Aaj Khabor

পাকিস্তানের মত একটা দেশের হাতে কি পরমাণু বোমা থাকা উচিত ? প্রশ্ন রাজনাথের 

আজ খবর (বাংলা), [দেশ] শ্রীনগর, জম্মু ও কাশ্মীর, ১৫/০৫/২০২৫ :  পাকিস্তানের মত একটা ভুল দেশের হাতে  পরমাণু বোমা থাকাটা কতটা নিরাপদ এবার তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী  রাজনাথ সিং।

রাজনাথ সিং বৃহস্পতিবার পৌঁছে গিয়েছেন জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগরে।  সেখানে গিয়ে তিনি ভারতীয়  সেনাবাহিনীর জওয়ানদের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং সেই সঙ্গে অপারেশন সিঁদুরে অসাধারন কাজ করার জন্যে জওয়ানদের অভিনন্দন জানান।  সেনাবাহিনীর আধিকারিকদের সাথে তিনি দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন।  তিনি বার বার সেনাবাহিনীর সাহসিকতা এবং বীরত্বের কথা তুলে ধরেন। 

প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এদিন বলেন, “পাকিস্তানকে ভারত কি করেছে তা গোটা বিশ্ব দেখেছে। যতই পরমাণু বোমার হুমকি দিক না কেন, ভারত যে পাকিস্তানকে আদৌ  পাত্তা দেয় না, এটা  সবাই বুঝে গিয়েছে।  গোটা বিশ্ব দেখেছে কিভাবে পাকিস্তানের মত একটি দেশ ভারতকে দায়িত্বজ্ঞানহীনের মত হুমকি দিয়েছে পরমাণু বোমার । আজ   শ্রীনগরের মত জায়গার মাটি থেকে একটা প্রশ্ন গোটা বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে চাই, আর সেটা হল পাকিস্তানের মত দায়িত্বজ্ঞানহীন একটা দেশের হাতে কি পরমাণু বোমার মত এতো শক্তিশালী অস্ত্র থাকাটা উচিত ?  আমার মনে হয়, পাকিস্তানের পরমাণু বোমাগুলি আন্তর্জাতিক এটমিক এনার্জি এজেন্সির নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত।”

অপারেশন সিঁদুরের নেপথ্যে সেনাবাহিনীর সাফল্য ছাড়াও আরও কয়েকটি বিষয়কে তুলে ধরতে চেয়েছেন রাজনাথ সিং। সেগুলি হল দেশবাসীর ক্রোধ এবং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব দেওয়ার অসাধারণ ক্ষমতা। এই সবকিছুই অপারেশন সিঁদুরকে সাফল্যের মুখ দেখিয়েছে বলে মনে করেন  প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।


Loading

সোপিয়ানে  তিন জঙ্গী খতম 

আজ খবর (বাংলা), [দেশ], শ্রীনগর, জম্মু ও কাশ্মীর, ১৪/০৫/২০২৫ : চার জঙ্গীদের মধ্যে তিনজন জঙ্গীকে খতম করল নিরাপত্তা বাহিনী। বাকি একজনের খোঁজ চলছে। এছাড়াও পাকিস্তানের ছোঁড়া না ফাটা সেল আজ নিষ্ক্রিয় করা হল এলওসির  কাছেই।

গত দুই দিন ধরেই দক্ষিণ কাশ্মীরের সোপিয়ানের  অরণ্যে চার জঙ্গীর পিছনে ধাওয়া করেছিল নিরাপত্তা বাহিনী।  সংখ্যায় এই জঙ্গীরা তিনজন ছিল নাকি চারজন ছিল, তা নিয়ে অবশ্য সংশয় দেখা দিয়েছে। তবে ঐ  জঙ্গী দলের তিনজনেরই গতকাল মৃত্যু হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলি খেয়ে। পহেলগাঁওয়ে যে জঙ্গীরা নাশকতা চালিয়েছিল, তাদের সাথে এই জঙ্গীদের কোনো সম্পর্ক আছে কিনা বা কোনো নযোগাযোগ আছে কি না সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে, তবে এটা  জানা গিয়েছে যে এই জঙ্গীরা এবং পহেলগাঁওয়ের জঙ্গীরা একই দলের একই শাখার সদস্য। 

