আইন কলেজে গনধর্ষন মামলায় পুলিশ এখনো পর্যন্ত যা কিছু করেছে, তা যথেষ্ট প্রশংসা কুড়িয়েছে। মানুষ তাকিয়ে আছে বাকিটুকুর দিকে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ৩০/০৬/০২০২৫ : কলকাতা আইন কলেজে গণধর্ষণের ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে অভিযুক্তদেরকে শাস্তি দেওয়ার জোরালো আশ্বাস দিল কলকাতা পুলিশ।
ধর্ষণের ঘটনা ঘটে যাওয়ার ১২ ঘন্টার মধ্যেই মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং চতুর্থ অভিযুক্তকেও গতকাল গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ফরেনসিক দল ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এসেছে। অভিযুক্ত এবং অভিযোগকারিণী দুজনেরই মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। অভিযুক্তদেরকে ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে ঘটনা কিভাবে ঘটেছিল তা পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। অভিযুক্তদের ব্যবহৃত পোশাক ও মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
অভিযুক্তদের জেরা পর্ব এখনও চলছে। সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। আপাতত ওই কলেজটিকে বন্ধ রাখা হয়েছে। অপরাধীদের যত দ্রুত সম্ভব কঠোরতম আইনি বিচারের মাধ্যমে শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে বদ্ধ পরিকর রয়েছে কলকাতা পুলিশ। আইনজীবীরা মনে করছেন এই ঘটনা গণধর্ষণের মত অপরাধের আওতায় পরে এবং এর জন্যে সর্বোচ্য ২০ বছরের জেল কিংবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।
নবনীরের বাসিন্দাদের দিঘা জগন্নাথ দর্শনের আশ্বাস, অন্যদিকে শহর কাঁপালো আইন কলেজে নির্যাতনের অভিযোগ।
নবনীরে প্রসাদ বিতরণ করছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য]কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৮/০৬/২০২৫ : মুখ্যমন্ত্রীর খুব স্নেহের নবনীর বৃদ্ধাশ্রম। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রথ যাত্রার দিন চেতলায় অবস্থিত বৃদ্ধাশ্রম নবনীরে আসে দিঘা জগন্নাথ ধামের প্রসাদ।
সেই মহাপ্রসাদ আবাসিকদের হাতে তুলে দিলেন পুর ও নগর উন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী ও মেয়র ফিরহাদ হাকিম। আবাসিক দের আদর করে তাঁদের হাতে প্রসাদ দিলেন তিনি। এছাড়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে তাঁদেরকে দিঘা জগন্নাথ মন্দিরের দর্শন করতে নিয়ে যাওয়ার কথাও আবাসিকদের জানালেন তিনি। তিনি জানান যে, মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছিলেন যে নবনীরের আবাসিক দের হাতে জগন্নাথ ধামের প্রসাদ বিতরণ করতে। একই ভাবে অনেক কাউন্সিলররা তাঁদের নিজেদের ওয়ার্ডগুলিতে প্রসাদ বিলি করেছেন।
ফিরহাদ হাকিম জানান যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চেয়েছেন যে নবনীরের আবাসিকদের দিঘা জগন্নাথ মন্দিরের দর্শন করাতে, সেখানে তাঁদেরকে আবাসিকদের নিয়ে আসতে। তাই তিনি সবাইকে বলে দিয়েছেন যে যারা সুস্থ আছেন বা যেতে পারবেন, তাঁদেরকে লাক্সারি বাস করে দিঘা জগন্নাথ মন্দির নিয়ে যাওয়া হবে।
