তিনি জোর দিয়ে বলতে পারলেন না, তৃণমূলের হয়েই প্রচারে নামবেন কিনা !
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] বেহালা, কলকাতা, ২১/০২/২০২৬ : জেলমুক্তির পর প্রথমবার বেহালায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ভোটের আগে এবার নিজের কেন্দ্রে সক্রিয় হয়ে উঠলেন প্রাক্তন মন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন মহাসচিব।
জেল থেকে মুক্তির পর এই প্রথম বেহালায় দেখা গেল প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। আসন্ন বিধানসভা ভোটের আগে নিজের বিধানসভা কেন্দ্র পরিদর্শনে বেরোলেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন তিনি এলাকায় ঘুরে সংগঠনের কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বিভিন্ন ওয়ার্ডের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। দীর্ঘদিন পর তাঁকে সামনে পেয়ে অনেকেই কৌতূহলী হয়ে ভিড় জমায়। কেউ কেউ তাঁর সাথে এগিয়ে গিয়ে কোথাও বলেন।
পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের এই সক্রিয়তা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা উসকে দিয়েছে। ভোটের আগে তাঁর এই সফর কতটা তাৎপর্যপূর্ণ, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে বড় কোনও মন্তব্য করেননি তিনি।
এসআইআর করে পাহাড়ে অনেক মানুষের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে : বিষ্ণু
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], দার্জিলিং ও কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৯/০২/২০২৬ : পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন বিধায়ক বিষ্ণু প্রসাদ শর্মা।
এদিন কলকাতায় তৃণমূল কংগ্রেসের দপ্তরে গিয়ে তৃণমূল দলে যোগ দিলেন বিষ্ণু প্রসাদ শর্মা। তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য্য। দল বদল সম্বন্ধে এদিন বিষ্ণু প্রসাদ বলেন, “পাহাড়ের মানুষ কি চায়, তা আমি জানি। দীর্ঘ অনেক বছর ধরে তারা কি চেয়ে এসেছে তা আমি জানি। বিজেপি পাহাড়ের মানুষকে কিচ্ছু দেবে না। টর্চের আলো দেখিয়ে বলবে, এটাই সূর্য। দার্জিলিঙের বিজেপি সাংসদ হোটেল ভাড়া দিচ্ছে।”
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কার্শিয়াঙের বিধায়ক বলেন, “কর্শিয়াংয়ের জনগণ যারা আমাকে কাজ করতে পাঠিয়েছেন তাদের কিছু বলতে চাই। আপনারা আমাকে যে রাজনৈতিক চিহ্নে ভোট দিয়েছিলেন আপনাদের রায় আজ পর্যন্ত রাখলাম । আমার জনগণ যারা আমার উপর বিশ্বাস করেছিলেন আপনাদের যে স্বপ্ন আছে, একটা উন্নত সমাজ, উন্নত ভবিষ্যত, উন্নত প্রজন্ম। সেগুলো পূরণ করতেই তৃণমূলে এলাম। যে দলে ছিলাম, তারা কেন্দ্র থেকে টাকা পাঠায় না।”
তিনি আরও বলেন, “ভারতে একটা বিশৃঙ্খল রাজনীতি আছে। কুণ্ঠা নিয়ে ছিলাম বিজেপিতে। ১৭ বছর ধরে গোর্খা জনগণ অন্ধকারে আছে টর্চ লাইট দেখিয়ে বলেছে এটা সূর্য।ভারতীয় জনতা পার্টি গোর্খা জাতিকে কিছু দেবে না। সরকারি ইন্টারলোকেটার হোটেল ভাড়া দিচ্ছে দার্জিলিংয়ের সাংসদ। পুরো রাজনৈতিক ভাবে এসেছে। পাহাড়ের অনেক জনগণ বঞ্চিত হবে SIR এ। আমি লড়াই লড়ব। একটা সুস্থ সরকারকে নীল ডাউন করার জন্য SIR, গুণ্ডা রাজনীতি থেকে গোর্খা জনগণকে বাঁচাতে হবে।”
দলের বিধায়ক তৃণমূলে গিয়ে যোগ দেওয়ায় দলের কতটা ক্ষতি হল তা জানতে চাওয়ায় শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, “বিষ্ণু অনেক দিন ধরেই কোনো কাজ করছিল না। সে বসে ছিল. তাই তার দল ত্যাগের ঘটনায় বিজেপিতে কোনো প্রভাব পড়বে না।”
বিজেপি নেত্রী লকেট চ্যাটার্জি বলেন, “যে দল থেকে লোকে বাঁচতে চাইছে, যে শাসন পরিত্রাণ চাইছে, সেই দলে গিয়ে বিষ্ণু প্রসাদ শর্মা যে কত বড় ভুল করলেন, তা কিছুদিন পরেই তিনি বুঝতে পারবেন। তিনি আক্ষেপ করবেন।”
Aaj Khabor Desk, Darjeeling & Kolkata, West Bengal,19/02/2026 : , Ahead of the West Bengal Assembly elections, Kurseong MLA Bishnu Prasad Sharma resigned from the Bharatiya Janata Party (BJP) and joined the Trinamool Congress (TMC) at the party office in Kolkata. He was formally welcomed by Education Minister Bratya Basu and Minister of State for Health Chandrima Bhattacharya.
