আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ২৬/০৫/২০২৫ : ভারতে ফের করোনা ভাইরাসের হামলা শুরু হয়েছে। আমাদের দেশে এই মুহূর্তে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১০০০ ছুঁয়েছে।
দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে এই মুহূর্তে আমাদের দেশে মোট ১০০৯ জন করোনা ভাইরাসে (কোবিদ ১৯) আক্রান্ত হয়েছেন। কিছুদিন আগেও এই সংখ্যাটা এতো বেশি ছিল না, কিন্তু সম্প্রতি ৭৫২ জন নতুন করে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। আর এতেই কপালে ভাঁজ পড়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের। .রীতিমত চিন্তিত তাঁরা।
এই মুহূর্তে সক্রিয়ভাবে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রয়েছেন মোট ৪৩০ জন. এই মুহূর্তে দিল্লীতে আক্রান্তের সংখ্যা ১০৪, মহারাষ্ট্রে ২০৯, গুজরাটে ৮৩ এবং কর্নাটকে ৪৭ জন. সম্প্রতি ২১ বছরের এক তরুনের করোনা রোগ হয়েছিল। সে থানের ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ কালোয়া হাসপাতালে চিকিৎসার জন্যে ভর্তি হয়েছিল। তবে শেষরক্ষা হয় নি. সে মারা গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে আরো চারজন নতুন করে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গে এই মুহূর্তে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১১. কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক কড়া নজরে রেখেছে এই পরিস্থিতি।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ২৩/০৫/২০২৫ : আগামীকাল, অর্থাৎ ২৪ তারিখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নীতি আয়োগ গভর্নিং কাউন্সিলের বৈঠকটি পৌরহিত্য করবেন।
আগামী শনিবার দিল্লীর ভারত মন্ডপমে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হতে চলেছে। এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশের সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, লেফটেন্যান্ট গভর্নর ও প্রশাসকদের নিয়ে আলোচনায় বসবেন। এই বৈঠকের নাম দেওয়া হয়েছে ‘বিকশিত রাজ্য, বিকশিত ভারত @২০৪৫’। আগামী ২০৪৫ সালের মধ্যে দেশ কতটা উন্নতি করবে এবং সেই উন্নতির জন্যে কি কি ধরনের রূপরেখা তৈরি করতে হবে, কি ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে তা নিয়েই বিশদে আলোচনা করা হবে বলে জানা গিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী মনে করেন দেশের রাজ্যগুলি বিকশিত না হলে দেশের বিকাশ হবে না। তাই আগে দরকার রাজ্যের বিকাশ। বিকশিত হওয়ার লক্ষ্যে রাজ্যগুলি লক্ষ্য পূরণ করলে গোটা দেশি বিকশিত হবে। এই ব্যাপারে আগামী প্রজন্মের দায়িত্ব কি হবে, তাদের থেকে কতটা প্রত্যাশা করা যাবে এই সমস্ত খুঁটিনাটি বিষয়গুলিও সম্ভবত উঠে আসবে ঐ বৈঠকে।
২০৪৫ সালের টার্গেট মানে আগামী ২০ বছরে দেশ কতটা এগোবে তার রূপরেখা তৈরি করা হবে। মাঝের এই বছরগুলিতে দেশে আভ্যন্তরীন পরিকাঠামোর উন্নয়ন দরকার, নতুন এবং গ্রহণযোগ্য পলিসি দরকার, নতুন অথচ বাস্তবমুখী পরিকল্পনার দরকার। পাশাপাশি বাড়িয়ে তুলতে হবে মানুষের পারদর্শিতা, শিক্ষা এবং জীবিকার নতুন নতুন উপায়। দেশকে শক্তিশালী হতে হবে অর্থনৈতিক দিক থেকে, কূটনৈতিক দিক থেকে এবং সামরিক দিক থেকে। তবেই হয়ত ২০৪৫ সালের মধ্যে দেশ সম্পূর্ণ বিকশিত হতে পারবে।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ] কিস্তোয়ার, জম্মু ও কাশ্মীর, ২৩/০৫/২০২৫ : জম্মু ও কাশ্মীরের কিস্তোয়ার জেলার ছোত্রু এলাকায় গত দুদিন ধরে নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে জঙ্গীদের টানা গুলির লড়াই চলছে। এনকাউন্টারে ঐ জায়গাটি রীতিমত যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়ে উঠেছে।