আজ রথযাত্রা হলেও সারাদিন খবরের সব গুরুত্বটুকু কেড়ে নিয়েছিল আইন কলেজে গণধর্ষণের ন্যক্কারজনক একটি ঘটনা। যদিও এদিন কলেজের মধ্যে গণধর্ষণ নিয়ে ফিরহাদ হাকিম জানান যে “এটা খুবই নিন্দজনক ঘটনা। পুলিশ নিশ্চয়ই কঠোর ব্যবস্থা নেবে।” যদিও এই বিষয়ে বিশদে তিনি কিছু জানেন না। এই ব্যাপারে তিনি সবটা জেনে নিয়ে তারপরেই কিছু বলতে পারবেন।
আজ শহর কাঁপলো একটি ন্যক্করজনক ঘটনার জন্যে। ঘটনাটি অবশ্য বুধবার সন্ধ্যেবেলায় ঘটেছে, তবে প্রকাশ্যে এসেছে আজ। বুধবার সন্ধ্যেবেলায় এক টিএমসিপি নেতা কসবা আইন কলেজের এক ছাত্রীকে আরও দুইজনের সাহায্যে গণধর্ষণ করে। ঐ নেতা ঐ কলেজেরই প্রাক্তন ছাত্র। মেয়েটিকে ভয় দেখানোও হয়, তার নগ্ন ছবি ভিডিও করে রাখা হয়। কিন্তু তা সত্বেও কোনো বাধা না মেনে মেয়েটি থানায় এফআইআর করে। পুলিশ তিনজনকেই গ্রেপ্তার করেছে। গোটা ঘটনাটি নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় হয়ে গিয়েছে। তৃণমূলের দিকে তোপ দেগেছে বিজেপি। থানা ঘেরাও করেছে। ধস্তাধস্তি হয়েছে পুলিশ ও অবরোধকারীদের মধ্যে। অভয়া কাণ্ডের পর ফের একই ধরনের ঘটনা ঘটায় অস্বস্তিতে রাজ্য সরকার।
আইন কলেজের মধ্যেই বেআইনি কাজকর্ম। এই ঘটনায় বিজেপি দুষছে তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারকে। তারা বলছে এই ঘটনায় এক তৃণমূল সদস্য জড়িত আছে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৭/০৬/২০২৫ : কলকাতার একটি আইন কলেজের মধ্যে গণ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। কলকাতার কসবা ল’ কলেজে ওই কলেজেরই এক ছাত্রীর ওপর গণ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার ২৪ ঘন্টার অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার রাতে। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার পরে. কলেজের এক ছাত্রীকে তিনজন মাইল গণ*ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তেরা হয় ঐ কলেজেরই প্রাক্তন ছাত্র অথবা ঐ কলেজের স্টাফ সদস্য বলে জানা গিয়েছে। অভিযুক্তদের নাম মনোজিৎ মিশ্র (৩১), জায়েয আহমেদ (১৯) ও প্রমিত মুখোপাধ্যায় (২০). এই তিন জনের মধ্যে বৃহস্পতিবার দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তৃতীয় জনকে আজ গ্রেপ্তার করা হয়েছে.
তিন অভিযুক্তকে হাজির করা হয়েছিল। পুলিশ এদেরকে নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়েছে। মেয়েটিটর চিকিৎসা চলছে একটি হাসপাতালে।
এই ভয়ঙ্কর বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে বিজেপি। পদ্ম নেতা অমিত মালব্য বলেন,”আর জি কর হাসপাতালের ঘটনা এখনো ফিকে হয়ে একটা ঘটনা ঘটে গেল. পশ্চিমবাংলায় এতটাই উন্নয়ন হচ্ছে যে এই ধরনের ঘটনা প্রায়ই থাকছে। অভিজ্যুক্তদের সাথে একজন তৃণমূল সদস্যও ছিল বলে আমরা জানতে পারছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনকালে পশ্চিমবঙ্গ মহিলাদের জন্যে ত্রাস এবং আতঙ্কে পরিণত হয়েছে।”