পহেলগাঁওয়ের জঙ্গীদের খোঁজে সোপিয়ানের  বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার লাগানো হয়েছে। জঙ্গীদের মাথার দাম ধার্য হয়েছে ২০ লক্ষ টাকা। সূত্রের পরিচয় গোপন রাখার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে। আজ নতুন করে পুলওয়ামায় পোস্টার দেওয়া হয়েছে জঙ্গীদের খুঁজে বের করার জন্যে।  পুলওয়ামার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। 

এদিকে জম্মুও কাশ্মীরের রাজৌরি সেক্টরে খোলা মাঠে একটি পাকিস্তানি সেল পড়ে  থাকতে দেখা যায়। এই সেলটি পাকিস্তানের দিক থেকে ছোঁড়া হয়েছিল, কিন্তু সেটি ফাটে নি। আজ সেই না ফাটা সেলটি উদ্ধার করে নিয়ে গিয়ে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়েছে।  জম্মু ও কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে পাক সেলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান খতিয়ে দেখছে জম্মু ও কাশ্মীর সরকার। 


Loading

আদমপুরে গিয়ে ‘নায়ক’দের মাঝে মিশে গেলেন প্রধানমন্ত্রী 

আজ খবর (বাংলা), [দেশ] আদমপুর, পাঞ্জাব, ১৩/০৫/২০২৫ :  অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমে দেশের অসাধারণ সামরিক জয়লাভের কান্ডারি যাঁরা সেই বীর  সেনা জওয়ানদের অভিনন্দন জানাতে পঞ্জাবের আদমপুরে পৌঁছে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। 

আদমপুর বিমান ঘাঁটিতে পৌঁছে নরেন্দ্র মোদী ভারতের বীর  বায়ু সেনা ও অন্যান্য সেনা জওয়ানদের মাঝে মিশে গেলেন।  শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানালেন দেশের বীর  সেনানীদের।  আজ সকালেই প্রধানমন্ত্রী আদমপুরের বায়ু সেনার বিমান ঘাঁটিতে পৌঁছে যান। সেখানে প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে সেনা জওয়ানরা উচ্ছাসে ফেটে পড়েন। প্রধানমন্ত্রীও সেনা জওয়ানদের ভীড়ে মিশে যান। 

সেনা জওয়ানদের ভীড়ে মিশে যাওয়ার ছবি প্রধানমন্ত্রী তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন. এরপর তিনি ভারত মাতা কি জয় স্লোগান তুল্লে সেনাবাহিনীও সেই স্লোগানে মেতে ওঠে. প্রধানমন্ত্রী সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। 

কিন্তু শুভেচ্ছা সংবর্ধনার জন্যে প্রধানমন্ত্রী আদমপুরকেই বেছে নিলেন কেন ? কারন আদমপুর এয়ার বেশ ছিল অপারেশন সিঁদুরের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গা। এই জায়গা থেকেই অপারেশন সিঁদুরের জন্যে একের পর এক মিসাইল দাগা  হয়েছিল পাকিস্তানে থাকা জঙ্গী ঘাঁটিগুলিকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার জন্যে। আর যে সব সেনা জাওয়ানদেরকে শুভেচ্ছা জানাতে প্রধানমন্ত্রী দিল্লী থেকে তড়িঘড়ি আদমপুরে পৌঁছে গেলেন, সেই সেনা জাওয়ানরাই হলেন অপারেশন সিঁদুরের নেপথ্য নায়ক।  

ভারতের বায়ু সেনা অপারেশনের বায়ু সেনার ডিরেক্টর জেনারেল এয়ার মার্শাল এ কে ভারতী  জানিয়েছেন, “তাঁদের উদ্দেশ্য এবং লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানের মাটিতে থাকা জঙ্গী ঘাঁটিগুলি। সীমান্ত থেকে ১৬৫ কিলোমিটার ভিতরে ঢুকে সেই ঘাঁটিগুলি গুঁড়িয়ে দেওয়ার কাজ করেছে ভারতীয় বায়ু সেনার এই ইউনিট। তবে পাকিস্তানের সেনা ঘাঁটি অথবা সাধারণ মানুষ কোনোটাই ভারতীয় সেনাবাহিনী টার্গেট হিসেবে নেয় নি। আমরা জঙ্গিদেরকে দেখিয়ে দিয়েছি ভারতীয় মা ও বোনেদের মাথার সিঁদুর সরিয়ে নেওয়ার কি ভয়ঙ্কর পরিনাম হতে পারে।”


