আজ খবর (বাংলা), [বিনোদন], মুম্বই , মহারাষ্ট্র, ০১/০৫/২০২৫ : একটা দুর্দান্ত লুকে ক্যামেরার সামনে এলেন করিনা কাপুর খান। একটা নীল রঙের মিজো কস্টিউম পড়ে তিনি অসাধারণ একটি পোজ দিলেন ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে।
ফ্যাশনের দিক থেকে করিনা কোনোদিনই ফ্যানদেরকে নিরাশ করেন নি। নতুন নতুন লুকে তিনি পোজ দিয়েছেন। আর তাঁর সেইসব নতুন নতুন লুকগুলি সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করতেও ভোলেন নি.। এবারেও সেই ব্যাপারটির অন্যথা হয় নি। একটি মিজো কস্টিউমে পড়ে করিনা ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়ে খুশি করেছেন ফ্যানদেরকে।
করিনাকে ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটি ঘন নীল রঙের মিজো স্কার্ট পরে আছেন। সেই স্কার্টের দুটি কাঁধ খোলা। মিজোরামের এই কস্টিউমে বেশ স্টাইলিশ লাগছে করিনাকে। তাঁর মুখে ছড়িয়ে রয়েছে মোহময়ী হাসির লুক। এই লুকে অবশ্য তাঁকে আগেও দেখা গিয়েছে। তবে মিজো স্যুটে এই প্রথমবার তিনি ক্যামেরার সামনে হাজির হলেন। হান্না খিয়াংতে এই স্যুটের ডিজাইনার, তিনি মিজোরামের রাজধানী আইজলের বাসিন্দা। মিজোরামের মহিলাদের নানারকম ডিজাইনার পোশাককের সম্ভার নিয়ে হান্না তাঁর কেরিয়ার শুরু করেছিলেন ২০১৩ সালে।
আজ খবর (বাংলা) [বিনোদন], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৮/০৪/২০২৫ : চেনা ছকে নতুন গল্প, নতুন ছবি ব্রম্ভার্জুন। শ্যুটিং শেষের দিকে। তবে গল্পে আছে দুর্দান্ত লোকেশন, একশান আর কমেডি।
ঝাড়খণ্ডের দুটি গ্রামের দুই জমিদারের গল্প। দুজনেই মাফিয়ারাজ চালায়, গাঁজার অবৈধ ব্যবসা রয়েছে দুজনেরই। এই দুই জায়গায় রীতিমত রাজত্ব চলে দুজনের। একটি জায়গার নাম গালুরি সেই জায়গাটা নরেশ পালের দখলে এবং আর একটি জায়গার নাম শেখমুলুক, সেই জায়গার বেতাজ বাদশা আলম শেখ. দুজনের মধ্যে সবসময় চলে ক্ষমতার লড়াই। ঐ ক্ষমতার লড়াইয়ের মধ্যে ঢুকে পরে ব্রম্ভা ও অর্জুন। কি ভাবে এই দুজন পূরণ জমিদারদেরকে হঠিয়ে দিয়ে নিজেরাই দুই সাম্রাজ্যের মালিক হয়ে বসবে, সেটা নিয়েই রয়েছে গোটা গল্পটা।
ব্রম্ভার্জুন ছবিতে অভিনয় করেছেন, রং ভট্টাচার্য্য, প্রিয়াঙ্কা ভট্টাচার্য্য, অনিন্দ্য সেনগুপ্ত, খরাজ মুখার্জি, মোহনা মিম, সুদীপ মুখার্জি, জয়জিৎ ব্যানার্জি, অমিত শেঠি, অনিন্দ্য ব্যানার্জি ও অন্যান্যরা। ছবিটির প্রযোজনা করেছেন মিঞা শেঠি মন্ডল, পরিচালনা করেছেন সৌভিক দে. ছবিটি নিবেদন করছে এম এস ফিল্মস প্রোডাকশন।
আজ খবর (বাংলা), [বিনোদন] মুম্বই, মহারাষ্ট্র, ২৬/০৪/২০২৫ : কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে ঘটে যাওয়া নির্মম হত্যাকাণ্ডের পরেও এতটুকু ভীত নন মুম্বাইয়ের অভিনেতা সুনীল শেঠি। তিনি দেশবাসীকে বলতে চান আরও বেশি করে কাশ্মীর যাওয়ার জন্যে।