নদীপাড়ে ভাঙ্গন শুরু হলে চাষবাসের ব্যাপক ক্ষতি হয়. ধূপগুড়ির কাছে নানাই নদী নিয়ে একাধিক দাবিদাওয়া রয়েছে এলাকার গ্রামবাসীদের।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], ধূপগুড়ি, জলপাইগুড়ি, ২৫/০৬/২০২৫ : নিজস্ব সংবাদদাতা : উত্তরে সেভাবে এখনো বর্ষা নামেনি। তার আগেই যেভাবে রাতভর বৃষ্টি ও তারপরে প্রখর রোদে গোটা দিন কাটছে। এতেই নদীর পাড় ভাঙ্গন দেখা দিচ্ছে বিভিন্ন এলাকায়। জলপাইগুড়ি জেলার ধুপগুড়ি ব্লকের নানাই নদী একের পর এক গিলে খাচ্ছে বসতবাড়ি, কৃষি জমি। আর তাতেই রাতের ঘুম কেড়েছে এলাকাবাসীর।
উত্তর খট্টিমারি ডুয়ার্সের বনজঙ্গল লাগোয়া একটি ছোট্ট গ্রাম। কৃষিকাজি একমাত্র ভরসা এই গ্রামের মানুষ জনের। অত্যন্ত উর্বর ত্রিফসলা কৃষি জমির কারণে কৃষি কাজে ব্যাপক ফুলে ফেঁপে ওঠে এই এলাকার মানুষ। কিন্তু গোদের উপর বিষফোড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে নানাই নদীর ভাঙ্গন। বিগত কয়েক বছর ধরে বিঘার পর বিঘা জমি নদীর তলায়। ভাঙ্গনের ফলে নদী গতিপথ পরিবর্তন করে বসতবাড়ির সামনে দিয়ে বইতে চলেছে। গত কয়েক সপ্তাহের বৃষ্টিতে নতুন করে ভাঙ্গন সৃষ্টি হয়েছে নদীতে। এই মুহূর্তে পাট চাষে লাভের আশা দেখছে কৃষকেরা। আর সেই পাট খেতের জমিও এই নানাই নদীর বক্ষে চলে যেতে বসেছে। আতঙ্কে কৃষকের গোটা পরিবার।
অভিযোগ একাধিকবার স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য থেকে গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান এমনকি ব্লক তরেও তাদের এই সমস্যার কথা তুলে ধরা হয়। প্রত্যেক বছর ভোটের আগে স্থানীয় বিধায়ক থেকে শুরু করে ইরিগেশন দপ্তরের একাধিক আধিকারিক নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় আসেন, পরিদর্শন করেন, প্রতিশ্রুতি দেন আর ভোট মিটে গেলেই আরও সেই চেনা ছবি দেখতে হয় এই এলাকার মানুষকে। কার্যত আসন্ন ২৬ এর নির্বাচনে ভোট বয়কট না করে, গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়েছেন তাদের এই জলজ্যান্ত সমস্যার সমাধান যে রাজনৈতিক দলের দ্বারা সুরাহার পথ দেখাবে, এবারের ভোট তাদের জন্যই হবে।
শুধু নদী ভাঙ্গন নয় পাশাপাশি এই নানাই নদীর উপর ব্রিজের দাবিও রয়েছে এলাকাবাসীর। গত কয়েক মাস আগে গ্রামবাসীরা নিজেরাই বাঁশ দিয়ে নানাই নদীর উপর বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেছিলেন। এবারের বর্ষার আগেই নদীতে জল বাড়তেই সেই বাঁশের সাঁকো ভেসে গিয়েছে। বর্তমানে গ্রামবাসীরা এক বুক জল দিয়েই বিপদজনকভাবে পারাপার করছেন। একটি স্থায়ী ব্রিজের দাবিও তারা রেখেছেন।
এর পাশাপাশি এই গ্রামের মধ্যেই রয়েছে বর্গির কুড়ায় হিন্দুদের একটি ধর্মীয় স্থান। যেখানে বছরের বিভিন্ন সময়ে গোটা গ্রামের মানুষ একত্রিত হয়ে বিভিন্ন পূজা করেন। ধর্মীয় উৎসবে মেতে উঠেন। সেই বর্গির কুড়ার গোটা মন্দিরটি নানাই নদীর গর্ভে চলে যাবে বলেই আতঙ্কিত রয়েছেন এই এলাকার বাসিন্দারা।
এদিকে গোটা গ্রামের এত বড় সমস্যা থাকার পরেও স্থানীয় তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ। পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়িতে আমরা গেলে তিনি কোনরূপ মন্তব্য করতে চাননি বরঞ্চ দায়িত্বে তিনি থাকলেও তার হাজবেন্ডকে দেখিয়ে দিয়েছিলেন।
