
বদলা নিতেই গ্রেপ্তার উদয়ন : সৌগত

![]()

বদলা নিতেই গ্রেপ্তার উদয়ন : সৌগত

![]()

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ১৬/০৬/২০২৬ : প্রকাশ্য রাস্তায় ডিম আক্রান্ত হয়েও কুনাল ঘোষ জানিয়ে দিলেন, তিনি ভয় পান নি, তৃণমূলের প্রতি তাঁর আনুগত্যও কমে যায় নি, যাবেও না। ”

![]()

আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি] নতুন দিল্লী, ভারত, ১৬/০৬/২০২৬ : মহা আতান্তরে পড়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। টাগ অফ ওয়ারের একদিকে রয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি, আর একদিকে রয়েছে লোকসভা।

![]()

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি],কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ০৬/০৬/২০২৬ : তৃণমূল দলের স্থায়িত্ব আর কতক্ষন তা দেখতে চান রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। শুধু তাই নয় তৃণমূলের গুন্ডাদের অবিলম্বে পুলিশের হেফাজতে রাখা দরকার বলে মনে করেন তিনি।
বিধানসভা নির্বাচনের এক মাসের মধ্যেই ছত্রভঙ্গ হয়ে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। মহা বিপর্যয়ের সামনে রয়েছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। এর মধ্যেই অনেক নেতা কর্মীর জেল হয়েছে। অনেকে পুলিশের ভয়ে পালিয়ে গিয়েছে। তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে মাটির তলা থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর টাকা, জলাশয় থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর অস্ত্র, এমনকি কলেজের ইউনিয়ন রুম থেকেও উদ্ধার হয়েছে উইয়ে খাওয়া টাকার বান্ডিল।
নির্বাচনে তৃণমূল বিধায়কদের বিশাল একটা অংশ শীর্ষ নেতৃত্বকে অস্বীকার করে নতুন ল গঠন করতে চাইছে। হেরে যাওয়া এই রাজনৈতিক দলটির নাম এবং প্রতীক পর্যন্ত অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে। বিধানসভায় দলের পতন হয়েছে। একের পর এক পুরসভা হাতছাড়া হচ্ছে। কাউন্সিলররা জেলে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সংসদেও টলমল পরিস্থিতি তৃণমূলের। কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে সেখানেও শীর্ষ নেতৃত্বকে অস্বীকার করতে পৃথক জোট বাঁধছেন সাংসদরা। মমতার সাথে থাকছেন হাতে গোনা কয়েকজন মাত্র। এই অবস্থায় দিলীপ ঘোষ বলেন, “দেখতে চাই আর কতদিন এই দলটা টিঁকে থাকে।” বিজেপি নেতারা অনেক আগেই বলেছিলেন যে ‘এই দলে মমতা ব্যানার্জি ও তাঁর ভাইপো ছাড়া আর কেউ থাকবে না।’ সম্ভবত সেটাই হতে চলেছে।
রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, “রাজ্যের মানুষ তৃণমূলের এই গুন্ডা ও চোরদের ওপর এতটাই ক্ষেপে আছেন যে যেকোনো দিন একটা বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। যেভাবে সবাই ডিম ছুঁড়ছে ! এই দুষ্কৃতীদের অবিলম্বে পুলিশের হেফাজতে পাঠিয়ে দেওয়া উচিত। সেখানে থেকেই এদের বিচার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়া উচিত। ”
![]()

আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৩/০৬/২০২৬ : রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের মাত্র এক মাসের মাথায় ধুলোয় ধুলিস্যাৎ হয়ে গেল তৃণমূল কংগ্রেস দলটি। অল ইন্ডিয়া তৃণমূলকংগ্রেস দলটাই সম্ভবত নিশ্চিহ্ন হতে চলেছে।
বিধানসভায় সই জাল কাণ্ডে তৃণমূল দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছিল দুই বিধায়ক ঋতব্রত ও সন্দীপন সাহাকে। এই দুই বিধায়ক দল থেকে বহিস্কৃত হয়ে মোট ৫৮ বিধায়কদের নিজেদের দিকে টেনে নিয়ে গেলেন। এই দলে আরও দুজন বিধায়ক যুক্ত হওয়ার কথা আছে. শোনা যাচ্ছে আরও বেশ কিছু বিধায়ক ঋতব্রতদের সাথে যোগাযোগ রাখছেন তাঁদের সাথে যুক্ত হয়ে কাজ করার জন্যে। এই বিধায়করা কেউই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজেদের নেতা বলে মানতে চাইছেন না।
পরিস্থিতি এমন দিকে গড়ালো হয়েছে যে হয় অভিষেককে দল থেকে বের করে দিতে হয় অথবা সব বিধায়করা দল ছেড়ে বেরিয়ে যাবেন। এমতাবস্থায় ব্যাপক রাজনৈতিক সংকট দেখা দিয়েছে। এর মধ্যেই আবার কলকাতার মেয়র পদ থেকে সরে গিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। মেয়র পারিষদ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন তারক সিং. এভাবে একের পর এক নেতারা সরে যাচ্ছেন। গ্রেপ্তার হচ্ছেন অনেকে। যেমন সুদীপ পোল্লে, জয়প্রকাশ মজুমদার গ্রেপ্তার হয়েছেন বিভিন্ন অপরাধের ধারায়।
এর ফলে একের পর এক নিষ্ক্রিয় হয়ে গিয়ে তৃণমূলের ঘর ফাঁকা হয়ে গিয়েছে। সেই ঘরে এখন আর জায়গা হচ্ছে না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অথবা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়েরই. অথচ কয়েকদিন আগে পর্যন্ত এই দলের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ছিল এই দুজনের হাতে। এখন সব কিছুই শূন্যে গিয়ে ঠেকেছে।

