
ভোটের আগে এই ধর্ণা বড় ইস্যু হতে চলেছে
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৬/০৩/২০২৬ : তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফের তাঁর নিজের চেনা মেজাজে ফিরে এলেন। কলকাতার ধর্মতলা এলাকায় তিনি আজ থেকে ধর্ণায় বসেছেন।
![]()

ভোটের আগে এই ধর্ণা বড় ইস্যু হতে চলেছে
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৬/০৩/২০২৬ : তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফের তাঁর নিজের চেনা মেজাজে ফিরে এলেন। কলকাতার ধর্মতলা এলাকায় তিনি আজ থেকে ধর্ণায় বসেছেন।
![]()

“অসুস্থতার কারণে রাজ্যপাল অব্যাহতি নিয়েছেন, এতে বিতর্কের কিছু নেই”
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ , ০৬/০৩/২০২৬ : তৃণমূল নেতৃত্বকে নিয়ে তীব্র কটাক্ষ শোনা গিয়েছে বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের গলায়।
এসআইআর এ পশ্চিমবঙ্গের বহু বৈধ ভোটার বাদ পড়ে গিয়েছে এই অভিযোগ তুলে আজ তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্ণা কর্মসূচী রয়েছে কলকাতার ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে। কলকাতার রাজপথে ধর্ণা দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস এসআইআর-এর প্রতিবাদ জানাতে চায়। তাদের বক্তব্য এসআইআরের ভুল পদ্ধতির জন্যেই রাজ্যে বেশ কিছু বিএলও এবং নাগরিকের প্রাণ গিয়েছে। অনেকেই আত্মহত্যা করেছেন। রাজ্যে যে পদ্ধতিতে এসআইআর করেছে তা ভুলভ্রান্তিতে ভরা। এরই প্রতিবাদে রাজপথে নেমে ধারণা দেবে তৃণমূল কংগ্রেস।
তৃণমূলের এইধর্ণা কর্মসূচীকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেছেন, “আর কিছুদিন পরেই রাজ্যে যে ভোট হতে চলেছে, সেই ভোটে হেরে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের বিরোধী দলে পরিণত হবে। সেইসময় ওদের অনেক ধর্ণা করতে হবে। এখন থেকেই সেই অভ্যাস তৈরী করতে চাইছে ওরা। ”
হঠাৎ করেই রাজ্যপালের পদত্যাগ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “রাজ্যপাল শ্রীবোস অসুস্থতার কারণে অব্যাহতি নিয়েছেন বলে শুনেছি। তাই তাঁর এই পদত্যাগ সম্পর্কে কোনো রকম বক্তব্য আমার নেই। এই ব্যাপারে আমি কিছু বলতে চাই না। “
![]()

গাজোলের বিধায়ককে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এই দম্পতি
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] গাজোল, মালদা, ০৪/০৩/২০২৬ : হবিবপুরের পর এবার গাজোল৷ সিএএতে আবেদন করে অবশেষে ভারতীয় নাগরিকত্ব পেলেন গাজোলের শংকরপুর এলাকার মহেন্দ্রকুমার সিংহ ও তাঁর স্ত্রী আরতি সিংহ৷ ধর্মীয় কারণে বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে এদেশে আশ্রয় নিয়েছিলেন তাঁরা৷
অনেক চেষ্টা করেও এতদিন তাঁরা ভারতীয় নাগরিকত্ব পাননি৷ ছিল না ভোটার কার্ড৷ ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে অবশেষে মাস তিনেক আগে তাঁরা সিএএতে আবেদন জানান৷ দোলযাত্রার দিন বাড়ি গিয়ে তাঁদের হাতে সিএএ শংসাপত্র তুলে দিয়েছেন স্থানীয় বিধায়ক চিন্ময় দেববর্মন৷ এত বছর পর ভারতীয় নাগরিকত্ব হাতে পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অকুণ্ঠ ধন্যবাদ জানিয়েছেন সিংহ দম্পতি৷
![]()