এদিকে আবার গোটা বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন ধুপগুড়ি গ্রামীণ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মলয় কুমার রায়। তবে ইতিমধ্যেই প্রশাসনের তরফে সমস্যার সমাধানের আবেদন জানানো হয়েছে বলে দাবি। যতটা দ্রুত সম্ভব এই সমস্যার নিবারণ করবে বলেই জানানো হয়।
তবে শাসকদলের স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য থেকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব মহন্ত কুমার রায়। জলপাইগুড়ি বিজেপি বিধায়ক ডক্টর জয়ন্ত কুমার রায়কে গোটা বিষয়টি জানিয়ে দ্রুত স্থায়ী বাধ নির্মাণের কথা তুলে ধরেছেন বিজেপি।
বহু মানুষ অনেক চেয়ে চিন্তেও আবাস যোজনার ঘর পাচ্ছেন না, আবার কেউ আবাস যোজনায় ঘর পেয়ে তা থেকে ব্যবসা করে চলেছেন।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], শান্তিপুর, নদীয়া, ২৫/০৬/২০২৫ : নিজস্ব সংবাদদাতা : সরকারি আবাস যোজনার ঘরে মানুষ থাকেন না কেউ ! চলছে কন্ট্রাক্টরির রমরমা ব্যবসা। অভিযুক্ত স্থানীয় তৃণমূল নেতা তথা শান্তিপুর পৌরসভার পৌর কর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনায় শাসকদলকে তোপ বিজেপি সাংসদের।
বাড়ি ঘর যতই থাক শাসক দলের কর্মকর্তা হিসাবেই হোক কিংবা পৌর কর্মচারী, ভাগ নেওয়াটাই যেন অধিকার । আর তাইতো সরকারি আবাস যোজনার ঘরে মানুষ থাকার লোক না থাকলেও গোডাউন ভাড়ার মোটা টাকা আসছে প্রতি মাসে। অথচ একই ওয়ার্ডে কত মানুষ এখনো পর্যন্ত রয়েছেন সরকারি এই প্রকল্প থেকে বঞ্চিত।
বেনজির এবং চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি নদীয়ার শান্তিপুর সুত্রাগড় কুড়ি নম্বর ওয়ার্ডের বিসি রায় রোড সংলগ্ন এলাকায়। অভিযোগ সেখানকার বাসিন্দা রাজু ঘোষ দীর্ঘদিন ধরেই কুড়ি নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল নেতা হিসেবে পরিচিত। পৌর কর্মচারী হিসেবে কাজ করেন শান্তিপুর পৌরসভায়। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিসি রায় রোড রাস্তার পাশে পড়ে থাকা জমিতে ২০১৮ সালে সরকারি আবাস যোজনা তালিকায় নিজের নাম পাকাপাকিভাবে অন্তর্ভুক্ত করিয়ে নেন তিনি। কিন্তু নিজেদের দু’দুটো বাড়ি ছেড়ে সরকারি এই আবাস যোজনায় থাকার কোনো প্রশ্নই ওঠে না, তাই পৌরসভারই এক ইঞ্জিনিয়ারের ব্যক্তিগত ইমারতি ব্যবসার জিনিসপত্র রেখে ভাড়া বাবদ পেয়ে থাকেন মোটা টাকা। এমনটাই জানা গেছে এলাকা সূত্রে।
শাসক দল হোক কিংবা বিরোধী অথবা সাধারণ নাগরিকদের গুঞ্জন এই নিয়েই! তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন এই ওয়ার্ডেই কত প্রান্তিক পরিবার রয়েছে যাদের মাথার উপর এখনো ছাদ জোটেনি, দিনের পর দিন তারা আবাস প্রকল্প পেতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন সরকারি এ দপ্তর থেকে ওই দপ্তর। অথচ যাদের প্রয়োজন নেই সেই সমস্ত বৃত্তবান মানুষজন শুধুমাত্র দলের প্রভাব খাটিয়ে কিংবা পৌরসভার চাকরির সুবাদে এভাবে যদি সরকারি আবাস নিয়ে ব্যবসায়িক কাজে ভাড়া দেন, তাহলে সমাজের কাছে কোন বার্তা পৌঁছায় ! রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার নয় কি!