Loading

কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও এখনও  উপত্যকায় গুলির লড়াই 

আজ খবর (বাংলা), [দেশ] , শ্রীনগর, জম্মু ও কাশ্মীর, ১৩/০৫/২০২৫ :   জম্মু ও কাশ্মীরে বাচ্ছাদের স্কুলগুলি খুলে গেলেও সোপিয়ানে  ফের শোনা গেল গুলির আওয়াজ। সেখানে এই মুহূর্তে জঙ্গীদের সাথে এনকাউন্টার চলছে নিরাপত্তা বাহিনীর।

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কিছু সময়ের জন্যে হলেও যুদ্ধ বিরতি চলছে। যদিও গতকাল রাতে সেই যুদ্ধবিরতি বোঝাপোড়াকে লংঘন করেই পাকিস্তানের দিক থেকে বেশ কিছু ড্রোন উড়ে আসতে  দেখা গিয়েছে। এই ড্রোনগুলিকে নিষ্ক্রিয় করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।  যুদ্ধবিরতি থাকা সত্বেও পাকিস্তানের দিক থেকে মাঝে মাঝেই উড়ে আসতে  দেখা যাচ্ছে কিছু ড্রোনকে, এই পরিস্থিতিই পুরো দস্তুর স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে দিচ্ছে না জম্মু ও কাশ্মীর উপত্যকাকে।  কোথাও যেন একটু শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের মনে। 

পাকিস্তানের সাথে সংঘাতের আবহে অনেকটাই বদল এলেও এখনও  ধরা পড়েনি পহেলগাওঁয়ে নিরীহ পর্যটকদেরকে যারা গুলি চালিয়ে মেরেছিল সেই জঙ্গীরা।  তারা এখনো শাস্তি পায় নি। গোটা উপত্যকায় সেই জঙ্গীদের মাথার দাম ঘোষণা করা হয়েছে ২০ লক্ষ টাকা করে।  যে বা যারা এই জঙ্গীদের খবর এনে দেবে তার পরিচয় গোপন রাখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে কাশ্মীর পুলিশের পক্ষ থেকে। এর মধ্যেই খবর এসেছে সোপিয়ানের  জঙ্গলে লুকিয়ে আছে জঙ্গীরা।এরা  সেই পহেলগাঁওয়ের জঙ্গীরাও হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।  এই তথ্য পেয়েই নিরাপত্তা বাহিনী ছুটে গিয়েছে সোপিয়ান অঞ্চলে।

 দক্ষিণ কাশ্মীরের সোপিয়ান জায়গাটি জম্মু থেকে ২১৬ কিলোমিটার এবং শ্রীনগর থেকে ৫৫ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত। পহেলগাঁও থেকে দূরত্ব ৭১ কিলোমিটার আর সোপিয়ানের  সবচেয়ে কাছের পাকিস্তান সীমান্ত হল আগলার নামে একটি ছোট্ট গ্রাম। সোপিয়ান থেকে দূরত্ব মাত্র ২২ কিলোমিটার। যদি জঙ্গীরা পহেলগাঁওয়ের দিক থেকে ঘন জঙ্গল ভেদ করে সোপিয়ানে  এসে থাকে তাহলে তাদের উদ্দেশ্য নিশ্চয়ই কোনোভাবে লাইন অফ কন্ট্রোল (LOC)  পার করে পাকিস্তানে পৌঁছে যাওয়া। কিন্তু সেটা সম্ভব হতে দেওয়া যায় না। 

