Aaj Khabor

কর্মসংস্থানের জন্যে বাংলা থেকে গিয়ে ৬০ জন আটকে আরবে 

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], ব্যারাকপুর, উত্তর ২৪ পরগনা, ২৩/০৫/২০২৫ : বাংলা থেকে ষাটজন কর্মসংস্থানের জন্য যাওয়া সৌদি আরবে গিয়ে আটকে থাকা মানুষকে ভারতে ফেরানোর জন্য আবেদন করা হল.

পশ্চিমবঙ্গ থেকে কর্মসংস্থানের জন্য কাজে গিয়ে সৌদি আরবে গিয়ে ৬০ জনের মতন বঙ্গবাসীর বিপদের সম্মুখীন অবস্থায় রয়েছে। দীর্ঘ ছয় থেকে আট মাস ধরে তারা বেতন পাচ্ছে না এমনকি সৌদি আরব থেকে  ভারতীয়দের আসতেও দেওয়া হচ্ছে না।  তাদের পক্ষ থেকে সমাজ  মাধ্যমের মাধ্যমে এক ভিডিও বার্তায় ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং এর কাছে কাতর আবেদন তাদেরকে যেন অতিসত্বর উদ্ধার করে দেশে ফেরানো ব্যবস্থা করা হয়। আর এই ষাটজনের মধ্যেই উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বারাকপুর মহকুমার অন্তর্গত হালিশহর পৌরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের এম.সি. মিত্র রোডের হাজিনগর এলাকার রবি প্রতাপ সিং ।

রবি প্রতাপ সিং এর বাবা অভিমুন্য সিং সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তারা খুব খুবই উৎকণ্ঠায় আছে।  তার ছেলেকে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসনের কাছে সব রকম সহযোগিতা চেয়েছে। তার পাশাপাশি রবি প্রতাপ সিং এর স্ত্রী জুই সিং তার ছোট্ট নাবালক শিশুকে নিয়ে একাকী থাকার কথা জানিয়ে  আবেদন রাখেন অবিলম্বে তার স্বামীকে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করুক সরকার সহ এমপি ,এম এল এদের কাছে। তার পাশাপাশি সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিং বলেন তিনি প্রধানমন্ত্রী সহ বিদেশ  মন্ত্রকের কাছে আবেদন করেছেন যাতে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা যায়।

এমনকি প্রাক্তন সাংসদ তা র এক্স হ্যান্ডেলেও টুইট করেন । এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় মানুষরা উৎকণ্টায় দিন কাটাচ্ছে কবে তাদের ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে আসবে। এখন দেখার প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নেয় কিনা সৌদি আরবে আটকে থাকা রবিন প্রতাপ সিং এর ব্যাপারে।


Loading

মাত্র ১৫ দিন আগেই তৈরি হওয়া  কংক্ৰিটের নিকাশি নালা ভেঙে পড়ল 

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], আলিপুরদুয়ার, পশ্চিমবঙ্গ, ২৩/০৫/২০২৫ : সবেমাত্র ১৫ দিন আগেই নির্মাণ হয়েছে কংক্রিটের নিকাশী নালা। আর সেই নালায় সামান্য বৃষ্টিতেই ভেঙ্গে পড়ল কংক্রিটের নিকাশী নালার ওয়ার্ল্ড। আর সেই কাজে নিম্নমানের কাজের পাশাপাশি লক্ষ লক্ষ টাকা সরকারি অর্থ অপচয় ও তছরূপের  অভিযোগ উঠল মাদারিহাট ব্লকের ডিমডিমা চা বাগানের পাকা লাইন এলাকায়। 

প্রসঙ্গত জানা যায় মাত্র  ১৫ দিন আগেই মাদারিহাট ব্লকের শিশুঝুমরা গ্রাম পঞ্চায়েতের তরফ থেকে ২৮৯,৩৭৯ টাকা , ব্যয় করে কংক্রিটের নিকাশী নালা নির্মাণ করার উদ্যোগ নিয়েছিল গ্রাম পঞ্চায়েত। আর সেই কাজেই প্রথম থেকেই  নিম্নমানের কাজ করেই চলেছিল ঠিকাদার সংস্থা। তাদেরকে একাধিকবার গ্রামের বাসিন্দারা বিষয়টি জানালেও তারা কোনোভাবেই কর্ণপাত করেনি। ফলে একদিনে সামান্য বৃষ্টিতেই ভেঙ্গে গিয়েছে শব্দ নির্মিত নিকাশী নালার ঢালাই। যদিও সেই নিকাশি নালা দ্রুত মেরামতের দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসী। 

