Aaj Khabor

কেন বলতে হচ্ছে “আমরা বেইমান নই” !

দিদির পাশেই আছি : কুনাল

আজ খবর  (বাংলা)  [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৬/০৬/২০২৬ : উত্তর কলকাতায় সভা করে প্রকাশ্যে তৃণমূলকর্মীদের বলতে হল “আমরা বেইমান নই। ” হঠাৎ এই ধরনের বার্তা কেন দিতে হল তৃণমূল কর্মীদের, আসুন একটি বিশ্লেষণ করে দেখা যাক।

গত বৃহস্পতিবার উত্তর কলকাতায় তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষের নেতৃত্বে একটি সভা করেন তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা। সেই সভার প্রধান থিম ছিল “আমরা বেইমান নই” ; তৃণমূল ছেড়ে ইতিমধ্যেই বহু নেতা কর্মী, কাউন্সিলর, বিধায়ক ও সাংসদকে বেরিয়ে যেতে দেখা গিয়েছে। ঋতব্রত ব্যানার্জির নেতৃত্বে অনেকেই তৃণমূল দল থেকে বেরিয়ে গিয়েও সংবিধানিক পদ্ধতি অবলম্বন করে তাঁদেরকেই তৃণমূল বলে দাগাতে চেয়েছেন।

এমতবস্থায় যাঁরা দল ছেড়ে বেরিয়ে যান নি, যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থেকেই দলের কাজকর্ম সামলাতে লেগেছেন, তাঁরাই উত্তর কলকাতার সভায় উপস্থিত থেকে বলতে চেয়েছেন “আমরা বেইমান  নই , আমরা দিদির পাশেই আছি। ”  কুনাল ঘোষ জানিয়েছেন, “ঐ  সভায় তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের এতো ভীড় হয়েছিল যে সবাই ভিতরে প্রবেশ করতে পারেন নি, তাঁরা বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন।”  অর্থাৎ জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনপ্রিয়তায় একটুও ভাঁটা পড়ে নি।

কিন্তু জনসমক্ষে এই ধরনের সভা করে কেন তৃণমূল কর্মীদের বলতে হচ্ছে যে, তাঁরা বেইমান  নন? আসলে সামনে আসছে ২১শে জুলাই, এই দিনটাকে তৃণমূল কংগ্রেস প্রতি বছর শহীদ দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। ওই দিনে লক্ষ লক্ষ মানুষের ভীড় দেখতেই অভ্যস্ত সবাই।  কিন্তু এবার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ অন্যরকম।  সংগঠন সেভাবে দানা বাঁধছে না. বরং এবার পালে হাওয়াই নেই।  দুর্বল সংগঠন নিয়ে কিভাবে এবার শহীদ দিবস পালিত হবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় মমতা শিবির। যেখানে দলের নাম,  লোগো আর তহবিলটাই  সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে,  সেখানে শহীদ দিবস আদৌ আর আগের মত পালন করা যাবে কি ? এখন এই প্রশ্নটাই বড় হয়ে উঠছে।

এই মুহূর্তে তৃণমূলের অনেক কর্মী নেতাদের জেল হয়েছে। অনেকেই প্রশাসনের সাথে লড়াই করছেন, সেই তালিকায় অরূপ ও স্বরূপ বিশ্বাস যেমন আছেন, তেমন খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও রয়েছেন।  তাই গতকালের উত্তর কলকাতার সভা দিয়ে কুনাল ঘোষরা রাজনীতির স্রোতে হারিয়ে যেতে যেতে খড় কুটো ধরে বাঁচার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। বেইমান  নই  স্লোগানকে সামনে রেখে রাজনীতির ময়দান থেকে ছিটকে গেলেও দলের জন্যে সমর্থন আদায় করার চেষ্টা করছেন।  গতকালের কর্মী সভা অবশ্য বিক্ষুব্ধদের প্রতিও একটা বার্তা হিসেবে ধরে নেওয়া যায়।  তবে গতকালের কর্মী সভা কি একেবারেই সফল ? গতকালের কর্মীসভায় উপস্থিত থেকেও ঐ সভা শেষ হতে না হতেই বিক্ষুব্ধ শিবিরে গিয়ে যোগাযোগ করেছেন কাউন্সিলর তথা তৃণমূল নেতা বিশ্বরূপ দে।

