
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ , ৩১/০৭/২০২৬ : আম আদমি পার্টির আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে তীব্র সমালোচনা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।

![]()

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ , ৩১/০৭/২০২৬ : আম আদমি পার্টির আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে তীব্র সমালোচনা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।

![]()

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি],কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ০৬/০৬/২০২৬ : তৃণমূল দলের স্থায়িত্ব আর কতক্ষন তা দেখতে চান রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। শুধু তাই নয় তৃণমূলের গুন্ডাদের অবিলম্বে পুলিশের হেফাজতে রাখা দরকার বলে মনে করেন তিনি।
বিধানসভা নির্বাচনের এক মাসের মধ্যেই ছত্রভঙ্গ হয়ে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। মহা বিপর্যয়ের সামনে রয়েছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। এর মধ্যেই অনেক নেতা কর্মীর জেল হয়েছে। অনেকে পুলিশের ভয়ে পালিয়ে গিয়েছে। তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে মাটির তলা থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর টাকা, জলাশয় থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর অস্ত্র, এমনকি কলেজের ইউনিয়ন রুম থেকেও উদ্ধার হয়েছে উইয়ে খাওয়া টাকার বান্ডিল।
নির্বাচনে তৃণমূল বিধায়কদের বিশাল একটা অংশ শীর্ষ নেতৃত্বকে অস্বীকার করে নতুন ল গঠন করতে চাইছে। হেরে যাওয়া এই রাজনৈতিক দলটির নাম এবং প্রতীক পর্যন্ত অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে। বিধানসভায় দলের পতন হয়েছে। একের পর এক পুরসভা হাতছাড়া হচ্ছে। কাউন্সিলররা জেলে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সংসদেও টলমল পরিস্থিতি তৃণমূলের। কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে সেখানেও শীর্ষ নেতৃত্বকে অস্বীকার করতে পৃথক জোট বাঁধছেন সাংসদরা। মমতার সাথে থাকছেন হাতে গোনা কয়েকজন মাত্র। এই অবস্থায় দিলীপ ঘোষ বলেন, “দেখতে চাই আর কতদিন এই দলটা টিঁকে থাকে।” বিজেপি নেতারা অনেক আগেই বলেছিলেন যে ‘এই দলে মমতা ব্যানার্জি ও তাঁর ভাইপো ছাড়া আর কেউ থাকবে না।’ সম্ভবত সেটাই হতে চলেছে।
রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, “রাজ্যের মানুষ তৃণমূলের এই গুন্ডা ও চোরদের ওপর এতটাই ক্ষেপে আছেন যে যেকোনো দিন একটা বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। যেভাবে সবাই ডিম ছুঁড়ছে ! এই দুষ্কৃতীদের অবিলম্বে পুলিশের হেফাজতে পাঠিয়ে দেওয়া উচিত। সেখানে থেকেই এদের বিচার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়া উচিত। ”
![]()

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], খড়গপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২৬/০৩/২০২৬ : তৃণমূলের বিরুদ্ধে ফের একবার সুর চড়ালেন খড়্গপুরের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ।
দিলীপ ঘোষ আজ সাংবাদিকদের বলেন, “রাজ্য সরকার রাজ্যের মুসলিম সম্প্রদায়ের সাথে আদৌ ন্যায় বিচার করে নি। রাজ্যে যে রাজনৈতিক দলগুলি মুসলিম সম্প্রদায়ের হয়ে কথা বলে, তারাও বুঝতে পেরেছে যে বিগত দিনগুলিতে রাজ্য সরকার মুসলিমদের প্রতি সুবিচার করে নি। তাই ভোটারদের ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে পুনর্বিবেচনা করা উচিত। যাদেরকে তাঁরা এতদিন ধরে ভোট দিয়ে আসছেন, মুসলমানদের ভাবা উচিত যে আর কতদিন তাদেরকে তাঁরা ভোট দিয়ে যাবেন। আমরাও মুসলমানদের উন্নতি চাই।
খড়্গপুর থেকে বিজেপির নির্বাচন প্রার্থী হয়েছেন প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।শাসক দল তাঁর আক্রমণের নিশানায় থাকে বরাবর। আজও ছিল. তবে আজ তিনি প্রধানত মুসলিম ভোট নিয়েই বেশি কথা বললেন।
![]()

ভারতে আমন্ত্রণ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ১৮/০২/২০২৬ : “এবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উচিত হবে বাংলাদেশে শান্তি ফিরিয়ে আনা” বললেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ।
বুধবার সকালে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন,” আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশ বিগত বেশ কিছুদিন ধরেই অশান্তির আগুনে পুড়েছে। হিংসা ছড়িয়েছে সর্বত্র। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ শান্তি চান, উন্নয়ন চান, তাঁরা শান্তিতে থাকতে চান. সেই কারণেই তাঁরা বিএনপিকে ভোট দিয়ে জিতিয়ে এনেছেন। বৈদেশিক শক্তিগুলি চায় না বাংলাদেশে স্থিতিশীল পরিস্থিতি আসুক। বাংলাদেশ শান্ত হোক, উন্নয়নের পথে চলুক। এই ব্যাপরটা খুব ভালো করেই জানেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে ব্যাহত করতে অনেক শক্তি সক্রিয় আছে। বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রীর উচিত সেই শক্তিগুলিকে নিয়ন্ত্রণে এনে বাংলাদেশকে উন্নয়নের পথে চালিত করা।”
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গতকালই বাংলাদেশ তাঁদের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমনকে পেয়েছে। গতকাল তিনি শপথ গ্রহণ করেছেন বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। তাঁর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের তরফ থেকে উপস্থিত ছিলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। যদিও এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। কিন্তু তিনি অন্যকাজে ব্যস্ত থাকায় তাঁর জায়গায় ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন ওম বিড়লা। তারিক রহমানকে ভারতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
Aaj Khabor Desk, Kolkata, West Bengal, 18/02/2026 : BJP leader Dilip Ghosh has stated that the newly appointed Prime Minister of Bangladesh should focus on restoring peace and stability in the country. He remarked that Bangladesh has experienced significant unrest and violence in recent times, but its people desire peace and development. According to him, voters supported the Bangladesh Nationalist Party in hopes of achieving stability and progress.
Ghosh also alleged that certain foreign forces are trying to prevent stability in Bangladesh and hinder its overall development. He emphasized that it is now the responsibility of the new Prime Minister, Tarique Rahman, who recently took oath, to control such forces and guide the nation toward growth and peace.
At the swearing-in ceremony, India was represented by Lok Sabha Speaker Om Birla. Although Prime Minister Narendra Modi had been invited, he could not attend due to prior commitments. Modi has also extended an invitation to Tarique Rahman to visit India.
![]()

