প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভুটানের সাথে ভারতের সমঝোতা অনেক দিনের, সামরিক সহযোগিতাও কাম্য বলে মনে করে দুই দেশ
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ৩০/০৬/২০২৫ : ভারতীয় সেনা প্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী আজ ৪ দিনের সরকারি সফরে ভূটান গেলেন, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি করার লক্ষ্য নিয়ে।
এই সফরে সেনাধ্যক্ষ ভূটানের রাজা জিগমে খেসর নামগিয়েল ওয়াংচুকের সঙ্গে দেখা করবেন। তিনি রয়েল ভূটান আর্মির চিফ অপারেশনস অফিসার লেফটানেন্ট জেনারেল বাটু শেরিং-এর সঙ্গেও আলাপ আলোচনা করবেন। সেনাপ্রধান ভারতীয় দূতাবাস, ইন্ডিয়ান মিলিটারি ট্রেনিং টিম এবং প্রজেক্ট ডিএএনটিএকে – এর শীর্ষ পদাধিকারীদের সঙ্গেও আলোচনা করেবেন।
এই সফর ভারত ও ভূটানের মধ্যে গভীর এবং সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মৈত্রীর প্রতিফলন এবং নিকট ও বিশ্বস্ত অংশীদারের প্রতি ভারতের দায়বদ্ধতার পরিচায়ক।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], পোর্ট ব্লেয়ার,আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, ৩০/০৬/২০২৫ : আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপ পুঞ্জের কাছাকাছি সমুদ্র এলাকায় বার বার ভূকম্পন অনুভূত হয়ে চলেছে।
সোমবার একই দিনে তৃতীয়বারের জন্যে ভূমিকম্প অনুভূত হল আন্দামান সাগরে। রিখটার স্কেলে ভূকম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৭ ; বেলা ১২:০৬ মিনিটে ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে এই অঞ্চলে। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল এই ভূকম্পনের কেন্দ্রস্থল বলে জানা গিয়েছে। আজই সকাল ১০টা বেজে ৯ মিনিট নাগাদ এই অঞ্চলে প্রথম ভূকম্পন অনুভূত হয়েছিল, সেটির মাত্রা ছিল ৪.৭; তারপর বেলা ১১:২২ নাগাদ ফের ভূকম্পন হয়েছিল। সেই ভূকম্পনের মাত্রা রিখটার স্কেলে ছিল ৪.৬;
আন্দামান সাগর এমনিতেই ভূকম্পন প্রবন এলাকা এবং ভূকম্পনের দিক থেকে এই দ্বীপ পূঞ্জের অবস্থান দেশের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায়। কিন্তু একইদিনে তিন তিনবার এই এলাকায় ভূকম্পন হয়ে যাওয়ায় চিন্তিত আন্দামান প্রশাসন। যদিও এই এলাকায় এখনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয় নি। গত ২৫ তারিখেও এই আন্দামান সাগরেভূকম্পন অনুভূত হয়েছিল। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৪.৬; আজকের ভূমিকম্পে সেভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায় নি।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], পুরী ও দীঘা, ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গ, ২৭/০৬/২০২৬ : আজ রথযাত্রা, দেশের বিভিন্ন জায়গায় রথের দড়িতে টান পড়েছে। জগন্নাথ দেব চলেছেন মাসির বাড়িতে। সঙ্গে রয়েছেন দাদা বলভদ্র ও বোন সুভদ্রা।
পুরীতে রথের উৎসবে হাজির হয়েছেন লক্ষ লক্ষ ভক্তের দল। বহু প্রতীক্ষিত শ্র্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উপলক্ষে প্রতি বছরের মত এবছরেও ভীড় উপচে পড়েছে। মা লক্ষীকে বিদায় জানিয়ে জগন্নাথদেব পুরীর মন্দির থেকে ভক্তদের কাঁধে চেপে এবং তাঁর নন্দীঘোষ রথে বিরাজমান হয়েছেন। রথের দড়িতে টান পড়তেই বিজয় উল্লাসে মেতে উঠেছে মর্ত্যবাসী। ‘জয় জগন্নাথ’ ধ্বনিতে একটু একটু করে রথ এগিয়ে চলেছে মাসির বাড়ি অর্থাৎ গুন্ডিচা মন্দিরের দিকে।