ভারতীয় সেনাবাহিনীর হোয়াইট নাইট কর্পস বাহিনী জানিয়েছে, “কিস্তোয়ারের সিংপোড়া এলাকায় জঙ্গীদের খোঁজে তল্লাশি চালানোর সময় গুলির লড়াই বেঁধে যায়. জঙ্গীরা লাগাতার গুলি চালাতে শুরু করে. জঙ্গীদের গুলিতে এক সেনা জওয়ান আহত হন. তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে সেরা চিকিৎসা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হলেও বাঁচানো যায় নি. গুলির লড়াইয়ে এক জওয়ান শহীদ হয়েছেন।”
বর্তমানে কাশ্মীর উপত্যকা জুড়ে প্রায় প্রত্যেকটি কোণায় তল্লাশি করে দেখছে পুলিশ। কোথাও কোনো সন্দেহের অবকাশ থাকলেই অভিযান চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। কাশ্মীরের রাস্তাঘাটে নাকা বন্দী করে গাড়িগুলিতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। প্রতিদিনই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে অসংখ্য মানুষকে। আর কিছুদিন বাদেই ৩রা জুলাই থেকে শুরু হবে অমরনাথ যাত্রা। তবু পহেলগাঁও এখনো ভুলতে পারে নি বাইশরণ ভ্যালির সেই দিনটা, ২২শে এপ্রিল, যে দিন ২৬ জন নিরীহ পর্যটককে গুলি করে মেরেছিল জঙ্গীরা। পহেলগাঁওয়ের রাস্তাঘাট এখনও শুনশান।
জম্মু ও কাশ্মীরের যে বাড়িগুলি সন্দেহের তালিকায় আছে, সেইসব বাড়িগুলিতে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে স্টেট্ ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি। (SIA). বর্তমানে পুঞ্চ এলাকায় কয়েকটি বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছে সিয়ার একটি দল. গত ১৭ তারিখ থেকে সিয়ার একটি দল উত্তর ও মধ্য কাশ্মীরের বিশেষ কয়েকটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই তল্লাশিতে উঠে আসছে বেশ কিছু তথ্য এবং কাশ্মীর জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা স্লিপিং সেলের অস্তিত্ব।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ] নতুন দিল্লী, ভারত, ২৩/০৫/২০২৫ : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২৩ মে নতুন দিল্লির ভারত মন্ডপমে রাইজিং নর্থ ইস্ট ইনভেসটর্স সামিটের উদ্বোধন করবেন। উত্তর – পূর্বাঞ্চলকে সম্ভাবনার এক অঞ্চল বলে তুলে ধরা, দেশ বিদেশের বিনিয়োগকারীদের এই অঞ্চল সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করা এবং বিনিয়োগকারী ও নীতি প্রণয়নকারীদের একটি অভিন্ন মঞ্চে মত বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করাই শীর্ষ সম্মেলনের মূল লক্ষ্য।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য দু’দিনের এই শীর্ষ সম্মেলনে বেশ কিছু পথ সভা করা হবে। কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে, উত্তর – পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন রাজ্যের সহযোগিতায় রাষ্ট্রদূত এবং বণিক সংগঠনগুলির মধ্যে কয়েকটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়াও এই শীর্ষ সম্মেলনে মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক, ব্যবসায়িক সংগঠনগুলি ও সরকারের মধ্যে আলাপ আলোচনা এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক সংগঠনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলিতে বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে কি কি নীতি গ্রহণ করা হয়েছে এবং ওই রাজ্যগুলির নতুন নতুন স্টার্টআপ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্যও এই সম্মেলনে তুলে ধরা হবে।