আর এই নিয়েই কটাক্ষ করতে ছাড়েনি রাজ্যের বিরুদ্ধে দল বিজেপি সাংসদ ।
যদিও এ বিষয়ে স্থানীয় কাউন্সিলর শান্তিপুর পৌরসভার বোর্ড অফ কাউন্সিলের মেম্বার শুভজিৎ দে জানান বিষয়টি তার সময়কালের নয়। তবে অবশ্যই নিন্দনীয়।
অন্যদিকে চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষ জানান, অভিযোগ জমা পরলে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত পৌর কর্মচারী এবং এলাকার তৃণমূল নেতৃত্ব রাজু ঘোষ অবশ্য তার বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে জানিয়েছেন, তিনি বলেছেন, পুরসভার সামান্য বেতনে তিনি কাজ করেন, সেক্ষেত্রে পরিবারের খরচ যোগাতে সামান্য অর্থ উপার্জন হয় এমন পড়ে থাকা এই ঘর থেকে সিমেন্ট রাখার ব্যবসা করা অন্যায় কোথায় ! তবে ভাড়া দেওয়ার কথা সম্পূর্ণ মিথ্যা।
তবে আবাস যোজনার প্রাপ্তি স্বীকারের জন্য সরকারি ফলক কিংবা নীল সাদা রং সম্পর্কে বলেন একটি কাগজ লাগানো ছিল দেয়ালে তা হয়তো উঠে গেছে নীল সাদা রং তখন করা হতো না। যদিও এই ব্যবসায়িক ঘর নিয়ে এখন চাঞ্চল্য শান্তিপুরে।
একবিংশ শতাব্দীতেও বর্ণবিদ্বেষের শিকার হয়ে মৃত্যু আদিবাসী নাবালিকার, তুষের আগুনের মতো ক্ষোভ বাড়ছে জনজাতি অধ্যুষিত এলাকায়।
আজ খবর ( বাংলা), [রাজ্য] ক্রান্তি, জলপাইগুড়ি, ২৪/০৬/২০২৫ : নিজস্ব প্রতিনিধি: তরাই আদিবাসী সম্প্রদায়এবং ক্রান্তি ব্লকের বিভিন্ন চা বাগানের আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষদের ডাকে একটি শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয় জলপাইগুড়ি জেলার ক্রান্তি ব্লকের ক্রান্তি বাজার থেকে ক্রান্তি পুলিশ ফাঁড়ি পর্যন্ত। উক্ত পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করে তরাই ডুয়ার্সের বিভিন্ন আদিবাসী সম্প্রদায়ের সংগঠন গুলো।
উল্লেখ্য , গত ১৮ই জুন রাজা ডাঙ্গা পি এম হাই স্কুলের ছাত্রী রিমিকা মুন্ডার অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ জানানো হয় যে ছাত্রীটিকে তার উচু ক্লাসের কিছু দিদি বারবার উত্যক্ত করত গায়ের কালো রং নিয়ে।
বিষয়টি বাড়িতে মা-বাবাকে জানায় সে, তবে সেই বিষয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষকে কোন প্রকার অভিযোগ জানানোর আগেই চরম পরিণতি ঘটে যায় আদিবাসী এই নাবালিকার । এর পরেই প্রতিবাদে গর্জে ওঠেন এলাকাবাসী সহ মৃত ছাত্রীর পরিবার। ইতিমধ্যে তাঁদের পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ ক্রান্তি পুলিশ ফাঁড়ি এবং বিডিও অফিস সহ স্কুল কর্তৃপক্ষকের কাছে জমা পরেছে । রিমিকা মুন্ডার মৃত্যুর ৫ দিন পেরিয়ে গেলেও প্রশাসন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বলে সোমবার একটি পদযাত্রার মধ্য দিয়ে নিজেদের ক্ষোভ উগরে ক্রান্তি থানায় লিখিতভাবে অভিযোগ জমা দেন কয়েকশো জনজাতি গোষ্ঠীর মানুষ।
এই প্রসঙ্গে বিনীতা কুজুর টেটে জানান আমরা আদিবাসী সম্প্রদায়ের লোক দেখতে গায়ের রং কালো তাই বলে আমাদের স্কুল কলেজ অফিসে গায়ের রং নিয়ে কেউ কটুক্তি করবে আমরা সেটি কোনভাবে বরদাস্ত করব না। আমরা আজকে লিখিতভাবে ক্রান্তি থানায় রিমিকা মুন্ডার ন্যায়ের দাবিতে থানায় জানালাম। যদি প্রশাসন অবিলম্বে দোষীদের খুঁজে বের না করে এবং আইনী ভাবে সাজা দেওয়া না হয় আগামী দিনে আমরা আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব।
