আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] শিলিগুড়ি, দার্জিলিং,১৪/০৪/২০২৫ : শিলিগুড়িতে চড়ক পুজো নিয়ে অশান্তি ছড়িয়েছে। বিজেপির তরফ থেকে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে, অভিযোগের তীর তৃণমূলের দিকে।
আজ চৈত্র সংক্রান্তি, বাংলা ক্যালেন্ডারের শেষ দিন। এই দিনে চরকের মাধ্যমে শিব পূজা করা হয়। বাংলার বিভিন্ন জায়গায় মেলা বসে। গতকাল শিলিগুড়ির মহানন্দা নদীর পাড়ে চরকের আয়োজন করেন দুই কিশোর। পুজোর যাবতীয় আয়োজন তাঁরা করেছিলেন। এই সময় মহানন্দার পাড়ে বসে থাকা ৫ ব্যক্তি তাদের কটূক্তি করে বলে অভিযোগ উঠেছে। যাঁরা পুজোর আয়োজন করেছিলেন সেই দুই কিশোর প্রতিবাদ জানাতেই তাদের ধরে বেধড়ক মারে ঐ পাঁচ জন। দুই কিশোরের দিকে তারা বোতল ছুঁড়েও মারে, গালিগালাজ করে।
এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ আন্দোলন শুরু করেন। তিনি জানিয়েছেন, “মূল অভিযুক্ত পাঁচ জন তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী, আর সেই কারণেই তাদেরকে গ্রেপ্তার করার নির্দেশ দেওয়া হয় নি। আমরা দুই দিন সময় দিচ্ছি, তার মধ্যেই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার না করলে বাংলায় যত চড়ক পুজো কমিটি আছে, সবাই মিলেই আন্দোলনে নামব।”
শংকর ঘোষ আরও বলেন, “আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি পশ্চিমবাংলাতেই সব ধর্মের মানুষকে আশ্রয় দেওয়া হয়। তা হলে হিন্দু ধর্মের ওপর এত অত্যাচার কেন চালানো হবে ? সবাই দেখতে পাচ্ছে মুর্শিদাবাদে কি হচ্ছে ? হিন্দু ধর্ম বারে বারে আক্রান্ত হচ্ছে।”
আজ খবর (বাংলা), [দেশ ]শ্রীনগর, জম্মু ও কাশ্মীর, ১৩/০৪/২০২৫ : বিশেষ প্রযুক্তির ড্রোন নিরোধক যন্ত্র ব্যবহার করে আজ জম্মু ও কাশ্মীরের লাইন অফ কন্ট্রোলে উড়তে থাকা পাকিস্তানের একটি ড্রোনকে নামিয়ে নিয়ে এলো ভারতীয় সেনাবাহিনী।
জম্মু ও কাশ্মীরের লাইন অফ কন্ট্রোলের খুব কাছে থাকা একটি পাকিস্তানি ড্রোনকে বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করে নামিয়ে নিয়ে এসেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। ড্রোনটি চীনের তৈরি বলে জানা গিয়েছে। জম্মু রিজিয়নের দক্ষিণ পীরপাঞ্জাল রেঞ্জের একটি জায়গায় ১৬ কর্পস এলাকায় ইন্ডিয়ান আর্মি এয়ার ডিফেন্স ইউনিট মোতায়েন করে রেখেছে। এই ইউনিটের দ্বারাই শত্রুপক্ষের ড্রোনগুলিকে নামিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছে।
কিছুদিন আগেও লাইন অফ কন্ট্রোলের কাছে শত্রুপক্ষের ড্রোন দেখলে তাকে গুলি করে নামিয়ে আনা হত, কিন্তু গুলি করলে সেই ড্রোনটি নষ্ট হয়ে যেত, ফলে সেই ড্রোন শত্রুপক্ষ কি উদ্দেশ্যে পাঠিয়েছে তা তদন্ত করে জানা যেত না। কিন্তু দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই বিশেষ যন্ত্র শত্রুপক্ষের ড্রোনগুলিকে অকেজো করে নিচে নামিয়ে আনতে সক্ষম। এর ফলে ঐ ড্রোনটিকে ময়না তদন্ত করে তার উদ্দেশ্য বুঝে নেওয়া সহজ হবে। ডিআরডিও এই যন্ত্রটিকে নির্মাণ করে তুলে দিয়েছে সেনাবাহিনীর হাতে।