Sharma criticized the BJP, alleging that the party failed to address the aspirations of the hill people and the Gorkha community. He claimed that the BJP had not delivered financial support from the Centre and accused the party of misleading the people of Darjeeling. He said he joined TMC to fulfil the dreams of development and a better future for his constituents.
Responding to the development, Siliguri BJP MLA Shankar Ghosh said Sharma had been inactive for a long time and his exit would not impact the party. BJP leader Locket Chatterjee criticized Sharma’s move, stating that he would soon realize his mistake.”
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ১৮/০২/২০২৬ : “এবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উচিত হবে বাংলাদেশে শান্তি ফিরিয়ে আনা” বললেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ।
বুধবার সকালে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন,” আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশ বিগত বেশ কিছুদিন ধরেই অশান্তির আগুনে পুড়েছে। হিংসা ছড়িয়েছে সর্বত্র। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ শান্তি চান, উন্নয়ন চান, তাঁরা শান্তিতে থাকতে চান. সেই কারণেই তাঁরা বিএনপিকে ভোট দিয়ে জিতিয়ে এনেছেন। বৈদেশিক শক্তিগুলি চায় না বাংলাদেশে স্থিতিশীল পরিস্থিতি আসুক। বাংলাদেশ শান্ত হোক, উন্নয়নের পথে চলুক। এই ব্যাপরটা খুব ভালো করেই জানেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে ব্যাহত করতে অনেক শক্তি সক্রিয় আছে। বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রীর উচিত সেই শক্তিগুলিকে নিয়ন্ত্রণে এনে বাংলাদেশকে উন্নয়নের পথে চালিত করা।”
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গতকালই বাংলাদেশ তাঁদের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমনকে পেয়েছে। গতকাল তিনি শপথ গ্রহণ করেছেন বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। তাঁর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের তরফ থেকে উপস্থিত ছিলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। যদিও এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। কিন্তু তিনি অন্যকাজে ব্যস্ত থাকায় তাঁর জায়গায় ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন ওম বিড়লা। তারিক রহমানকে ভারতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
Aaj Khabor Desk, Kolkata, West Bengal, 18/02/2026 : BJP leader Dilip Ghosh has stated that the newly appointed Prime Minister of Bangladesh should focus on restoring peace and stability in the country. He remarked that Bangladesh has experienced significant unrest and violence in recent times, but its people desire peace and development. According to him, voters supported the Bangladesh Nationalist Party in hopes of achieving stability and progress.
Ghosh also alleged that certain foreign forces are trying to prevent stability in Bangladesh and hinder its overall development. He emphasized that it is now the responsibility of the new Prime Minister, Tarique Rahman, who recently took oath, to control such forces and guide the nation toward growth and peace.
At the swearing-in ceremony, India was represented by Lok Sabha Speaker Om Birla. Although Prime Minister Narendra Modi had been invited, he could not attend due to prior commitments. Modi has also extended an invitation to Tarique Rahman to visit India.