তবে ঠিকাদারি সংস্থাকে স্রেফ কটাক্ষ করেই কি দায় এড়াচ্ছে গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান,  নাকি এর পিছনে অন্য কোন রহস্য লুকিয়ে রয়েছে, তা জানা  যায় নি.।


Loading

পুলিশের সহায়তায় দীর্ঘ ২০ বছর পর বাবা-ছেলের মিলন 

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], বেলাকোবা, জলপাইগুড়ি, ২৩/০৫/২০২৫ : দীর্ঘ প্রায় ২০  বছর পর বাবাকে ফিরে পেয়ে আবেগে ভাসলো বাবা-ছেলে। ছেলের মুখশ্রী অনেকটাই পাল্টে গেছে বললেন বাবা! ছেলে বলেন প্রায় কুড়ি বছর পর বাবাকে চিনতে পেরে ফিরে পেলাম। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করলেন পুলিশকে। এ এক আজব কাহিনী জলপাইগুড়িতে।

জলপাইগুড়ি জেলার বেলাকোবা পুলিশ ফাঁড়িতে এদিন এসে নিতাইচন্দ্র দাসকে জড়িয়ে ধরলেন তাঁর ছেলে। একেবারে ১০ বছর বয়সী ছেলেকে শেষ দেখেছিলেন তিনি। এখন ছেলে বড়, বয়স প্রায় ৩০-এর কোটায়। তবুও রক্তের টান এমন যে একবারেই চিনতে পারলেন নিজের সেই ছোট সন্তানকে। ছেলে নবজিৎ দাসও নিজেকে আটকে রাখতে পড়লেন না। বাবাকে পেয়েই আনন্দে আত্মহারা সেই ছেলে জড়িয়ে ধরলেন। নবজিতের কথায়, “আমরা বানারহাট থানায় নিখোঁজ সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের করি। পরে অনেক খোঁজাখুঁজির পর শেষে থানা থেকে খবর পাই বাবা বেলাকোবায় আছেন। প্রায় ২০ বছর পর দেখলাম বাবাকে। শেষ দেখেছিলাম যখন ক্লাস ফাইভে পড়তাম।” 

পুলিশকর্মীদের ছাড়া বাবাকে পাওয়া অসম্ভব ছিল, অকপটে স্বীকার করে নিলেন নবজিৎ। তিনি বিশেষ ধন্যবাদ দিয়েছেন বেলাকোবা পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত সিভিক ভোলান্টিয়ার সুমন সাহাকে। বেলাকোবা ফাঁড়ির ওসি অরিজিৎ কুন্ডুর সামনেই হল বাবা – ছেলের পুনর্মিলন। তাতে “কঠোর” স্বভাবের পুলিশেরও যেন মন গলে গেল নিমেষেই। বাকরুদ্ধ নিতাইবাবু। তিনি বেশি কিছু না বলতে পারলেও  পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।


Loading

২ রেস্তোরায় খাবারে পোকা বের হওয়ার পর খাবারের দোকানে হানা পুরসভার 

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ২৩/০৫/২০২৫ : কিছুদিন আগেই শিলিগুড়ি শহরের দুটি রেস্তোরাঁতে বিরিয়ানিতে মিলেছিল পোকা।

 এরপর খাদ্য বিভাগ এবং নিউ জলপাইগুড়ি থানার পুলিশ ওই দোকান টি সিল করে দেয়।

তার কিছুদিন বাদেই গত সপ্তাহে শিলিগুড়ির প্রধাননগর থানার অন্তর্গত চম্পাসাড়ী মোড় এলাকায় একটি বিরিয়ানির দোকানে মিলল পোকা। এরপর ব্যাপক উত্তেজনায় ছড়ায় শহর শিলিগুড়িতে। ময়দানে নামে বিজেপি।