আগামী ২১শে  জুলাই তৃণমূল কংগ্রেস শহীদ দিবস পালন করতে পারে কি না, করলে কিভাবে করবে এবং সর্বোপরি সেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কর্মীদের উদ্দেশ্যে ঠিক কি বার্তা দেবেন সেদিকে নজর থাকবে সকলের।

Loading

দলটা যত তাড়াতাড়ি উঠে যায় ততই মঙ্গল : দিলীপ

দলটা যত তাড়াতাড়ি উঠে যায় ততই মঙ্গল : দিলীপ

 
 
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৪/০৬/২০২৬ :  তৃণমূল কংগ্রেস নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।  তিনি বলেছেন, “যত দ্রুত এই দলটা উঠে যায় ততই মঙ্গল।”
গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই অন্তর্কলহ এবং বিদ্রোহের মাশুল দিতে হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস দলটাকে।  একে  একে  বিধায়করা সরে দাঁড়িয়েছেন, সাংসদরা সরে দাঁড়িয়ে অন্য দলে যোগ দিয়েছেন, এমনকি পুরসভার কাউন্সিলররাও একে একে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছেন। মেয়ররা নিজেদের পদ ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছেন। এর মধ্যেই পূর্ব মেদিনীপুরে জেলা সভাধিপতির আসনটিও বিজেপি দখল করে নিতে পেরেছে। দলীয় বহু কর্মীকে জেলে যেতে হয়েছে।
ঠিক এই রকম একটা অবস্থায় বিধায়ক ঋতব্রত ব্যানার্জির নেতৃত্বে তৃণমূলের বিদ্রোহী বিধায়করা নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য তাঁরাই আসল তৃণমূল কংগ্রেস। তাই সেই নাম, অফিসিয়াল লোগো এবং দলের ফান্ড তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হোক।  বিদ্রোহী তৃনমূলের বিধায়করা ইতিমধ্যেই দলের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে, চেয়ারম্যান পোস্টে নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও।
আজ বিজেপি নেতা তথা রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “যা কিছু ঘটছে তা তৃণমূলের অন্দরে  ঘটছে, তাই সেসব নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই. এবার নির্বাচন কমিশন সিন্ধান্ত নিক যে, কে ওদের নেতা হবে ? দলটা কতগুলো ভাগ হবে ?  পার্টির নাম কি হবে ? লোগো কি হবে ? এসব নিয়ে বিধানসভার ভিতরেও জোর চর্চা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ সেসব জানতে পারছে না, জানতে চাইছেন না।  দলটা যত  তাড়াতাড়ি উঠে যায় ততই মঙ্গল।

Loading

ফের পথে নামলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ফের পথে নামলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

বদলা নিতেই গ্রেপ্তার উদয়ন : সৌগত 

 
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], কলকাতা , পশ্চিমবঙ্গ, ১৭/০৬/২০২৬  :  বেশ কিছুদিন ধরে একের পর এক  তৃণমূল নেতা মন্ত্রীরা দুর্নীতির দায়ে ধরা পরে যাচ্ছিলেন পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতে। একের পর এক সাংসদ, বিধায়ক দলত্যাগী হয়েছেন, কিন্তু এই সব কিছুর পরেও আজ ফের একবার ফোঁস করতে দেখা গেলো তৃণমূল কংগ্রেসকে।

আজ সকালে কলকাতার ফুলবাগান অঞ্চল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে উত্তরবঙ্গের তৃণমূল নেতা উদয়ন  গুহকে।  এর আগে তৃণমূলের এই নেতার বিরুদ্ধে কটু কথা বলা, হুমকির নানারকম অভিযোগ ছিল. কেউ কেউ বলেন শুভেন্দু অধিকারীর গাড়ি আক্রান্ত হওয়ার পিছনেও হাত ছিল প্রথম সারির এই নেতার।  উদয়ন গুহর বিরুদ্ধে এর আগে একাধিক অভিযোগ করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী নিশীথ প্রামানিক।
আজ কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে উদয়ন গুহকে। তাঁর এই গ্রেপ্তারীকেই বিজেপির প্রতিশোধ নেওয়ার স্পৃহা হিসেবে ব্যক্ত করলেন আর এক তৃণমূল নেতা সৌগত রায়।  উদয়ন  গুহের গ্রেপ্তারি দেখে মনে হচ্ছে বিজেপি দল বদলা নেওয়ার ব্যবস্থা করেছে।  তৃণমূলের গুন্ডাদেরকে দমন করতে রাজ্য সরকার অবশ্য কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।  দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতায় যে সব মানুষ তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গীর খানের সমর্থনে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে পুলিশকে কড়া  ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। আর এক দিকে আজ পুরী থেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ।
এদিকে হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে আজ রাজপথে নেমে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করল তৃণমূল কংগ্রেস। বিদ্রোহী সাংসদ, বিধায়ক এবং কাউন্সিলারদের পাশে সরিয়ে দিয়ে আজ ফের একবার রাস্তায় নেমে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুনর্বাসন না নিয়ে হকারদের উচ্ছেদ করা যাবে না, এই দাবী নিয়ে আজ পথে নেমেছিলেন তৃণমূল নেত্রী।