সোপিয়ানের বিশাল এলাকা কর্ডন করে ঘিরে ফেলেছে নিরাপত্তা বাহিনী। এই দলে আছে কাশ্মীর পুলিশ, সিআরপিএফ এবং আর্মির জওয়ানরা। সোপিয়ান অরণ্যের ভিতরে রীতিমত চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। দুই পক্ষই গুলি চালিয়েছে। এর মধ্যে একজন জঙ্গীকে গুলি করে খতম করা গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। বাকিদের খোঁজে এখনও  তল্লাশি চালানো হচ্ছে। 


Loading

এরপর পাকিস্তানের সাথে কথা হবে পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে : মোদী

আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ১২/০৫/২০২৫ : আজ কিছুক্ষন আগেই রাত্রি আটটার  সময় ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জাতির উদ্দেশ্যেভাষণ দিলেন। 

প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশ্যে তাঁর ভাষণে ঠিক যা কিছু বলযেন, তাতে এই ভাষণকে কোনো রাষ্ট্রের বিজয়ী ভাষণ হিসেবে ব্যক্ত করলে অত্যুক্তি হবে না।  প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “অপারেশন সিঁদুর পাকিস্তানের মাটিতে জন্ম নেওয়া পাকিস্তানের মদতে বেড়ে ওঠা  জঙ্গিদেরকে তাদের কল্পনাতীত শাস্তি দিয়েছে। তারা ভাবতেও পারে নি যে ভারত তাদের  অভ্যন্তরে ঢুকে গিয়ে এতটা নির্মম প্রহার করতে পারবে। ভারতীয় সেনাবাহিনী যেভাবে পাকিস্তানে থাকা জঙ্গিঘাঁটিগুলিকে ধূলিস্যাৎ করে দিয়েছে তাতে গোটা বিশ্বের কাছে ভারতের শক্তি সম্বন্ধে একটা সঠিক বার্তা দেওয়া গিয়েছে।”

 মোদী বলেন, “এরপর থেকে ভারতে জঙ্গী কার্যকলাপ করার আগে পাকিস্তান বার বার ভাবনা চিন্তা  করবে।  এবার থেকে জঙ্গীপনা এবং জঙ্গিদেরকে মদতদাতা দুজনকেই সমান অপরাধী বলে মনে করবে ভারত। এটা  মনে রাখতে হবে যে অপারেশন সিঁদুর স্থগিত রাখা হয়েছে, বন্ধ হয়ে যায় নি।  ভারত প্রত্যাঘাত শুরু করার তিনদিনের মাথায় পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি চেয়ে ফোন করেছিল। ” এখানে প্রধানমন্ত্রী  বলেছেন, “পুরোপুরি  পিটুনি  খাওয়ার পর পাকিস্তানের  মিলিটারি অপারেশনের ডিরেক্টর জেনারেল যুদ্ধবিরতি চেয়ে ভারতের মিলিটারি অপারেশন ডিরেক্টর জেনারেলকে ফোন করেছিলেন।োর বিভিন্ন দেশের কাছেও সাহায্য ও সমর্থন চেয়ে কাতর আবেদন জানাচ্ছিল।” তারপরেও যুদ্ধবিরতি লংঘন করে ভারত সীমান্তে হামলা চালিয়েছিল পাকিস্তান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এরপর নিউক্লিয়ার ব্ল্যাকমেইল করলেও আমরা মানব না, ভারতীয় সেনা সবরকম পরিস্থিতির জন্যে তৈরি আছে। “

এখানেই প্রশ্ন ওঠে তাহলে কি পাকিস্তানের দিক থেকে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের পাশাপাশি পরমাণু হুমকিও দেওয়া হয়ে ছিল ?  এদিন তাঁর ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পাকিস্তানকে তাদের জমিতে গড়ে ওঠা সন্ত্রাসবাদকে শেষ করতেই হবে, না হলে গোটা পাকিস্তানই একদিন শেষ হয়ে যাবে।”  এদিন মোদী বলেছেন, “সন্ত্রাস আর কথাবার্তা চালানো একসঙ্গে হতে পারে না।  সন্ত্রাস আর বাণিজ্য একসাথে হতে পারে না।   এরপর পাকিস্তানের সাথে ভারতের কথা হতেই পারে, তবে এবার কথা  হবে শুধুমাত্র সন্ত্রাসবাদ নিয়ে। কথা হবে পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে।  সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে  ভারত জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে চলেছে, ভবিষ্যতেও চলবে। অপারেশন সিঁদুর হল নিউ নরম্যাল।”