এছাড়াও এদিনের এই পদযাত্রায় বেশ কয়েকটি বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরাও অংশগ্রহণ করেছে এবং প্রত্যেকের হাতে ছিল “উই ওয়ান্ট জাস্টিস ফর রিমিকা মুন্ডা”।
এছাড়াও অখিল ভারতীয় আদিবাসী বিকাশ পরিষদের সম্পাদক বাবলু মাঝি জানান “এর আগেও রাজাডাঙ্গা পিএম বিদ্যালয়ে এরকমের কটুক্তি করার ঘটনা ঘটেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। তাই আমরা প্রশাসনকে জানাতে চাই অবিলম্বে দোষীদের চিহ্নিতকরণ করে আইনীভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক এবং আগামী দিনে যাতে আবার এ ধরনের দুঃখজনক এবং মর্মান্তিক ঘটনা না ঘটে আমরা তাই আজ তরাই ডুয়ার্সের আদিবাসী সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠন একত্রিত হয়ে ক্রান্তি থানায় পদযাত্রার মধ্য দিয়ে একটি স্মারকলিপি তুলে দিলাম।” পুলিশ প্রশাসন এদিন ক্রান্তি থানার সামনে ব্যারিকেড তৈরি করে আটকে দেয় পদযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের, পরবর্তীতে একটি প্রতিনিধি দল ক্রান্তি পুলিশ ফাঁড়িতে দাবি সম্মিলিত স্মারকলিপি জমা করে।
এছাড়াও মাল বাজার থানাতেও একই দাবীতে জমা করা হয় স্মারক লিপি। গায়ের রং নিয়ে কটুক্তির মতো ঘটনায় ইতিমধ্যেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জেলার বিভিন্ন মহলে , মানবাধিকার সংগঠনের কর্মী থেকে সমাজ বিশ্লেষকদের মতে একবিংশ শতাব্দীতে এমন ঘটনা কখনোই কাম্য হতে পারে না।
সমুদ্রে বাচ্চা মাছগুলিকে বড় হতে দেওয়ার জন্যেই ১৪ তারিখ পর্যন্ত সমুদ্রে মাছ ধরতে অনুমতি দেওয়া হয় নি মৎস্যজীবীদের। ১৫ তারিখ থেকেসমুদ্রে যেতে শুরু করা গেলেও ফের বাদ সাধল ঝড়।
আজঁ খবর (বাংলা), [রাজ্য], পাথর প্রতিমা, দক্ষিণ 24 পরগনা, ১৮/০৬/২০২৫ : নিজস্ব প্রতিনিধি : আবহাওয়ার কারনে ফের মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যাওয়ার উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল, আর তা নিয়ে নদীতে রীতিমত মাইকে প্রচার শুরু হল।
গত ১৪ তারিখ বিন পিরিয়ড শেষ হওয়ার পরে ১৫ তারিখ থেকে সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়েছেন রাজ্যের মৎস্যজীবীরা। ১৪ তারিখ পর্যন্ত সমুদ্রে মাছ ধরার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা ছিল। ১৫ তারিখে অনেকেই ট্রলার নিয়ে বেরিয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যে কোনো কোনো মৎস্যজীবী ইলিশ নিয়ে ফিরেও এসেছে। কেউ কেউ এখনো পর্যন্ত মাছের মুখ দেখতে পারেনি। এখনো পর্যন্তপ্রায় ১৫ টন ইলিশ এসেছে পাড়ে। কিন্তু অনেকের জালে আবার ইলিশ ধরা পড়ে নি। তার মধ্যে আবার প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঘোষণা।
আসছে ঝড়, ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে বইবে ঝড়ো হাওয়া। গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ার উপরে নিষেধাজ্ঞা করল মৎস্য দপ্তর। মৎস্যজীবীরা ট্রলার নিয়ে গভীর সমুদ্রে গিয়েছে, তাদের কুলে ফিরে আসার জন্য জানানো হয়েছে। কাকদ্বীপ নামখানা পাথরপ্রতিমা ফ্রেজারগঞ্জর প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপকূলবর্তী এলাকার স্থলপথে এবং জলপথে মাইক প্রচার শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে কুলে ফিরতে শুরুও করেছে সমুদ্রে যাওয়া ট্রলারগুলো।