Loading

ভয় পাই নি : ডিম আক্রমণের পর কুনাল ঘোষ

ভয় পাই নি : ডিম আক্রমণের পর কুনাল ঘোষ

 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ১৬/০৬/২০২৬ :  প্রকাশ্য রাস্তায় ডিম আক্রান্ত হয়েও কুনাল ঘোষ জানিয়ে দিলেন, তিনি ভয় পান নি, তৃণমূলের প্রতি তাঁর আনুগত্যও কমে যায় নি, যাবেও না। ”

প্রকাশ্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে ডিম  আক্রমণের শিকার হতে হয়েছে তৃণমূল বিধায়ক কুনাল ঘোষকে। এভাবে প্রতিদিন তৃণমূলের নেতা কর্মীরা ডিম  আক্রমণের শিকার হয়ে চলেছেন। প্রতিদিন মিডিয়া সেইসব নিউজ কভার করছে। এদিন প্রকাশ্য দিবালোকে ডিমের আক্রমন করা হল তৃণমূল থেকে জয়ী বিধায়ক কুণালকেও । যদিও একটি ডিম তাঁর গায়ে গিয়ে লেপ্টে গিয়েছিল। এরপর তিনি সটান চলে যান সেখান থেকে।
কুনাল ঘোষ বলেছেন, “মিডিয়ার অনুরোধেই আমি ক্যামেরার দিকে চোখ রেখে দাঁড়িয়েছিলাম। আপাত দৃষ্টিতে যাদেরকে নিরীহ জনতা বলে মনে হছ্ছিল, তাদের মধ্যেই কেউ কেউ ডিম  ছুঁড়ে মারে আমাকে। আমি বিষয়টাকে পাত্তা না দিয়ে থানায় চলে গিয়েছিলাম। “
প্রাক্তন সাংবাদিক কুনাল  ঘোষের একটা অন্য রকম ইমেজ আছে।   এর আগে যখন কৌস্তুভ বাগচীকে গালিগালাজ করা হয়েছিল অথবা সজল ঘোষ এর বাড়ির দরজা ভাঙা হয়েছিল, তখন সেই কাজকে ‘উচিত হয় নি’ বলেছিলেন তিনি। সেই সময় তাঁর এই বক্তব্যের জন্যে দলের অভ্যন্তরেই তিরস্কৃত হতে হয়েছিল কুণালকে।  দীর্ঘদিন দলের মুখপাত্রের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। বর্তমানে দলের জয়ী বিধায়ক। কুনাল বলেন, “পার্টিতে যদি একদিন আমার মৃতদেহটাও পড়ে  থাকে তাহলেও ক্ষতি নেই। “

Loading

অভিষেককে নিয়ে টানাপোড়েন কলকাতা ও দিল্লীতে

অভিষেককে নিয়ে টানাপোড়েন কলকাতা ও দিল্লীতে

 

আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি] নতুন দিল্লী, ভারত, ১৬/০৬/২০২৬ :  মহা আতান্তরে পড়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।  টাগ অফ ওয়ারের  একদিকে রয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি, আর একদিকে রয়েছে লোকসভা।

