আজ খবর (বাংলা),[রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৭/০৫/২০২৫ : আসন্ন উপনির্বাচনের জন্যে কালীগঞ্জ কেন্দ্র থেকে প্রার্থী ঘোষণা করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
নদীয়া জেলার কালীগঞ্জের বিধায়ক নাসিরুদ্দিন আহমেদের মৃত্যুর পর এই কেন্দ্রে এবার উপ নির্বাচন করা হচ্ছে। এখানে আগামী ১৯শে জুন তারিখে ভোট গ্রহণ করা হবে। এই কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে ভোটে প্রার্থী হচ্ছেন আলিফা আহমেদ। আজ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কালিগঞ্জের প্রার্থী হিসেবে আলিফার নাম ঘোষণা করেছেন।
ভারতের নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করেছে আগামী জুন মাসের ২৫ তারিখে চার রাজ্যের কয়েকটি জায়গায় উপনির্বাচন করা হবে। সেই জায়গাগুলি হল গুজরাটের কাদি ও ভিসাবার, কেরালার নীলাম্বুর, পাঞ্জাবের লুধিয়ানা এবং পশ্চিমবঙ্গের কালীগঞ্জে। কালীগঞ্জের নির্বাচন কেন্দ্রীয় বাহিনীর তত্বাবধানে করানোর কথা বলেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা ,পশ্চিমবঙ্গ , ২৪/০৫/২০২৫ : প্রধানমন্ত্রীর পৌরোহিত্য নীতি আয়োগ বৈঠকে যোগ দিলেনই না পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শনিবার দিল্লীতে ভারত মণ্ডপমে নীতি আয়োগ বৈঠকে যোগ দিতে গেলেন না পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘বিকশিত রাজ্য, বিকশিত ভারত@২০৪৫’ শীর্ষক ঐ বৈঠকে রাজ্যগুলির তথা দেশের সমগ্র উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। ২০৪৫ সালের মধ্যে দেশকে কতটা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যাবে তার একটা রূপরেখা তৈরি করার কথাও ছিল। সেই এজেন্ডা অনুযায়ী দেশের মুখ্যমন্ত্রী, লেফটেন্যান্ট প্রশাসকদের উপস্থিত থাকার কথা ছিল।
এই বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও উপস্থিত থাকার কথা ছিল, কিন্তু তিনি গরহাজির থাকলেন। তবে এই বৈঠকে রাজ্যের মুখ্য সচিব মনোজ পন্থের থাকার কথা ছিল। এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে দেশের মুখ্যমন্ত্রী ও উপ রাজ্যপালের নীতি আয়োগ বৈঠকে হাজির ছিলেন দেশের প্রায় সব মুখ্যমন্ত্রী ও উপরাজ্যপালরা। আজ বৈঠকে অনুপস্থিত থাকলেন পুদুচেরির মুখ্যমন্ত্রী এন রঙ্গস্বামী, কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন, মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২২/০৫/২০২৫ : তৃণমূল কংগ্রেসের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল জম্মু ও কাশ্মীর সফর করতে গিয়েছে। তৃণমূলের এই কাশ্মীর সফর নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েন নি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
অপারেশন সিঁদুরের সময় সীমান্তের ওপার থেকে যে পাকিস্তানি গোলাগুলি এসে আছড়ে পড়ছিল এপারে, সেই সময় প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল সীমান্তে থাকা গ্রামগুলিতে। কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল সেই সময়, তা চাক্ষুষ করতে তৃণমূল কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধি দল তিনদিনের কাশ্মীর সফরে গিয়েছে। এই দলে রয়েছেন ডেরেক ও ব্রায়ান, মহম্মদ নাদিমুল হক, সাগরিকা ঘোষ, মমতাবালা ঠাকুর ও মানস ভূইঞা। তৃণমূলের এই দলটি গতকাল শ্রীনগরে গিয়ে পৌঁছেছে। আগামীকাল তাঁরা কাশ্মীর সীমান্তে পুঞ্চ, রাজৌরি ছাড়াও শ্রীনগরের বিভিন্ন জায়গায় যাবেন।