বিষয়টিতে উদ্বিগ্ন হন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। তিনি খাদ্য বিভাগ এবং শিলিগুড়ি পৌরনিগমকে ময়দানে নামতে নির্দেশ দেন। এরপর ময়দানে নামে শিলিগুড়ি পৌরনিগমের খাদ্য বিভাগ এবং রাজ্য খাদ্য বিভাগ, পাশাপাশি শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ।

৪-৫ দিন আগে শিলিগুড়ি শহরের বাঘাযতীন পার্ক সংলগ্ন এলাকার বেশ কিছু রেস্তোরাতে অভিযান চালিয়েছিল শিলিগুড়ি পৌর নিগমের খাদ্য বিভাগ এবং এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ।

আজ আবার চলল অভিযান, এবার শিলিগুড়ির হিলকার্ট রোডের বেশ কিছু রেস্টুরেন্ট হোটেল এবং স্ট্রিট ফুড এর দোকানে হানা দিল আধিকারিকেরা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা গেল মেয়াদ উত্তীর্ণ সস এবং মসলা ব্যবহার চলছে। পাশাপাশি বিষাক্ত রং এর ব্যবহার করছেন দোকানীরা। এরপর আজ সেই সমস্ত দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিলেন প্রশাসনিক কর্তারা। পাশাপাশি হোটেল রেস্তোরাতে ডোমেস্টিক সিলিন্ডার ব্যবহার বন্ধের নির্দেশ দেন পুলিশ আধিকারিকেরা। এই অভিযান লাগাতার চলবে বলে জানিয়েছেন শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের এসিপি এন্ড ফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ মোহাম্মদ ফারুক।


Loading

আচমকা শিলিগুড়ির ব্যাঙ্কে  আগুন 

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ২৩/০৫/২০২৫ : আচমকা অগ্নিকাণ্ড শিলিগুড়ির সেবক রোডের পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক এ। সাড়ে দশটা নাগাদ এই অগ্নিকাণ্ড হয়। 

আগুন এবং ধোঁয়ার কারণে ব্যাংক ফেলে বেরিয়ে পড়েন প্রত্যেক কর্মীরা। খবর দেওয়া হয় পানি ট্যাংকি আউটপোস্টের পুলিশকে এবং দমকল বিভাগকে। দমকলের তিনটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজে হাত লাগায়। আগুন ব্যাংকের ভেতরে বড় ক্ষতি করেছে। ব্যাংকের প্রচুর নথি পুড়ে গেছে। ইলেকট্রনিক্স জিনিসপত্র কম্পিউটার ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দমকল বিভাগের জলে কার্যত জল জমে গেছে ব্যাংকের ভেতরে। এখনো আগুন নেভানোর কাজ চলছে। ঘটনাস্থলে রয়েছে তিনটি ইঞ্জিন এবং পানি ট্যাংকি আউটপোস্টের পুলিশ। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ এখনো ক্ষয়ক্ষতি খতিয়ে দেখতে পারছে না। আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এলে তারপর খতিয়ে দেখা হবে কি ক্ষতি হলো।

তবে ব্যাংক খোলার পরেই এই অগ্নিকাণ্ড হওয়ায় বড়সড় ক্ষতির হাত থেকে বাঁচলো পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক সেবক রোড। কারণ গভীর রাতে এই অগ্নিকাণ্ড হলে কার্যত সবকিছু শেষ হয়ে যেত বলেই মনে করছেন কর্মীরা।


Loading

কেন্দ্র সরকারের নিয়ম মেনেই চ্যাংড়াবান্ধা সীমান্তে চলছে পণ্যবাহী গাড়ি 

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], চ্যাংড়াবান্ধা,  জলপাইগুড়ি, ২২/০৫/২০২৫ : চ্যাংড়াবান্ধা সীমান্তে কড়া নজরদারি বিএসএফের, কেন্দ্রিয় সরকারের নির্দেশিকা মেনেই চলছে মানব এবং পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল।*