এসআইআর, ইডি , কেন্দ্রীয় বাহিনী বন্ধ করলেও আর তৃণমূল জিততে পারবে না : শমীক ভট্টাচার্য্য
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৭/০২/২০২৬ : আজ বিজেপিতে যোগ দিলেন প্রাক্তন এনএসজি কমান্ডো দীপাঞ্জন চক্রবর্তী। তাঁর হাতে আজ বিজেপির দলীয় পতাকা তুলে দেওয়া হয়।
আজ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারি ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য্যের উপস্থিতিতে বিজেপি দলে যোগ দিলেন প্রাক্তন এনএসজি কমান্ডো দীপাঞ্জন চক্রবর্তী। বিজেপিতে যোগ দিয়ে তিনি বলেন, “রাষ্ট্রবাদী ছিলাম তাই রাষ্ট্রবাদী দলেই যোগ দিলাম।” এদিন বিজেপি দলে যোগ দিলেন আরএসপি নেতা ক্ষিতি গোস্বামীর মেয়ে কস্তুরী গোস্বামী। এই দুজন ছাড়াও বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নিলেন রিটায়ার্ড সিআরপিএফ কর্মী বিপ্লব বিশ্বাস। আজ এই তিনজনকেই স্বাগত জানানো হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টিতে।
এদিন সাংবাদিকদের কিছু প্রশ্নের উত্তরে বিজেপির রাজ্য সাভাপতি শমীক ভট্টাচাৰ্য্য স্পষ্ট করে বলেন, “এসআইআর এখনই বন্ধ করে দিন. কেন্দ্রীয় বাহিনী লাগবে না, ইডির দরজায় তালা লাগিয়ে দিন, এবার রাজ্য পুলিশ দিয়েই ভোট করান , তাহলেও তৃণমূল কংগ্রেস আর এই বিধানসভা নির্বাচনে জিততে পারবে না. আমরা এই ব্যাপারে নিশ্চিত।”
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ১৭/০২/২০২৬ : পশ্চিমবঙ্গে যখন রাজ্য সরকার রাজ্যের বেকার যুবকদের বিশেষ ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে, সেই সময় বিজেপি বেকার যুবকদের চাকরি চাই’ স্লোগান তুলতে শুরু করেছে। এই দাবী নিয়ে সরব হয়েছেন দার্জিলিং এর সংসদ রাজু বিস্তা।
দার্জিলিং এর বিজেপি সংসদ রাজু বিস্তা বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের যুবকরা ভাতা নয়, চাকরি চায়। পশ্চিমবঙ্গে কাজ নেই, চাকরি নেই। সব শিল্প বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, বেকারত্ব বাড়ছে। পশ্চিমবঙ্গের যুবকরা অন্য রাজ্যে চাকরি খুঁজবেন না তো আর কি করবে? তাদের সামনে আর কোনো বিকল্প খোলা নেই। উত্তরবঙ্গে রোহিঙ্গা আর অনুপ্রবেশকারীদের ভীড় বাড়ছে। আমরা আমাদের বাড়িতেই সংখ্যালঘু হয়ে পড়ছি। এই ব্যাপারে আমি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপধ্যায়কেও বেশ কয়েকটি চিঠি লিখেছি। আমি বলতে চেয়েছি বাংলার যুবকরা চাকরি চায়. ভাতা নয়।”
ভোটের আগে বিজেপি এই দাবী নিয়ে সোচ্চার হতে চলেছে। উত্তরবঙ্গে এই দাবী নিয়ে জোরদার আন্দোলনের পথে হাঁটবে পদ্ম শিবির, নেতৃত্ব দেবেন রাজু বিস্তা।
এদিকে আগামী ১৮ তারিখে ফের পশ্চিমবঙ্গে আসবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ. গতকাল দিল্লীতে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সাথে জরুরি বৈঠক করেছেন অমিত শাহ। কিছুদিন আগেই তিনি কলকাতায় এসেছিলেন, রাজ্য নেতৃত্বকে ভোটের দায়িত্ব এবং অন্যান্য সব কিছু বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি। ১৮ তারিখে তিনি ফের কলকাতায় আসবেন, বিমানবন্দরে এসে তিনি দুপুর দেড়টা নাগাদ মায়াপুরে পৌঁছাবেন। সেখানে ইসকন মন্দিরে প্রায় দুই ঘণ্টা কাটাবেন তিনি।
