Aaj Khabor

বিজেপিকে রেখে দিলে আলসার, আর বাড়তে দিলে ক্যান্সার : অভিষেক

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], বারাসাত, উত্তর ২৪ পরগণা , ১৯/০১/২০২৬ : প্রায় ঘন্টা খানেক সভা মঞ্চে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সভার শুরুতে এস আই আর নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়কে স্বাগত জানিয়ে তৃণমূল ও রাজ্যবাসীর জয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

যাদেরকে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে তাদের লিস্ট নির্বাচন কমিশন কে প্রকাশ করতে হবে এই দাবি নিয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এর কাছে দিল্লিতে তাদের ১০ জনের সাংসদের একটি দল কয়েক দিন আগে বৈঠক করেন বলেও জানান তিনি। আজ সুপ্রীম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে যুক্তিপূর্ণভাবে যাদের বাদ   তালিকা টাঙ্গিয়ে দিতে হবে স্থানীয় পঞ্চায়েত অফিসে।

সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ে বাংলার দশ কোটি মানুষের জয় হয়েছে হেরেছে ‘বহিরাগত জল্লাদরা’এমনটাও স্বভাব মঞ্চে বক্তৃতাকালে বলতে শোনা যায় অভিষেককে। এছাড়া বিজেপি নেতারা এ রাজ্যে এসে মনীষীদের নাম ভুল বলা নিয়েও এদিন মঞ্চ থেকে ফের একবার কটাক্ষ করলেন অভিষেক।

উত্তর ২৪ পরগনার মাটি তাদের কাছে খুবই খাঁটি বলে জানান তিনি একই সঙ্গে এই জেলাতে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ৩৩-০ করারও ডাক দেন কাছারি মাঠের এই সভা থেকে। বনগায় শান্তনু ঠাকুরের নাম উল্লেখ করে অভিষেক তোপ দেগে বলেন দশ বছর ধরে নাগরিকত্বের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা। বনগাঁর ভাইয়েরা শুনে রাখুন বিজেপি ভোট আসলে টাকা ছড়াবে আপনারা সেই টাকা নেবেন আর ভোটের সময় তৃণমূলকে ভোট দেবেন যাতে ওরা চোখে সর্ষের ফুল দেখে। শান্তনুকে কটাক্ষ করে আরো বলেন বনগাঁতে দু’চারটে আবর্জনা রয়েছে যারা আপনাদের অধিকার দিল্লিতে চিঠি দিয়ে আটকে রেখেছে তবে ১০০ দিনের কাজের টাকা আটকে টাকা নিয়ে তিনি কোন দরবার করেননি।

পাশাপাশি সভামঞ্চে আসা তৃণমূল কর্মীদের বলেন আপনারা পাশে থাকলে আমরা আড়াইশোর বেশি সিট নিয়ে ক্ষমতায় আসব আর বিজেপিকে পঞ্চাশের নিচে নামাবো। পাশাপাশি বিজেপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন ‘বিজেপিকে রেখে দিলে আলসার, আর বাড়তে দিলে ক্যান্সার’আগামী এপ্রিলে বিধানসভা ভোটে তাদেরকে হারানোর বার্তা দিলেন এ দিনের মঞ্চ থেকে। এসআই এর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর রাজ্যের বেশ কয়েক জায়গায় তিনি সভা করেছেন। অনেক জায়গায় জীবিতদের মৃত হিসেবে দেখানো হয়েছে।  এদিনের মঞ্চে এমন পাঁচজনকে সভা মঞ্চে তার পাশে ডাকেন যেখানে তারা নির্বাচন কমিশনের খাতায় মৃত রয়েছেন। ভোটার তালিকায় যাতে তাদের নাম থাকে সেই ব্যবস্থার তৃণমূল করবে এই আশ্বাস্ তাদের দেওয়া হয় ভরা সভা মঞ্চ থেকে।


 

Loading

কে হতে চলেছেন বিজেপির নতুন সভাপতি ?

