Aaj Khabor

ক্ষমা চাইলেন অনুব্রত

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], বোলপুর, বীরভূম, ৩০/০৫/২০২৫ :  বোলপুর থানার আইসিকে কদর্য ভাষায় গালাগালি দেওয়ার পর আজ লিখিতভাবে ক্ষমা চাইলেন তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডল।

গতকাল বোলপুর থানার আইসির সাথে টেলিফোনে বিবাদে জড়িয়ে পড়েছিলেন বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডল।  বৃহস্পতিবার রাতে এই ঘটনা নিয়ে হৈ  চৈ পড়ে  যায়. একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়ে যায়। যদিও আজ খবর সেই অডিও ক্লিপের সত্যতা যাচাই করে নি। অডিও ক্লিপটিতে দেখা যাচ্ছে  একটি টেলিফোনে অনুব্রত মণ্ডল উত্তেজিতভাবে বোলপুর থানার আইসি লিটন দাসকে হুমকি দিচ্ছেন ।  ঐ  অডিওতে দেখা যায় আইসি লিটন দাসকে জঘন্য ভাষায় গালিগালাজ করছেন  তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডল।  ওই আধিকারিকের মা ও স্ত্রীকে নিয়েও নোংরা কথা বলছেন এবং ওই অফিসারকে রীতিমত হুমকি দিচ্ছেন তিনি। এই অডিও ভাইরাল হতেই চতুর্দিক থেকে সমালোচনার বন্যা বয়ে যায়। বিজেপি শিবির থেকেও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করা হয়।

এই পরিস্থিতি যথেষ্ট বিরক্তিকর লাগে তৃণমূলের শীর্ষস্থানীয় নেতা নেত্রীদের কাছে।  তাঁদের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এরপর দলের তরফ থেকে অনুব্রতকে নির্দেশ দেওয়া হয় যেন তিনি চার ঘন্টার মধ্যেই ঐ  আইসির কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন। অনুব্রতও আর কাল বিলম্ব না করে আজ একটি চিঠির মাধ্যমে লিখিতভাবে ক্ষমা চেয়ে নিলেন পুলিশের ঐ  আধিকারিকের কাছে।  দল এরপরেও তাঁর বিরুদ্ধে  কোনো  ব্যবস্থা নেয়  কিনা সেটাই দেখার। তবে এই ঘটনায় অনুব্রতরবিরুদ্ধে পুলিশ নিজেই ডায়রি করেছে। অনুব্রত মন্ডলকে পুলিশ আজ নোটিশ পাঠিয়ে দিয়েছে আগামীকাল সকালে থানায় তলব করা হয়েছে তাঁকে। তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশি বা কি ব্যবস্থা নেয় সেটাই দেখতে হবে।  এক পুলিশ কর্মী পার্টি অফিসে গিয়ে ঐ  নোটিশ পৌঁছে দিয়ে এসেছেন। 

অনুব্রত তাঁর ভুল স্বীকার করেছেন, এবং জানিয়েছেন, অসুস্থতার জন্যে তাঁকে নানারকম ওষুধ খেতে হয়। মমতার নামে কেউ খারাপ কিছু বললে মাথায় আগুন জ্বলে ওঠে। নিজেকে সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে।  তাই তিনি ঐ  কাজ করে ফেলেছেন। তবে পুলিশের কাছে ১০০ বার ক্ষমা চেয়ে নেওয়া যায়।


Loading

সিকিমের সাথে দার্জিলিংকে মিলিয়ে দেওয়ার দাবী উঠল পাহাড়ে

ড: হরকা বাহাদুর ছেত্রী

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ৩০/০৫/২০২৫ :  দার্জিলিংকে সিকিমের সাথে মিলিয়ে দেওয়ার দাবী উঠলেও পাহাড় জুড়ে এমন দাবীর জোরালো সমর্থন নেই।

