কথায় বলে’রাখে হরি তো মারে কে ?’ ও যেন সেই ঘটনা। এতটা ভয়ঙ্কর বিমান দুর্ঘটনা সত্বেও প্রাণে বেঁচে গেলেন এক যাত্রী, তাকেহাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], আহমেদাবাদ, গুজরাট,, ১২/০৬/২০২৫ : আজ দিন শুরু হতে না হতেই দুপুরবেলায় গুজরাটে মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনার খবর এসে পৌঁছেছে। এই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে প্রায় সব বিমানযাত্রী, পাইলট ও কেবিন ত্রু -এর বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
‘প্রায়’ শব্দটি ব্যবহার করা হল, কারন ঐ অভিশপ্ত বিমানের মধ্যে একজন ভাগ্যবান যাত্রীকে গুরুতরভাবে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। বিমান দুর্ঘটনার জেরে তিনি গুরুতরভাবে জখম হয়েছেন, সম্ভবত পুড়েও গিয়েছেন, তবে তাঁর দেহে এখনো প্রাণ রয়েছে। তিনি প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন। তাঁকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে।
আমেদাবাদ পুলিশ জানিয়েছে, “বিমানটি আহমেদাবাদ থেকে উড়ে গিয়ে একটি ডাক্তারদের হোস্টেলে ধাক্কা মেরেছিল।মৃতের সংখ্যা এখনই বলা সম্ভব হচ্ছে না। বিমানটি লোকালয়ে আছড়ে পড়ায় মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। গ্যাটউইক গামী বিমানটিতে মোট ২৪২ জন যাত্রী ছিলেন, তার মধ্যে ১৬৯ জন ভরতীয়, ৫৩ জন ব্রিটিশ, ৭ জন পর্তুগীজ এবং ১ জন কানাডিয়ান ছিলেন।”
আমেদাবাদ পুলিশ জানিয়েছে, “তদন্ত ও উদ্ধারকাজ চালানোর সময় ১ জনকে জীবিত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। তিনি ওই অভিশপ্ত বিমানের ১১এ আসনে বসেছিলেন।” তাঁর নাম রমেশ বিশ্বাসকুমার,. তিনি গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। একটি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে।
অরণ্যের মধ্যে খাদ্য সংকট, তাই বন থেকে বাইরে বেরিয়ে আসতে হচ্ছে পশুদের। ধরা পড়ল ১২ ফুট লম্বা বিশালাকার পাইথন
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], বানারহাট,জলপাইগুড়ি, ১২/০৬/২০২৫ : লোকালয়ের থেকে উদ্ধার বিশাল আকৃতির পাইথন” ঘটনায় চাঞ্চল্য বানারহাটে।
বুধবার রাতেই বানারহাট ব্লকের মধ্য শালবাড়ি এলাকার বেরুবাগ নদীতে স্থানীয় বাসিন্দারা দেখতে পায় একটি বিশাল আকৃতির পাইথন। সেই সময় স্থানীয় বাসিন্দারা ১২ ফুট দৈর্ঘ্যের পাইথনটিকে উদ্ধার করে, বেঁধে রাখে প্রাথমিক স্কুলের মাঠে। এদিকে পাইথনের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেই একের পর এক ভিড় জমান এ লেখার বাসিন্দারা, পরবর্তীতে খবর দেওয়া হয় মরারঘাট রেঞ্জের খট্টিমারি বিটের বন কর্মীদের বন কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে ১২ ফুট দৈর্ঘ্যের পাইথনটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। তবে বনদপ্তর সূত্রে খবর পাইথনটিকে পর্যবেক্ষণের পর মরার ঘাট রেঞ্জের জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হবে।
তবে ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এর আগেও একাধিকবার ওই এলাকা থেকে পাইথন উদ্ধার হয়েছে, বিভিন্ন সময় গবাদি পশু হাঁস-মুরগি সাবার করছে। তার জেরে আতঙ্কিত রয়েছে এলাকার মানুষরা। তাদের আশঙ্কা গ্রামের পাশেই রয়েছে খট্টিমারি জঙ্গল। সেই জঙ্গল থেকেই খাদ্যের লোভে গ্রামে চলে আসছে পাইথন।