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], নতুন দিল্লী, ভারত, ১৯/০১/২০২৬ :  ভারতীয় জনতা পার্টির নতুন সর্ব ভারতীয় সভাপতি মনোনয়নের জন্যে তোড়জোড় চলছে দিল্লীতে তাদের সদর দপ্তরে।  এই মনোনয়নকে ঘিরে দিল্লীর সদর দপ্তরে গোটা দেশ থেকেই ভীড় করেছেন বিজেপি নেতারা।

ভারতীয়  জনতা পার্টি নতুন সভাপতি পেতে চলেছে।সেই উদ্দেশ্যেই আজ মনোনয়ন গ্রহণ করা হবে. দিল্লীর সদর দাপটের তারই তোড়জোড় চলছে। মনোনয়ন প্রক্রিয়া দুপুর ২টো  থেকে বিকেল ৪টের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে. এরপর বিকেল ৪টা  থেকে বিকেল ৫টা  পর্যন্ত মনোনয়ন যাচাই বাছাই করা হবে. বিকেল ৫টা  থেকে ৬টার  মধ্যে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেওয়া যাবে। নির্বাচকরা আজ সন্ধ্যে সাড়ে ছটা  নাগাদ একটি প্রেস বিবৃতি জারি করবেন বলে জানা গিয়েছে।

বিজেপির জাতীয় কার্যকরী সভাপতি নিতিন নবীন  সর্ব ভারতীয় সভাপতি পদে মনোনয়ন পেশ করতে প্রস্তুত হয়ে আছেন। নরেন্দ্র মোদী এবং অমিত শাহের সমর্থন নিয়ে নিতিন নবীন যদি বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি হন, তাহলে তিনিই হবেন বিজেপির সর্বকনিষ্ঠ সভাপতি। দলের জাতীয় কাউন্সিল এবং রাজ্য কাউন্সিলের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত নির্বাচন কমিটি নতুন সভাপতির নাম ঘোষণা করবে।


 

Loading

সরকারি ডকুমেন্ট প্রতীক জৈনের বাড়িতে কেন ? : সুকান্ত মজুমদার

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], নতুন দিল্লী, ভারত, ১৪/০১/২০২৬ :  একটি খ্যাতনামা সংবাদদাতা সংস্থাকে পশ্চিমবঙ্গ সম্বন্ধে অভিমত জানাতে গিয়ে তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারকে তুলোধুনা করলেন বিজেপি নেতা তথা সাংসদ সুকান্ত মজুমদার।

সুকান্তবাবু প্রশ্ন তুলেছেন, “কিভাবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস প্রতীক জৈনের বাড়িতে যেতে পারে ?  যদি বাংলায় ৬০% মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ থেকে থাকে, তাহলে কোনো চ্যাটার্জি বা ব্যানার্জি কি মুখ্যমন্ত্রী হতে পারতেন ?” সুকান্ত মজুমদার বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে কোনো গণতন্ত্র নেই. মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চাইছেন এই রাজ্যটাকে দ্বিতীয় কাশ্মীর তৈরি করতে।”

প্রখ্যাত অর্থনীতিবীদ অমর্ত্য সেনকে এসআইআর এর শুনানিতে ডাকা হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “অমর্ত্য সেন কি আইনের উর্দ্ধে ? যে তাঁকে ডাকা যাবে না ?”  তিনি অভিযোগ করে বলেন যে বামেরা হল তৃণমূলের ‘বি টিম’ ; তারা সেভাবেই কাজ করছে। তবে যত যাই হোক না কেন, ২০২৬এ বিজেপি বাংলায় একজন বাঙালি মুখ্যমন্ত্রীকে বসাবে, যিনি মাছ ভাত খেতেই পছন্দ করেন।”


Loading

মোথাবাড়ীর বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ বিজেপির

আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], মোথাবাড়ি , মালদা, ১৩/০১/২০২৬ :  নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে ততই উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়।  রাজ্যের অন্যান্য জায়গার মত  মালদার মোথাবাড়িও  উত্তপ্ত।  এখানে তৃণমূল নেত্রী তথা বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছে বিজেপি।

মোথাবাড়ির বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে মোথাবাড়ি থানায় লিখিত অভিযোেগ দায়ের। অভিযোগ দায়ের করল কালিয়াচক-২নং ব্লকের বিজেপি নেতৃত্ব। উল্লেখ্য, গত ১০ ই জানুয়ারি ‘স্বৈরাচারী’ আখ্যা দিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের উদ্যোগে বিশাল প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয় মালদার মোথা বাড়িতে।

