
আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক], নতুন দিল্লী, ভারত, ২৩/০৬/২০২৬ : প্রতিবেশী বাংলাদেশে শ্রী রাম মূর্তি স্থাপনা নিয়ে অশান্তির কড়া প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে ভারত। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের বিক্ষোভের আঁচ লেগেছে ভারতের গায়েও।
![]()

আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক], নতুন দিল্লী, ভারত, ২৩/০৬/২০২৬ : প্রতিবেশী বাংলাদেশে শ্রী রাম মূর্তি স্থাপনা নিয়ে অশান্তির কড়া প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে ভারত। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের বিক্ষোভের আঁচ লেগেছে ভারতের গায়েও।
![]()

মাথায় ৮ লক্ষ কোটি টাকার দেনা নিয়ে বিজেপি হাসি ফোটালো বাংলার মুখে !
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২২/০৬/২০২৬ : সোনার বাংলা গোড়ার লক্ষ্যে রাজ্যে প্রথমবার বাজেট পেশ করল বিজেপি সরকার। মাথায় আট লক্ষ কোটি টাকার দেনা নিয়ে আজ বিধানসভায় রাজ্য বাজেট পেশ করেছেন অর্থ মন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত।
পুরনো সরকারী প্রকল্পগুলিও চলবে বলে অর্থমন্ত্রী এদিন অন্নপূর্ণা প্রকল্প থেকে উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন, নতুন জেলা, নতুন পুরসভা, নতুন মেডিকেল কলেজ, নতুন সড়ক, নতুন হাসপাতাল, আইটি হাব, পরিবহন ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষত্রে আশার আলো দেখালেন। দীর্ঘদিন ধরে যে সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া DA নিয়ে অসন্তোষ ছিল, তা নিয়েও নতুন দিশা দেখালেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাসগুপ্ত।
রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা এবার থেকে আরও বেশি ডিএ পাবেন। এবার ৩৮% ডিএ, মিলবে অক্টোবর থেকে। কেন্দ্র সরকারি কর্মীদের সাথে এখনো ডিএ ফারাক থেকে যাচ্ছে ২২%
১ লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগ, ৩৩% মহিলা সংরক্ষণ। এর মধ্যে ২০ হাজার পুলিশ ও ৫০ হাজার শিক্ষক পদে ও পার্শ্ব শিক্ষক পদে নিয়োগ করা হবে। সিভিক ভলান্টিয়ার, গ্রিন পুলিশের পারিশ্রমিক ২ হাজার টাকা বৃদ্ধি করা হবে।
বয়স্ক, বিধবা ও বিশেষভাবে সক্ষমদের ভাতা ৫০০ টাকা বৃদ্ধি করা হবে। এনভিএফ কর্মী, প্রাণীবন্ধু, প্রাণীমিত্রদের পারিশ্রমিক ২ হাজার টাকা অন্নপূর্ণা যোজনায় বরাদ্দ ৩৬ হাজার কোটি।
বিধায়ক তহবিলে অর্থ ৭০ লক্ষ থেকে বেড়ে ১ কোটি। অঙ্গনওয়াড়ি ও আশাকর্মীদের মাসিক ৫ হাজার টাকা বেতনবৃদ্ধি। দুর্গাপুর, আসানসোল, শিলিগুড়িতে মেট্রোরেল , পুরুলিয়া, বালুরঘাট ও মালদহে নির্মাণ করা হবে নতুন বিমানবন্দর। কলকাতা বিমানবন্দরে চাপ কমাতে কল্যাণীতে গড়ে উঠবে নতুন একটি বিমান বন্দর। রাজ্যে গড়ে তোলা হবে স্পোর্টস ইউনিভার্সিটি। স্পোর্টস ক্লাবগুলিকে আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে. উত্তর বঙ্গে একটি আন্তর্জাতিক মায়ের স্টেডিয়াম ও একটি ইনডোর স্টেডিয়াম গড়ে তোলা হবে. উত্তরবঙ্গে গড়ে উঠবে এইমস হাসপাতাল। রাজ্যে আরও কয়েকটা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল তৈরি হবে. দীঘা ও দার্জিলিঙে তৈরী হবে ট্রমা কেয়ার ইউনিট। দীঘার কাছে দাদন পাত্রবারে গড়ে উঠবে গভীর সমুদ্র বন্দর।
অসমের কাজিরাঙার আদলে চিংড়িহাটা-নিউটাউন এলিভেটেড করিডর তৈরী করা হবে। ১২০০ কোটি ব্যয়ে ভাগীরথী সেতু নির্মাণ করা হবে। ময়ূরেশ্বর নদীর উপর ৪ লেনের সেতু নির্মিত হবে. কৃষক ক্রেডিট কার্ডে গুরুত্ব দেওয়া হবে. যাতে ১৫ মিনিটে কৃষি ঋণ পাওয়া যায়. স্বাস্হ্য বীমার ক্ষেত্রেও সরকারি প্রকল্প থাকছে। উত্তরবঙ্গের চা বাগানগুলো মোট জমির ৩০% বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে পারতো, এখন সেই পরিমান কমে হল ১৫%
রাজ্যে নতুন পাঁচটি জেলা তৈরি হবে, সেগুলি হল বসিরহাট, আরামবাগ, কলকাতা, সুন্দরবন ও জঙ্গীপুর। সুন্দরবনের জন্যে আলাদা উন্নয়ন প্যাকেজ থাকছে। আদিবাসী উন্নয়নেও গুরুত্ব দিচ্ছে রাজ্য সরকার। ঝাড়গ্রামে গড়ে উঠবে একটি আদিবাসী বিশ্ববিদ্যালয়। লোধা, শবর ও টোটো উপজাতিদেরকে প্রতি সপ্তাহে বিনামূল্যে রেশন দেওয়া হবে। রাজবংশীদের জন্যেও থাকছে উন্নয়নের আলাদা প্যাকেজ।

