www.aajkhabor.in

রাজ্যে নথি জালিয়াতি থেকে প্রশাসনিক হুমকি—তৃণমূলকে একযোগে আক্রমণে দিলীপ ঘোষ

রাজ্যে নথি জালিয়াতি থেকে প্রশাসনিক হুমকি—তৃণমূলকে একযোগে আক্রমণে দিলীপ ঘোষ

SIR-এ ‘আজব’ সার্টিফিকেট, মাইক্রো অবজার্ভারদের হুমকি, কাঁকুলিয়া কাণ্ডে পুলিশের দ্বিচারিতা—রাজ্য সরকারকে তীব্র ভাষায় তুলোধোনা বিজেপি নেতার

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৩/০২/২০২৬ :  আজ সকালে বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে সমালোচনার সাথে সাথে সরব হয়েছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ।

এসআইআর প্রসঙ্গে —

SIR এ আজব নথির নজির বঙ্গে। বাবা মায়ের সাথে সম্পর্ক বোঝাতে এবার মাথা মুণ্ডহীন ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট জমা SIR- এর নথি হিসাবে। কোথাও জন্মের আগেই বার্থ সার্টিফিকেট, কোথাও ভ্রান্ত ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট। যেকোনো উপায়ে ভোটার তালিকায় নাম তুলতে এইসব আজব নথির নিদান দিচ্ছে কারা?

মাইক্রো অবজার্ভার  প্রসঙ্গে  —

সুপ্রিম নির্দেশের পরও হুমকির মুখে মাইক্রো অবজার্ভাররা। হুমকি দিচ্ছেন খোদ বিডিও (ভাঙড়),এসডিও (বারুইপুর) দের মতন সরকারি আধিকারিকরা। বাদ নেই তৃণমূলের পূর্ত কর্মাদক্ষ শাজাহান মোল্লা। শাসকের কাছে ‘বিতর্কিত’ মাইক্রো অবজার্ভারদের শায়েস্তা করতে এবার থ্রেট কালচারের প্রত্যাবর্তন?

কাঁকুলিয়া কাণ্ড  প্রসঙ্গে —

কাকুলিয়ার দুষ্কৃতী তান্ডবের ১২ দিন পরেও অধরা সোনাপাপ্পু, ইতিমধ্যে ছাড়াও পেয়ে গেলো ১৭জন। অন্যদিকে আইনি পথে মৃতা মায়ের চক্ষুদান করে ৩দিন শ্রীঘরে নদিয়ার আমির। একই পুলিশের দুইরূপ কেন রাজ্যে? সাধারণের জন্য হাতকড়া, আর শাসক আশ্রিত দুষ্কৃতীদের জন্য সব ছাড় পুলিশের?

নির্বাচন কমিশনে আধিকারিক প্রেরণ প্রসঙ্গে — 

৮৫০৫ অফিসার নিয়ে এখনো গড়িমসি রাজ্যের। নির্দেশ অনুযায়ী কমিশনের কাছে পৌঁছোচ্ছে না সম্পূর্ণ তথ্য সমৃদ্ধ তালিকা। কমিশনের নিয়োগ করা লোক নিয়েও সমস্যা, কমিশনকে লোক দিতে হলেও সমস্যা! রাজ্যের এতো অনীহা কেন SIR নিয়ে?

পরিযায়ী শ্রমিক প্রসঙ্গে —

বাংলাভাষী মানুষ ভিন রাজ্যে গিয়ে সমস্যায় পড়লে তা নিয়ে অনেক বড় ইস্যু তৈরি করা হয়। কিন্তু আয়ুষ্মান ভারত-সহ কেন্দ্রীয় প্রকল্প বাংলায় চালু হলে মানুষকে যেতে হতো না রাজ্য ছেড়ে। ফের কেন্দ্রীয় প্রকল্প নিয়ে রাজ্য সরকারকে আক্রমণ নির্মলার। ভিনরাজ্যে বাংলাভাষীদের হেনস্থা কি কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে মেটানো সম্ভব?

