আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা ,পশ্চিমবঙ্গ, ০১/০৭/২০২৬ : রাজ্যে বিজেপি সরকার আসার পর আজ থেকেই চালু হয়ে গেলো “জি রাম জি” প্রকল্পের ১২৫ দিনের কাজ।
ভোটের আগে থেকেই মোদীর গ্যারান্টি ছিল, রাজ্যের শ্রমিকরা ১০০ দিনের পরিবর্তে ১২৫ দিন কাজ পাবেন। সেই গ্যারান্টি অনুযায়ী রাজ্যে ১২৫ দিনের কাজ চালু হয়ে গেল আজ থেকেই। এই প্রকল্প জি রাম জি নামেই পরিচিত হল। এবার থেকে শ্রমিকদের মজুরি ৭ থেকে ১৫ দিনের মধ্যেই সরাসরি তাঁদের ব্যাংক একাউন্টে পৌঁছে যাবে।
শ্রমিকদের মজুরি সরাসরি তাঁদের একাউন্টে পৌঁছে যাওয়ার ফলে মাঝখানে কেউ কাটমানি নিতে পারবে না। আর এই প্রকল্পে যাতে কোনো রকম দুর্নীতির জায়গা তৈরী না হয়, সেটা মনিটর করার জন্যে আগে থেকেই একটা কমিটি তৈরী করে দেওয়া হচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের ২ কোটি ৫৬ লক্ষ জব কার্ড হোল্ডার মানুষ উপকৃত হবেন। এই প্রকল্পের জন্যে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার ৬০:৪০ অনুপাতে অর্থ বরাদ্দ করেছে। কেন্দ্র সরকার দিচ্ছে ৮,৫০৮ কোটি টাকা এবং রাজ্য সরকার দিচ্ছে ৫,৬৭২ কোটি টাকা। আজ থেকেই রাজ্যে চালু হয়ে গেল জি রাম জি প্রকল্প।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] নবান্ন, হাওড়া, ২৫/০৬/২০২৬ : রাজ্যের অথমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত ঘোষণা করেছেন যে এবার থেকে রাজ্যের প্রতিটা ডিপার্টমেন্টের বেনিয়ম ও দুর্নীতির কথা শ্বেত পত্র প্রকাশ করে জানানো হবে। বর্তমান সরকারের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সেই দুর্নীতির সিএজি রিপোর্ট পেশ করা হবে প্রকাশ্যে ।
কলকাতার তারাতলায় যে নির্মীয়মান গুদামটি ভেঙে পড়েছে, তার অনুমোদন দিয়েছিল পুরোনো সরকার। গতকাল ও আজ সেখানে উদ্ধারকাজ চালাতে গিয়ে যথেষ্ট মুন্সিয়ানা দেখিয়েছে বর্তমান রাজ্য সরকার। একটুও সময় নষ্ট না করে ঘটনার গুরুত্ব বুঝে NDRF ও সেনাবাহিনী তলব করেছে রাজ্য সরকার। ক্ষতিপূরণের ঘোষনাতেও এগিয়ে এই সরকার। মৃতের পরিবার প্রত্যেকে পাবেন ১০ লক্ষ টাকা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এবং ২ লক্ষ টাকা কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে।
এই যে এতো বড় একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেলো, তার পিছনে পুরোনো সরকারের বেনিয়ম সামনে এসেছে। দুর্নীতিও হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু এখন থেকে পুরোনো সরকারের করে যাওয়া এই দুর্নীতির দায় বর্তমান সরকার নেবে না। বর্তমানে রাজ্যে যাতে নিরাপত্তাজনিত কোনো আশঙ্কা দেখা না যায় , সেই কারণে বর্তমান সরকার সব কিছুই প্রকাশ্যে আনবে। তৃণমূল আমলে অনুমোদন পাওয়া নবনির্মিত সব বিল্ডিং গুলির অডিট করা হবে। আপাতত সমস্ত নির্মীয়মান (এমার্জেন্সি ছাড়া) কনস্ট্রাকশন বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। অন্তত চার সপ্তাহপরে ফের নোটিশ জারি করা হতে পারে।
অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, “সন্দেশখালিতে একটি মহিলা থানা, হেমতাবাদে একটি ডিগ্রি কলেজ এবং কালিয়াগঞ্জে একটি মহিলা কলেজ স্থাপিত হবে। রাজ্যে ২০০ জনকে নিয়ে একটি উচ্চ প্রশিক্ষিত দুর্যোগ মোকাবিলা দল তৈরী করা হবে। অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতিও দেওয়া হবে তাঁদের হাতে। এই ২০০ জনের মধ্যে ৫০ জন আসবেন সুন্দরবন এলাকা থেকে এবং ৫ জন আসবেন পার্বত্য অঞ্চল থেকে। বাকি ১০০ জন রাজ্যের অন্যান্য জায়গা থেকে। এই দলকে নানারকম প্রতিকূলতার মধ্যে কাজ করার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এই বছর দুর্গাপূজার আগেই রাজ্য সরকার বেশ কিছু নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চলেছে ।”