গতকাল তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদেরা তৃণমূল নাম এবং লোগো ব্যবহার নিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে একটি আবেদন করেছিলেন। সেই আবেদনের নিস্পত্তি করতে গিয়ে গতকাল ওম বিড়লা  অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করেন। গতকাল দুপুর দু’টোর সময় একটি মেল্ মারফত অভিষেককে জানানো হয়, তাঁকে সংসদ ভবনে  বিকেল চারটের  মধ্যে উপস্থিত হতে হবে।   অর্থাৎ মাত্র ২ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
এদিকে গতকাল দুপুর দু’টোর সময় কলকাতায় ভবানী ভবনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেরা করছিলেন সিআইডি আধিকারিকরা। সেই সময় অভিষেকের কাছে তাঁর মোবাইল ফোন ছিল না, তিনি তাই লোকসভার স্পিকারের ইমেলটিও পান নি।  তাই দিল্লীতে দুই ঘন্টার মধ্যে হাজির হয়ে যাওয়াও  তাঁর পক্ষে ছিল একেবারে অসম্ভব।
এদিকে দিল্লীতে লোকসভার তরফ থেকে যোগাযোগ করা হয় প্রাক্তন খেলোয়াড় ও তৃণমূলের সাংসদ কীর্তি আজাদকে।  কীর্তিও অভিষেকের সাথে যোগাযোগ করতে না পেরে নিজেই সংসদে চলে যান এবং জানান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেহেতু কিছু তদন্তের বিষয়ে সিআইডিকে সহযোগিতা করছেন তাই তিনি দিল্লীতে আসতে  পারেন নি।  গোটা বিষয়টা জানানো হয়েছে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে। এমত পরিস্থিতিতে তৃণমূলের নাম ও লোগো নিয়েও জট  কাটে নি সংসদে।  আজ স্পিকার কি সিদ্ধান্ত নেন সেদিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

 

Loading

ওঁরা আর কতদিন টিঁকে থাকেন, দেখতে চাই : দিলীপ

ওঁরা আর কতদিন টিঁকে থাকেন, দেখতে চাই : দিলীপ

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি],কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ০৬/০৬/২০২৬ :  তৃণমূল দলের স্থায়িত্ব আর কতক্ষন তা দেখতে চান রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। শুধু তাই নয় তৃণমূলের গুন্ডাদের অবিলম্বে পুলিশের হেফাজতে রাখা দরকার বলে মনে করেন তিনি।

বিধানসভা নির্বাচনের এক মাসের মধ্যেই ছত্রভঙ্গ হয়ে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।  মহা বিপর্যয়ের সামনে রয়েছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। এর মধ্যেই অনেক নেতা কর্মীর জেল হয়েছে। অনেকে পুলিশের ভয়ে পালিয়ে গিয়েছে।  তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে মাটির তলা থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর টাকা, জলাশয় থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর অস্ত্র, এমনকি কলেজের ইউনিয়ন রুম  থেকেও উদ্ধার হয়েছে উইয়ে খাওয়া টাকার বান্ডিল।

নির্বাচনে তৃণমূল বিধায়কদের বিশাল একটা অংশ শীর্ষ নেতৃত্বকে অস্বীকার করে নতুন ল গঠন করতে চাইছে। হেরে যাওয়া এই রাজনৈতিক দলটির নাম এবং প্রতীক পর্যন্ত অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে। বিধানসভায় দলের পতন  হয়েছে। একের পর এক পুরসভা হাতছাড়া হচ্ছে। কাউন্সিলররা জেলে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সংসদেও টলমল পরিস্থিতি তৃণমূলের। কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে সেখানেও শীর্ষ নেতৃত্বকে অস্বীকার করতে পৃথক জোট বাঁধছেন সাংসদরা।  মমতার সাথে থাকছেন হাতে গোনা কয়েকজন মাত্র।  এই অবস্থায় দিলীপ ঘোষ বলেন, “দেখতে চাই আর কতদিন এই দলটা টিঁকে  থাকে।” বিজেপি নেতারা অনেক আগেই বলেছিলেন যে ‘এই দলে মমতা ব্যানার্জি ও তাঁর ভাইপো ছাড়া আর কেউ থাকবে না।’ সম্ভবত সেটাই হতে চলেছে।

রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, “রাজ্যের মানুষ তৃণমূলের এই গুন্ডা ও চোরদের ওপর এতটাই ক্ষেপে আছেন যে যেকোনো দিন একটা বড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। যেভাবে সবাই ডিম ছুঁড়ছে !  এই দুষ্কৃতীদের অবিলম্বে পুলিশের হেফাজতে পাঠিয়ে দেওয়া উচিত। সেখানে থেকেই এদের বিচার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়া উচিত। ”

 