সেদিন সেই মিছিলে দেশের প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং এই রাজ্যের বিরোধী দলনেতার কুশ পুতুল দাহ করেন মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন এবং তৃণমূল নেতৃত্ব। সেই সঙ্গে ধর্মীয় বিভাজনের বক্তব্য রাখেন তৃণমূল নেতৃত্ব। এর প্রতিবাদে মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে বিজেপি।


Loading

তৃণমূলের পর এবার বিজেপির মুখেও কুকথা

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], ইংরেজবাজার, মালদা, ১৩/০১/২০২৬ : তৃণমূলের পর এবার বিজেপি। হুংকার কুকথার কথার রাজনীতি অব্যাহত মালদায়। এবার তৃণমূল নেতৃত্বকে 2026 এর ভোটের পরে জেলে বা বাংলাদেশে পাঠানোর হুংকার বিজেপির যুব মোর্চার সভাপতির। পাল্টা ভোটের পর দেশ ছাড়া করার হুংকার তৃণমূল নেতৃত্বের।

যুব দিবস উপলক্ষে মালদার ইংরেজবাজার শহরে যুব মোর্চার পক্ষ থেকে, মিছিল ও সভার আয়োজন করা হয়। মাল্লার ইংরেজি বাজার শহরের পোস্ট অফিস মোরে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপির যুব মোর্চার দক্ষিণ মালদা সাংগঠনিক জেলার সভাপতি শুভঙ্কর চম্পটি বলেন, স্বামী বিবেকানন্দ বলেছেন একদিকে গীতা পড়তে এক দিকে ফুটবল খেলতে। আমরা গীতা পোড়ী আবার ফুটবল খেলি। তৃণমূল এই রাজ্যে মনীষীদের থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষদের বারবার অপমান করেছে। ওরা বলে খেলা হবে খেলা হবে। ২০২৬ এ খেলা হবে। ওরা এত দুর্নীতি করেছে ।  ওদের বলতে চাই মাত্র আর দু’মাস। আমরা যেমন গীতা পড়তে পারি ডান্ডা নিয়ে লড়াই করতে পারি।  ভোটের পরে তৃণমূল দলটাকে কিক মেরে বাংলাদেশে পাঠাবো।

কেন তুমি এ কথা বললেন এ প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন সঠিক কথা বলেছি, এরা দুর্নীতিবাজ। এদের ভোটের পরে জেলের ভাত খাওয়াবো। নাহলে কিক মেরে বাংলাদেশে পাঠাবো।

জেলা তৃণমূলের সম্পাদক, বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙ্গা বিজেপির কাছ থেকে মনীষীদের সম্মান দেওয়া তৃণমূলকে শিখতে হবে না।

তৃণমূল কংগ্রেস ২০২১ সালেও খেলেছে। ২০২৬ ও খেলবে। ভোটের পরেই ওরা বাংলাদেশ যাবে না পাকিস্তান যাবে, তারা তখন টের পাবে।

Loading

‘মেরে হাড়গোড় গুঁড়িয়ে দেব’, ‘বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেব’ – প্রকাশ্য জনসভায় হুমকি তৃণমূল নেতার

আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], রামনগর, পূর্ব মেদিনীপুর, ১২/০১/২০২৬  : প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে ‘হাড়গোড় গুঁড়ো’ ও ‘বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়ার’ হুমকি—তৃণমূল নেতার বক্তব্যে চাঞ্চল্য রামনগরে!
প্রকাশ্য রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে হুমকিমূলক বক্তব্য ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল রামনগর–২ ব্লকে। অভিযোগ, মৈতানা অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ওয়াসিম রহমান প্রকাশ্যে বিরোধীদের উদ্দেশে “হাড়গোড় গুঁড়ো করে দেওয়া” এবং “বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া”-র মতো মন্তব্য করেন। এই বক্তব্যের ভিডিও ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে এবং তা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়েই ওই নেতা এ ধরনের হুমকিমূলক ভাষা ব্যবহার করেন। ভিডিওতে শোনা যায়, তিনি কড়া ভাষায় প্রতিপক্ষকে লক্ষ্য করে আক্রমণাত্মক মন্তব্য করছেন। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
বিরোধীদের তরফে অভিযোগ, এই ধরনের বক্তব্য আইনশৃঙ্খলার পরিপন্থী এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। তারা দোষীর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে, শাসকদলের অন্দরেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
ঘটনাটি নিয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। ভিডিওটি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। কিন্তু এই ঘটনা  প্রসঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ সুপার মিতুন কুমার দে জানিয়েছেন, রামনগর থানায় লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা প্রাথমিকভাবে ওয়াসিম রহমানকে এরেস্ট করেছি। আমরা কোর্টের কাছে তাঁকে ফরওয়ার্ড করছি। পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার মিতুন কুমার দে।

Loading

দিল্লীতে পুলিশ টেনে হিঁচড়ে তুলে নিয়ে গেলো তৃণমূলের সাংসদদের

 
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি ] , নতুন দিল্লী,  ভারত, ০৯/০১/২০২৫ :   কলকাতায় গতকাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের সাথে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তীব্র সংঘাতের  ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে আজ কেন্দ্রীয় স্বরষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অফিসের সামনে তৃণমূলের সাংসদরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে গিয়ে আটক হন।
আজ সকালেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দপ্তরের সামনে পৌঁছে যান তৃণমূলের সাংসদরা। সেখানে গিয়ে হাতের প্ল্যাকার্ড দেখিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা, তার সঙ্গে স্লোগান দিতে থাকেন। এই সময় দিল্লী পুলিশ তাঁদেরকে আটকান এবং এই সময় তৃণমূল সংসদ কর্মীরা পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি  করতে থাকেন। পুলিশ তাঁদেরকে বলপূর্বক চ্যাংদোলা করে প্রিজন ভ্যানে তুলে নিয়ে চলে যান থানায়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দপ্তরের সামনে পুলিশ প্রহরা আরও জোরদার করা হয়।
গতকাল কলকাতায় আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের  বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়েছিল কেন্দ্রীয় এজেন্সি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেখানে তদন্ত চলাকালীনই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়  হাজির হয়েছিলেন সাদা পোশাকের পুলিশ নিয়ে, ঘটনাস্থলে  তদন্ত করতে থাকা ইডি আধিকারিকদের সাথে তীব্র তাঁর  বাদানুবাদ হয়, এবং ইডির বাজেয়াপ্ত করা  ফাইল ও হার্ড ডিস্ক তিনি সঙ্গে থাকা পুলিশের সাহায্যে  ছিনিয়ে নিয়ে চলে যান বলে অভিযোগ উঠেছে। গোটা বিষয়টি আজ আদালতেও উঠতে চলেছে।
দিল্লীতে আজ এই ঘটনারই প্রতিবাদে বিক্ষোভে সামিল হয়েছিলেন শতাব্দী রায়, ডেরেক ও ব্রায়ান, মহুয়া মৈত্র  ও কীর্তি আজাদের মত সাংসদেরা। ছিলেন আরও কিছু তৃণমূল কর্মীরা। পুলিশ এই সাংসদদের টেনে হিঁচড়ে তুলে নিয়ে যায় থানায়। সাংসদ মহুয়া মৈত্র বলেন, “নির্বাচিত সাংসদদের সাথে এদের পুলিশ কি ব্যবহার করছে আপনারা দেখুন । এই বিজেপিকে আমরা হারাবোই।”