পুনেতে বাঙালি শ্রমিক হত্যা সম্বন্ধে —

পুনেতে খুন পুরুলিয়ার সুখেন মাহাতো। তৃণমূলের দাবি বাংলা ভাষায় কথা বলাতে খুন ,আসরে অভিষেক। অন্যদিকে পুনে পুলিশের বক্তব্য খুন কারণ কোনো সম্প্রদায় নয়। ভাতা-র বদলে রাজ্যে কাজ থাকলে এই সমস্যা সমাধান সহজ হতো না?  নাকি শুধু রাজনৈতিক কারণে পরিযায়ী ইস্যু বাঁচিয়ে রাখতে চাইছে শাসকদল?

রাজ্যে জোট প্রসঙ্গে —

জোটের জোট আটকে আসন সমঝোতায়? বেশি আসনে লড়াইয়ের দাবি পূর্ব শরিক ISF এর, ISFকে সেই সংখ্যক আসন দিতে চাইছেনা বামেরা। এতো দীর্ঘমেয়াদি জোট প্রক্রিয়ার যদি সত্যিই কোনো ফলাফল আসেও, তাতে কি আদেও কোনো লাভ হবে?

 

Loading

হুমায়ুন কবিরের ‘বাবরি যাত্রা’ ঘিরে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে

হুমায়ুন কবিরের ‘বাবরি যাত্রা’ ঘিরে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে

ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক ইস্যুকে সামনে রেখে রাজ্যজুড়ে কর্মসূচি, বিরোধীদের কটাক্ষ—রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি]  রেজিনগর, মুর্শিদাবাদ, ১২/০২/২০২৬ : রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে হুমায়ুন কবিরের ঘোষিত ‘বাবরি যাত্রা’। ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ইস্যুকে সামনে রেখে এই যাত্রার সূচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সমর্থকদের দাবি, এটি একটি সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকারের অংশ, যার উদ্দেশ্য ইতিহাস ও ন্যায়বিচারের প্রশ্নকে জনসমক্ষে তুলে ধরা।

যাত্রা শুরুর পর থেকেই বিভিন্ন জেলায় সমর্থকদের জমায়েত লক্ষ্য করা গেছে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শান্তিপূর্ণভাবে এই কর্মসূচি পালিত হবে এবং কোথাও যেন আইনশৃঙ্খলার অবনতি না ঘটে, সে বিষয়ে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। প্রশাসনের তরফেও পরিস্থিতির উপর কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে, বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি এই ‘বাবরি যাত্রা’কে কটাক্ষ করে বলেছে, এটি সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাদের অভিযোগ, সংবেদনশীল একটি বিষয়কে সামনে এনে জনমত প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। যদিও হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, তাঁর এই উদ্যোগ কোনও বিভাজনের জন্য নয়, বরং ঐতিহাসিক সত্য ও সাংবিধানিক মূল্যবোধের পক্ষে জনসচেতনতা গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য।


Loading

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ লংঘন করছে রাজ্য সরকার : শুভেন্দু

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ লংঘন করছে রাজ্য সরকার : শুভেন্দু

“কমিশন চাইছে গ্রেড এ, রাজ্য সরকার পাঠাচ্ছে গ্রেড বি ও গ্রেড সি অফিসার”
 
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১০/০২/২০০২৯ :  কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের থেকে ‘গ্রেড এ’ ডাবলু বিসিএস  অফিসার চাইলেও রাজ্য সরকার গ্রেড বি এবং গ্রেড সি আধিকারিকদের নিয়োগ করতে চেয়েছিল বলে তৃণমূল সরকারকে বিঁধলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
 নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের কাজে রাজ্য সরকারের থেকে ২৯৪ জন আইএএস এবং ডাবলু বিসিএস অফিসার চেয়ে পাঠিয়েছিল। কিন্তু রাজ্য সরকার ২২৫ জনের নামের তালিকা পাঠিয়ে দিয়েছিল, তাও আবার তাঁরা প্রত্যেকেই গ্রেড বি এবং গ্রেড সি তালিকাভুক্ত ডব্লুবিসিএস আধিকারিক। এই অফিসারদেরকে ই আরও হিসেবে নিয়োগ করার কথা। কিন্তু নির্বাচন কমিশন ‘গ্রেড এ’ আই এ এস অথবা ডব্লুবিসিএস অফিসার চেয়েছিল, তাই সেই নির্দেশ রাজ্য সরকার লংঘন করেছে বলে অভিযোগ তুললেন শুভেন্দু অধিকারী।
বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “নির্বাচন কমিশন ই আর ও হিসেবে ‘গ্রেড এ’ অফিসারদেরকে চাইছে আর রাজ্য সরকার সেখানে ‘গ্রেড বি’ এবং ‘গ্রেড সি’ অফিসারদেরকে পাঠাতে চাইছে। এভাবেই নির্বাচন কমিশনের নির্দেশকে লংঘন করা হচ্ছে।”  এর আগে বিহার সরকার নির্বাচন কমিশনকে ১০০০ ডেটা অপারেটর দিয়েছিল, পশ্চিমবঙ্গ সরকার নির্বাচন কমিশনকে এত  সংখ্যক ডেটা অপারেটর দিতেই পারে নি।