Loading

ধুলোয় ধূলিস্যাৎ তৃণমূল কংগ্রেস

ধুলোয় ধূলিস্যাৎ তৃণমূল কংগ্রেস

আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৩/০৬/২০২৬ :  রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের মাত্র এক মাসের মাথায় ধুলোয় ধুলিস্যাৎ হয়ে গেল তৃণমূল কংগ্রেস দলটি। অল ইন্ডিয়া তৃণমূলকংগ্রেস দলটাই সম্ভবত নিশ্চিহ্ন হতে চলেছে।

বিধানসভায় সই জাল কাণ্ডে তৃণমূল দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছিল দুই বিধায়ক ঋতব্রত ও সন্দীপন সাহাকে। এই দুই বিধায়ক দল থেকে বহিস্কৃত হয়ে মোট ৫৮ বিধায়কদের নিজেদের দিকে টেনে নিয়ে গেলেন। এই দলে আরও দুজন বিধায়ক যুক্ত হওয়ার কথা আছে. শোনা যাচ্ছে আরও বেশ কিছু বিধায়ক ঋতব্রতদের সাথে যোগাযোগ  রাখছেন তাঁদের সাথে যুক্ত হয়ে কাজ করার জন্যে।  এই বিধায়করা কেউই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজেদের নেতা বলে মানতে চাইছেন না।

পরিস্থিতি এমন দিকে গড়ালো হয়েছে যে হয় অভিষেককে দল থেকে বের করে দিতে হয় অথবা সব বিধায়করা দল ছেড়ে বেরিয়ে যাবেন। এমতাবস্থায় ব্যাপক রাজনৈতিক সংকট দেখা দিয়েছে। এর মধ্যেই আবার কলকাতার মেয়র পদ থেকে সরে গিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। মেয়র  পারিষদ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন তারক সিং. এভাবে একের পর এক নেতারা সরে যাচ্ছেন। গ্রেপ্তার হচ্ছেন অনেকে। যেমন সুদীপ পোল্লে, জয়প্রকাশ মজুমদার গ্রেপ্তার হয়েছেন বিভিন্ন অপরাধের ধারায়।

এর ফলে একের পর এক নিষ্ক্রিয় হয়ে গিয়ে তৃণমূলের ঘর ফাঁকা হয়ে গিয়েছে। সেই ঘরে এখন আর জায়গা হচ্ছে না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অথবা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়েরই. অথচ কয়েকদিন আগে পর্যন্ত এই দলের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ছিল এই দুজনের হাতে। এখন সব কিছুই শূন্যে গিয়ে ঠেকেছে।


 

Loading

জাহাঙ্গীরকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ বলছে তৃণমূল কংগ্রেস

হারিনি, জোর করে হারানো হয়েছে : মমতা 

আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি] ফলতা , দক্ষিণ ২৪ পরগণা , ২৫/০৫/২০২৬:   রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের  শোচনীয় পরাজয় ও পরিস্থিতির জন্যে কেন্দ্র সরকার এবং ফলতায় হারের জন্যে জাহাঙ্গীর খানকে দোষারোপ করলেন তৃণমূল নেতা সৌগত রায় ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

রাজ্যে এই মুহূর্তে তৃণমূল কংগ্রেসের অবস্থা যেন ভাঙ্গা হাটের  চেহারা নিয়েছে।  নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই প্রকাশ্যে আসছিলেন না তৃণমূলের নেতারা। তবে একটি ভিস্তিও বার্তার মাধ্যমে বেশ কিছুদিন পর দেখতে পাওয়া গেল তৃণমূল সুপ্রীমো  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।  একটি ভিস্তিও বার্তায় তিনি তৃণমূল হকংগ্রেসের এই পরিস্থিতির জন্যে কেন্দ্র সরকারকেই দায়ী করেছেন।

