আজ খবর (বাংলা), [বিনোদন] রানাঘাট, নদীয়া, ০৩/০৬/২০২৫ : রাখি গুলজারের সাথে পশ্চিম বঙ্গের নদীয়া জেলার রানাঘাট শহরের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ভারতের এমন কোনও কোণ নেই যেখানে মানুষ তাকে চেনে না। “রাখি মজুমদার” নাম ধরে জিজ্ঞাসা করলে খুব কম লোকই চিনবে, কিন্তু
যখন আমরা রাখি গুলজারের কথা বলি, তখন সবাই তার অভিনয়ের ভক্ত।
রাখির জন্ম ও বেড়ে ওঠা রানাঘাটে। তিনি রানাঘাট ইউসুফ গার্লস স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। তার পরিবারে তার বাবা-মা এবং দুই ভাই ছিলেন। এত বড় অভিনেত্রী হয়েও, রাখি গুলজার এখনও তার জন্মস্থানের কাছাকাছি থাকেন। তিনি রানাঘাট এবং বিশেষ করে রথতলাকে ভোলেননি। ঠিক যেমন তিনি বিখ্যাত বাঙালি অভিনেত্রী সন্ধ্যা রায়কে কখনও ভোলেননি, যার হাত ধরে তিনি সিনেমার জগতে প্রবেশ করেছিলেন। রাখি গুলজার দিলীপ কুমার, অমিতাভ বচ্চন, ধর্মেন্দ্র, বিনোদ খান্না, সঞ্জয় দত্ত, অনিল কাপুর প্রমুখ অভিনেতাদের সাথে কাজ করেছেন। তিনি বলিউডের কিংবদন্তিদের সাথে অভিনয় করেছেন।
যদিও তিনি বড় হয়েছেন, তবুও তার অভিনয় দক্ষতা এখনও নতুন প্রজন্মের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে। শৈশবে রানাঘাটে যে বাড়িতে তিনি ভাড়া থাকতেন তা এখনও রথতলা বাস স্ট্যান্ডের কাছে অবস্থিত এবং তার স্মৃতির সাক্ষী।
মানুষ তাকে তাদের মেয়ের মতোই দেখে। তার অভিনয় প্রতিভা প্রতিটি ছবিতেই দর্শকদের হৃদয়ে গভীর ছাপ ফেলেছে। সম্প্রতি রানাঘাটে যখন তার একটি বাংলা ছবি দেখানো হয়, তখন তাকে দেখার জন্য মানুষের ভিড় জমে যায়। রাখি গুলজারের ছোটবেলার বন্ধু এবং প্রতিবেশী মদন দাস, যিনি তার বাড়ির বিপরীতে বসবাসকারী তার দুই সহপাঠী তার অনেক প্রশংসা করেছিল এবং তার সাথে কাটানো শৈশবের মুহূর্তগুলি স্মরণ করেছিল। তারা বলেছিল যে তারা একসাথে খেলত, একসাথে পড়াশোনা করত এবং একসাথে প্রচুর সময় কাটাত।
ইউসুফ স্কুলের তার আরেক সহপাঠীও তার সাথে কাটানো মুহূর্তগুলি স্মরণ করতে গিয়ে বলেছিল রানাঘাটের এই কন্যার জন্য তিনি গর্বিত। হিন্দি, বাংলা এবং অন্যান্য আঞ্চলিক ভাষার ছবিতে কাজ করে সকলের মন জয় করেছেন এমন একজন অভিনেত্রী হলেন আমাদের নিজস্ব রাখি গুলজার’।
আজ খবর (বাংলা), [বিনোদন], কান, ফ্রান্স, ২৩/০৫/২০২৫ : অসাধারণ দুটি লুকে ৭৮তম কান উৎসবে দেখতে পাওয়া গেল প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বর্যা রাই বচ্চনকে।