ক্যামেরার সামনে দুই পাক্ষি মুখে কুলুপ এঁটেছে
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], খেজুরি, পূর্ব মেদিনীপুর, ০৩/০৩/২০২৬ : দলীয় পদের জন্য লাখ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ। আর সেই অভিযোগ এবং পদ না পেয়ে টাকা ফেরত চাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে খেজুরিতে তৃণমূল পার্টি অফিসের ভেতর দলের দুই নেতার হাতাহাতি মারামারি ঘুঁষোঘুঁষির ভাইরাল ভিডিও প্রকাশ্যে!
এই ঘটনাকে ঘিরে জোর শোরগোল শুরু হয়েছে খেজুরিতে। এলাকার দুই তৃণমূল নেতা শঙ্কর দুলাল পাত্র এবং নন্দন দাসের মধ্যে কলার ধরে মারামারির ভিডিও ভাইরাল। কলার ধরে মার এবং ঘুঁষোঘুঁষির ভাইরাল ভিডিও সামনে আসায় চরম অস্বস্তিতে পড়েছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। যা নিয়ে দলের নেতারা মুখে কুলুপও এঁটেছেন।
ভোটের মুখে নিজেদের মধ্যে মারামারি এবং কোন্দল ঘিরে খেজুরিতে দলের অনৈক্যের ছবি প্রকাশ্যে এসে পড়ায় বেশ অস্বস্তিতেও তৃণমূল নেতৃত্ব।
![]()

![]()

“বাংলার ভালো নয়, অভিষেকের ভালোর জন্যেই সব কিছু করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়”
![]()

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৮/০২/২০২৬ : তৃণমূল কংগ্রেস তাদের রাজ্যসভার প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে, যে প্রার্থী তালিকার কিছু রকম নিয়ে বিতর্ক তৈরি করতে শুরু করেছে বিরোধী দলগুলি।
![]()
আমাদের শান্তিপূর্ণ ও আইনি বিক্ষোভে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন বিজেপি কর্মীরা
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৫/০২/২০২৬ : তাঁদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ প্রদর্শনের সময় শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও হেনস্থার প্রতিবাদে শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন এক মহিলা বিএলও।
গতকাল কলকাতায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরের সামনে কিছু ব্লক লেভেল নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছিলেন, সেই সময় বিজেপি সমর্থকেরা সেখানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং বিক্ষোভকারীদের হেনস্থা করেছেন বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। পুলিশের কাছে অভিযোগে নাম রয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর।
ওই মহিলা বিএলও জানিয়েছেন, “২৪ তারিখে বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ আমরা যখন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের অফিসের সামনে শান্তিপূর্ণ এবং সম্পূর্ণ আইনি বিক্ষোভ প্রদর্শন করছিলাম, ঠিক সেই সময় বিজেপির বেশ কিছু সমর্থক দলীয় পতাকা নিয়ে সেখানে আসেন এবং হৈ হট্টগোল শুরু করেন। তাঁরা পতাকার লাঠি দিয়ে আমাদের হেনস্থা করেছেন। রাজ্যে অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে যেভাবে এসআইআর করা হয়েছে, এবং সেই কারণে বেশ কিছু মানুষ ও বিএলও মারা গিয়েছেন। আমরা এই বিষয়টির প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম। কিন্তু বিজেপি সমর্থকদের হাতে হেনস্থা শিকার হব ভাবি নি। তাই এই বিষয়টি জানিয়ে থানায় এফআইআর করেছি। ”
হেনস্থা করার বিষয়টি বিজেপির তরফ থেকে অস্বীকার করা হয়েছে।
![]()