শীর্ষ সম্মেলনে পর্যটন, আতিথেয়তা, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও অনুসারী শিল্প বস্ত্র, হস্তশিল্প, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, দক্ষতা বিকাশ, তথ্য প্রযুক্তি, পরিকাঠামো, পণ্য পরিবহন, বিদ্যুৎ, বিনোদন এবং খেলাধূলা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য বিনিয়োগকারীদের কাছে উপস্থাপিত করা হবে।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ২১/০৫/২০২৫ : আগামী বছর মার্চ মাসের মধ্যে দেশ থেকে মাওবাদীদের নিশ্চিহ্ন করার লক্ষ্যে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল ভারত।
বুধবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কিছুদিন আগে দেশকে মাওবাদী মুক্ত করার ডাক দিয়েছিলেন, যেভাবে তিনি সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন যে আগামী বছর মার্চ মাসের মধ্যেই দেশ থেকে মাওবাদীদেরকে শেষ করে দেওয়া হবে, মাওবাদীদের অত্যাচার থেকে দেশকে বাঁচানো হবে, মাওবাদীদের জুলুমবাজির জন্যেই দেশের বিভিন্ন জায়গায় উন্নয়ন আটকে থাকছে। সেইসব জায়গাকে মাওবাদী মুক্ত করে উন্নয়নের কাজ করা হবে।
বাসব রাজু
অমিত শাহের বক্তব্য অনুযায়ী এরপর নিরাপত্তা বাহিনী পরের পর অভিযান চালিয়ে গিয়েছে। লাগাতার অভিযান, নজরদারি উন্নয়নের জন্যে বহু মাওবাদী বা নকশাল হয় আত্মসমর্পন করেছে, নাহয় গ্রেপ্তার হয়েছে অথবা খতম হয়ে গিয়েছে। ভারতের ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, ওড়িশা, ঝাড়খন্ড, পশ্চিমবঙ্গ, তেলেঙ্গানা, মহারাষ্ট্র ও কেরালার বেশ কিছু অঞ্চলে মাওবাদীদের প্রভাব অনেক বেশি দেখতে পাওয়া যেত। কিন্তু বর্তমানে নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানরা যেভাবে একশনে নেমেছেন, তাতে ভারতে দ্রুত শেষ হয়ে আসছে মাওবাদীদের সংখ্যা।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আজ জানিয়েছেন, “গত তিন দশকে এই প্রথম মাওবাদী বা নকশালদের জেনারেল সেক্রেটারি পদমর্যাদার কোনো এক শীর্ষ নেতাকে খতম করে দেওয়া হল। ছত্তিশগড়ের নারায়ণপুরে অবুঝমারের গভীর অরণ্যে প্রচন্ড গুলির লড়াইয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে এদিন মাওবাদীদের শীর্ষ নেতা বাসব রাজুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া এদিন মোট ২৭ জন সশস্ত্র মাওবাদীরা মৃত্যু হয়েছে। ৮৪ জন মাওবাদী আত্মসমর্পন করেছে এবং মোট ৫৪ জন মাওবাদীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এযাবদ মাওবাদীদের বিরুদ্ধে যত অভিযান হয়েছে, তার মধ্যে এই অভিযানে সবচেয়ে বেশি সাফল্য পাওয়া গিয়েছে” বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র দপ্তর। মাওবাদীদের বিরুদ্ধে এই অপারেশনে নিরাপত্তা বাহিনীর এক জওয়ান আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে, তবে তিনি বিপদের বাইরে রয়েছেন।