এ বছর রথ উপলক্ষে সেজে উঠছে দীঘার জগন্নাথ দেবের মন্দিরটিও। কিছুদিন আগেই উদ্বোধন হয়েছিল, আর এই বছর প্রথম রথের দড়িতে টান পড়ল। রথ উপলক্ষে দীঘায় প্রচুর ভক্তের ভীড় হয়েছে। রথের দড়িতে টান দিতে দীঘায় আগেই পৌঁছে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দীঘার মানুষ আজ এক অন্যরকম মহোৎসবের সাক্ষী থেকে গেলেন। রথ উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্র দুয়ারে রেশন প্রকল্পের মাধ্যমে জগন্নাথ দেবের প্রসাদ বিতরণ করা হয়েছে।
আজ রাজ্যের অন্যান্য জায়গাতেও রথ যাত্রা পালিত হচ্ছে মহা ধুমধামের সাথে। ইসকনের রথযাত্রায় এ বছর বেশ ভীড় লক্ষ্য করা গিয়েছে। হুগলির মাহেশের রথেও একই অবস্থা। উত্তর কলকাতার শহরতলি রথতলাতেও রথ বেরিয়েছে। গুপ্তিপাড়াতেও আজ রথের দড়িতে টান পড়েছে। মহিষাদল রাজবাড়ীর রথ উৎসবও পালিত হয়েছে। বর্ধমানের আমাদপুরের রথযাত্রা বেশ বিখ্যাত, গোটা গ্রাম পরিক্রমা করে এই রথ। এই রথের চাকার মাটি দিয়েই তৈরি করা হয় দূর্গা মূর্তি। হুগলির চন্দনগরেও পালিত হয়েছে রথযাত্রা। নদীয়ার যাগবলহাট রথযাত্রাও পালিত হয়েছে মহা সোৎসাহে। হুগলির গরল গাছাতেও মুখার্জি বাড়ির রথ উৎসব পালিত হয়েছে। নৈহাটির কাঁঠালপাড়ায় বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাবার তৈরি রথযাত্রা পালিত হয়েছে। এছাড়াও কলকাতার খিদিরপুর অঞ্চলে জগন্নাথ মন্দির থেকেও প্রতি বছরের মত এ বছরেও রথ বেরিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
গত কয়েকদিন ধরেই ছোটবড় দুর্ঘটনা ঘটে চলেছিল রুদ্রপ্রয়াগের বিভিন্ন জায়গায়। প্রকৃতি সত্যিই যেন রুদ্ররূপ ধারণ করেছে। কখনো বোল্ডার ধ্বসেপড়ছে,কখনো হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা। আজ ঘটে গেল বাস দুর্ঘটনা।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], রুদ্রপ্রয়াগ,উত্তরাখন্ড, ২৬/০৬/২০২৫ : ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে গেল উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপ্রয়াগে। বৃহস্পতিবার একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এই ঘটনায় কয়েকজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে,বাকিরা নিখোঁজ। তবে দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে এখনও পর্যন্ত।
চারধাম যাত্রা করেছিলেন একদল পুণ্যার্থী। তাঁরা কেদারনাথ দর্শন করে রুদ্রপ্রয়াগ থেকে রাতের বেলায় বাসে করে বদ্রীনাথের দিকে যাচ্ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, সেই সময় উল্টো দিক থেকে আসা একটি ট্রাক সজোরে ধাক্কা মারে সেই বাসটিতে। এই ঘটনা ঘটেছে স্টেট্ ব্যাঙ্ক টাৰ্নিংএ। ধাক্কা লাগতেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি পাশের ৩০০ ফুট গভীর খাদে গিয়ে পড়ে। নিচ দিয়ে সগর্জনে বয়ে যাচ্ছিল অলকানন্দা নদী। বাসটি নদীতে গিয়ে পড়ে। অলকনন্দা নদীতে এই মুহূর্তেপ্রচুর জল.
