Aaj Khabor

ডাবল ইঞ্জিন সরকার রেলের গতি বাড়াচ্ছে এই রাজ্যে

ডাবল ইঞ্জিন সরকার রেলের গতি বাড়াচ্ছে এই রাজ্যে

বুলেট ট্রেন : দিল্লী থেকে শিলিগুড়ি ৬ ঘন্টায় 

আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৬/০৬/২০২৬ :  ডাবল ইঞ্জিন সরকারের উদ্যোগে এবার রাজ্যে রেল ছুটবে তিনগুন গতিতে। আজ দেশের রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব নিজেই এসেছিলেন কলকাতায় রেলের অগ্রগতির কাজ খতিয়ে দেখতে।  বিভিন্ন স্টেশনে গিয়ে কাজ দেখলেন, মেট্রোয় চড়লেন এমনকি অটো  রিক্সাতেও উঠলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিধায়ক জগন্নাথ চ্যাটার্জি ও  জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো।

এরপর রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব নবান্নে এসে সাংবাদিক বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও রেলের অন্যান্য আধিকারিকরা।  পাশ্চিমবঙ্গে রেলের সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে একটি বৈঠকও হয়।  আজ রেলমন্ত্রী জানান, “এর আগের সরকার পশ্চিমবঙ্গে রেলকে সেভাবে কাজ করতেই দেয় নি, তাই রেলের অনেক কাজ এখানে অধরা থেকে গিয়েছিল। এবার এই রাজ্যে রেলের কাজ গতি পেয়েছে।  নতুন সরকারের থেকে আমরা সবরকম সহযোগিতা পেয়েছি। তাই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং পশ্চিমবঙ্গবাসীকে আমরা শুভেচ্ছা জানাতে চাই।  ধন্যবাদ আপনাদের সকলকে। ”

রেলমন্ত্রী এদিন জানিয়েছেন, “রাজ্যে এবার রেলের কাজে গতি আসবে। রেলের উন্নয়নের জন্যে আগামী ৫ বছরে মোট ১ লক্ষ কোটি টাকার বাজেট ধার্য্য করা হয়েছে। এই রাজ্যে ১০২টি অমৃত  ভারত স্টেশন নির্মাণের কাজ চলছে।  রেলের ৪০টি প্রকল্পের জন্যে প্রয়োজনীয় জমি পাওয়া গিয়েছে।  আরও ৬১টি প্রকল্পের জন্যে রাজ্য সরকার রেলকে জমি দেওয়ার চেষ্টা করছে। রাজ্যে মোট ৫৩৮টি ফ্লাইভার ও আন্ডারপাস নির্মাণ করবে রেল মন্ত্রক।  রাজ্যের যে জায়গাগুলিতে রেল নেই, সেইসব জায়গাগুলিতে রেল সম্প্রসারণ করা হবে. যেমন জঙ্গল মহল, সুন্দর বন  ইত্যাদি। ”

রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন “পশ্চিমবঙ্গে যেমন সড়কপথে ই-ভেহিক্যল  ছুটবে তেমনি ডাবল ইঞ্জিন সরকার এই রাজ্যে রেলের উন্নয়ন করবে। ১৯৭২ সালে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় মেট্রো রেলের কাজ শুরু  করা হয়েছিল। সেই মেট্রোর কাজ  মাত্র ২৮ কিলোমিটার জায়গায় সম্প্রসারণ করা হয়েছে কলকাতায়।  এখানে আরও অনেক জায়গায় মেট্রো সম্প্রসারণ করার সুযোগ রয়েছে। সেই কাজগুলিও দ্রুত শেষ করা হবে।  মেট্রোর সাথে যুক্ত হবে নতুন রুট।  ”

রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এদিন বলেন, “রাজধানী দিল্লী থেকে পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি পর্যন্ত ছুটবে বুলেট ট্রেন। সে কাজ চলছে। দিল্লী থেকে লখনৌ , বারাণসী, পাটনা হয়ে শিলিগুড়ি পৌঁছানো যাবে মাত্র ৬ ঘন্টায়।  আগামী প্রজন্মের জন্যে পশ্চিমবঙ্গ মোট ৬০টি নতুন ট্রেন পেতে চলেছে।  এই রুটগুলি আগামী ৫ বছরের মধ্যেই চালু হয়ে যাবে।  এছাড়াও ডানকুনি থেকে সুরাট যাওয়ার জন্যে একটি নতুন ট্রেন চালু করা হবে।  পশ্চিমবঙ্গের জন্যে আগে রেল বাজেট ছিল ৪ হাজার কোটি টাকা।   প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই বাজেটকে বাড়িয়ে করেছিলেন ১৪ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু এবার আগামী  পাঁচ বছরের জন্যে এই বাজেটকে বাড়িয়ে ১ লক্ষ কোটি টাকা ধার্য্য করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এই রাজ্যে রেল ছুটবে তিনগুন গতিতে।”