কালিম্পঙের প্রাক্তন বিধায়ক ড: হরকা বাহাদুর ছেত্রীর নেতৃত্বে জন আন্দোলন পার্টি (জাপ) একটি দাবী তুলেছেন  যে  দার্জিলিংকে সিকিমের সাথে মিশিয়ে দেওয়া হোক। অর্থাৎ সিকিম এবং দার্জিলিং এক হয়ে যাক। হঠাৎ কেন এই ধরনের একটা অদ্ভুত দাবী করছেন জাপ  নেতা হরকা বাহাদুর ছেত্রী ? একদা গোর্খাল্যান্ড আন্দোলনের মুখ হিসেবে পরিচিত এই নেতা এতদিন চুপ চাপ থাকার পর কেন এই ধরনের দাবী নিয়ে সোচ্চার হতে চলেছেন ? এই নিয়ে কি ফের পাহাড়ের রাজনীতিতে উত্তেজনা দেখা দেবে ?  পাহাড়ে কি ফের একবার জনজীবন স্তব্ধ হয়ে যেতে পারে ?

হড়কা বাহাদুর ছেত্রী অবশ্য সেই কথা বলছেন না। তিনি বলছেন, “একসময় সমগ্র দার্জিলিং (শিলিগুড়ি সহ) সিকিমেরই অংশ ছিল। দার্জিলিং সিকিমের সাথে যুক্ত হলে সিকিমের আয়তন বেড়ে যাবে। তাছাড়া ভাষা ও সংস্কৃতির দিক থেকে এই দুই জায়গায় বিশেষ কোনো প্রভেদ নেই।” তাহলে তিনি কি গোর্খাল্যান্ডের দাবী থেকে সরে আসছেন ? আজ খবরের প্রশ্নের উত্তর দিতে একটু সময় নিলেন ড: হরকা বাহাদুর ছেত্রী। তারপর বললেন, ” আমাদের দাবী যথেষ্ট ন্যায্য। এই মুহূর্তে আমাদের দাবী দার্জিলিঙ-কালিম্পঙকে সিকিমের সাথে যুক্ত করে দেওয়া। আমরা ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীকে আমাদের দাবী ফ্যাক্স মারফত পাঠিয়ে দিয়েছি, এবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও জমা দেব।”

দার্জিলিংকে নিয়ে বার বার রাজনৈতিক দাবী উঠছে, যেখানে দার্জিলিঙের নেতারা কখনো নিজেদেরকে আলাদা করে নিতে চাইছেন, আলাদা রাজ্য চাইছেন। গোর্খাল্যান্ড গঠন করতে চাইছেন, কখনো ষষ্ঠ  তফসিল চাইছেন। কখনো সিকিমের সাথে জুড়ে যেতে চাইছেন। অথচ কোনোভাবেই পশ্চিমবঙ্গের সাথে আর থাকতে চাইছেন না। তবে  হড়কা বাহাদুরের এই দাবী নিয়ে পাহাড়ের রাজনীতিও কোনোভাবেই উত্তপ্ত হয়ে উঠবে না বলে মনে করছে দার্জিলিং পাহাড়ের রাজনৈতিক মহল। তৃণমূল নেত্রী শান্তা ছেত্রী অবশ্য  এই ইস্যুতে কোনরকম মন্তব্য করতে চান নি। 

ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চার তরফ থেকে  এস পি শর্মা বলেন, “জাপের কাছে আর কোনো ইস্যু নেই, তাই এই ধরনের ইস্যু নিয়ে রাজনীতিতে টিঁকে  থাকতে চাইছে।  সিকিমের তরফ থেকেও এই ধরনের কোনো দাবী ওঠে নি। তাই এই ধরনের বক্তব্যকে গুরুত্ব দেওয়া আদৌ উচিত হবে না।”  হরকাবাহাদুর ছেত্রীরা গতকালই প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাঁদের দাবীপত্র জমা দিতে গিয়েছিলেন, কিন্তু মাঝপথেই সিকিম পুলিশ তাঁদের আটকে দিলে তাঁরা ফিরে যান এবং ফ্যাক্স মারফত তাঁদের দাবী প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠিয়ে দেন। আজ তাঁরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকেও একই দাবী জমা করতে পারেন। 


Loading

কালীগঞ্জ উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের

আজ খবর (বাংলা),[রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৭/০৫/২০২৫ :  আসন্ন উপনির্বাচনের জন্যে কালীগঞ্জ কেন্দ্র থেকে প্রার্থী ঘোষণা করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