জনতা উন্নয়ন পার্টির সভাপতি হুমায়ুন কবীর , মধ্য হাওড়ার টিকরাপাড়ায় একটি নতুন দলীয় অফিস উদ্বোধন করতে গিয়েছিলেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমি শহরের বাইরে ছিলাম। আজ হাওড়ায় এসেছি এবং আগামীকাল কলকাতায় যাব। নবান্ন দখল করব এটাই আমার পরিকল্পনা।”
হুমায়ন বলেন, “২০১১ সালে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিশাল জনগোষ্ঠীর সাথে মিলে বামফ্রন্ট সরকারকে উৎখাত করার জন্য একটি দল গঠন করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস। এই দলটি এখন দুর্নীতিতে ডুবে আছে। মানুষ এটা বুঝতে পেরেছে, তাই এখন এই সরকারকে উৎখাত করতে হবে। তৃণমূল কংগ্রেস কে উৎখাতের প্রস্তুতি নিচ্ছি।”
পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে তাঁর দল একা প্রার্থী দেবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি বেশ কয়েকটি ছোট দলের সাথে আলোচনা করেছি। আমি মোহাম্মদ সেলিম, ওবেইসি এবং নওশাদের সাথে কথা বলেছি। তবে যাঁরা নিজেরাই একত্রিত হয়ে দলকে বিভক্ত করতে চান, তাদের জন্য আমরা সবাই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব এবং শীঘ্রই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করব। যেসব দলের কোনও সমর্থন নেই, তারা বলে যে তারা ২০টি আসন নেবে, ২৫টি আসন পাবে, এটা বলে কাজ হবে না। আমার আরও বেশি আসন দরকার, তবেই আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাতে পারব। আমি ১৮২টি আসনে আমার প্রার্থী দেব।”
তিনি আরও বলেন যে “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেবল মিথ্যা বলছেন এবং ক্ষমতায় ফিরে আসার জন্য মিথ্যার সাহায্য নিচ্ছেন। তিনি আরও বলেন যে এবার আমরা ভারতীয় জনতা পার্টি এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাজিত করে ক্ষমতায় আসব। তিনি আরও বলেন যে যদি বিজেপিকে থামাতে আসতে গেলে রুখতে হয়, তবে আমি ১৪০টি আসন নেব এবং আপনি ১০০টি আসন নিন, আপনি দেখতে পাবেন যে বিজেপি শূন্য হয়ে যাবে।”
তাঁকে যখন জিজ্ঞেস করা হয় যে বিজেপি নেতা অর্জুন সিং বলেছেন যে ‘বাবরি মসজিদ তৈরি হলে ভেঙে দেবে’ তিনি বলেন “যদি ক্ষমতা হয় এসে ভেঙে দেখাক, মসজিদ ভাঙার আগে ১০ ফুট মাটির গর্ত খুঁড়ে পুঁতে দেওয়া হবে।”
কাকুলিয়ার দুষ্কৃতী তান্ডবের ১২ দিন পরেও অধরা সোনাপাপ্পু, ইতিমধ্যে ছাড়াও পেয়ে গেলো ১৭জন। অন্যদিকে আইনি পথে মৃতা মায়ের চক্ষুদান করে ৩দিন শ্রীঘরে নদিয়ার আমির। একই পুলিশের দুইরূপ কেন রাজ্যে? সাধারণের জন্য হাতকড়া, আর শাসক আশ্রিত দুষ্কৃতীদের জন্য সব ছাড় পুলিশের?
নির্বাচন কমিশনে আধিকারিক প্রেরণ প্রসঙ্গে —
৮৫০৫ অফিসার নিয়ে এখনো গড়িমসি রাজ্যের। নির্দেশ অনুযায়ী কমিশনের কাছে পৌঁছোচ্ছে না সম্পূর্ণ তথ্য সমৃদ্ধ তালিকা। কমিশনের নিয়োগ করা লোক নিয়েও সমস্যা, কমিশনকে লোক দিতে হলেও সমস্যা! রাজ্যের এতো অনীহা কেন SIR নিয়ে?
পরিযায়ী শ্রমিক প্রসঙ্গে —
বাংলাভাষী মানুষ ভিন রাজ্যে গিয়ে সমস্যায় পড়লে তা নিয়ে অনেক বড় ইস্যু তৈরি করা হয়। কিন্তু আয়ুষ্মান ভারত-সহ কেন্দ্রীয় প্রকল্প বাংলায় চালু হলে মানুষকে যেতে হতো না রাজ্য ছেড়ে। ফের কেন্দ্রীয় প্রকল্প নিয়ে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ নির্মলার। ভিনরাজ্যে বাংলাভাষীদের হেনস্থা কি কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে মেটানো সম্ভব?