 

Loading

শুভেন্দু অধীকারীর ক্যাবিনেট সেজে উঠলো শপথ গ্রহণের পর

শুভেন্দু অধীকারীর ক্যাবিনেট সেজে উঠলো শপথ গ্রহণের পর

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ০১/০৬/২০২৬ : পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু  অধিকারীর ক্যাবিনেটে মন্ত্রী হিসেবে মোট ৩৫ জন শপথ নিলেন।  শপথ গ্রহণের এইঅনুষ্ঠানটি হয়েছে কলকাতার লোক ভবনে। আজ সেখানেই  রাজ্যপাল আর এন রবি সকলকে শপথ বাক্য পাঠ করিয়েছেন।

এখনো পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারীর ক্যাবিনেটে মোট ৪১ জন শপথ গ্রহণ করেছেন। এর আগেই দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পল, নিশীথ প্রামানিকরা মোট ৬ জন শপথ গ্রহণ করেছিলেন মন্ত্রী হিসেবে। এবার আরও ৩৫ জন শপথ নিলেন রাজ্যের নতুন মন্ত্রী হিসেবে।  আজ শংকর ঘোষ, দীপক বর্মন, অর্জুন সিং, গৌরী শংকর ঘোষ, তাপস রায়, মনোজ কুমার ওঁরাও , জগন্নাথ চ্যাটার্জি, অজয় পোদ্দার স্বপন দাশগুপ্ত,ড: সারদ্বৎ মুখার্জি, কল্যাণ চক্রবর্তী, অরূপ দাস সহ মোট ৩৫ জন বিধায়ক রাজ্যের পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন।

আজ যাঁরা শপথ গ্রহণ করলেন, তাঁদের মধ্যে ১৩ জন পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে কাজ শুরু করতে চলেছেন। বাকিরা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে কাজ করবেন বলে বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে কাজ করবেন জুয়েল মুর্মু, আনন্দময় বর্মন, কান্ড বাউরি, শান্তনু প্রামানিক, দিবাকর ঘরামী, আমিও কিস্কু,সুমনা সরকার, দীপঙ্কর জানা, পূর্ণিমা চক্রবর্তী সহ মোট ১৯ জন।  মন্ত্রীদের মধ্যে এখনও  দপ্তর বণ্টন করা হয় নি।  সম্ভবত আজ কিছুক্ষন বাদে নবান্নে ফিরে গিয়ে এই বিষয়ে আলোচনা করবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

Loading

বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের পর শুভেন্দুর ঘোষণা আজ থেকেই রাজ্যে সিএএ চালু হচ্ছে

 

“বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ করতে দেওয়া হবে না”

 

আজ খবর (বাংলা), কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ২০/০৫/২০২৬ : পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যে থাকা অরক্ষিত সীমান্তে কাঁটা তার দেওয়ার জন্যে বিএসএফ-এর হাতে জমি হস্তান্তর করল রাজ্য সরকার।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ সীমান্তে প্রায়  ৬০০ কিলোমিটার সীমান্ত অরক্ষিত হয়েছিল এতদিন। এই জায়গাগুলিতে ঠিকমত প্রহরার কাজ করতে পারতো না বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স।  এতদিন সীমান্তে কাঁটাতার লাগানোর জন্যে সীমান্তে জমি চাইলেও মমতা সরকার তা দেয়নি, ফলে সীমান্তের বিশাল একটা অংশ অরক্ষিতই থেকে যায়।   এর আগের সরকারকে কেন্দ্র সরকার বার বার জমি দেওয়ার জন্যে অনুরোধ জানালেও মমতা ব্যানার্জি  সেই অনুরোধে কর্ণপাত করেন নি   ফলে বিগত বছরগুলিতে অসংখ্য অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘোটেছে।