Aaj Khabor Desk, Kolkata, West Bengal, 10/02/2026 : The Leader of the Opposition in West Bengal, Suvendu Adhikari, accused the Trinamool Congress-led state government of violating the Election Commission’s directives regarding officer deployment for election duties. He claimed that although the Election Commission had requested Grade ‘A’ IAS and WBCS officers, the state government attempted to appoint only Grade ‘B’ and Grade ‘C’ WBCS officers.

According to Adhikari, the Election Commission had sought 294 IAS and WBCS officers for election-related work. However, the state government submitted a list of only 225 officers, all of whom belonged to Grade ‘B’ and Grade ‘C’. These officers were proposed to be appointed as Electoral Registration Officers (EROs), despite the Commission’s explicit demand for Grade ‘A’ officers.

Suvendu Adhikari stated that this move amounted to a direct violation of the Election Commission’s instructions. He further pointed out that while the Bihar government provided 1,000 data operators to the Election Commission, the West Bengal government failed to supply a sufficient number of data operators for the same purpose.

Loading

তৃণমূলকাউন্সিলরের ফাঁসির দাবীতে উত্তাল ব্যারাকপুর

তৃণমূলকাউন্সিলরের ফাঁসির দাবীতে উত্তাল ব্যারাকপুর

“কালো কোট পড়া একদল লোক রবীন্দ্রনাথকে ঘিরে রেখেছিল, এরাই সংবাদ মাধ্যমের গায়ে হাত তুলেছে”

আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], ব্যারাকপুর, উত্তর ২৪ পরগণা , ০৯/০২/২০২৬ :   ব্যারাকপুরে বৃদ্ধকে লাথি মেরে খুনের ঘটনায় ধৃত তৃণমূল কাউন্সিলর রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য্যের ফাঁসির দাবীতে উত্তাল ব্যারাকপুর।

পাশের বাড়ি অবৈধভাবে নির্মাণ করছে বলে ব্যারাকপুরের একটি পরিবার আপত্তি জানিয়েছিল এবং সেই মর্মে পুরসভার চেয়ারম্যানকে চিঠি লিখেছিল। এরপর ঐ  অঞ্চলের কাউন্সিলর ঐ  পরিবারের ওপর চড়াও হয়ে গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঐ  পরিবারের সদস্যদের তিনি মারধর করেন এবং এক বৃদ্ধের (৮১) পেটে  লাথি মারেন। ঐ  বৃদ্ধের মৃত্যু হয়।

দাপুটে তৃণমূল নেতা ও কাউন্সিলর রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ তাঁকে ব্যারাকপুর আদালতে পেশকরা হয়। এই সময় বিজেপি নেতা অর্জুন সিংহের নেতৃত্বে বিজেপি কর্মীরা বিশাল মিছিল করে রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য্যের ফাঁসি চেয়ে ব্যারাকপুর আদালতের সামনে জমায়েত করতে যায়। সেই সময় পুলিশ তাঁদেরকে আটকায়। পুলিশের সাথে বিজেপি কর্মীদের চূড়ান্ত তর্কাতর্কি বেঁধে যায় এবং ধস্তাধস্তিও হয়। পুলিশ বিজেপি কর্মীদের আদালত চত্বরের সামনে ভীড় করতে দেয় নি।