“অসুস্থতার কারণে রাজ্যপাল অব্যাহতি নিয়েছেন, এতে বিতর্কের কিছু নেই”
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ , ০৬/০৩/২০২৬ : তৃণমূল নেতৃত্বকে নিয়ে তীব্র কটাক্ষ শোনা গিয়েছে বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের গলায়।
এসআইআর এ পশ্চিমবঙ্গের বহু বৈধ ভোটার বাদ পড়ে গিয়েছে এই অভিযোগ তুলে আজ তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্ণা কর্মসূচী রয়েছে কলকাতার ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে। কলকাতার রাজপথে ধর্ণা দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস এসআইআর-এর প্রতিবাদ জানাতে চায়। তাদের বক্তব্য এসআইআরের ভুল পদ্ধতির জন্যেই রাজ্যে বেশ কিছু বিএলও এবং নাগরিকের প্রাণ গিয়েছে। অনেকেই আত্মহত্যা করেছেন। রাজ্যে যে পদ্ধতিতে এসআইআর করেছে তা ভুলভ্রান্তিতে ভরা। এরই প্রতিবাদে রাজপথে নেমে ধারণা দেবে তৃণমূল কংগ্রেস।
তৃণমূলের এইধর্ণা কর্মসূচীকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেছেন, “আর কিছুদিন পরেই রাজ্যে যে ভোট হতে চলেছে, সেই ভোটে হেরে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের বিরোধী দলে পরিণত হবে। সেইসময় ওদের অনেক ধর্ণা করতে হবে। এখন থেকেই সেই অভ্যাস তৈরী করতে চাইছে ওরা। ”
হঠাৎ করেই রাজ্যপালের পদত্যাগ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “রাজ্যপাল শ্রীবোস অসুস্থতার কারণে অব্যাহতি নিয়েছেন বলে শুনেছি। তাই তাঁর এই পদত্যাগ সম্পর্কে কোনো রকম বক্তব্য আমার নেই। এই ব্যাপারে আমি কিছু বলতে চাই না। “
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৫/০৩/২০২৬ : হঠাৎ করেই আজ পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দিলেন আনন্দ বোস। তাঁর জায়গায় রাজ্যের নতুন রাজ্যপাল হলেন আর এন রবি।
বৃহস্পতিবার হঠাৎ করেই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের পদ ছেড়ে দিলেন সি ভি আনন্দ বোস। বিগত দিনগুলিতে এই রাজ্যে একজন রাজ্যপাল হিসেবে সাফল্যের সাথে কাজ করে যাচ্ছিলেন কেরালার এই মানুষটি। আজ হঠাৎ করেই তাঁর পদত্যাগ রাজ্যপালের পদ থেকে। রাজভবন থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে তাঁর ইস্তফা দেওয়ার ঘটনাটি। সি ভি আনন্দ বোস নিজের ইস্তফাপত্র মাননীয় রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন বলে জানিয়েছে রাজভবন।
সি ভি আনন্দ বোসের জায়গায় পশ্চিমবঙ্গের নতুন রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব সামলাবেন আর এন রবি। বাংলার নতুন রাজ্যপাল এর আগে তামিলনাড়ু, নাগাল্যান্ড এবং মিজোরামের রাজ্যপাল হিসেবে কাজ করেছেন। শুধু তাই নয় তিনি দেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের ডেপুটি হিসেবেও কাজ করেছেন। তিনি বড় হয়েছেন বিহারে।
ভোটের আগেই সি ভি আনন্দ বোসের আকস্মিক পদত্যাগ এর খবর পেয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিস্মিত হয়েছেন। তিনি এই ঘটনাটিকে ‘শকিং’ বলে বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “আমি জানি না, কেন হঠাৎ করে উনি রাজ্যপালের পদ থেকে হঠাৎ করে পদত্যাগ করলেন। এর পিছনে এখনো আসল ঘটনা আমি জানতে পারি নি। এর পিছনে কি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর হাত রয়েছে ? যাই হোক বিষয়টা বেশ বেদনার। “
