রাজ্যের নবম মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিনে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে
আজ খবর (বাংলা), কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৯/০৫/২০২৬ : আজ রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন, রাজ্যে প্রথমবার বোধন হল বিজেপি সরকারের, এবং বিসর্জন হল তৃণমূল সরকারের।
ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আজ ছিল বিজেপি সমর্থকদের জনসমুদ্র। থিক থিক করছে অগণিত মানুষ। তাঁরা স্লোগান দিচ্ছেন “জয় শ্রীরাম”, “ভারত মাতা কি জয়”, “নরেন্দ্র মোদী জিন্দাবাদ”, শুভেন্দু অধিকারী জিন্দাবাদ” বলে। প্রত্যেক মানুষের চেহারায় খুশির উৎসব। যেন বাঁধ ভেঙে উচ্ছাসের প্লাবন এসেছে সবার মনে,প্রাণে। ব্রিগেডের জমায়েত রূপ নিয়েছে বাংলায় রাম রাজ্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। আজ যেন সত্যিই অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গ মিলে গেলো এক সুতোর বন্ধনে। গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর ধন্য হয়ে উঠল।
আজ রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হল। রাজ্যের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করালেন রাজ্যের রাজ্যপাল আর এন রবি। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন, অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী ও বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, উপ মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপালেরা। শুভেন্দু অধিকারীর সাথে আজ শপথবাক্য পাঠ করলেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পল, নিশীথ প্রামানিকরা। এদিন বাংলাকে নতমস্তকে প্রণাম করলেন নরেন্দ্র মোদী।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আদর্শে গড়ে উঠবে নতুন সরকার। ” মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েই শুভেন্দু অধিকারী ছুটে যান জোড়াসাঁকোয় ঠাকুরবাড়িতে। আজ রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন রবি ঠাকুরকে প্রণাম করে নিজের দায়িত্বে এগিয়ে গেলেন তিনি। শুভেন্দু বলেন, “সকলের বিবেক জাগ্রত হোক. চরৈবেতি।”
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৮/০৫/২০২৬ : পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আগামীকাল ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শপথ গ্রহণ করতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। আগামীকাল রাজ্যে প্রথমবার সরকার গড়তে চলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি।
আজ দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে বিজেপির পরিষদীয় বৈঠক আয়োজিত হয়। সেই বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হবেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে তাঁর কোনো ডেপুটি বা উপ মুখ্যমন্ত্রী থাকছে না। এদিন অমিত শাহ ভবানীপুরের ভোটারদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “ভোট দেওয়ার জন্যে ভবানীপুরের ভোটারের অভিনন্দন। মমতা ব্যানার্জির ঘরে এসে তাঁকে হারিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।” প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মমতা ব্যানার্জিকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বানানোর শপথ নিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন আরও দুটি নতুন আপডেট পাওয়া গিয়েছে। সেগুলি হল সন্দেশখালির ঘটনায় নতুন কমিশন গঠন করা হল এবং আর জি কর হাসপাতালের ঘটনায় নতুন কমিশন গঠন করা হল। আগামীকাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ছাড়াও দেশের বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের উপস্থিতিতে সরকার গড়বে বিজেপি। আজ লোকভবনে গিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে গিয়ে নয়া রাজ্য সরকার গড়ার আবেদন তিনি করবেন মাননীয় রাজ্যপালের কাছে।