এরপর থেকে দেশের বাকি জায়গাগুলিতে আরও অনেক বেশি অভিযান চালানো হবে। দেশের অভ্যন্তরে নকশাল নেতাদের সশস্ত্র জঙ্গীপনা কোনো মতেই মেনে নেওয়া হবে না। আগামী বছর ৩১শে মার্চের মধ্যে দেশ থেকে খতম করে দেওয়া হবে মাওবাদী বা নকশালদের। দেশের ভিতরে বা বাইরে জঙ্গীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নেবে ভারত। এটাই নতুন ভারতের এজেণ্ডা।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], অমৃতসর, পঞ্জাব, ৯/০৫/২০২৫ : ‘অপারেশন সিঁদুর’ চলার সময় অমৃতসরের স্বর্ণ মন্দির কর্তৃপক্ষ ভারতীয় সেনাকে মন্দির চত্বরে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম লাগানোর অনুমতি দিয়েছিল বলে দাবী করলেন সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুমের ইভান ডিকুনহা।
অপারেশন সিঁদুর চলার সময় পাকিস্তানের দিক থেকে অমৃতসরের স্বর্ণ মন্দির উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি পেয়েছিলেন গোয়েন্দারা। সেইমত স্বর্ণমন্দির কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেছিল ভারতীয় সেনাবাহিনী। সেই সময় সেনাবাহিনীর পাশে থেকে তাদেরকে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার বার্তা দিয়েছিল মন্দির কর্তৃপক্ষ। শুধু তাই নয়, এই প্রথমবার রাতের বেলায় স্বর্ণ মন্দিরের আলো নিভিয়েও দেওয়া হয়েছিল। মন্দির চত্বর সম্পূর্ণ অন্ধকারে ডুবে ছিল বেশ কিছুক্ষনের জন্যে।
অমৃতসরের শিখ তীর্থ ক্ষেত্র স্বর্ণ মন্দির উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল পাকিস্তান। তারা ড্রোন দিয়ে আক্রমণও চালিয়েছিল। কিন্তু স্বর্ণ মন্দিরের সব আলো নিভিয়ে দেওয়ায় পাকিস্তানি ড্রোন স্বর্ণ মন্দির খুঁজে পায় নি। সেদিন স্বর্ণ মন্দির ভারতীয় সেনাবাহিনীকে সব রকম সহযোগিতা করেছিল, শুধু তাই নয়, তারা স্বর্ণ মন্দির চত্বরেই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম মোতায়েন করার অনুমতিও দিয়েছিল বলে জানিয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুমের ইভান ডিকুনহা।
সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ডিকুনহা জানিয়েছেন, সেদিন আকাশে উদ্দেশ্যহীনভাবে উড়তে থাকা পাকিস্তানি ড্রোনটি আমাদের চোখে ধরা পড়ে গিয়েছিল। আমাদের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম তাকে মাঝ আকাশেই সফলভাবে নিষ্ক্রিয় করে দিয়েছিল।.
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ১৮/০৫/২০২৫ : পাকিস্তানের পর এবার বাংলাদেশের প্রতি কঠোর মনোভাব গ্রহণ করতে শুরু করল ভারত। স্থলপথে বাংলাদেশের সাথে ভারতের বাণিজ্য বন্ধ করে দেওয়া হল।
কিছুদিন আগেই ভারত যখন পাকিস্তানের সাথে অপারেশন সিঁদুর নিয়ে ব্যস্ত ছিল, সেই সময় বাংলাদেশ বার বার উত্তর পূর্ব ভারত দখল করার কথা শুনিয়ে গিয়েছে। এমনিতেই বাংলাদেশ পাকিস্তান এবং চীন পন্থী একটা দেশ। বাংলাদেশে এখন তদারকি সরকার চলছে, সেই দেশে কিছুদিন আগেই সংখ্যালঘু মানুষের ওপর বর্বর আক্রমণের ঘটনাও ঘটেছিল। তাই বাংলাদেশ সম্পর্কে আগাম সতর্কতা গ্রহণ করছে ভারত সরকার। এই মুহূর্তে ‘চিকেন নেকে’র ওপর চীন ও বাংলাদেশী নজর থাকায় দেশের ওই অংশটুকু রক্ষা করার জন্যে সবরকম কাজ করে চলেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। শিলিগুড়ির কাছে তিস্তা নদীর চরে ‘তিস্তা প্রহার’ নামে আলাদা মহড়াও সেরে রেখেছে সেনাবাহিনী।