Loading

আইপ্যাকের অফিসে মমতা, ইডির সাথে বাদানুবাদ

আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ,০৮/০১/২০২৬  :  বৃহস্পতিবার যখন আইপ্যাকের অফিসে একটি ভুয়ো চাকরির অভিযোগের ভিত্তিতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তল্লাশি   ওই অফিসে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এরপরেই চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়. পৌঁছেছেন।আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের  বাড়িতেও পৌঁছেছেন ইডি  আধিকারিকরা।
আইপ্যাকের অফিসে ইডি হানা সাত সকালে। কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতেও পৌঁছেছেন অফিসাররা। সূত্রের খবর, এই খবর কানে আসা মাত্রই তাঁর বাড়িতে পৌঁছেছেন পুলিশ কমিশনার, গেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
ভোর হতেই নড়েচড়ে বসে কলকাতার একাধিক এলাকা। বৃহস্পতিবার সকালে ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাক-এর কর্ণধার প্রতীক জৈন-এর বাড়ি ও দফতরে একযোগে হানা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সল্টলেক-এ আইপ্যাকের দফতর এবং শহরের লাউডন স্ট্রিটে প্রতীক জৈনের বাড়িতে শুরু হয় তল্লাশি। ইডি সূত্রে খবর, দিল্লির একটি পুরনো কয়লা পাচার মামলার সূত্র ধরেই এই অভিযান।
জানা গিয়েছে, বুধবার রাতেই দিল্লি থেকে ইডির একটি বিশেষ দল কলকাতা আসে। বৃহস্পতিবার সকাল হতেই একাধিক জায়গায় একযোগে তল্লাশি শুরু করেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। প্রতীক জৈনের বাড়ির পাশাপাশি পোস্তা এলাকায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও তল্লাশি চলছে। এই অভিযান পুরোপুরি একটি পুরনো মামলার সঙ্গে যুক্ত, যা এর আগে দিল্লিতে তদন্তাধীন ছিল।
ইডি সূত্রে জানা যাচ্ছে, কয়েক বছর আগে এই মামলার তদন্তে ঝাড়খণ্ড এবং কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়েছিল। সেই সময় কয়লা পাচার মামলায় অনুপ মাঝি ওরফে লালা-কে দিল্লিতে ডেকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। শুধু অনুপ মাঝিই নন, এই মামলার সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে আরও বেশ কয়েকজনকে জেরা করা হয়। পাশাপাশি টাকার লেনদেন সংক্রান্ত একাধিক নথি খতিয়ে দেখেন ইডির আধিকারিকরা।
সূত্রের দাবি, সেই জেরার সূত্র ধরেই উঠে আসে প্রতীক জৈনের নাম। তদন্তকারীদের হাতে আসে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত কিছু তথ্য, যা যাচাই করতেই ফের সক্রিয় হয় ইডি। দীর্ঘদিন ধরেই মামলাটি নিয়ে নীরবে তথ্য সংগ্রহ চলছিল বলে ইডি সূত্রের খবর। সবকিছু মিলিয়ে তদন্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছনোর পরই এই তল্লাশির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপধ্যায় এদিন অভিযোগ করেন যে  আই প্যাকের অফিস থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের বিভিন্ন নথী  বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সি কোন নির্দেশ বলে ভোটের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের যদি বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে যাচ্ছে ? দুষ্ট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশেই কি ইডি  এই ধরনের কাজ করছে ?
একটি ভুয়ো চাকরি চক্রের খোঁজ চালাতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট আজ দেশের ১৫টি জায়গায় একযোগে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছিল, সেই তল্লাশি অভিযান চলছিল আইপ্যাকের অফিসেও। প্রতীক জাইনের বাড়ি ও অফিস দুই জায়গাতেই তল্লাশি চালানো হয়েছে। . মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “যদি ঠিক এভাবেই বিজেপি পাইরটি অফিসগুলিতেও পুলিশের অভিযান চালানো হয়, সেটা কি বিজেপির পক্ষে ভালো হবে ? কোন অধিকারে ওরা  তৃণমূলের তথ্য সম্বলিত নথী, হার্ড ডিস্ক বাজেয়াপ্ত করছে ?  নির্বাচনের জন্যেই আমাদের সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।”

