

![]()


![]()

বদলা নিতেই গ্রেপ্তার উদয়ন : সৌগত

![]()

হারিনি, জোর করে হারানো হয়েছে : মমতা
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি] ফলতা , দক্ষিণ ২৪ পরগণা , ২৫/০৫/২০২৬: রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের শোচনীয় পরাজয় ও পরিস্থিতির জন্যে কেন্দ্র সরকার এবং ফলতায় হারের জন্যে জাহাঙ্গীর খানকে দোষারোপ করলেন তৃণমূল নেতা সৌগত রায় ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
রাজ্যে এই মুহূর্তে তৃণমূল কংগ্রেসের অবস্থা যেন ভাঙ্গা হাটের চেহারা নিয়েছে। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই প্রকাশ্যে আসছিলেন না তৃণমূলের নেতারা। তবে একটি ভিস্তিও বার্তার মাধ্যমে বেশ কিছুদিন পর দেখতে পাওয়া গেল তৃণমূল সুপ্রীমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। একটি ভিস্তিও বার্তায় তিনি তৃণমূল হকংগ্রেসের এই পরিস্থিতির জন্যে কেন্দ্র সরকারকেই দায়ী করেছেন।
মমতা বলেছেন, “তৃণমূল কংগ্রেস হারে নি, তৃণমূল কংগ্রেসকে জোর করে হারানো হয়েছে। আপনারাও যখন দিল্লীতে ক্ষমতা হারাবেন, একই পরিস্থিতি হবে আপনাদেরও। ” এই মুহূর্তে রাজ্যে পুর বোর্ড নড়বড় করছে। হাওড়া ও বালি পুরসভায় নির্বাচনের আশ্বাস দিয়েছেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূলের কয়েকজন কাউন্সিলর আইনি সমস্যায় পড়েছেন। কেউ কেউ গ্রেপ্তার হয়েছেন। এইপরিস্থিতিতে কোনো কাউন্সিলর যেন পদত্যাগ না করেন এবং রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করেন সেই বার্তাই দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা ফলতায় দলের বিপর্যয়ের জন্যে জাহাঙ্গীর খানকেই দোষী ঠাউরেছেন। ফলতায় তৃণমূলের হয়ে ভোট নিয়ন্ত্রণ করত জাহাঙ্গীর খান বাহিনী। এবার ফলতায় পূননির্বাচনের নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সেই নির্বাচনের প্রচারের শেষ লগ্নে নিজের প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন জাহাঙ্গীর খান। এই নির্বাচনে গ্রামের মানুষ অবাধে ভোট দিতে পেরেছিলেন, ফলে বিজেপি বিপুল ভোটে জয়লাভ করে গিয়েছে।
এই পরিস্থিতির জন্যে জাহাঙ্গীর খানকেই দোষারোপ করেছেন তৃণমূল নেতা সৌগত রায়। তিনি বলেছেন “শেষ মুহূর্তে যেভাবে নিজের প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করে নিয়েছে জাহাঙ্গীর, তার জন্যেই আমাদের শোচনীয় পরাজয় হয়েছে। সে যদি আরও আগে নিজেকে সরিয়ে নিত, তাহলে আমরা আরও ভালো কোনো প্রার্থী সেখানে দিতে পারতাম।” জাহাঙ্গীরের এই শেষ মুহূর্তে নিজেকে সরিয়ে নেওয়াটাকে ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ হিসেবেই দেখছেন সৌগত রায়।
![]()