প্রিজন ভ্যানে করে অভিযুক্ত তৃণমূলকাউন্সিলর রবীন্দ্রনাথকে আদালতে নিয়ে আসার সময় ব্যারাকপুর আদালত চত্বরে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। বিজেপি কর্মীরা ব্যাপক বিক্ষোভ দেখায়। স্লোগান দিতে থাকে। রবীন্দ্রনাথকে ঘিরে থাকে কালো কোট  পড়া একদল আইনজীবী। এরা অভিযুক্ত কাউন্সিলর রবীন্দ্রনাথের সমর্থনে  আদালতে দাঁড়াতে চান। এই সময় ঐ  আইনজীবীদের একাংশ উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে চরম দুর্ব্যবহার করতে শুরু করেন।  রীতিমত ধস্তাধস্তি করতে থাকেন সাংবাদিকদের সাথে।  এই ঘটনার সাথে সাথেই রবীন্দ্রনাথকে আদালতের ভিতরে নিয়ে যাওয়া হয়।


 

Loading

বিজেপিকে এই রাজ্যে ক্ষমতায় আনা দরকার : শুভেন্দু

bjp-news-shubhendu-adhikari

প্রধানমন্ত্রী ৬ মাসে ৬বার এসেছেন এই রাজ্যে 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], বীরভূম,পশ্চিমবঙ্গ :  ০৯/০২/২০২৬ :   বীরভূমে বেশ কিছু রেল প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে তুলোধোনা করলেন রাজ্যের বিরোধী নেতা শুভেন্দু  অধিকারী।

সাংবাদিকদের শুভেন্দু বলেন, “প্রধানমন্ত্রী গত ছয় মাসে ছ’বার  এসেছেন এই রাজ্যে। তিনি বেশ কিছু প্রকল্প নিয়ে এসেছেন, বেশ কিছু প্রকল্পের শিলান্যাস করে গিয়েছেন।  সেই সব প্রকল্পে উপকৃত হবেন বাংলার মানুষ। কিন্তু এই রাজ্যে রেল প্রকল্পগুলি সম্পন্ন হতে গেলে জমির দরকার হয়, সেই জমি দিতে চাইছে না রাজ্য সরকার। আর এই কারণেই এই রাজ্যে পরিবর্তন হওয়াটা খুবই প্রয়োজন। এই রাজ্যে বিজেপি শাসিত সরকার এলে প্রকল্পগুলি দ্রুত রূপায়ন করা যাবে। এবং সেগুলি থেকে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন। ”

শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, “এই রাজ্যে আগামী এপ্রিল মাসেই সাধারণ নির্বাচন হতে চলেছে। সেই নির্বাচনে এবার পরিবর্তন দরকার। বিজেপিকে ক্ষমতায় নিয়ে আসা দরকার।  বিজেপি এই রাজ্যে ক্ষমতায় এলে শুধু রেলই  নয়, রূপায়িত হবে অন্যান্য থেমে  থাকা  প্রকল্পগুলিও. বিজেপিকে ক্ষমতায় আনা উচিত। একমাত্র ভারতীয় জনতা পার্টি  এই রাজ্যে ক্ষমতায় এলেই এই রাজ্যের সার্বিক উন্নয়ন হওয়া  সম্ভব হবে।”

Aaj Khabor Desk, Birbhum, West Bengal, 09/02/2026 : Leader of the Opposition in West Bengal, Suvendu Adhikari, strongly criticised the Trinamool Congress while attending the inauguration of several railway projects in Birbhum. He alleged that railway projects in the state are being delayed because the state government is refusing to provide land. Adhikari said that the Prime Minister has visited West Bengal multiple times in the last six months and laid foundation stones for several development projects, which would benefit the people of the state. However, due to lack of cooperation from the state government, these projects remain incomplete. Referring to the upcoming general elections, he stressed the need for political change, claiming that if the BJP comes to power, not only railway projects but other stalled development works will be implemented swiftly, leading to overall development of the state.