ভোর হওয়ার আগেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় এসডিআরএফ এবং পুলিশ। দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়। বাসটিতে মোট ২০ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তার মধ্যে ৮ জনকে উদাহর করা গিয়েছে। হেলিকপ্টারে এয়ার লিফ্ট করে তাঁদেরকে ঋষিকেশের এইমস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে তাঁদের চিকিৎসা চলছে। অভিশপ্ত ঐ বাসের বাকি যাত্রীদের কোনো খোঁজ নেই। তাঁদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এই ঘটনায় দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে। উদ্ধারকাজে নৌকা, বাইনোকুলার ও অন্যান্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হয়েছে।
উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেল এখনই স্বাভাবিক হচ্ছে না. বিভিন্ন জায়গায় ধ্বস নামার ফলে. বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে ত্রিপুরা
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], গুয়াহাটি, আসাম, ২৫/০৬/২০২৫ : এখনই স্বাভাবিক হচ্ছে না রেল পরিষেবা। অন্তত পূর্বোত্তর সীমান্ত রেলওয়ের বিবৃতি থেকে তাই আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ, আগামী ২৭ জুনের বেঙ্গালুরু-আগরতলা হামসফর এক্সপ্রেস আজকেই বাতিল বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ফলে অনেকটা নিশ্চিত ভাবেই অনুমান করা যাচ্ছে, ত্রিপুরায় আবারও দূরপাল্লার রেল পরিষেবা চালু হতে অন্তত ২৮ জুন পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে।
মঙ্গলবার এক প্রেস বিবৃতিতে পূর্বোত্তর সীমান্ত রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জল কিশোর শর্মা জানিয়েছেন, সম্প্রতি ভূমিধসের ফলে লামডিং-বদরপুর হিল সেকশনে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে, রেলওয়ে এবং রাজ্য কর্তৃপক্ষ দ্রুত পুনরুদ্ধারের জন্য নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং তাৎক্ষণিক সমাধানের ব্যবস্থা করার একটি উচ্চ-পর্যায়ের জরুরি সভা আহ্বান করা হয়, যেখানে উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে, রাজ্য সরকার, ন্যাশনাল হাইওয়ে অথোরিটি অব ইন্ডিয়া (এনএইচএআই) এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার বরিষ্ঠ আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন। যাত্রী এবং রেলওয়ের সম্পদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য ট্রেন চলাচল স্থগিত রাখা অতি জরুরী ছিল। উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে উচ্চ প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি, সরঞ্জাম এবং জনবল মোতায়েন করে ঘটনাস্থলে ধ্বংসাবশেষ অপসারণ দ্বারা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ট্র্যাক পুনরুদ্ধারের জন্য দিনরাত কাজ করছে। ধারাবাহিকভাবে যৌথ পর্যবেক্ষণ এবং সমন্বিত প্রচেষ্টা চলছে এবং লাইনের সুরক্ষা নিশ্চিত হওয়ার সাথে সাথে ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানিয়েছেন, পুনরুদ্ধারের কাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত যাত্রীদের সুরক্ষার জন্য কিছু ট্রেন বাতিল এবং আংশিক বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ট্রেন চলাচল