Aaj Khabor

তৃণমূলের গুন্ডাদের শেষ সুযোগ দিচ্ছি : প্রধানমন্ত্রী

আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], বিষ্ণুপুর, বাঁকুড়া, ১৯/০৪/২০২৬ : নির্বাচনের আগে শেষ রবিবারের ভোট প্রচারে আজ বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুরে গিয়ে জনসভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী. তাঁর জনসভায় প্রচুর মানুষের ভীড় হয়েছিল। ঐ  জনসভা থেকে আজ তৃণমূল কংগ্রেসকে রাজনৈতিকভাবে ব্যাপক আক্রমণ করেছেন তিনি।

আজ বিষ্ণুপুরের জনসভা থেকে হুঙ্কার দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন। “আমি তৃণমূলের গুন্ডাদের, সিন্ডিকেটের মাথাদের এবং দুর্নীতিবাজদের শেষ সুযোগ দিচ্ছি, ২৯ তারিখের মধ্যে স্থানীয় থানায় গিয়ে আত্মসমর্পন করুন। না হলে ৪ঠা  মে তারিখের পর আর কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না. কাউকে রেয়াত করা হবে না. তৃণমূলের মাফিয়া এবং সিন্ডিকেটের মাথারা কান খুলে শুনে নিন, আপনাদের আমরা আর সহ্য করবো না.”

এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন, ভোটের দিনগুলিতে যেন তৃণমূলের গুন্ডারা বাড়িতেই থাকে, ঘর থেকে যেন না বের হয়. আজ প্রধানমন্ত্রী অনুরূপ বার্তা দিয়ে গেলেন তৃণমূলের গুনাদের উদ্দেশ্যে।  রাজ্যে ভোটের সময় থাকছে আড়াই লাখ কেন্দ্রীয় বাহিনী।  অসংখ্য নতুন নবম তৈরি করেছে নির্বাচন কমিশন।  অথচ শান্তিপূর্ণভাবে ভোট পর্ব মেটাতে বদ্ধ পরিকর নির্বাচন কমিশন।


 

Loading

হেমন্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানালো তৃণমূল কংগ্রেস

হেমন্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানালো তৃণমূল কংগ্রেস

 

“এখনই শোকজ করা উচিত হিমন্তকে” 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], মাথাভাঙ্গা, কোচবিহার, ১৮/০৪/২০২৬ :  আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বিরুদ্ধে নির্বাচনে অভিযোগ জানালো তৃণমূল কংগ্রেস।  হেমন্তের বিরুদ্ধে তৃণমূলে অভিযোগ, হিমন্ত একটি জনসভায় ধর্মীয় উস্কানিমূলক কথাবার্তা বলেছেন।

তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছেন কোচবিহারের জনসভা থেকে হিমন্ত বিজেপি ক্ষমতায় এলে গোমাংস এই রাজ্যে নিষিদ্ধ করার কথা বলেছেন।  এই রাজ্যে সাধারণত গোমাংস ভক্ষণ করেন নির্দিষ্ট একটি ধর্মের মানুষ।  এই ধরনের বক্তব্য রেখে হিমন্ত ধর্মীয় ভাবাবেগে উস্কানি দিয়েছেন বলে তৃণমূল অভিযোগ করেছে। তৃণমূলের বক্তব্য এইভাবে আইন শৃঙ্খলার অবনতি হতে পারে। বিজেপি এইভাবে কুমন্তব্য করে ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়াতে চাইছে।

তৃণমূল বলছে হিমন্ত বিশ্বশর্মা যে মন্তব্য করেছেন তাপশ্চিমবংগের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বান্দ্যোপাধ্যায়য়ের মানহানি করে, যাচাই না করেই এই ধরনের মন্তব্য করা উচিত হয় নি হিমন্তের। এই ধরনের মন্তব্য ইচ্ছাকৃত এবং অবমাননাকর। তাই নির্বাচন কমিশনের উচিত অবিলম্বে এই অভিযোগের ভিত্তিতে হিমন্ত বিশ্বশর্মাকে শোকজ করা।


 

Loading

ভিনেশের গ্রেপ্তারি সত্যিই বিপজ্জনক : অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

ভিনেশের গ্রেপ্তারি সত্যিই বিপজ্জনক : অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

