার বাইরে রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা  অধিকারী। 

উপস্থিত সাংবাদিকদের শুভেন্দু বলেন, ” নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে মাত্র সাত হাজার চাকরিহারা শিক্ষকদের ডেকেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  বাকিদের আর ডাকেন নি, ভিতরেও ঢুকতে দেওয়া হয় নি। তার মানে এই সাত হাজার শিক্ষকদেরকে মমতা যোগ্য  বলে মনে করছেন। আর বাকিরা  অযোগ্য ! কাদাপাড়ার পার্টি অফিস থেকে এই শিক্ষকদের ভিতরে প্রবেশ করার পাস্ জোগাড় করতে হয়েছে। নেতাজি ইনডোরে শিক্ষক ছাড়াও বাকিরা যারা আছে তারা হল সাদা পোশাকের পুলিশ।আর যারা বসে আছে, তারা সাদা পোশাকের পুলিশ। তারা  আছে মুখ্যমন্ত্রীকে রক্ষা  করতে। স্টেডিয়ামের অনেক আসন ফাঁকাই পড়ে আছে।”

শুভেন্দু বলেন, “২০২২ সালে বিচারপতি অভিজিৎ গাঙ্গুলি পাঁচ-সাড়ে পাঁচ হাজার শিক্ষাকর্মী  অযোগ্য  বলেছিলেন। সেই সময় যদি সেই অনুযায়ী রাজ্য সরকার অযোগ্যদের তালিকা আদালতে পেশ করত  তাহলে আজ আর এই দিন দেখতে হত না। মাত্র পাঁচ- সাড়ে পাঁচ হাজার লোকের চাকরি যেত, সেই সময় রাজ্য সরকার ইগো দেখিয়ে বসে রইল। যোগ্য অযোগ্যদের তালিকা দিল না আদালতকে। তারই পরিণামে আজ এই অবস্থা তৈরি হয়েছে। শিক্ষকদের এই পরিস্থিতির জন্যে রাজ্য সরকারই  দায়ী। “

শুভেন্দু আরও বলেন, “শিক্ষা ক্ষেত্রে কে কত টাকা খেয়েছে, তা প্রকাশ হয়ে যেতে বসেছে। ৭২ মিনিটের ফুটেজ সিবিআইয়ের কাছে আছে. সেখানে সুজয় কৃষ্ণ ভদ্র সব কিছুই বলেছেন। লিপ্স এন্ড বাউন্ড কোম্পানির ডিরেক্টর কে বা কারা সব কিছুই প্রকাশ্যে এসে যাবে। “


Loading

রামনবমীতেই শিলিগুড়িতে বিজেপি প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করল 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ০৬/০৪/২০২৫ : রামনবমীর দিন শিলিগুড়িতে পালিত হল ভারতীয় জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠা দিবস।

আজ একদিকে যেমন রামনবমী, ঠিক তেমনি অপরদিকে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠা দিবস। সারা দেশেই ভারতীয় জনতা পার্টির তরফে আজকের এই দিন কোন না কোন ভাবে পালন করা হচ্ছে। 

ঠিক তেমনি রবিবার শিলিগুড়িতেও ভারতীয় জনতা পার্টির কার্যকর্তারা দলের প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করে। এদিন বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা কার্যালয় দলীয় পতাকা উত্তোলন করে এবং দলের কর্মীদের মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময় করে আজকের দিনটিকে পালন করা হয়। 

এদিনের এই কর্মসূচিতে দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ রাজু বিষ্টা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শিলিগুড়ি বিজেপি বিধায়ক শংকর ঘোষ, মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি বিধায়ক আনন্দময় বর্মন, ভারতীয় জনতা পার্টির জেলা সভাপতি অরুন মন্ডল সহ অন্যান্যরা।


Loading

বাম ছেড়ে রামে যোগ শিলিগুড়িতে 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ২৯/০৩/২০২৫ : বাম ছেড়ে রামে! বিধানসভা নির্বাচনের আগে শিলিগুড়িতে চলছে রদবদল।  

ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টিতে দীর্ঘদিনের পথ চলা, অবশেষে রদবদল। কমিউনিস্ট পার্টি ছেড়ে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগদান শিলিগুড়ির দুই কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যরা । শনিবার শিলিগুড়ি বিজেপির সাংগঠনিক জেলা কার্যালয়ে এক সাংবাদিক বৈঠকের ডাক দেন শিলিগুড়ি বিধায়ক শংকর ঘোষ। সেই সাংবাদিক বৈঠকের মধ্য দিয়েই ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির দীর্ঘদিনের সদস্য নারায়ণ গোস্বামী ও শ্যামল বসাক ভারতীয় জনতা পার্টি যোগদান করেন। 

এদিন এক কর্মসূচীতে শিলিগুড়ির বিধায়ক শংকর ঘোষের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলনেতা অমিত জৈন, পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর অনিতা মাহাতো, চার নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর বিবেক সিং, রাজু সাহা, নান্টু পাল সহ অন্যান্যরা। 

এদিন দলের দলীয় পতাকা নতুন দুই সদস্যের হাতে তুলে দিয়ে এবং ভারতীয় জনতা পার্টির খাদা পড়িয়ে তাদের দলে স্বাগত জানান বিজেপি শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলার সদস্যরা।


Loading

লন্ডন থেকে ফিরেই দলের ১০০ বিধায়কের বিরুদ্ধে কঠোর হবেন মমতা  !