“তিনিই ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা”
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৩/০২/২০২৬ : প্রয়াত পশ্চিমবঙ্গের “রাজনীতির চাণক্য” মুকুল রায় !! আজ ২৩ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাংলার প্রবীণ রাজনীতিবিদ মুকুল রায়।
১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের জন্মলগ্নের অন্যতম প্রধান কারিগর এবং প্রায় দুই দশকের বেশি বঙ্গ রাজনীতির ইতিহাসে মুষ্টিমেয় ব্যক্তিত্বর মধ্যে এক নক্ষত্র এবং বর্ণময় চরিত্র, যেখানে UPA আমলে ৬ মাসের রেলমন্ত্রী এবং প্রায় ৩ বছরের কাছাকাছি কেন্দ্রীয় জাহাজ ও বন্দর মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছেন মুকুল রায়। ২০১২ সালে রেল বাজেট নিয়ে মুকুল বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিলেন যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাত্রী ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ এবং তৎকালীন রেলমন্ত্রী তথা ব্যারাকপুরের তৃণমূল সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদীর পদত্যাগ দাবি করেছিলেন।
দীনেশ পদত্যাগ করার পর মুকুল ভারতের রেলমন্ত্রী হন এবং তিনি প্রাক্তন রেলমন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদীর প্রবর্তিত ভাড়া বৃদ্ধি প্রত্যাহার করেন যেই ঘটনা তীব্র সমালোচনার সম্মুখীন হয়। পরবর্তীতে খুচরো ব্যবসা এবং বিমানযাত্রার খাতে ৫১% FDI অনুমোদনের কারণে UPA-2 জোট থেকে তৃণমূল কংগ্রেস বেরিয়ে যাওয়ার পর মুকুল রায়ের রেলমন্ত্রীর মেয়াদ ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শেষ হয়ে যায়। ২০১৭ সালের ২৫শে সেপ্টেম্বর তৃণমূল কগ্রেস থেকে পদত্যাগ করেন মুকুল রায় এবং তারপর তৎকালীন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি এবং বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের মতন কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতাদের সাথে সাক্ষ্যাতের অভিযোগে মুকুল রায়কে ৬ বছরের জন্য তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বরখাস্ত করা হয়!
দীর্ঘ ১১ বছরের বেশি সময় ধরে দায়িত্ব সামলানোর পর ১১ অক্টোবর ২০১৭ সালে তৃণমূলের রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকেও পদত্যাগ করেন এবং ২০২১ সালের ১১ই জুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তার ছেলে শুভ্রাংশুর সাথে তৃণমূল কংগ্রেসে ঘর-ওয়াপসি করেন মুকুল রায়। ২০২১ সালের জুন মাসের ২৫ তারিখ মুকুল পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকার নির্বাচিত PAC কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন এবং আগামীতে ৩ সপ্তাহ পর ১৪ই জুলাই তারিখে PAC কমিটির চেয়ারম্যান হন।
২০২২ সালের ১৯ জানুয়ারী তার আইনজীবী স্পিকারকে জানান, যে তিনি এখনও বিজেপিতে আছেন এবং তিনি তৃণমূল কংগ্রেস দলে যোগ দেননি, সেই অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় দলত্যাগ বিরোধী আইনের অধীনে মুকুলের বিধায়ক-পদ বাতিল করে দেন। কলকাতা হাই কোর্টের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মুকুল রায়ের পুত্র শুভ্রাংশু রায়। সুপ্রিম কোর্ট চলতি বছরের ১৬ই জানুয়ারি মুকুল রায়ের বিধায়কপদ খারিজের মামলায় প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছিল।
দীর্ঘ রাজনীতির কেরিয়ারে ১৯৯৮ সাল থেকে ২০১৫ পর্যন্ত দীর্ঘ ১৭ বছরের বেশি তৃণমূলের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং ১ বছর বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতির দায়িত্ব সামলেছেন মুকুল রায়। দীর্ঘ সেই রাজনৈতিক জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটলো রবিবার গভীর রাতে। বাংলার রাজনীতিতে রেখে গেলেন তাঁর হাতে রাজনীতির হাতে খড়ি হওয়া অগণিত রাজনৈতিক ভক্ত ও অনুগামীদের।রবিবার গভীর রাতে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। আজ তাঁর নিজের বাড়ি কাঁচরাপাড়ার ঘটক রোডের বাড়ীতে সোমবার সকাল থেকেই নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
![]()

বাংলা দখল করার এত লোভ ? প্রশ্ন মমতার
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২১/০২/২০২৬ : কলকাতায় আজ মাতৃভাষা উপলক্ষে ভাষণ দিতে গিয়ে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে রীতিমত তুলোধোনা করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আজ ২১শে ফেব্রুয়ারি, বিশ্ব মাতৃভাষা দিবস। এই উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে বিজেপকে তুমুল আক্রমন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “তোমরা কেন্দ্র সরকার শাসন করছো, বাংলা দখলের এতলোভ কেন ? এসআইআর করে তোমরা বলপ্রয়োগ করে বাংলা দখল করতে চাও ? আমি এই সব কিছুর প্রতিবাদ জানাবো।”
এদিন ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের ব্যাপক নিন্দা করেন তিনি। তিনি বলেন, “এভাবে বাংলা দখল করতে দেওয়া হবে না. এভাবে বল প্রয়োগ করে লাভ হবে না। আমি প্রাণ বিসর্জন দিতে রাজি আছি, কিন্তু মাথা নত করতে পারবো না।”
মমতা এদিন অভিযোগ করেন, “বাংলার বাইরে বাংলা ভাষায় কথা বললেই তাকে বাংলাদেশী বলে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাকে হেনস্থা করা হচ্ছে। বাংলার এই অপমান আমরা মেনে নেবো না। গোটা দেশে কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থা চলছে। আমি বলছি আপনারা এর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হোন। আমরা সকল ভাষাকে সন্মান করি। অন্য কোনো ভাষাভাষী কেউ বিপদে পড়লে আমরা তার পাশে দাঁড়াই, আমাদের প্রতিশ্রুতি মত। একটা কথা মনে রাখবেন, বাঙালি কারোর ওপর নির্ভরশীল নয়।”
![]()