Aaj Khabor

ডাকাতির ছক ভেস্তে দিল শিলিগুড়ির পুলিশ 

আগে থেকে গোপন খবর পেয়ে ডাকাতির ছক ভেস্তে দেওয়া অনাস্যিবিপুল প্রশংসার যোগ্য, কৃতিত্ব গোয়েন্দা বিভাগেরও 

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ০৩/০৭/২০২৫ : শিলিগুড়ি শহরে বড়সড় ডাকাতির ছক ভেস্তে দিল শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের ভক্তিনগর থানার পুলিশ। গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে মঙ্গলবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে তিনজন দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। তবে পুলিশের উপস্থিতির আঁচ পেয়ে জনা সাতেক দুষ্কৃতী শেষ পর্যন্ত পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

ভক্তিনগর থানার পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার গভীর রাতে খবর আসে যে, শিলিগুড়ির শালুগাড়া এলাকার জীবনদ্বীপ বিল্ডিং সংলগ্ন স্থানে প্রায় দশজন দুষ্কৃতী জড়ো হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে অভিযান চালায় ভক্তিনগর থানার এন্টি ক্রাইম উইং-এর একটি বিশেষ দল। অভিযানে তিনজন দুষ্কৃতীকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

ধৃতদের নাম – আমজাদ আহমেদ, মোহাম্মদ হাবিব (দুজনেরই বাড়ি আশরাফ নগরে) এবং কমল থাপা (বাড়ি খোলাচাঁদ ফাপরি)। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা শহরে ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছিল। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ডাকাতির জন্য আনা বিভিন্ন সরঞ্জাম, তিনটি মোবাইল ফোন এবং একটি মোটরবাইক।

আজ, বুধবার ধৃতদের জলপাইগুড়ি আদালতে পেশ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, পলাতক দুষ্কৃতীদের খোঁজে ইতিমধ্যে অভিযান শুরু হয়েছে এবং গোটা ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে ভক্তিনগর থানার একটি বিশেষ দল।


Loading

রাজ্যের কাছে কসবা কাণ্ডের পূর্নাঙ্গ রিপোর্ট চাইল হাইকোর্ট 

ঘটনার রিপোর্ট যেমন দিতে হবে, তেমনই এই মামলায় পুলিশি তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্টও   দিতে হবে হাইকোর্টকে। 

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], ককলকাটা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৩/০৭/২০২৫ : রাজ্য সরকারের থেকে কসবা আইন কলেজে গনধর্ষনের ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট চেয়ে পাঠালো কলকাতা হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে হাইকোর্ট প্রশ্ন তুলেছে কেন এই মামলায় ঐ  কলেজের গভর্নিং বডিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয় নি।

গত ২৫শে  জুন দক্ষিণ কলকাতার কসবা অঞ্চলে আইন কলেজে প্রথম বর্ষের এক ছাত্রীকে গণধর্ষণ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।  দিন দুয়েকের মধ্যেই এই ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসে। এই ঘটনার খবর পেয়ে ফের আলোড়ন সৃষ্টি হয় গোটা রাজ্যে। পুলিশ জানিয়েছিল এই ঘটনার জেরে মূল তিন অভিযুক্তকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনা ঘটার মাত্র ২৪ঘন্টার মধ্যেই অভিযুক্তেরা পুলিশ হেফাজতে চলে যায়। এরপর আরও একজন নিরাপত্তা রক্ষীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছিল কলকাতা পুলিশ। 

সাংবাদিক বৈঠক করে পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল যে এই ঘটনার অভিযুক্তরা কেউ পার পাবে না। তাদের কঠোর শাস্তিপেতে হবে। দেখা যায় এই ঘটনার অভিযুক্তেরা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্য। তা সত্বেও তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করা হয় এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার কথা বলা হয়।  বিজেপির তরফ থেকে একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম তৈরি করে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই হস্তক্ষেপ করেছে জাতীয় মহিলা কমিশন। তাঁরা ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন তবে ভিডিও করতে গিয়ে পুলিশি বাধার সম্মুখীন হন বলে অভিযোগ উঠেছে। 

গত মঙ্গলবার আলিপুর আদালত অভিযুক্তদের আগামী ৮ই জুলাই পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। চতুর্থ অভিযুক্তকে অবশ্য ৪ তারিখ পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। 


Loading

দালাল সহ গ্রেপ্তার বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী

বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়েছে নজরদারি, প্রায়ই ধরা পরে যাচ্ছে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা 