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি] নন্দীগ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর, ০৬/০৫/২০২৬ : রাজ্যে নতুন সরকার গঠন করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করার বার্তা দিলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী।
শুভেন্দু অধিকারী আজ বলেন, “আপনাদের সকলকে শান্ত থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি। কেউ নিজের হাতে আইন তুলে নেবেন না। আমরা প্রত্যেকটা কেসের ফাইল রি-ওপেন করবো। কুকুর মানুষের পায়ে কামড়ালে মানুষ কুকুরের পায়ে কামড় দেয় না। আপনারা নিজেদেরকে সংযত রাখুন। আগামী ৯ তারিখে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পর পুলিশের অনুমতি নিয়ে বিজয় মিছিল করবেন, তার আগে এই কয়েকটা দিন শান্ত থাকুন।”
আগামী ৯ তারিখ রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন সকাল ১০টায় মন্ত্রীসভার শপথ নেবেন বিজেপির বিজয়ী বিধায়করা। ঐদিন কলকাতায় উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। রাজ্যে এই প্রথম পথ চলা শুরু করবে বিজেপি সরকার। আগামীকাল রাতে পরিষদীয় দলের বৈঠক করবে বিজেপি।
মমতা ব্যানার্জিকে প্রচার থেকে সরিয়ে দেওয়া উচিত : সুকান্ত
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], হলদিয়া, পূর্ব মেদিনীপুর, ৩০/০৩/২০২৬ : আজ শুভেন্দু অধিকারী নিজের মনোনয়ন জমা দেবেন। জেলার অন্যান্য প্রার্থীরাও থাকবেন। এদিকে উত্তরবঙ্গে দু’দিন প্রচার চালাতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
আজ হলদিয়ায় বিশাল শোভাযাত্রা করেন বিজেপি কর্মীরা। এই শোভাযাত্রায় অংশ নেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা খড়্গপুরের প্রার্থী দিলীপ ঘোষ।এছাড়াও ছিলেন বিজেপি নেতা ধর্মেন্দ্র প্রধান। আজ এই নেতাদের দেখতে প্রচুর মানুষের ভীড় জমে যায়। মন্দিরে পুজো দিয়ে শুভেন্দু সহ ১৬ জন বিজেপি প্রার্থী আজ মনোনয়ন পেশ করতে যাবেন। মনোনায়ন জমা দেওয়ার আগে হলদিয়ায় একটি জনসভা করেন শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়ন পেশ করার জন্যে আজ এসডিও অফিসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো করা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গেও প্রচারের তীব্রতা বাড়াচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি। গেরুয়া শিবির সূত্রে জানা গিয়েছে আগামী মাসের ১০ তারিখে উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে মেগা শোভাযাত্রা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানে তিন কিলোমিটার রোড শো করবেন তিনি। শিলিগুড়িতে বিজেপির হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছেন শঙ্কর ঘোষ। শিলিগুড়ির আগে ৫ তারিখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আসছেন কোচবিহারে। সেখানে রাস মেলার মাঠে তিনি একটি বিশাল জনসভা করবেন বলে জানা গিয়েছে। এই জনসভা করার কথা ছিল আলিপুর দুয়ারে। কিন্তু তার বদলে জনসভাটি অনুষ্ঠিত হবে কোচবিহারে।