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার ২ সপ্তাহের মধ্যেই আন্তর্জাতিক সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়ার জন্যে জমি হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু করল শুভেন্দু অধিকারী সরকার।  আজ মোট ২৭ কিলোমিটার জমি হস্তান্তর করা হল বিএসএফ এর হাতে। বাকি আরও জমি দ্রুততার সাথে তুলে দেওয়া হবে বিএসএফ এর হাতে।  বিএসএফ কঠোরভাবে অনুপ্রবেশ রুখবে এমন অঙ্গীকার করল নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে।  মমতা সরকার গত ১৫ বছরে যা করতে পারেন নি, সেই কাজ মাত্র ১১ দিনে করে দেখালেন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

আজ আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়ে দিলেন রাজ্যে আজ থেকেই সিএএ আইন কার্যকর করা হচ্ছে। গত বছর মে মাসের ১৪ তারিখে কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে এই আইন বলবৎ করার কথা জানানো হলেও বিরোধিতা করেছিল আগের সরকার। এই আইন রাজ্যে আজ থেকেই চালু করে দিল নতুন রাজ্য সরকার। এই আইন বলে ২০২৪ সালের ৩১ শে  ডিসেম্বর তারিখের পর  বাংলাদেশ থেকে ঐ  আইনে বর্ণিত সাত ধর্ম ব্যতীত কেউ ভারতে প্রবেশ করে থাকলে  তাকে অনুপ্রবেশকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হবে. তাকে আটক করে আইন অনুযায়ী বিডিআর  এর হাতে তুলে দেওয়া হবে।


 

Loading

ব্রিগেডে গেরুয়া সমুদ্রের মাঝে শুভেন্দুর শপথ

ব্রিগেডে গেরুয়া সমুদ্রের মাঝে শুভেন্দুর শপথ

 

রাজ্যের নবম মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিনে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে 

আজ খবর (বাংলা), কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৯/০৫/২০২৬ : আজ রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন,  রাজ্যে প্রথমবার বোধন হল বিজেপি সরকারের, এবং বিসর্জন হল তৃণমূল সরকারের।

ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আজ ছিল বিজেপি সমর্থকদের জনসমুদ্র। থিক থিক করছে অগণিত মানুষ। তাঁরা স্লোগান দিচ্ছেন “জয় শ্রীরাম”, “ভারত মাতা কি জয়”, “নরেন্দ্র মোদী জিন্দাবাদ”, শুভেন্দু অধিকারী জিন্দাবাদ” বলে।  প্রত্যেক মানুষের চেহারায় খুশির উৎসব।  যেন বাঁধ ভেঙে উচ্ছাসের প্লাবন এসেছে সবার মনে,প্রাণে। ব্রিগেডের জমায়েত রূপ নিয়েছে বাংলায় রাম রাজ্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে।  আজ যেন সত্যিই অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গ মিলে গেলো এক সুতোর বন্ধনে। গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর ধন্য হয়ে উঠল।

আজ রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হল।  রাজ্যের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করালেন রাজ্যের রাজ্যপাল আর এন রবি।  উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন, অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী ও বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, উপ মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপালেরা। শুভেন্দু অধিকারীর সাথে আজ শপথবাক্য পাঠ  করলেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পল, নিশীথ প্রামানিকরা।  এদিন বাংলাকে নতমস্তকে প্রণাম করলেন নরেন্দ্র মোদী।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আদর্শে গড়ে উঠবে নতুন সরকার। ” মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েই শুভেন্দু অধিকারী ছুটে যান জোড়াসাঁকোয় ঠাকুরবাড়িতে। আজ রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন রবি ঠাকুরকে প্রণাম করে নিজের দায়িত্বে এগিয়ে গেলেন তিনি। শুভেন্দু বলেন, “সকলের বিবেক জাগ্রত হোক. চরৈবেতি।”


 

Loading

শুভেন্দু অধিকারীই রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন

 

কোনো উপ মুখ্যমন্ত্রী থাকছে না 

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৮/০৫/২০২৬ : পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আগামীকাল ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শপথ গ্রহণ করতে চলেছেন  শুভেন্দু অধিকারী। আগামীকাল রাজ্যে প্রথমবার সরকার গড়তে  চলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি।