ভারত বাংলাদেশ  সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সেই নির্দেশের পর চ্যাংড়াবান্ধা আন্তর্জাতিক স্থলবন্দরে দেখা গেছে তৎপরতা। পুলিশ ও বিএসএফ যৌথভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কড়াকড়ি আরোপ করেছে।*

বাংলাদেশে রপ্তানি উদ্দেশ্যে ভারতীয় পণ্যবাহী লরি চ্যাংড়াবান্ধা সীমান্তে দাঁড়িয়ে রয়েছে। নিরাপত্তার ঘেরাটোপে তারা একে একে সীমান্ত অতিক্রম করছে। বিএসএফ সূত্রে জানা গেছে, ভারত সরকারের বর্তমান বাণিজ্য নির্দেশিকা কঠোর ভাবে পালন করেই পণ্য আমদানি-রপ্তানি চলছে।

সীমান্ত সংলগ্ন ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে দেখা গেছে, শুধুমাত্র মেডিকেল ও স্টুডেন্ট ভিসাধারী মানুষদের যাতায়াত চলছে। পর্যটন ও অন্যান্য ভিসায় এখনো নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে। বাংলাদেশের নাগরিক নিলুফা আসমিন, যিনি মায়ের চিকিৎসার জন্য ভারতে এসেছেন, জানান— “শান্তিপূর্ণ পরিবেশে যাতায়াত করতে পারছি।”

ভারতীয় লরি চালক আকবর আলি বলেন, “আমি ভারত থেকে বাংলাদেশে পাথর (বোল্ডার) নিয়ে যাচ্ছি। বিএসএফের নজরদারি রয়েছে, তবে কোনো অসুবিধা হচ্ছে না।”

এলাকার বাসিন্দারাও নিরাপত্তা বাড়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। চ্যাংড়াবান্ধার স্থানীয় বাসিন্দা উলেন রায় বলেন, “পুলিশ ও বিএসএফের যৌথ তৎপরতায় এখন নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারছি।” একই মন্তব্য করেন আরেক বাসিন্দা জাকির হোসেন, তবে তাঁর মতে, “আরও নিরাপত্তা জোরদার করা প্রয়োজন।”

অন্যদিকে, ভারতের নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে প্রস্তুতকারক খাদ্য সামগ্রী ও রেডিমেড পোশাক আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ফলে বর্তমানে কেবল কাটা কাপড়ই ভারত প্রবেশ করছে। বাংলাদেশি চালক আব্দুল হানিফ জানান, “আমি কাটা কাপড় নিয়ে ভারতে এসেছি, কোনো অসুবিধা হয়নি।”

সীমান্তে কড়া নজরদারির মধ্যে দিয়ে কোনো রকমে চলছে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও মানবিক সহায়তা।


Loading

খোলা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশী দুষ্কৃতীরা ঢুকে ফসল কেটে নিয়ে যাচ্ছে 

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], মালদহ, পশ্চিমবঙ্গ, ২২/০৫/২০২৫ :  মালদহের খোলা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ থেকে দুষ্কৃতীরা গ্রামে ঢুকে জোর করে ফসল কেটে নিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 

মালদহের কালিয়াচক তিন নম্বর ব্লকের সুকদেবপুরের পর এবার হবিবপুর। এই ব্লকেও রয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত। যার বেশ কিছু অংশ এখনো অরক্ষিত। সেখানে এখনো কাঁটাতারের বেড়া বসানো যায়নি। আর এই সুযোগে বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা ভারতের ভূখণ্ডে ঢুকে এই এলাকার ভারতীয় কৃষকদের জমির ফসল কেটে নিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ । গ্রামবাসীদের অভিযোগ কেন্দ্রীয় সরকার বারবার বলছে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকার জমি দিচ্ছে না। আমাদের প্রশ্ন তাহলে রাজ্য সরকার দ্রুত জমি অধিগ্রহণ কেন করছে না। 