এদিকে বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন। তিনি বলেছেন, “নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয়ে তৃণমূল নেত্রী বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। তিনি প্রাণহানির কথা বলছেন। এজন্য নির্বাচন কমিশনের উচিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রচারের বাইরে রাখা।” বিজেপির তরফ থেকে এই ব্যাপারে অভিযোগ জানানো হচ্ছে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনকে।
ময়নাগুড়িতে প্রচারে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী রামমোহন রায়কে পাশে দাঁড় করিয়ে বলেছিলেন, “এই আমাদের প্রার্থী, ওকে বলা হয়েছিল গাছে বেঁধে পেটাবে। আমি বলি গাছ টাও আমাদের, জঙ্গলটাও আমাদের। গাছ ছায়া দেয়, মানুষের উপকার করে। ভোট হয়ে গেলে বাড়ির সামনে প্ল্যাকার্ড লাগিয়ে তাতে লিখতে হবে, আমরা বিজেপি করি না। “
দেশ থেকে ৩৭০ ধারা অবলুপ্তির পিছনে অমিত শাহের অবদান ছিল অনস্বীকার্য
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], নন্দীগ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর, ২৯/০৩/২০২৬ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে জাতির নতুন চানক্য বলে অবিহিত করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
বিজেপি নির্বাচনে জিতলে শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন বলে ইঙ্গিত দিয়ে গিয়েছেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, এবার তাঁকেই জাতির নব ‘চানক্য’ বলে অভিহিত করলেন শুভেন্দু অধিকারী।
শুভেন্দু অধিকারী আজ বলেন, “অমিত শাহ জাতির নব চানক্য। অসাধারণ নেতা তিনি। নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে যেভাবে তিনি শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির স্বপ্নকে সফল করে তুলছেন তা যথেষ্ট প্রশংসনীয়। শুধু তাই নয়, দেশ থেকে ৩৭০ ধারা অবলুপ্তির পিছনে তাঁর অবদান দেশবাসী ভুলবে না. “
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আর কিছুদিন পরেই দুই দফায় ভোট গ্রহণ করা হবে পশ্চিমবঙ্গে। এপ্রিল মাসের ২৩ ও ২৯ তারিখে ভোট হতে চলেছে রাজ্যে। ভোটের ফল প্রকাশিত হবে মে মাসের ৪ তারিখে। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস এবং ভারতীয় জনতা পার্টির মধ্যে ভোটের চরম লড়াইয়ের সাক্ষী থাকছে গোটা রাজ্য। নির্বাচনের ফলাফলের জন্যে আমাদের অপেক্ষা করতেই হবে মে মাসের ৪ তারিখ পর্যন্ত।
রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস কি এবার জিততে পারবে ? নাকি বিজেপি গড়বে নতুন সরকার ?
এবং তারপর, (আজ খবর) [রাজনীতি] , ২৪/০৩/২০২৬ : আর কিছুদিন পরেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। আর এই নির্বাচনকে ঘিরে রাজ্যে উত্তেজনার পারদ রোজই চড়তে শুরু করেছে। বিজেপি দাবী করছে যে এবার হারতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস, পরাজিত হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। বিজেপির প্রথম যুক্তিটি হল যেহেতু রাজ্যে এসআইআর করা হয়েছে, তাই তৃণমূল কংগ্রেসকে যে ভুয়ো ভোটাররা এতদিন জিতিয়ে এসেছে তারা আর ভোট দেওয়ার সুযোগই পাবে না। ফলে এবার আর সেভাবে ছাপ্পা ভোটের ভয় নেই। ভোটের ফলাফল শাসক দলের বিরুদ্ধে যাবে।