আজ দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে বিজেপির পরিষদীয় বৈঠক আয়োজিত হয়।  সেই বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হবেন শুভেন্দু অধিকারী।  তবে তাঁর কোনো ডেপুটি বা উপ মুখ্যমন্ত্রী থাকছে না।  এদিন অমিত শাহ ভবানীপুরের ভোটারদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “ভোট দেওয়ার জন্যে ভবানীপুরের ভোটারের অভিনন্দন। মমতা ব্যানার্জির ঘরে এসে তাঁকে হারিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।” প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মমতা ব্যানার্জিকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বানানোর শপথ নিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন আরও দুটি নতুন আপডেট পাওয়া গিয়েছে। সেগুলি হল সন্দেশখালির ঘটনায় নতুন কমিশন গঠন করা হল  এবং আর জি কর হাসপাতালের ঘটনায় নতুন কমিশন গঠন করা হল। আগামীকাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ছাড়াও দেশের বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের উপস্থিতিতে সরকার গড়বে  বিজেপি। আজ লোকভবনে গিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে গিয়ে নয়া রাজ্য সরকার গড়ার আবেদন তিনি করবেন মাননীয় রাজ্যপালের কাছে।


 

Loading

সকলকে শান্ত থাকার বার্তা দিলেন শুভেন্দু

সকলকে শান্ত থাকার বার্তা দিলেন শুভেন্দু

“নিজেদের হাতে আইন তুলে নেবেন না” 

আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি] নন্দীগ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর, ০৬/০৫/২০২৬ : রাজ্যে নতুন সরকার গঠন করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করার বার্তা দিলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী।

শুভেন্দু অধিকারী আজ বলেন, “আপনাদের  সকলকে শান্ত থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি। কেউ নিজের হাতে আইন তুলে নেবেন না।  আমরা প্রত্যেকটা কেসের ফাইল রি-ওপেন করবো।  কুকুর মানুষের পায়ে কামড়ালে মানুষ কুকুরের পায়ে কামড় দেয় না।  আপনারা নিজেদেরকে সংযত রাখুন। আগামী ৯ তারিখে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পর পুলিশের অনুমতি নিয়ে বিজয় মিছিল করবেন, তার আগে এই কয়েকটা দিন শান্ত থাকুন।”

আগামী ৯ তারিখ রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন সকাল ১০টায় মন্ত্রীসভার শপথ নেবেন  বিজেপির বিজয়ী বিধায়করা। ঐদিন কলকাতায় উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। রাজ্যে এই প্রথম পথ চলা শুরু করবে বিজেপি সরকার। আগামীকাল রাতে পরিষদীয় দলের বৈঠক করবে বিজেপি।

Loading

মোদী উত্তরবঙ্গে আসছেন ৫ ও ১০ তারিখে

মোদী উত্তরবঙ্গে আসছেন ৫ ও ১০ তারিখে

মমতা ব্যানার্জিকে প্রচার থেকে সরিয়ে দেওয়া উচিত : সুকান্ত 

আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], হলদিয়া, পূর্ব মেদিনীপুর, ৩০/০৩/২০২৬ : আজ শুভেন্দু অধিকারী নিজের মনোনয়ন জমা দেবেন। জেলার অন্যান্য প্রার্থীরাও থাকবেন। এদিকে উত্তরবঙ্গে দু’দিন প্রচার চালাতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

 আজ হলদিয়ায় বিশাল শোভাযাত্রা করেন বিজেপি কর্মীরা। এই শোভাযাত্রায় অংশ নেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা খড়্গপুরের প্রার্থী দিলীপ ঘোষ।এছাড়াও ছিলেন বিজেপি নেতা ধর্মেন্দ্র প্রধান। আজ এই নেতাদের দেখতে প্রচুর মানুষের ভীড় জমে যায়। মন্দিরে পুজো দিয়ে শুভেন্দু সহ ১৬ জন বিজেপি প্রার্থী আজ মনোনয়ন পেশ করতে যাবেন।  মনোনায়ন জমা দেওয়ার আগে হলদিয়ায় একটি জনসভা করেন শুভেন্দু অধিকারী।  বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়ন পেশ করার জন্যে আজ এসডিও অফিসে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো করা হয়েছে।

উত্তর বঙ্গেও প্রচারের তীব্রতা বাড়াচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি। গেরুয়া শিবির সূত্রে জানা গিয়েছে আগামী মাসের ১০ তারিখে উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে মেগা শোভাযাত্রা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানে তিন কিলোমিটার রোড  শো করবেন তিনি। শিলিগুড়িতে বিজেপির হয়ে  ভোটে দাঁড়িয়েছেন শঙ্কর ঘোষ। শিলিগুড়ির আগে ৫ তারিখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আসছেন কোচবিহারে। সেখানে রাস মেলার মাঠে তিনি একটি বিশাল জনসভা করবেন বলে জানা গিয়েছে। এই জনসভা করার কথা ছিল আলিপুর দুয়ারে। কিন্তু তার বদলে জনসভাটি অনুষ্ঠিত হবে কোচবিহারে।