Loading

পাকিস্তানের যে কোনো তৎপরতা ভারতের চোখ এড়িয়ে যাবে না 

আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ১২/০৫/২০২৫ :  পাকিস্তানের সাথে ভারতের সংঘাত নিয়ে সাংবাদিকদের যাবতীয় প্রশ্নের উত্তর দিলেন তিন বাহিনীর প্রধানরা। 

জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে গত ২২শে এপ্রিল যে নিরীহ ২৬ পর্যটকের প্রাণ গিয়েছে, তারপর দেশের তিন সেনাবাহিনীকে মুক্ত হস্তে সক্রিয় করে দিয়েছিল ভারত সরকার শুধুমাত্র শত্রুদের কঠোর শাস্তি দেওয়ার জন্যে। তারপর কেটে গিয়েছে বেশ কয়েকটা দিন। জঙ্গী এবং জঙ্গীদের অবিভাবক পাকিস্তানকে ঠিক কিভাবে শায়েস্তা করা হল তা জানাতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন ভারতের তিন সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান। তাঁদের সাথে ছিলেন ভারতের মিলিটারি অপারেশনের ডিরেক্টর জেনারেল।  

তিন বাহিনীর প্রধানরা জানিয়েছেন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যথেষ্ট কঠোর মনোভাব নিয়েই ভারতীয় সেনাবাহিনী সংঘাতের পথে এগিয়েছিল। পাকিস্তানের মাটি থেকে সন্ত্রাস উৎখাত করতেই ভারত পাকিস্তানের মাটিতে আক্রমণ চালিয়েছিল। পাকিস্তানের ওপর গোলা বর্ষণ করে প্রায় সব কয়টি জঙ্গীদের লঞ্চ প্যাড ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া গিয়েছে। সেইসঙ্গে অন্তত ১০০ জন জঙ্গীকে নিকেশ করা গিয়েছে। ভারত শুধুমাত্র জঙ্গিডেরাগুলিকে টার্গেট করেই আক্রমণ শানিয়েছিল, যাতে পাকিস্তানের সাধারণ  মানুষের খুব কম ক্ষয়ক্ষতি হয়পাকিস্তানের

এই মুহূর্তে দুই দেশের ডিজিএমও  পর্যায়ের হটলাইন বৈঠকের পর যুদ্ধবিরতি চলছে দুই দেশের মধ্যে। কিন্তু রাতের অন্ধকারে যুদ্ধ বিরতি লংঘন করেই পাকিস্তানের তরফ থেকে ভারতে হামলা চালানো হয়েছে, যার যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।  সেনাপ্রধানরা জানিয়েছেন পাকিস্তানের যে কোনো জায়গা ভারতীয় সেনাবাহিনীর নজরদারিতে রয়েছে। পাকিস্তান তাদের মাটি থেকে যে কোনো রকম তৎপরতা নিক না কেন তা ভারতের নজর এড়িয়ে যাবে না। 


Loading

অপারেশন সিঁদুর মাসুদের  ভাইদেরকে খতম করেছে নিখুঁতভাবে

আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ১০/০৫/২০২৫ :  গত ৭ তারিখে অপারেশন সিঁদুর পাকিস্তানের ওপর যে প্রত্যাঘাত করেছিল,  সেই আঘাতে জঙ্গী শিরোমনি মাসুদ আজাহারের জামাই খতম হয়ে গিয়েছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। 

