Aaj Khabor

রেজিস্ট্রেশন বাতিল ড. শান্তনু সেনের, দু’বছর ডাক্তারি করতে পারবেন না 

দলের মুখপাত্র ছিলেন, রাজ্য সভার সদস্য ছিলেন, তিনি ডাক্তারও ছিলেন 

আজ খবর (বাংলা),  [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৩/০৭/২০২৫ :  তৃণমূল নেতা ড. শান্তনু সেনের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করে দেওয়া হল। বিদেশী ডিগ্রি অবৈধভাবে ব্যবহারের অভিযোগে তাঁর ডাক্তারির রেজিস্ট্রেশন বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।

ওয়েস্টবেঙ্গল মেডিকেল কাউন্সিল আগামী দুই বছরের জন্যে ড. শান্তনু সেনের ডাক্তারির রেসাজিস্ট্রেশন বাতিল করে দিয়েছে। এর ফলে আগামী দুই বছর শান্তনু সেন আর ডাক্তারি করতে পারবেন না। ড. সেন ডাক্তারির পাশাপাশি ছিলেন একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবীদ। তিনি একসময় পুরসভার কাউন্সিলর ছিলেন। পরে রাজ্যসভার সদস্য হয়েছিলেন। বেশ কিছুদিন ধরে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেছেন।  আর জি কর-এর  অভয়া কাণ্ডের জোরালো প্রতিবাদ করেছিলেন তিনি। 

তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ এই যে তিনি বিদেশী ডিগ্রি অবৈধভাবে ব্যবহার করেছেন। ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিকেল কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ড. সুদীপ্ত রায় বলেছেন “শান্তনু সেন তাঁর প্রেসক্রিপশনে যে বিদেশী ডিগ্রির কথা লিখতেন, সেটা আদৌ  কোনো ডিগ্রি নয়, সেটা আসলে সাম্মানিক ফেলোশিপ।  কিন্তু তাকেই ডিগ্রি হিসেবে প্রেসক্রিপশনে লিখে তিনি মানুষকে বিভ্রান্ত করতেন।  এই অভিযোগেই শান্তনু সেনকে দুই বছরের জন্যে সাসপেন্ড করা হয়েছে। “

তাঁর বিরুদ্ধে এই শাস্তি সম্পর্কে শান্তনু সেন বলেন, “এটা  একটা রাজনৈতিক চক্রান্ত ছাড়া আর কিছু নয়, যিনি এই চক্রান্ত করলেন তিনি আদ্যপান্ত দুর্নীতিগ্রস্ত, আপনারা খবর নিয়ে দেখুন। তবে আমিও এর শেষ দেখে ছাড়ব। আমি এইসব নেতাকে গুরুত্ব দিই না। আমার নেতা মমতা বন্দ্যোপধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর কেউ নয়।



Loading

বঙ্গ বিজেপির নতুন সভাপতি হলেন শমীক ভট্টাচার্য 

২৬এর ভোটে জয়ের বিপুল প্রত্যাশা নিয়ে রাজ্য বিজেপির সভাপতি পদে শমীক ভট্টাচার্য 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৩/০৭/২০২৫ :   বঙ্গ বিজেপির সভাপতি নির্বাচিত হলেন বিজেপির সিনিয়র নেতা শমীক ভট্টাচার্য্য।  বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাঁকে রাজ্য বিজেপির সভাপতি পদে গুরু দায়িত্ব দিল।  

রাজ্য বিজেপির সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য্য। রাজ্যের প্রতিটি প্রান্ত  থেকে শুভেচ্ছার জোয়ারে ভাসছেন তিনি।  শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে শুরু করে একেবারে নিচুতলার কর্মীরাও তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথ পার করেছেন শমীক  ভট্টাচার্য্য। বিভিন্ন সময়ে দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাও যথেষ্ট রয়েছে তাঁর।  দলের মধ্যে সেভাবে কেউই বিরোধী নন শমীকবাবুর। তাঁর নাম প্রথম যিনি প্রস্তাব করেছিলেন, তিনি হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সুতরাং দলের সব সিদ্ধান্ত নিতে একসাথে বসে কাজ করার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা দেখা দেবে না বলেই মনে করছে বিজেপি নেতৃত্ব। 