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] ধানতলা নদিয়া, ০২/০৭/২০২৫ : আবারো পুলিশের জালে গ্রেফতার এক ভারতীয় দালাল সহ এক মহিলা অনুপ্রবেশকারী।

এবার এক ভারতীয় দালালের সাথে গ্রেফতার এক মহিলা বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী। গত এক বছর আগে ভারতের ভূখণ্ডে প্রবেশ কোর ভারতীয় নথিপত্র তৈরি করে মুম্বাইয়ে চলে যায় কর্মসূত্রে। এরপর আবারও বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করলে দালাল সহ ওই মহিলা বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী গ্রেফতার হয় নদীয়ার ধানতলা থানার পুলিশের হাতে। 

জানা যায় বাংলাদেশী ওই নাগরিকের নাম আনিসা খাতুন, বয়স ২৯ বছর। তার  বাড়ি বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলাতে। অন্যদিকে গ্রেপ্তার হওয়া ভারতীয় দালালের নাম হাবিবুর বিশ্বাস। বুধবার ধৃতদের বিরুদ্ধে প্রাসঙ্গিক মামলা রুজু করে তোলা হয় রানাঘাট বিচার বিভাগীয় আদালতে। 

পুলিশের তরফে জানানো হয়, ধানতলা থানার অন্তর্গত ওই দালালের সহযোগিতায় মহিলা বাংলাদেশী ভারতীয় নথিপত্র তৈরি করে ভারতের রাজ্য অর্থাৎ মুম্বাইয়ে গিয়েছিল কর্মসূত্রে, বুধবার রাতে আবারো দালালের সহযোগিতায় বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করলে ধানতলা থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে দু’জনকেই একই সাথে গ্রেফতার করে। স্বভাবতই এখনো পর্যন্ত পুলিশের জালে গ্রেফতার হয়েছে প্রায় ৫০০ এরও বেশি বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী। 

পাশাপাশি দালাল চক্রের সাথে যুক্ত থাকা ব্যক্তিদেরকেও রেয়াত করা হয়নি। আগামী দিনও অনুপ্রবেশকারীর বিরুদ্ধে লাগাতার চলতে থাকবে পুলিশের এই অভিযান। তবে যত দিন যাচ্ছে ততই বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীর  সংখ্যা বৃদ্ধি হওয়ায় রীতিমতো চিন্তিত জেলা পুলিশ প্রশাসন।


Loading

 চলন্ত টোটো থেকে যাত্রীর ব্যাগ ছিনতাই, ধৃত ২

দুই চাকায় অপরাধের পরিমান বাড়তে শুরু  করেছে  শিলিগুড়ি ও আশেপাশের এলাকায়। সতর্ক থাকতে   হবে সাধারণ  মানুষকেই। 

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ০২/০৭/২০২৫ : শিলিগুড়িতে চলন্ত টোটো থেকে মহিলার ব্যাগ ছিনতাই, ধৃত দুই দুষ্কৃতী। 

শিলিগুড়ি উত্তরকন্যার সামনে চলন্ত টোটো থেকে এক মহিলার ব্যাগ ছিনতাইয়ের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল শিলিগুড়িতে। বাইকে করে এসে টোটোতে বসে থাকা মহিলার ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় দুই দুষ্কৃতী।

ঘটনার পর ওই মহিলা শিলিগুড়ি নিউ জলপাইগুড়ি (এনজেপি) থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিশ। তদন্তে নেমে মঙ্গলবার রাতে এনজেপি থানার  পুলিশ শিলিগুড়ি কাওয়াখালি ও শক্তিগড় এলাকার  বাসিন্দা বাপ্পা রায় ও বিশ্বজিৎ রায়কে গ্রেফতার করে।

ধৃতদের হেফাজত থেকে উদ্ধার হয়েছে ছিনতাই করা নগদ ₹৩০১০, একটি মোবাইল ফোন এবং অপরাধে ব্যবহৃত একটি বাইক। বুধবার ধৃতদের জলপাইগুড়ি আদালতে তোলা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, এই ছিনতাইচক্রে আর কেউ জড়িত রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে।


Loading

বাগডোগরার বিহার মোড়ে উল্টে গেল তরমুজভর্তি লরি

পণ্যবাহী যানবাহনে বেশি ওজন চাপলেও দেখার কেউ থাকে না. যাদের দেখার কথা তারাও দেখতে না পাওয়ার ভান করে. ফলে এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে চলেছে শিলিগুড়ির আনাচে কানাচে। 