মে মাসের ৭ তারিখে ভারতীয় সশস্ত্র সেনা পাকিস্তানের ৯টি জায়গায় নিখুঁতভাবে মিসাইল আক্রমণ করেছিল। সেই আক্রমণে পাকিস্তানের ৯টি জায়গায় জঙ্গীদের সম্পূর্ণভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। ঐ  আক্রমনে প্রচুর পাকিস্তানি জঙ্গী খতম হয়েছিল। সেদিন মারা গিয়েছিল পাঠানকোট হত্যাকাণ্ডের মূল নায়ক আব্দুর রউফ. এই জঙ্গী আসলে মাসুদ আজাহারের ভাই।  ভারতের ঐ  মিসাইল আক্রমণেই মারা গিয়েছে জৈশ ই মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজাহারের আর এক আত্মীয় মহম্মদ ইউসুফ আজাহার। এই কুখ্যাত জঙ্গী কাঠমান্ডু থেকে দিল্লীর আইসি ৮১৪ বিমান অপহরণের মূল ষড়যন্ত্রকারী ছিল। ইউসুফ জঙ্গী শিবিরগুলোতে  অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ করে. জম্মু ও কাশ্মীরে অনেকগুলি নাশকতার ঘটনায় জড়িত এই ইউসুফ।

সাত তারিখে ভারতের অপারেশন সিঁদুরের হানায় অন্যান্য জঙ্গীদের সাথে খতম হয়েছিল আরও এক  কুখ্যাত জঙ্গী। তার নাম হাফিজ মহম্মদ জামিল।  সেও ছিল মাসুদ আজাহারের  এক ভাই. সেদিন ভারত ৯টি জায়গায় টার্গেট করে মোট ২১টি জঙ্গী শিবির ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে। ঐ  আক্রমণে ১০০র বেশি জঙ্গীর নিধন সম্ভব হয়েছে।  সেদিন ভারত রীতিমত কোমর ভেঙে দিয়েছিল পাকিস্তানী জঙ্গীদের। ভারত আজ জানিয়ে দিয়েছে, আগামী দিনে পাকিস্তানের  যে কোনো জঙ্গী কার্যকলাপ ভারতের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ’ ঘোষণার সামিল হিসেবে গণ্য করা হবে. এবং সেক্ষেত্রে ভারত প্রত্যাঘাত করতে দুইবার ভাববে না। দ্রুত আক্রমনের  পথে যাবে।  


Loading

বাড়মেরের খোলা মাঠে পাক মিসাইল উদ্ধার 

আজ খবর (বাংলা), [দেশ], বাড়মের , রাজস্থান, ১০/০৫/২০২৫ : রাজস্থানের বাড়মের  থেকে অচেনা মিসাইল উদ্ধার, গ্রামবাসীদেরকে সতর্ক করল প্রশাসন। 

গতকাল গভীর রাতে রাজস্থানের বাড়মেরে  মিসাইল হানা চালিয়েছিল পাকিস্তান।  বারমের শহরের খোলা জমিতে পড়েছিল সেই মিসাইলটি , যদিও সেই মিসাইল বিস্ফোরণ ঘটাতে পারেনি।  তবে এর থেকেই প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে যে পাকিস্তান সব কিছু ছেড়ে শুধুমাত্র সাধারণ মানুষকেই টার্গেট করেছে। যেহেতু  মিসাইল থেকে কোনো বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে নি তাই বাড়মেরে  কোনো রকম ক্ষয় ক্ষতির ঘটনা ঘটে নি। 

গতকাল সন্ধ্যাবেলা থেকেই রাজস্থান ও গুজরাটের সীমান্তবর্তী প্রায় সমস্ত শহরেই ব্ল্যাকআউট করা হয়ে ছিল।  ক্রমাগত সাইরেন বাজিয়ে সতর্ক রাখা হয়েছিল  সাধারণ মানুষকে। রাজস্থানের সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলিতে বিএসফ ২৪ ঘন্টাই কড়া নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে যাতে পাক সেলিং এর ফাঁকে সীমান্তের ওপার  থেকে কোনো ভাবে অনুপ্রবেশের ঘটনা না ঘটে। 

আজ ভোর হতেই বাড়মের শহরের একটা খোলা জমিতে একটি মিসাইল পরে থাকতে দেখা যায়।  পাকিস্তানের ওই মিসাইলটি সেনাবাহিনী আকাশেই নিষ্ক্রিয় করেছিল কিনা তা বোঝা যায় নি। মিসাইল দেখতে ভীড় করে গ্রামবাসীরা।  পুলিশ এসে ভীড় সরিয়ে দেয় এবং গ্রামবাসীদের সতর্ক করে দেয়।  ঐ  মিসাইলটিকে নিষ্ক্রিয় করার এবং সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া  শুরু করা হয়েছে। 