দ্বিতীয়ত, প্রশাসনিক কাজে তৃণমূলের ফেভারিট আধিকারিকদের অনেককেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের আধিকারিক, আমলা, পুলিশ কর্তাদের কেউ এবার আর শাসক দলকে অতিরিক্ত সুবিধা দিতে পারবে না। তৃতীয়ত, সংখ্যালঘু ভোট এবার আর তৃণমূল দলের সাথে সেভাবে নেই। তৃণমূল দল থেকে বহিস্কৃত বিধায়ক হুমায়ুন কবীর তৃণমূল ছেড়ে নতুন দল ঘোষণা করে ওবেইসির মিম দলের সাথে হাত মিলিয়েছেন, ওদিকে নওয়াজ সিদ্দিকী সাহেবের আইএসএফ দলটি নিজের শক্তি বৃদ্ধি করেছে। সুতরাং সংখ্যালঘু ভোট ভাগ হচ্ছেই। এক্ষেত্রেও তৃণমূলের ভোট কমছে।
চতুর্থত, নির্বাচন কমিশন এবার অনেক বেশি কঠোর। অনেক নতুন নিয়ম এসেছে। একটা বুথে ভোটারের সংখ্যাও সীমিত। এবার মাত্র দুই দফায় ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীও থাকছে পর্যাপ্ত পরিমাণে। তার ওপর সরকারি কর্মী, শিক্ষক সমাজ, চিকিৎসক সমাজ অনেকেই শাসক দলের বিরুদ্ধ মনোভাবাপন্ন হয়ে রয়েছে। রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই বার কয়েক ধাক্কা খেয়েছে হাইকোর্ট আর সুপ্রীম কোর্টে। বিরোধী ইন্ডি জোটের শক্তিও কমেছে। আরজিকর হাসপাতালে অভয়া নিয়েও চূড়ান্ত ক্ষোভ রয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে আরজিকর হাসপাতালেই লিফ্ট কাণ্ড নিয়ে নতুন ঝড় উঠেছে। সব দিক থেকেই এবার নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যথেষ্ট ব্যাকফুটে রয়েছেন।
কিন্তু সত্যিই কি তাই ? বিজেপি কি সত্যিই বুদ্ধির জোরে তৃণমূলকে টেক্কা দিতে পারবে ? জন সমর্থন কি সত্যিই এবার রাজ্যে গেরুয়া শিবিরকেই চাইছে ? রাজ্যে বিজেপির সংগঠন কি সত্যিই এতটা মজবুত যে শেষ হাসিটা হাসতে পারবে পদ্ম শিবির ? আসুন দেখে নিই, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কি কি কারনে তিনি নির্বাচনে জিততে পারেন, আর কি কি কারণে তিনি হারতে পারেন !
প্রথমে দেখে নেওয়া যাক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেস যদি জিতে যায়, তাহলে কোন কোন বিষয় তাদেরকে জিতিয়ে দিতে পারে ?
১. শক্তিশালী গ্রাসরুট সংগঠন (Booth Level Strength)
তৃণমূল কংগ্রেস-এর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তাদের বুথ-স্তরের সংগঠন। গ্রাম থেকে শহর—প্রতিটি এলাকায় কর্মী নেটওয়ার্ক থাকলে ভোট ম্যানেজমেন্ট সহজ হয়। পশ্চিমবঙ্গে এই নেটওয়ার্ক এখনও অনেক জায়গায় শক্তিশালী।
২. নারী ভোটব্যাঙ্ক (Women Voters)
মমতা সরকারের প্রকল্পগুলো—যেমন:
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার
কন্যাশ্রী
রূপশ্রী
এই স্কিমগুলো নারী ভোটারদের মধ্যে বড় প্রভাব ফেলে। অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনে করেন, নারী ভোটই তৃণমূলের “game changer”।
৩. ওয়েলফেয়ার পলিটিক্স (Direct Benefit Schemes)
ফ্রি রেশন, স্বাস্থ্যসাথী, ছাত্রছাত্রীদের স্কলারশিপ—এইসব সরাসরি সুবিধা ভোটারদের মধ্যে একটা “security feeling” তৈরি করে।যারা সরাসরি সুবিধা পাচ্ছেন, তারা সাধারণত সরকারকে সমর্থন করতে চান।
৪. বিরোধীদের বিভক্তি
প্রধান বিরোধী হিসেবে ভারতীয় জনতা পার্টি থাকলেও—
স্থানীয় স্তরে নেতৃত্ব সমস্যা
কংগ্রেস ও বামেদের সঙ্গে ভোট ভাগ হওয়া
এতে anti-incumbency vote একজোট নাও হতে পারে।
৫. “বাংলা বনাম বহিরাগত” ন্যারেটিভ
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার আঞ্চলিক পরিচয় (Bengali identity) তুলে ধরেন।এই আবেগ অনেক ভোটারকে প্রভাবিত করে, বিশেষ করে গ্রামীণ ও মধ্যবিত্ত অংশে।
৬. ব্যক্তিগত ইমেজ (Strong Leadership Image)
মমতার ইমেজ:
“মাটি থেকে উঠে আসা নেতা”