আই এস এলের ফাইনাল দেখতে যুবভারতীর মাঠে ভীড় হয়েছিল খুব. অসংখ্য মানুষ টিভির পর্দাতেও চোখ রেখেছিলেন। আইএসএল ফাইনাল বলে কথা ! দুই দলই হাড্ডাহাড্ডি থেকেছে। বল পজেশন ব্যাঙ্গালুরুর দিকে বেশি থাকলেও ম্যাচটা জিতে শেষ বাজি কিন্তু মারল সবুজ মেরুন শিবিরই। খেলার ফলাফল হয়েছে ২-১;
মোহনবাগানের হয়ে গোল করেছেন কামিংস এবং ম্যাকলারেন। আলবার্তোর আত্মঘাতী গোলে ব্যাঙ্গালুরুর স্কোরবোর্ডে ১টি গোল যুক্ত হয়ে যায়. এই গোলের জেরেই দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে এগিয়ে গিয়েছিল ব্যাঙ্গালুরু। ৭২ মিনিটে পেনাল্টি পেয়ে যায় মোহনবাগান। পেনাল্টি থেকে খেলার সমতা ফেরায় বাগান। ফল হয় ১-১; এরপর অতিরিক্ত সময় শুরু হতে না হতেই জয়সূচক গোল পেয়ে যায় ম্যাকলারেন। মোহনবাগানই প্রথম দোল যারা ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়ান হল. লীগ শিল্ড জয়ের পর আইএসএল জিতে দ্বিমুকুট জয়ী হল মোহনবাগান।
আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক] কিভ, ইউক্রেন, ১৩/০৪/২০২৫ : কথাবার্তা চলছিল যুদ্ধবিরতি নিয়ে, আর তার মধ্যে আজ রাশিয়ান মিসাইল আছড়ে পড়ল ইউক্রেনে। মারা গিয়েছেন ইউক্রেনের ২১ জন এবং আহত হয়েছে ৮৩ জন মানুষ।
রবিবার ছুটির দিনে উত্তর পূর্ব ইউক্রেনের সুমি শহরে একটি চার্চের সামনে সগর্জনে আছড়ে পড়ল রাশিয়ান মিসাইল। নিমেষে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হল সেই জায়গাটি। মারা গেলেন ২১জন মানুষ। গুরুতর আহত হয়েছেন মোট ৮৩ জন. তাঁদেরকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্তত ৮৩ জন মানুষ গুরুতরভাবে জখম হয়েছেন রাশিয়ার মিসাইল আক্রমণের জন্যে। ঐ ৮৩ জনের মধ্যে ৮ টি শিশুও রয়েছে। ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার মিসাইল আক্রমণের তীব্র নিন্দা করেছেন এবং মৃতদের প্রতি শোক জ্ঞাপন করেছেন।
জেলেনস্কি বলেছেন, “রাশিয়া যেখানে মিসাইল নিক্ষেপ করেছে, সেখানে রয়েছে সাধারণ মানুষের বাড়িঘর, স্কুল, চার্চ ইত্যাদি। এইসব জায়গায় বোমা নিক্ষেপ করলে সাধারণ মানুষেরই মৃত্যু হবে তা জেনেও রাশিয়া এই কাজ করেছে। আমরা যখন যুদ্ধ থামানোর প্রস্তাব পেয়ে কাজ করছি, তখন রাশিয়া সাধারণ মানুষকে মেরে যুদ্ধটাকে আরও লম্বা করার ব্যবস্থা করছে। এভাবে শান্তি ফেরে না. আর সেটা রাশিয়ার বোঝা উচিত। ইউরোপীয় দেশ এবং অন্যান্য দেশগুলি নিশ্চয়ই এর প্রতিক্রিয়া দেবে। রবিবার ছুটির দিনে মানুষ যখন চার্চে গিয়ে ভীড় করে, তখন সেইসব পুণ্যার্থীদেরকে মিসাইল দেগে প্রাণে মেরে ফেলার চক্রান্ত করেছে রাশিয়া। “
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৩/০৪/২০২৫ : হিংসা বিদ্ধস্ত মুর্শিদাবাদে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টহলদারী বাড়ানোর সাথে সাথে প্রচুর পরিমানে গ্রেপ্তারি করতে জানানো হয়েছে পুলিশের তরফ থেকে।