কয়লা কেলেঙ্কারিতে গ্রেপ্তার আই প্যাক কর্ণধার ভিনেশ চাণ্ডেল

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি],  কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ১৪/০৪/২০২৬ :  ভোট পরামর্শদাতা কোম্পানি আই প্যাকের কর্ণধার ভিনেশ চান্ডেলের গ্রেপ্তারি নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিলেন তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

ভোট কুশলী সংস্থা আই প্যাকের কর্ণধার ভিনেশ চান্ডেলকে গ্রেপ্তার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। গতকাল ভিনেশকে দিল্লীর পাতিয়ালা আদালতে পেশ করে ১০ দিনের ইডি হেফাজত চাওয়া হয়েছিল। ৫০ কোটি টাকার কয়লা কেলেঙ্কারিতে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ভিনেশ চাণ্ডেলকে। আজ সকালেও আদালতে তাঁর শুনানি হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

তৃনামল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ভিনেশের গ্রেপ্তারি সম্পর্কে বলেছেন, “পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের ঠিক ১০ দিন আগে যেভাবে ভিনেশকে গ্রেপ্তার করা হল, তা সত্যিই বিপদজ্জনক। এই গ্রেপ্তারি ভীতি প্রদর্শন ছাড়া আর কিছই নয়। এই গ্রেপ্তারি সকলের জন্যে সমান অধিকারের বার্তা বয়ে আনে না। যদি আপনি বিরোধী দলের হয়ে কাজ করেন, তাহলে আপনার জন্যেও এই ধরনের ব্যবস্থা করা হতে পারে। একে গণতন্ত্র বলে না, একে ভীতি প্রদর্শন বলে।”

প্রসঙ্গত, আই প্যাকের পরামর্শ অনুযায়ী তৃণমূল কংগ্রেস নির্বাচনে অবতীর্ণ হয়। ভোট কৌশলের ক্ষেত্রে আইপ্যাক তৃণমূলকে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করে।


 

Loading

এসআইআরকে তীব্র কটাক্ষ ইউসুফ পাঠানের

এসআইআরকে তীব্র কটাক্ষ ইউসুফ পাঠানের

অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়েও বিরোধিতা হবে 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], সোনারপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগণা , ১৩/০৪/২০২৬ :  ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে তীব্র সমালোচনা করলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা তৃণমূল নেতা ইউসুফ পাঠান।

তৃণমূলের হয়ে প্রচারের ফাঁকে ইউসুফ পাঠান  বলেন, “এসআইআর-এর মাধ্যমে আনাদের দেশে যোগ্য ভোটারদের ওপর যে অবিচার করা হল, তা সত্যিই হৃদয়বিদারক। সংবিধান আমাদের যে ভোটাধিকার প্রয়োগের অধিকার দিয়েছে, সেই অধিকারে হস্তক্ষেপ করা হল.”

এদিন ইউসুফ পাঠান আরও বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হলেন একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি বৈধ ভোটারদের অধিকার যাতে কেড়ে নেওয়া না হয়, তার জন্যে সর্বোস্তরে লড়াই করেছেন। এমনকি তিনি দেশের সর্বোচ্য আদালতে গিয়েও লড়াইটা করেছেন।  এসআইআর-এর জন্যে যাঁদের অধিকার চলে গেলো সকালের হয়ে তিনি সর্বসমক্ষে আওয়াজ তুলেছেন।  এই লড়াই তিনি ভবিষ্যতেও চালিয়ে যাবেন।  তিনি একজন সত্যিকারের নেত্রী।  এরপর তিনি কেন্দ্রের প্রস্তাবিত অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বিরুদ্ধেও লড়াই করবেন।”


Loading

ফের ভোটযুদ্ধে জিততে মরিয়া অধীর চৌধুরী

ফের ভোটযুদ্ধে জিততে মরিয়া অধীর চৌধুরী

লড়াই হবে দ্বিমুখী !

