আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৬/০৭/২০২৬ : গত পরশুদিন কলকাতা শহরে সাংবাদিকদের ওপর যে আক্রমণ নেমে এসেছিল, তারপর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কথা দিয়েছিলেন যে কাউকে রেয়াত করা হবে না। সেইমত সিসিটিভি দেখে চিহ্নিত করে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গত ২৪ তারিখে ছাত্রছাত্রীদের মিছিলে বহিরাগতরা মিশে ছিল , তারাই সেদিন ভারত বিরোধী স্লোগান দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিধানসভাতেও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এর উল্লেখ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “কোনো অপরাধীকে ছাড়া হবে না। ” এরপর পুলিশ ঐ এলাকার বিভিন্ন সিসিটিভি এবং সাংবাদিকদের হাতে থাকা ক্যামেটের ফুটেজ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
কলকাতা পুলিশের এডিশনাল কমিশনার কুনাল আগরওয়াল বলেছেন, “সেদিন এই ১১জন দুষ্কৃতী মিছিলের সাথে মিশে ছিল, এরাই সেদিন গুন্ডামি করেছে এবং সংবাদ মাধ্যমকে আক্রমণ করেছে। সাংবাদিকদের মারধর করেছে। ক্যামেরাগুলিকে ভেঙেছে। এরা কেউ ছাত্র নয়। মিছিলের সাথে এদের কোনো সম্পর্ক নেই। “
সেদিন সাংবাদিকদের ওপর এই দুস্কৃতরা বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছিল। পুরুষদের পাশাপাশি মহিলা সাংবাদিকদেরকেও রাস্তায় ফেলে পিটিয়েছিল। একের পর এক ক্যামেরা এবং মোবাইল ফোন ভেঙে দিয়েছিল। একটি ক্যামেরার ভিতরে জল ঢেলে নষ্ট করে দিয়েছিল। সাংবাদিকদের মধ্যে দুজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। সাংবাদিকদের ওপর এই নারকীয় আক্রমণের তীব্র নিন্দা করে “আজ খবর”।
রাম মোহন লাইব্রেরির তিনতলায় সাংবাদিকদের এই সম্মেলনে প্রচুর সাংবাদিক উপস্থিত হয়েছিলেন। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা এমনকি উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকেও এসেছিলেন সাংবাদিকরা। এদিন গান, কবিতা এবং নাচে মেতে ওঠে বর্ণাঢ্য এই সান্ধ্যকালীন অনুষ্ঠান। সাংবাদিকদের এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবী, বড় ও ছোট পর্দার , অভিনেতা ও অভিনেত্রীরা। তাঁরাই এদিন অনুষ্ঠানে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেন। উদ্বোধন সঙ্গীত পরিবেশন করেন সাংবাদিকরাই।
এদিন আলোচনায় উঠে আসে কিভাবে কড়া চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করে সাংবাদিকরা দেশের গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভকে সযত্নে রক্ষা করে চলেছেন। কিভাবে ডিজিটাল মিডিয়ার সাংবাদিকরা প্রশাসনকে গ্রেপ্তারির ভ্রুকুটি উপেক্ষা করেও শিরদাঁড়া সোজা রেখে দিনের পর দিন কাজ করে চলেছেন। এদিন সাংবাদিকরা একে অপরের পাশে থেকে সাংবাদিকদের অধিকার ও আত্মসন্মান বজায় রেখে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে বেশ কিছু সাংবাদিককে তাঁদের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে সম্মানিত করা হয়. তাঁদের হাতে স্মারক তুলে দেওয়া হয়। আজ খবর এর কর্ণধার অরিন্দম নন্দীকেও সম্মানিত করা হয় ঐ অনুষ্ঠানে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ১৭/০৭/২০২৬ : ভারত ও ব্রিটেনের মধ্যে কার্যকর হওয়া মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (Free Trade Agreement বা FTA)-র ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন দিগন্ত খুলে গেল পশ্চিমবঙ্গের কৃষি ও শিল্পপণ্যের জন্য। চুক্তির প্রথম দিনেই কলকাতা বন্দর ও বিমানবন্দর হয়ে প্রায় ২৮ কোটি টাকার পণ্য ব্রিটেনে রপ্তানি করা হয়েছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে।