এই দলের সদস্য সাগরিকা ঘোষ বলেন, মানবিকতা এবং সহানুভূতির কারণেই আমাদের কাশ্মীর সফর। আমি সীমান্তবর্তী গ্রামে গিয়ে বলতে চাই তারা যেন নিজেদেরকে অসহায় এবং একা মনে না করে। . তাদের পাশে আমরা আছি। আমরা সরকারকে বলতে চাই, সীমান্তবর্তী এই গ্রামগুলিকে অনেক কিছু সহ্য করতে হয়েছে। অনেক কিছু হারাতে হয়েছে। তাই তারা যেন উপেক্ষিত থেকে না যায়। “
রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের এই কাশ্মীর সফর নিয়ে কটাক্ষ করে বলেছেন, “এটা একটা ব্যক্তিগত ভ্রমণ। পশ্চিমবঙ্গে এখন গরম , কাশ্মীর অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা। তাই গরমের হাত হেকে বাঁচতে কাশ্মীর ভ্রমন করছেন তৃণমূল নেতারা। ওরা পশ্চিমবঙ্গ বিরোধী, ওরা হিন্দু বিরোধী। ওরা নিজেদের রাজ্যের সমস্যাগুলিকে উপেক্ষা করে। দুর্নীতি, স্বজন পোষণ এবং ধ্বংসের রাজনীতি ছাড়া ওরা আর কিছু করে না নিজেদের রাজ্যে। ওদের আগে যাওয়া উচিত ছিল মালদহ, রতুয়া, মোথাবাড়ি এবং সামশেরগঞ্জ বা ধুলিয়ানে। কাশ্মীর রিপোর্ট যথেষ্ট নয়, তার সঙ্গে মুর্শিদাবাদ রিপোর্টও জুড়ে দিতে হবে। তবেই সেই রিপোর্ট সম্পূর্ণ হবে, নইলে নয়। “
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], বিকানের, রাজস্থান, ২২/০৫/২০২৫ : রাজস্থানের বিকানেরে একটি জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “পাকিস্তান যদি সন্ত্রাসবাদ নিয়ে আর কোনো কিছু করে, আর কোনো ঘটনা ঘটে, তাহলে তাদেরকে প্রতিটি ঘটনার জন্যে আলাদা করে মূল্য চোকাতে হবে। আমার শরীরে শিরা দিয়ে এখন আর রক্ত বইছে না, আমার শিরা দিয়ে এখন তপ্ত সিঁদুর বয়ে যাচ্ছে।”
নরেন্দ্র মোদী এদিন বলেন, “পাকিস্তান বোধ হয় ভুলে গিয়েছিল যে ভারত মাতার দাস নরেন্দ্র মোদী এখানে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। মোদীর মাথা ঠান্ডা, কিন্তু রক্ত বেশ গরম। মোদীর শরীরে এখন আর রক্ত প্রবাহিত হয় না, তার জায়গায় তপ্ত সিঁদুর প্রবাহিত হয়। এখন আর পাকিস্তানের সাথে কোনো বাণিজ্যও হবে না, কোনো কথাও হবে না। যদি পাকিস্তানের সাথে কোনো কথা হয়, তাহলে তা হবে শুধুমাত্র পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর নিয়েই।”
মোদী আরও বলেন, “এটা ভারত পরিষ্কার করে দিয়েছে যে, পাকিস্তান যদি ভারতে আর কোনো সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ করে, তার জন্যে পাকিস্তানকে ভংকর মূল্য চোকাতে হবে। সেই মূল্য চোকাবে পাকিস্তানের আর্মি, পাকিস্তানের অর্থনীতি। এটা শোধ প্রতিশোধের খেলা নয়, এটা ন্যায়ের নয়া স্বরূপ। এর নাম অপারেশন সিঁদুর। এটা কোনো ক্ষোভ নয়, এটাই নতুন ভারতের রুদ্র রূপ। আর এটাই ভারতের নতুন স্বরূপ। প্রথমে ঘরে ঢুকে আক্রমণ করেছিলাম, এবার সম্মুখ সাক্ষাতে প্রহার করেছি। এটাই আমাদের সন্ত্রাসবাদীদের ডানা কাটার পদ্ধতি। এটাই নতুন ভারত।”
নরেন্দ্র মোদী এদিন বলেন, “আমরা ভারতীয় সেনাবাহিনীর তিনটি বিভাগকে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্যে খোলা ছেড়ে দিয়েছিলাম। আমাদের তিন বাহিনী এমন চক্রব্যূহ তৈরি করে আক্রমণ শানিয়েছিল যে, পাকিস্তান নতজানু হতে বাধ্য হয়েছে। ” মোদীর বক্তব্য শুনে উচ্ছাসে ফেটে পড়েন বিকানেরের মানুষ। তাঁরা হর্ষধ্বনির পাশাপাশি ‘ভারত মাতা কি জয়’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠেন।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], বালুরঘাট, দক্ষিণ দিনাজপুর, ২২/০৫/২০২৫ : হাইকোর্টের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির রিপোর্টের পর মুর্শিদাবাদ নিয়ে অসত্য কথা বলছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে অভিযোগ করলেন বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার এদিন বলেন, “মুর্শিদাবাদে এপ্রিল মাসের ১১ তারিখে যে ঘটনাগুলি ঘটেছিল, সেই ঘটনাগুলি নিয়ে হাইকোর্টের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি একটি রিপোর্ট জমা দিয়েছে, সেই রিপোর্ট স্থানীয় এক কাউন্সিলরের উস্কানির দিকে এবং পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছে। সুতরাং এর আগে মুখ্যমন্ত্রী যে ‘বহিরাগত’ তত্ব খাড়া করেছিলেন, তা একেবারেই অসত্য।”