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], বহরমপুর, মুর্শিদাবাদ, ১৩/০৪/২০২৬ : ফের একবার রাজ্য রাজনীতিতে ফিরে  এসে ইতিহাস সৃষ্টি করতে চান কংগ্রেসের পাঁচবারের সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী।

মুর্শিদাবাদের রবিনহুড অধীর চৌধুরী এবার বিধানসভা নির্বাচনে বহরমপুর থেকে কংগ্রেসের হয়ে ভোটে লড়াই করছেন। প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছেন বিজেপির বিধায়ক সুব্রত মৈত্র এবং তৃণমূলকংগ্রেসের নাড়ুগোপাল মুখার্জি। এর আগে ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে পাঁচবারের সাংসদ অধীর চৌধুরী তৃণমূলের ক্রিকেটার প্রার্থী ইউসুফ পাঠানের কাছে ৮৫ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত হয়েছিলেন। সেই সময় দলের ভরাডুবির দায় নিয়ে তিনি সরে দাঁড়িয়েছিলেন।

আসন্ন নির্বাচনে অধীর চৌধুরী ফের বহরমপুর থেকে হাত চিহ্ন নিয়ে লড়াই করতে প্রার্থী হয়েছেন।  ভোটে জেতার জন্যে তিনি প্রচুর পরিশ্রম করছেন , ডোর টু ডোর  ঘুরে ঘুরে প্রচার করছেন। জনসংযোগ করছেন এবং জনসভা করছেন। রাজ্যের বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে তিনি প্রায় প্রতিদিন সাংবাদিক বৈঠক করছেন।

২০২১ সালে বিজেপির সুব্রত মৈত্র বহরমপুরে কংগ্রেসের একচ্ছত্র জয়ের ধারাকে থামিয়ে দিয়েছিলেন।  তিনি বড় ব্যবধানে জিতেছিলেন। কংগ্রেসের মনোজ চক্রবর্তীকে তিন নম্বরে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। বহরমপুর পুরসভা ও আরও পাঁচটি গ্রাম পঞ্চায়েত বহরমপুর বিধানসভার অন্তর্গত।  এই গ্রাম পঞ্চায়েতগুলির দুটিতে মুসলিম ভোট বেশি হলেও বাকিগুলিতে হিন্দু ভোটই বেশি আছে।


Loading

ভোটের আগে নজর এখন যাদবপুরে

দেবব্রত (তৃণমূল), বিকাশ (বাম) ও শর্বরীর (বিজেপি) ত্রিমুখী লড়াইয়ে ভোটযুদ্ধ যাদবপুরে

পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের আগে যাদবপুর কেন্দ্রে বাড়ছে রাজনৈতিক তৎপরতা, সক্রিয় সব শিবির

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৩/০৪/২০২৬ : পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলির মধ্যে যাদবপুরে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। একসময়ের শিক্ষাঙ্গন-কেন্দ্রিক এই এলাকা এখন রাজ্যের অন্যতম হাই-প্রোফাইল রাজনৈতিক লড়াইয়ের মঞ্চ হয়ে উঠেছে।

বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ইতিমধ্যেই যাদবপুরে তাদের সংগঠনকে মজবুত করতে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। শাসক দল থেকে বিরোধী—সব পক্ষই ভোটারদের মন জিততে শুরু করেছে জোর প্রচার। উন্নয়ন, শিক্ষা, বেকারত্ব এবং নাগরিক সমস্যা—এই সব ইস্যুকেই সামনে রেখে চলছে প্রচার অভিযান।

গতবার অর্থাৎ ২০২১ সালে এই আসনে তৃণমূলের প্রার্থী ড. দেবব্রত মজুমদার সিপিআইএমের প্রার্থী সুজন চক্রবর্তীকে হারিয়ে দিয়েছিলেন।  তৃতীয় স্থানে ছিল বিজেপি। গতবার যাদবপুর আসনে ত্রিমুখী লড়াই দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। তবে এবার সম্ভবত বিজেপির সাথে তৃণমূলের লড়াই দেখবে যাদবপুরের মানুষ।  এবারেও যাদবপুর থেকে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী করেছেন দেবব্রত মজুমদারকেই, তবে বামেদের প্রার্থী এবার প্রাক্তন মেয়র বিকাশ ভট্টাচার্য্য। বিজেপির হয়ে প্রার্থী হয়েছেন  শর্বরী মুখার্জি এবং কংগ্রেসের প্রার্থী শ্রীমতি শ্যামলী মন্ডল।

যাদবপুরে তরুণ ভোটারদের সংখ্যা বেশি হওয়ায়, তাদের মনোভাব এই কেন্দ্রের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত। ফলে সোশ্যাল মিডিয়া প্রচার থেকে শুরু করে মাটির স্তরে জনসংযোগ—সব দিকেই জোর দেওয়া হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, যাদবপুর ততই রাজনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ এবং নজরকাড়া কেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে।