গত কয়েকদিন মুর্শিদাবাদ জেলার জায়গায় ওয়াকফ সংশোধনী আইনের বিরোধিতায় হিংসাত্মক ঘটনা ঘটে চলেছিল। ক্ষিপ্ত আন্দোলনকারীরা পথ অবরোধ করেছিল, বিভিন্ন দোকানপাটে ভাংচুর চালিয়েছিল। পুলিশকে আক্রমণ করা হচ্ছিল। বিভিন্ন যানবাহনে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছিল, এমনকি পুলিশের গাড়িও পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।
বিজেপি নেতারা বার বার অভিযোগ করেছেন মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন জায়গায় হিন্দুদের ওপর অত্যাচার করা হচ্ছে, একটি মন্দিরও ভেঙে দেওয়া হয়েছে। যদিও এই ধরনের হিংসাত্মক আন্দোলনকে সম্পূর্ণ সমর্থন করেনি ওই অঞ্চলেরই বহু রাজনৈতিক নেতারা। রাজ্যের বিরোধী দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করে জানিয়েছেন, অন্তত ৩০০টি হিন্দু পরিবার মুর্শিদাবাদ ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছে. তাদের অবিলম্বে ঘরে ফেরাতে হবে সম্পূর্ণ নিরাপত্তা দিয়ে। “
মুর্শিদাবাদের জঙ্গীপুর, সুতি, ধুলিয়ান সামসেরগঞ্জ সর্বত্রই হিংসা ছড়িয়ে পরে. পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রচুর পুলিশ যেমন তাদের বিশাল বাহিনী ঘটনাস্থলে মোতায়েন করেছে তেমনি মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন জেলায় বিএসএফ জাওয়ানদেরকে মোতায়েন করা হয়েছে। এরপরেই শান্ত হতে শুরু করেছে অশান্ত মুর্শিদাবাদ, মালদা, দিনাজপুর ও নদীয়া জেলাগুলি। সর্বত্র টহলদারি চালানো হচ্ছে, নজর রাখছেন বাহিনীর উচ্চপদস্থ অফিসারেরা। এখনো পর্যন্ত হিংসা ছড়ানোর জন্যে মোট ১৫০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশেই হিংসা বিদ্ধস্ত এলাকাগুলিতে আধা সামরিক বাহিনীকে নামানো হয়েছে। আদালত এই বিষয়ে কেন্দ্র সরকার ও রাজ্য সরকার দুই পক্ষের তরফ থেকেই রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। আগামী ১৭ তারিখে এই মামলার শুনানী হবে. সেই শুনানীতে দুই পক্ষকেই রিপোর্ট পেশ করতে হবে. পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুর্শিদাবাদ ও উত্তর ২৪ পরগনার কথা উল্লেখ করে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] নতুন দিল্লী, ভারত, ১২/০৪/২০২৫: ওয়াকফ সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়াগায় হিংসাত্মক ঘটনা ঘটে চলেছে। এখনো পর্যন্ত মোট ৪ জনের মৃত্যুও হয়েছে। এই ঘটনার জন্যে বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপরেই সমস্ত দশ চাপাতে শুরু করেছে।
বিজেপির তরফ থেকে বলা হয়েছে, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হিন্দু বিরোধী ও হিন্দু বিদ্বেষীদেরকে রক্ষা করছেন। হিন্দু বিরোধী এই হিংসাকে বিজেপি রাজ্য সরকারের স্পন্সর্ড বলে আখ্যা দিয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হিন্দু বিরোধিতাকেই টার্গেট করা হয়েছে। সবকিছু সেদিকেই এগোচ্ছে। আর এই ধরনের ঘটনাকে সমর্থন এবং উৎসাহিত করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, যিনি এই রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীও।”