শুধু তাই নয়, বিজেপি দলের মধ্যে  স্বচ্ছ ভাবমূর্তি আছে. ‘মুখে যা কিছু এল সেটাই বলে দিতে হবে’ এই ধারণায় বিশ্বাসী নন শমীক ভট্টাচার্য। বুঝে শুনে কথা বলেন তিনি, যথেষ্ট প্রাজ্ঞ ।  ৬১ বছর বয়সী এই রাজনৈতিক ২০২০ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বঙ্গ বিজেপির মুখপাত্র ছিলেন। পিছনে সংঘ পরিবার, আর এসএসএর সমর্থন রয়েছে।  শমীক ভট্টাচার্য বঙ্গ বিজেপির সভাপতি পদপাওয়ায় দলের অভ্যন্তরে খুশির জোয়ার দেখতে পাওয়া যাচ্ছে।  কার্যত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি সভাপতি পদ পেলেন বলা যায়। সভাপতি হয়ে তিনি বলেন, “একই সূত্রে বাঁধিয়াছি সহস্র জীবন”। 

আজ দক্ষিণ কলকাতার লেক কালীবাড়িতে পুজো দিয়ে রাজ্যবাসীর মঙ্গল  কামনা করেছেন বিজেপির নতুন রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। 


Loading

২১ জুলাইয়ের আগে জলপাইগুড়ি তৃণমূলে অন্দরের বিদ্রোহ

সামনেই ২১শে  জুলাই,  সংখ্যালঘু ভোট ব্যাংক নিয়ে তৃণমূলের আন্ডারে ক্ষোভ জন্মেছে, চিন্তায় তৃণমূল  নেতৃত্ব 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] জলপাইগুড়ি,পশ্চিমবঙ্গ, ০৩/০৭/২০২৫ :  সংখ্যালঘুদের  শুধুমাত্র ভোট ব্যাংক হিসেবেই ব্যবহার করে তৃণমুল , গোপন বৈঠক থেকে বিদ্রোহের আওয়াজ।

২১ জুলাইয়ের আগে জলপাইগুড়ি তৃণমূলে অন্দরের বিদ্রোহ।

২১ জুলাই শহিদ দিবসের আগে জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। দলের সংখ্যালঘু সেলের নেতাদের অভিযোগ, দলীয় কাঠামোয় তাদের প্রান্তিক করে রাখা হচ্ছে, উন্নয়নের নামে চলছে পক্ষপাত এবং সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সংখ্যালঘু নেতৃত্বকে উপেক্ষা করা হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে সম্প্রতি  বানারহাট ব্লকের তেলিপাড়ায় সংখ্যালঘু সেলের জেলা কার্যালয়ে একটি গোপন বৈঠকে মিলিত হন জেলার বিভিন্ন ব্লকের সংখ্যালঘু নেতারা। বৈঠকের মূল উদ্যোক্তা সংখ্যালঘু সেলের জেলা সভাপতি মিজানুর রহমান। বৈঠকে সরাসরি মাদার তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। অভিযোগ, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে দল কেবলমাত্র ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করছে, কিন্তু সংগঠনের মূলস্রোতে তাদের জায়গা দেওয়া হচ্ছে না।

বিক্ষোভের পেছনে রয়েছে ২৮শে জুনের একটি ঘটনা। সেদিন শহরের আর্ট গ্যালারিতে ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা শেষে দুই সংখ্যালঘু তৃণমূল কর্মীকে আটক করে কোতোয়ালি থানার পুলিশ। উপস্থিত ছিলেন সংখ্যালঘু জেলা সভাপতি মিজানুর রহমান ও সদর সভাপতি আব্দুল বারি। তাঁরা পুলিশকে বাধা দিলেও কোনও কর্ণপাত হয়নি। পরে জেলা সভাপতি মহুয়া গোপ ও অন্যান্য নেতৃত্বের দ্বারস্থ হলেও মেলেনি প্রতিকার।