Loading

বালিগঞ্জে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের প্রস্তুতি, চতুর্থবার জয়ের লক্ষ্যে তৃণমূলের ভরসা শোভনদেব

বালিগঞ্জে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের প্রস্তুতি, চতুর্থবার জয়ের লক্ষ্যে তৃণমূলের ভরসা শোভনদেব

অভিজ্ঞ নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বালিগঞ্জে জয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে মরিয়া তৃণমূল কংগ্রেস

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৩/০৪/২০২৬ : পশ্চিমবঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলির মধ্যে অন্যতম বালিগঞ্জে এবার জমে উঠেছে রাজনৈতিক লড়াই। চতুর্থবারের মতো এই আসন দখলে রাখতে মরিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। দলের অভিজ্ঞ এবং বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে সামনে রেখেই লড়াইয়ে নেমেছে ঘাসফুল শিবির। প্রস্তুতি ও প্রচার দুই চলছে রীতিমত যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে।

দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, এর আগে গত কয়েকটি নির্বাচনে বালিগঞ্জ কেন্দ্রে যথেষ্ট  শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে তৃণমূল। সেই ধারা বজায় রাখতে এবারও সংগঠনকে আরও মজবুত করা হচ্ছে। অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলিও এই আসন ছিনিয়ে নিতে জোরদার প্রচার শুরু করেছে, ফলে লড়াই যে কঠিন হতে চলেছে তা স্পষ্ট।

স্থানীয় ইস্যু, উন্নয়নমূলক কাজ এবং জনসংযোগ—এই তিনকেই হাতিয়ার করে ভোটারদের কাছে পৌঁছতে চাইছে তৃণমূল। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় নিজেও আত্মবিশ্বাসী, তাঁর অভিজ্ঞতা এবং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংযোগই এই লড়াইয়ে বড় ভূমিকা নেবে বলে মনে করা হচ্ছে। বালিগঞ্জ কেন্দ্রে কংগ্রেস থেকে ভোটে দাঁড়িয়েছেন রোহন  মিত্র এবং বিজেপির প্রার্থী ড. শতরূপা। লড়াইটা এবার বিজেপির সাথে তৃণমূলের হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে, বালিগঞ্জ কেন্দ্র এবার রাজ্যের অন্যতম হাইভোল্টেজ আসনে পরিণত হয়েছে, যেখানে ফলাফল নির্ভর করবে শেষ মুহূর্তের ভোটার মনোভাবের উপর।


Loading

১৫ বছরের পূর্ণ হিসাব চাই, টিএমসি দুর্নীতিতে শ্বেতপত্র প্রকাশের ঘোষণা মোদীর

১৫ বছরের পূর্ণ হিসাব চাই, টিএমসি দুর্নীতিতে শ্বেতপত্র প্রকাশের ঘোষণা মোদীর

মহিলাদের জন্য মাসে ₹৩,০০০ আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি; বাংলায় রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়াল বিজেপি

আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], কালনা, পূর্ব বর্ধমান, ১১/০৪/২০২৬ :  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী  পশ্চিমবঙ্গে শাসক দল তৃণমূলকংগ্রেসের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বড় ঘোষণা করলেন। তিনি বলেন, “গত ১৫ বছরের শাসনের “পূর্ণ হিসাব” জনগণের সামনে তুলে ধরতে একটি ‘শ্বেত পত্র’ প্রকাশ করা হবে।

মোদি অভিযোগ করেন, টিএমসি সরকারের আমলে একাধিক দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে, যা রাজ্যের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করেছে। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকা কীভাবে ব্যবহার হয়েছে, তা স্বচ্ছভাবে জানানো জরুরি।

এদিনের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী আরও একটি বড় প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি জানান, যদি বিজেপি ক্ষমতায় আসে, তাহলে রাজ্যের মহিলাদের প্রতি মাসে ₹৩,০০০ করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে মহিলাদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করে তোলাই লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।

রাজনৈতিক মহলে এই ঘোষণা ঘিরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। একদিকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘শ্বেতপত্র ’-প্রকাশের প্রতিশ্রুতি, অন্যদিকে মহিলাদের জন্য আর্থিক সহায়তা—দুই মিলিয়ে আসন্ন নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