Loading

বঙ্গ বিজেপির নতুন স্কোয়াড প্রকাশ্যে

জ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৭/০১/২০২৫ :  আগামী বিধানসভা নির্বাচনে যাওয়ার আগে নিজেদের ব্রিগেড ভালো করে সাজিয়ে নিল  বঙ্গ বিজেপি।
পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি তাদের দপ্তরের কাজের জন্যে এবং সাংগঠনিক পরিচালনার জন্যে কেন্দ্রীয় প্রেসিডেন্ট জে  পি নাড্ডার  অনুমোদন নিয়ে বতুন স্কোয়াড তৈরি করল। আজ এই খবর  পাওয়া গিয়েছে বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ দপ্তর থেকে।  এই রাজ্যে বিজেপির প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য্য। সহ সভাপতি হয়েছেন সঞ্জয়  সিং, রাজু ব্যানার্জি, দেবশ্রী চৌধুরী, অগ্নিমিত্রা পল , দীপক বর্মন, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, মনোজ্ টিগ্গা,নিশীথ প্রামানিক, তাপস রায়, অমিতাভ রায়, তনুজা চক্রবর্তী ও প্রবল রাহা।
সাধারণ সম্পাদক হিসেবে স্কোয়াডে থাকছেন জ্যোতির্ময় সিং  মাহাতো, লকেট চ্যাটার্জি, সৌমিত্র খান, ব্যাপী গোস্বামী ও শশী অগ্নিহোত্রী।  সম্পাদক হিসেবে থাকছেন শংকর ঘোষ, দীপাঞ্জন গুহ, সোনালী মুর্মু, মনোজ পাণ্ডে, অম্লান ভাদুড়ী, মহাদেব সরকার, সাকরভ সরকার, সিন্টু সেনাপতি, শর্বরী মুখার্জি, মোহন শর্মা, বিভা মজুমদার ও সঞ্জয় ভার্মা।

Loading

মমতা নাটক করছেন : শমীক

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৬/০১/২০২৬ :  রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া চলছে আর তার মধ্যেই এই প্রক্রিয়াকে বিগ্নিত করতে রীতিমত নাটক করে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আজ এমনি অভিযোগ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য্য।

বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য্য এদিন বলেন, “মমতা বার বার অভিযোগ করে বলতে চাইছেন যে রাজ্যে এসআইয়ের চলার জন্যেই একের পর এক নাগরিক হেনস্থার শিকার হচ্ছেন এবং মারা যাচ্ছেন।. তাই এসআইয়ের এর এইপ্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অমানবিক। এই অমানবিক প্রক্রিয়া এখনই বন্ধ করা দরকার বলে দাবী জানাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিষয়টিকে তিনি দেশের শীর্ষতম আদালতে নিয়ে যেতে চাইছেন।”

সমিল ভট্টাচার্য্য বলেন, “মমতা জানেন এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে লাগাতার অভিযোগ করলে এবং সুপ্রীম কোর্টে  নিয়ে গেলে ববন্ধ হয়ে যেতে পারে এই প্রক্রিয়া। কিন্তু তাতে কি হবে? এসআইআর বন্ধ হয়ে গেলে নির্বাচন প্রক্রিয়াও বিঘ্নিতহবে। নির্বাচন হবে না.  মমতা জেনেবুঝেই সেদিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন , আর তার জন্যেই তিনি নানারকম নাটক করে যাচ্ছেন।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ গঙ্গাসাগরে গিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, “শুধু দক্ষিণ ২৪ পরগনার মত একটা জেলা থেকেই ৫৪ লক্ষ নাম বাদ  দেওয়া হয়েছে।  আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সাহায্য নিয়ে এখানে এই নাম বাদ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।  ইলেকশন কমিশন যেন হোয়াটস আপ কমিশনের মত কাজ করছেন। “


Loading

congtogel

slot gacor

link slot gacor

slot

hartacuan

slot

slot gacor

slot gacor

slot gacor

situs slot toto

playaja

hartacuan

slot gacor

situs slot gacor

link slot online

slot gacor

link slot gacor

slot bet 200

slot dana

slot online

slot gacor

slot777

slot deposit pulsa

situs gacor resmi

link slot gacor

slot gacor

slot gacor

slot toto

link slot

slot

slot

situs slot

slot gacor

login congtogel

situs togel

togel online

slot wdyuk

congtogel

bandar togel

hartacuan

congtogel

slot gacor

slot gacor

slot gacor

londonslot link alternatif

slot gacor

wdyuk

togel online

togel online

situs toto

indosloto

situs toto

watitoto

congtogel

congtogel

danatoto

slot gacor