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] বাগডোগরা, দার্জিলিং, ০২/০৭/২০২৫ :  তরমুজ ভর্তি লরি উল্টে গেল বাগডোগরার বিহার মোড়ে, আহত চালক এবং সহচালক। 

মঙ্গলবার রাত প্রায় সাড়ে দশটা নাগাদ বাগডোগরার বিহার মোড়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে একটি তরমুজ বোঝাই লরি। জানা গিয়েছে, তামিলনাড়ুর নম্বর প্লেট লাগানো ঐ  লরিটি হরিয়ানা থেকে বিপুল পরিমাণ তরমুজ নিয়ে শিলিগুড়ির দিকে যাচ্ছিল । বিহার মোড় এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে একটি টোটোর সঙ্গে ধাক্কা লাগে। তারপরই রাস্তার উপর উল্টে যায় লরিটি।

লরি উল্টে পড়ায় রাস্তার উপর ছড়িয়ে ছিটিয়ে যায় তরমুজের স্তূপ। ঘটনার জেরে কিছুক্ষণ বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বাগডোগরা থানার পুলিশ। আহত অবস্থায় লরির চালক ও সহচালককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত টোটো চালক ও অন্য কেউ আহত হয়েছেন কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


Loading

উলোট পুরান, জ্যান্ত বিষধর সাপকে গিলে খেলো ব্যাঙ 

আফ্রিকা বা আমেরিকায় এ দৃশ্য একেবারে বিরল নয়, তবে ভারতে এই দৃশ্য আগে কেউ দেখেছে বলে মনে করতে পারছে না কেউ। 

আজ খবর (বাংলা ), [রাজ্য],  মালবাজার,জলপাইগুড়ি, ০১/০৭/২০২৫ : উলট পুরাণ! আস্ত বিষধর সাপ গিলে খেল ব্যাঙ, এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল মাল মহকুমার ধোলাবাড়িতে। 

প্রকৃতির খেয়ালে ঘটে গেল এক অভাবনীয় ঘটনা। যা বিশ্বাস করাও কঠিন, চোখে না দেখলে যেন গল্পই মনে হয়! মাল মহকুমার ক্রান্তি ব্লকের ধোলাবাড়ি এলাকায় দেখা গেল এক বিরল দৃশ্য—একটি বিশালাকৃতির ব্যাঙ ধীরে ধীরে গিলে খেল এক বিষধর শাখামুটি সাপকে যাকে ইংরেজিতে ব্রান্ডেড ক্রেট বলা হয় । ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করে হতবাক হয়ে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা। আর তারপর থেকেই এলাকায় শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধোলাবাড়ি গ্রামের এক প্রান্তে কয়েকজন বাসিন্দা হঠাৎই লক্ষ্য করেন, একটি বড় ব্যাঙ একটি সাপকে মুখে পুরে ফেলছে। ভারতবর্ষের অন্যতম বিষধর প্রজাতির সাপকে। এমন ঘটনা দেখে আশপাশের মানুষজন দৌড়ে এসে ভিড় জমায়। মোবাইল ক্যামেরায় বন্দি হয়ে যায় সেই অদ্ভুত  দৃশ্য।

বছরের পর বছর ধরে সবাই জেনে এসেছে যে ব্যাঙ হল সাপের খাদ্য। সাপ ব্যাঙ শিকার করে খায়, এটাই প্রকৃতির চক্র। কিন্তু এখানে ঘটল সম্পূর্ণ উল্টো। একেবারে যেন “উলট পুরাণ”। নিজের চোখে সেই দৃশ্য দেখে চক্ষু চড়কগাছ প্রত্যেকেরই।

ঘটনার সত্যতা জানতে যোগাযোগ করা হয় বন দপ্তরের স্থানীয় আধিকারিকদের সঙ্গে। যদিও তাঁরা ঘটনাটি সরাসরি প্রত্যক্ষ করেননি, তবে এই বিষয়ে জানতে পেরে প্রথমে অবাক হলেও পরে জানান, আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশে এমন দৃশ্য নতুন নয়। সেখানে বড় আকারের কিছু প্রজাতির ব্যাঙ, বিশেষত ‘বুলফ্রগ’, সাপ, ছোট পাখি এমনকি ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণীকেও গিলে ফেলার ক্ষমতা রাখে। ভারতের পরিবেশে এই ধরনের ঘটনা খুবই বিরল হলেও একেবারে অসম্ভব নয় বলেই মত তাঁদের।