Loading

ছোটখাটো ভুল ধরে বিজেপি নাম বাদ দিতে চাইছে : তৃণমূল

ছোটখাটো ভুল ধরে বিজেপি নাম বাদ দিতে চাইছে : তৃণমূল

“ভোটারের নাম বাদ  দিয়েই বিজেপি বাংলা দখল করতে চাইছে” 
 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি],  মানিকচক,মালদা, ০৫/০২/২০২৬ : বিজেপি বাংলার ভোটারদের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চাইছে। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির নামে ছোটো ছোটো ভুল দেখিয়ে ভোটারদের নাম ভোটার লিস্ট থেকে বাদ দিয়ে বাংলা দখল করতে চাইছে বিজেপি, অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের।

বৃহস্পতিবার তৃণমূলের রাজ্যসভার চিফ হুইপ নাদিমূল হকের সঙ্গে মালদার মানিকচক বিধানসভা এলাকায় এস.আই আর পর্বে দলের সাংগঠনিক কর্মকান্ড খতিয়ে দেখতে গিয়ে কার্যত এমনটাই অভিযোগ তুলে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একযোগে আক্রমণ শানালেন মালদা জেলা তৃণমূলের মুখপাত্র আশিস কুন্ডু।
উল্লেখ্য, তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে গত মঙ্গলবার এসআইআর পর্বে দলের সাংগঠনিক কর্মকান্ড খতিয়ে দেখতে মালদায় আসেন তৃণমূলের রাজ্যসভার চিফ হুইপ নাদিমূল হক। তিনি মালদায় এসে জেলা তৃণমূলের মুখপাত্র আশিস কুন্ডু, জেলা তৃণমূলের বি.এল.এ-২ মোয়াজ্জেম হোসেন সহ অন্যান্যদের নিয়ে প্রথমদিন সুজাপুর বিধানসভা, দ্বিতীয় দিন মোথাবাড়ি বিধানসভার কাজকর্ম খতিয়ে দেখেন।
এরপর বৃহস্পতিবার তৃতীয় দিনে মানিকচক বিধানসভা এলাকায় যান। প্রথমেই তিনি সেখানকার দলের বি.এল.এ-২ সহ অন্যান্য নেতৃত্বদের সঙ্গে তৃণমূলের ভোট রক্ষা শিবিরে সাংগঠনিক সভা করেন। সভায় দলীয় নেতৃত্বের কাছে এসআইআর পর্বের কাজকর্ম ঠিকঠাক চলছে কিনা সেই ব্যাপারে প্রয়োজনীয় খোঁজ খবর নেন। বিভিন্ন সমস্যা ও অভাব-অভিযোগের কথা শোনেন। পরে সেই সমস্ত অভিযোগ নিয়ে মানিকচকের বিডিও-র দ্বারস্থ হন।
বিডিওর কাছে এসআইআর হয়রানি বন্ধ সহ একাধিক দাবী-দাওয়া তুলে ধরেন। পরে জেলা তৃণমূলের মুখপাত্র আশিস কুন্ডু সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অভিযোগ করে বলেন, “বিজেপি বাংলার ভোটারদের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চাইছে। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির নামে ছোটো ছোটো ভুল দেখিয়ে ভোটারদের নাম ভোটার লিস্ট থেকে বাদ দিয়ে বাংলা দখল করতে চাইছে বিজেপি। যার বিরুদ্ধে তৃণমূল ধারাবাহিকভাবে লড়াই আন্দোলন করছে। তাদের উদ্দেশ্য একটাই, একজনও বৈধ ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিতে দেওয়া হবে না।”

Loading

গুণ্ডারাজ চলছে, সরকার বা পুলিশ কারোর হাতে নিয়ন্ত্রণ নেই : দিলীপ

গুণ্ডারাজ চলছে, সরকার বা পুলিশ কারোর হাতে নিয়ন্ত্রণ নেই : দিলীপ

পুলিশের যোগসাজস থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন দিলীপ ঘোষ 

 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০২/০২/২০২৬ :  গতকাল কলকাতার গোলপার্ক এলাকায় যে হিংসার ঘটনা ঘটেছে, আজ তার তীব্র সমালোচনা করেছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ।