এর মধ্যেই চীন ফের অরুণাচল প্রদেশের কিছু অংশের নাম মানচিত্রে বদলে নিজেদের এলাকা বলে দাবী জানিয়েছে, যা ভারত স্পষ্টভাবে নস্যাৎ করে দিয়েছে। বর্তমানে পূর্ব ও উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলি জুড়ে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে বিএসএফও। এই মুহূর্তে বনগাঁর পেট্রাপোল সীমান্ত, শিলিগুড়ির ফুলবাড়ী সীমান্ত এবং মেখলিগঞ্জ সীমান্তে বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্য সম্পূর্ণ বন্ধ রেখেছে ভারত। বাংলাদেশ কোনো কিছুই আর স্থলপথে .ভারতে পাঠাতে পারবে না। শুধুমাত্র কলকাতা বন্দর তারা ব্যবহার করতে পারবে। তবে ভারতের ভিতর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে যে সব পণ্য নেপাল ও ভুটানে যায়, সেগুলি তারা পাঠাতে পারবে। এভাবেই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একের পর এক কঠোর ব্যবস্থা নিতে চলেছে ভারত। এই ধরনের ব্যবস্থা ভারত নিলে ব্যাপক চাপে পড়ে যেতে পারে বাংলাদেশ।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ] দিল্লী, ভারত, ১৭/০৫/২০২৫ : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যতই উন্নতি হচ্ছে, তার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সেই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে খারাপ কাজে লাগিয়ে অন্যকে লুঠে নেওয়ার খেলা। বাড়ছে প্রতারণা। সাইবার ক্রাইম এই ধরণেরই এক জঘন্য অপরাধ। যার হাত থেকে বাঁচা খুব শক্ত নয়, যদি বিষয়টি সম্বন্ধে পর্যাপ্ত পরিচয় থাকে।
আমাদের দেশে কত রকম সাইবার ক্রাইম হচ্ছে, তার খবর আমরা কজন রাখি ? আমাদের মধ্যে কারোর সাথে যদি সাইবার ক্রাইমের ঘটনা ঘটেই যায়, সেক্ষেত্রে কিভাবে পাওয়া যাবে তার থেকে নিস্তার ? এই সব প্রশ্নই এখন ঘুরে ফিরে উঠে আসছে নতুন প্রজন্মের সামনে।
WTN Technologies এর ডিরেক্টর দিলীপ কুমার লালওয়ানি রবিবার একটি নতুন ওয়েবসাইট নিয়ে আসছেন, সেই ওয়েবসাইটটি হল www.wtntechnologies.co.in ; এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এক পক্ষকাল যাবদ জানানো হবে ভারতে কত ধরনের সাইবার ক্রাইম চলছে। এই সব সাইবার ক্রাইমের পাতা ফাঁদ থেকে কিভাবেই বা বাঁচা যায় ! কিভাবে এই ফাঁদগুলোকে এড়িয়ে চলা সম্ভব ! যদি সাইবার ক্রাইমের খপ্পরে কেউ পড়েই যায়, তাহলেই বা তা থেকে বাঁচার কি কি ধরনের উপায় আছে ? কাদেরকে এই সাইবার প্রতারকরা বেশি টার্গেট করে ? এইসব দুরূহ তথ্যগুলি জানতে পারা যাবে নতুন এই ওয়েব সাইট থেকে। দিলীপ কুমার লালওয়ানি এই ওয়েবসাইটটি প্রকাশ করবেন রবিবার অর্থাৎ আগামীকাল।
এই ওয়েবসাইটের পার্টনার হিসেবে থাকছে ভারত সরকারের National Internet Exchange of India (NIXI) এবং সহযোগী হিসেবে থাকছে ভারত সরকারের Indian Cyber Crime Coordination Center (I4C) এর একজন নোডাল অফিসার। এই ধরনের অভূতপূর্ব উদ্যোগ সমাজের নতুন প্রজন্মকে অনেকটাই সতর্ক রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], শ্রীনগর, জম্মু ও কাশ্মীর, ১৭/০৫/২০২৫ : জম্মু ও কাশ্মীরেএই বছরে যাতে অমরনাথ যাত্রা মিরবিঘ্নে শুরু করা যায়, তার জন্যে স্বরকমভাবে সচেষ্ট হলেন জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা।