নরেন্দ্র মোদী এদিন বলেন, “বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের জন্যে যে সঙ্কল্প পত্র ঘোষণা করেছে, সেই সব কিছুদেখে তৃণমূল ভয় পেয়ে  গিয়েছে। ওরা ধরেই নিয়েছে যে ওরা হেরে যাবে। এরপর ওরা কি করবে ? ওরা এরপর ফেক নিউজ ছড়াবে। এআই এর মাধ্যমে ভূয়ো ছবি তৈরি করে বিভিন্ন সমাজ মাধ্যমে ছড়াতে শুরু করবে। তবে সেসব কিছুর মোকাবিলা করতে বিজেপি তৈরি আছে। “


Aaj Khabor (English) — https://aajkhaborenglish.blogspot.com/2026/04/full-account-of-15-years-narendra-modi.html

Aaj Khabor (Hindi) — https://aajkhaborhindi.blogspot.com/2026/04/15-tmc.html

Aaj Khabor (Nepali) —

Aaj Khabor (Assamese) —

Aaj Khabor (Odia) —

Loading

ভাইরাল ভিডিওর ধাক্কায় বেকায়দায় হুমায়ুন কবির, হাত ছাড়লেন ওবেইসিও

 
সব অভিযোগ অস্বীকার হুমায়ূনের 
 
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], ইসলামপুর, উত্তর দিনাজপুর, ১০/০৪/২০২৬ : তৃণমূল কংগ্রেসের  তরফে একটি তথাকথিত ‘স্টিং ভিডিও’ প্রকাশ্যে আসার পর তা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়তেই তাতে নিজের নাম জড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ তুলে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন হুমায়ুন কবির।

তিনি দাবি করেছেন, এই ভিডিও সম্পূর্ণভাবে একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ এবং তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যেই এটি ছড়ানো হয়েছে। হুমায়ুন কবির স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি এই ইস্যুতে আইনি পথে হাঁটবেন এবং হাইকোর্টে গিয়ে এর উপযুক্ত জবাব দেবেন।

এদিকে, ভিডিওটি ঘিরে শাসকদল ও বিরোধীদের মধ্যে শুরু হয়েছে পাল্টা বাক্যবাণ। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, নির্বাচনের আগে এই ধরনের ঘটনা রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও উত্তপ্ত করে তুলতে পারে। ভিডিওটিতে হুমায়ুন কবিরকে একটি ১০০০ কোটি টাকার চুক্তিকরেছেন বলতে শোনা গিয়েছে। যদিও এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করে নি আজ খবর. হুমায়ুন কবির বলেছেন “এআই দিয়ে ঐ  ভিডিও বানানো হয়েছে।”  তবে এই ভিডিও ভাইরাল হাওয়ায় ভোটের ময়দানে বেশ বেকায়দায় হুমায়ুন কবির।  এমনকি তাঁর সঙ্গে জোট বেঁধে থাকা এআইএমআইএম নেতা আসাউদ্দিন ওবেয়সি তাঁর সাথে জোট ভেঙে বেরিয়ে গিয়েছেন।  এখন ভোটে একলাই লড়তে হতে পারে হুমায়ূনকে।

পুরো বিষয়টি নিয়ে এখনও বিস্তারিত তদন্ত বা সরকারি প্রতিক্রিয়া সামনে না এলেও, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আগামী দিনে রাজনৈতিক সংঘাত আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।


Loading

‘সোনার বাংলা’ গড়ার Blue Print ! ১৫ দফা ইশতেহার প্রকাশে বড় চমক বিজেপির

মহিলাদের মাসিক ₹৩০০০ সহায়তা, চাকরি, UCC ও কড়া আইন-শৃঙ্খলার প্রতিশ্রুতি—২০২৬ বিধানসভা ভোটে উন্নয়ন বনাম পরিবর্তনের বার্তা বিজেপির

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১০/০৪/২০২৬ :  কলকাতায় এসে বিজেপির সংকল্প পত্র প্রকাশ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী .অমিত শাহ। এই সংকল্প পত্রে ছত্রে ছত্রে রাজ্যের উন্নতিকল্পে যে পদক্ষেপগুলি বিজেপি ভোটে জিতে সরকার গঠন করলে গ্রহণ করবে, সেগুলির কথা বলা হয়েছে।