আজ একটি সাক্ষাৎকারে বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, ” সমগ্র রাজ্যেই এখন গুন্ডা এবং মাফিয়ারা রাজত্ব চালাচ্ছে. প্রশাসনের হাতে আর লাগাম নেই। পুলিশও এই ঘটনায় যুক্ত থেকে থাকতে পারে।  পুলিশেরও কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।”
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দিলীপ ঘোষ বলেন, “রাজ্যের সর্বত্র এখন গুন্ডা, মাফিয়া এবং অপরাধীরা রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছে।  পুলিশও তাদের সাথে যোগসাজস করে রয়েছে। সরকারের কোনো রকম নিয়ন্ত্রণ নেই। যে যা খুশি তাই করছে।  দুষ্কৃতীরা নিজেদের মধ্যে জমি নিয়ে লড়াই করছে। ঘরবাড়ি ধ্বংস করে নিরীহ  মানুষদের হত্যা করছে। এই সব কিছুই মুখ্যমন্ত্রী  বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছে। যতক্ষণ এই সরকার থাকবে, ততক্ষন এইসব কার্যকলাপ বন্ধ হবে না।”
গতকাল সন্ধ্যেবেলায় দক্ষিণ কলকাতার গোলপার্ক এলাকায় একদল দুষ্কৃতী হামলা চালায়। তাদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র, বোমা ও ধারালো অস্ত্র ছিল।  এই ঘটনায় দক্ষিণ কলকাতার বিরাট একটি অংশে উত্তেজনা ছড়িয়ে গিয়েছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনার পর গতকাল সারা রাত্রে পুলিশ ঐ  অঞ্চলে তল্লাশি চালিয়েছে এবং মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
Aaj Khabor Desk, Kolkata, WEst Bengal, 02/02/2026 : BJP leader and former West Bengal state president Dilip Ghosh strongly criticised the state government following the violent incident in Kolkata’s Gariahat–Golpark area. In an interview, he alleged that goons and mafias are ruling across the state and claimed the administration has lost control, accusing the police of possible involvement and collusion with criminals. Ghosh said land disputes among criminals have led to violence, destruction of homes, and deaths of innocent people, all beyond the Chief Minister’s control. The incident occurred on Sunday evening when armed miscreants attacked the Golpark area using firearms, bombs, and sharp weapons, creating widespread tension. Police conducted overnight searches and arrested ten people in connection with the violence.

Loading

শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে আনন্দপুর মৃত্যুপুরী অভিমুখে বিজেপি

আনন্দপুর অগ্নিকান্ড মৃত্যুপুরী অভিমুখে বিজেপি

এলাকায় জারি রয়েছে ১৬৩ ধারা (যা আগে ছিল ১৪৪ ধারা)

 আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], আনন্দপুর, কলকাতা, ২৯/০১/২০২৬ : আনন্দপুরের নাজিরাবাদের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর ঘটনাস্থলে আজ যাবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপি এর ২০ জন সদস্য।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পর নরেন্দ্রপুর থানার দিকে প্রতিবাদ মিছিল কর্মসূচি রয়েছে বিজেপির। অন্যদিকে কড়া পদক্ষেপ প্রশাসনের। আগুনের ঘটনার তদন্ত ও উদ্ধারকাজে কোনও রকম বিঘ্ন এড়াতে এবং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে নাজিরাবাদ এলাকায় ১৬৩ ধারা ( আগে যা ১৪৪ ধারা ছিল) জারি করেছে বারুইপুর মহকুমা প্রশাসন।

নাজিরাবাদ অগ্নিকাণ্ডে মৃত বেড়ে ২১। দেহাংশ উদ্ধারের কাজ চলছে এখনো। ২৬ শে জানুয়ারির ভোর রাত ৩ টের সময় আগুন লাগার ঘটনার ৩-৪ দিন পরেও চলছে নিখোঁজদের খোজ। পুলিশ সূত্র অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ এর সংখ্যা ২৭।  বারুইপুর হাসপাতালে নিখোঁজ পরিবারের পরিজনদের DNA পরীক্ষা করে মিলিয়ে দেখা হবে জতুগৃহ থেকে উদ্ধার হওয়া দেহাংশের ডিএনএর সঙ্গে।

Aaj Khabor, Desk, Anandapur, Kolkata, 29/01/2026 : Following the devastating fire at Nazirabad in Anandapur, Kolkata, a 20-member BJP delegation led by Leader of the Opposition Suvendu Adhikari is set to visit the site. After the inspection, the BJP has planned a protest march towards Narendrapur police station. Meanwhile, the administration has taken strict measures to maintain law and order, imposing Section 163 (earlier Section 144) in the Nazirabad area to ensure smooth investigation and rescue operations. The death toll in the fire has risen to 21, while recovery of body parts is still ongoing. The fire broke out around 3 a.m. on January 26, and even after several days, 27 people remain missing. DNA tests of relatives are being conducted at Baruipur Hospital to identify recovered remains.