বিজেপির পরোক্ষ থেকে মুখপাত্র প্রদীপ ভান্ডারী বলেছেন, “তৃণমূল কংগ্রেস এখন রাতিকরণের রাজনীতি করছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বামী বিবেকানন্দ, রবীন্দ্রনাথ এবং শ্যামাপ্রসাদের পবিত্র ভূমিকে তুষ্টিকরনের ল্যাবরেটরি বানিয়ে ফেলেছে। একদিকে মমতার পুলিশ চাকরিহারা শিক্ষকদের ওপর লাঠি আর বেটন চার্জ করছে, কেননা এসএসসি ইস্যুতে তিনি ধরা পরে গিয়েছেন। আর এক দিকে হিন্দুরা আক্রান্ত হচ্ছে, অথচ পুলিশ হাত গুটিয়ে বসে থাকছে।”
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এদিন প্রবল সমালোচনা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। আজ ফের মুর্শিদাবাদ জেলায় হিংসার আগুন ছড়িয়েছে। সেই আগুন পুড়িয়ে দিয়েছে যানবাহনকে। নতুন করে অশান্তি ছড়িয়েছে সামসেরগঞ্জ, ধুলিয়ানে। ওয়াকফ আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে মুর্শিদাবাদের স্টাইলবাজারে লুঠপাঠ চালানো হয়েছে, সেই দৃশ্য দেখে বাংলাদেশের কথা মনে পরে যাচ্ছে।
ওই অঞ্চলের ছাত্রু অরণ্যের মধ্যে গত কয়েকদিন ধরেই জঙ্গীদের সাথে এনকাউন্টার চালিয়ে চলেছেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর জওয়ানরা। সেনাবাহিনীর তরফ থেকে জানানো হয়েছে ঐ অরণ্যে যতক্ষণ না সব জঙ্গীকে খতম করা হচ্ছে, ততক্ষন এনকাউন্টার বন্ধ করা হবে না. ঐ অরণ্যে এখনো গুলির বৃষ্টি থামে নি।
গত ৯ তারিখে কাশ্মীর পুলিশের কাছে গোপন সূত্রে খবর আসে, কিস্তোয়ার এলাকায় সশস্ত্র জঙ্গীরা লুকিয়ে আছে. কাল বিলম্ব না করে নিরাপত্তা বাহিনী ঐ অরণ্যে তল্লাশি চালাতে শুরু করে। প্রথম দিকে এই জঙ্গীরা অরণ্যাঞ্চলের বাইরে গ্রামের কাছাকাছি ছিল. কিন্তু নিরাপত্তা বাহিনীকে দেখেই তারা অরণ্যের ভিতরে ঢুকে যায়।
এরপর ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানরা গোটা এলাকাকে ঘিরে ফেলে তল্লাশি শুরু করেন। ১০ তারিখ সারাদিন তল্লাশি চালানো হয়। জওয়ানরা বুঝতে পারেন জঙ্গীরা অরণ্যে লুকিয়ে রয়েছে। এরপর জওয়ানরা অরণ্যে প্রবেশ করতেই গুলি ছুটে আসে. শুরু হয়ে যায় প্রবল গুলিবর্ষণ।
১০ তারিখ থেকে লাগাতার গুলির বৃষ্টি চলতে থাকে। এনকাউন্টার চলেছে আজও। শুক্রবার ১জন জঙ্গীকে খতম করা হয়, শনিবার ৩ জন জঙ্গী এবং আজ ২ জন জঙ্গীকে খতম করা হয়েছে। এনকাউন্টার চলছে এখনও। মৃত সব জঙ্গি পাকিস্তানি বলে জানানো হয়েছে বাহিনীর তরফ থেকে।
ছাত্রু অরণ্যকে কার্যত ঘিরে ধরে চিরুনি তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সেনাবাহিনীর তরফ থেকে জানানো হয়েছে ঐ অঞ্চলে যতক্ষণ না সমস্ত জঙ্গীকে নিকেশ করা হচ্ছে, ততক্ষন পর্যন্ত অপারেশন চালিয়ে যাওয়া হবে। নিরাপত্তা বাহিনীতে অংশ নিয়েছেন ইন্ডিয়ান আর্মি, সিআরপিএফ এবং কাশ্মীর পুলিশের জওয়ানরা। এই অপারেশনে ব্যাপকভাবে সহায়তা করছেন ঐ এলাকার গ্রামবাসীরা।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১২/০৪/২০২৫ : ওয়াকফ সংশোধনী আইনের প্রতিবাদে মুর্শিদাবাদে ব্যাপক অশান্তির পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুষলেন বিজেপি সংসদ সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপধ্যায় হিন্দুদের হুমকি দিচ্ছেন। এই রাজ্যটাকে তিনি বাংলাদেশ বানানোর চেষ্টা করছেন।