এবং পরিষেবা পুনরুদ্ধার সম্পর্কে আরও তথ্যের জন্য যাত্রীদের সরকারি রেল যোগাযোগ চ্যানেলের মাধ্যমে আপডেট থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে। তিনি জানান, ২৪ জুন রওনা দেওয়ার জন্য নির্ধারিত ট্রেন নং. ১৫৬১১ (রঙিয়া-শিলচর)এক্সপ্রেস, ট্রেন নং. ১৫৬১২ (শিলচর-রঙিয়া) এক্সপ্রেস এবং ট্রেন নং. ১৫৬১৫ (গুয়াহাটি-শিলচর) এক্সপ্রেস, ২৫ জুন রওনা দেওয়ার জন্য নির্ধারিত ট্রেন নং. ১৫৬১৬ (শিলচর-গুয়াহাটি)এক্সপ্রেস, ট্রেন নং. ১৫৮৮৮/১৫৮৮৭ (গুয়াহাটি-বদরপুর-গুয়াহাটি) টুরিষ্ট এক্সপ্রেস এবং ট্রেন নং. ২২৪৫০ (নিউ দিল্লি – গুয়াহাটি) পূর্বোত্তর সম্পর্ক ক্রান্তি এক্সপ্রেস এবং ২৭ জুন রওনা দেওয়ার জন্য নির্ধারিত ট্রেন নং. ১২৫০৩ (এসএমভিটি বেঙ্গালুরু-আগরতলা)হামসফর এক্সপ্রেস বাতিল করা হয়েছে।
এছাড়া, ২৩ জুন রওনা দেওয়া ট্রেন নং. ১৫৬২৫ (দেওঘর-আগরতলা)এক্সপ্রেসটি লামডিঙে সংক্ষিপ্ত সমাপন করা হবে এবং লামডিং ও আগরতলার মধ্যে পরিষেবা বাতিল থাকবে। ২৪ জুন রওনা দেওয়ার জন্য নির্ধারিত ট্রেন নং. ১৩১৭৩ (শিয়ালদহ-সাবরুম)কাঞ্চনজঙ্গা এক্সপ্রেসটি লামডিঙে সংক্ষিপ্ত সমাপন করা হবে এবং লামডিং ও সাবরুমের মধ্যে পরিষেবা বাতিল থাকবে। ২৪ জুন রওনা দেওয়ার জন্য নির্ধারিত ট্রেন নং. ১২৫১৬ (শিলচর-কয়েম্বাটোর)এক্সপ্রেসটি গুয়াহাটি থেকে সংক্ষিপ্ত আরম্ভ হবে এবং শিলচর ও গুয়াহাটির মধ্যে পরিষেবা বাতিল থাকবে। ২৫ জুন রওনা দেওয়ার জন্য নির্ধারিত ট্রেন নং. ১২৫০২ (আগরতলা-কলকাতা)গরীব রথ এক্সপ্রেসটি গুয়াহাটি থেকে সংক্ষিপ্ত আরম্ভ হবে এবং আগরতলা ও গুয়াহাটির মধ্যে পরিষেবা বাতিল থাকবে।
তিনি জানান, অনুমান অনুসারে প্রায় ৫০,০০০ ঘনমিটার কাদা এবং পাথর রেলওয়ে রিটেইনিং ওয়াল পর্যন্ত এসে পড়েছে। যত সম্ভব তাড়াতাড়ি ট্র্যাকের কাজ শুরু করার জন্য কমপক্ষে ৩০,০০০ ঘনমিটার কাদা পরিষ্কার করতে হবে। রেলওয়ের টিম যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করছে এবং লামডিং ডিভিশন এবং মুখ্য কার্যালয়ের বরিষ্ঠ রেলওয়ে আধিকারিকরা পুনরুদ্ধার প্রচেষ্টা পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয়ের জন্য ঘটনাস্থলে ক্যাম্প করছেন। তিনি বলেন, রেলওয়ে প্রশাসন অনিবার্য ট্রেন বাতিলকরণ এবং পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার ফলে যাত্রীদের অসুবিধার জন্য গভীরভাবে দুঃখিত এবং আশ্বাস প্রদান করে যে সুরক্ষা নিশ্চিত করে ট্রেন চলাচল পুনরুদ্ধারের জন্য যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সমস্ত প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। যাত্রীদের রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, হেল্পলাইন এবং সোশিয়াল মিডিয়া হ্যান্ডেলের মাধ্যমে ট্রেন পরিষেবা সম্পর্কে সর্বশেষ আপডেটগুলি পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
কেদারনাথে ভীড় বেড়েছে প্রচুর, কেদারনাথ তীর্থক্ষেত্র, পর্যটনস্থল নয়, এই ব্যাপারটাকেই মেনে নিতে চাইছে না অনেকেই। কেউ কেউ মানতে চাইছে না পাহাড়ের নিয়ম। ফলে নেমে আসছে বিপর্যয়, বলছেন স্থানীয়রা।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], রুদ্রপ্রয়াগ, উত্তরাখন্ড, ১৮/০৬/২০২৫ : চারধামের অন্যতম তীর্থক্ষেত্র কেদারনাথ যাওয়ার পথে এবার একাধিকবার দুর্ঘটনা ঘটছে। বিষয়টিকে মঙ্গলজনক দেখছে না উত্তরাখণ্ডের অনেকেই।