![]()

আজ খবর (বাংলা), [দেশ], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২১/০৬/২০২৬ : আগামীকাল প্রথমবার বাজেটে যাওয়ার আগেই রাজ্য জুড়ে শিল্প সম্ভাবনা এবং কর্ম সংস্থানের স্বপ্ন দেখাচ্ছে বিজেপি সরকার। দীর্ঘদিন পর আশায় বুক বেঁধেছে বাঙালি, তাকিয়ে আছে আগামীকালের দিকে।
আগামীকালএই প্রথমবার বিধানসভায় রাজ্যের বাজেট পেশ করতে চলেছে বিজেপি সরকার। বিগত বছরগুলিতে কি হারে মানুষ কাজ হারিয়ে অন্য প্রদেশে গিয়ে চাকরি নিতে বাধ্য হয়েছে, তা সবাই দেখেছে। গেরুয়া শিবিরের আশ্বাসে ভরসা রেখেই পালা বদল হয়েছে এই রাজ্যে। বিজেপির এই বাজেট ঘোষণার মাধ্যমেই বোঝা যাবে কর্ম সংস্থান মিটিয়ে ফেলতে সরকার কোন পথে চলবে। এই ব্যাপারে সরকারের স্ট্র্যাটেজি ঠিক কি ?
গত কয়েক দশকে রাজ্যে সেভাবে শিল্প আসে নি, কর্ম সংস্থান তৈরিই হয় নি। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে কত সংখ্যক মানুষ ঘর ছেড়ে পরিযায়ী শ্রমিকের তকমা গায়ে মেখে সুদূরে পাড়ি দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। এই মানুষগুলো বিজেপিকে ভোট দিয়েছে, এই মানুষগুলো তাই তাকিয়ে আছে আগামীকালের বাজেটের দিকে। এই মানুষগুলোর প্রত্যাশা মেটাতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সহ গোটা ক্যাবিনেট যেন কোমর বেঁধে নেমেছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দৃষ্টি এখন বাংলার দিকে। সমগ্র দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বাণিজ্যিক হেড কোয়ার্টার হিসেবে তিনি কলকাতাকে দেখতে চান। এই কারণেই একের পর এক নতুন নতুন প্রকল্প তিনি নিয়ে আসছেন। আর এই কারণেই সম্ভবত তিনি যোগ দিবস পালন করলেন কলকাতায়। গোটা বিশ্বের নজর ছিল আজ কলকাতার দিকে। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ি শহরকেও সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। শিলিগুড়ি শহরের ওপর দিয়েই যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে চলে গিয়েছে এশিয়ান হাইওয়েজ। আবার সিকিমের ভিতর দিয়ে রেলপথের সূচনাও করছেন তিনি।
আজ নরেন্দ্র মোদী যে তিনটি যুদ্ধজাহাজ এর সূচনা করলেন শ্যামাপ্রসাদ বন্দর থেকে এই ধরনের দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি যুদ্ধ জাহাজ ক্রমাগত তৈরী করা হবে কলকাতা বন্দর থেকেই। এই ধরনের অত্যাধুনিক যুদ্ধ জাহাজের আন্তর্জাতিক চাহিদা খুবই বেশি হতে পারে। এই ধরনের জাহাজ কলকাতা বন্দরে তৈরী হলে নিশ্চিতভাবে এখানে কর্ম সংস্থান বেড়ে যাবে। বাড়বে জাহাজ প্রস্তুতির অনুসারী শিল্পগুলির সংখ্যাও।
সিঙ্গুর থেকে টাটাদের বিদায়ে রাজ্য যেন শিল্প শূন্য হতে বসেছিল। বিজেপি নেতাদের কথাবার্তায় যা বোঝা যাচ্ছে, তাতে টাটা গোষ্ঠী হয়তো ফের বিনিয়োগ নিয়ে আসবে এই রাজ্যে। এছাড়াও আসতে পারে রিলায়েন্স গোষ্ঠী। জিন্দাল গোষ্ঠীও কাজ শুরু করতে পারে। তারা ইতিমধ্যেই ৬০০ একর জায়গায় কারখানা বানাচ্ছে। এছাড়াও রশ্মি গ্রূপ পশ্চিমবঙ্গে কাজ শুরু করতে চলেছে। উৎসাহ দেখাচ্ছে অন্য শিল্প গোষ্ঠীগুলিও। সব মিলিয়ে শিল্প পতি থেকে কারখানার শ্রমিক সবাই তাকিয়ে আছেন আগামীকাল বিজেপি সরকারের বাজেটের দিকে।

![]()