কিছুদিন আগেও বীরভূম জেলায় ডাকাতির সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছিল। কিন্তু পুলিশ ও পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ সতর্ক থাকায় ডাকাতির ছক ভেস্তে গেল।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] কীর্ণাহার, বীরভূম, ১৮/০৬/২০২৫ : নিজস্ব সংবাদ দাতা : ডাকাতির ছক বানচাল করে, কীর্ণাহার থানার পুলিশের সাফল্য — গ্রেফতার ৫। উদ্ধার হয় ধারালো অস্ত্র সহ ডাকাতির সরঞ্জাম।
গতকাল রাত আনুমানিক ২টার সময় কীর্ণাহার থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে দাসকল গ্রাম রেলগেটের কাছে কীর্ণাহার-ফুটিসাঁকো রোডে অভিযান চালিয়ে একটি ডাকাত দলের ৫ জনকে গ্রেফতার করে বলে জানা যায়। পুলিশের তৎপরতায় একটি বড় ডাকাতির ছক ভেস্তে যায়। ধৃতদের নাম, সেখ কাঞ্চন (বয়স ২৪ বাড়ি লাভপুরের ফলগ্রামে। রাহুল সেখ (বয়স ২২) বাড়ি লাভপুরের ঠাকুরপাড়ায়। কারণ বেদ (বয়স ২৪)) পশ্চিম বর্ধমান জেলার অন্ডাল থানার শংকরপুর গ্রামে। সুরিয়া বেদ (বয়স ২২) পশ্চিম বর্ধমান জেলার পাণ্ডবেশ্বরে। গোপীচাঁদ বেদ, পশ্চিম বর্ধমান জেলার জামুরিয়ায়।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, অভিযানে ধৃতদের কাছ থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। তবে দলটির আরও ৫ থেকে ৬ জন সদস্য অন্ধকারে পালিয়ে যায়। গ্রেফতার হওয়া ৫ জনকেআজ তাদেরকে বোলপুর মহকুমা আদালতে তোলা হবে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বীরভূম জেলায় মোট ২৬টি থানা রয়েছে, তা সত্বেও এই জেলায় মাঝে মাঝেই ডাকাতির ঘটনা ঘটে চলেছে। মূলত ঝাড়খন্ড রাজ্যের সাথে সীমানা ভাগ করে বীরভূম জেলা। দুষ্কৃতীরা ডাকাতি করে ঝাড়খন্ড রাজ্যে চম্পট দিয়ে সহজেই গা ঢাকা দেয়. তবু পুলিশি তৎপরতায় এই রাজ্যে ডাকাতির ঘটনায় সারস পরানো গিয়েছে বেশ কিছুটা। এর আগে বীরভূমের নিরীক্ষা গ্রামে এক পাথর ব্যবসায়ীকে স্রেফ ডাকাতির উদ্দেশ্যেই গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। সিউড়ি শহরে ঘটেছিল ব্যাঙ্ক ডাকাতির ঘটনা। এছাড়াও ছোটখাটো চুরি, ছিনতাই আর রাহাজানির ঘটনা তো লেগেই আছে।
গতকাল বিধ্বংসী আগুনে সম্পূর্ণ পুড়ে গিয়েছিল খিদিরপুরের হোলসেল মার্কেট নাম খ্যাত অরফ্যানগঞ্জ মার্কেট। আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে অন্তত ১৫০০ ছোট বড় দোকান। মার্কেটের মধ্যে এই দোকানগুলো গায়ে গায়ে থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল। দমকলের ২০টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হলেও পুড়ে যাওয়া এই বাজারের বিভিন্ন জায়গা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। কিছু কিছু জায়গায় পকেট ফায়ার থেকে যায়. গতকাল খিদিরপুরের এই গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ভোরে গিয়েছিল। আগুন লাগার দুই ঘন্টা পরে দমকল এসে পৌঁছনোর জন্যে স্থানীয় মানুষের মধ্যে যথেষ্ট ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছিল।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে গতকাল ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছিলেন মুখ্য,মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন অরূপ বিশ্বাস, মেয়র ফিরহাদ হাকিম ও দমকল মন্ত্রী সব্যসাচী দত্ত। মুখ্যমন্ত্রীকে সামনে পেয়ে ব্যবসায়ীরা নিজেদের ক্ষোভ উগরে দেন। দেখা যায় ঐ বাজার যথেষ্ট ঘিঞ্জি এলাকায় অবস্থিত। বাজারের সর্বত্র দমকলের গাড়িও ঢুকতে পারে নি। আদিগঙ্গা থেকে রিলে করে জল আনার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। বাজারের মধ্যে অগ্নি নির্বাপক কেন ব্যবস্থাপনায় ছিলঁ না।
ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে মমতা বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদর পাশে রয়েছে রাজ্য সরকার। ঐ বাজারের পাশেই একটা জায়গা দেখা হয়েছে, যেখানে আপাতত অস্থায়ীভাবে দোকানদারদেরকে স্থানান্তরিত করা হবে। রাজ্য সরকার নিজে এই অঞ্চলে একটি আধুনিক বাজার তৈরি করে দেবে। কাউকে কোনো টাকা পয়সা দিতে হবে না । তারপর এখানে যার যেখানে দোকান ছিল, ঠিক তেমনভাবেই ফের একটা করে দোকান তাদেরকে দিয়ে দেওয়া হবে। দ্রুত এই কাজ সম্পন্ন করা হবে। কার কোথায় দোকান ছিল সেই তালিকা ইতিমধ্যেই পুলিশ তৈরি করতে শুরু করে দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও ঐ বাজারের ব্যবসায়ীদের মনে এখনো ক্ষোভ তৈরি হয়ে রয়েছে। তাঁরা অভিযোগ করেছেন, চূড়ান্ত অব্যবস্থার মধ্যে দিয়েই এতদিন ব্যবসা করে যেতে হয়েছে তাঁদের। এই বাজারে তাঁদের অভাব অভিযোগের এতদিন কোনো সুরাহা হয় নি। রাজ্য সরকার এখনও যে প্রস্তাব দিচ্ছে, সেটাও কতটা পালন করা হবে, তা নিয়ে অনেকের মনেই সংশয় থেকে যাচ্ছে।
পুষ্পেন্দুর খুন হয়ে যাওয়ার খবরটা এল না বাড়িতে, ফোনে বলা হয়েছিল হাসপাতালে আসুন
আজ খবর(বাংলা), [রাজ্য], বাউরিয়া, হাওড়া, ১৬/০৬/২০২৫ : নিজস্ব সংবাদদাতা :
রবিবার রাতে হাওড়ার বাউড়িয়া থানার বাউড়িয়া স্টেশন সংলগ্ন এলাকার একটি ডোবা থেকে এক অটোচালকের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়।
এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে গোটা বাউরিয়ায়। মৃতের নাম পুষ্পেন্দু রায়। বয়স আঠাশ। পুষ্পেন্দুর পরিবার জানিয়েছে, “রবিবার রাত সাড়ে সাতটা নাগাদ সে বাড়িতে মাংস নিয়ে যাবে বলে ফোন করে। কিছুক্ষন পরে রাত্রি সাড়ে আটটা নাগাদ বাউরিয়া থানা থেকে তার বাড়িতে ফোন করে বাউরিয়া হাসপাতালে আসতে বলা হয় এবং সেখানে গেলে আসল বিষয়টি জানা যায়।” পরিবারের লোকেরা দেখেন পুষ্পেন্দু মারা গিয়েছে।
যে মানুষ একটু আগেই বাড়িতে ফোন করে জানালো যে মাংস নিয়ে সে ফিরছে, সেই মানুষটাই খুন হয়ে গেল কিছুক্ষনের মধ্যেই ? হাজারো প্রশ্ন মনে উঁকি দিতে থাকে। কে এভাবে মারলো তাকে ? শোকে পাথর হয়ে যায় পুষ্পেন্দুর পরিবার।
মৃতদেহ থেকে এই অটো চালকের অটোটি অনেকটাই দূরে ছিল বলে জানা গিয়েছে। পরিবারের লোকজনের অভিযোগ বেশ কয়েকদিন আগে অটো চালনাকে কেন্দ্র করে অশান্তি হয়েছিল, সেই অশান্তির জেরেই তাকে খুন করে ফেলে যাওয়া হয়েছে। মৃতদেহ উদ্ধার করে উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।