SIR-এ ‘আজব’ সার্টিফিকেট, মাইক্রো অবজার্ভারদের হুমকি, কাঁকুলিয়া কাণ্ডে পুলিশের দ্বিচারিতা—রাজ্য সরকারকে তীব্র ভাষায় তুলোধোনা বিজেপি নেতার
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৩/০২/২০২৬ : আজ সকালে বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে সমালোচনার সাথে সাথে সরব হয়েছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ।
এসআইআর প্রসঙ্গে —
SIR এ আজব নথির নজির বঙ্গে। বাবা মায়ের সাথে সম্পর্ক বোঝাতে এবার মাথা মুণ্ডহীন ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট জমা SIR- এর নথি হিসাবে। কোথাও জন্মের আগেই বার্থ সার্টিফিকেট, কোথাও ভ্রান্ত ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট। যেকোনো উপায়ে ভোটার তালিকায় নাম তুলতে এইসব আজব নথির নিদান দিচ্ছে কারা?
মাইক্রো অবজার্ভার প্রসঙ্গে —
সুপ্রিম নির্দেশের পরও হুমকির মুখে মাইক্রো অবজার্ভাররা। হুমকি দিচ্ছেন খোদ বিডিও (ভাঙড়),এসডিও (বারুইপুর) দের মতন সরকারি আধিকারিকরা। বাদ নেই তৃণমূলের পূর্ত কর্মাদক্ষ শাজাহান মোল্লা। শাসকের কাছে ‘বিতর্কিত’ মাইক্রো অবজার্ভারদের শায়েস্তা করতে এবার থ্রেট কালচারের প্রত্যাবর্তন?
কাঁকুলিয়া কাণ্ড প্রসঙ্গে —
কাকুলিয়ার দুষ্কৃতী তান্ডবের ১২ দিন পরেও অধরা সোনাপাপ্পু, ইতিমধ্যে ছাড়াও পেয়ে গেলো ১৭জন। অন্যদিকে আইনি পথে মৃতা মায়ের চক্ষুদান করে ৩দিন শ্রীঘরে নদিয়ার আমির। একই পুলিশের দুইরূপ কেন রাজ্যে? সাধারণের জন্য হাতকড়া, আর শাসক আশ্রিত দুষ্কৃতীদের জন্য সব ছাড় পুলিশের?
নির্বাচন কমিশনে আধিকারিক প্রেরণ প্রসঙ্গে —
৮৫০৫ অফিসার নিয়ে এখনো গড়িমসি রাজ্যের। নির্দেশ অনুযায়ী কমিশনের কাছে পৌঁছোচ্ছে না সম্পূর্ণ তথ্য সমৃদ্ধ তালিকা। কমিশনের নিয়োগ করা লোক নিয়েও সমস্যা, কমিশনকে লোক দিতে হলেও সমস্যা! রাজ্যের এতো অনীহা কেন SIR নিয়ে?
পরিযায়ী শ্রমিক প্রসঙ্গে —
বাংলাভাষী মানুষ ভিন রাজ্যে গিয়ে সমস্যায় পড়লে তা নিয়ে অনেক বড় ইস্যু তৈরি করা হয়। কিন্তু আয়ুষ্মান ভারত-সহ কেন্দ্রীয় প্রকল্প বাংলায় চালু হলে মানুষকে যেতে হতো না রাজ্য ছেড়ে। ফের কেন্দ্রীয় প্রকল্প নিয়ে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ নির্মলার। ভিনরাজ্যে বাংলাভাষীদের হেনস্থা কি কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে মেটানো সম্ভব?
পুনেতে বাঙালি শ্রমিক হত্যা সম্বন্ধে —
পুনেতে খুন পুরুলিয়ার সুখেন মাহাতো। তৃণমূলের দাবি বাংলা ভাষায় কথা বলাতে খুন ,আসরে অভিষেক। অন্যদিকে পুনে পুলিশের বক্তব্য খুন কারণ কোনো সম্প্রদায় নয়। ভাতা-র বদলে রাজ্যে কাজ থাকলে এই সমস্যা সমাধান সহজ হতো না? নাকি শুধু রাজনৈতিক কারণে পরিযায়ী ইস্যু বাঁচিয়ে রাখতে চাইছে শাসকদল?
রাজ্যে জোট প্রসঙ্গে —
জোটের জোট আটকে আসন সমঝোতায়? বেশি আসনে লড়াইয়ের দাবি পূর্ব শরিক ISF এর, ISFকে সেই সংখ্যক আসন দিতে চাইছেনা বামেরা। এতো দীর্ঘমেয়াদি জোট প্রক্রিয়ার যদি সত্যিই কোনো ফলাফল আসেও, তাতে কি আদেও কোনো লাভ হবে?
![]()