অশান্ত মুর্শিদাবাদে পুলিশের নিক্রিয়তা এবং মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন,”সেদিন জেনেবুঝেই পুলিশ কোনো সক্রিয়তা দেখায় নি. ওপর মহল চুপ করে ছিল. মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হিন্দুদেরকে হুমকি দিয়ে এই রাজ্যকে বাংলাদেশ বানাতে চাইছেন। হিংসা বিধ্বস্ত জেলাগুলিতে প্রাতিষ্ঠিতি নরকের চেয়েও খারাপ হয়ে গিয়েছে। বেশ কিছু বাড়িতে লুঠপাঠের খবর পাওয়া গিয়েছে। হিন্দু মহিলাদের ভয় দেখানো হচ্ছে। গালিগালাজ করা হচ্ছে।
গোটা বিষয়টির ওপর কড়া নজর রেখেছে কেন্দ্র সরকার। এই ব্যাপারে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ. অশান্তির জেরে কলকাতা থেকে শিলিগুড়ির পথে দুপাল্লার বাস, ট্রেন বন্ধ রাখা হয়েছিল। কিছু কিছু ট্রেনের রুট বদলানো হয়েছে। মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন জায়গায় বিএসএফকে নামানো হয়েছে। এই মুহর্তে বিএসএফ জওয়ানরা নজরদারীর কাজ করছে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১২/০৪/২০২৫ : একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, কলকাতার বাতাসে ভাসমান অতিক্ষুদ্র ধূলিকণার ‘বিষক্রিয়ার মান’ বৃদ্ধি পেয়েছে।
পার্টিকুলেট ম্যাটার বা পিএম ২.৫ অর্থাৎ ২.৫ মাইক্রো মিটার বা তার চেয়েও ছোট ব্যাসার্ধের ধূলিকণা মানুষের স্বাস্থ্যের পক্ষের বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। এই ধরনের ধূলিকণার কারণে হৃদরোগ সহ বিভিন্ন ধরনের শ্বাসকষ্টের শিকার হচ্ছেন।
বায়ু দূষণের মোকাবিলায় ভারত সরকার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। ২০১৯ সালে চালু করা হয়েছে ন্যাশনাল ক্লিন এয়ার কর্মসূচি (এনসিএপি)। এর মাধ্যমে ২০২৬ সালের মধ্যে ক্ষুদ্র ধূলিকণার পরিমাণ ৪০ শতাংশ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।
ভারত সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের অধীন সংস্থা বোস ইন্সটিটিউট-এর পক্ষ থেকে এই অতিক্ষুদ্র ধূলিকণার দূষণ নিয়ে সমীক্ষা চালানো হয়েছে। অধ্যাপক অভিজিৎ চ্যাটার্জি এবং তাঁর অধীনে শিক্ষারত দুই প্রাক্তন পিএইচডি পড়ুয়া ডঃ অভিনন্দন ঘোষ ও ডঃ মনামি দত্ত এক সমীক্ষায় বায়ু দূষণের মাত্রা চিহ্নিত করেছেন।
তাঁদের সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, পিএম ২.৫ হঠাৎ-ই বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তা প্রায় 130 µg m-3 -তে পৌঁছে গিয়েছে। তাঁরা দেখেছেন, দূষণমুক্ত কর্মসূচির মাধ্যমে দূষণের মাত্রা কমানো সম্ভব হয়েছে, রাস্তার ধূলিকণা, বাড়ি ভেঙে ফেলা বা নির্মাণের ফলে সৃষ্ট ধূলিকণা, গাড়ির ধোঁয়া নির্গমন, শিল্প দূষণ প্রভৃতি ক্ষেত্রে দূষণ কমানো অনেকটাই সম্ভব হয়েছে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১২/০৪/২০২৫ : সেদিন (৯ তারিখ) এসএসসি বিল্ডিংএর সামনে চাকরিহারা শিক্ষকদের ওপর পুলিশ যেভাবে লাঠিচার্জ লাথি চার্জ করেছিল, তার নিন্দার ঝড় উঠেছিল সব মহলেই। কিন্তু সেদিন পুলিশকেও আক্রান্ত হতে হয়েছিল, আহত হতে হয়েছিল বলে জানালেন পুলিশ কর্তারা। সাংবাদিকদের ডেকে একটি বৈঠক করে সেদিনকার অডিও এবং ভিডিও তুলে ধরা হল সংবাদ মাধ্যমের সামনে।