শ্রীনগরে হোটেল মালিক ও পর্যটন শিল্পের সাথে জুড়ে থাকা কাশ্মীরের বাসিন্দাদের সাথে একটি বৈঠকে মুখ্যমন্ত্ৰী ওমর আবদুল্লা বলেন, “২২শে এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে গুলি চালিয়ে পর্যটক হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর থেকে জম্মু ও কাশ্মীরে পর্যটন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে। উপত্যকায় এই সময় ভীড় থাকে , কিন্তু ঐ ঘটনার পর কাশ্মীরে হাতে গোনা সামান্য কিছু পর্যটকের দেখা মিলছে। এই রাজ্যে পর্যটন শিল্প একেবারে শূন্যে নেমে যেতে বসেছে।”
শনিবার ঐ সভায় ওমর আবদুল্লা বলেন, “আমরা নানারকমভাবে চেষ্টা চালাচ্ছি, যাতে এই রাজ্য থেকে ভ্রমন প্রিয় মানুষরা মুখ ফিরিয়ে না নেয়। আর কিছুদিন পরেই অমরনাথ যাত্রা শুরু হবে. আমরা চাইছি যাতে সেই অমরনাথ যাত্রা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়। কোথাও কোনোরকম ঘটনা যেন না ঘটে। এবছর জুলাই মাসের ৩ তারিখে অমরনাথ যাত্রা শুরুর কথা রয়েছে। যাত্রা শেষ হবে ৯ই আগস্ট তারিখে। এই অমরনাথ যাত্রাও হাঁটাপথে শুরু হবে সেই পহেলগাঁও থেকেই। তাই সদা সতর্ক থাকার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে জম্মু ও কাশ্মীর সরকার।
পহেলগাঁও কাণ্ডের পর যেভাবে জম্মু ও কাশ্মীরে বেড়াতে আসার ব্যাপারে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন পর্যটকেরা তাতে বেশ দুশ্চিন্তায় পড়েছে আবদুল্লা সরকার। কি ভাবে এই সমস্যার সমাধান করা যায়, তার জন্যে হোটেল মালিক এবং পর্যটন ব্যবসার সাথে জুড়ে থাকা কাশ্মীরিদের থেকেই পরামর্শ চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ ], গ্যাংটক, সিকিম, ১৬/০৫/২০২৫ : দেশের ২২তম রাজ্য হিসেবে সিকিম রাজ্যের প্রতিষ্ঠা দিবসে সিকিমের জনগণকে আজ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
আজকের দিনেই স্বাধীন ভারতের সাথে সংযুক্তি হয়েছিল সিকিমের। সিকিমের তৎকালীন রাজা চোগিয়ালের বিরুদ্ধে জনরোষ ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ার পর ভারতের সাথে সংযুক্তি ঘটেছিল সিকিমের। পাহাড়ের এই সুন্দর রাজ্যটি বর্তমানে পর্যটনের একটি জনপ্রিয় গন্তব্য। ভারতের বিভিন্ন জায়গা তো বটেই, বিশ্বের সব দেশ থেকেই পর্যটকেরা এই রাজ্যে আসেন ভ্রমন করতে।
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ সিকিমের প্রতিষ্ঠা দিবসে সে রাজ্যের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। শ্রী মোদী আরও বলেছেন, “এ বছর এই দিনটি আরও বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, কারণ আমরা সিকিমের ৫০-তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করছি ! সিকিম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমৃদ্ধশালী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং পরিশ্রমী মানুষের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে।”
এক্স পোস্টে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “সিকিমের প্রতিষ্ঠা দিবসে সে রাজ্যের জনগণকে উষ্ণ অভিনন্দন ! এ বছর এই দিনটি আরও বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য কারণ আমরা সিকিমের ৫০-ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করছি !
সিকিম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমৃদ্ধশালী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং পরিশ্রমী মানুষের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রগতি লাভ করেছে। এই সুন্দর রাজ্যের জনসাধারণের সমৃদ্ধি বজায় থাকুক।”