Loading

ভারতের সাথে যুদ্ধ করে কি ভুল হয়েছে তা হাড়ে  হাড়ে  টের পাচ্ছে পাকিস্তান 

আজ খবর (বাংলা), [[দেশ]. নতুন দিল্লী, ভারত, ০৯/০৫/২০২৫ : গতকাল গভীর রাত্রি পর্যন্ত চলেছে ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ। ভয়ানক  সেই লড়াইয়ের সাক্ষী থেকেছে গোটা বিশ্ব। 

গতকাল যুদ্ধের ময়দানে ভারতের পরাক্রম ছিল দেখার মত।  পাকিস্তানের ড্রোন নির্ভর আক্রমণকে রীতিমত পর্যুদস্ত করে রেখেছিল ভারতের অপারেশন সিঁদুর। পাকিস্তানের প্রতিটি আক্রমনকে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়েছে। তাদের অন্তত ৫০টি ড্রোন খতম করে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটা মিসাইলের আক্রমন তাকিয়ে দিয়েছে সুদর্শন চক্র নাম পরিচিত এস-৪০০. এই অসাধারন অস্ত্রটিকে অতিক্রম করা যে ওঠে নি পাকিস্তানের। প্রত্যেক মিসাইল  ও ড্রোনের আক্রমন ভারত সফলভাবেই নিষ্ক্রিয় করে দিতে পেরেছে। 

গতকাল রাত্রে পাকিস্তানের প্রায় প্রত্যেকটি শহরে জঙ্গী হানায় বিস্ফোরণ হয়েছে। পাকিস্তান খুব ভালো করেই বুঝতেপারছে এভাবে আর বেশিক্ষণ  লড়াই করে এঁটে ওঠা যাবে না শক্তিধর ভারতের সাথে। গতকাল বেশ কয়েকজন জঙ্গিকেও খতম করা হয়েছে। শুধু তাই নয় গতকাল পাকিস্তানের চারটি যুদ্ধ বিমানকে গুলি করে নামানো হয়েছে। তার মধ্যে একটি এফ ১৬ বিমানও  রয়েছে।  পাকিস্তানের যুদ্ধবিমানের একজন পাইলটকে ধরা হয়েছে। সেই পাকিস্তানি পাইলট এখন বন্দী রয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর হাতে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার কাজ শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 

গতকাল ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে পাকিস্তান হাড়ে হাড়ে  বুঝতে আছে, এ ভারত ঠিক সেরকম ভারত নয়, যে ভারতের রিপোর্ট তাদের কাছে ছিল. এ ভারত অন্য ভারত, এ ভারত সত্যিই ১৪০ কোটির ভারত, এ ভারত রীতিমত শক্তিশালী ভারত।  যুদ্ধ করতে গিয়ে  পাকিস্তান এতটাই বিপর্যস্ত হয়ে গিয়েছে যে সেই দেশের শেয়ার বাজার একেবারে নিচে নেমে গিয়েছে।  টাকা চেয়ে বিশ্ব ব্যাংকের কাছে দরবার করেছিল তারা, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশতঃ বিশ্বব্যাংক পাকিস্তানকে ফিরিয়ে দিয়েছে, তারা ভারতের পাশে থাকার বার্তা শুনিয়ে দিয়েছে। 


Loading

মধ্যরাত্রে শুরু হল ভারতের প্রত্যাঘাত অপারেশন সিঁদুর 

আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ০৭/০৫/২০২৫ :  পহেলগাঁও  হত্যাকাণ্ডের ১৫ দিন পর পাকিস্তানি জঙ্গিদেরকে প্রত্যাঘাত করল ভারত। মধ্যরাত্রে  একঝাঁক ভারতীয় যুদ্ধবিমান পাকিস্তানে গিয়ে গুঁড়িয়ে দিলো একের পর এক জঙ্গী ডেরাগুলোকে। এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘অপারেশন সিঁদুর’।