কান উৎসবে উপস্থিত হয়েছিলেন অভিনেত্রী ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন। সেই সময় লাউডস্পিকারে শ্রীমদ্ভাগবত গীতার শ্লোক চলছিল, এই সময় ঐশ্বর্যাকে দুর্দান্ত একটি বেনারসি শাড়িতে দেখা গিয়েছে। তাঁর সাজ পোশাকে ছিল ভারতীয় সংস্কৃতির ছোঁয়া। তাঁর মাথায় ছিল সিঁদুর। বেনারসি শাড়িতে প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরীকে একেবারে আটপৌরে ভারতীয় নারীর মতই লাগছিল।
এরপর কান উৎসবে ঐতিহ্যময় লাল কার্পেটের ওপর দিয়ে হেঁটে আসতে দেখা যায় ঐশ্বর্যাকে। এই সময় তাঁর পোশাক এবং সাজ বদলে গেল। তিনি একটি চাপা গাউন কোট পড়েছিলেন। বডি ফিট গাউনের হাতে সিলভার, গোল্ড, চারকোল ও কালো রঙের এমব্রয়ডারি করা ছিল। এই পোশাকটি বানিয়েছেন গৌরব গুপ্তা। রেড কার্পেটে ঐশ্বর্যর সাথে ছিল মেয়ে আরাধ্য বচ্চন। কিছুক্ষন পর দুজনে একসঙ্গে হল ছেড়ে বেরিয়ে যান। কান উৎসবে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী তথা অভিনেত্রী ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন। তিনি তাঁর ছবিগুলি ইনস্ট্রাগ্রামে শেয়ার করেছেন।
আজ খবর (বাংলা), [বিনোদন], মুম্বই , মহারাষ্ট্র, ২২/০৫/২০২৫ : মুম্বইয়ে অভিনেতা সলমন খানের বাড়িতে লুকিয়ে ঢুকতে গিয়ে ধরা পরে গেলেন এক মহিলা। তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মুম্বইয়ের বান্দ্রায় রয়েছে গ্যালাক্সী এপার্টমেন্ট। এই হাই প্রোফাইল বহুতলেই থাকেন অভিনেতা সলমন খান। স্বাভাবিকভাবেই এই এপার্টমেন্টে নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথেষ্ট জোরদার থাকে। কিন্তু সেই নিরাপত্তা বলয় ভেঙেই এক তরুনী গ্যালাক্সী এপার্টমেন্টের ভিতরে ঢুকে পড়েন। যদিও সলমন খানের এপার্টমেন্ট পর্যন্ত তিনি পৌঁছে যাওয়ার আগেই ধরা পড়ে যান।
।ঐ তরুণী কে ? কোথা থেকে এলেন ? অন্য কোনো শহর থেকে এসেছেন নাকি তিনি মুম্বাইতেই থাকেন, তা জানার চেষ্টা চলছে। ঐ তরুণীকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। সলমন খানের ওপর প্রাণহানির হুমকি থাকায় পুলিশ জানার চেষ্টা করছে যে ঐ তরুণীর সলমন খানের বাড়িতে ঢুকতে চাওয়ার পিছনে আসল উদ্দেশ্যটি ঠিক কি !কিছুদিন আগেই অর্থাৎ ২০ তারিখে এক তরুণ সলমন খানের বাড়িতে ঢুকতে গিয়ে নিরাপত্তা রক্ষীদের হাতে ধরা পরে গিয়েছিলেন। পুলিশ তাঁকেও গ্রেপ্তার করেছিল। জেরায় জানা যায় সেই তরুণ ছত্তিশগড়ের বাসিন্দা। বাড়ি থেকে পালিয়ে এসেছেন।
আজ খবর (বাংলা) [বিনোদন], মুম্বই , মহারাষ্ট্র, ১২/০৫/২০২৫ : গতকাল ছিল বিশ্ব মাতৃ দিবস। গোটা দুনিয়ার পাশাপাশি বলিউডও স্মরণ করেছে মা’কে।