মুর্শিদাবাদ হিংসার ঘটনায় এর আগে এবং গতকালও বহিরাগত বিষয়টিকে তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশ সীমান্তে মোতায়েন করা বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের দিকেই আঙ্গুল তুলেছেন। তিনি পুলিশকে আরও সজাগ থাকতে বলেছেন, যাতে রাজ্যে কোনোভাবেই জঙ্গীদের প্রবেশ না ঘটে। এর আগে মে মাসের ৬ তারিখে মমতা বলেছিলেন, মুর্শিদাবাদে যা কিছু হয়েছে তা তৈরি করা হয়েছে এবং তা পূর্ব পরিকল্পিত। এইসব সহ্য করা হবে না। এই ব্যাপারে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আমি কারোর বিরুদ্ধে নই, কিন্তু আমি হিংসার বিরুদ্ধে।”
সুকান্ত মজুমদার এদিন বলেন, “মুর্শিদাবাদে যে ঘটনা ঘটেছে তার সত্যতা জানার জন্যেই হাইকোর্ট ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গড়ে দিয়েছিল। সেই রিপোর্ট স্থানীয় কাউন্সিলার মেহেবুব আলম ও তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছে। ঐ ঘটনা নিয়ে বহিরাগত তত্ব খাড়া করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা কিছু বলেছিলেন তা সর্বৈব মিথ্যা। তাঁর উচিত জনগণের কাছে ক্ষমা চাওয়া।”
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২১/০৫/২০২৫ : সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের যে প্রতিনিধি দল বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পৌঁছে গিয়ে ভর্তি ও পাকিস্তানের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে চলেছে, সেই দলে অন্তর্ভুক্তি হয়েছে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভারতীয় প্রতিনিধি দলে অন্তর্ভুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। তবে তাঁর এই স্বাগত জানানোর পাশাপাশি ছিল কিছুটা কটাক্ষও। দিলীপ ঘোষ আজ বলেছেন “তৃণমূল কংগ্রেস পাকিস্তানের বিরোধিতায় কিছু কথা বলেছে। সেটা না বললে অবশ্য এই দেশে তাদের রাজনীতি করতেই অসুবিধা হয়ে যেত। যাই হোক ভারতীয় প্রতিনিধি দলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্তর্ভুক্তিতে আমি খুশি। তবে আমি চেয়েছিলাম মুর্শিদাবাদে হিংসার ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসও একটি প্রতিনিধি দল পাঠাক।”
আজই কলকাতা হাইকোর্টের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি মুর্শিদাবাদ হিংসা নিয়ে তাঁদের রিপোর্ট জমা করেছে। সেই রিপোর্টে উঠে এসেছে, কিভাবে সেখানে উত্তেজনার শুরু হয়েছিল, কিভাবে তা ছড়িয়ে পড়েছিল। পুলিশের ভূমিকা কি ছিল। কেন্দ্রীয় বাহিনী কিভাবে সেখানে নিরাপত্তা দিয়েছিল। ইত্যাদি। এই রিপোর্ট জমা পড়ার পরেই দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্য প্রকাশ্যে এসেছে।
ভারত সরকার বেশ কয়েকটি প্রতিনিধি দল গঠন করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাঠাচ্ছে, সেই প্রতিনিধি দলের কাজ হবে বিভিন্ন দেশে গিয়ে সন্ত্রাসবাদ এর বিরুদ্ধে ভারত কি মনোভাব গ্রহণ করেছে, কিভাবে লড়াই চালাচ্ছে তা তুলে ধরা.।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], বালুরঘাট, দক্ষিণ দিনাজপুর, ২০/০৫/২০২৫ : দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া আত্রেয়ী নদীবাঁধ নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সমালোচনার সুর চড়ালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার।