এদিকে বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন।  তিনি বলেছেন, “নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয়ে তৃণমূল নেত্রী বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। তিনি প্রাণহানির কথা বলছেন। এজন্য নির্বাচন কমিশনের উচিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রচারের বাইরে রাখা।” বিজেপির তরফ থেকে এই ব্যাপারে অভিযোগ জানানো হচ্ছে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনকে।

ময়নাগুড়িতে প্রচারে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রার্থী রামমোহন রায়কে পাশে দাঁড় করিয়ে বলেছিলেন, “এই আমাদের প্রার্থী, ওকে বলা হয়েছিল গাছে বেঁধে পেটাবে। আমি বলি গাছ টাও আমাদের, জঙ্গলটাও আমাদের। গাছ ছায়া দেয়, মানুষের উপকার করে। ভোট হয়ে গেলে বাড়ির সামনে প্ল্যাকার্ড লাগিয়ে তাতে লিখতে হবে, আমরা  বিজেপি করি না। “


Loading

অমিত শাহকে জাতির নব চানক্য বলে অভিহিত করলেন শুভেন্দু অধিকারী

অমিত শাহকে জাতির নব চানক্য বলে অভিহিত করলেন শুভেন্দু অধিকারী

দেশ থেকে ৩৭০ ধারা অবলুপ্তির পিছনে অমিত শাহের অবদান ছিল অনস্বীকার্য 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], নন্দীগ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর, ২৯/০৩/২০২৬ :  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে জাতির নতুন চানক্য বলে অবিহিত করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

বিজেপি নির্বাচনে জিতলে শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন বলে ইঙ্গিত দিয়ে গিয়েছেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, এবার তাঁকেই জাতির নব ‘চানক্য’ বলে অভিহিত করলেন শুভেন্দু অধিকারী।

শুভেন্দু অধিকারী আজ বলেন, “অমিত শাহ জাতির নব চানক্য।  অসাধারণ নেতা তিনি।  নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে যেভাবে তিনি শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির স্বপ্নকে সফল করে তুলছেন তা যথেষ্ট প্রশংসনীয়। শুধু তাই নয়, দেশ থেকে ৩৭০ ধারা অবলুপ্তির পিছনে তাঁর অবদান দেশবাসী ভুলবে না. “

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আর কিছুদিন পরেই দুই দফায় ভোট গ্রহণ করা হবে পশ্চিমবঙ্গে। এপ্রিল মাসের ২৩ ও ২৯ তারিখে ভোট হতে চলেছে রাজ্যে। ভোটের ফল প্রকাশিত হবে মে মাসের ৪ তারিখে। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস এবং ভারতীয় জনতা পার্টির মধ্যে ভোটের চরম লড়াইয়ের সাক্ষী থাকছে গোটা রাজ্য।  নির্বাচনের ফলাফলের জন্যে আমাদের অপেক্ষা করতেই হবে মে মাসের ৪ তারিখ পর্যন্ত।


Loading

বাংলায় কে এগিয়ে ঘাস ফুল না পদ্ম ফুল ? ভোট যুদ্ধের গোপন অঙ্ক

 ভোট যুদ্ধের গোপন অঙ্ক

রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস কি এবার জিততে পারবে ? নাকি বিজেপি গড়বে  নতুন সরকার ? 

এবং তারপর, (আজ খবর) [রাজনীতি] , ২৪/০৩/২০২৬ :  আর কিছুদিন পরেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। আর এই  নির্বাচনকে ঘিরে রাজ্যে উত্তেজনার পারদ রোজই চড়তে শুরু করেছে।  বিজেপি দাবী করছে যে এবার হারতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস, পরাজিত হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।  বিজেপির প্রথম যুক্তিটি হল যেহেতু রাজ্যে এসআইআর করা হয়েছে, তাই তৃণমূল কংগ্রেসকে যে ভুয়ো ভোটাররা এতদিন জিতিয়ে এসেছে তারা আর ভোট দেওয়ার সুযোগই পাবে না।  ফলে এবার আর সেভাবে ছাপ্পা ভোটের ভয় নেই। ভোটের ফলাফল শাসক দলের বিরুদ্ধে যাবে।