সরাসরি মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ
অনেক ভোটার এখনও তাঁকে “accessible leader” হিসেবে দেখেন।
৭. সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক
সংখ্যালঘু ভোট পশ্চিমবঙ্গে বড় ফ্যাক্টর।
যদি এই ভোট একদিকে যায়, তাহলে ফলাফল অনেকটাই প্রভাবিত হয়।
৮. নির্বাচনী কৌশল (Campaign Strategy)
Door-to-door campaign
Local issue-based messaging
Social media + ground mix strategy
এই hybrid model এখন বেশ কার্যকর।
তবে জয়ের পথে বাধাও আছে
Balanced analysis হিসেবে বলি—সবকিছু একপাক্ষিক নয়:
দুর্নীতির অভিযোগ (SSC, coal scam ইত্যাদি)
anti-incumbency (দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার ক্লান্তি)
কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত
বেকারত্ব ইস্যু
এগুলো যদি বড় ফ্যাক্টর হয়ে ওঠে, তাহলে ফল বদলাতেও পারে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিততে পারেন যদি:
নারী + সংখ্যালঘু ভোট ধরে রাখতে পারেন
গ্রাসরুট সংগঠন সক্রিয় থাকে
বিরোধীরা একজোট না হয়
কিন্তু ভোটের ফল পুরোপুরি নির্ভর করবে ground sentiment + last-mile campaign execution-এর ওপর .
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে হারতেও পারেন—এটা সম্পূর্ণই নির্ভর করছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নেতিবাচক ফ্যাক্টরের ওপর। বাস্তবভিত্তিকভাবে এগুলো বোঝা জরুরি —
১. Anti-Incumbency (দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার ক্লান্তি)
২০১১ থেকে টানা শাসন করছে তৃণমূল কংগ্রেস।
অনেক ভোটারের মধ্যে “পরিবর্তন চাই” মনোভাব তৈরি হতে পারে গ্রামীণ এলাকায় এই ফ্যাক্টর বেশি কাজ করে
২. দুর্নীতির অভিযোগ (Corruption Factor)
SSC নিয়োগ কেলেঙ্কারি
কয়লা ও গরু পাচার ইস্যু
বিরোধীরা এই ইস্যুগুলোকে বড় করে তুললে “clean image” ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে
৩. কর্মসংস্থান সমস্যা (Unemployment)
যুব সমাজের বড় অংশ চাকরি ও সুযোগ নিয়ে অসন্তুষ্ট।
“চাকরি নেই” ইস্যু যদি ভোটের কেন্দ্রে আসে, সেটা বড় ক্ষতি করতে পারে
৪. আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে অসন্তোষ
কিছু ক্ষেত্রে:
রাজনৈতিক হিংসা
স্থানীয় দাদাগিরি
নারী নিরাপত্তা ইস্যু
এই বিষয়গুলো মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি ছড়ালে negative perception তৈরি হয়
৫. বিরোধীদের শক্তিশালী সংগঠন (Rise of BJP)
ভারতীয় জনতা পার্টি গত কয়েক বছরে বাংলায় সংগঠন অনেক শক্ত করেছে।
যদি তারা:
booth-level শক্তি বাড়ায়
শক্তিশালী মুখ তুলে ধরে
তাহলে সরাসরি প্রতিযোগিতা কঠিন হয়ে যাবে
৬. বিরোধীদের একজোট হওয়া
যদি:
BJP + Congress + Left tacit understanding করে অথবা ভোট বিভাজন কমে যায়
তাহলে anti-TMC vote একত্রিত হয়ে যেতে পারে
৭. গ্রামীণ অসন্তোষ (Rural Distress)
পঞ্চায়েত স্তরে দুর্নীতির অভিযোগ
স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ
গ্রামীণ ভোট swing করলে ফল দ্রুত বদলায়
৮. সংখ্যালঘু ভোটে ভাঙন
তৃণমূলের বড় শক্তি সংখ্যালঘু ভোট।
যদি:
নতুন কোনো দল প্রভাব ফেলে
ভোট ভাগ হয়ে যায়
তাহলে বড় ধাক্কা লাগতে পারে
৯. কেন্দ্রীয় এজেন্সির চাপ
CBI, ED তদন্ত নিয়ে বিরোধীরা narrative তৈরি করে।
এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে “government under pressure” ইমেজ তৈরি হতে পারে