নদীয়া জেলার কালীগঞ্জের বিধায়ক নাসিরুদ্দিন আহমেদের মৃত্যুর পর এই কেন্দ্রে এবার উপ নির্বাচন করা হচ্ছে। এখানে আগামী ১৯শে  জুন তারিখে ভোট গ্রহণ করা হবে।  এই কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে ভোটে প্রার্থী হচ্ছেন আলিফা  আহমেদ।  আজ তৃণমূল সুপ্রিমো  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কালিগঞ্জের  প্রার্থী হিসেবে আলিফার  নাম ঘোষণা করেছেন। 

ভারতের নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করেছে আগামী জুন মাসের ২৫ তারিখে চার রাজ্যের কয়েকটি জায়গায় উপনির্বাচন করা হবে।  সেই জায়গাগুলি হল গুজরাটের কাদি ও ভিসাবার, কেরালার নীলাম্বুর, পাঞ্জাবের লুধিয়ানা এবং পশ্চিমবঙ্গের কালীগঞ্জে। কালীগঞ্জের নির্বাচন কেন্দ্রীয় বাহিনীর তত্বাবধানে করানোর কথা বলেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। 


Loading

নীতি আয়োগ বৈঠক ২০২৫ : ফের অনুপস্থিত থাকলেন মমতা 

আজ খবর (বাংলা),  [রাজনীতি], কলকাতা ,পশ্চিমবঙ্গ ,  ২৪/০৫/২০২৫ :  প্রধানমন্ত্রীর পৌরোহিত্য নীতি আয়োগ বৈঠকে যোগ দিলেনই  না পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

শনিবার দিল্লীতে ভারত মণ্ডপমে নীতি আয়োগ বৈঠকে যোগ দিতে গেলেন না পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘বিকশিত রাজ্য, বিকশিত ভারত@২০৪৫’ শীর্ষক ঐ  বৈঠকে রাজ্যগুলির তথা দেশের সমগ্র উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। ২০৪৫  সালের মধ্যে দেশকে কতটা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যাবে তার একটা রূপরেখা তৈরি করার কথাও  ছিল।  সেই এজেন্ডা অনুযায়ী দেশের  মুখ্যমন্ত্রী, লেফটেন্যান্ট  প্রশাসকদের উপস্থিত থাকার কথা ছিল।

এই বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও উপস্থিত থাকার কথা ছিল, কিন্তু তিনি গরহাজির থাকলেন। তবে এই বৈঠকে রাজ্যের মুখ্য সচিব  মনোজ পন্থের থাকার কথা ছিল। এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে দেশের  মুখ্যমন্ত্রী ও উপ রাজ্যপালের নীতি আয়োগ বৈঠকে হাজির ছিলেন দেশের প্রায় সব মুখ্যমন্ত্রী ও উপরাজ্যপালরা।  আজ বৈঠকে অনুপস্থিত থাকলেন পুদুচেরির মুখ্যমন্ত্রী এন  রঙ্গস্বামী, কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই  বিজয়ন,  মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া ও  পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 


Loading

তৃণমূল প্রতিনিধি দল কাশ্মীরে, কটাক্ষ শুভেন্দুর

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২২/০৫/২০২৫ :  তৃণমূল কংগ্রেসের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল জম্মু ও কাশ্মীর সফর করতে গিয়েছে। তৃণমূলের এই কাশ্মীর সফর নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েন নি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

অপারেশন সিঁদুরের সময় সীমান্তের ওপার  থেকে যে পাকিস্তানি গোলাগুলি এসে আছড়ে পড়ছিল এপারে, সেই সময় প্রচুর  ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল সীমান্তে থাকা গ্রামগুলিতে। কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল সেই সময়, তা চাক্ষুষ  করতে তৃণমূল কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধি দল তিনদিনের কাশ্মীর সফরে গিয়েছে। এই দলে রয়েছেন ডেরেক ও ব্রায়ান, মহম্মদ নাদিমুল হক, সাগরিকা ঘোষ, মমতাবালা ঠাকুর ও মানস  ভূইঞা।  তৃণমূলের এই দলটি গতকাল শ্রীনগরে গিয়ে পৌঁছেছে। আগামীকাল তাঁরা কাশ্মীর সীমান্তে পুঞ্চ, রাজৌরি ছাড়াও শ্রীনগরের বিভিন্ন জায়গায় যাবেন। 