আজ সকাল ১১:২০ নাগাদ কেদারনাথ যাওয়ার পথে জঙ্গলচটি নামে একটি জায়গায় হঠাৎ করেই ধ্বস নেমে আসে পাহাড়ের উচ্চতা থেকে। সেই ধ্বসে চাপা পড়ে গিয়ে আজ ২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৩ জন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। ঐ সময় কেদারনাথ ট্রেক রুটে পুণ্যার্থীরা এগিয়ে যাচ্ছিলেন পায়ে পায়ে। যখন পাহাড়ের ওপর থেকে হুড়মুড় করে মাটি, বালি , নুড়ি পাথর ও বোল্ডার নেমে আসে।
দিন কতক আগে জঙ্গলচটির ঠিক ঐ জায়গাতেই নুড়ি পাথর ও বোল্ডার পড়তে শুরু করেছিল, যার জেরে কেদারনাথ ট্রেক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল কিছুক্ষনের জন্যে। তবে সেদিন আগাম সতর্কতা অবলম্বন করায় কেউ আহত হন নি। আজ দুজনের প্রাণ গেল, তিনজন আহত হলেন। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে দ্রুত ছুটে যায় উত্তরাখণ্ডের পুলিশ। আজও কিছুক্ষন সময় বন্ধ রাখা হয়েছিল কেদারনাথ যাত্রা। তারপর রাস্তা পরিষ্কার করে ফের শুরু করা হয় যাত্রা।
এর মধ্যেই কেদারনাথ থেকে গুপ্ত কাশি যাওয়ার পথে একটি হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় পরে গিয়েছিল। ঐ হেলিকপ্টারে থাকা যাত্রীরা সবাই মারা গিয়েছিলেন, পাইলট সহ.। সেদিন সারাটা দিন বন্ধ রাখা হয়েছিল কেদারনাথের হেলিকপ্টার সার্ভিস। এছাড়াও কিছু ছোটখাটো ঘটনার সাক্ষী থাকছে কেদারপাহাড়। যার ফলে কেউ কেউ এই ঘটনাগুলিকে জুড়ে কুসংস্কারের গল্প শোনাচ্ছেন।
তবে একথা ঠিক যে, অনেক যাত্রী সংস্কার ভুলে যা খুশি তাই করছেন। কেদারনাথ যে একটা তীর্থক্ষেত্র, পর্যটনস্থল নয়, এটাই অনেকে বুঝতে চান না. এই কয়েক বছরে তুমুল ভীড় বেড়েছে কেদারনাথে। পুজোর দালির সংখ্যা বেড়েছে, সেই দালির দোকানের সংখ্যা বেড়েছে, বেড়েছে যথেচ্ছাচার, আরও কত কিছু। আর এই জন্যেই বার বার বিপর্যয় নেমে আসে কেদারনাথ পাহাড়ে। পাহাড় আর কি করবে ? এখানকার মানুষ পাহাড়ে চলার নিয়ামটুকুও জানে না, তারা অযোগ্য ! বলছেন স্থানীয় প্রবীনরাই। অবশ্য ধর্মপ্রাণ মানুষের সংখ্যাও নেহাত কম নেই !
পাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারত ফিরিয়ে আনবেই এমন একটা মানসিকতা নিয়ে চলছে এই দেশ। তবে আরএসএস নেতা যেটা দাবী করছেন বাস্তব ছবিটা কিন্তু তার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।
ইন্দ্রেশ কুমার, আরএসএস
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], সিমলা, হিমাচলপ্রদেশ, ১৬/০৬/২০২৫ : রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের সিনিয়র নেতা ইন্দ্রেশ কুমার গতকাল দাবী করেছেন যে গুজরাটের উত্তর দিক থেকে শুরু করে লাদাখ পর্যন্ত ভারতের সীমানা মানচিত্র বদলাতে চলেছে। ভারতীয়রা প্রস্তুত থাকুন।
চার দিন ধরে হিমাচল প্রদেশের কিন্নর, লাহুল, স্পিতি সফর করে এসে আরএসএস নেতা ইন্দ্রেশ কুমার বলেছেন,”গুজরাটের উত্তর দিক থেকে শুরু করে লাদাখ পর্যন্ত পাকিস্তানের অনেকটা অংশই ভারতের সাথে অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে। পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের সাথে অন্তর্ভুক্ত হতে চেয়েছে, এই দাবী নিয়ে অনেকদিন ধরে তারা নানারকম আন্দোলন করে আসছে। এর সাথে সাথে সিন্ধু, বালুচিস্তান, গিলগিট-বাল্টিস্তানেয় মত জায়গাগুলি হয় ভারতের সাথে অন্তর্ভুক্ত হতে চাইবে অথবা পূর্ণ স্বাধীনতা দাবী করবে।”