লতা দীনানাথ মঙ্গেশকর এওয়ার্ড অনুষ্ঠানের ভীড় থেকে একটু দূরে দাঁড়িয়ে অভিনেতা সুনীল শেঠি বলেন, “আমি তো বলব আগামীদিনের প্রথম ছুটির দিনগুলো কাশ্মীরেই কাটিয়ে দেওয়া। যা কিছু হয়েছে তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। কিন্তু জঙ্গিদেরকে ভয় পেলে চলবে না। বরং ওদের দেখাতে হবে যে আমরা ভয় পাই নি। আরও বেশি করে পর্যটকদের ভীড় হোক কাশ্মীর উপত্যকায়।”
সুনীল শেঠি বলছিলেন, “এই মুহূর্তে আমাদের মধ্যে ইউনিটি থাকা দরকার। যারা এখন আতঙ্ক বা ঘৃণা ছড়াচ্ছে, তাদেরকে পরাজিত করতেই হবে। আমাদের ইউনিটি তাদের কাছে যেন এই বার্তা পৌঁছে দেয় যে, কাশ্মীর আমাদের ছিল, আমাদের আছে এবং আগামীদিনেও আমাদেরই থাকবে। এই উদ্দেশ্যেই আমাদের দেশের সেনাবাহিনী ও নেতারা দিনরাত কাজ করে চলেছেন।”
এই অভিনেতা আরও বলেন, “আমি নিজে কাশ্মীরে ফোন করে বলেছি, যদি আমাকে কোনো কাজে লাগে, তাহলে আমি নিজেই কাশ্মীরে যেতে প্রস্তুত রয়েছি। কাশ্মীরে গিয়ে শ্যুটিং করতেও রাজি আছি।আমি কাশ্মীরে একজন শিল্পী হিসেবে যেতে রাজি আছি, অথবা একজন সাধারণ ট্যুরিস্ট হিসেবে যেতেও রাজি আছি।”
আজ খবর (বাংলা), [বিনোদন], মুম্বাই, মহারাষ্ট্র, ২২/০৪/২০২৫ : নিজেদের বৈবাহিক জীবনের ১৮টি বছর পার করে দিলেন অভিনেতা দম্পতি অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন।
বলিউডের ষ্টার দম্পতি অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন নিজেদের বৈবাহিক জীবনের ১৮টি বছর পার করে দিলেন। তাঁদের জীবনে এসেছে কন্যা সন্তান আরাধ্যা। সেও এখন অনেকটাই বড় হয়ে গিয়েছে। আজ নিজেদের বিবাহ বার্ষিকী পালন করতে গিয়ে সকালেই বন্ধু ও ফ্যানেদের জন্যে একটি ছবি ইনস্ট্রাগ্রামে আপলোড করেছেন প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বর্য্যা।
সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে অভিষেক, ও ঐশ্বর্যার সাথে আরাধ্যকেও। তিন জন্যেই সাদা পোশাক পড়ে রয়েছেন। ঐশ্বর্যের মতে এটা তাঁদের সাদা মননের প্রতীক। অভিষেক ও ঐশ্বর্যকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অমিতাভ বচ্চন ও জয়া বচ্চন। অভিনন্দন জানিয়েছেন আত্মীয় পরিজন ও বন্ধুবান্ধবরা। অভিষেক-ঐশ্বর্যকে শুভেচ্ছা রইল আমাদের তরফ থেকেও।
আজ খবর (বাংলা), [বিনোদন], মুম্বই , মহারাষ্ট্র, ১৮/০৪/২০২৫ : ক্রিয়েট ইন ইন্ডিয়া চ্যালেঞ্জ (সিআইসি)-এর সেশন-১ মুম্বাইয়ের জিও ওয়ার্ল্ড সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে। ওয়ার্ল্ড অডিও-ভিস্যুয়াল অ্যান্ড এন্টারটেনমেন্ট সামিট (ওয়েভস)-এর একটি ফ্ল্যাগশিপ কর্মসূচি এই সিআইসি। ইতোমধ্যেই ক্রিয়েট ইন ইন্ডিয়া চ্যালেঞ্জের ৩২টি বিভাগে প্রায় ১ লক্ষ জন নাম নথিভুক্ত করেছেন। এঁদের মধ্যে ১,১০০ জন বিদেশি। বিশ্বের ৬০টির বেশি দেশ থেকে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আগ্রহ প্রকাশ করায় এটা স্পষ্ট যে ওয়েভস-এর সিআইসি আন্তর্জাতিক মহলে যথেষ্ট সাড়া ফেলেছে। এই প্রতিযোগিতায় ৭৫০ জন মূল পর্বে যোগদান করতে পারবেন। ক্রিয়েটোস্ফিয়ার মঞ্চে এঁরা এঁদের উদ্ভাবনগুলি প্রদর্শন করবেন। এখানে অ্যানিমেশন, কমিক্স, কৃত্রিম মেধা, এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি, গেমিং, সঙ্গীত সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁরা তাঁদের নৈপুণ্য উপস্থাপন করবেন। সিআইসি-র ৩২ রকমের চ্যালেঞ্জে যাঁরা বিজয়ী হবেন, তাঁদের সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে জাঁকজমকপূর্ণ এক অনুষ্ঠানে ওয়েভস স্রষ্টা পুরস্কার বা ওয়েভস ক্রিয়েটার অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হবে।
ওয়েভস-এর ক্রিয়েটোস্ফিয়ার মঞ্চে আন্তর্জাতিক স্তরের ৪৩ জন ফাইনালিস্ট তাঁদের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখবেন। এর ফলে সৃজনশীলতার এই উৎসব প্রকৃত অর্থে আন্তর্জাতিক হয়ে উঠবে। চূড়ান্ত পর্বে ২০টি দেশের প্রতিনিধিরা থাকবেন, যেখানে আর্জেন্টিনা, নেপাল, জার্মানি, বারমুডা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রীস, ইন্দোনেশিয়া, বৃটেন, কানাডা, ইতালি, লাওস, থাইল্যান্ড, তাজিকিস্তান, মিশর, শ্রীলঙ্কা, রাশিয়া, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া এবং জাপান থেকে এঁরা যোগ দেবেন। শ্রীলঙ্কা, নেপাল এবং তাজিকিস্তান থেকে ছ’জন করে প্রতিযোগী চূড়ান্ত পর্বে উঠেছেন। ইন্দোনেশিয়া এবং মালদ্বীপ থেকে পাঁচজন করে এবং মরিশাস থেকে চারজন চূড়ান্ত পর্বের প্রতিযোগী রয়েছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে দু’জন চূড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহণ করবেন। রাশিয়া, কানাডা, আর্জেন্টিনা, লাওস, মালয়েশিয়া, বারমুডা, মিশর, থাইল্যান্ড এবং বৃটেন থেকে একজন প্রতিযোগী চূড়ান্ত পর্বে উঠেছেন। এর মধ্য দিয়ে সিআইসি-র আন্তর্জাতিক স্তরে গ্রহণযোগ্যতার প্রমাণ মেলে।
ভারতের ২৮টি রাজ্য এবং আটটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সবক’টি থেকেই প্রতিযোগীরা অংশ নিয়েছেন। এঁদের মধ্যে পূর্ব প্রান্তের আসাম এবং মেঘালয়ের অংশগ্রহণকারী যেমন রয়েছেন, পশ্চিমে গুজরাট, উত্তরে হিমাচল প্রদেশ এবং দক্ষিণ কেরালা থেকেও উদ্ভাবকরা এখানে যোগ দিয়েছেন।
ক্রিয়েট ইন ইন্ডিয়া চ্যালেঞ্জে যুবশক্তির প্রাচুর্য্য লক্ষ্য করা গেছে। এখানে ২০-৩০ বছর বয়সের মধ্যে বহু উদ্ভাবক রয়েছেন। কলেজের ছাত্রছাত্রী, সদ্য কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করেছেন অথবা তরুণ উদ্ভাবক, প্রত্যেকেই বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় এই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন। চূড়ান্ত পর্বে বাছাই করাদের মধ্যে কনিষ্ঠতম উদ্ভাবকের বয়স মাত্র ১২। প্রবীণ উদ্ভাবকের বয়স ৬৬। এর মাধ্যমে এটা প্রতিফলিত হয়, সৃজনশীলতার এই মঞ্চ প্রকৃত অর্থে সর্বাঙ্গীণ হয়ে উঠেছে।