এই ঘটনার পর থেকেই জেলার সংখ্যালঘু সেলে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জেলা সভাপতি বৈঠক ডাকেন, কিন্তু সেখানে আরও বিস্ফোরক হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। জেলা সভাপতির সামনেই ক্ষোভ উগরে দেন ব্লক নেতৃত্ব।

জেলা সংখ্যালঘু সভাপতি মিজানুর রহমান সংবাদমাধ্যমকে বলেন,

“নেতৃত্বের ক্ষোভ যথার্থ। বহু তৃণমূল নেতা সংখ্যালঘু নেতৃত্বকে গুরুত্ব দিতে চান না। উন্নয়নের নামে অর্থ এলেও সংখ্যালঘুরা প্রকৃত উপকার পাচ্ছেন না।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ডোমা-মাইনরিটি ডিপার্টমেন্টের অর্থে ধূপগুড়িতে দোকানঘর নির্মাণ হলেও সেখানে সংখ্যালঘুদের জায়গা দেওয়া হয়নি।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ঘটনা ২১ জুলাইয়ের মতো বড় কর্মসূচিকে সামনে রেখে দলের ভাবমূর্তিতে বড় ধাক্কা দিতে পারে। বিরোধীরা দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘুদের ‘ভোটব্যাঙ্ক’ হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ করে এসেছে। এবার সেই অভিযোগ যেন ঘর থেকেই উঠতে শুরু করেছে।

এখন দেখার, মাদার তৃণমূল নেতৃত্ব এই বিক্ষোভ সামাল দিতে কী পদক্ষেপ নেয়।


Loading

অবিলম্বে কলকাতা বিমানবন্দর চত্বর সিল করে দেওয়া হোক : শুভেন্দু 

কলকাতা বিমানবন্দর দেশের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর, এখানে নিরাপত্তার ঝুঁকি রয়েছে বলে মনে করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৬/০৬/২০২৫ : কলকাতা বিমানবন্দরের সীমানা অবিলম্বে সিল করে দেওয়ার আহবান জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। 

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “কলকাতা বিমানবন্দর নিরাপত্তার ঝুঁকি নিয়ে চলছে।  এখানে বিমানবন্দরের চত্বরেই মাটিতে বসে পড়ে  প্রার্থনা করা হয়। বাইরের লোক বিমানবন্দর চত্বরে ঘোরাফেরা করে। এইসব লোকেদের চীন ও বাংলাদেশের সাথে যোগাযোগ রয়েছে। এইসব লোকগুলো যখন তখন বিমানবন্দর চত্বরে ঘোরাফেরা করে।  এখনও  পর্যন্ত এই বিমানবন্দরের সীমানা সম্পূর্ণ  সিল করা হয় নি।” সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া  এক সাক্ষাৎকারে এই কথা বলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। 

তিনি আরও বলেন, “ইতিমধ্যে কেন্দ্র সরকারের অনুদানে কলকাতা বিমানবন্দরে আরও দুটি রানওয়ে  তৈরি করা হয়েছে। এই রান ওয়েগুলির কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে,  কিন্তু তা সত্বেও দুটি রানওয়ের একটি চালু করা গেলেও অপরটি করা যায় নি।  কেন ? কেননা ওই  রানওয়ের অন্তর্গত রয়েছে একটি মসজিদ। এটা  চলতে দেওয়া যায় না।”

শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেন, “দেশের প্রত্যেকটি রাজ্য যোগ দিবস পালন করলেও পশ্চিমবঙ্গ ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টিকে এড়িয়ে গিয়েছে। দেশের বিজেপি ও অবিজেপি শাসিত সব রাজ্যই যোগ দিবস পালন করেছে। শরীরকে সুস্থ রাখতে প্রত্যেকেরই উচিত যোগা করা।”


Loading

শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের  বিশেষ বৈঠকে ঠিক হল উন্নয়নের সব কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে 

শিলিগুড়ির মহকুমা পরিষদের বৈঠকে মিলিত হয়ে তৃণমূলের নেতারা সিদ্ধান্ত নিলেন উন্নয়নের সাথে কোনো সমঝোতা করা চলবে না

শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের বিশেষ বৈঠক 

আজ খবর (বাংলা),[রাজনীতি]  শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ২৪/০৬/২০২৫ : নিজস্ব প্রতিনিধি :  শিলিগুড়ি ও সমতল এলাকায় উন্নয়ন প্রকল্প চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যে বৈঠক করলো তৃণমূল নেতৃত্ব।  উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ যেভাবে চলছিল ঠিক সেভাবেই বাকি কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানিয়ে দিলেন তৃণমূল নেতারা। 

শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের এই বিশেষ বৈঠকে যে বিষয়টি উঠে এসেছে তা হল, উন্নয়নের কাজকর্ম এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে দলের তৃণমূল স্তর থেকে শুরু করে শীর্ষ স্তর পর্যন্ত একটা সুষম সমন্বয় থাকা অত্যন্ত জরুরি। আজকের বৈঠকে সেই কাজটাই করা হল। দলের মধ্যে কিছু ভুল বোঝাবুঝি অবশ্যই আছে, সেই ভুল বোঝাবুঝির জায়াগাগুলিকেও মেরামত করে নেওয়া হল আজকের বৈঠকে। ব্লক স্তরের নেতাদের সাথে শীর্ষ স্তরের প্রত্যেক নেতাদের আলাপচারিতার মাধ্যমে এই কয়েক ঘণ্টা ধরে এই আলোচনা করা হল। 

এই বৈঠকের শেষে তৃণমূল নেতৃত্ব জানিয়েছে, ‘এই অঞ্চলে অনেক কাজই করা হয়েছে, বাকি যে কাজগুলি রয়েছে, তাও দ্রুত শেষ করে ফেলার ব্যাপারে আজকের বৈঠকে আলোচনা করা হয়েছে। উন্নয়নের কাজ কোনোভাবেই আটকে  .থাকবে না।’ এই বৈঠকের পরবর্তী পর্যায়ে আগামী ২১শে  জুলাই নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 


Loading

কালীগঞ্জের এই জয় জনগণের : আলিফা 

কালীগঞ্জে তৃনমূল যে  জিতবে তা আগে থেকেই জানত পদ্ম শিবির 

আলিফা  আহমেদ, তৃণমূল

আজ খবর (বাংলা),  [রাজনীতি], কালীগঞ্জ, নদীয়া,  ২৪/০৬/২০২৫ :  কালীগঞ্জ উপনির্বাচনে জিতে তৃণমূল প্রার্থী আলিফা  আহমেদ বললেন, “আমরা সবসময়ই মানুষের জন্যে কাজ করি।”

কালীগঞ্জ উপ নির্বাচনে জিতে তৃণমূল প্রার্থী আলিফা আহমেদ বলেন, “আমরা সবসময়ই মানুষের জন্যে কাজ করে যায়। এটাই তৃণমূল কংগ্রেসের দস্তুর। অন্যদের মত ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করি না। আমরা সবসময়ই মানুষের পাশে থাকি, তাদের জন্যে কাজ করি আর সেই কারণেই আমরা মানুষের আশীর্বাদ পাই। তাই আমরা তাদের সকলের কথা বলি। আমার এই জয়কেও আমি জনগণের কাছে উৎসর্গ করলাম। এই জয় সকলের।”

নদীয়ার কালীগঞ্জ উপ নির্বাচনে তৃণমূল  কংগ্রেসের হয়ে প্রার্থী হয়েছিলেন আলিফা আহমেদ, বিজেপির হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন আশিস ঘোষ এবং কংগ্রেসের হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন কাবিলউদ্দিন শেখ. এই নির্বাচনে তৃণমূলের আলিফা  ৫০ হাজারেরও বেশি ভোটে জয়লাভ করেছেন।  ভোটে জিতে তাঁর বিপুল জয় আলিফা জনগণের উদ্যেশ্যে উৎসর্গ করেছেন এবং এই জয়ের জন্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন। আলিফা ‘দাদা’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন। নদীয়ার কালীগঞ্জের এই আসনটিতে বিধায়ক ছিলেন তৃণমূলের নাসিরুদ্দিন আহমেদ। তাঁর মৃত্যুর পর এই আসনে ভোটে জিতে এলেন তৃণমূলেরই আলিফা।