ইউকে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতের কথা থাকলেও মহম্মদ ইউনুসকে ফিরতে হল খালি হাতেই। দেখায় করলেন না স্টারমার।
আজ খবর (বাংলা) [আন্তর্জাতিক] ঢাকা, বাংলাদেশ, ১২/০৬/২০২৫ : বাংলাদেশের তদারকি সরকারের উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের সাথে দেখাই করলেন না ইউকের প্রধানমন্ত্রী কায়ার স্টারমার। পূর্ব নির্ধারিত বৈঠকও বাতিলকরে দেওয়া হল।
চলতি মাসের ১০ থেকে ১৩ তারিখ পর্যন্ত ইংল্যান্ডে সফর করছেন বাংলাদেশের তদারকি সরকারের উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস। এই সফরের মাঝে তিনি চেয়েছিলেন ইউকের প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমারের সাথে একটা সাক্ষাৎ করে নেবেন। সেই অনুযায়ী তাঁর সরকারের তরফ থেকেআবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু সেই আবেদন পত্রপাঠ খারিজ করে দিলেন ইউকে প্রধানমন্ত্রী। তিনি দেখাই করতে চাইলেন না মহম্মদ ইউনূসের সাথে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতের আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ করেন ইংল্যান্ডে থাকা এক বাংলাদেশী কূটনীতিক। অবশ্য এই বৈঠককে পূর্ব নির্ধারিত হিসেবে দেখতে চেয়েছে বাংলাদেশ।
এদিকে মহম্মদ ইউনুস ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করতে যাবেন এমন খবর পেয়ে ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে চিঠি দিয়েছিল আওয়ামী লীগ। স্টারমারের ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশের স্বঘোষিত তদারক মহম্মদ ইউনূসের সাক্ষাতের ব্যাপারে নিজেদের উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল আওয়ামী লীগ। তারা ইংরেজ সরকারকে সতর্ক করে লিখেছিল, “এই ধরনের সাক্ষাৎ কোনো অনির্বাচিত ও অসাংবিধানিক প্রশাসনকে বৈধতা প্রদান করে।” আওয়ামী লীগের এই চিঠি পেয়েই মহম্মদ ইউনূসের সাথে বৈঠক বাতিল করে দেওয়া হয়।
তার নির্দেশে সেক্স চক্রে যোগ না দেওয়ায় পাঁচ মাস ধরে অকথ্য অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছিল এক তরুণীকে. এবার আদালতে তোলার সময় ঠাস করে থাপ্পড় খেতে হল মক্ষীরানী শ্বেতা খানকে।
শ্বেতা খান
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য]হাওড়া,পশ্চিমবঙ্গ, ১২/০৬/২০২৫ : শ্বেতা খানকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় থাপ্পড় মারলেন যুব তৃণমূল নেত্রী। যদি থাপ্পড় মেরে ঘটনাস্থল থেকে চলে যান ঐ মহিলা।
শ্বেতা খানকে বৃহস্পতিবার দুপুরে হাওড়া আদালতে পেশ করে পুলিশ। যখন পুলিশের গাড়ি থেকে নামিয়ে শ্বেতা খানকে আদালতে পেশ করা হচ্ছিল, সেই সময় তৃণমূলের এক যুবনেত্রী তাকে থাপ্পড় মারেন। ধৃত শ্বেতা খানকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল। বিক্ষোভ সামলাতেই রীতিমতো হিমশিম খেয়ে যায় হাওড়া পুলিশ। এরপর এক প্রকার টানতে টানতে শ্বেতা খানকে আদালতের এজলাসে নিয়ে যায় পুলিশ।
প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যেতে পারে,আলিপুরের গোপন আস্তানা থেকে বুধবার রাতে গ্রেফতার হন শ্বেতা খান ওরফে ফুলটুসি বেগম। সোদপুরে তরুণীকে নির্যাতনের ঘটনায় এবার গ্রেফতার হন শ্বেতা খান ওরফে ফুলটুসি বেগম। আলিপুরের একটি গোপন আস্তানা থেকে বুধবার সন্ধ্যায় তাকে গ্রেফতার করে হাওড়া পুলিশ। এর আগে বুধবার সকালে আলিপুরের একটি ফ্ল্যাট থেকে গ্রেফতার হয় ফুলটুসি বেগমের ছেলে আরিয়ান খান।
আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় শ্বেতা খান বার বার সাংবাদিকদের বলতে থাকে যে,গুড্ডু খান নাম একজন তাদেরকে ফাঁসিয়ে দিয়েছে। নির্যাতিতা মেয়েটিকে সেই নাকি হায়ার করে নিয়ে এসেছিল। ঘটনা আসলে কি, সেটা তদন্ত করে দেখার কাজ পুলিশের।
এবার হাওড়া পুলিশ মুখোমুখি মা ও ছেলেকে বসিয়ে ওই সোদপুরের তরুণীকে শারীরিক অত্যাচারের ঘটনায় জেরা করবে বলে সূত্রের খবর। বৃহস্পতিবার শ্বেতা খান ওরফে ফুলটুসি বেগমকে হাওড়া আদালতে পেশ করে পুলিশ। এদিকে, সোদপুরে তরুণী নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্ত আরিয়ান খান গ্রেফতার হয়। বুধবার গল্ফগ্রীন এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। কলকাতা পুলিশের সাহায্য নিয়ে অবশেষে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও তথ্য হাতে পেতে চাইছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, আরিয়ান খান ও তার মা শ্বেতা খানের খোঁজে কয়েকদিন ধরেই তল্লাশি চালায় পুলিশ। কিন্তু কোনোভাবেই তাদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে মোবাইলের সূত্র ধরে আরিয়ানের হদিশ মেলে। তারপরেই তাকে কলকাতা পুলিশের সাহায্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার সকালেই আটক করা হয়েছিল আরিয়ানের দিদা তথা শ্বেতার মাকে। তাকেও আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
এই ঘটনায় আটক করা হয়েছে আরিয়ানের সহযোগী জোয়াকেও। তাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। আরিয়ানের খোঁজ মিললেও মা শ্বেতা ওরফে ফুলটুসির খোঁজ পাচ্ছিল না পুলিশ। ছেলে ও মাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ফুলটুসির খোঁজ পেতে মরিয়া ছিল পুলিশ। বড় প্রোডাকশন হাউসে কাজ দেওয়ার নাম করে তরুণীদের টোপ দেওয়া হত বলে অভিযোগ। তারপরে তাঁদের দিয়ে সেক্স র্যাকেট চালানোর প্রস্তাব দেওয়া হত। তেমনই সোদপুরে তরুণীকেও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। রাজি না হওয়ায় অকথ্য অত্যাচার চালানো হয়। বর্তমানে সাগর দত্ত হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি ওই তরুণী। তাঁর শরীরের অবস্থা খুব খারাপ বলে জানা গিয়েছে।
পুলিশের ধারণা ছিল কলকাতার বাইরে যান নি শ্বেতা খান। শহরের কোথাও গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে সে। ছেলে আরিয়ানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে অভিযুক্ত শ্বেতার খোঁজ পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল পুলিশ। অবশেষে খোঁজ মিলল বুধবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ কলকাতার আলিপুরে। সেখান থেকেই গ্রেফতার হন শ্বেতা খান। আর বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে পেশ করার সময় তৃণমূল যুবনেত্রীর সজোরে থাপ্পড় হজম করতে হল শ্বেতা খানকে। এদিকে আজ আদালত চত্বরে দাঁড়িয়ে বেশ কিছু লোক সাংবাদিকদের কাছে দাবি জানালেন যে শ্বেতা আদৌ তৃণমূলের কেউ নয়। সে তৃণমূলের বদনাম করার চেষ্টা করেছে।
কিভাবে এতবড়ো দুর্ঘটনা ঘটে গেল ? দুর্ঘটনা ? নাকি অন্তর্ঘাত ? যদি ষঢ়যন্ত্র হয়, তাহলে কে আছে এর পিছনে ? শত্রুদেশের চক্রান্ত নয় তো ?