সিআইসি-তে তৃণমূল স্তরের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে যেমন উদ্ভাবকরা উদ্যোগী হয়েছেন, পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও এখানে ঠাঁই পেয়েছে। শিক্ষাকে সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য নতুন নতুন পন্থা যেমন উদ্ভাবন করা হয়েছে, অন্যদিকে ভারতের বস্ত্রশিল্পের পুনর্জাগরণের জন্য ‘মেক দ্য ওয়ার্ল্ড ওয়্যার খাদি’ চ্যালেঞ্জেও ঐতিহ্য ও প্রযুক্তির মেলবন্ধন ঘটানো হয়েছে। এক চলচ্চিত্র নির্মাতা ‘ইন্ডিয়া : আ বার্ডস আই ভিউ’ শীর্ষক এক উপস্থাপনা প্রস্তুত করেছেন। এছাড়াও, ড্রোন প্রযুক্তির মাধ্যমে গল্প বলার উদ্যোগ নিয়েছেন ‘ড্রোন দিদি’রা, যেখানে তাঁদের ক্ষমতায়নের প্রতিফলন ঘটেছে।
ওয়েভস, ২০২৫-এর চূড়ান্ত পর্বের প্রস্তুতি প্রায় সম্পূর্ণ। এই উদ্যোগকে ঘিরে উৎসাহ ও উদ্দীপনা তুঙ্গে । এর মধ্য দিয়ে সৃজনশীল ক্ষেত্রে ভারতের উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রকাশিত হচ্ছে, যেখানে প্রতিভাবান উদ্ভাবকরা নতুন নতুন সুযোগ পাচ্ছেন। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক স্তরের সংবাদমাধ্যম এবং বিনোদন জগতে ভারতের নেতৃত্বকে স্বীকার করে নেওয়া হচ্ছে। দেশী-বিদেশি অংশগ্রহণকারীদের দৃপ্ত পদচারণায় ক্রিয়েট ইন ইন্ডিয়া চ্যালেঞ্জ প্রকৃত অর্থে এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে পরিণত হয়েছে, যেখানে সমস্ত অঞ্চলের, সব প্রজন্মের মানুষের কলরব শোনা যাচ্ছে। ওয়েভসকে প্রত্যেক বাড়িতে এবং প্রত্যেকের হৃদয়ে পৌঁছতে হবে – প্রধানমন্ত্রীর এই ভাবনা বাস্তবিকই কার্যকর হয়েছে।
আজ খবর (বাংলা), [বিনোদন], শ্রীনগর, জম্মু ও কাশ্মীর, ১৯/০৪/২০২৫ : বিএসএফ সেনা ছাউনিতে বসেই ইমরান হাসমির গ্রাউন্ড জিরো ছবিটি দেখলেন বিএসএফ সেনা বাহিনীর জওয়ানরা। স্পেশ্যাল স্ক্রিনিংয়ে উপস্থিত ছিলেন ইমরান হাসমি নিজেই।
এর আগে ভারতীয় দর্শক সেনাবাহিনী, কমান্ডো এবং পুলিশ নিয়ে অনেকগুলি ছবি দেখেছে , কিন্তু বিএসএফ নিয়ে এই প্রথম কোনো ছবি তৈরি হল, যা কিনা দর্শকেরা খুবই ভালোভাবে উপভোগ করতে পারবেন বলে মনে করছেন ছবিটির নায়ক ইমরান হাসমি। তিনি মনে করছেন এই ছবির মাধ্যমে বিএসএফকে সন্মান জানানো হল।
দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা দেয় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স, গোটা দেশকেই নিরাপদ রাখে। সীমান্তে জঙ্গী সমস্যা ছাড়াও চোরাচালানের মত নানারকম সমস্যা সামলাতে হয় সারা বছর। বিএসএফের সেইসব বীরত্বের কাহিনী সাধারণ মানুষ জানতে পারে না। গ্রাউন্ড জিরোর মত ছবি বিএসএফের বীরত্বের কাহিনী জনসমক্ষে তুলে ধরবে।