Loading

এখানে গণতন্ত্র নেই : সুকান্ত মজুমদার 

তৃনমুলের বিজয় উল্লাস প্রাণ কেড়ে নিল  একটি বাচ্ছা মেয়ের, এটাই কি গণতন্ত্রের নমুনা ? প্রশ্ন বিজেপির 

সুকান্ত মজুমদার (বিজেপি)

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৪/০৬/২০২৫ : কালীগঞ্জের মত জায়গাগুলিতে গণতন্ত্র বলে আর কিছু নেই বলে  করেছেন বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার।

উপ নির্বাচনের দিন যখন তৃণমূল সমর্থকেরা কালীগঞ্জে বিজয় উল্লাসে মেতেছিল, সেই সময় একটি বাড়িকে লক্ষ্য করে কেউ বোমা ছুঁড়ে দেয়। আর সেই বোমা ফেটেই মৃত্যু হয় ১৩ বছর বয়সী এক নাবালিকার। সেদিন  একটি বোমা বিস্ফোরণ গোটা গ্রামের চিত্রটাই বদলে দেয়। এই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও শোকাহত হয়েছেন এবং এই ঘটনার নিরপেক্ষ পুলিশি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। 

বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের আচরণ এবং ঐ  এলাকায় গণতন্ত্রহীনতাকেই দায়ী করেছেন। তিনি বলেছেন, “ঐ  জায়গাটি মুসলিম অধ্যুষিত। মুসলিম ভোট বেশি। এই মুসলিম ভোটকেই টার্গেট করে থাকে তৃণমূল কংগ্রেস। মুসলিম ভোটের ওপর ভরসা করে থাকা তৃণমূল কংগ্রেস সেদিন বিজয় উল্লাস পালন করছিল। সেদিন কেউ একজন সিপিএম সমর্থকদের বাড়ি লক্ষ্য করে বোমা ছোঁড়ে। যেখানে বোমাটি ফাটে, ঠিক সেখানেই দাঁড়িয়েছিল ১৩ বছর বয়সী একটি মেয়ে। ঘটনাস্থলেই মেয়েটি লুটিয়ে পরে।  তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও বাঁচানো যায় নি। মেয়েটি মারা যায়।

এই ঘটনাটিকেই কটাক্ষ করে বিবৃতি দিয়েছেন বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। 


Loading

মধ্যরাত্রে বিজেপি পার্টি অফিসের তালা ভেঙে পুলিশের তাণ্ডবের অভিযোগ উঠেছে 

মধ্যরাত্রে আইসির উপস্থিতিতে কিভাবে পুলিশ একটি রাজনৈতিক দলের অফিসের তালা ভেঙে ঢুকে পড়তে পারলো সেটা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ কি কোনো তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছিল ? 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], নতুনগঞ্জ,বাঁকুড়া, ১৫/০৬/২০২৫: নিজস্ব প্রতিনিধি : বিজেপি জেলা পার্টি অফিসে মধ্যরাতে তালা ভেঙে পুলিশের হামলা, এমনটাই অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।  আজ থানা ঘেরাও এর ডাক বিজেপির।

বিজেপির বাঁকুড়া নতুনগঞ্জ জেলা পার্টি অফিসে তালা ভেঙে রাতের অন্ধকারে পুলিশের তাণ্ডব! শনিবার গভীর রাত ২ টো নাগাদ বাঁকুড়া জেলা পুলিশের একটি টিম বাঁকুড়া সদর থানার আইসির উপস্থিতিতে, বাঁকুড়া সদর থানার পুলিশ ও খাতড়া থানার পুলিশ বাহিনী বিজেপি’র জেলা পার্টি অফিসের তালা ভেঙে পার্টি অফিসের ভিতরে ঢুকে কাগজপত্র তছনছ করে বলে অভিযোগ বিজেপির। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। খবর পেয়ে বিজেপি কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছলে পুলিশ পিছু হটতে বাধ্য হয়।