প্রথম চালানেই পাঠানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী পণ্য—কচু, হিমসাগর ও ল্যাংড়া আম, কাঁঠাল, পান পাতা, বিশ্ববিখ্যাত দার্জিলিং চা এবং সোনার ও কস্টিউম গয়না। ইউরোপের বাজারে এই পণ্যগুলির চাহিদা দীর্ঘদিন ধরেই রয়েছে, তবে নতুন বাণিজ্য চুক্তির ফলে শুল্ক ছাড় ও সহজতর রপ্তানি প্রক্রিয়ার কারণে ব্যবসায়ীরা আরও বেশি সুবিধা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
Ladies Umbrella @ Rs. 699/- @599/- [Click on the image]
রপ্তানিকারক সংস্থাগুলির মতে, পশ্চিমবঙ্গের কৃষিপণ্য এখন শুধু দেশের বাজারেই সীমাবদ্ধ নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। বিশেষ করে দার্জিলিং চা ও বাংলার আমের জন্য ব্রিটিশ বাজারে আলাদা আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি পান পাতা ও কাঁঠালের মতো পণ্যও ভারতীয় প্রবাসী ও দক্ষিণ এশীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে যথেষ্ট চাহিদাসম্পন্ন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই চুক্তির ফলে রাজ্যের কৃষক, চা শিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং গয়না প্রস্তুতকারকরা সরাসরি লাভবান হবেন। রপ্তানি বাড়লে কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পাওয়ার সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পাবে এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
বিশ্ববাজারে পশ্চিমবঙ্গের পণ্যের পরিচিতি যেভাবে বাড়ছে, তা রাজ্যের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক বার্তা। কেন্দ্রের বাণিজ্য নীতি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের উদ্যোগে এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে বলে অনেকেই মনে করছেন।
বিশ্বমঞ্চে বাংলার পণ্যের এই অগ্রযাত্রা নিঃসন্দেহে গর্বের বিষয়। ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে .
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], বারুইপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগণা , ০৮/০৭/২০২৬ : বারুইপুর ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের অন্যতম মূল অপরাধী প্রভাস মন্ডলকে এনকাউন্টার করল পুলিশ। পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে সে গুলি চালিয়ে পালতে গিয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে, তখনই পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ।
মধ্যরাতে জেরা পর্বের পর বারুইপুর সূর্যপুর স্টেশনের কাছে যেখানে নাবালিকাকে ধর্ষণ ও হত্যার মত ঘটনা ঘটেছিল, সেই জায়গায় ঘটনা ঠিক কিভাবে ঘটেছিল তা পুনর্নির্মাণ করতে নিয়ে যাওয়া হয় প্রভাস মন্ডলকে। সেখানেই পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে পালতে চেষ্টা করে প্রভাস। সে ঐ বন্দুক থেকে গুলিও চালায়। এরপরেই এনকাউন্টার করে পুলিশ। আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করে।
আইনের শাসন ঠিক কেমন হয় তাবাস্তবে করে দেখালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে তিনি সর্বোচ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করার কথা বলেছিলেন আগেই। এই ধরনের অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করতে প্রস্তুত হয়েই আছেন তিনি। প্রভাস মণ্ডলের মৃতদেহ গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন তার মা।