আজ খবর (বাংলা), [দেশ] আহমেদাবাদ, গুজরাট,১২/০৬/২০২৫ : মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, গুজরাটের আকাশে ভেঙে পড়ল একটি বিমান। মৃতের সংখ্যা ২০০র বেশি বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আমেদাবাদ থেকে লন্ডনগামী (গ্যাটউইক) একটি এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান (এআই ১৭১) ২৪২ জন প্যাসেঞ্জারকে নিয়ে আহমেদাবাদ বিমানবন্দর থেকে উড়েছিল, কিন্তু উড়ানের পরেই সেই বিমানে আগুন লেগে যায় এবং সেই বিমানটি আমেদাবাদের কাছেই মেঘানি নগরে একটি নির্মীয়মান বহুতলের ওপর ভেঙে পরে. গোটা বিমানটি দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে। বিমানের সব যাত্রী মারা গিয়েছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, যেহেতু বিমানটি একটি নির্মীয়মান বহুতলের ওপরে ভেঙে পড়েছে, তার ফলে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
এখনো পর্যন্ত ৫০ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে ঐ বিমানটির ধ্বংস স্তুপ থেকে। দমকলের বেশ কয়েকটি ইঞ্জিন ঐ বিমানের আগুন নেভানোর জন্যে কাজ করে চলেছে। ঐ বিমানে যাত্রী হিসেবে ছিলেন বিজয় রুপাণী, যিনি পর পর দুবার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। দুর্ঘটনার খবর পেয়েই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উদ্ধারকাজে সব রকম সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। ঘটনাস্থলে দুজন মন্ত্রীকে পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীর সাথেও কথা বলে নিয়েছেন। যে কোনোরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি আটকাতে আমেদাবাদ বিমানবন্দরে রয়েছে পুলিশের একটি বাহিনী।
আহমেদাবাদ বিমানবন্দর থেকে ওরার কিছুক্ষনের মধ্যেই এআই ১৭১ বিমানটি ভযেজে পরে জনবহুল এলাকায়। বিমানটিতে ২৪২ জন যাত্রী ছাড়াও ছিলেন দুজন পাইলট এবং ১০ জন কেবিন ত্রু। দুই পাইলট যথেষ্ট অভিজ্ঞ ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন আট হাজারের বেশি ঘন্টা এবং আর একজনের দেড় হাজারের বেশি ঘন্টা বিমান অভিজ্ঞতা ছিল. টেক অফের পরেই পাইলটরা মে’ডে কল করেছিলেন বলে জানা যায়. সক্রিয় হয়েছিল এমার্জেন্সি প্রটোকল. ‘মে ডে’ হল বিমান উড়ানের ভাসায় আন্তর্জাতিক কোড,যাতে বিমানটি বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে পড়েছে। মে ডে মানে মি. এক্ষেত্রে ঠিক কি হয়েছিল সেটা তদন্তে নিশ্চয়ই ধরা পড়বে। এটা কি নিছক দুর্ঘটনা ? নাকি অন্তর্ঘাত ? সেটা জানা দরকার।
কেন বার বার ঘটছে এই সংঘাত ? কেন পুলিশকে আক্রান্ত হতে হচ্ছে ? রাজ্যে কেন বার বার ঘটছে এই ঘটনা ?