বিজেপির জেলা সভাপতি কটাক্ষ করে বলেন, “এই ঘটনা প্রমাণ করে, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এখন তৃণমূল কংগ্রেসের দলদাসে পরিণত হয়েছে।” তাঁর দাবি, রাজ্যের খাদ্য ও সরবরাহ প্রতিমন্ত্রী জ্যোৎস্না মান্ডির স্বামীর উপর হামলার ঘটনায় বিজেপির নাম জড়িয়ে মিথ্যা প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে পুলিশ এই অভিযান চালিয়েছে।

ঘটনার প্রতিবাদে আজ থানাঘেরাও এবং তৎ সংলগ্ন রাস্তা অবরোধের ডাক দিয়েছে বাঁকুড়া জেলা বিজেপি। জেলার রাজনীতিতে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তুঙ্গে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।


Loading

গতকাল প্রবল গন্ডগোলের পর আজ থমথমে মহেশতলা, রয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী 

কেন বার বার ঘটছে এই সংঘাত ?  কেন পুলিশকে আক্রান্ত হতে হচ্ছে ? রাজ্যে কেন বার বার ঘটছে এই ঘটনা ? 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি]  কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১২/০৬/২০২৫ : মহেশতলায় ফের সংঘাত দেখা দিয়েছে। সরকারি জমির ওপর অবস্থিত কোনো একটি নির্মাণকে ঘিরে সেখানে অশান্তি তৈরি হয় বলে জানা যাচ্ছে।  গতকাল এই ঘটনা নিয়ে মহেশতলায় তুমুল গন্ডগোলের সৃষ্টি হয়েছিল. পুলিশকে এলাকায় লাঠি চার্জ করতে  হয়েছে, কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়তে হয়েছে।

কেউ বলছেন একটি দোকান ঘরকে নিয়ে অশান্তির সূত্রপাত,  কেউ বলছেন একটি মন্দির তথা একটি তুলসী মঞ্চকে নিয়ে অশান্তির সূত্রপাত হয়েছিল মহেশতলায়। অশান্তির আগুন হঠাৎ করেই দাউ দাউ করে জ্বলে উঠেছিল। ভাংচুর করা হয় বেশ কিছু দোকানে, দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকটি অটো  ও গাড়িতে। ইঁট  ও পাথর বৃষ্টি করা হয় পুলিশের দিকে। তাতে অবস্থা আরও ঘোরালো হয়।  পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে লাঠি চার্জ করতে হয়, কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটাতে হয়।  গ্রেপ্তার করা হয় অনেককে।

গতকাল মহেশতলায় তুলসীমঞ্চ ভেঙে দেওয়া হয়েছে এই অভিযোগে বিজেপি বিধায়করা বিধানসভায় তুলসী গাছ নিয়ে যান এবং বিক্ষোভ দেখান। আজ বিধানসভায় প্রবেশ করার মুখে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী গতকাল হিন্দুদের ওপর আক্রমণের তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি এই ঘটনার জন্যে হিন্দু বিরোধী আখ্যা দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে  দিয়েছেন।

প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীর অবশ্য বলেন, “গতকাল পুলিশ সঠিক ভূমিকাই  নিয়েছিল। গতকালের হামলায় পুলিশকেও মার খেতে হয়েছিল, তারপরেই পুলিশ মার্ দিয়েছিল।” পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ। তিনি বলেন, “বিজেপি নেতাদের উস্কানিতেই এই ধরনের ঘটনা ঘটছে।” 

বিজেপি নেতা অর্জুন সিং  বলেন, “এই ধরনের সংঘাত কিভাবে বুঝে নিতে হয় তা আমরা জানি। আমি আমার দলকে বলব কড়া  হাতে এইসব কিছুকে রুখে দিতে । আমাদের মহেশতলায় পৌঁছানো দরকার। আমরা পথে নেমে প্রতিবাদ করব।” 