 

Loading

মমতার মন্তব্যে চটেছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ

'মমতা ব্যানার্জির মন্তব্য দুর্ভাগ্যজনক'

‘মমতা ব্যানার্জির মন্তব্য দুর্ভাগ্যজনক’ 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], মুম্বাই, মহারাষ্ট্র, ২৮/০১/২০২৬ :  এনসিপি প্রধান অজিত পাওয়ারের বিমান দুর্ঘটনা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে মন্তব্য করেছেন, তাকে তীব্র নিন্দা করেছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপধ্যায়ের আজ দিল্লী রওনা হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু এনসিপি প্রধান অজিত পাওয়ারের আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় তিনি আজ দিল্লী যাওয়া বাতিল করেছেন। সম্ভবত তিনি আগামীকাল দিল্লী চলে যাবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ অজিত পাওয়ারের অকাল মৃত্যু সম্বন্ধে বলেছেন, “মহারাষ্ট্রের উপ মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের মৃত্যুর খবর দেখে আমি শোকাহত এবং স্তব্ধ। তাঁর পরিবার এবং শারদ পাওয়ারজিকে আমি সমবেদনা জানাই।  এই দুর্ঘটনায় আমি দুর্নীতির ছায়া দেখতে পাচ্ছি। আমাদের দেশে কেউই সুরক্ষিত নয়.  রাজনীতিবিদরাও নয়। এই বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত হওয়া উচিত সুপ্রিম কোর্টের তত্বাবধানে। অন্য কোনো এজেন্সির দ্বারা নয়, কারন অন্যান্য এজেন্সিগুলি বিক্রি হয়ে গিয়েছে।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যে ব্যাপক চটেছেন মহারাষ্ট্রের মানুষ। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী  দেবেন্দ্র ফড়নবীশ  বলেছেন, “মমতা ব্যানার্জির মন্তব্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। শারদজী নিজেই বলেছেন, একটা দুর্ঘটনা ঘটেছে, তাতে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে, এই ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয়। কিন্তু মমতা ব্যানার্জির মন্তব্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। আমি দুঃখিত যে আমরা এমন এক জায়গায় পৌঁছেছি, যেখানে ঘৃণ্য ও নিম্ন মানের রাজনীতি করতেও ছেড়ে দিচ্ছি না। মমতা দিদি এতটা নিম্ন মানের রাজনীতি করবেন সেটা ভাবতে পারি নি। এভাবে রাজনীতি করা মানে আমাদের প্রিয় নেতাকে অসম্মান করা।”

Aaj Khabor Desk, 28/01/2026 : Maharashtra Chief Minister Devendra Fadnavis strongly criticised West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee over her remarks on the reported plane crash death of NCP chief and Deputy Chief Minister Ajit Pawar. Mamata Banerjee cancelled her Delhi visit and expressed shock over Pawar’s death, offering condolences to his family and Sharad Pawar. However, she also alleged a “shadow of corruption” behind the incident and demanded a Supreme Court-monitored investigation, questioning the credibility of other agencies. Her comments sparked widespread anger in Maharashtra. Reacting sharply, Fadnavis termed her statement unfortunate and accused her of indulging in low-level politics over a tragic accident, saying such remarks disrespected a respected leader.