এই ব্যাপারে জয়েন্ট সিপি ক্রাইম রূপেস কুমার বলেন, “৯ তারিখে শর্ট নোটিশে আমরা খবর পাই, চাকরি হারা শিক্ষকরা জমায়েত করেছেন DI অফিসে।আমাদের পুলিশ Arrengement করা হয়েছিল। যাতে শান্তিপূর্ণ ভাবে ওনারা প্রতিবাদ করতে পারেন। বালিগঞ্জ থেকে এসে ওনারা জোর করে গেট খোলার চেষ্টা করেছিলেন। প্রথম ব্যারিকেড ভেঙে, পরের গেট এ ঢোকার চেষ্টা হয়। ভিতরে এন্ট্রি করে শেষ লেয়ারের গেট (কলাপসিবল গেট) এ জমা হয়ে পরের প্যাডলক ভেঙে ফেলার চেষ্টা করেন। আমরা একটা ভিডিও দেখাচ্ছি যেখানে প্রভোক করছেন গেট ভেঙে দেওয়ার জন্য। পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য।ওই সময়ও পুলিশ শান্তিপূর্ণ ভাবে আটকানোর চেষ্টা করে। সেদিন পুলিশের উপর অ্যাসল্ট করা হয়েছে। তারপর পুলিশ ব্যবস্থা নেয়। আন্দোলনকারীরা ১২:১৫ নাগাদ পৌঁছানোর পর ১২: ১৮ ফার্স্ট ব্যারিকেড ভেঙেছেন। পুলিশ একদম শেষ পর্যায়ে ব্যবস্থা নিয়েছে। তার আগে পর্যন্ত শান্তি বজায় রাখতে স্বরকমভাবে চেষ্টা করে গিয়েছিল।”
তিনি আরও বলেন, “প্রথম ভিডিও তে সাউন্ড আসছে যে আমরা ভেঙে দেবো। পুলিশ সবসময় শান্ত থাকতে অনুরোধ রেখেছে। পরের ছবিতেও দেখুন, ব্যারিকেড ভাঙবার চেষ্টা হয়েছে। পুলিশ কিন্তু কোনও ফোর্স তখনও করেনি। স্কেলিং করার চেষ্টা হয়েছে মহিলা পুলিশ কর্মীর বডির উপরে উঠে পা দিয়ে স্কেল করবার চেষ্টা হয়েছে। কংক্রিট স্ল্যাব দিয়ে ভিতর ঢুকে প্যাডলক ভাঙবার চেষ্টা হলো। গেটের তালা ভেঙে ফেলা হবে বলে শোনা যাচ্ছে শুনুন। পরিষ্কার অডিও। প্রভোক করার পর গেটের তালা ভেঙে ফেলা হবে বলে শোনা যাচ্ছে শুনুন। পরিষ্কার ওডিও। প্রভোকে করার সাথে সাথে পুলিশের উপর আঘাত হানবার চেষ্টা করেছেন ওনারা। লাস্ট লেয়ারের পর তারা একজন পুলিশ কর্মীকে মারবার চেষ্টা করেছেন। ১২:২৮ থেকে ১২:৩০ পুলিশ কর্মীকে অ্যাসল্ট করা হয়। ভিডিও এভিডেন্স দেখালাম। আমাদের মোট ১৩ পুলিশ অফিসিয়াল ইনজিওর্ড। সার্জেন্ট সঞ্জয় মন্ডল এখন রুবি হাসপাতালে ভর্তি, আইএসআই লিটন দাস গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁর মেডিকেল চেক আপ হয়েছে (ইনিই সেদিন শিক্ষকদের লাঠি মেরেছিলেন, তাঁর ছবি ভাইরাল হয়েছে )।”
সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিপি মনোজ কুমার বর্মা। তিনি বলেন, “It was a teacher’s programme.কেউ ওখানে গিয়ে ওই পরিস্থিতি করবে এটা আশাপ্রদ ছিল? তালা লাগানো আর তালা ভাঙ্গা দুটো এক নয়। প্রথম হলো, যাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এসেছে, তার মেডিকেল রিপোর্ট দেখবেন একটু।Teacher দের প্রতিবাদ কর্মসূচি তে এই পরিস্থিতি হবে এটা এক্সপেকটেড ছিল না। ওর ইনজুরি বিভিন্ন জায়গায় আছে। কবে হাঁটতে পারবে সেটা আমরা জানি না। পুলিশের বিরুদ্ধে অনেক কিছু বলে হচ্ছে। গুন্ডা বলা হচ্ছে। কিন্তু এটা এক্সপেকটেড নয়, পুলিশকে কেউ injured করবে পুলিশ একশন নেবে না ?