সুপারস্টার সলমন খান গতকাল তাঁর মাকে স্মরণ করতে গিয়ে বলেছেন, “বিশ্বের দুই অসাধারণ নারীকে আমি আমার মা হিসেবে পেয়েছি। একজন হলেন সালমা খান এবং অন্যজন হলেন হেলেন।” এই দুই নারীকে তিনি বিশ্বের সেরা মা বলে মনে করেন বলে এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন সলমন খান। তিনি একটি ছবিও পোষ্ট করেছেন, যে ছবিতে দেখা যাচ্ছে সলমন ও তার দুই মা হাসিমুখে ক্যামেরাকে পোজ দিয়েছেন। সঙ্গে রয়েছেন সলমন খান।
অভিনেত্রী কাজল মাদার্স ডে উপলক্ষে যে ছবি পোস্ট করেছেন সেখানেও দুই মা’কে দেখা যাচ্ছে। সেই ছবিতেও হাসিমুখে পোজ দিতে দেখা যাচ্ছে তিনজনকে। একজন হলেন কাজলের নিজের মা প্রাক্তন অভিনেত্রী তনুজা এবং আর এক জন হলেন তাঁর শাশুড়ি অর্থাৎ অজয় দেবগনের মা বীনা দেবগন। এই দুজন সম্বন্ধে কাজল বলেন , “আমার জীবনে এঁরা দুজনেই যেন ফুটে থাকা ফুলের মত।”
গতকাল মাকে স্মরণ করেছেন আর এক সুপারস্টার সঞ্জয় দত্ত। মা নার্গিসকে তিনি স্মরণ করেছেন এবং এক্স হ্যান্ডেলে মায়ের সাথে তাঁর বেশ পুরোনো কিছু ছবিও শেয়ার করেছেন। বিশ্ব মাতৃ দিবসে মা দুলারী খেরকে স্মরণ করেছেন অনুপম খের। সদ্য বাবা হয়েছেন ক্রিকেটার কে এল রাহুল। তিনি তাঁর সন্তানের জননী আথিয়া শেট্টিকে মাতৃ দিবস উৎসর্গ করেছেন। আথিয়া অভিনেতা সুনীল শেট্টির মেয়ে।
আজ খবর (বাংলা), [বিনোদন], মুম্বই , মহারাষ্ট্র, ০১/০৫/২০২৫ : মুম্বইয়ে জিও ওয়ার্লড কনভেনশন সেন্টারে আজ World Audio Visual And Entertainment Summit-এর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই উদ্বোধনকে দেশের সস্কৃতি ও উৎকর্ষের এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত বলে বিবেচনা করলেন নরেন্দ্র মোদী।
চার দিন ব্যাপী এই অনুষ্ঠানের থিম হিসেবে বলা হয়েছে ‘কানেকটিং ক্রিয়েটার্স, কানেকটিং কান্ট্রিজ’। দেশের কৃষ্টি ও উৎকর্ষতা জুড়বে গোটা দেশের সাথে। এদিন উদ্বোধনের সাথে সাথেই জুড়ে গেল ৯০টি দেশের সৃষ্টি উৎকর্ষের শিল্পী, দর্শক, বিনোদন শিল্পের সাথে জুড়ে থাকা মানুষ এবং পলিসি মেকাররা। মোদী বলেছেন যে “১৪০ কোটি মানুষের এই দেশে কোটি কত গল্প তৈরি হয়ে আছে, সেগুলি বলার জন্যেও লক্ষাধিক মানুষ রয়েছেন। ভারত গোটা বিশ্বকে গল্প বলতে চায়।”
মোদী আরও বলেন, “আমাদের দেশ শিল্পকলা সম্পদে ভরপুর। এমনকি আধ্যাত্মিক চেতনাতেও আমাদের দেশে সুর ব্যবহার করা হয়. এটাই দেশের জন্যে শিল্প সৃষ্টি করার সেরা সময়, এমনকি গোটা পৃথিবীর জন্যে শিল্প সৃষ্টি করার শ্রেষ্ঠ সময়। বিশ্ব এখন গল্প খুঁজছে। সায়েন্স, ট্রেজার, ফিকশন, ইমাজিনেশন সবকিছুই চাই। ভারতের ঝুলি সম্পূর্ণ ভর্তি রয়েছে। ভারত সেই ঝুলি গোটা পৃথিবীর সাথে ভাগ করে নিতে চায়। গোটা বিশ্বকে কৃষ্টি ও উৎকর্ষতা দিতে ভারত আগ্রহী এবং প্রস্তুত।”