আজ খবর (বাংলা), [দেশ] ,নতুন দিল্লী, ভারত, ২১/০৬/২০২৬ : আজ ভারতের উদ্যোগে গোটা বিশ্ব পালন করলো ১২ তম বিশ্ব যোগ দিবস। ভারতের প্রাচীন এই সংস্কৃতি বিশ্ব মাঝে ভারতের প্রভাব বিস্তার তো করছেই , তবে এটাও ঠিক যে যোগের মাধ্যমেই কিন্তু বিশ্বজুড়ে তৈরী হয়ে যাচ্ছে হাজার কোটি টাকার বাজার, আর সেই বাজারের বিশ্বগুরু হয়ে উঠছে ভারতবর্ষই।
যোগ ভারতের অতি প্রাচীন একটি ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি। একটা সময় ছিল যখন সাধু সন্ন্যাসী এবং কিছু স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ যোগব্যায়াম ও শরীর চর্চা করতেন। সেই সময় সেটা সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পরে নি। তবে বর্তমানে যোগ ব্যায়ামের জন্যে বহু মানুষকে জিমে গিয়ে ঘাম ঝরাতে দেখা যায়। ২০১৪ সালে ভারতের প্রস্তাবনায় সহমত দেখিয়ে রাষ্ট্রসংঘ স্বীকৃতি দিয়েছিল বিশ্ব বিশ্ব যোগ দিবসকে। এরপর রাষ্ট্র সংঘের সদস্য দেশগুলি পালন করতে শুরু করে যোগ দিবস। বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় ২১১টি দেশ আজকের দিনে যোগ দিবস পালন করে চলেছে।
ভারতের সর্বত্র পালিত হয় যোগ দিবস। প্রতিটা স্কুল, কলেজ, সরকারি দপ্তর, সেনাবাহিনী, পুলিশ, বন্দর সর্বত্র পালন করা হয় শরীর চর্চার এই উৎসব। গোটা দেশে সঠিকভাবে যোগ দিবস পালনের জন্যে বিশেষ উদ্যোগ নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি প্রতি বছর প্রত্যক্ষভাবে অংশ নেন যোগব্যায়ামে। আজ তিনি কলকাতায় থেকে সফলভাবে পরিচালনা করেছেন শরীর শিক্ষার এই মেলাকে। যোগ দিবসের মাধ্যমে ভারত তার প্রাচীন ঐতিহ্য ও জ্ঞানকে বিশ্বের দরবারে সফলভাবে তুলে ধরেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যোগচর্চা যেমন বেড়েছে, তেমন সেইসব দেশে আজ ভারতের প্রভাবও তেমন বেড়েছে। সুতরাং এই বিশ্ব যোগ দিবসের সাথে সাথে ভারতের আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রভাব বিস্তারের পরিকল্পনাও সফলভাবে করা হয়েছে বলা যায়.