আজ খবর (বাংলা) রাজ্য, বারুইপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগণা , ০৭/০৭/২০২৬ : বারুইপুরের ঘটনায় জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে চলবে রাজ্য সরকার। ঐ ঘটনায় কাউকে রেয়াত করা হবে না বলে ফের একবার সাফ জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
রাজ্যে আইন শৃঙ্খলা রক্ষার ব্যাপারে রাজ্য সরকার যে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে চলবে তা মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরেই জানিয়ে দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই কারণেই আর জি কর হাসপাতালে অভয়া কাণ্ডের তদন্ত নতুন করে শুরু করতে গিয়ে উচ্চ পদস্থ তিন পুলিশ কর্তাদেরকে সাসপেন্ড করে দিয়েছিলেন তিনি।
আজ বারুইপুর কাণ্ডে দক্ষিণ ২৪ পরগনার পুলিশ সুপারের সাথে গুরুত্ত্বপূর্ণ বৈঠক সেরে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বারুইপুর ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করছেন রাজ্যের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা নিজেই। তাঁকে ৭২ ঘন্টার মধ্যে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। সেই রিপোর্ট মত পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্য সরকার। শুভেন্দু অধিকারী আজ বলেন, “কাউকে রেয়াত করা হবে না। কাউকে ছেড়ে কথা বলা হবে না। এমনকি যদি দেখা যায় এই ধরনের ঘটনায় প্রশাসনের কারোর বিন্দুমাত্র গাফিলতি আছে, তাহলে তাকেও ছেড়ে দেওয়া হবে না। আজকের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি, বাম, তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক সাংসদেরা। ছিলেন রুপা গাঙ্গুলি, প্রাক্তন স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়নী ঘোষরা।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “বারুপুরের ঘটনার পরেই ইন্দ্রাজিতমণ্ডল নামে যাকে গণপিটুনি দিয়ে মেরে ফেলা হয়েছিল , পুলিশ জানিয়েছে সে ছিল নির্দোষ। যারা সেদিন অশান্তি করেছিল, পুলিশকে আক্রমণ করেছিল, রেললাইন উপড়ে দিয়েছিল, পুলিশের গাড়ি ভাংচুর করেছিল, সেরকম ২০০জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে এদের প্রত্যেককেই গ্রেপ্তার করা হবে। ের বিচ্ছিন্নবাদী হতেও পারে। মিডিয়া এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় নাম কেনার জন্যে সেদিন যারা পিছন থেকে উস্কানি দিয়েছিল, তাদের কাউকেই ছাড়া হবে না। এই ধরনের ঘটনা যাতে ভবিষ্যতে আর না ঘটে তা নিশ্চিত করতে রাজ্যের সব থানার ওসি এবং আইসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য ] বারুইপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগণা , ০৬/০৭/২০২৬ : বারুইপুরে নাবালিকাকে ধ*র্ষণ করে খুন করা হয়েছিল, ময়না তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে সেই তথ্যই উঠে আসছে। এদিকে আজ বারুইপুরে পৌঁছে গিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধি দল।
বারুইপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় আজ আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই নিয়ে এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হল। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, ” কাউকে ছাড়া হবে না, অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে।
নির্যাতিতার পরিবারের সাথেও তিনি নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। পুলিশ অধিকারিকরাও ঐ পরিবারের সাথে যোগাযোগ রাখছেন।