অমিত শাহ নিউ টাউনের একটি হোটেলে সাংবাদিকদের বলেন, “বিজেপির ইশতেহার বাংলাকে তার হারিয়ে যাওয়া গর্ব ফিরিয়ে দেবে। আমরা সোনার বাংলা তৈরী করবো।  বাংলা তার হারিয়ে যেতে বসা সংস্কৃতি ফিরে পাবে।” বিজেপির ইশতেহারে নারীর ক্ষমতায়ন এবং সুরক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।  রাজ্যের আইন শৃঙ্খলার বিষয়টিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এই সংকল্প পত্রে মহিলাদের সশক্তিকরণের কথা বলা হয়েছে।  আগামীদিনে ভোটে মহিলাদের জন্যে এক তৃতীয়াংশ আসন সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে। বিজেপি সরকার গড়লে মহিলাদের বাসে টিকিট কাটতে হবে না। বিনামূল্যে তাঁরা ভ্রমণ করতে পারবেন। এছাড়াও প্রতি মাসে মহিলারা পাবেন ৩০০০ টাকা করে।   মহিলাদের   সরকারি  চাকরিতেও ৩৩ % সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে। বেকার যুবাদের মাসিক ১০,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। অমিত শাহ এদিন বলেছেন, “এই ইশতেহার রাজ্যের সমাজের সব অংশের মানুষের মন থেকে হতাশা দূর করবে। তাদেরকে আশার আলো দেখাবে। মানুষের মন থেকে ভয় দূর হবে। কৃষকদের জন্যে নতুন পথের দিশা দেখানো হবে।.”
রাজ্যে চারটি নতুন উপনগরী গড়ে তোলা হবে। উত্তরবঙ্গকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।  কলকাতা থেকে উত্তরবঙ্গে আরও কম সময়ে পৌঁছানো যাবে। সিঙ্গুরে ইন্ডাস্ট্রিয়াল টাউনশীপ  তৈরী করা হবে। পর্যটনে জোর দেওয়া হবে। চা শিল্পে গুরুত্ব দেওয়া হবে। উত্তরবঙ্গে এইমস, আইআইটি ও আইআইএম তৈরি করা হবে। মৎস্য চাষে উৎসাহ দেওয়া হবে। বেকারদের ট্রেনিং দিয়ে ব্যবসার জন্যে ঋণ  দেওয়া হবে। গরু পাচার সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হবে।  অন্য কর্মসংস্থানের ওপর  জোর  দেওয়া হবে. মাছ মাংস খাওয়ার ওপর কোনো রকম নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে না।”
বিজেপি সরকার গড়লে অষ্টম তফসিলে কুর্মালি ভাষা এবং রাজবংশী ভাষাকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।  সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত স্বীকৃতি প্রদান করা হবে। আলু, ধান ও আমের বর্ধিত মূল্য প্রদানের জন্যে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গবাদী পশু পাচারের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রনয়ন করা হবে। সরকারি কর্মচারীদের নিয়মিত ডিএ দেওয়া হবে। তাঁদের মন থেকেও শঙ্কা  ও ভয় দূর করা হবে। তৈরি করা হবে বন্দেমাতরম  মিউজিয়াম। থিয়েটার শিল্পের প্রসার ঘটানো হবে। ধর্মীয় অনুশীলনের স্বাধীনতা বজায় রাখতে একটি নতুন আইন নিয়ে আসবে বিজেপি।

Loading

congtogel

slot gacor

link slot gacor

slot

hartacuan

slot

slot gacor

slot gacor

slot gacor

situs slot toto

playaja

hartacuan

slot gacor

situs slot gacor

link slot online

slot gacor

link slot gacor

slot bet 200

slot dana

slot online

slot gacor

slot777

slot deposit pulsa

situs gacor resmi

link slot gacor

slot gacor

slot gacor

slot toto

link slot

slot

slot

situs slot

slot gacor

login congtogel

situs togel

togel online

slot wdyuk

congtogel

bandar togel

hartacuan

congtogel

slot gacor

slot gacor

slot gacor

londonslot link alternatif

slot gacor

wdyuk

togel online

togel online

situs toto

indosloto

situs toto

watitoto

congtogel

congtogel

danatoto

slot gacor