আজ খবর (বাংলা), [বিনোদন], মুম্বই , মহারাষ্ট্র, ০১/০৫/২০২৫ : একটা দুর্দান্ত লুকে ক্যামেরার সামনে এলেন করিনা কাপুর খান। একটা নীল রঙের মিজো কস্টিউম পড়ে তিনি অসাধারণ একটি পোজ দিলেন ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে।
ফ্যাশনের দিক থেকে করিনা কোনোদিনই ফ্যানদেরকে নিরাশ করেন নি। নতুন নতুন লুকে তিনি পোজ দিয়েছেন। আর তাঁর সেইসব নতুন নতুন লুকগুলি সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করতেও ভোলেন নি.। এবারেও সেই ব্যাপারটির অন্যথা হয় নি। একটি মিজো কস্টিউমে পড়ে করিনা ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়ে খুশি করেছেন ফ্যানদেরকে।
করিনাকে ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটি ঘন নীল রঙের মিজো স্কার্ট পরে আছেন। সেই স্কার্টের দুটি কাঁধ খোলা। মিজোরামের এই কস্টিউমে বেশ স্টাইলিশ লাগছে করিনাকে। তাঁর মুখে ছড়িয়ে রয়েছে মোহময়ী হাসির লুক। এই লুকে অবশ্য তাঁকে আগেও দেখা গিয়েছে। তবে মিজো স্যুটে এই প্রথমবার তিনি ক্যামেরার সামনে হাজির হলেন। হান্না খিয়াংতে এই স্যুটের ডিজাইনার, তিনি মিজোরামের রাজধানী আইজলের বাসিন্দা। মিজোরামের মহিলাদের নানারকম ডিজাইনার পোশাককের সম্ভার নিয়ে হান্না তাঁর কেরিয়ার শুরু করেছিলেন ২০১৩ সালে।
আজ খবর (বাংলা) [বিনোদন], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৮/০৪/২০২৫ : চেনা ছকে নতুন গল্প, নতুন ছবি ব্রম্ভার্জুন। শ্যুটিং শেষের দিকে। তবে গল্পে আছে দুর্দান্ত লোকেশন, একশান আর কমেডি।
ঝাড়খণ্ডের দুটি গ্রামের দুই জমিদারের গল্প। দুজনেই মাফিয়ারাজ চালায়, গাঁজার অবৈধ ব্যবসা রয়েছে দুজনেরই। এই দুই জায়গায় রীতিমত রাজত্ব চলে দুজনের। একটি জায়গার নাম গালুরি সেই জায়গাটা নরেশ পালের দখলে এবং আর একটি জায়গার নাম শেখমুলুক, সেই জায়গার বেতাজ বাদশা আলম শেখ. দুজনের মধ্যে সবসময় চলে ক্ষমতার লড়াই। ঐ ক্ষমতার লড়াইয়ের মধ্যে ঢুকে পরে ব্রম্ভা ও অর্জুন। কি ভাবে এই দুজন পূরণ জমিদারদেরকে হঠিয়ে দিয়ে নিজেরাই দুই সাম্রাজ্যের মালিক হয়ে বসবে, সেটা নিয়েই রয়েছে গোটা গল্পটা।
ব্রম্ভার্জুন ছবিতে অভিনয় করেছেন, রং ভট্টাচার্য্য, প্রিয়াঙ্কা ভট্টাচার্য্য, অনিন্দ্য সেনগুপ্ত, খরাজ মুখার্জি, মোহনা মিম, সুদীপ মুখার্জি, জয়জিৎ ব্যানার্জি, অমিত শেঠি, অনিন্দ্য ব্যানার্জি ও অন্যান্যরা। ছবিটির প্রযোজনা করেছেন মিঞা শেঠি মন্ডল, পরিচালনা করেছেন সৌভিক দে. ছবিটি নিবেদন করছে এম এস ফিল্মস প্রোডাকশন।