এবার বিজেপি নির্বাচনে জেতার জন্যে মরিয়া প্রচেষ্টা চালাচ্ছে, নিজেদের শাসন ধরে রাখতে বদ্ধ পরিকর তৃণমূল কংগ্রেসও. এরপর আমরা দেখে নেবো কোন জেলার কি কি পরিস্থিতি সাম্প্রতিক অবস্থাকে কতটা চাপে রেখেছে। কোন জেলায় কে এগিয়ে থাকছে, কে কতটা পিছিয়ে থাকছে। (আগামীকাল)
এসআইআর, ইডি , কেন্দ্রীয় বাহিনী বন্ধ করলেও আর তৃণমূল জিততে পারবে না : শমীক ভট্টাচার্য্য
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৭/০২/২০২৬ : আজ বিজেপিতে যোগ দিলেন প্রাক্তন এনএসজি কমান্ডো দীপাঞ্জন চক্রবর্তী। তাঁর হাতে আজ বিজেপির দলীয় পতাকা তুলে দেওয়া হয়।
আজ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারি ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য্যের উপস্থিতিতে বিজেপি দলে যোগ দিলেন প্রাক্তন এনএসজি কমান্ডো দীপাঞ্জন চক্রবর্তী। বিজেপিতে যোগ দিয়ে তিনি বলেন, “রাষ্ট্রবাদী ছিলাম তাই রাষ্ট্রবাদী দলেই যোগ দিলাম।” এদিন বিজেপি দলে যোগ দিলেন আরএসপি নেতা ক্ষিতি গোস্বামীর মেয়ে কস্তুরী গোস্বামী। এই দুজন ছাড়াও বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নিলেন রিটায়ার্ড সিআরপিএফ কর্মী বিপ্লব বিশ্বাস। আজ এই তিনজনকেই স্বাগত জানানো হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টিতে।
এদিন সাংবাদিকদের কিছু প্রশ্নের উত্তরে বিজেপির রাজ্য সাভাপতি শমীক ভট্টাচাৰ্য্য স্পষ্ট করে বলেন, “এসআইআর এখনই বন্ধ করে দিন. কেন্দ্রীয় বাহিনী লাগবে না, ইডির দরজায় তালা লাগিয়ে দিন, এবার রাজ্য পুলিশ দিয়েই ভোট করান , তাহলেও তৃণমূল কংগ্রেস আর এই বিধানসভা নির্বাচনে জিততে পারবে না. আমরা এই ব্যাপারে নিশ্চিত।”
“কমিশন চাইছে গ্রেড এ, রাজ্য সরকার পাঠাচ্ছে গ্রেড বি ও গ্রেড সি অফিসার”
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১০/০২/২০০২৯ : কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের থেকে ‘গ্রেড এ’ ডাবলু বিসিএস অফিসার চাইলেও রাজ্য সরকার গ্রেড বি এবং গ্রেড সি আধিকারিকদের নিয়োগ করতে চেয়েছিল বলে তৃণমূল সরকারকে বিঁধলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের কাজে রাজ্য সরকারের থেকে ২৯৪ জন আইএএস এবং ডাবলু বিসিএস অফিসার চেয়ে পাঠিয়েছিল। কিন্তু রাজ্য সরকার ২২৫ জনের নামের তালিকা পাঠিয়ে দিয়েছিল, তাও আবার তাঁরা প্রত্যেকেই গ্রেড বি এবং গ্রেড সি তালিকাভুক্ত ডব্লুবিসিএস আধিকারিক। এই অফিসারদেরকে ই আরও হিসেবে নিয়োগ করার কথা। কিন্তু নির্বাচন কমিশন ‘গ্রেড এ’ আই এ এস অথবা ডব্লুবিসিএস অফিসার চেয়েছিল, তাই সেই নির্দেশ রাজ্য সরকার লংঘন করেছে বলে অভিযোগ তুললেন শুভেন্দু অধিকারী।
বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “নির্বাচন কমিশন ই আর ও হিসেবে ‘গ্রেড এ’ অফিসারদেরকে চাইছে আর রাজ্য সরকার সেখানে ‘গ্রেড বি’ এবং ‘গ্রেড সি’ অফিসারদেরকে পাঠাতে চাইছে। এভাবেই নির্বাচন কমিশনের নির্দেশকে লংঘন করা হচ্ছে।” এর আগে বিহার সরকার নির্বাচন কমিশনকে ১০০০ ডেটা অপারেটর দিয়েছিল, পশ্চিমবঙ্গ সরকার নির্বাচন কমিশনকে এত সংখ্যক ডেটা অপারেটর দিতেই পারে নি।
Aaj Khabor Desk, Kolkata, West Bengal, 10/02/2026 : The Leader of the Opposition in West Bengal, Suvendu Adhikari, accused the Trinamool Congress-led state government of violating the Election Commission’s directives regarding officer deployment for election duties. He claimed that although the Election Commission had requested Grade ‘A’ IAS and WBCS officers, the state government attempted to appoint only Grade ‘B’ and Grade ‘C’ WBCS officers.