আত্রেয়ী নদী নিয়ে প্রচুর বিক্ষোভ হচ্ছে। কিছুদিন ধরে এই নদীর ড্যামে ডুবে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে বেশ কয়েকটি। এবার এই নদীর ওপর দেওয়া বাঁধের একাংশ ভেঙে নদীর জলে বয়ে যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য সরকারের দিকেই তোপ দাগলেন সুকান্ত মজুমদার। সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য, “রাজ্য সরকারএত উন্নয়নের বন্যা বইয়ে দিয়েছে, যে সেই বন্যায় নদীবাঁধও ভেসে চলে যাচ্ছে।”
আত্রেয়ী নদীর বাঁধের একটি সিঁড়ির অংশ এদিন ভেঙে পড়েছিল। সেই নিয়ে বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার বলেন, “কয়েক মাস আগেই এখানে ব্রিজ ভেঙে গিয়েছিল, তারপর এই ৪০ ফুটের নদীবাঁধেরও একাংশ ভেঙে পড়ল. মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় আমাদের রাজ্যের সর্বত্র উন্নয়নের বন্যা বইয়ে দিচ্ছে রাজ্য সরকার। কিন্তু তাঁরই অনুপ্রেরণায় এই ব্যর্থতার দায় কে নেবে ? এটা কি সরকারি ইঞ্জিনিয়ারদের ব্যর্থতা নাকি নির্মাণ সংস্থার জালিয়াতি ? কিন্তু একটা বিষয় পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে আমাদের রাজ্য তৃণমূল শাসনে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রয়েছে। দুর্নীতির জন্যেই এই বাঁধ ভেঙে যাচ্ছে, যা দেখে অর্থ পিশাচদের বেশ খুশি দেখাচ্ছে।”
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], নতুন দিল্লী, ভারত, ২০/০৫/২০২৫ : ভারতীয় জনতা পার্টি অভিযোগ করে বলেছে দেশের বিরোধী দলের নেতা পাকিস্তানের ভাষায় কথা বলছেন। রাহুল গান্ধীকে উদ্দেশ্য করে বিজেপি নেতারা সমালোচনার সুর চড়িয়েছেন।
কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী জানতে চেয়েছিলেন যে ‘অপারেশন সিঁদুরের জন্যে ভারতীয় সেনাবাহিনীর মোট কয়টি বিমান ধ্বংস হয়েছিল ?’ রাহুল গান্ধীর এই প্রশ্নের জবাবে বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও অন্যান্য নেতারা মুখ না খুললেও, বিজেপির নেতা ও মুখপাত্র সি আর কেশবন রাহুল গান্ধীকে এক হাত নিয়েছেন এবং বলেছেন, “দেশের বিরোধী দলের নেতা এখন পাকিস্তানের ভাষায় কথা বলছেন। দেশ ও সেনাবাহিনীকে তিনি সন্দেহের চোখে দেখছেন। তিনি ফ্যাক্ট জানতে চাইছেন।”
বিজেপির তরফ থেকে কেশবন বলেছেন, “রাহুল গান্ধী দেশের বিরোধী দলনেতা হওয়া সত্বেও দেশ এবং সরকারকে একেবারেই বিশ্বাস করতে পারছেন না। এমনকি তিনি দেশের সেনাবাহিনীকেও বিশ্বাস করতে পারছেন না। তাঁর এখন প্রমান চাই। রাহুল গান্ধী যে ভাবে বক্তব্য রেখেছেন, এইভাবে পাকিস্তানের কোনো প্রচার আধিকারিক কথা বলেন। দেশের বিরোধী দলনেতা এখন পাকিস্তানের ভাষাতেই কথা বলছেন। সেই ভাষাতেই প্রশ্ন করছেন।”
“রাহুল গান্ধী ফ্যাক্ট জানতে চাইছেন, তিনি দেশ ও সেনাবাহিনীকে বিশ্বাস করেন না” : কেশবন (বিজেপি)
কেশবন বলেন, “রাহুল গান্ধী জানতে চেয়েছেন অপারেশন সিঁদুরের সময় কয়টি ভারতীয় যুদ্ধবিমান নষ্ট হয়েছিল। রাহুল গান্ধীর করা এই টুইটকে পাকিস্তান এবার প্রচারের অঙ্গ হিসেবে তুলে ধরেছে। রাহুল গান্ধীর এই প্রশ্নটিকে এবার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে পাকিস্তান। রাহুল গান্ধীই যেন পাকিস্তানের পোস্টার বয়। এই টুইটকে কেন্দ্র করে পাকিস্তান ভারতীয় সেনাবাহিনীকে নিয়ে মজা করতে শুরু করেছে, রীতিমত ব্যঙ্গ করতে শুরু করেছে।”