ভবিষ্যতে যাতে এটা না হয় তার জন্য আমরা ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছি। আর জি কর- এর পর অনেক ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে পুলিশ কর্মীদের। প্রতি সপ্তাহে আমরা মিটিং করি। থানা লেভেল এ প্রতি মাসে মিটিং হয়। বারবার এটা বলা হয় কোথায় কি করতে হবে। How to deal with public, how to deal with women আমরা শেখাই। Every time আমরা এটা বোঝাই, শেখাই।Every time আমরা এটা বোঝাই সেখাই।আমি খবর পাওয়ার পর আমি জানাই। যে টিচার্স ওখানে থাকবে। সেদিনকার ঝামেলায় করা কারা ছিল আমরা তদন্ত করছি। We’re not disclosing their identity for investigation।I don’t know আপনারা কলকাতা পুলিশের কি নিয়ম থানায় থাকে তা জানেন কিনা।
জয়েন্ট সিপি ক্রাইম রূপেস কুমার
সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিপি মনোজ কুমার বর্মা। তিনি বলেন, “It was a teacher’s programme.কেউ ওখানে গিয়ে ওই পরিস্থিতি করবে এটা আশাপ্রদ ছিল? তালা লাগানো আর তালা ভাঙ্গা দুটো এক নয়। প্রথম হলো, যাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এসেছে, তার মেডিকেল রিপোর্ট দেখবেন একটু।Teacher দের প্রতিবাদ কর্মসূচি তে এই পরিস্থিতি হবে এটা এক্সপেকটেড ছিল না। ওর ইনজুরি বিভিন্ন জায়গায় আছে। কবে হাঁটতে পারবে সেটা আমরা জানি না। পুলিশের বিরুদ্ধে অনেক কিছু বলে হচ্ছে। গুন্ডা বলা হচ্ছে। কিন্তু এটা এক্সপেকটেড নয়, পুলিশকে কেউ injured করবে পুলিশ একশন নেবে না ?ভবিষ্যতে যাতে এটা না হয় তার জন্য আমরা ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছি। আর জি কর- এর পর অনেক ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে পুলিশ কর্মীদের। প্রতি সপ্তাহে আমরা মিটিং করি। থানা লেভেল এ প্রতি মাসে মিটিং হয়। বারবার এটা বলা হয় কোথায় কি করতে হবে। How to deal with public, how to deal with women আমরা শেখাই। Every time আমরা এটা বোঝাই, শেখাই।Every time আমরা এটা বোঝাই সেখাই।আমি খবর পাওয়ার পর আমি জানাই। যে টিচার্স ওখানে থাকবে। সেদিনকার ঝামেলায় করা কারা ছিল আমরা তদন্ত করছি। We’re not disclosing their identity for investigation।I don’t know আপনারা কলকাতা পুলিশের কি নিয়ম থানায় থাকে তা জানেন কিনা।
Duty official যখন কেউ থাকে তখন কোনো কেস রেজিস্টার হলে সে হয় আইও। চেঞ্জ করা হয়, অনেক বার চেঞ্জ করা হয়েছে। পরেও চেঞ্জ করা হয়। His name was there. He was duty officer of that time।He was initial IOHe was duty officer when the case was recorded
বড়ি ক্যামরা আছে। প্রচুর প্রমাণ আছে। এভিডেন্স আগে আমরা দেখি। অ্যারেস্ট পরেও আমরা করি। বাইরের কারা ছিল আমরা আইডেন্টিফাই করেছি। তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম পরিচয় আমরা এখন বলব না। Whatever is lawful that steps will be done.”