এই দলের সদস্য সাগরিকা ঘোষ বলেন, মানবিকতা এবং সহানুভূতির কারণেই আমাদের কাশ্মীর সফর।  আমি সীমান্তবর্তী গ্রামে গিয়ে বলতে চাই তারা যেন নিজেদেরকে অসহায়  এবং একা  মনে না করে। . তাদের পাশে আমরা আছি।  আমরা সরকারকে বলতে চাই,  সীমান্তবর্তী এই গ্রামগুলিকে অনেক কিছু সহ্য করতে হয়েছে। অনেক কিছু হারাতে হয়েছে। তাই তারা যেন উপেক্ষিত থেকে না যায়। “

রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের এই কাশ্মীর সফর নিয়ে কটাক্ষ করে বলেছেন, “এটা  একটা ব্যক্তিগত ভ্রমণ। পশ্চিমবঙ্গে এখন গরম , কাশ্মীর অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা। তাই গরমের হাত হেকে বাঁচতে কাশ্মীর  ভ্রমন করছেন  তৃণমূল নেতারা। ওরা পশ্চিমবঙ্গ বিরোধী,  ওরা  হিন্দু বিরোধী। ওরা  নিজেদের রাজ্যের সমস্যাগুলিকে উপেক্ষা করে।   দুর্নীতি, স্বজন পোষণ এবং ধ্বংসের রাজনীতি ছাড়া ওরা আর কিছু করে না নিজেদের রাজ্যে। ওদের আগে যাওয়া উচিত ছিল মালদহ, রতুয়া, মোথাবাড়ি এবং সামশেরগঞ্জ বা ধুলিয়ানে।  কাশ্মীর রিপোর্ট যথেষ্ট নয়, তার সঙ্গে মুর্শিদাবাদ রিপোর্টও জুড়ে দিতে হবে।  তবেই সেই রিপোর্ট সম্পূর্ণ হবে, নইলে নয়। “


Loading

আমার শিরা দিয়ে রক্ত নয়, তপ্ত সিঁদুর বইছে : মোদী 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], বিকানের, রাজস্থান, ২২/০৫/২০২৫ :  রাজস্থানের বিকানেরে একটি জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “পাকিস্তান যদি সন্ত্রাসবাদ নিয়ে আর কোনো কিছু করে, আর কোনো ঘটনা ঘটে, তাহলে তাদেরকে প্রতিটি ঘটনার জন্যে আলাদা করে মূল্য চোকাতে হবে। আমার শরীরে শিরা দিয়ে এখন আর রক্ত বইছে না, আমার শিরা দিয়ে এখন তপ্ত সিঁদুর বয়ে যাচ্ছে।”

নরেন্দ্র মোদী এদিন বলেন, “পাকিস্তান বোধ হয় ভুলে গিয়েছিল যে ভারত মাতার দাস নরেন্দ্র মোদী এখানে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। মোদীর মাথা ঠান্ডা, কিন্তু রক্ত বেশ গরম। মোদীর শরীরে এখন আর রক্ত প্রবাহিত হয় না, তার জায়গায় তপ্ত সিঁদুর প্রবাহিত হয়। এখন আর পাকিস্তানের সাথে কোনো বাণিজ্যও হবে না, কোনো কথাও  হবে না। যদি পাকিস্তানের সাথে কোনো কথা হয়, তাহলে তা হবে শুধুমাত্র পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর নিয়েই।”

মোদী আরও বলেন, “এটা ভারত পরিষ্কার করে দিয়েছে যে, পাকিস্তান যদি ভারতে আর কোনো সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ করে, তার জন্যে পাকিস্তানকে ভংকর মূল্য চোকাতে হবে। সেই মূল্য চোকাবে পাকিস্তানের আর্মি, পাকিস্তানের অর্থনীতি।  এটা  শোধ প্রতিশোধের খেলা নয়, এটা  ন্যায়ের নয়া স্বরূপ। এর নাম অপারেশন সিঁদুর। এটা কোনো ক্ষোভ নয়, এটাই  নতুন ভারতের রুদ্র রূপ।  আর এটাই ভারতের নতুন স্বরূপ। প্রথমে ঘরে ঢুকে আক্রমণ করেছিলাম, এবার সম্মুখ সাক্ষাতে প্রহার করেছি। এটাই আমাদের সন্ত্রাসবাদীদের ডানা কাটার পদ্ধতি।  এটাই নতুন ভারত।”