গ্রাউন্ড জিরো ছবিতে এক বিএসএফ জওয়ানের বীরত্বের কাহিনীকে তুলে ধরা হয়েছে। বিএসএফের ঐ অফিসারের নাম নরেন্দ্রনাথ দুবে। তিনি ও তাঁর বাহিনী জঙ্গীদের মাস্টার মাইন্ড গাজী বাবাকে খতম করেছিলেন। ছবিতে ২০০০ সালের কাশ্মীরকে তুলে ধরা হয়েছে। দেশকে সুরক্ষা প্রদান করতে বিএসএফ কতদূর এগোতে পারে, সেটাই দেখানো হয়েছে ছবিতে।
গ্রাউন্ড জিরো ছবিতে নরেন্দ্রনাথ দুবের চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইমরান হাসমি। তাঁর স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাই তামানকার। স্পেশ্যাল প্রিমিয়ার শোতে উপস্থিত ছিলেন ইমরান হাসমি, সাই তামানকার, প্রযোজক রীতেশ সিধোয়ানি , ডলি সিধোয়ানি , ফারহান আখতার, নির্দেশক তেজস প্রভা বিজয় দেওস্কর প্রমুখ। গ্রাউন্ড জিরো ছবিটি মুক্তি পেতে চলেছে আগামী ২৫শে এপ্রিল।
ফুলে আসলে একটি আত্মজীবনী নির্ভর ফিল্ম। অভিনয় করেছেন প্রতীক গান্ধী, পত্রলেখা প্রমুখ। নির্দেশক অনন্ত মহাদেবন। এই সিনেমাটি তৈরি হয়েছে মহাত্মা জ্যোতিরাও ফুলের আত্মজীবনী নিয়ে। ব্যবসায়ী হলেও জ্যোতিরাও ফুলে ছিলেন আপাদমস্তক একজন সমাজসেবী। তিনি ও তাঁর স্ত্রী সাবিত্রীবাই ফুলে মমাহারাষ্ট্রে প্রথম মেয়েদের স্কুল তৈরি করেছিলেন। জ্যোতিরাও ফুলের জন্মদিন ছিল এপ্রিল মাসের ১১ তারিখ। আর সেই দিনেই তাঁর নির্মিত ফুলে ফিল্মটি রিলিজ করবেন বলে মনস্থ করেছিলেন অনুরাগ কাশ্যপ। অনেক চেষ্টা করেও ১১ তারিখে সেন্সর বোর্ডের আপত্তির কারনে ফুলে রিলিজ করতে পারেন নি অনুরাগ। সেন্সর বোর্ডের ওপর তিনি তাঁর হতাশা ব্যক্ত করেছেন। তাঁর ফিল্ম নিয়ে প্রথম আপত্তি জানায় ব্রাম্ভনরা. জ্যোতিরাও ফুলে তাঁর জীবনে জাতপাতের বিরুদ্ধে প্রবলভাবে লড়াই করে গিয়েছেন। সেন্সর বোর্ডের বক্তব্য নরেন্দ্র মোদীর জমানায় জাতপাত বলে আর কিছুই নেই. তাই এই ছবি রিলিজ করার অনুমতি দেওয়া যায় নি. সেন্সর বোর্ডের সাথে অনুরাগের দ্ব্যান্ড এখনও চলছে, সেইসঙ্গে ঝুলে রয়েছে ফুলে ফিল্মের ভাগ্য।
আজ খবর (বাংলা), [বিনোদন], নতুন দিল্লী, ভারত, ০৮/০৪/২০২৫ : রেশম তলোয়ার সর্বদাই কন্ঠস্বরের শক্তিতে বিশ্বাস করতেন। একজন দৃষ্টিহীন শিল্পী হিসেবে তিনি জানতেন যে, তাঁর কন্ঠস্বর শব্দের চেয়েও বেশি কিছু বহন করে। এতে আবেগ, অভিব্যক্তি এবং চরিত্রগুলিকে জীবন্ত করে তোলার ক্ষমতা রয়েছে। তিনি প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে কন্ঠস্বরের মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক জগতে নিজের স্থান তৈরি করে নিয়েছেন।