মমতা বলেছেন, “তৃণমূল কংগ্রেস হারে নি, তৃণমূল কংগ্রেসকে জোর করে হারানো হয়েছে।  আপনারাও যখন দিল্লীতে ক্ষমতা হারাবেন, একই পরিস্থিতি হবে আপনাদেরও। ” এই মুহূর্তে রাজ্যে পুর বোর্ড নড়বড় করছে। হাওড়া ও বালি পুরসভায় নির্বাচনের আশ্বাস দিয়েছেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।  তৃণমূলের কয়েকজন কাউন্সিলর আইনি সমস্যায় পড়েছেন। কেউ কেউ গ্রেপ্তার হয়েছেন। এইপরিস্থিতিতে কোনো কাউন্সিলর যেন পদত্যাগ না করেন এবং রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করেন সেই বার্তাই  দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা  ফলতায় দলের বিপর্যয়ের জন্যে জাহাঙ্গীর খানকেই দোষী ঠাউরেছেন। ফলতায় তৃণমূলের হয়ে ভোট নিয়ন্ত্রণ করত জাহাঙ্গীর খান বাহিনী। এবার ফলতায় পূননির্বাচনের  নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সেই নির্বাচনের প্রচারের শেষ লগ্নে নিজের প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন জাহাঙ্গীর খান।  এই নির্বাচনে গ্রামের মানুষ অবাধে  ভোট দিতে পেরেছিলেন, ফলে বিজেপি বিপুল ভোটে জয়লাভ করে গিয়েছে।

এই পরিস্থিতির জন্যে জাহাঙ্গীর খানকেই দোষারোপ করেছেন তৃণমূল নেতা সৌগত রায়।  তিনি বলেছেন “শেষ মুহূর্তে যেভাবে নিজের প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করে নিয়েছে জাহাঙ্গীর, তার জন্যেই আমাদের শোচনীয় পরাজয় হয়েছে। সে যদি আরও আগে নিজেকে সরিয়ে নিত, তাহলে আমরা আরও ভালো কোনো প্রার্থী সেখানে দিতে পারতাম।” জাহাঙ্গীরের এই শেষ মুহূর্তে নিজেকে সরিয়ে নেওয়াটাকে ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ হিসেবেই দেখছেন সৌগত রায়।


 

Loading

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হতে সঙ্কট কাটছে না সুপারস্টার বিজয়ের

তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হতে সঙ্কট  কাটছে না সুপারস্টার বিজয়ের

আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি] চেন্নাই, তামিলনাড়ু, ০৬/০৫/২০২৬ :  দক্ষিন ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা তথা তামিলাগা ভেট্টরি কাজাঘম (TVK) পার্টির প্রেসিডেন্ট বিজয় সম্ভবত তামিলনাড়ুর নয়া মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করতে চলেছেন। তবে সেই পথে সংকটও তৈরি হয়েছে।

দক্ষিণ ভারতের অভিনেতা হিসেবে বিজয়ের জনপ্রিয়তা আকাশ স্পর্শ করেছে। অভিনয় করতে করতেই তাঁর রাজনীতিতে আসা।  টিভিকে দলের মুখ তিনিই। কিন্তু সরকার গঠনের জন্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা সম্ভবত নেই বিজয়ের কাছে। তামিলনাড়ুর ২৩৪টি আসনের মধ্যে টিভিকে পেয়েছে ১০৮টি আসন।  সরকার গড়তে দরকার আরও ১০টি আসন।

এর মধ্যেই আবার বিজয় নিজের আসন থেকে সরে এসেছেন, সুতরাং টিভিকের কাছে রইল ১০৭টি আসন।  যদিও কংগ্রেস থেকে টিভিকের সমর্থনে ৫ আসন পাওয়া যাচ্ছে, কিন্তু তাতেও সরকার গঠনের জন্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যা গরিষ্ঠতা পাওয়া যাচ্ছে না।  যদিও নির্বাচনে কংগ্রেস ডিএমকের সাথে জোট বেঁধে লড়েছিল। এখনো তারা টিভিকেকে ৫ আসনে সমর্থন দেওয়ার কথা জানিয়েছে। সংকট মেটাতে রাজ্যপালের সাথে আলোচনা করছেন বিজয়।


 

Loading

congtogel

slot gacor

link slot gacor

slot

hartacuan

slot

slot gacor

slot gacor

slot gacor

situs slot toto

playaja

hartacuan

slot gacor

situs slot gacor

link slot online

slot gacor

link slot gacor

slot bet 200

slot dana

slot online

slot gacor

slot777

slot deposit pulsa

situs gacor resmi

link slot gacor

slot gacor

slot gacor

slot toto

link slot

slot

slot

situs slot

slot gacor

login congtogel

situs togel

togel online

slot wdyuk

congtogel

bandar togel

hartacuan

congtogel

slot gacor

slot gacor

slot gacor

londonslot link alternatif

slot gacor

wdyuk

togel online

togel online

situs toto

indosloto

situs toto

watitoto

congtogel

congtogel

danatoto

slot gacor