অরক্ষিত এলাকায় কাঁটাতার না থাকায় তাদের পরিশ্রমের ফসল এভাবেই বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা কেটে নিয়ে চলে যাচ্ছে দিনের পর দিন। শুধুই ফসল কাটা নয়, যেহেতু অরক্ষিত সীমান্ত সেহেতু গ্রামবাসীরা নিরাপত্তার অভাবও বোধ করছেন । তাদের বক্তব্য বিএসএফ রয়েছেন। তাদেরও নজর এড়িয়ে দুষ্কৃতীরা ভারতে ঢোকার চেষ্টা করছে। দ্রুত কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য তারা এলাকার বিধায়ক এর  দ্বারস্ত হয়েছেন। তাঁরা  বিধায়কের কাছে হাত জোড় করে আর্জি করেছেন, যেন তিনি রাজ্য সরকারের কাছে জমি অধিগ্রহণের জন্য আবেদন জানান। যাতে তারা নিরাপদে দিন যাপন করতে পারেন। বিএসএফ সূত্রে জানা যায় ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে ১৭২ কিলোমিটার এলাকা এর মধ্যে প্রায় ১৮  কিলোমিটার এলাকা অরক্ষিত, এখানে কাটাতার নেই। 

উল্লেখ্য কিছুদিন আগেই আমরা দেখেছিলাম কালিয়াচক তিন নম্বর ব্লকের সুকদেবপুর ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে অস্থিরতা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল । ভারতের ভূখণ্ডে ঢুকে এলাকার কৃষকদের জমি বাংলাদেশে দুষ্কৃতীরা কেটে নিচ্ছিল। যদিও সেই এলাকার পরিস্থিতি এখন কিছুটা শান্ত রয়েছে। 


Loading

অপারেশন সিঁদুরের সাফল্যে তিরঙ্গা যাত্রা শিলিগুড়িতে 

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ২২/০৫/২০২৫ : ভারতীয় সেনাবাহিনীর ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর সাফল্যকে কুর্নিশ জানিয়ে বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ির বুকে অনুষ্ঠিত হল এক বর্ণাঢ্য তিরঙ্গা যাত্রা। সুভাষপল্লী নেতাজি মোড় থেকে শুরু হয়ে এই যাত্রা গিয়ে শেষ হয় এয়ারভিউ মোড়ে।

এই কর্মসূচির আয়োজন করে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। যাত্রায় নেতৃত্ব দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন দার্জিলিং-এর সাংসদ রাজু বিস্তা  ও বিজেপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা।

শহরের বিশিষ্ট নাগরিক, সাধু-সন্ন্যাসী, প্রাক্তন সেনা কর্তা থেকে শুরু করে বহু সাধারণ মানুষ এই তিরঙ্গা যাত্রায় অংশগ্রহণ করেন। রাস্তাজুড়ে ছিল দেশপ্রেমের আবহ, হাতে হাতে তেরঙা পতাকা ও মুখে দেশাত্মবোধক স্লোগান।

বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “ভারতীয় সেনাবাহিনী আমাদের গর্ব। ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর মাধ্যমে সেনাবাহিনী দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় যে সাহসিকতা ও সাফল্য দেখিয়েছে, তা অনন্য।” এই কর্মসূচির মাধ্যমে বিজেপি একদিকে যেমন সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যেও দেশপ্রেমের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।


Loading

হাইকোর্টের রিপোর্ট বলছে ‘মুর্শিদাবাদের হিংসায় পুলিশ ছিল নিষ্ক্রিয় ও অনুপস্থিত’ 

আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২১/০৫/২০২৫ :  মুর্শিদাবাদের হিংসার ঘটনায়  পুলিশ ছিল নিষ্ক্রিয় এবং অনুপস্থিত, এই পর্যবেক্ষণ  কলকাতা হাইকোর্টের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির। 

কিছুদিন আগে মুর্শিদাবাদে  হিংসার ঘটনা ঘটেছিল, সেই ঘটনার পিছনে প্রকৃত সত্য খুঁজে বের করতে কলকাতা হাইকোর্ট একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গড়ে দিয়েছিল।  সেই কমিটি হাইকোর্টে তাদের রিপোর্ট জমা করেছে। সেই রিপোর্টে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে  প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। 