এই ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।  এলাকার বাসিন্দারা  বলেন, “সাপে ব্যাঙ খায়—এ তো শুনেই এসেছি। কিন্তু ব্যাঙ সাপ খায়, তা নিজে না দেখলে কখনও বিশ্বাস করতাম না। প্রকৃতি যে কত কিছু লুকিয়ে রেখেছে, তা চোখে না দেখলে বোঝা যায় না।”

সব মিলিয়ে, এই অস্বাভাবিক ঘটনাটি ফের প্রমাণ করল, প্রকৃতি কখনও কখনও নিজের নিয়ম ভেঙেই নতুন রহস্য তৈরি করে। আর সেই রহস্যময় মুহূর্তের সাক্ষী রইলো জলপাইগুড়ি জেলার মাল মহকুমার ধোলাবাড়ি এলাকা।


Loading

পথ সারমেয়দের পুলিশ বন্ধু নিজের হাতে রেঁধে খাওয়ান দু’বেলা 

নিজের হাতে রেঁধে পথ কুকুরদের খাওয়ান  থানার সব ইন্সপেক্টর। কোনোদিন অভুক্ত থাকেনি চারপেয়েরা। 

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], শান্তিপুর, নদীয়া, ০১/০৭/২০২৫ : ডিউটির ফাঁকে নিজের হাতে রান্না করে থানা এবং থানা সংলগ্ন প্রায় কুড়ি থেকে ২৫ টি পথের সারমেয়র দায়িত্ব নিয়ে খাওয়া দেওয়ার ব্যবস্থা করে চলেছেন শান্তিপুর থানার সাব-ইন্সপেক্টর। তার এই কর্মকাণ্ডে খুশি থানার অন্যান্য আধিকারিক থেকে শুরু করে শান্তিপুরের সাধারণ মানুষও।

কথায় বলে জীবে প্রেম করে যে জন সে জন সেবিছে ঈশ্বর! তারই জ্বলন্ত উদাহরণ দেখা গেল শান্তিপুর থানায়। সাব ইন্সপেক্টর বিপ্লব ব্যানার্জি আজ হয়ে উঠেছে পথকুকুরদের বন্ধু। কর্মব্যস্ততার মাঝেও প্রতিদিন শান্তিপুর থানায় একাধিক সারমেওদের দিনে তিন থেকে চারবার খাবার খাওয়ান তিনি।  তার কারণ এদের মধ্যে অধিকাংশই থাকে অভুক্ত।  

ডিউটির চাপের মধ্যেও এক ব্যতিক্রমী নজির গড়লেন শান্তিপুর থানার এক সাব-ইন্সপেক্টর। নিজের কর্তব্য পালনের ফাঁকে তিনি নিয়মিত তিন বেলা করে খাওয়াচ্ছেন একাধিক পথকুকুরকে। শুধুই ডিউটি নয়, তাঁর এই মানবিক দায়িত্ববোধ ও পশুপ্রেম নজর কেড়েছে সাধারণ মানুষের। জানা যায়, এই সাব-ইন্সপেক্টর রোজ সকালে, দুপুরে ও রাতে নিজের হাতে খাবার  রান্না করে  খাওয়ান থানা এবং থানা সংলগ্ন প্রায় ১০ থেকে ১২ টি কুকুরকে। খাবার হিসেবে তিনি দিচ্ছেন ভাত, মাংস, কখনও বিস্কুট বা দুধ। শুধু খাওয়ানো নয়, তিনি খেয়াল রাখছেন যেন কোন কুকুর অসুস্থ না হয় কিংবা গরমে কষ্ট না পায়—তাদের জন্য রাখা হচ্ছে পর্যাপ্ত জলও।এই কাজে সাহায্য করছেন তাঁর কিছু সহকর্মীও। 

এলাকার বিশাল উৎসবে যখন শহরজুড়ে ব্যস্ততা ও উত্তেজনা তুঙ্গে, তখন এমন একটি নিঃশব্দ, স্নেহময় উদ্যোগ নিঃসন্দেহে সমাজে মানবিকতার বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে। শুধু আইনরক্ষা নয়, মানবিকতার রক্ষাকবচ হয়ে উঠছেন এই কর্তব্যরত পুলিশ আধিকারিক।


Loading

বোমাবাজির ঘটনায় ফের উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ, নিহত ১