এবার আদালতে তৃণমূল কংগ্রেস
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৭/০৪/২০২৬ : এবার নির্বাচন বিধি লংঘন করার অভিযোগ নিয়ে অবজারভারের বিরুদ্ধে আদালতের শরণাপন্ন হল তৃণমূলকংগ্রেস।
তৃণমূলকংগ্রেসের তরফ থেকে প্রাক্তন পুলিশ কর্তা এবং তৃণমূল প্রার্থী রাজীব কুমার অভিযোগ করছেন যে মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী গৌড় ঘোষের সাথে পুলিশ অবজারভার পারমার স্মিত পুরুষোত্তম দাসের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে। তাঁরা নিজেদের মধ্যে গোপন বৈঠকও সেরে নিয়েছেন। পুলিশ অবজারভার এবং বিজেপি প্রার্থীর এই গোপন আঁতাতের অভিযোগ তুলে তৃণমূল কংগ্রেস হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেছে।
পুরুষোত্তম দাস নামে ঐ অবজারভারের আওতাধীন একটি অঞ্চলে এক হোটেলে বিজেপি প্রার্থীর সাথে একটি গোপন বৈঠকের কথাও জানানো হয়েছে অভিযোগে। ঐ বৈঠকের যাবতীয় তথ্য প্রমান সিসিটিভি / ভিডিও ফুটেজ সহ যুক্ত করা হয়েছে তৃণমূলের অভিযোগের সাথে। এই অভিযোগের ফলে আদালত কি ব্যবস্থা নেয় এবং নির্বাচন কমিশন কি ব্যবস্থা গ্ৰহণ করে এখন সেটাই দেখার।
![]()

“এখনই শোকজ করা উচিত হিমন্তকে”
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], মাথাভাঙ্গা, কোচবিহার, ১৮/০৪/২০২৬ : আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বিরুদ্ধে নির্বাচনে অভিযোগ জানালো তৃণমূল কংগ্রেস। হেমন্তের বিরুদ্ধে তৃণমূলে অভিযোগ, হিমন্ত একটি জনসভায় ধর্মীয় উস্কানিমূলক কথাবার্তা বলেছেন।
তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছেন কোচবিহারের জনসভা থেকে হিমন্ত বিজেপি ক্ষমতায় এলে গোমাংস এই রাজ্যে নিষিদ্ধ করার কথা বলেছেন। এই রাজ্যে সাধারণত গোমাংস ভক্ষণ করেন নির্দিষ্ট একটি ধর্মের মানুষ। এই ধরনের বক্তব্য রেখে হিমন্ত ধর্মীয় ভাবাবেগে উস্কানি দিয়েছেন বলে তৃণমূল অভিযোগ করেছে। তৃণমূলের বক্তব্য এইভাবে আইন শৃঙ্খলার অবনতি হতে পারে। বিজেপি এইভাবে কুমন্তব্য করে ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়াতে চাইছে।
তৃণমূল বলছে হিমন্ত বিশ্বশর্মা যে মন্তব্য করেছেন তাপশ্চিমবংগের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বান্দ্যোপাধ্যায়য়ের মানহানি করে, যাচাই না করেই এই ধরনের মন্তব্য করা উচিত হয় নি হিমন্তের। এই ধরনের মন্তব্য ইচ্ছাকৃত এবং অবমাননাকর। তাই নির্বাচন কমিশনের উচিত অবিলম্বে এই অভিযোগের ভিত্তিতে হিমন্ত বিশ্বশর্মাকে শোকজ করা।
![]()

অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়েও বিরোধিতা হবে
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], সোনারপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগণা , ১৩/০৪/২০২৬ : ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে তীব্র সমালোচনা করলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা তৃণমূল নেতা ইউসুফ পাঠান।
তৃণমূলের হয়ে প্রচারের ফাঁকে ইউসুফ পাঠান বলেন, “এসআইআর-এর মাধ্যমে আনাদের দেশে যোগ্য ভোটারদের ওপর যে অবিচার করা হল, তা সত্যিই হৃদয়বিদারক। সংবিধান আমাদের যে ভোটাধিকার প্রয়োগের অধিকার দিয়েছে, সেই অধিকারে হস্তক্ষেপ করা হল.”
এদিন ইউসুফ পাঠান আরও বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হলেন একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি বৈধ ভোটারদের অধিকার যাতে কেড়ে নেওয়া না হয়, তার জন্যে সর্বোস্তরে লড়াই করেছেন। এমনকি তিনি দেশের সর্বোচ্য আদালতে গিয়েও লড়াইটা করেছেন। এসআইআর-এর জন্যে যাঁদের অধিকার চলে গেলো সকালের হয়ে তিনি সর্বসমক্ষে আওয়াজ তুলেছেন। এই লড়াই তিনি ভবিষ্যতেও চালিয়ে যাবেন। তিনি একজন সত্যিকারের নেত্রী। এরপর তিনি কেন্দ্রের প্রস্তাবিত অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বিরুদ্ধেও লড়াই করবেন।”
![]()