দিল্লিতে আয়োজিত ওয়েভস্ অ্যানিমি অ্যান্ড ম্যানগা কন্টেস্ট (ডব্লিউএএম) – এ ভয়েস অ্যাক্টিং বিভাগে জয়লাভ করেছেন তিনি। প্রমাণ করে দিয়েছেন যে, শিল্পী সত্ত্বা যে কোনও বাধা অতিক্রম করতে পারে। রেডিও জকি, ভয়েস ওভার এবং অডিও এডিটিং – এ রেশম তাঁর দক্ষতা ইতিমধ্যে প্রমাণ করেছেন। ডব্লিউএএম-তে জয়লাভ তাঁকে আরও বড় মঞ্চ করে দিয়েছে। তাঁর প্রতিভা শিল্প নেতৃত্বদের কাছে প্রশংসিত হয়েছে। এর থেকে বোঝা যায়, ডব্লিউএএম শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়, সৃজনশীল প্রতিভা তুলে ধরার মাধ্যম।
মিডিয়া অ্যান্ড এন্টারটেইনমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া (এমইএআই)এর সহযোগিতায় কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক ম্যানগা অ্যান্ড অ্যানিমি ক্ষেত্রে উৎসাহ যুগিয়েছে। এর লক্ষ্যই হ’ল – ভারতের উদীয়মান প্রতিভাকে তুলে ধরা, যাতে এক্ষেত্রে স্রষ্ঠারা তাঁদের প্রতিভা প্রদর্শনের সুযোগ পান। ১১টি শহরে রাজ্যস্তরের এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে, যার সমাপ্তি ঘটবে মুম্বাইয়ের জিও ওয়ার্ল্ড সেন্টারে পয়লা থেকে ৪ মে আয়োজিত ওয়ার্ল্ড অডিও ভিজ্যুয়াল এন্টারটেইনমেন্ট সামিট (ওয়েভস্) ২০২৫ – এর মধ্য দিয়ে। ম্যানগা হ’ল – এক ধরনের কমিক বই বা গ্রাফিক উপন্যাস, যা জাপানে শুরু হয়েছিল। ম্যানগা’কে যা বিশেষ করে তোলে তা হল এর চরিত্রগুলি। আর অন্যদিকে, অ্যানিমি হ’ল – ম্যানগা’কে জীবন্ত করে তোলার মতো কার্টুন সংস্করণ, যা পর্দায় দেখা যায়। ভারতে গত ১০ বছরে ম্যানগা ও অ্যানিমি ক্রমশই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। দেশে প্রায় ১৮০ মিলিয়ন অ্যানিমি ভক্ত রয়েছেন। ভারত হল চীনের পরেই বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অ্যানিমি বাজার। নারুতো, ড্রাগন বল, ওয়ান পিস, অ্যাটাক অন টাইটান এবং মাই হিরো অ্যাকাডেমিয়ার মতো অনুষ্ঠানগুলি ব্যাপক জনপ্রিয়। ভারত জুড়ে এর বিপুল অনুরাগী রয়েছেন। ২০২৩ সালে ভারতে অ্যানিমির বাজার মূল্য ছিল ১,৬৪২.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০৩২ সালের মধ্যে তা বেড়ে ৫০৩৬.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছবে। নেটফ্লিক্স, অ্যামাজন প্রাইম ভিডিও, ডিজনি প্লাস হটস্টার – এর মতো প্ল্যাটফর্মগুলি ভারতীয় দর্শকদের জন্য অ্যানিমি দেখা সহজ করে তুলেছে।পাশাপাশি ম্যানগা খুব সহজেই পাওয়া যায় অ্যামাজন ও ফ্লিপকাটের মতো ই-বাণিজ্যিক প্ল্যাটফর্মগুলিতে।
বারাণসীর এক ছাত্রী অ্যাঞ্জেল যাদব ডব্লিউএএম বারাণসীতে ম্যানগা বিভাগে যেভাবে তাঁর সৃজনশীল প্রতিভা তুলে ধরেছেন, তা বিচারকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। তাঁর শিল্পকর্ম কলকাতার বৈভবী স্টুডিও-কে এতটাই মুগ্ধ করেছিল যে, তারা তাঁকে চাকরির প্রস্তাব দিয়েছিল। এর পাশাপাশি, ভুবনেশ্বর ডব্লিউএএম – এ পেশাদার ম্যানগা শিল্পী রণদীপ সিং – এর কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা যায়। এর থেকে বোঝা যায় যে, ডব্লিউএএম কিভাবে জীবন বদলে দিচ্ছে এবং এখানে অংশগ্রহণকারীরা প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ব বাজারে নিজেদের প্রতিভা বিকাশে সুযোগ পাচ্ছেন।