এদিকে আজ নাবালিকার মর্মান্তিক মৃত্যুর ময়না তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট এসেছে, যে রিপোর্টে বলা হয়েছে ‘জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছিল ঐ নাবালিকার’। নাবালিকার যৌনাঙ্গে বেশ কিছু ক্ষত চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে অর্থাৎ তাকে গণ ধ*র্ষণ করা হয়েছিল। ক্ষতচিহ্ন পাওয়া গিয়েছে গলায় এবং ভাৱি কিছু দিয়ে মাথায় তার আঘাত করা হয়েছিল। এরপর তাকে জলে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ জলে ফেলে দেওয়ার সময়ও তার দেহে প্রাণ ছিল। এই নৃশংস গণ ধ*র্ষণ ও হত্যাকাণ্ডে স্তম্ভিত গোটা রাজ্যের মানুষ।
এদিকে আজ বারুইপুরে নির্যাতিতার পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলেন দোলা সেন, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূল কংগ্রেসের পাঁচ প্রতিনিধি দল।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৬/০৭/২০২৬ : শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির জন্মদিন উপলক্ষে আজ সরকারি ছুটি দিল রাজ্য সরকার। ইকো পার্কে বসতে চলেছে শ্যামাপ্রসাদের বৃহৎ মূর্তি।
ভারতীয় জন সংঘের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি। রাজ্যে ক্ষমতায় এসে প্রথমবার তাঁর জন্মদিবস পালন করছে ভারতীয় জনতা পার্টি। আজ রাজ্যের সর্বত্রপালিত হবে শ্যামাপ্রসাদের জন্মদিন। কলকাতার ইকো পার্কে যেখানটায় বড় একটা ঝিল আছে, সম্ভবত তার পাশেই স্থাপিত হবে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির ১২৫ ফুট উঁচু একটি মূর্তি। এই মূর্তি যেখানে বসানো হবে আজ সেখানে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করতে দিল্লী থেকে উড়ে আসছেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আজ শ্যামাপ্রসাদের বসতবাড়িতেও যেতে পারেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আজ ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলীয়া ও নিউজিল্যান্ড সফরে যাত্রা করার আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও স্মরণ করেছেন শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জিকে।
রাজ্যের বিভিন্ন = জায়গায় শ্যামাপ্রসাদের জন্মদিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠান পালন করা হচ্ছে। শিলিগুড়ির মাল্লাগুড়িতে বিজেপি দপ্তরে আজ একটি অনুষ্ঠান পালন করা হবে এবং শ্যামাপ্রসাদের মূর্তিতে মাল্যদান করা হবে। এই প্রথম শ্যামাপ্রসাদের জন্মদিবসে সরকারি ছুটি দিয়েছে রাজ্য সরকার।
আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৫/০৭/২০২৬ : রাজ্যের চা বাগান শ্রমিকদের জন্যে উন্নয়ন প্রকল্প ঘোষণা করলো রাজ্য সরকার।
ভোটের আগে উত্তরবঙ্গে প্রচারে গিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব কথা দিয়েছিল যে চা বাগান শ্রমিকদের উন্নয়ন কল্পে কাজ করবে রাজ্য সরকার। চা বাগান শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তা প্রদান করা হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছিলেন “চা বাগান শ্রমিকদের” জমির পাট্টা দান করা হবে।” ভোটে জিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও দার্জিলিং সফর করে চা বাগান শ্রমিকদের উন্নয়নের কথা ঘোষণা করেছিলেন। এবার সেই প্রকল্প বাস্তবের মুখ দেখতে চলেছে। চা বাগান শ্রমিকদের জন্যে প্রধানমন্ত্রী উন্নয়ন চা শ্রমিক প্রকল্প ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ” উত্তরবঙ্গের চা