Loading

মালদায় বিরোধী শিবিরে ভাঙ্গন, খগেন মুর্মুর স্ত্রী সহ অনেকের যোগ তৃণমূলে

মালদায়-তৃণমূলে-যোগদান

“মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের জোয়ার এবং জনমুখী কাজ দেখে আমি গভীরভাবে অনুপ্রাণিত”

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] মোথাবাড়ি, মালদা, ২৮/০১/২০২৬ : আজ মালদা জেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে  তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন প্রচুর মানুষ। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া এই মানুষদের হাতে ঘাসফুলের পতাকা তুলে দেওয়া হয়।

মালদার মোথাবাড়ি বিধানসভা এলাকায় বিরোধী শিবিরে বড়সড় ভাঙন ধরাল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপি ও কংগ্রেস ছেড়ে একাধিক নেতা-কর্মী যোগ দিলেন তৃণমূলে। শুক্রবার মোথাবাড়ি বিধানসভার রাজনগর অঞ্চলের অঞ্চল সভাপতি মহম্মদ টুমিন শেখ, রাজনগর অঞ্চলের বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যা শোভা মন্ডল, তাঁর স্বামী নিবারণ মন্ডল-সহ আরও বেশ কয়েকজন সমর্থক আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন।

খগেন মুর্মুর স্ত্রী যোগ দিলেন তৃণমূলে

এদিন তাঁরা মোথাবাড়ি বিধানসভা তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ে এসে হাতে তৃণমূলের দলীয় পতাকা তুলে নেন। নবাগতদের হাতে পতাকা তুলে দিয়ে দলে স্বাগত জানান মোথাবাড়ির তৃণমূল বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। এই যোগদান ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

যোগদানের পর রাজনগর অঞ্চল কংগ্রেসের সভাপতি টুমিন শেখ বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের জোয়ার এবং জনমুখী কাজ দেখে আমি গভীরভাবে অনুপ্রাণিত। মানুষের স্বার্থে কাজ করতেই আজ কংগ্রেস ছেড়ে মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের হাত ধরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলাম।” একইসঙ্গে তিনি জানান, রাজনগর অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে থেকে কাজ করতে চান।

মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস মানুষের দল। যারা উন্নয়ন ও শান্তির রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন, তাঁরা আজ দলে যোগ দিচ্ছেন। আগামী দিনে মোথাবাড়ি বিধানসভা এলাকায় আরও শক্তিশালী হবে তৃণমূল।”

বুধবার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন বিজেপির মালদা উত্তরের সাংসদ খগেন মুর্মুর স্ত্রী অরুণা মার্ডি। রাজ্যের দুই মন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও বীরবাহা হাঁসদার কাছ থেকে তৃণমূলের দলীয় পতাকা হাতে তুলে নেন তিনি। দলে যোগ দিয়ে অরুণা মার্ডি জানান, ‘তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাজে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজ্যের শাসকদলে নাম লেখালেন।  তপশিলি জাতি ও উপজাতি মানুষের স্বার্থে কাজ করা তাঁর লক্ষ্য।’

Aaj Khabor Desk, Malda, 28/01/2026 :  Several leaders and supporters from different political parties joined the Trinamool Congress (TMC) in Malda district on January 28, 2026, causing a major political stir. In the Mothabari Assembly constituency, leaders and workers from the BJP and Congress formally joined TMC at the party office, where they were welcomed by local MLA and state minister Sabina Yasmin. New entrants cited Chief Minister Mamata Banerjee’s development-oriented and people-centric governance as their motivation. Sabina Yasmin stated that TMC continues to attract those who believe in development and peaceful politics. Earlier, Aruna Mardi, wife of BJP MP Khagen Murmu, also joined TMC, expressing her desire to work for Scheduled Caste and tribal communities.

Loading

congtogel

slot gacor

link slot gacor

slot

hartacuan

slot

slot gacor

slot gacor

slot gacor

situs slot toto

playaja

hartacuan

slot gacor

situs slot gacor

link slot online

slot gacor

link slot gacor

slot bet 200

slot dana

slot online

slot gacor

slot777

slot deposit pulsa

situs gacor resmi

link slot gacor

slot gacor

slot gacor

slot toto

link slot

slot

slot

situs slot

slot gacor

login congtogel

situs togel

togel online

slot wdyuk

congtogel

bandar togel

hartacuan

congtogel

slot gacor

slot gacor

slot gacor

londonslot link alternatif

slot gacor

wdyuk

togel online

togel online

situs toto

indosloto

situs toto

watitoto

congtogel

congtogel

danatoto

slot gacor