আজ খবর (বাংলা), [বিনোদন] মুম্বই, মহারাষ্ট্র, ২৬/০৪/২০২৫ : কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে ঘটে যাওয়া নির্মম হত্যাকাণ্ডের পরেও এতটুকু ভীত নন মুম্বাইয়ের অভিনেতা সুনীল শেঠি। তিনি দেশবাসীকে বলতে চান আরও বেশি করে কাশ্মীর যাওয়ার জন্যে।
লতা দীনানাথ মঙ্গেশকর এওয়ার্ড অনুষ্ঠানের ভীড় থেকে একটু দূরে দাঁড়িয়ে অভিনেতা সুনীল শেঠি বলেন, “আমি তো বলব আগামীদিনের প্রথম ছুটির দিনগুলো কাশ্মীরেই কাটিয়ে দেওয়া। যা কিছু হয়েছে তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। কিন্তু জঙ্গিদেরকে ভয় পেলে চলবে না। বরং ওদের দেখাতে হবে যে আমরা ভয় পাই নি। আরও বেশি করে পর্যটকদের ভীড় হোক কাশ্মীর উপত্যকায়।”
সুনীল শেঠি বলছিলেন, “এই মুহূর্তে আমাদের মধ্যে ইউনিটি থাকা দরকার। যারা এখন আতঙ্ক বা ঘৃণা ছড়াচ্ছে, তাদেরকে পরাজিত করতেই হবে। আমাদের ইউনিটি তাদের কাছে যেন এই বার্তা পৌঁছে দেয় যে, কাশ্মীর আমাদের ছিল, আমাদের আছে এবং আগামীদিনেও আমাদেরই থাকবে। এই উদ্দেশ্যেই আমাদের দেশের সেনাবাহিনী ও নেতারা দিনরাত কাজ করে চলেছেন।”
এই অভিনেতা আরও বলেন, “আমি নিজে কাশ্মীরে ফোন করে বলেছি, যদি আমাকে কোনো কাজে লাগে, তাহলে আমি নিজেই কাশ্মীরে যেতে প্রস্তুত রয়েছি। কাশ্মীরে গিয়ে শ্যুটিং করতেও রাজি আছি।আমি কাশ্মীরে একজন শিল্পী হিসেবে যেতে রাজি আছি, অথবা একজন সাধারণ ট্যুরিস্ট হিসেবে যেতেও রাজি আছি।”
আজ খবর (বাংলা), [বিনোদন], মুম্বাই, মহারাষ্ট্র, ২২/০৪/২০২৫ : নিজেদের বৈবাহিক জীবনের ১৮টি বছর পার করে দিলেন অভিনেতা দম্পতি অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন।
বলিউডের ষ্টার দম্পতি অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন নিজেদের বৈবাহিক জীবনের ১৮টি বছর পার করে দিলেন। তাঁদের জীবনে এসেছে কন্যা সন্তান আরাধ্যা। সেও এখন অনেকটাই বড় হয়ে গিয়েছে। আজ নিজেদের বিবাহ বার্ষিকী পালন করতে গিয়ে সকালেই বন্ধু ও ফ্যানেদের জন্যে একটি ছবি ইনস্ট্রাগ্রামে আপলোড করেছেন প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বর্য্যা।
সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে অভিষেক, ও ঐশ্বর্যার সাথে আরাধ্যকেও। তিন জন্যেই সাদা পোশাক পড়ে রয়েছেন। ঐশ্বর্যের মতে এটা তাঁদের সাদা মননের প্রতীক। অভিষেক ও ঐশ্বর্যকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অমিতাভ বচ্চন ও জয়া বচ্চন। অভিনন্দন জানিয়েছেন আত্মীয় পরিজন ও বন্ধুবান্ধবরা। অভিষেক-ঐশ্বর্যকে শুভেচ্ছা রইল আমাদের তরফ থেকেও।