কূটনৈতিক প্রভাবের পাশাপাশি এই আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের হাত ধরে গোটা বিশ্বে তৈরী হয়ে চলেছে হাজার হাজার কোটি টাকার বাজার। ভারত সহ গোটা বিশ্বেই বাড়ছে যোগ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। পাশ্চাত্য ছোঁয়ায় নয়, বরং ভারতীয় মতাদর্শে বাড়ছে যোগা শিক্ষা কেন্দ্র। এমনকি কর্পোরেট ওয়ার্কশপের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে কয়েক গুণ। অনলাইন কোর্সের সংখ্যাও রোজ বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। ওয়ার্ক আউট বাড়ছে খুব দ্রুত।
যোগা করতে গিয়ে আধুনিক যে সমস্ত সরঞ্জাম লাগছে, সেগুলির বাজার বেড়ে গিয়েছে বিশ্ব জুড়ে। অনলাইনেও সেগুলি পাওয়া যাচ্ছে সুবিধা দরে। যোগা ম্যাট, যোগা ব্লক, মেডিটেশন কুশন ছাড়াও বিশেষ পোশাকের চাহিদা বাড়ছে বিশ্বজুড়ে। ইউটিউব বা অন্যান্য সমাজ মাধ্যমে অনলাইন যোগ কোর্স গোটা বিশ্বকে জুড়ছে একইসাথে। ভারতে প্রতি বছর বহু বিদেশী আসেন স্বাস্থ্য উদ্ধারে। তাঁরা আসেন সাধারণত হরিদ্বার, ঋষিকেশ, মহীশূর ও কেরলমে ধ্যান ও যোগ শিখতে। এই বিদেশিরা ভারতকেই মুক্তির পথ বলে বিশ্বাস করেন।
বিশ্বের বহু কর্পোরেট কোম্পানি এখন কর্মীদের জন্যে যোগা সেশন, স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট এবং মেডিটেশন ওয়ার্কশপ চালু করেছে। এই সব জায়গায় অভিজ্ঞ ট্রেনাররা পারিশ্রমিকের বদলে সেশন করান। ওয়েলনেস ট্রেনিং দেন। ধ্যানের মাধ্যমে স্ট্রেস ফ্রি থাকতে শেখান। এই কাজে আজ অনেককেই বিদেশে গিয়েও কাজ করতে দেখা যায়। এই মুহূর্তে ভারত গোটা দুনিয়ার সামনে যোগ শিক্ষায় বিশ্বগুরুর ভূমিকায় রয়েছে।
প্রশ্ন ওঠে এতে ভারতের কি লাভ হচ্ছে ? অবশ্যই, প্রথম কথা বিশ্ব বাজারে ভারতের একটা সফ্ট পাওয়ার কাজ করছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ভারতের প্রভাব বাড়ছে। বাণিজ্যিক দিক থেকে দেখতে গেলে দেখা যাচ্ছে, ভারতে পর্যটকের সংখ্যা বাড়ছে , ভারতীয় ব্র্যান্ডের গ্রহণ যোগ্যতা বাড়ছে। যোগের পাশাপাশি ভারতের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের প্রতি গোটা পৃথিবীর মানুষের আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। .