রাজনৈতিক চাপানউতোর যাই  হোক না কেন, কিছু মানুষ এই ধরনের সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছে কেন ? এটা  কি শুধুই রাজনৈতিক সংঘাত ? সাম্প্রদায়িক সংঘাত ?  নাকি অন্য কিছু ? পুলিশের কাছে কি এতবড় ঘটনার  কোনো আগাম তথ্য ছিল না ?  গতকাল পুলিশকেও আক্রমন করা হয়েছিল, কিন্তু তা সত্বেও মাথা ঠান্ডা রেখে পুলিশ গোটা পরিস্থিতি সামলেছে।  সেক্ষেত্রে পুলিশের প্রশংসা প্রাপ্য।  কিন্তু এই ধরনের ঘটনা বার বার কেন ঘটে চলেছে ? কখনো মুর্শিদাবাদে, কখনো মহেশতলায় ? রাজ্য সরকারের এই বিষয়গুলি নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করা উচিত এবং সমাধানের পথ খোঁজা উচিত  বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক থেকে শুরু করে ৮ থেকে ৮০ জন সাধারণ।


Loading

আমি এমন ভাষা বিধানসভায় আগে শুনি নি : বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় 

বাজারি ভাষায় কথা বলছেন শুভেন্দু অধিকারী। এর আগে বিধানসভায় এই ভাষায় কোনো বিরোধী দলনেতা কথা বলেন নি , বললেন বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১১/০৬/২০২৫ :  শুভেন্দু অধিকারী যে ভাষায় বিধানসভায় কথা বলছেন, সেই ভাষা এর আগে কখনো শুনি নি বিধানসভার মধ্যে, এই কথা বললেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। 

বিধান সভায় শাসকদল ও বিরোধীদের মধ্যে তরজা তুঙ্গে উঠেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের বিবৃতি দেওয়ার সময় বিজেপি নেত্রী কগ্নিমিত্রা পল রুখে দিতে চেষ্টা করেছিলেন।  সেই সময় মমতা তাঁকে ধমকে চুপ করিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী যে ভাবে এবং যে ভাষায় রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করতে গেলেন, সেই ভঙ্গিমাটি মেনে নেন নি তৃণমূল বিধায়করা। তাঁরা শুভেন্দুর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন স্পিকারের কাছে।  তৃণমূল বিধায়করা স্পিকারের কাছে বিরোধী দলনেতার স্বাধীকার ভঙ্গের অভিযোগ করেছেন। 

মমতা শুভেন্দুকে বলেন, “আমি আপনাকে ইগনোর করি…. আপনি একজন লিমিটলেস অপজিশন লিডার।”   স্বাধীকার ভঙ্গের নোটিশ নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “ওদের নোটিশের থোড়াই কেয়ার করি।  এই নোটিশ এর আগে সাতবার দেখেছি।”

বিধানসভার বাইরে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিধানসভার হট্টগোল নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, ” দীর্ঘদিন ধরেই বিধানসভায় আসছি, অনেক বিরোধী দলনেতা দেখেছি।কিন্তু এইবার শুভেন্দু অধিকারী যে ভাষায় এখানে কথা বলছেন, এভাবে কাউকে এর আগে বলতে শুনি নি। উনি সম্ভবত বিধানসভাকে বাজার বলে মনে করছেন।”



Loading

congtogel

slot gacor

link slot gacor

slot

hartacuan

slot

slot gacor

slot gacor

slot gacor

situs slot toto

playaja

hartacuan

slot gacor

situs slot gacor

link slot online

slot gacor

link slot gacor

slot bet 200

slot dana

slot online

slot gacor

slot777

slot deposit pulsa

situs gacor resmi

link slot gacor

slot gacor

slot gacor

slot toto

link slot

slot

slot

situs slot

slot gacor

login congtogel

situs togel

togel online

slot wdyuk

congtogel

bandar togel

hartacuan

congtogel

slot gacor

slot gacor

slot gacor

londonslot link alternatif

slot gacor

wdyuk

togel online

togel online

situs toto

indosloto

situs toto

watitoto

congtogel

congtogel

danatoto

slot gacor