বোমাবাজি আর খুনের ঘটনায় ফের উত্তেজনা ছড়িয়েছে মুর্শিদাবাদে। 

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], বহরমপুর, মুর্শিদাবাদ, ০১/০৭/২০২৫ : ফের বোমাবাজির ঘটনা ঘটল মুর্শিদাবাদে। এই ঘটনায় নিহত হয়েছেন একজন। ঘটনাস্থলে প্রচুর পুলিশ। 

আজ সকালে ফের বোমাবাজির ঘটনা ফহতায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলার আলী নগর গ্রামের ভিতরে। এই জায়গাটি নওদা  থানার অন্তর্গত।  বোমাবাজির ঘটনা শুরু হতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় নওদা  থানার পুলিশ। পরে ঐ  গ্রামে পুলিশের বিশাল একটি বাহিনী পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশের তরফ থেকে জানায় হয়েছে ঐ  গ্রামে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে. 

বোমাবাজির ঘটনায় আলীনগর গ্রামের একজন নিহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।  তাঁর নাম রফিকুল শেখ বলে জানা যাচ্ছে। তবে বোমার লক্ষয় ছিলেন আফিকুল, বোমা গিয়ে লাগে রফিকুলের গায়ে। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর রক্তাক্ত দেহ নিয়ে গ্রামবাসীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। কে বা করা বোমাবাজি করেছে, কেই বা রফিকুলকে খুন করে চলে গেল তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, জমি নিয়ে বিবাদের জেরেই এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।  এই ঘটনায় কাউকে এখনো পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয় নি. 


Loading

পাচারের আগেই ধরা পড়ল চোরাই কাঠ 

শিলিগুড়ি থেকে প্রায়ই অবৈধ চোরাই কাঠ পাচার হয়ে যাওয়ার খবর আসে, এবার পাওয়া গেল সেই চোরাই কাঠ পাচার হয়ে যাওয়ার আগেই ধরা পড়ার ঘটনাও। 

আজ খবর (বাংলা),  [রাজ্য], শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ০১/০৭/২০২৫ : শিলিগুড়িতে অবৈধ কাঠ পাচার রুখে দিল বনদপ্তর, এই ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১ জনকে। 

অবৈধভাবে কাঠ পাচারের আগেই বড় সাফল্য পেলেন  ডাবগ্রাম রেঞ্জের বনকর্মীরা। গোপন সূত্রে পাওয়া খবরে ভিত্তি করে বৈকুন্ঠপুর ডিভিশনের ডাবগ্রাম রেঞ্জের বন আধিকারিকরা অভিযান চালান শিলিগুড়ির জলপাইমোড় এলাকায়।

অভিযানে দেখা যায়, একটি চারচাকা গাড়ি ও একটি স্কুটিতে করে স্টিক কাঠ ও শাল কাঠ পাচার করা হচ্ছিল। জানা গেছে, কাঠগুলো বিহারে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। বনদপ্তর এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতের নাম বিশ্বনাথ বর্মন, তাঁর বাড়ি শিলিগুড়ির মাটিগাড়া এলাকায়।

তবে স্কুটি চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, তার খোঁজে তল্লাশি চলছে। আটক গাড়ি ও কাঠ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বন আইনে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে।


Loading

অতবড়  জুনিয়ার হাইস্কুলে শিক্ষক ১, পড়ুয়া হাতে গোনা

বিশাল স্কুল ভবনটিকে যেন রাতের বেলায় হানাবাড়ি বলে ভুল হয় 

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], ধূপগুড়ি, জলপাইগুড়ি, ৩০/০৬/২০২৫ : ফাঁকা মাঠের মধ্যে স্কুল ভবন একটা রয়েছে বটে, তবে সেই স্কুলে না আছে তেমন পড়ুয়াদের ভীড়, না আছে একাধিক শিক্ষক। এভাবেই চলছে আস্ত একটা জুনিয়ার হাই স্কুল। 