According to Adhikari, the Election Commission had sought 294 IAS and WBCS officers for election-related work. However, the state government submitted a list of only 225 officers, all of whom belonged to Grade ‘B’ and Grade ‘C’. These officers were proposed to be appointed as Electoral Registration Officers (EROs), despite the Commission’s explicit demand for Grade ‘A’ officers.
Suvendu Adhikari stated that this move amounted to a direct violation of the Election Commission’s instructions. He further pointed out that while the Bihar government provided 1,000 data operators to the Election Commission, the West Bengal government failed to supply a sufficient number of data operators for the same purpose.
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], বীরভূম,পশ্চিমবঙ্গ : ০৯/০২/২০২৬ : বীরভূমে বেশ কিছু রেল প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে তুলোধোনা করলেন রাজ্যের বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী।
সাংবাদিকদের শুভেন্দু বলেন, “প্রধানমন্ত্রী গত ছয় মাসে ছ’বার এসেছেন এই রাজ্যে। তিনি বেশ কিছু প্রকল্প নিয়ে এসেছেন, বেশ কিছু প্রকল্পের শিলান্যাস করে গিয়েছেন। সেই সব প্রকল্পে উপকৃত হবেন বাংলার মানুষ। কিন্তু এই রাজ্যে রেল প্রকল্পগুলি সম্পন্ন হতে গেলে জমির দরকার হয়, সেই জমি দিতে চাইছে না রাজ্য সরকার। আর এই কারণেই এই রাজ্যে পরিবর্তন হওয়াটা খুবই প্রয়োজন। এই রাজ্যে বিজেপি শাসিত সরকার এলে প্রকল্পগুলি দ্রুত রূপায়ন করা যাবে। এবং সেগুলি থেকে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন। ”
শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, “এই রাজ্যে আগামী এপ্রিল মাসেই সাধারণ নির্বাচন হতে চলেছে। সেই নির্বাচনে এবার পরিবর্তন দরকার। বিজেপিকে ক্ষমতায় নিয়ে আসা দরকার। বিজেপি এই রাজ্যে ক্ষমতায় এলে শুধু রেলই নয়, রূপায়িত হবে অন্যান্য থেমে থাকা প্রকল্পগুলিও. বিজেপিকে ক্ষমতায় আনা উচিত। একমাত্র ভারতীয় জনতা পার্টি এই রাজ্যে ক্ষমতায় এলেই এই রাজ্যের সার্বিক উন্নয়ন হওয়া সম্ভব হবে।”
Aaj Khabor Desk, Birbhum, West Bengal, 09/02/2026 : Leader of the Opposition in West Bengal, Suvendu Adhikari, strongly criticised the Trinamool Congress while attending the inauguration of several railway projects in Birbhum. He alleged that railway projects in the state are being delayed because the state government is refusing to provide land. Adhikari said that the Prime Minister has visited West Bengal multiple times in the last six months and laid foundation stones for several development projects, which would benefit the people of the state. However, due to lack of cooperation from the state government, these projects remain incomplete. Referring to the upcoming general elections, he stressed the need for political change, claiming that if the BJP comes to power, not only railway projects but other stalled development works will be implemented swiftly, leading to overall development of the state.