দ্বিতীয়ত,  প্রশাসনিক কাজে তৃণমূলের ফেভারিট আধিকারিকদের  অনেককেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।  প্রশাসনের আধিকারিক, আমলা,  পুলিশ কর্তাদের কেউ এবার আর শাসক দলকে অতিরিক্ত সুবিধা দিতে  পারবে না। তৃতীয়ত, সংখ্যালঘু ভোট এবার আর তৃণমূল দলের সাথে সেভাবে নেই। তৃণমূল দল থেকে  বহিস্কৃত বিধায়ক হুমায়ুন কবীর তৃণমূল ছেড়ে নতুন দল ঘোষণা করে ওবেইসির  মিম দলের সাথে হাত মিলিয়েছেন, ওদিকে নওয়াজ সিদ্দিকী সাহেবের আইএসএফ দলটি নিজের শক্তি বৃদ্ধি করেছে। সুতরাং সংখ্যালঘু ভোট ভাগ হচ্ছেই। এক্ষেত্রেও তৃণমূলের ভোট কমছে।

চতুর্থত, নির্বাচন কমিশন এবার অনেক বেশি কঠোর। অনেক নতুন নিয়ম এসেছে। একটা বুথে ভোটারের সংখ্যাও সীমিত। এবার মাত্র দুই দফায় ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে।  কেন্দ্রীয় বাহিনীও থাকছে পর্যাপ্ত পরিমাণে। তার ওপর সরকারি কর্মী, শিক্ষক  সমাজ, চিকিৎসক সমাজ অনেকেই শাসক দলের বিরুদ্ধ  মনোভাবাপন্ন হয়ে রয়েছে।  রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই বার কয়েক ধাক্কা খেয়েছে হাইকোর্ট আর সুপ্রীম কোর্টে।  বিরোধী ইন্ডি জোটের শক্তিও কমেছে। আরজিকর হাসপাতালে অভয়া নিয়েও চূড়ান্ত ক্ষোভ রয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে আরজিকর হাসপাতালেই লিফ্ট কাণ্ড নিয়ে নতুন ঝড় উঠেছে। সব দিক থেকেই এবার নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যথেষ্ট ব্যাকফুটে রয়েছেন।

কিন্তু সত্যিই কি তাই ?  বিজেপি কি সত্যিই বুদ্ধির জোরে তৃণমূলকে টেক্কা দিতে পারবে ?  জন সমর্থন কি সত্যিই এবার রাজ্যে গেরুয়া শিবিরকেই চাইছে ? রাজ্যে বিজেপির সংগঠন কি সত্যিই এতটা মজবুত যে শেষ হাসিটা হাসতে পারবে পদ্ম শিবির ? আসুন দেখে নিই, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কি কি কারনে তিনি নির্বাচনে জিততে পারেন, আর কি কি কারণে তিনি হারতে পারেন !

প্রথমে দেখে নেওয়া যাক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেস যদি জিতে যায়, তাহলে কোন কোন বিষয় তাদেরকে জিতিয়ে দিতে পারে ?

১. শক্তিশালী গ্রাসরুট সংগঠন (Booth Level Strength)

তৃণমূল কংগ্রেস-এর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তাদের বুথ-স্তরের সংগঠন।
গ্রাম থেকে শহর—প্রতিটি এলাকায় কর্মী নেটওয়ার্ক থাকলে ভোট ম্যানেজমেন্ট সহজ হয়। পশ্চিমবঙ্গে এই নেটওয়ার্ক এখনও অনেক জায়গায় শক্তিশালী।

২. নারী ভোটব্যাঙ্ক (Women Voters)

মমতা সরকারের প্রকল্পগুলো—যেমন:

  • লক্ষ্মীর ভাণ্ডার
  • কন্যাশ্রী
  • রূপশ্রী

এই স্কিমগুলো নারী ভোটারদের মধ্যে বড় প্রভাব ফেলে। অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনে করেন, নারী ভোটই তৃণমূলের “game changer”।

৩. ওয়েলফেয়ার পলিটিক্স (Direct Benefit Schemes)

ফ্রি রেশন, স্বাস্থ্যসাথী, ছাত্রছাত্রীদের স্কলারশিপ—এইসব সরাসরি সুবিধা ভোটারদের মধ্যে একটা “security feeling” তৈরি করে।যারা সরাসরি সুবিধা পাচ্ছেন, তারা সাধারণত সরকারকে সমর্থন করতে চান।