পুনেতে বাঙালি শ্রমিক হত্যা সম্বন্ধে —
পুনেতে খুন পুরুলিয়ার সুখেন মাহাতো। তৃণমূলের দাবি বাংলা ভাষায় কথা বলাতে খুন ,আসরে অভিষেক। অন্যদিকে পুনে পুলিশের বক্তব্য খুন কারণ কোনো সম্প্রদায় নয়। ভাতা-র বদলে রাজ্যে কাজ থাকলে এই সমস্যা সমাধান সহজ হতো না? নাকি শুধু রাজনৈতিক কারণে পরিযায়ী ইস্যু বাঁচিয়ে রাখতে চাইছে শাসকদল?
রাজ্যে জোট প্রসঙ্গে —
জোটের জোট আটকে আসন সমঝোতায়? বেশি আসনে লড়াইয়ের দাবি পূর্ব শরিক ISF এর, ISFকে সেই সংখ্যক আসন দিতে চাইছেনা বামেরা। এতো দীর্ঘমেয়াদি জোট প্রক্রিয়ার যদি সত্যিই কোনো ফলাফল আসেও, তাতে কি আদেও কোনো লাভ হবে?
ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক ইস্যুকে সামনে রেখে রাজ্যজুড়ে কর্মসূচি, বিরোধীদের কটাক্ষ—রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] রেজিনগর, মুর্শিদাবাদ, ১২/০২/২০২৬ : রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে হুমায়ুন কবিরের ঘোষিত ‘বাবরি যাত্রা’। ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ইস্যুকে সামনে রেখে এই যাত্রার সূচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সমর্থকদের দাবি, এটি একটি সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকারের অংশ, যার উদ্দেশ্য ইতিহাস ও ন্যায়বিচারের প্রশ্নকে জনসমক্ষে তুলে ধরা।
যাত্রা শুরুর পর থেকেই বিভিন্ন জেলায় সমর্থকদের জমায়েত লক্ষ্য করা গেছে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শান্তিপূর্ণভাবে এই কর্মসূচি পালিত হবে এবং কোথাও যেন আইনশৃঙ্খলার অবনতি না ঘটে, সে বিষয়ে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। প্রশাসনের তরফেও পরিস্থিতির উপর কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে, বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি এই ‘বাবরি যাত্রা’কে কটাক্ষ করে বলেছে, এটি সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাদের অভিযোগ, সংবেদনশীল একটি বিষয়কে সামনে এনে জনমত প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। যদিও হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, তাঁর এই উদ্যোগ কোনও বিভাজনের জন্য নয়, বরং ঐতিহাসিক সত্য ও সাংবিধানিক মূল্যবোধের পক্ষে জনসচেতনতা গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য।
“কমিশন চাইছে গ্রেড এ, রাজ্য সরকার পাঠাচ্ছে গ্রেড বি ও গ্রেড সি অফিসার”
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১০/০২/২০০২৯ : কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের থেকে ‘গ্রেড এ’ ডাবলু বিসিএস অফিসার চাইলেও রাজ্য সরকার গ্রেড বি এবং গ্রেড সি আধিকারিকদের নিয়োগ করতে চেয়েছিল বলে তৃণমূল সরকারকে বিঁধলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের কাজে রাজ্য সরকারের থেকে ২৯৪ জন আইএএস এবং ডাবলু বিসিএস অফিসার চেয়ে পাঠিয়েছিল। কিন্তু রাজ্য সরকার ২২৫ জনের নামের তালিকা পাঠিয়ে দিয়েছিল, তাও আবার তাঁরা প্রত্যেকেই গ্রেড বি এবং গ্রেড সি তালিকাভুক্ত ডব্লুবিসিএস আধিকারিক। এই অফিসারদেরকে ই আরও হিসেবে নিয়োগ করার কথা। কিন্তু নির্বাচন কমিশন ‘গ্রেড এ’ আই এ এস অথবা ডব্লুবিসিএস অফিসার চেয়েছিল, তাই সেই নির্দেশ রাজ্য সরকার লংঘন করেছে বলে অভিযোগ তুললেন শুভেন্দু অধিকারী।
বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “নির্বাচন কমিশন ই আর ও হিসেবে ‘গ্রেড এ’ অফিসারদেরকে চাইছে আর রাজ্য সরকার সেখানে ‘গ্রেড বি’ এবং ‘গ্রেড সি’ অফিসারদেরকে পাঠাতে চাইছে। এভাবেই নির্বাচন কমিশনের নির্দেশকে লংঘন করা হচ্ছে।” এর আগে বিহার সরকার নির্বাচন কমিশনকে ১০০০ ডেটা অপারেটর দিয়েছিল, পশ্চিমবঙ্গ সরকার নির্বাচন কমিশনকে এত সংখ্যক ডেটা অপারেটর দিতেই পারে নি।
Aaj Khabor Desk, Kolkata, West Bengal, 10/02/2026 : The Leader of the Opposition in West Bengal, Suvendu Adhikari, accused the Trinamool Congress-led state government of violating the Election Commission’s directives regarding officer deployment for election duties. He claimed that although the Election Commission had requested Grade ‘A’ IAS and WBCS officers, the state government attempted to appoint only Grade ‘B’ and Grade ‘C’ WBCS officers.