আজ খবর (বাংলা), [বিনোদন], মুম্বই , মহারাষ্ট্র, ১৮/০৪/২০২৫ : ক্রিয়েট ইন ইন্ডিয়া চ্যালেঞ্জ (সিআইসি)-এর সেশন-১ মুম্বাইয়ের জিও ওয়ার্ল্ড সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে। ওয়ার্ল্ড অডিও-ভিস্যুয়াল অ্যান্ড এন্টারটেনমেন্ট সামিট (ওয়েভস)-এর একটি ফ্ল্যাগশিপ কর্মসূচি এই সিআইসি। ইতোমধ্যেই ক্রিয়েট ইন ইন্ডিয়া চ্যালেঞ্জের ৩২টি বিভাগে প্রায় ১ লক্ষ জন নাম নথিভুক্ত করেছেন। এঁদের মধ্যে ১,১০০ জন বিদেশি। বিশ্বের ৬০টির বেশি দেশ থেকে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আগ্রহ প্রকাশ করায় এটা স্পষ্ট যে ওয়েভস-এর সিআইসি আন্তর্জাতিক মহলে যথেষ্ট সাড়া ফেলেছে। এই প্রতিযোগিতায় ৭৫০ জন মূল পর্বে যোগদান করতে পারবেন। ক্রিয়েটোস্ফিয়ার মঞ্চে এঁরা এঁদের উদ্ভাবনগুলি প্রদর্শন করবেন। এখানে অ্যানিমেশন, কমিক্স, কৃত্রিম মেধা, এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি, গেমিং, সঙ্গীত সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁরা তাঁদের নৈপুণ্য উপস্থাপন করবেন। সিআইসি-র ৩২ রকমের চ্যালেঞ্জে যাঁরা বিজয়ী হবেন, তাঁদের সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে জাঁকজমকপূর্ণ এক অনুষ্ঠানে ওয়েভস স্রষ্টা পুরস্কার বা ওয়েভস ক্রিয়েটার অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হবে।
ওয়েভস-এর ক্রিয়েটোস্ফিয়ার মঞ্চে আন্তর্জাতিক স্তরের ৪৩ জন ফাইনালিস্ট তাঁদের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখবেন। এর ফলে সৃজনশীলতার এই উৎসব প্রকৃত অর্থে আন্তর্জাতিক হয়ে উঠবে। চূড়ান্ত পর্বে ২০টি দেশের প্রতিনিধিরা থাকবেন, যেখানে আর্জেন্টিনা, নেপাল, জার্মানি, বারমুডা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রীস, ইন্দোনেশিয়া, বৃটেন, কানাডা, ইতালি, লাওস, থাইল্যান্ড, তাজিকিস্তান, মিশর, শ্রীলঙ্কা, রাশিয়া, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া এবং জাপান থেকে এঁরা যোগ দেবেন। শ্রীলঙ্কা, নেপাল এবং তাজিকিস্তান থেকে ছ’জন করে প্রতিযোগী চূড়ান্ত পর্বে উঠেছেন। ইন্দোনেশিয়া এবং মালদ্বীপ থেকে পাঁচজন করে এবং মরিশাস থেকে চারজন চূড়ান্ত পর্বের প্রতিযোগী রয়েছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে দু’জন চূড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহণ করবেন। রাশিয়া, কানাডা, আর্জেন্টিনা, লাওস, মালয়েশিয়া, বারমুডা, মিশর, থাইল্যান্ড এবং বৃটেন থেকে একজন প্রতিযোগী চূড়ান্ত পর্বে উঠেছেন। এর মধ্য দিয়ে সিআইসি-র আন্তর্জাতিক স্তরে গ্রহণযোগ্যতার প্রমাণ মেলে।