গত মাসের ২২ তারিখে কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে জঙ্গীরা যে নারকীয় হত্যাকান্ড চালিয়েছিল, তার বদলা নিতে ভারত দুর্ধষ্য প্রত্যাঘাত হানল। মধ্যরাত্রে ১:০৫ মিনিট থেকে ১:২৮ মিনিটের মধ্যে এক ঝাঁক রাফায়েল যুদ্ধবিমান পাকিস্তান সীমান্তে গিয়ে মিসাইল হানা চালালো। গুঁড়িয়ে দিল একের পরের এক জঙ্গী ডেরা। এবারে শুধু পাক অধিকৃত কাশ্মীর নয়, সরাসরি পাকিস্তানে ঢুকে গিয়ে মিসাইল হানায় জেরবার করে দিল ভারতীয় বায়ু সেনা। মোট ৯টি জায়গায় জঙ্গী ডেরাগুলিকে সম্পূর্ণ ধূলিস্যাৎ করে দেওয়া হয়েছে। 

প্রত্যাঘাতের পর পাকিস্তানও বোমা নিক্ষেপ করতে শুরু করেছে বলে খবর।  সেই বোমার আঘাতে ভারতের দিকেও কয়েকজন গ্রামবাসীর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে।  তবে অপারেশন সিঁদুর মধ্যরাত্রে আঘাত হেনে কোনো নিরীহ মানুষের প্রাণ নেয় নি বলে দাবী করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। সেখানে বেছে বেছে জঙ্গী ডেরাগুলিকেই শুধুমাত্র গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। নিখুঁত লক্ষ্যভেদ করা হয়েছে এবং শুধুমাত্র জঙ্গীদের ডেরাগুলিকেই আঘাত হানা হয়েছে এবং জঙ্গীদেরকেই নিকেশ করা হয়েছে।  ভারতের আঘাত শুরু হতেই ত্রাহি ত্রাহি রব উঠেছে পাকিস্তান থেকে। 

পাকিস্তান জিও নিউজকে জানিয়েছে যে তারা সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় ভারতের এই আঘাতের জবাব দেবে।  এই মুহূর্তে যেখানে যেখানে ভারত মিসাইল হানা চালিয়েছে, সেই জায়গাগুলিতে কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা পরিমাপ করার কাজ চালাচ্ছে পাকিস্তান। কতজন মানুষের প্রাণ গিয়েছে সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।  ভারতীয় সেনাসূত্রে জানা গিয়েছে অপারেশন সিঁদুর শিয়ালকোট, চাক আমরু, ভীমবের, মুজাফ্ফরাবাদ, কোটলী, গুলপুর, মুরিদকে এবং ভাওয়ালপুরে ৯টি জায়গায় জঙ্গীদের ডেরা  গুঁড়িয়ে দিয়ে এসেছে। এই ডেরাগুলিতে জঙ্গীদের থাকার ব্যবস্থা ছিল, তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল. তাদের মগজ ধোলাই করা হত , তাদেরকে অস্ত্র দেওয়া হত  এবং তাদেরকে এই ডেরাগুলি থেকেই নাশকতার কাজে পাঠানো হত। 

অপারেশন সিঁদুর সেইসব মানুষকে কিছুটা হলেও স্বস্তি দিল যারা কাশ্মীরে বেড়াতে গিয়ে আপনজনদের চিরতরে হারিয়ে এসেছে। 


Loading

congtogel

slot gacor

link slot gacor

slot

hartacuan

slot

slot gacor

slot gacor

slot gacor

situs slot toto

playaja

hartacuan

slot gacor

situs slot gacor

link slot online

slot gacor

link slot gacor

slot bet 200

slot dana

slot online

slot gacor

slot777

slot deposit pulsa

situs gacor resmi

link slot gacor

slot gacor

slot gacor

slot toto

link slot

slot

slot

situs slot

slot gacor

login congtogel

situs togel

togel online

slot wdyuk

congtogel

bandar togel

hartacuan

congtogel

slot gacor

slot gacor

slot gacor

londonslot link alternatif

slot gacor

wdyuk

togel online

togel online

situs toto

indosloto

situs toto

watitoto

congtogel

congtogel

danatoto

slot gacor