According to Adhikari, the Election Commission had sought 294 IAS and WBCS officers for election-related work. However, the state government submitted a list of only 225 officers, all of whom belonged to Grade ‘B’ and Grade ‘C’. These officers were proposed to be appointed as Electoral Registration Officers (EROs), despite the Commission’s explicit demand for Grade ‘A’ officers.
Suvendu Adhikari stated that this move amounted to a direct violation of the Election Commission’s instructions. He further pointed out that while the Bihar government provided 1,000 data operators to the Election Commission, the West Bengal government failed to supply a sufficient number of data operators for the same purpose.
“কালো কোট পড়া একদল লোক রবীন্দ্রনাথকে ঘিরে রেখেছিল, এরাই সংবাদ মাধ্যমের গায়ে হাত তুলেছে”
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], ব্যারাকপুর, উত্তর ২৪ পরগণা , ০৯/০২/২০২৬ : ব্যারাকপুরে বৃদ্ধকে লাথি মেরে খুনের ঘটনায় ধৃত তৃণমূল কাউন্সিলর রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য্যের ফাঁসির দাবীতে উত্তাল ব্যারাকপুর।
পাশের বাড়ি অবৈধভাবে নির্মাণ করছে বলে ব্যারাকপুরের একটি পরিবার আপত্তি জানিয়েছিল এবং সেই মর্মে পুরসভার চেয়ারম্যানকে চিঠি লিখেছিল। এরপর ঐ অঞ্চলের কাউন্সিলর ঐ পরিবারের ওপর চড়াও হয়ে গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঐ পরিবারের সদস্যদের তিনি মারধর করেন এবং এক বৃদ্ধের (৮১) পেটে লাথি মারেন। ঐ বৃদ্ধের মৃত্যু হয়।
দাপুটে তৃণমূল নেতা ও কাউন্সিলর রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ তাঁকে ব্যারাকপুর আদালতে পেশকরা হয়। এই সময় বিজেপি নেতা অর্জুন সিংহের নেতৃত্বে বিজেপি কর্মীরা বিশাল মিছিল করে রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য্যের ফাঁসি চেয়ে ব্যারাকপুর আদালতের সামনে জমায়েত করতে যায়। সেই সময় পুলিশ তাঁদেরকে আটকায়। পুলিশের সাথে বিজেপি কর্মীদের চূড়ান্ত তর্কাতর্কি বেঁধে যায় এবং ধস্তাধস্তিও হয়। পুলিশ বিজেপি কর্মীদের আদালত চত্বরের সামনে ভীড় করতে দেয় নি।
প্রিজন ভ্যানে করে অভিযুক্ত তৃণমূলকাউন্সিলর রবীন্দ্রনাথকে আদালতে নিয়ে আসার সময় ব্যারাকপুর আদালত চত্বরে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। বিজেপি কর্মীরা ব্যাপক বিক্ষোভ দেখায়। স্লোগান দিতে থাকে। রবীন্দ্রনাথকে ঘিরে থাকে কালো কোট পড়া একদল আইনজীবী। এরা অভিযুক্ত কাউন্সিলর রবীন্দ্রনাথের সমর্থনে আদালতে দাঁড়াতে চান। এই সময় ঐ আইনজীবীদের একাংশ উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে চরম দুর্ব্যবহার করতে শুরু করেন। রীতিমত ধস্তাধস্তি করতে থাকেন সাংবাদিকদের সাথে। এই ঘটনার সাথে সাথেই রবীন্দ্রনাথকে আদালতের ভিতরে নিয়ে যাওয়া হয়।