ভারতের ২৮টি রাজ্য এবং আটটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সবক’টি থেকেই প্রতিযোগীরা অংশ নিয়েছেন। এঁদের মধ্যে পূর্ব প্রান্তের আসাম এবং মেঘালয়ের অংশগ্রহণকারী যেমন রয়েছেন, পশ্চিমে গুজরাট, উত্তরে হিমাচল প্রদেশ এবং দক্ষিণ কেরালা থেকেও উদ্ভাবকরা এখানে যোগ দিয়েছেন।
ক্রিয়েট ইন ইন্ডিয়া চ্যালেঞ্জে যুবশক্তির প্রাচুর্য্য লক্ষ্য করা গেছে। এখানে ২০-৩০ বছর বয়সের মধ্যে বহু উদ্ভাবক রয়েছেন। কলেজের ছাত্রছাত্রী, সদ্য কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করেছেন অথবা তরুণ উদ্ভাবক, প্রত্যেকেই বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় এই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন। চূড়ান্ত পর্বে বাছাই করাদের মধ্যে কনিষ্ঠতম উদ্ভাবকের বয়স মাত্র ১২। প্রবীণ উদ্ভাবকের বয়স ৬৬। এর মাধ্যমে এটা প্রতিফলিত হয়, সৃজনশীলতার এই মঞ্চ প্রকৃত অর্থে সর্বাঙ্গীণ হয়ে উঠেছে।
সিআইসি-তে তৃণমূল স্তরের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে যেমন উদ্ভাবকরা উদ্যোগী হয়েছেন, পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও এখানে ঠাঁই পেয়েছে। শিক্ষাকে সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য নতুন নতুন পন্থা যেমন উদ্ভাবন করা হয়েছে, অন্যদিকে ভারতের বস্ত্রশিল্পের পুনর্জাগরণের জন্য ‘মেক দ্য ওয়ার্ল্ড ওয়্যার খাদি’ চ্যালেঞ্জেও ঐতিহ্য ও প্রযুক্তির মেলবন্ধন ঘটানো হয়েছে। এক চলচ্চিত্র নির্মাতা ‘ইন্ডিয়া : আ বার্ডস আই ভিউ’ শীর্ষক এক উপস্থাপনা প্রস্তুত করেছেন। এছাড়াও, ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে গল্প বলার উদ্যোগ নিয়েছেন ‘ড্রোন দিদি’রা, যেখানে তাঁদের ক্ষমতায়নের প্রতিফলন ঘটেছে।
ওয়েভস, ২০২৫-এর চূড়ান্ত পর্বের প্রস্তুতি প্রায় সম্পূর্ণ। এই উদ্যোগকে ঘিরে উৎসাহ ও উদ্দীপনা তুঙ্গে । এর মধ্য দিয়ে সৃজনশীল ক্ষেত্রে ভারতের উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রকাশিত হচ্ছে, যেখানে প্রতিভাবান উদ্ভাবকরা নতুন নতুন সুযোগ পাচ্ছেন। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক স্তরের সংবাদমাধ্যম এবং বিনোদন জগতে ভারতের নেতৃত্বকে স্বীকার করে নেওয়া হচ্ছে। দেশী-বিদেশি অংশগ্রহণকারীদের দৃপ্ত পদচারণায় ক্রিয়েট ইন ইন্ডিয়া চ্যালেঞ্জ প্রকৃত অর্থে এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে পরিণত হয়েছে, যেখানে সমস্ত অঞ্চলের, সব প্রজন্মের মানুষের কলরব শোনা যাচ্ছে। ওয়েভসকে প্রত্যেক বাড়িতে এবং প্রত্যেকের হৃদয়ে পৌঁছতে হবে – প্রধানমন্ত্রীর এই ভাবনা বাস্তবিকই কার্যকর হয়েছে।