শ্রমিকদের ক্রমাগত এবং মসৃন উন্নয়নের জন্যে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। এই পদক্ষেপ এমন হবে যাতে বাস্তবে চা শ্রমিকদের উন্নয়ন হয়। তাঁরা যাতে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা নিরাপত্তাটুকু পান, এই কারনে আমরা শুরু করেছি প্রধানমন্ত্রী চা শ্রমিক প্রোৎসহোন যোজনা। এই প্রকল্পের জন্যে ৩১৩কোটি ৩০ লক্ষ্য টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। শ্রমিকদের শিক্ষা খাতে ১৭৭ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য উন্নয়ন খাতে খরচ করা হবে ৭২ কোটি টাকা। এছাড়াও ৬৩ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে গৃহহীন শ্রমিকদের আশ্রয়ের জন্যে, তৈরী করা হবে বেশ কিছু শেড। শ্রমিকদের উন্নয়ন প্যাকেজ পরিকল্পনা ও তা রূপায়ণ করার জন্যে একটি আলাদা কমিটি গঠন করা হচ্ছে।
আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ০২/০৬/২০২৬ : রাজ্যে তৃণমূল কর্মীদের ওপর ডিম্ থেরাপির নিন্দা করলো কলকাতা হাইকোর্ট, উচ্চ আদালতের বক্তব্যে খুশি তৃণমূল নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
কল্যাণ ব্যানার্জিরা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করে বলেছেন, “বিভিন্ন ধারায় তৃণমূল নেতা কর্মীদের পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়ার সময় তাদেরকে অন্যায়ভাবে অন্তর্বাস ও গেঞ্জি পরিয়ে জনসমক্ষে হাঁটতে বাধ্য করছে। জনসাধারণের সামনে কান ধরতে বাধ্য করছে, নাকে ক্ষত দেওয়াচ্ছে। বিজেপি কর্মীরা তাঁদেরকে লক্ষ্য করে ডিম ছুঁড়ে মারছে, গোবর লেপে দিচ্ছে। এই ধরনের ঘটনা অনভিপ্রেত। আইনের তো”য়াক্কা না করেই এই ধরনের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। এই ধরনের ঘটনায় মানবাধিকার লংঘিত হচ্ছে।”
কল্যাণ ব্যানার্জির এই আবেদনে সাড়া দিয়ে কলকাতা হাইকোর্ট আজ একটি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। প্রত্যেক থানাকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, “এভাবে অভিযুক্তকে ডিম ছুঁড়ে মারা যায় না। এটা অন্যায় হচ্ছে।” হাইকোর্টের এই বক্তব্যকে হাসিমুখে স্বাগত জানিয়েছেন আইনজীবী কল্যাণ ব্যানার্জি। রাজ্য সরকারকে হাইকোর্ট সতর্ক করে জানিয়েছে, “গ্রেপ্তারির ব্যাপারে সঠিক গাইডলাইন মেনে চলুন।”
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা ,পশ্চিমবঙ্গ, ০১/০৭/২০২৬ : রাজ্যে বিজেপি সরকার আসার পর আজ থেকেই চালু হয়ে গেলো “জি রাম জি” প্রকল্পের ১২৫ দিনের কাজ।
ভোটের আগে থেকেই মোদীর গ্যারান্টি ছিল, রাজ্যের শ্রমিকরা ১০০ দিনের পরিবর্তে ১২৫ দিন কাজ পাবেন। সেই গ্যারান্টি অনুযায়ী রাজ্যে ১২৫ দিনের কাজ চালু হয়ে গেল আজ থেকেই। এই প্রকল্প জি রাম জি নামেই পরিচিত হল। এবার থেকে শ্রমিকদের মজুরি ৭ থেকে ১৫ দিনের মধ্যেই সরাসরি তাঁদের ব্যাংক একাউন্টে পৌঁছে যাবে।
শ্রমিকদের মজুরি সরাসরি তাঁদের একাউন্টে পৌঁছে যাওয়ার ফলে মাঝখানে কেউ কাটমানি নিতে পারবে না। আর এই প্রকল্পে যাতে কোনো রকম দুর্নীতির জায়গা তৈরী না হয়, সেটা মনিটর করার জন্যে আগে থেকেই একটা কমিটি তৈরী করে দেওয়া হচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের ২ কোটি ৫৬ লক্ষ জব কার্ড হোল্ডার মানুষ উপকৃত হবেন। এই প্রকল্পের জন্যে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার ৬০:৪০ অনুপাতে অর্থ বরাদ্দ করেছে। কেন্দ্র সরকার দিচ্ছে ৮,৫০৮ কোটি টাকা এবং রাজ্য সরকার দিচ্ছে ৫,৬৭২ কোটি টাকা। আজ থেকেই রাজ্যে চালু হয়ে গেল জি রাম জি প্রকল্প।