ঐ  রিপোর্ট বলছে, ‘মুর্শিদাবাদে সেদিনের সেই হিংসার ঘটনার পিছনে ছিল স্থানীয় এক কাউন্সিলরের উস্কানি। সেদিনের হিংসায় মোট ১১৩টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এলাকার মানুষ বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে মালদহে আশ্রয় নিয়েছিল, কিন্তু পুলিশের চাপে  তাদেরকে ফিরে আসতে  হয়েছিল বেতবনা গ্রামে। অথচ যখন হিংসার ঘটনা ঘটেছিল সেই সময় পুলিশ ছিল একেবারেই নিষ্ক্রিয় এবং অনুপস্থিত। এলাকার মানুষ সেখানে চান যাতে নিরাপত্তার স্বার্থে বিএসএফ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোনো ক্যাম্প স্থাপন করা হয়।’

রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে যে, গ্রামে হিংসার দিন অর্থাৎ শুক্রবার বিকেল ৪টের   সময় এবং শনিবার বিকেল ৪টের সময় পুলিশকে ফোন করে ডাকার চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু পুলিশ ফোন তোলেনি। গ্রামবাসীদের ক্রমাগত হুমকির মুখে পড়তে হয়েছিল , দুষ্কৃতীরা শাসিয়ে গিয়েছে যে বিএসএফ তাদের কতক্ষন রক্ষা করবে ? রিপোর্টেও বলা হয়েছে যে ঐ এলাকায় দুষ্কৃতীরা জলের লাইনও  কেটে দিয়ে গিয়ে ছিল, যাতে বাড়িতে আগুন লাগালেও জল দিয়ে তা নেভানো  না যায়। দুষ্কৃতীরা বাড়িতে ঢুকে সব জামাকাপড় কেরোসিন তেল ঢেলে পুড়িয়ে দিয়েছিল, যাতে মহিলাদের গায়ে কোনো কাপড় না থাকে। 

ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির রিপোর্টে বলা হয়েছে, ধুলিয়ানে মুদিখানার দোকান, হার্ডওয়ারের দোকান, ইলেক্ট্রিকের দোকান, কাপড়ের দোকান এবং যে সব দোকানে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাওয়া যায় সেইসব দোকানগুলিকে ভেঙ্গে  ধ্বংসস্তূপে পরিণত করা হয়েছিল।  প্রথম আক্রমণটি করা হয়েছিল ১১ই এপ্রিল ধুলিয়ানে দুপুর আড়াইটে নাগাদ। সেদিন ধুলিয়ানের একটি শপিং ম্যলে  ভাংচুর চালানো হয়, সমস্ত জিনিসপত্র লুঠ হয়ে যায় এবং ম্যলটি  বন্ধ করে দেওয়া হয়.।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, দুষ্কৃতীরা দাস পরিবারের বাড়ির প্রধান দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে। তারপর প্রথমে চন্দন দাস (৪০) এবং তারপরেই তার বাবা হরগোবিন্দ দাসকে(৭২) টানতে টানতে বাইরে নিয়ে আসে। তাদেরকে বেধড়ক মারধর করা হয়। তাদের কুড়ুল জাতীয় ধারালো জিনিস দিয়ে ক্রমাগত কুপিয়ে যাওয়া হয়। যতক্ষণ না তাদের মৃত্যু হচ্ছে ততক্ষন একজন দাঁড়িয়ে থাকে ঘটনাস্থলে। 

ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটিতে সদস্য হিসেবে ছিলেন যোগিন্দর সিং, রেজিস্ট্রার (আইন) জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, সত্য অর্ণব ঘোষাল, সদস্য সম্পাদক, ওয়েস্ট বেঙ্গল লিগ্যাল সার্ভিস অথরিটি এবং সুগত চক্রবর্তী ওয়েস্ট বেঙ্গল জুডিশিয়াল সার্ভিসের রেজিস্ট্রার। এঁদেরকে নিয়েই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গড়ে দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। 