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৯/০৩/২০২৫ : লন্ডন থেকে ফিরেই নিজের দলের বেশ কিছু বিধায়কের কাছে কৈফিয়ত চাইবেন তৃণমূল সুপ্রীমো  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার বোধ হয় দলের শৃঙ্খলা নিয়েই  কঠোর পদক্ষেপ করতে হবে তাঁকে। 

রাজনৈতিক দলে শৃঙ্খলা থাকাটা খুবই জরুরি। কিন্তু এই বিষয়টাই বুঝতে চাইছেন না তৃণমূলের শতাধিক বিধায়ক। দলের সুপ্রীমো  জানিয়েছিলেন তিনি তাঁর বিদেশযাত্রা নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন। বিধানসভায় চলতি সেশনের সমাপ্তি ঘটবে মার্চ মাসের ২০ তারিখে, তাই ১৯ এবং ২০ তারিখে যেন বিধানসভায় তৃণমূলের সব বিধায়ক উপস্থিত থাকেন।  এই ব্যাপারে আগে থেকেই হুইপ জারি করেছিলেন টিএমসি চিফ হুইপ নির্মল ঘোষ। কিন্তু তা সত্ত্বেও তৃণমূলের সব বিধায়ক বাজেট সেশনের শেষ দুই দিন অনুপস্থিত থেকে গেলেন। এলেন না বিধানসভায়। 

১৯ ও ২০ তারিখে তৃণমূল কংগ্রেসের মোট ৬০ জন বিধায়ক উপস্থিত হয়েছিলেন। বাকিরা আসেন নি. দলের চিফ হুইপ এবং সুপ্রীম বলা সত্বেও তাঁরা আসেন নি. এই সংখ্যাটা ১০০এর বেশি।  মমতা বিদেশে ছিলেন বলেই কি এই বিধায়করা দলের নির্দেশ থাকা সত্বেও ঐ  দুদিন অনুপস্থিত থেকে গেলেন ? নাকি মমতাকে দলের অভ্যন্তেরই উপেক্ষা করা সাহস ডেকলহান শুরু হয়ে গিয়েছে ? রাজনৈতিক সমালোচকরা এই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন। 

অনুপস্থিত থাকা বিধায়করা কেউ কেউ অসুস্থ থাকার কথা বলেছেন, কেউ স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে পড়ে  গিয়ে আহত হওয়ার কথা  কথা বলেছেন, কেউ বলেছেন “ছিলাম তো!!” মমতা বন্দ্যোপধ্যায় লন্ডন থেকে আজ গভীর রাতে ফিরে আসছেন শহরে।  ফিরে এসেই তিনি এই বিষয়টি নিয়ে বসবেন বলে মনে করা হচ্ছে। বিধানসভার অফিসে তৃণমূলের পক্ষ থেকে সেদিন তৃণমূলের কারা কারা অনুপস্থিত ছিলেন তার তালিকা সংগ্রহ করা হবে। তবে সামনেই আছে ঈদ, বাসন্তী পূজা এবং রামনবমী, সেসব মিটে  যাওয়ার পর শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল শৃঙ্খলা কমিটি এই বিষয়টি নিয়ে বৈঠকে বসবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে বলে জানা গিয়েছে সূত্র মারফত। 

বাজেট সেশনের শেষ দিনে বিজেপি ওয়াক আউট করে বেরিয়ে গিয়েছিল, কিন্তু তারা যদি বেরিয়ে না যেত, তাহলে সেদিন বিধানসভায় তৃণমূলের বিধায়কদের থেকে বিজেপির বিধায়কদের সংখ্যা বেশি হত।আর সেদিন যদি ফাইন্যান্স বিল নিয়ে ভোটাভুটি হত,  তাহলে বিজেপি জিতে যেতে পারতো এবং ফাইন্যান্স বিল কি পাস করানো যেত ? ।  আর ফাইন্যান্স বিল পাস্ করতে ব্যর্থ হলে সেটা সরকারের প্রতি অনাস্থার জন্যে ভোটাভুটিতে যেতে হত।  যদিও সেটা আর ঘটে নি ।


Loading

congtogel

slot gacor

link slot gacor

slot

hartacuan

slot

slot gacor

slot gacor

slot gacor

situs slot toto

playaja

hartacuan

slot gacor

situs slot gacor

link slot online

slot gacor

link slot gacor

slot bet 200

slot dana

slot online

slot gacor

slot777

slot deposit pulsa

situs gacor resmi

link slot gacor

slot gacor

slot gacor

slot toto

link slot

slot

slot

situs slot

slot gacor

login congtogel

situs togel

togel online

slot wdyuk

congtogel

bandar togel

hartacuan

congtogel

slot gacor

slot gacor

slot gacor

londonslot link alternatif

slot gacor

wdyuk

togel online

togel online

situs toto

indosloto

situs toto

watitoto

congtogel

congtogel

danatoto

slot gacor