নরেন্দ্র মোদী এদিন বলেন, “আমরা ভারতীয় সেনাবাহিনীর তিনটি বিভাগকে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্যে খোলা ছেড়ে দিয়েছিলাম। আমাদের তিন বাহিনী এমন চক্রব্যূহ তৈরি করে আক্রমণ শানিয়েছিল  যে, পাকিস্তান নতজানু হতে বাধ্য হয়েছে। ” মোদীর বক্তব্য শুনে উচ্ছাসে  ফেটে পড়েন বিকানেরের মানুষ। তাঁরা হর্ষধ্বনির পাশাপাশি ‘ভারত মাতা কি জয়’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠেন। 


Loading

“মমতার ক্ষমা চাওয়া উচিত” কেন বলছেন সুকান্ত মজুমদার !

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], বালুরঘাট, দক্ষিণ দিনাজপুর, ২২/০৫/২০২৫ :  হাইকোর্টের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির রিপোর্টের পর মুর্শিদাবাদ নিয়ে অসত্য কথা বলছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে অভিযোগ করলেন বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার। 

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার এদিন বলেন, “মুর্শিদাবাদে এপ্রিল মাসের ১১ তারিখে যে ঘটনাগুলি ঘটেছিল, সেই ঘটনাগুলি নিয়ে হাইকোর্টের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি একটি  রিপোর্ট জমা দিয়েছে, সেই রিপোর্ট স্থানীয় এক কাউন্সিলরের উস্কানির দিকে এবং পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছে। সুতরাং এর আগে মুখ্যমন্ত্রী যে ‘বহিরাগত’ তত্ব খাড়া করেছিলেন, তা একেবারেই অসত্য।”

মুর্শিদাবাদ হিংসার ঘটনায় এর আগে এবং গতকালও বহিরাগত বিষয়টিকে তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়  বাংলাদেশ সীমান্তে মোতায়েন করা বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের দিকেই আঙ্গুল তুলেছেন। তিনি পুলিশকে আরও সজাগ থাকতে বলেছেন, যাতে রাজ্যে কোনোভাবেই জঙ্গীদের প্রবেশ না ঘটে। এর আগে মে মাসের ৬ তারিখে মমতা বলেছিলেন, মুর্শিদাবাদে যা কিছু হয়েছে তা তৈরি করা হয়েছে এবং তা পূর্ব পরিকল্পিত। এইসব সহ্য করা হবে না।  এই ব্যাপারে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আমি কারোর বিরুদ্ধে নই, কিন্তু আমি হিংসার বিরুদ্ধে।”

সুকান্ত মজুমদার এদিন বলেন, “মুর্শিদাবাদে যে ঘটনা ঘটেছে তার সত্যতা জানার জন্যেই হাইকোর্ট ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গড়ে দিয়েছিল। সেই রিপোর্ট স্থানীয় কাউন্সিলার মেহেবুব আলম ও তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছে। ঐ  ঘটনা নিয়ে বহিরাগত তত্ব খাড়া করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা কিছু বলেছিলেন তা সর্বৈব মিথ্যা। তাঁর উচিত জনগণের কাছে ক্ষমা চাওয়া।”


Loading

প্রতিনিধি দলে  অভিষেক, স্বাগত দিলীপের, তবু কটাক্ষ 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ,  ২১/০৫/২০২৫ :  সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের যে প্রতিনিধি দল বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পৌঁছে গিয়ে ভর্তি ও পাকিস্তানের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে চলেছে, সেই দলে অন্তর্ভুক্তি হয়েছে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। 

তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভারতীয় প্রতিনিধি দলে অন্তর্ভুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। তবে তাঁর এই স্বাগত জানানোর পাশাপাশি ছিল কিছুটা কটাক্ষও। দিলীপ ঘোষ আজ বলেছেন “তৃণমূল কংগ্রেস পাকিস্তানের বিরোধিতায় কিছু কথা বলেছে। সেটা না বললে অবশ্য এই দেশে তাদের রাজনীতি করতেই অসুবিধা হয়ে যেত।  যাই  হোক ভারতীয় প্রতিনিধি দলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্তর্ভুক্তিতে আমি খুশি। তবে আমি চেয়েছিলাম মুর্শিদাবাদে হিংসার ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসও  একটি প্রতিনিধি দল পাঠাক।”

আজই  কলকাতা হাইকোর্টের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি মুর্শিদাবাদ হিংসা নিয়ে তাঁদের রিপোর্ট জমা করেছে। সেই রিপোর্টে উঠে এসেছে, কিভাবে সেখানে উত্তেজনার শুরু হয়েছিল, কিভাবে তা ছড়িয়ে পড়েছিল। পুলিশের ভূমিকা কি ছিল। কেন্দ্রীয় বাহিনী কিভাবে সেখানে নিরাপত্তা দিয়েছিল। ইত্যাদি। এই রিপোর্ট  জমা পড়ার পরেই দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্য প্রকাশ্যে এসেছে।

ভারত সরকার বেশ কয়েকটি প্রতিনিধি দল  গঠন করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাঠাচ্ছে, সেই প্রতিনিধি দলের কাজ হবে বিভিন্ন দেশে গিয়ে সন্ত্রাসবাদ এর বিরুদ্ধে ভারত কি মনোভাব গ্রহণ করেছে, কিভাবে লড়াই চালাচ্ছে তা তুলে ধরা.।


Loading

আত্রেয়ী নদীবাঁধ  নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ফের সুর চড়ালেন সুকান্ত মজুমদার 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], বালুরঘাট,  দক্ষিণ দিনাজপুর,  ২০/০৫/২০২৫ :  দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া আত্রেয়ী নদীবাঁধ নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সমালোচনার সুর চড়ালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার। 

আত্রেয়ী নদী নিয়ে প্রচুর বিক্ষোভ হচ্ছে। কিছুদিন ধরে এই নদীর ড্যামে ডুবে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে বেশ কয়েকটি। এবার এই নদীর ওপর দেওয়া বাঁধের একাংশ ভেঙে নদীর জলে বয়ে যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য সরকারের দিকেই তোপ  দাগলেন সুকান্ত মজুমদার।   সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য, “রাজ্য সরকারএত উন্নয়নের বন্যা বইয়ে দিয়েছে, যে সেই বন্যায় নদীবাঁধও ভেসে চলে যাচ্ছে।”

আত্রেয়ী নদীর বাঁধের একটি সিঁড়ির অংশ এদিন ভেঙে পড়েছিল। সেই নিয়ে বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার বলেন, “কয়েক মাস আগেই এখানে ব্রিজ ভেঙে গিয়েছিল, তারপর এই ৪০ ফুটের নদীবাঁধেরও  একাংশ ভেঙে পড়ল. মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় আমাদের রাজ্যের সর্বত্র উন্নয়নের বন্যা বইয়ে দিচ্ছে রাজ্য সরকার। কিন্তু তাঁরই অনুপ্রেরণায় এই ব্যর্থতার দায় কে নেবে ?  এটা  কি সরকারি ইঞ্জিনিয়ারদের ব্যর্থতা নাকি নির্মাণ সংস্থার জালিয়াতি ?  কিন্তু একটা বিষয় পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে আমাদের রাজ্য তৃণমূল শাসনে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রয়েছে। দুর্নীতির জন্যেই এই বাঁধ ভেঙে যাচ্ছে, যা দেখে  অর্থ পিশাচদের  বেশ খুশি দেখাচ্ছে।”


Loading

রাহুল গান্ধী পাকিস্তানের ভাষায় কথা বলছেন : বিজেপি 

রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], নতুন দিল্লী, ভারত, ২০/০৫/২০২৫ :  ভারতীয় জনতা পার্টি অভিযোগ করে বলেছে দেশের বিরোধী দলের নেতা পাকিস্তানের ভাষায় কথা বলছেন। রাহুল গান্ধীকে উদ্দেশ্য করে বিজেপি নেতারা সমালোচনার সুর চড়িয়েছেন। 

কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী জানতে চেয়েছিলেন যে ‘অপারেশন সিঁদুরের জন্যে ভারতীয় সেনাবাহিনীর মোট কয়টি বিমান ধ্বংস হয়েছিল ?’  রাহুল গান্ধীর এই প্রশ্নের জবাবে বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও অন্যান্য নেতারা  মুখ না খুললেও, বিজেপির নেতা ও মুখপাত্র সি আর কেশবন রাহুল গান্ধীকে এক হাত নিয়েছেন এবং বলেছেন, “দেশের বিরোধী দলের নেতা এখন পাকিস্তানের ভাষায় কথা বলছেন। দেশ ও সেনাবাহিনীকে তিনি সন্দেহের চোখে দেখছেন। তিনি ফ্যাক্ট জানতে চাইছেন।”

বিজেপির তরফ থেকে কেশবন বলেছেন, “রাহুল গান্ধী দেশের বিরোধী দলনেতা হওয়া  সত্বেও দেশ এবং সরকারকে একেবারেই বিশ্বাস করতে পারছেন না।  এমনকি তিনি দেশের সেনাবাহিনীকেও বিশ্বাস করতে পারছেন না। তাঁর এখন প্রমান চাই। রাহুল গান্ধী যে ভাবে বক্তব্য রেখেছেন, এইভাবে পাকিস্তানের কোনো প্রচার আধিকারিক কথা বলেন। দেশের বিরোধী দলনেতা এখন পাকিস্তানের ভাষাতেই কথা বলছেন। সেই ভাষাতেই প্রশ্ন করছেন।”

“রাহুল গান্ধী ফ্যাক্ট জানতে চাইছেন, তিনি দেশ ও সেনাবাহিনীকে বিশ্বাস করেন না” : কেশবন (বিজেপি)

কেশবন বলেন, “রাহুল গান্ধী জানতে চেয়েছেন অপারেশন সিঁদুরের সময় কয়টি ভারতীয় যুদ্ধবিমান নষ্ট হয়েছিল। রাহুল গান্ধীর করা এই টুইটকে পাকিস্তান এবার প্রচারের অঙ্গ হিসেবে তুলে ধরেছে। রাহুল গান্ধীর এই প্রশ্নটিকে এবার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে পাকিস্তান। রাহুল গান্ধীই যেন পাকিস্তানের পোস্টার  বয়।  এই টুইটকে কেন্দ্র করে পাকিস্তান ভারতীয় সেনাবাহিনীকে নিয়ে মজা করতে শুরু করেছে, রীতিমত ব্যঙ্গ করতে শুরু করেছে।”

কেশবন এরপর ১১ই মে তারিখে অপারেশন সিঁদুর নিয়ে যে সাংবাদিক বৈঠক হয়েছিল, সেটির কথা তুলে ধরে জানিয়ে দেন, “এই প্রেস ব্রিফিংয়ে সব কিছু বলা হয়েছিল। সেখানে সব তথ্য আছে, তবে রাহুল গান্ধী অবশ্য ভারতীয় সেনাবাহিনীকে বিশ্বাস করতে পারেন না।”


Loading

congtogel

slot gacor

link slot gacor

slot

hartacuan

slot

slot gacor

slot gacor

slot gacor

situs slot toto

playaja

hartacuan

slot gacor

situs slot gacor

link slot online

slot gacor

link slot gacor

slot bet 200

slot dana

slot online

slot gacor

slot777

slot deposit pulsa

situs gacor resmi

link slot gacor

slot gacor

slot gacor

slot toto

link slot

slot

slot

situs slot

slot gacor

login congtogel

situs togel

togel online

slot wdyuk

congtogel

bandar togel

hartacuan

congtogel

slot gacor

slot gacor

slot gacor

londonslot link alternatif

slot gacor

wdyuk

togel online

togel online

situs toto

indosloto

situs toto

watitoto

congtogel

congtogel

danatoto

slot gacor