Loading

পুরুলিয়ার জয়চন্ডী পাহাড়ে অমৃত ভারত রেল স্টেশনের উদ্বোধন করবেন মোদী 

আজ খবর (বাংলা),  [রাজ্য], নতুন দিল্লী, ভারত, ০/০৫/২০২৫ : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আগামী ২২ মে, ২০২৫-এ (বৃহস্পতিবার) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের জয়চণ্ডী পাহাড় স্টেশন (পুরুলিয়া)- সহ ১০৩টি অমৃত ভারত স্টেশনের উদ্বোধন করবেন। একই দিনে পশ্চিমবঙ্গের পানাগড় এবং কল্যাণী ঘোষপাড়া রেলস্টেশনও প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন। অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের অধীনে পশ্চিমবঙ্গের মোট ১০০টি স্টেশনকে নতুন রূপ দেওয়ার  কাজ চলছে।

অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের অধীনে রেলস্টেশনগুলির পুনর্গঠন এই অঞ্চলের রেল পরিকাঠামোকে আধুনিক করে তোলার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। যাত্রী সুবিধা ও প্রবেশযোগ্যতা বাড়ানো এবং টেকসই নকশার ব্যবস্থা করায় এই উন্নয়ন শুধুমাত্র যাত্রার অভিজ্ঞতাই উন্নত করবে না, এই অঞ্চলের অর্থনীতিতেও যথেষ্ট অবদান রাখবে।

পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলার আদ্রা ডিভিশনের জয়চণ্ডী পাহাড় স্টেশন যাত্রী ও মালবাহী পরিবহনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এই স্টেশনের পুনর্গঠন অভূতপূর্ব সময়ে সম্পন্ন হয়েছে, যাতে যাত্রীদের উন্নত পরিষেবা প্রদান করা যায়।

জয়চণ্ডী পাহাড় স্টেশনে আধুনিক সুযোগ-সুবিধার যেমন লিফট, সৌন্দর্যায়নের প্রয়োজনে মধুবনী চিত্র স্টেশনের  হলঘরে, বিশ্রামাগার, ডরমিটরি, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির অপেক্ষাকক্ষ,  টাইল-ব্যবহারে প্ল্যাটফর্ম মেঝের উন্নয়ন, ইত্যাদি সংযুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি, প্রতিবন্ধীদের জন্য র‍্যাম্প, পানীয় জলের বুথ ও শৌচাগার, মোরামসযুক্ত গাড়ি রাখার জায়গা, প্রতিবন্ধীদের জন্য বুকিং কাউন্টার, স্টেশন ও আশপাশের এলাকার উন্নয়ন, মূল প্রবেশপথে রাস্তা সংস্কার এবং গাড়ি রাখার এলাকায় রাস্তা প্রশস্ত করার কাজও সম্পন্ন হয়েছে।

পরিকাঠামোগত উন্নয়নের এই কাজগুলি প্রদর্শনের জন্য জয়চণ্ডী পাহাড় স্টেশনে একটি মিডিয়া ট্যুরেরও আয়োজন করা হয় সম্প্রতি। ছাপা ও বৈদ্যুতিন সংবাদ মাধ্যম, রেলপ্রেমী ও সামাজিক মাধ্যমের প্রভাবশালীরা নতুন স্টেশনটি পরিদর্শন করেন। এই পরিদর্শনের সময় সংবাদপত্রের প্রতিনিধিদের স্টেশনের বিভিন্ন সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়।


Loading

congtogel

slot gacor

link slot gacor

slot

hartacuan

slot

slot gacor

slot gacor

slot gacor

situs slot toto

playaja

hartacuan

slot gacor

situs slot gacor

link slot online

slot gacor

link slot gacor

slot bet 200

slot dana

slot online

slot gacor

slot777

slot deposit pulsa

situs gacor resmi

link slot gacor

slot gacor

slot gacor

slot toto

link slot

slot

slot

situs slot

slot gacor

login congtogel

situs togel

togel online

slot wdyuk

congtogel

bandar togel

hartacuan

congtogel

slot gacor

slot gacor

slot gacor

londonslot link alternatif

slot gacor

wdyuk

togel online

togel online

situs toto

indosloto

situs toto

watitoto

congtogel

congtogel

danatoto

slot gacor