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৪/০২/২০২৬ : নিম্নচাপের প্রভাবে মঙ্গলবার সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ রয়েছে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। কলকাতায় গতকাল মধ্যরাত্রি থেকেই বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে।
এই মুহূর্তে রাজ্যের উত্তর প্রান্তে তুষারপাত হচ্ছে। আজ সকালেও দার্জিলিং জেলার সান্দাকফু ও ফালুট অঞ্চলে তুষার পাত হয়েছে। আবার কলকাতা সহ দক্ষিণ বঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় আকাশ কালো করে এসেছে, বৃষ্টি হচ্ছে।
রাজ্যের কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টিপাত হচ্ছে। আবহাওয়া দপ্তরের পক্ষ থেকেও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার বার্তা দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পং জেলায় হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এরই জেরে উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে হয়ত ফের তুষারপাত হতে পারে।
মঙ্গলবার সকাল থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত এই তিন জেলায় বৃষ্টি হলেও উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলায় বৃষ্টিপাতের কোনও সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন জলপাইগুড়ির বন্যা সম্পর্কিত আবহাওয়া দপ্তরের বিজ্ঞানী সমরেশ সরকার। তিনি জানান, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পং জেলায় হালকা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকলেও আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার জেলায় তেমন কোনও পূর্বাভাস নেই।
কাকুলিয়ার দুষ্কৃতী তান্ডবের ১২ দিন পরেও অধরা সোনাপাপ্পু, ইতিমধ্যে ছাড়াও পেয়ে গেলো ১৭জন। অন্যদিকে আইনি পথে মৃতা মায়ের চক্ষুদান করে ৩দিন শ্রীঘরে নদিয়ার আমির। একই পুলিশের দুইরূপ কেন রাজ্যে? সাধারণের জন্য হাতকড়া, আর শাসক আশ্রিত দুষ্কৃতীদের জন্য সব ছাড় পুলিশের?
নির্বাচন কমিশনে আধিকারিক প্রেরণ প্রসঙ্গে —
৮৫০৫ অফিসার নিয়ে এখনো গড়িমসি রাজ্যের। নির্দেশ অনুযায়ী কমিশনের কাছে পৌঁছোচ্ছে না সম্পূর্ণ তথ্য সমৃদ্ধ তালিকা। কমিশনের নিয়োগ করা লোক নিয়েও সমস্যা, কমিশনকে লোক দিতে হলেও সমস্যা! রাজ্যের এতো অনীহা কেন SIR নিয়ে?
পরিযায়ী শ্রমিক প্রসঙ্গে —
বাংলাভাষী মানুষ ভিন রাজ্যে গিয়ে সমস্যায় পড়লে তা নিয়ে অনেক বড় ইস্যু তৈরি করা হয়। কিন্তু আয়ুষ্মান ভারত-সহ কেন্দ্রীয় প্রকল্প বাংলায় চালু হলে মানুষকে যেতে হতো না রাজ্য ছেড়ে। ফের কেন্দ্রীয় প্রকল্প নিয়ে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ নির্মলার। ভিনরাজ্যে বাংলাভাষীদের হেনস্থা কি কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে মেটানো সম্ভব?
পুনেতে বাঙালি শ্রমিক হত্যা সম্বন্ধে —
পুনেতে খুন পুরুলিয়ার সুখেন মাহাতো। তৃণমূলের দাবি বাংলা ভাষায় কথা বলাতে খুন ,আসরে অভিষেক। অন্যদিকে পুনে পুলিশের বক্তব্য খুন কারণ কোনো সম্প্রদায় নয়। ভাতা-র বদলে রাজ্যে কাজ থাকলে এই সমস্যা সমাধান সহজ হতো না? নাকি শুধু রাজনৈতিক কারণে পরিযায়ী ইস্যু বাঁচিয়ে রাখতে চাইছে শাসকদল?
রাজ্যে জোট প্রসঙ্গে —
জোটের জোট আটকে আসন সমঝোতায়? বেশি আসনে লড়াইয়ের দাবি পূর্ব শরিক ISF এর, ISFকে সেই সংখ্যক আসন দিতে চাইছেনা বামেরা। এতো দীর্ঘমেয়াদি জোট প্রক্রিয়ার যদি সত্যিই কোনো ফলাফল আসেও, তাতে কি আদেও কোনো লাভ হবে?