আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৯/০৭/২০২৬ : তৃণমূল কংগ্রেসের তিন সাংসদ যোগ দিলেন বিজেপিতে। এই তিনজন হলেন সুস্মিতা দেব, প্রকাশ চিক বারাইক এবং সুখেন্দু শেখর রায়।
আজ কলকাতার নিউ টাউনে বিজেপির দপ্তরে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের তিন সাংসদ ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দিলেন। তাঁরা হলেন সুস্মিতা দেব, প্রকাশ চিক বারাইক ও সুখেন্দু শেখর রায়। তাঁদের হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দিয়ে দলে স্বাগত জানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন তৃণমূল থেকে আসা সাংসদেরা।
কিন্তু বিজেপি বার বার ঘোষণা করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস থেকে কাউকেই বিজেপিতে জায়গা দেওয়া হবে না। বিজেপি সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই তিন সাংসদ নিজেরাই দিল্লীতে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সাথে যোগাযোগ করেছিলেন। মোদীজির সাথেও তাঁদের সাক্ষাৎ হয়েছিল। এই তিন সাংসদ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বকে নিজেদের বিশ্বস্ততা প্রমান করতে সক্ষম হয়েছেন। সুখেন্দু শেখর রায় অমিত শাহের সাথেও দেখা করেছিলেন। এরপরেই এই তিন সাংসদের জন্যে দরজা খুলে দিয়েছে বিজেপি শিবির।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০২/০৩/২০২৬ : দক্ষিণ কলকাতার হাজরা অঞ্চলে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে একটি জনসভায় উপস্থিত ছিলেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ. হাজরা থেকে কালীঘাট অঞ্চল দিয়ে তিনি আজ একটি রোড শো করেন এবং তারপর শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে মনোনয়ন পেশ করাতে নিয়ে যান। ।
হাজরার জনসভা থেকে অমিত শাহ বলেন, “এবার নন্দীগ্রামের সাথে ভবানীপুরেও জিতবেন শুভেন্দু অধিকারী।” তৃণমূলকে বঙ্গোপসাগরে ছুঁড়ে ফেলার ডাক দিয়ে তিনি বলেন “এবার ভোটের সময় টানা ১৫ দিন বাংলায় থাকবো। বেছে বেছে অনুপ্রবেশকারীদের দেশ থেকে বের করে দেওয়া হবে। বাংলায় বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠা হবেই। শুভেন্দু অধিকারী শুধু নন্দীগ্রাম থেকে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন, কিন্তু আমরাই তাঁকে বলেছি মমতা ব্যানার্জিকে হারাতে হবে, তাই উনি ভবানীপুর থেকেও দাঁড়িয়েছেন। আগের বার নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারী মমতা ব্যানার্জিকে ভোটে হারিয়ে দিয়েছিলেন। এবারেও হারাবেন ভবানীপুর থেকে।”
আজ অমিত শাহকে সঙ্গে নিয়ে নিজের মনোনয়ন পেশ করতে যান শুভেন্দু অধিকারী। এদিন সেই উপলক্ষে একটি রোড শো করা হয়। সেই রোড শো’য়ে হাজার হাজার বিজেপি কর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। সেই রোড শো যখন কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে দিয়ে যাচ্ছিল, সেই সময় তাঁদেরকে দেখে তৃণমূল সমর্থকেরা মাথায় কালো কাপড় বেঁধে বিক্ষোভ দেখতে থাকেন। গোটা এলাকা স্লোগান আর পাল্টা স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে। দুই পক্ষই চোর চোর বলে চিৎকার করতে থাকে। বিশালপুলিশ বাহিনী দুই পক্ষকেই সামলাতে চেষ্টা করে। এর মধ্যেই অমিত শাহ, শুভেন্দু অধিকারীরা রোড শো থেকে বেরিয়ে নিজেদের গাড়িতে উঠে মনোনয়ন জমা দিতে চলে যান। ধ্বস্তাধস্তি ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনায় এক বিজেপি কর্মী জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
কাকুলিয়ার দুষ্কৃতী তান্ডবের ১২ দিন পরেও অধরা সোনাপাপ্পু, ইতিমধ্যে ছাড়াও পেয়ে গেলো ১৭জন। অন্যদিকে আইনি পথে মৃতা মায়ের চক্ষুদান করে ৩দিন শ্রীঘরে নদিয়ার আমির। একই পুলিশের দুইরূপ কেন রাজ্যে? সাধারণের জন্য হাতকড়া, আর শাসক আশ্রিত দুষ্কৃতীদের জন্য সব ছাড় পুলিশের?
নির্বাচন কমিশনে আধিকারিক প্রেরণ প্রসঙ্গে —
৮৫০৫ অফিসার নিয়ে এখনো গড়িমসি রাজ্যের। নির্দেশ অনুযায়ী কমিশনের কাছে পৌঁছোচ্ছে না সম্পূর্ণ তথ্য সমৃদ্ধ তালিকা। কমিশনের নিয়োগ করা লোক নিয়েও সমস্যা, কমিশনকে লোক দিতে হলেও সমস্যা! রাজ্যের এতো অনীহা কেন SIR নিয়ে?
পরিযায়ী শ্রমিক প্রসঙ্গে —
বাংলাভাষী মানুষ ভিন রাজ্যে গিয়ে সমস্যায় পড়লে তা নিয়ে অনেক বড় ইস্যু তৈরি করা হয়। কিন্তু আয়ুষ্মান ভারত-সহ কেন্দ্রীয় প্রকল্প বাংলায় চালু হলে মানুষকে যেতে হতো না রাজ্য ছেড়ে। ফের কেন্দ্রীয় প্রকল্প নিয়ে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ নির্মলার। ভিনরাজ্যে বাংলাভাষীদের হেনস্থা কি কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে মেটানো সম্ভব?
পুনেতে বাঙালি শ্রমিক হত্যা সম্বন্ধে —
পুনেতে খুন পুরুলিয়ার সুখেন মাহাতো। তৃণমূলের দাবি বাংলা ভাষায় কথা বলাতে খুন ,আসরে অভিষেক। অন্যদিকে পুনে পুলিশের বক্তব্য খুন কারণ কোনো সম্প্রদায় নয়। ভাতা-র বদলে রাজ্যে কাজ থাকলে এই সমস্যা সমাধান সহজ হতো না? নাকি শুধু রাজনৈতিক কারণে পরিযায়ী ইস্যু বাঁচিয়ে রাখতে চাইছে শাসকদল?
রাজ্যে জোট প্রসঙ্গে —
জোটের জোট আটকে আসন সমঝোতায়? বেশি আসনে লড়াইয়ের দাবি পূর্ব শরিক ISF এর, ISFকে সেই সংখ্যক আসন দিতে চাইছেনা বামেরা। এতো দীর্ঘমেয়াদি জোট প্রক্রিয়ার যদি সত্যিই কোনো ফলাফল আসেও, তাতে কি আদেও কোনো লাভ হবে?