কেশবন এরপর ১১ই মে তারিখে অপারেশন সিঁদুর নিয়ে যে সাংবাদিক বৈঠক হয়েছিল, সেটির কথা তুলে ধরে জানিয়ে দেন, “এই প্রেস ব্রিফিংয়ে সব কিছু বলা হয়েছিল। সেখানে সব তথ্য আছে, তবে রাহুল গান্ধী অবশ্য ভারতীয় সেনাবাহিনীকে বিশ্বাস করতে পারেন না।”
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৫/০৫/২০২৫ : বেশ কয়েকমাস টালবাহানার পর আলিপুরদুয়ারের প্রাক্তন সংসদ জন বার্লা বিজেপি ছেড়ে যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে।
আজ তৃণমূল ভবনে এসে পদ্মশিবির ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন আলিপুরদুয়ারের সংসদ জন বার্লা।জল্পনা চলছিলই বেশ কিছুদিন ধরে কিন্তু তৃণমূল শিবিরে শেষ পর্যন্ত জন বার্লা সত্যিই যোগ দেবেন কিনা তা নিয়েও কানাঘুষো চলছিল। কিছুদিন আগেই পত্নী বিয়োগ হয়েছে জনের। সেই শ্রাদ্ধানুষ্ঠানেও তাঁর বাড়িতে যতজন তৃণমূল নেতাকে দেখা গিয়েছিল, তার চেয়ে ঢের বেশি বিজেপি নেতাদেরকে দেখা গিয়েছিল। অনেকেই মনে করেছিলেন তিনি শেষ পর্যন্ত হয়ত পদ্ম শিবির ছাড়বেন না. কিন্তু আজ তার উল্টোটাই হতে দেখা গেল. জন বাড়লে যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে আর সেই সঙ্গে ডুয়ার্স এলাকায় ঘষফুল শিবিরের শক্তি অনেকটাই বৃদ্ধি পেলো।
তৃণমূল ভবনে সাংবাদিকদের সামনেই জন বাড়লে আজ তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। তাঁকে দলে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেতা সুব্রত বক্সী এবং এরূপ বিশ্বাস। তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পর জন বার্লার হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেওয়া হয়. আলিপুর দুয়ারের প্রাক্তন সংসদ বলেন জন্যে কাজ করতে অসুবিধা হচ্ছিল। তাঁকে মানুষের জন্যে কাজ করতে কার্যত বাধা দিচ্ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী বলে অভিযোগ করেছেন জন বার্লা।
জন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাঁকে আলিপুর দুয়ারে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার জন্যে মমতাকে ধন্যবাদ জানান জন. তিনি দুয়ারে সরকার এবং লক্ষীর ভান্ডার এই দুই প্রকল্পের সুখ্যাতি করেছেন।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], নতুন দিল্লী, ভারত, ১৩/০৫/২০২৫ : অপারেশন সিঁদুরের অসামান্য সাফল্য দেশব্যাপী প্রচার করে ছড়িয়ে দিতে চাইছে ভারতীয় জনতা পার্টি।
গোটা দেশে অপারেশন সিঁদুরের সাফল্য কাহিনী তুলে ধরতে দেশ জুড়ে তিরঙ্গা যাত্রার ডাক দিয়েছে বিজেপি। দেশের সর্বত্র ভারতের জাতীয় পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা করা হবে। এই যাত্রার মূল উদ্দেশ্য হল দেশের বীর যোদ্ধাদের বীরত্বের এবং অপারেশন সিঁদুরের সাফল্য তুলে ধরা। বিজেপির এই তিরঙ্গা যাত্রা আজ থেকে শুরু হয়েছে এবং এই যাত্রা চলবে আগামী ২৩শে মে পর্যন্ত। আজকের তিরঙ্গা যাত্রায় অংশ নিয়েছেন দিল্লীর মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেত্রী রেখা গুপ্তা, বিজেপির জাতীয় সম্পাদক তরুণ চুঘ , দিল্লীর বিজেপি প্রেসিডেন্ট বীরেন্দ্র সচদেব এবং অন্যান্য নেতারা।
দিল্লীতে এই তিরঙ্গা যাত্রা শুরু হয়েছে একটি ১০৮ ফুট উঁচু জাতীয় পতাকা নিয়ে। এই যাত্রা আজ শুরু হয়েছিল দিল্লীর কর্তব্য পথ থেকে এবং শেষ হয়েছে ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়ালের কাছে। এই বিশাল শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছেন হাজার হাজার সাধারণ মানুষ, বিজেপি কর্মী এবং বিভিন্ন এন জি ওর প্রতিনিধিরা। ছিলেন সমাজ কর্মীরাও।