৪. বিরোধীদের বিভক্তি

প্রধান বিরোধী হিসেবে ভারতীয় জনতা পার্টি থাকলেও—

  • স্থানীয় স্তরে নেতৃত্ব সমস্যা
  • কংগ্রেস ও বামেদের সঙ্গে ভোট ভাগ হওয়া

এতে anti-incumbency vote একজোট নাও হতে পারে।

৫. “বাংলা বনাম বহিরাগত” ন্যারেটিভ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার আঞ্চলিক পরিচয় (Bengali identity) তুলে ধরেন।এই আবেগ অনেক ভোটারকে প্রভাবিত করে, বিশেষ করে গ্রামীণ ও মধ্যবিত্ত অংশে।

৬. ব্যক্তিগত ইমেজ (Strong Leadership Image)

মমতার ইমেজ:

  • “মাটি থেকে উঠে আসা নেতা”
  • সরাসরি মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ

 

অনেক ভোটার এখনও তাঁকে “accessible leader” হিসেবে দেখেন।

৭. সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক

সংখ্যালঘু ভোট পশ্চিমবঙ্গে বড় ফ্যাক্টর।

যদি এই ভোট একদিকে যায়, তাহলে ফলাফল অনেকটাই প্রভাবিত হয়।

৮. নির্বাচনী কৌশল (Campaign Strategy)

  • Door-to-door campaign
  • Local issue-based messaging
  • Social media + ground mix strategy

এই hybrid model এখন বেশ কার্যকর।

তবে জয়ের পথে বাধাও আছে 

Balanced analysis হিসেবে বলি—সবকিছু একপাক্ষিক নয়:

  • দুর্নীতির অভিযোগ (SSC, coal scam ইত্যাদি)
  • anti-incumbency (দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার ক্লান্তি)
  • কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত
  • বেকারত্ব ইস্যু

 এগুলো যদি বড় ফ্যাক্টর হয়ে ওঠে, তাহলে ফল বদলাতেও পারে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিততে পারেন যদি:

  • নারী + সংখ্যালঘু ভোট ধরে রাখতে পারেন
  • গ্রাসরুট সংগঠন সক্রিয় থাকে
  • বিরোধীরা একজোট না হয়

 কিন্তু ভোটের ফল পুরোপুরি নির্ভর করবে ground sentiment + last-mile campaign execution-এর ওপর .

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে হারতেও পারেন—এটা সম্পূর্ণই নির্ভর করছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নেতিবাচক ফ্যাক্টরের ওপর। বাস্তবভিত্তিকভাবে এগুলো বোঝা জরুরি —

১. Anti-Incumbency (দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার ক্লান্তি)

২০১১ থেকে টানা শাসন করছে তৃণমূল কংগ্রেস

অনেক ভোটারের মধ্যে “পরিবর্তন চাই” মনোভাব তৈরি হতে পারে
গ্রামীণ এলাকায় এই ফ্যাক্টর বেশি কাজ করে

২. দুর্নীতির অভিযোগ (Corruption Factor)

  • SSC নিয়োগ কেলেঙ্কারি
  • কয়লা ও গরু পাচার ইস্যু

বিরোধীরা এই ইস্যুগুলোকে বড় করে তুললে “clean image” ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে

৩. কর্মসংস্থান সমস্যা (Unemployment)

যুব সমাজের বড় অংশ চাকরি ও সুযোগ নিয়ে অসন্তুষ্ট।

“চাকরি নেই” ইস্যু যদি ভোটের কেন্দ্রে আসে, সেটা বড় ক্ষতি করতে পারে

৪. আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে অসন্তোষ

কিছু ক্ষেত্রে:

  • রাজনৈতিক হিংসা
  • স্থানীয় দাদাগিরি
  • নারী নিরাপত্তা ইস্যু

এই বিষয়গুলো মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি ছড়ালে negative perception তৈরি হয়

৫. বিরোধীদের শক্তিশালী সংগঠন (Rise of BJP)

ভারতীয় জনতা পার্টি গত কয়েক বছরে বাংলায় সংগঠন অনেক শক্ত করেছে।

যদি তারা:

  • booth-level শক্তি বাড়ায়
  • শক্তিশালী মুখ তুলে ধরে

তাহলে সরাসরি প্রতিযোগিতা কঠিন হয়ে যাবে

৬. বিরোধীদের একজোট হওয়া

যদি:

  • BJP + Congress + Left tacit understanding করে
    অথবা ভোট বিভাজন কমে যায়

তাহলে anti-TMC vote একত্রিত হয়ে যেতে পারে

৭. গ্রামীণ অসন্তোষ (Rural Distress)

  • পঞ্চায়েত স্তরে দুর্নীতির অভিযোগ
  • স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ

গ্রামীণ ভোট swing করলে ফল দ্রুত বদলায়

৮. সংখ্যালঘু ভোটে ভাঙন

তৃণমূলের বড় শক্তি সংখ্যালঘু ভোট।

যদি:

  • নতুন কোনো দল প্রভাব ফেলে
  • ভোট ভাগ হয়ে যায়

তাহলে বড় ধাক্কা লাগতে পারে

৯. কেন্দ্রীয় এজেন্সির চাপ

CBI, ED তদন্ত নিয়ে বিরোধীরা narrative তৈরি করে।

এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে “government under pressure” ইমেজ তৈরি হতে পারে

এবার বিজেপি নির্বাচনে জেতার জন্যে মরিয়া প্রচেষ্টা চালাচ্ছে, নিজেদের শাসন ধরে রাখতে বদ্ধ পরিকর তৃণমূল কংগ্রেসও. এরপর আমরা দেখে নেবো কোন জেলার কি কি পরিস্থিতি সাম্প্রতিক অবস্থাকে কতটা চাপে রেখেছে। কোন জেলায় কে এগিয়ে থাকছে, কে কতটা পিছিয়ে থাকছে। (আগামীকাল)

ভোটের টাটকা খবর পেতে ফলো করুন ‘আজ খবর’কে — www.aajkhabor.in 

অথবা ইয়েস লিখে what’s app করুন আমাদের 8420807020

(কমেন্ট করে আপনাদের মতামত জানান)

Loading

বিজেপিতে যোগ প্রাক্তন এনএসজি কমান্ডো , সিআরপিএফ জওয়ান ও ক্ষিতি গোস্বামীর মেয়ের

বিজেপিতে যোগ প্রাক্তন এনএসজি কমান্ডো , সিআরপিএফ জওয়ান ও ক্ষিতি গোস্বামীর মেয়ের

এসআইআর, ইডি , কেন্দ্রীয় বাহিনী বন্ধ করলেও আর তৃণমূল জিততে পারবে না : শমীক ভট্টাচার্য্য 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৭/০২/২০২৬ :   আজ বিজেপিতে যোগ দিলেন প্রাক্তন এনএসজি  কমান্ডো  দীপাঞ্জন চক্রবর্তী। তাঁর হাতে আজ বিজেপির দলীয় পতাকা তুলে দেওয়া হয়।

আজ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারি ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য্যের উপস্থিতিতে বিজেপি  দলে  যোগ দিলেন প্রাক্তন এনএসজি কমান্ডো  দীপাঞ্জন চক্রবর্তী।  বিজেপিতে যোগ দিয়ে তিনি বলেন, “রাষ্ট্রবাদী ছিলাম তাই রাষ্ট্রবাদী দলেই যোগ দিলাম।”   এদিন বিজেপি দলে যোগ দিলেন আরএসপি নেতা ক্ষিতি গোস্বামীর মেয়ে কস্তুরী গোস্বামী।  এই দুজন ছাড়াও বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নিলেন রিটায়ার্ড সিআরপিএফ কর্মী বিপ্লব বিশ্বাস।  আজ এই তিনজনকেই স্বাগত জানানো হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টিতে।

এদিন সাংবাদিকদের কিছু প্রশ্নের উত্তরে বিজেপির রাজ্য সাভাপতি শমীক ভট্টাচাৰ্য্য স্পষ্ট করে  বলেন, “এসআইআর এখনই বন্ধ করে দিন. কেন্দ্রীয় বাহিনী লাগবে না, ইডির দরজায় তালা লাগিয়ে দিন, এবার রাজ্য পুলিশ দিয়েই ভোট করান , তাহলেও তৃণমূল কংগ্রেস আর এই বিধানসভা নির্বাচনে জিততে পারবে না. আমরা এই ব্যাপারে নিশ্চিত।”


Loading

congtogel

slot gacor

link slot gacor

slot

hartacuan

slot

slot gacor

slot gacor

slot gacor

situs slot toto

playaja

hartacuan

slot gacor

situs slot gacor

link slot online

slot gacor

link slot gacor

slot bet 200

slot dana

slot online

slot gacor

slot777

slot deposit pulsa

situs gacor resmi

link slot gacor

slot gacor

slot gacor

slot toto

link slot

slot

slot

situs slot

slot gacor

login congtogel

situs togel

togel online

slot wdyuk

congtogel

bandar togel

hartacuan

congtogel

slot gacor

slot gacor

slot gacor

londonslot link alternatif

slot gacor

wdyuk

togel online

togel online

situs toto

indosloto

situs toto

watitoto

congtogel

congtogel

danatoto

slot gacor