নন্দীগ্রামে ৪ কিলোমিটার পথ হাঁটলেন শুভেন্দু, স্লোগান দেন “হিন্দু হিন্দু এক হও”
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], নন্দীগ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর, ২২/০১/২০২৬ : “এপ্রিল মাস শেষ হলেই এই সরকারেরও শেষ, জনগণ জেগেছে” বলে রামমন্দিরের প্রতিষ্ঠা দিবসে নন্দীগ্রামে হুঙ্কার রাজ্যের বিরোধী দলের নেতা নেতা শুভেন্দু অধিকারীর।
বৃহস্পতিবার রাম মন্দিরের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষ্যে নন্দীগ্রামের সিদ্ধেশ্বর বাজার থেকে রেয়াপাড়া শিব মন্দির প্রাঙ্গণ পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার পদযাত্রায় নন্দীগ্রামে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
SIR শুনানিতে বিডিও অফিসে তাণ্ডবে ধৃতদের জামিনের পর বীরের সম্বর্ধনা শাসকের! জেল থেকে বেরোতেই ৬ জনকে মালা পরিয়ে বরণ তৃণমূলের। এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন “তৃণমূল করিয়েছিল, রাজ্য সরকার করিয়েছিল, পুলিশ করিয়েছিল এটা প্রমাণ হয়েছে।”
SSC-র শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দি তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা, মিডল ম্যান প্রসন্ন রায় সহ কয়েকজনের প্রায় ৫৮ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ED. এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট জানিয়েছে, বাজেয়াপ্ত করা বিপুল সম্পত্তির তালিকায় রয়েছে রেসিডেনসিয়াল অ্যাপার্টমেন্ট,ভিলা, এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “সঠিক করেছে ইডি, জীবন কৃষ্ণ যাদের টাকা পাঠিয়েছে তাদের সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করা উচিত। একা টাকা জীবন খায় নি, ওপর তলার লোক এবং নিচের তলার লোকও খেয়েছে। সবার টাকা বাজেয়াপ্ত করে সরকারি ট্রেজারিতে জমা করা উচিত।”
বিরোধী বিধায়কের নাগরিক পরিষেবার কাজে নিরন্তর বাধাদানের অভিযোগ তুলে ২৪ ঘণ্টার অনশনে শঙ্কর ঘোষ। এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন এই সরকার কাউকে কাজ করতে দেয় না। নন্দীগ্রামে অভিষেক ব্যানার্জি এসে শুভেন্দু অধিকারীর রিপোর্ট কার্ড চেয়েছিলেন। কোন বিরোধী দলের লোককে কাজ করতে দেয় না। যারা মেরুদন্ড সোজা রেখে বিরোধী দলের কাজ করতে চায়,তাদের আর কয়েক মাস অপেক্ষা করতে হবে । জনগণ জেগেছে , এপ্রিল মাস শেষ তো এই শাসক দলেরও শেষ।