ইন্দ্রেশ দাবী করেছেন,”পাকিস্তানের ভিতরকার অন্তত ১০০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার জায়গা যুক্ত হয়ে যাবে ভারতের সাথে। গুজরাটের উত্তরে কচ্ছ ভারতের সীমানা নয়, ভারতের মধ্যেকার একটি অংশ হবে. পাখতুনখোয়া জায়গাটিও ভারতের সাথে যুক্ত হতে পারে। ভারতীয়দের দেশের এই মানচিত্র পরিবর্তনের জন্যে প্রস্তুত থাকা উচিত। পাকিস্তানের অধিকাংশ জায়গাই ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারে। সেক্ষেত্রে যুদ্ধ জিনিসটা এখন যে জায়গায় আছে, অর্থাৎ ভারত পাকিস্তান সীমান্তে, তখন সেটা চলে যাবে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে।”
ইন্দ্রেশ আরও দাবী করে বলেছেন, “ভারত ও পাকিস্তানের বিষয়ে চীন বরাবর উস্কানি দিয়ে আসছে। তিব্বত ও কৈলাস দখল করেই তারা থেমে থাকে নি। হিমালয় অঞ্চলে তারা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী মানুষদের সাথে ক্রস ব্রিডিং শুরু করেছে। এভাবেই হিমালয় অঞ্চলের ভৌগলিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় পরিবর্তন আনার দীর্ঘমেয়াদি টার্গেট নিয়েছে চীন। এটা খুবই সাংঘাতিক ব্যাপার। চীন সৈনিকরা বিক্ষিপ্তভাবে ভারতীয় হিমালয়ের আন্তর্জাতিক সীমানা পার করে এপারে এসে বিভিন্ন পাথরের ওপর চীন জিন্দাবাদ লিখে রেখে চলে যাচ্ছে। চীনের এই ছোটোখাটো অনুপ্রবেশও একদিন মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে, ভারতকে সতর্ক থাকতে হবে।”
জুন মাসেই তাঁকে সিমলার একটি হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়েছিল। ফের গতকাল পেটে ব্যাথা অনুভব করে এবার দিল্লীর হাসপাতালে ভর্তি করা হল কংগ্রেস শীর্ষ নেত্রীকে।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ১৬/০৬/২০২৫ : পেটে অসহ্য যন্ত্রনা নিয়ে গতকাল কংগ্রেস শীর্ষ নেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে ভর্তি করা হয়েছে দিল্লীর গঙ্গা রাম হাসপাতালে। তবে আপাতত ভাল আছেন নেত্রী।
গতকাল পেটে যন্ত্রনা অনুভব করেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। তারপরেই তাঁকে ভর্তি করা হয় দিল্লীর গঙ্গারাম হাসপাতালে। সেখানকার গ্যাস্ট্রো বিভাগে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে। রাজ্যসভার এই সাংসদের ওপর ২৪ ঘন্টা অবজারভেশন করছেন ঐ হাসপাতালের চিকিৎসকেরা।
এই মুহূর্তে সোনিয়া গান্ধীর শারীরিক পরিস্থিতি ঠিক কি তা অবশ্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিছু জানায় নি। তাঁর ঠিক কি হয়েছে জানা যায় নি সেটাও।
তবে গত ৭ই জুন, হিমাচল প্রদেশের সিমলা শহরে ইন্দিরা গান্ধী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে। হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছিল, সাধারণ কিছু শারীরিক ব্যাপারে চেক আপের জন্যে সোনিয়া গান্ধীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তাঁর শরীরে মাইনর কিছু সমস্যা ছিল । কিন্তু তিনি স্থিতিশীল ছিলেন।
কেদারনাথ অঞ্চলে হেলিকপ্টার চেপে শর্টকার্টে উড়ে যাওয়ার চাহিদা দিন কে দিন বেড়ে চলেছে ব্যাপকভাবে। বেড়ে গিয়েছে হেলিকপ্টারের সংখ্যাও। বেড়েছে বিপদের আশঙ্কাও।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], কেদারনাথ, উত্তরাখন্ড, ১৫/০৬/২০২৫ : নিজস্ব প্রতিনিধি : ফের দুর্ঘটনা আকাশপথে। এবার একটি হেলিকপ্টার আছড়ে পড়ল পাহাড়ি খাদের মধ্যে। এই ঘটনায় পাইলট সহ মারা গিয়েছেন মোট ৭ জন।