![]()

হারিনি, জোর করে হারানো হয়েছে : মমতা
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি] ফলতা , দক্ষিণ ২৪ পরগণা , ২৫/০৫/২০২৬: রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের শোচনীয় পরাজয় ও পরিস্থিতির জন্যে কেন্দ্র সরকার এবং ফলতায় হারের জন্যে জাহাঙ্গীর খানকে দোষারোপ করলেন তৃণমূল নেতা সৌগত রায় ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
রাজ্যে এই মুহূর্তে তৃণমূল কংগ্রেসের অবস্থা যেন ভাঙ্গা হাটের চেহারা নিয়েছে। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই প্রকাশ্যে আসছিলেন না তৃণমূলের নেতারা। তবে একটি ভিস্তিও বার্তার মাধ্যমে বেশ কিছুদিন পর দেখতে পাওয়া গেল তৃণমূল সুপ্রীমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। একটি ভিস্তিও বার্তায় তিনি তৃণমূল হকংগ্রেসের এই পরিস্থিতির জন্যে কেন্দ্র সরকারকেই দায়ী করেছেন।
মমতা বলেছেন, “তৃণমূল কংগ্রেস হারে নি, তৃণমূল কংগ্রেসকে জোর করে হারানো হয়েছে। আপনারাও যখন দিল্লীতে ক্ষমতা হারাবেন, একই পরিস্থিতি হবে আপনাদেরও। ” এই মুহূর্তে রাজ্যে পুর বোর্ড নড়বড় করছে। হাওড়া ও বালি পুরসভায় নির্বাচনের আশ্বাস দিয়েছেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূলের কয়েকজন কাউন্সিলর আইনি সমস্যায় পড়েছেন। কেউ কেউ গ্রেপ্তার হয়েছেন। এইপরিস্থিতিতে কোনো কাউন্সিলর যেন পদত্যাগ না করেন এবং রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করেন সেই বার্তাই দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা ফলতায় দলের বিপর্যয়ের জন্যে জাহাঙ্গীর খানকেই দোষী ঠাউরেছেন। ফলতায় তৃণমূলের হয়ে ভোট নিয়ন্ত্রণ করত জাহাঙ্গীর খান বাহিনী। এবার ফলতায় পূননির্বাচনের নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সেই নির্বাচনের প্রচারের শেষ লগ্নে নিজের প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন জাহাঙ্গীর খান। এই নির্বাচনে গ্রামের মানুষ অবাধে ভোট দিতে পেরেছিলেন, ফলে বিজেপি বিপুল ভোটে জয়লাভ করে গিয়েছে।
এই পরিস্থিতির জন্যে জাহাঙ্গীর খানকেই দোষারোপ করেছেন তৃণমূল নেতা সৌগত রায়। তিনি বলেছেন “শেষ মুহূর্তে যেভাবে নিজের প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করে নিয়েছে জাহাঙ্গীর, তার জন্যেই আমাদের শোচনীয় পরাজয় হয়েছে। সে যদি আরও আগে নিজেকে সরিয়ে নিত, তাহলে আমরা আরও ভালো কোনো প্রার্থী সেখানে দিতে পারতাম।” জাহাঙ্গীরের এই শেষ মুহূর্তে নিজেকে সরিয়ে নেওয়াটাকে ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ হিসেবেই দেখছেন সৌগত রায়।
![]()

আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি] চেন্নাই, তামিলনাড়ু, ০৬/০৫/২০২৬ : দক্ষিন ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা তথা তামিলাগা ভেট্টরি কাজাঘম (TVK) পার্টির প্রেসিডেন্ট বিজয় সম্ভবত তামিলনাড়ুর নয়া মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করতে চলেছেন। তবে সেই পথে সংকটও তৈরি হয়েছে।
দক্ষিণ ভারতের অভিনেতা হিসেবে বিজয়ের জনপ্রিয়তা আকাশ স্পর্শ করেছে। অভিনয় করতে করতেই তাঁর রাজনীতিতে আসা। টিভিকে দলের মুখ তিনিই। কিন্তু সরকার গঠনের জন্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা সম্ভবত নেই বিজয়ের কাছে। তামিলনাড়ুর ২৩৪টি আসনের মধ্যে টিভিকে পেয়েছে ১০৮টি আসন। সরকার গড়তে দরকার আরও ১০টি আসন।
এর মধ্যেই আবার বিজয় নিজের আসন থেকে সরে এসেছেন, সুতরাং টিভিকের কাছে রইল ১০৭টি আসন। যদিও কংগ্রেস থেকে টিভিকের সমর্থনে ৫ আসন পাওয়া যাচ্ছে, কিন্তু তাতেও সরকার গঠনের জন্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাওয়া যাচ্ছে না। যদিও নির্বাচনে কংগ্রেস ডিএমকের সাথে জোট বেঁধে লড়েছিল। এখনো তারা টিভিকেকে ৫ আসনে সমর্থন দেওয়ার কথা জানিয়েছে। সংকট মেটাতে রাজ্যপালের সাথে আলোচনা করছেন বিজয়।
![]()

আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি] লখনৌ, উত্তরপ্রদেশ, ০৬/০৫/২০২৬ : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে সাক্ষাৎ করতে কলকাতায় আসছেন সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব।
বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু তা সত্বেও মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিতে চাইছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে সর্বভারতীয় রাজনীতির ক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরাজয়ের জন্যে কি প্রভাব পড়তে পারে, বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের ওপর কেমন প্রভাব পড়তে চলেছে, সম্ভবত সেই সব নিয়েই আলোচনা করতে আগামীকাল কলকাতায় আসছেন সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ সিং যাদব।
তৃণমূলের পরাজয়ের পর বিরোধী ইন্ডি জোটের ভূমিকা কি হবে তা নিয়ে আলোচনা করতে কলকাতায় আসছেন অখিলেশ। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন “আরও শক্তিশালী এবং এক জোট হয়ে ইন্ডি জোট লড়াই করবে।” বিশেষত ইন্ডি জোট নিয়ে আলোচনা করতেই আগামীকাল কলকাতায় আগমন হবে অখিলেশের।
আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কালীঘাটে দলীয় বৈঠক সেরেছেন। সেই বৈঠকে জয়ী বিধায়কদের মধ্যে ১১ জন অনুপস্থিত ছিলেন। ঐ বৈঠকে মমতা আজ বলেছেন, ‘তিনি নির্বাচনের ফলাফল মানেন না। তিনি কোনোভাবেই মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেবেন না। যদি সেই কারনে কয়েকদিনের জন্যে রাষ্ট্রপতি শাসন হয়ে যায়, তা হোক, কিন্তু তিনি ইস্তফা দেবেন না।
এদিকে আগামী ৯তারিখ রবীন্দ্রাজয়ন্তীর দিন সকাল ১০টায় ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শপথ গ্রহণ করবে বিজেপি সরকার। ওই দিন উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ।
![]()

“নিজেদের হাতে আইন তুলে নেবেন না”
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি] নন্দীগ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর, ০৬/০৫/২০২৬ : রাজ্যে নতুন সরকার গঠন করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করার বার্তা দিলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী।
শুভেন্দু অধিকারী আজ বলেন, “আপনাদের সকলকে শান্ত থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি। কেউ নিজের হাতে আইন তুলে নেবেন না। আমরা প্রত্যেকটা কেসের ফাইল রি-ওপেন করবো। কুকুর মানুষের পায়ে কামড়ালে মানুষ কুকুরের পায়ে কামড় দেয় না। আপনারা নিজেদেরকে সংযত রাখুন। আগামী ৯ তারিখে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পর পুলিশের অনুমতি নিয়ে বিজয় মিছিল করবেন, তার আগে এই কয়েকটা দিন শান্ত থাকুন।”
আগামী ৯ তারিখ রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন সকাল ১০টায় মন্ত্রীসভার শপথ নেবেন বিজেপির বিজয়ী বিধায়করা। ঐদিন কলকাতায় উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। রাজ্যে এই প্রথম পথ চলা শুরু করবে বিজেপি সরকার। আগামীকাল রাতে পরিষদীয় দলের বৈঠক করবে বিজেপি।
![]()