“তৃণমূলের একমাত্র উদ্দেশ্য হল রাজ্য থেকে বিজেপিকে বিতাড়িত করা”
![]()

“যে পার্টির ‘প’ জানে না , তাকে প্রার্থী করা হয়েছে, দলকে ভুগতে হবে”
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] হরিশ্চন্দ্রপুর, মালদা, ১৮/০৩/২০২৬ : মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী নির্বাচন ঘিরে তৃণমূল কংগ্রেসে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ্যে এল। হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে টিকিট না পেয়ে দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী তথা প্রাক্তন বিধায়ক তাজমূল হোসেন।
বুধবার দুপুরে নিজের বাসভবনে তিনি বলেন, “যে পার্টির ‘প’ জানে না, তাকেই প্রার্থী করা হয়েছে। আমার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে, এর ফল দলকে ভুগতে হবে।”
পাশাপাশি দলীয় কর্মীদের অভিযোগ, আইপ্যাকের মাধ্যমে টাকা তোলা হচ্ছে। টাকা তুলছেন খোদ আইপাক কর্তা প্রতীক জৈন । দলীয় কর্মীদের দাবি, মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে হরিশ্চন্দ্রপুর বিধানসভা কেন্দ্রের টিকিট বিক্রি করা হয়েছে। একই অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দলের একাংশ কর্মীরাও।
উল্লেখ্য, গতকাল তৃণমূল কংগ্রেস তাদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে। সেখানে মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে ২০২১ সালের বিজেপি প্রার্থী মতিউর রহমানকে। তিনবারের বিধায়ক তাজমূল হোসেনের নাম তালিকায় না থাকায় স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
![]()

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৯/০৩/২০২৬ : তৃণমূল কংগ্রেস প্রধানমন্ত্রীনরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে। দলের অভিযোগ, মণিপুরে এসসি ও এসটি সম্প্রদায়ের মানুষ ভয়াবহ হিংসার শিকার হওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী সম্পূর্ণ নীরব ছিলেন। অথচ এখন তিনি রাষ্ট্রপতির বক্তব্যকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছেন।
তৃণমূলের মতে, মণিপুরে দীর্ঘদিন ধরে চলা হিংসার ঘটনায় বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং হাজার হাজার মানুষ ঘরছাড়া হয়েছেন। সেই সংকটের সময় প্রধানমন্ত্রী যথাযথ প্রতিক্রিয়া দেননি বা পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেননি।
দলের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী এখন রাষ্ট্রপতির বক্তব্যকে হাতিয়ার করে বিরোধীদের আক্রমণ করছেন, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। তৃণমূলের দাবি, এত বড় মানবিক বিপর্যয়ের সময় কেন্দ্রের উচিত ছিল দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া।
তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, মণিপুরের পরিস্থিতি শুধু একটি রাজ্যের সমস্যা নয়, এটি দেশের সংবিধান ও গণতন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। তাই এই বিষয়ে রাজনৈতিক লাভ-ক্ষতির হিসাব না করে কেন্দ্রের উচিত ছিল মানুষের পাশে দাঁড়ানো।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের মে মাস থেকে উত্তর-পূর্বের রাজ্য মণিপুরে জাতিগত সংঘর্ষ শুরু হয়, যার ফলে বহু মানুষের মৃত্যু এবং ব্যাপক বাস্তুচ্যুতি ঘটে।
![]()

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৮/০২/২০২৬ : তৃণমূল কংগ্রেস তাদের রাজ্যসভার প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে, যে প্রার্থী তালিকার কিছু রকম নিয়ে বিতর্ক তৈরি করতে শুরু করেছে বিরোধী দলগুলি।
![]()