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১২/০৬/২০২৫ : মহেশতলায় ফের সংঘাত দেখা দিয়েছে। সরকারি জমির ওপর অবস্থিত কোনো একটি নির্মাণকে ঘিরে সেখানে অশান্তি তৈরি হয় বলে জানা যাচ্ছে। গতকাল এই ঘটনা নিয়ে মহেশতলায় তুমুল গন্ডগোলের সৃষ্টি হয়েছিল. পুলিশকে এলাকায় লাঠি চার্জ করতে হয়েছে, কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়তে হয়েছে।
কেউ বলছেন একটি দোকান ঘরকে নিয়ে অশান্তির সূত্রপাত, কেউ বলছেন একটি মন্দির তথা একটি তুলসী মঞ্চকে নিয়ে অশান্তির সূত্রপাত হয়েছিল মহেশতলায়। অশান্তির আগুন হঠাৎ করেই দাউ দাউ করে জ্বলে উঠেছিল। ভাংচুর করা হয় বেশ কিছু দোকানে, দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকটি অটো ও গাড়িতে। ইঁট ও পাথর বৃষ্টি করা হয় পুলিশের দিকে। তাতে অবস্থা আরও ঘোরালো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে লাঠি চার্জ করতে হয়, কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটাতে হয়। গ্রেপ্তার করা হয় অনেককে।
গতকাল মহেশতলায় তুলসীমঞ্চ ভেঙে দেওয়া হয়েছে এই অভিযোগে বিজেপি বিধায়করা বিধানসভায় তুলসী গাছ নিয়ে যান এবং বিক্ষোভ দেখান। আজ বিধানসভায় প্রবেশ করার মুখে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী গতকাল হিন্দুদের ওপর আক্রমণের তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি এই ঘটনার জন্যে হিন্দু বিরোধী আখ্যা দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।
প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীর অবশ্য বলেন, “গতকাল পুলিশ সঠিক ভূমিকাই নিয়েছিল। গতকালের হামলায় পুলিশকেও মার খেতে হয়েছিল, তারপরেই পুলিশ মার্ দিয়েছিল।” পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ। তিনি বলেন, “বিজেপি নেতাদের উস্কানিতেই এই ধরনের ঘটনা ঘটছে।”
বিজেপি নেতা অর্জুন সিং বলেন, “এই ধরনের সংঘাত কিভাবে বুঝে নিতে হয় তা আমরা জানি। আমি আমার দলকে বলব কড়া হাতে এইসব কিছুকে রুখে দিতে । আমাদের মহেশতলায় পৌঁছানো দরকার। আমরা পথে নেমে প্রতিবাদ করব।”
রাজনৈতিক চাপানউতোর যাই হোক না কেন, কিছু মানুষ এই ধরনের সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছে কেন ? এটা কি শুধুই রাজনৈতিক সংঘাত ? সাম্প্রদায়িক সংঘাত ? নাকি অন্য কিছু ? পুলিশের কাছে কি এতবড় ঘটনার কোনো আগাম তথ্য ছিল না ? গতকাল পুলিশকেও আক্রমন করা হয়েছিল, কিন্তু তা সত্বেও মাথা ঠান্ডা রেখে পুলিশ গোটা পরিস্থিতি সামলেছে। সেক্ষেত্রে পুলিশের প্রশংসা প্রাপ্য। কিন্তু এই ধরনের ঘটনা বার বার কেন ঘটে চলেছে ? কখনো মুর্শিদাবাদে, কখনো মহেশতলায় ? রাজ্য সরকারের এই বিষয়গুলি নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করা উচিত এবং সমাধানের পথ খোঁজা উচিত বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক থেকে শুরু করে ৮ থেকে ৮০ জন সাধারণ।
বাংলাদেশে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়িতে আক্রমণের ঘটনার নিন্দা করুক ওয়ার্ল্ড কমিউনিটি, চাইছে বিজেপি। ভাংচুরের ঘটনায় দোষীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হোক।
আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক] নতুন দিল্লী, ভারত, ১২/০৬/২০২৫ : বাংলাদেশে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাছারিবাড়িতে যে বা যারা ভাংচুর চালিয়েছে, তাদের গোটা বিশ্ব নিন্দা করুক, এই আহবান করেছেন বিজেপি সাংসদ সম্বিৎ পাত্র।
সম্বিৎ পাত্র বলেন, “আমি বিশ্বাবাসীর কাছে আবেদন করছি, ওয়ার্ল্ড কমিউনিটি তাদের নিন্দা করুক যারা বাংলাদেশে অবস্থিত বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের কাছারিবাড়িতে হামলা চালিয়েছিল। যারা ঐ বাড়িতে গিয়ে অবাধে ভাংচুর চালিয়েছিল। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আর পাঁচজন মানুষের মত নন। তিনি বিশ্ব বরেণ্য। তাঁর বাড়িটিকে আক্রমণ করার মানেই হচ্ছে তাঁর ভাবধারাকে আক্রমণ করা। বিজেপি গোটা বিশ্বের কাছে এই আবেদন করছে, সব দেশের মানুষ, বাংলাদেশে আজ যা কিছু ঘটছে তার নিন্দা করুক, নীতি ও আদর্শকে যারা জলাঞ্জলি দিচ্ছে,যারা সংস্কৃতিকে বিনষ্ট করছে, যারা সৃষ্টিকে , উৎকর্ষতাকে শেষ করে দিচ্ছে, তার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুক। “
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরদের একটি কাছারিবাড়ি রয়েছে। এই অট্টালিকাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দাদুর আমলের একটি ভবন। বর্তমানে এখানে রবীন্দ্র স্মৃতি বিজড়িত একটি মিউজিয়ামও আছে। এই ভবনেই ভাংচুর চালিয়েছে বাংলাদেশের কিছু দুষ্কৃতী। বাংলাদেশের তদারকি সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস স্বীকার করে নিয়েছেন যে, আন্তর্জাতিক এই সৌধটিকে রক্ষা করা যায় নি।
গতকাল কলস যাত্রার পর আজ স্নান যাত্রা আর কিচুদিন পরেই রথযাত্রা। এবার চতুর্থ বছরে পড়ল এই রথ উৎসব।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], রথতলা, বেলঘরিয়া, ১১/০৬/২০২৫ : বেলঘরিয়ার জগন্নাথ দেবের স্নান যাত্রা দেখতে অনেক দূর দূরান্ত থেকে ভক্তেরা আসেন, আর কিছুদিন পরেই হবে রথযাত্রা। ব্যাপক ভীড় হবে সেদিনও।
গতকাল ছিল কলস যাত্রা কলস যাত্রার মধ্যে দিয়ে গঙ্গা থেকে ১০৮ ঘড়া জল নিয়ে আসা হয় রাতে সেই জল বিভিন্ন দ্রব্য দিয়ে পুজো করা হয় পুজো করা সেই গঙ্গাজল দিয়ে আজ বলভদ্র মাতা সুবোধরা দেবী এবং জগন্নাথ দেবের স্নান করানো হয়। বলভদ্র দেব কে ৩৩ কলসি জল দিয়ে স্নান করানো হয়। মা সুভদ্রা দেবীকে ২২ ঘরা জল দিয়ে স্নান করানো হয়। এবং জগন্নাথ দেবকে ৩৫ ঘড়া জল দিয়ে স্নান করানো হয়; সুদর্শনকে ১৮ ঘড়া জল দিয়ে স্নান করানো হয়। এত জল দিয়ে স্নান করানোর পরে বলভদ্র, মাতা সুভদ্রা দেবী এবং জগন্নাথ দেবকে স্থানের পরে তাদের জ্বর আসে। সে কারণেই আজকের পর থেকে মন্দিরের দরজা বন্ধ হয়ে যাবে, ভক্তদের দেখা দেবেন না কিন্তু দৈনন্দিন মন্দিরের ভিতরে পুজো অর্চনা চলবে এবং একদম রথের দিন ওনারা বাইরে বের হবেন সেদিনকে পুজো অর্চনার পর বল ভদ্র মাতা সুভদ্রা দেবী এবং জগন্নাথ দেবকে রথে তোলা হবে।
বেলঘড়িয়া রথ তলার জগন্নাথ মন্দিরের রথ এ বছর চতুর্থ বর্ষের পদার্পণ করলো বেলঘড়িয়া জগন্নাথ মন্দিরের রথের বানানোর কাজ শুরু হয় অক্ষয় তৃতীয়ার দিন থেকে তিনটে পয়ত্রিশ ফূটের রথ সেই রথেই উঠবেন বল ভদ্র মাতা সুভদ্রা দেবী এবং জগন্নাথ দেব একমাত্র বলরাম সুভদ্রা, জগন্নাথ সরাসরি তার ভক্তদের কাছে আসেন এই রথের সময় সোজা রথ এবং উল্টো রথের দিন তার ভক্তদের কাছে তারা সরাসরি চলে আসেন ভক্তদের মাঝে। আজ রথ উৎসবের ঢাকে কাঠি পড়ে গেল বলরাম জগন্নাথ সুভদ্রা দেবীর স্নানযাত্রার মধ্যে দিয়ে।