এই স্কুলটির অবস্থান জলপাইগুড়ি জেলার ধুপগুড়িতে, নাম নিরঞ্জন পাঠ  জুনিয়ার হাই স্কুল।  এই স্কুলে পড়ুয়াদের সংখ্যা মাত্র ১৪ এবং শিক্ষক রয়েছেন মাত্র ১ জন. তাঁর নাম নিরঞ্জন রায়. তিনি একাধারে শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক, সাফাই কর্মী, এবং আরও অনেক কিছু।  স্কুলটিতে রয়েছে শ্রেণী কক্ষ, বেঞ্চ, ব্ল্যাকবোর্ড, আলো, পাখা সব কিছুই। শুধুমাত্র নেই পড়ুয়া আর শিক্ষক। পানীয় জলের ব্যবস্থা, শৌচাগার এমনকি স্কুল সংলগ্ন খেলার মাঠ আছে, অথচ খাতায় কলমে ১৪ জন  থাকলেও সারাদিনে ক্লাস করতে আসে তিন চারটি পড়ুয়া।  

জলপাইগুড়ি জেলার ধুপগুড়ি ব্লকের মাগুরমারি ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের গোসাইহাট লেবুতলা এলাকায় ২০১১ সালে স্থাপিত হয়েছিল পঞ্চম শ্রেণী থেকে অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়াদের জন্য নিরঞ্জন পাঠ জুনিয়র হাই স্কুল। যা বর্তমানে মুখ থুবড়ে পড়ে রয়েছে। অবাক করা বিষয় এই এত বড় স্কুলের দায়িত্বে রয়েছে মাত্র একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। যিনি একা হাতে কখনো স্কুলের সাফাই কর্মী, কখনো লাইবেরিয়ান, কখনো দপ্তরি তো কখনো আবার পড়ুয়াদের জন্য হয়ে উঠছে শিক্ষাগুরু। তার ওপর বাড়তি স্কুলের কাগজে-কলমের একাধিক কাজ এই গেস্ট টিচারকেই সামলাতে হয়।। পঞ্চম থেকে সপ্তম শ্রেণী পর্যন্ত মাত্র ১৪ জন ছাত্রর হিসেবটা সরকারি খাতায় থাকলেও উপস্থিতির হার মাত্র হাতে গোনা তিন থেকে পাঁচজন। এভাবেই একটি জুনিয়র হাইস্কুল চলছে। কোন হেলদোল নেই স্থানীয় প্রশাসন থেকে শুরু করে ব্লক প্রশাসন এমনকি শিক্ষা বোর্ডের। এই অভিযোগ স্থানীয় মানুষের। গ্রামবাসী অভিভাবকদের দাবি স্কুলের শিক্ষক না থাকায় পড়ুয়া সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। হয়তো একটা সময় গিয়ে স্কুলটাই বন্ধ হয়ে যাবে। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য অবশ্য জানিয়েছেন গোটা বিষয়টি সকলে জানা থাকলেও সরকার কোন ভ্রুক্ষেপ নিচ্ছে না। বর্তমানে একজন শিক্ষক দিয়ে চলছে গোটা স্কুলটি। তিনিও আগামী বৎসর অবসর নেবেন। তার আগে স্কুলের হাল ফেরাতে শিক্ষক নিয়োগ করবে কি না , তা নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা! পড়ুয়ারাও চাইছে স্কুলে আরো শিক্ষক নিয়োগ হোক নয়তো স্কুলটাই বন্ধ হবে, পড়াশোনায় একেবারে লাটে উঠে গেছে। স্কুলের এই বর্তমান পরিস্থিতি দেখে স্থানীয় মানুষ তাদের বাচ্চাদের পার্শ্ববর্তী উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয় গুলিতে পড়ুয়া ভর্তি করাচ্ছেন। এদিকে সু বিশাল এই স্কুলটি সকলের অজান্তেই বন্ধ হয়ে যেতে বসেছে। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় দুর্নীতি সহ শিক্ষার যে অবস্থা সে জায়গায় দাঁড়িয়ে একটি সরকারি জুনিয়র হাই স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়া কার্যত সমাজের ক্ষতি।


Loading

congtogel

slot gacor

link slot gacor

slot

hartacuan

slot

slot gacor

slot gacor

slot gacor

situs slot toto

playaja

hartacuan

slot gacor

situs slot gacor

link slot online

slot gacor

link slot gacor

slot bet 200

slot dana

slot online

slot gacor

slot777

slot deposit pulsa

situs gacor resmi

link slot gacor

slot gacor

slot gacor

slot toto

link slot

slot

slot

situs slot

slot gacor

login congtogel

situs togel

togel online

slot wdyuk

congtogel

bandar togel

hartacuan

congtogel

slot gacor

slot gacor

slot gacor

londonslot link alternatif

slot gacor

wdyuk

togel online

togel online

situs toto

indosloto

situs toto

watitoto

congtogel

congtogel

danatoto

slot gacor