আজ খবর (বাংলা), [বিনোদন] মুম্বই , মহারাষ্ট্র, ০৫/০৪/২০২৫ : মুম্বইয়ের প্রবীণ অভিনেতা মনোজ কুমারের শেষকৃত্য সম্পন্ন হল আজ। মুম্বইয়ের ভিল্লে পারলে অঞ্চলে পবন হংসে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হল অত্যন্ত মর্যাদার সাথে।
গতকাল ভোরবেলায় কোকিলাবেন আম্বানি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলিউডের অভিনেতা মনোজ কুমার, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। অধুনা পাকিস্তানের এবোটাবাদে জন্মগ্রহন করেছিলেন ঋষিকৃষাণ গোস্বামী, সিনেমায় এসে তাঁর নাম হয় মনোজ কুমার। আর সেই নামেই বিখ্যাত হয়ে যান তিনি। সারা জীবনে প্রচুর সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি, অনেক ছবির পরিচালনা এবং প্রযোজনা করেছেন। পেয়েছেন পদ্মশ্রী এবং দাদাসাহেব ফালকে। তাঁর পরিচালিত উপকার ছবি জাতীয় পুরস্কারও পেয়েছিল।
আজ তাঁর শেষ কৃত্য সম্পন্ন হয়েছে সরকারীই মর্যাদার সাথে। ফুলে ঢেকে থাকা তাঁর মৃতদেহকে মুড়ে দেওয়া হয়েছিল জাতীয় পতাকায়, তারপর তাঁর নশ্বর দেহকে এস্কর্ট করে নিয়ে যাওয়া হয় শ্মশানের দিকে। এদিন তাঁর শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন অমিতাভ বচ্চন, অভিষেক বচ্চন, সেলিম খান, আরবাজ খান, প্রেম চোপড়া, রাজপাল যাদব সহ অন্যান্য অভিনেতারা। এক আবেগ ঘন মুহূর্তে মনোজ কুমারের চিতায় অগ্নি সংযোগ করলেন পুত্র কুণাল গোস্বামী।
আজ খবর (বাংলা), [বিনোদন] মুম্বাইঃ , মহারাষ্ট্র, ০৪/০৪/২০২৫ : পরলোক গমন করলেন প্রখ্যাত অভিনেতা মনোজ কুমার। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর.
সিনেমা প্রেমী মানুষ মনোজ কুমারকে ভারত কুমার বলেও অভিহিত করতেন, কেননা তিনি দেশপ্রেমের ছবিতেই বেশ্শিরভাগ অভিনয় করেছেন। আজ ভোর ৪:০৩ নাগাদ মুম্বইয়ের কোকিলাবেন আম্বানি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।মনোজ কুমারের ছেলে কুনাল গোস্বামী জানিয়েছেন আগামীকাল বেলা ১১টায় মুম্বইয়ের ভিলেপার্লের নানাবতী হাসপাতালের সামনে পবন হংসে মনোজ কুমারের শেষ কৃত্য সম্পন্ন করা হবে।
মনোজ কুমার দীর্ঘদিন ধরে জুড়েছিলেন হিন্দি সিনেমার সাথে। তাঁর অভিনীত ‘উপকার’, ‘পূরব ঔর পশ্চিম’, ‘রোটি কাপড়া আওর মকান’ আজ মনে রেখেছেন সিনেপ্রেমীরা। মনোজ কুমার পদ্মশ্রী দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পেয়েছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক জ্ঞাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফরণবীশ। এছাড়াও শোক জ্ঞাপন করেছেন মনোজ কুমারের অসংখ্য গুণমুগধ অনুরাগীরা।