শিলিগুড়িতে এসে তৃণমূল সরকারকে দুষলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। তিনি বলেন, “রাজ্য সরকার এই রাজ্যে নানারকম সমস্যা তৈরি করার জন্যেই কেন্দ্র সরকারের প্রকল্পগুলিতে বিলম্ব হচ্ছে “
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] শিলিগুড়ি,দার্জিলিং, ১১/০৬/২০২৫ : বুধবার শিলিগুড়িতে আসেন ভারতের বন্দর, জাহাজ ও জলপথের মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। শিলিগুড়ির বিজেপি কার্যালয়ে বিজেপির নেতৃত্বে সাথে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক ও আলোচনা করেন তিনি। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন শান্তনু ঠাকুর।
সাংবাদিক বৈঠকে শান্তনু ঠাকুর বলেন, “প্রধানমন্ত্রী ভারতের ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্টে মূল যোগ দিয়েছেন। তিনি বিশ্বের দরবারে ভারতকে এক নম্বরে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। ভারত অর্থনীতিতে এগিয়ে চলেছে। বিগত ১১ বছরে প্রধানমন্ত্রী যে সমস্ত কর্মসূচি নিয়েছেন প্রতিটি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সেরা। রাস্তা তৈরির ক্ষেত্রে বাংলায় সমস্যা হচ্ছে। রাজ্য সরকার জমি দিতে পারছে না জন্যই রাস্তা তৈরিতে নানান সমস্যা হচ্ছে।
ভারতবর্ষে বিগত ১১ বছরের ৪০টি নতুন বিমানবন্দর হয়েছে। ৭০ টি বিমানবন্দর কে সাজানো হয়েছে আন্তর্জাতিক মানে। প্রায় ২০০০ স্টেশন কে অমৃত ভারত প্রকল্পে সাজানো হয়েছে। ভারতবর্ষের প্রতিটি পোর্ট কে সাজানো হচ্ছে। প্রতিটি পোর্টে মালবাহী ট্রেন পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ভারতবর্ষের অর্থনীতির ৭০% ব্যবসা পোর্টের মাধ্যমে হয়, সেই কারণে পোর্টকে মর্ডানাইজ করা হচ্ছে। আমাদের দেশকে তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পৌঁছানোর টার্গেট বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর।
ভারতে তৈরি সামগ্রী গোটা বিশ্বে পৌঁছে দিতে হবে এটাই টার্গেট প্রধানমন্ত্রীর।মেড ইন ভারত এ জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী চাইছেন এক্সপোর্ট বাড়াতে। অর্থনীতির বিকাশ ঘটাতে। বর্তমানে ভারতের মাখনা বিশ্বের দরবারে প্রচুর এক্সপোর্ট হচ্ছে এবং ভারতের অর্থনীতির বিকাশ হচ্ছে।
কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকার নানান সমস্যা তৈরি করে কেন্দ্রীয় সরকারকে সহায়তা করছে না। নানান রকম রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করে কেন্দ্রীয় সরকারকে অসহযোগিতা করছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার বলে অভিযোগ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। চিকেন নেক করিডোর কে কেন্দ্রীয় সরকার সব রকম ভাবে নিরাপত্তা দিচ্ছে এবং নজর দিচ্ছে। পাশাপাশি চিকেন নেক এলাকায় আরো নানান সুযোগ সুবিধা এবং রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হবে।
অপারেশন সিন্দুর প্রধানমন্ত্রীর সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত। এটা বিশ্বসেরা পদক্ষেপ। ভারতীয় সেনা, বায়ু সেনা এবং নৌ সেনার পদক্ষেপ চিরস্মরণীয়। বর্তমানে ভারতের ডিফেন্স সেক্টর আগের থেকে অনেক বেশি উন্নত এবং তা বিশ্বের দরবারে গর্বের। ২৭০ এর বেশি যোজনা বিগত ১১ বছরে প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের উন্নয়নের জন্য করেছেন।
পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি ভয়াবহ। পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য সাথী মুখ থুবড়ে পড়েছে। কোন সুযোগ পাচ্ছে না আমজনতা। কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলিকে বাস্তবায়িত করতে দেওয়া হচ্ছে না বাংলায়। পশ্চিমবঙ্গ সরকার অর্থনৈতিক তলানিতে যাচ্ছে। শুধু রাজনৈতিক স্বার্থ কায়েম করতে কেন্দ্রের সাথে বিবাদ করছে বাংলা।
আগামী দু বছরের মধ্যে ৭ লক্ষ কোটি টাকা দেনায় থাকবে বাংলা।
রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় সরকারকে কি বলল সেটা অযৌক্তিক বিষয়। কিন্তু রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থে কি করল তার হিসাব দিক। হিসেবে মিথ্যে ভরে আছে রাজ্যের রিপোর্টে। স্মার্ট মিটার হলে মানুষের সুবিধা হবে। রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি ভারতের বন্দর, জাহাজ ও জলপথের মন্ত্রী।
রাজনীতি মানুষের সেবামূলক কাজে দান প্রাপ্ত হওয়া উচিত। কিন্তু একটি সরকার একটি কমিউনিটিকে ঢপের চপ খাওয়াচ্ছে। যার ফল আগামী ২৬ শে পাবে।
সেবক রংপো রেলপথ কয়েক বছরের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে। ধস এবং অন্যান্য কিছু প্রাকৃতিক কারণে বর্তমানে কাজ বন্ধ রয়েছে তবে তা দ্রুত শুরু হবে বলেই জানিয়েছেন শান্তনু ঠাকুর।
বাজারি ভাষায় কথা বলছেন শুভেন্দু অধিকারী। এর আগে বিধানসভায় এই ভাষায় কোনো বিরোধী দলনেতা কথা বলেন নি , বললেন বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১১/০৬/২০২৫ : শুভেন্দু অধিকারী যে ভাষায় বিধানসভায় কথা বলছেন, সেই ভাষা এর আগে কখনো শুনি নি বিধানসভার মধ্যে, এই কথা বললেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।
বিধান সভায় শাসকদল ও বিরোধীদের মধ্যে তরজা তুঙ্গে উঠেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের বিবৃতি দেওয়ার সময় বিজেপি নেত্রী কগ্নিমিত্রা পল রুখে দিতে চেষ্টা করেছিলেন। সেই সময় মমতা তাঁকে ধমকে চুপ করিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী যে ভাবে এবং যে ভাষায় রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করতে গেলেন, সেই ভঙ্গিমাটি মেনে নেন নি তৃণমূল বিধায়করা। তাঁরা শুভেন্দুর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন স্পিকারের কাছে। তৃণমূল বিধায়করা স্পিকারের কাছে বিরোধী দলনেতার স্বাধীকার ভঙ্গের অভিযোগ করেছেন।
মমতা শুভেন্দুকে বলেন, “আমি আপনাকে ইগনোর করি…. আপনি একজন লিমিটলেস অপজিশন লিডার।” স্বাধীকার ভঙ্গের নোটিশ নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “ওদের নোটিশের থোড়াই কেয়ার করি। এই নোটিশ এর আগে সাতবার দেখেছি।”
বিধানসভার বাইরে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিধানসভার হট্টগোল নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, ” দীর্ঘদিন ধরেই বিধানসভায় আসছি, অনেক বিরোধী দলনেতা দেখেছি।কিন্তু এইবার শুভেন্দু অধিকারী যে ভাষায় এখানে কথা বলছেন, এভাবে কাউকে এর আগে বলতে শুনি নি। উনি সম্ভবত বিধানসভাকে বাজার বলে মনে করছেন।”