![]()

আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য ], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৮/০৬/২০২৬ : চলতি মাসের ২০ এবং ২১ তারিখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দুই দিন বঙ্গ সফরকে নিয়ে সাজো সাজো রব রাজ্য বিজেপিতে।

![]()

আজ খবর (বাংলা), [দেশ], উদয়পুর, রাজস্থান, ১৭/০৬/২০২৬ : ইতিহাসে যা বলা হয়েছিল, তা ছিল ভুল এবং বিকৃত, পকৃতপক্ষে হলদিঘাটের যুদ্ধে মুঘলদেরকে পরাজিত করেছিলেন বীর মহারানা প্রতাপ সিং, এমনটাই দাবি করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের প্রধান মোহন ভাগবত।

![]()

বদলা নিতেই গ্রেপ্তার উদয়ন : সৌগত

![]()

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ১৬/০৬/২০২৬ : প্রকাশ্য রাস্তায় ডিম আক্রান্ত হয়েও কুনাল ঘোষ জানিয়ে দিলেন, তিনি ভয় পান নি, তৃণমূলের প্রতি তাঁর আনুগত্যও কমে যায় নি, যাবেও না। ”

![]()

আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি] নতুন দিল্লী, ভারত, ১৬/০৬/২০২৬ : মহা আতান্তরে পড়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। টাগ অফ ওয়ারের একদিকে রয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি, আর একদিকে রয়েছে লোকসভা।

![]()

আজ খবর (বাংলা), [দেশ] লখনৌ , উত্তর প্রদেশ, ১২/০৬/২০২৬ : রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত যে ট্রেনে চড়ে যাচ্ছিলেন, সেই ট্রেনে পাথর ছুঁড়ে মারা হয়েছে। পাথরের ঘায়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেই ট্রেনের বাতানুকূল যন্ত্র।
বৃহস্পতিবার সকালে কানপুর থেকে দিল্লীগামী স্বর্ণ শতাব্দী এক্সপ্রেস ট্রেনটিতে কেউ বা করা পাথর ছুঁড়ে মারে। ঐ পাথরের ঘায়ে ট্রেনের একটি কামরায় বাতানুকূল যন্ত্রের একটি অংশ ভেঙে পড়ে। ট্রেনের ঐ কামরাতেই ভ্রমন করছিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার সকাল ৭:১৫ মিনিট নাগাদ।
কে বা করা স্বর্ণ শতাব্দী এক্সপ্রেসে পাথর ছুঁড়ে মারল, তাদের লক্ষ্য মোহন ভাগবত ছিলেন কিনা, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে রেল পুলিশ। রেল সূত্রে গোটা ঘটনার কথা স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে। তবে এই ঘটনায় কোনোরকম হতাহতের ঘটনা ঘটে নি। শুধুমাত্র এসি ফার্স্ট ক্লাস কামরার উইন্ডো পেন ভেঙে গিয়েছে।
![]()