আজ একটি হেলিকপ্টার তীর্থযাত্রীদের নিয়ে কেদারনাথ ধাম থেকে গৌরীকুন্ড হয়ে গুপ্তকাশীর দিকে যাচ্ছিল। ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ ওই হেলিকপ্টারটি রুদ্রপ্রয়াগ জেলার গৌরীকুণ্ডের কাছে আসতেই নিচে আছড়ে পড়ে। নিচে আছড়ে পড়তেই কপ্টারটিতে আগুন লেগে যায়। এই ঘটনায় পাইলট সহ হেলিকপ্টারে সওয়ার সাত জনেরই মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যাত্রীদের মধ্যে একজনের বয়স ছিল মাত্র দুই বছর। দুর্ঘটনার পরেই উদ্ধারকাজ শুরু করে দেওয়া হয়।
কিভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনো জানা যায় নি। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে খারাপ আবহাওয়ার জন্যে দৃশ্যমানতা কম থাকার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি। এই দুর্ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী উত্তরাখণ্ডে হেলিকপ্টার চলাচলের একটি গাইডলাইন প্রকাশ করেছেন। হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার জেরে আজ কেদারনাথ যাওয়ার অন্যান্য সব হেলিকপ্টার রাইড আজ বন্ধ রাখা হয়েছে।
এদিকে আজ কেদারনাথ যাত্রা কিছুক্ষনের জন্যে ব্যাহত হয়েছে। শোনপ্রয়াগ থেকে কেদারনাথ যাওয়ার পথে রুদ্রপ্রয়াগের জঙ্গলচটি অঞ্চলে পাহাড়ের ওপর থেকে পাথর গড়িয়ে নামতে থাকে, কিছুটা জায়গা জুড়ে ছোট ছোট নুড়ি পড়তে শুরু করে। এর জেরে বেশ কিছুক্ষন কেদারনাথ যাত্রা বন্ধ রাখা হয়েছিল। এছাড়াও হাঁটাপথে গৌরীকুন্ড থেকে কেদারনাথ যাওয়ার পথে একটি জায়গায় প্রায় আড়াই কিলোমিটার জুড়ে রাস্তা এতটাই ভাঙা রয়েছে যে হেঁটে যাওয়া যথেষ্ট দুরূহ হয়ে উঠেছে। এই নিয়ে বেশ কিছু অভিযোগও জমা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে।
দু’বার বাতিল হয়ে গেলেও সব বাধা সরিয়ে ফের একবার মহাকাশের পথে পাড়ি দিতে চলেছেন শুভাংশুরা। তাঁদের সাফল্য কামনায় ভারতবর্ষ।
আজ খবর (বাংলা) [দেশ]নতুন দিল্লী, ভারত, ১৪/০৬/২০২৫ : ভারতীয় নভোশ্চর শুভাংশু শুক্লাদের মহাকাশ অভিযানের দিন ফের একবার নির্ধারিত করা হয়েছে। আগামী ১৯শে জুন শুভাংশুরা মহাকাশের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন।
পরপর দু’বার বাতিল হয়েছে শুভাংশুদের মহাকাশ যাত্রা। প্রথমবার তাঁদের যাত্রা বাতিল করা হয়েছিল খারাপ আবহাওয়ার জন্যে। মহাকাশযান উৎককেপং করে যায় নি। দ্বিতীয়বার তাঁদের অভিযান আটকে গিয়েছিল মহাকাশযানে যান্ত্রিক ত্রুটির জন্যে। তবে সেই সব যান্ত্রিক ত্রুটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে , এবং সমস্ত সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। একটি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে জানানো হয়েছে মহাকাশযানটি এখন সব দিক থেকেই ত্রুটিমুক্ত হয়েছে।
শুভাংশুদের এক্সিওম অভিযান হবে আগামী ১৯ তারিখ। সেই দিন চার নভোশ্চরকে নিয়ে উড়ে যাবে মহাকাশযান। তাঁরা পৌঁছে যাবেন মহাকাশে থাকা স্পেস স্টেশনে। সেখানে কিছুদিন গবেষণার কাজ করে ফের পৃথিবীতে ফিরে আসবেন তাঁরা। শুভাংশু শুক্লাদের অভিযানের সর্বোতভাবে সাফল্য কামনা করছে ভারতবাসী।