Aaj Khabor

স্বামীকে ঘরবন্দী করে মহিলাকে মার মাটি মাফিয়াদের

সীমানাহীন অন্যায়, মালদহের ঘটনা। জোর করে জমির দখল নিতে বাধাপিয়ে প্রচন্ড মারধর দুই পরিবারকে। দর্শক পুলিশ।

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কালিয়াচক, মালদা,  ১৪/০৬/২০২৫ : নিজস্ব সংবাদদাতা :  স্বামীকে ঘরবন্দি করে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধোর। ভাঙচুর করা হল বাড়ি ঘর,লুঠ নগদ টাকা এবং সোনা। 

মালদার কালিয়াচকে প্রকাশ্য দিবালোকে থানা থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে মাটি মাফিয়াদের এই দৌরাত্ম্যে এখন ঘরছাড়া দুটি পরিবার। পুলিশের উপর আস্থা হারিয়ে মালদা জেলা আদালতের দ্বারস্থ আক্রান্ত দুই পরিবার। মালদার কালিয়াচক থানার মাস্টারপাড়া এলাকার ঘটনা।

জানা গেছে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দা পেশায় মুদি ব্যবসায়ী নাজিমুল ইসলাম তার দূর সম্পর্কের তিনজন ভাই মিলে ২০১৯ সালে মাস্টার পাড়া এলাকায় ৮ কাঠা জায়গা কিনেছিল। কিন্তু এখন সেই জায়গার দখল নিতে চাইছে স্থানীয় জমি মাফিয়া আলিম শেখ, নাসিম শেখ, ফারুক শেখ সহ বেশ কয়েকজন। এরই প্রতিবাদ করেছিলেন ওই মুদি ব্যাবসায়ী। 

প্রতিবাদ করায় এই সমস্ত মাটি মাফিয়া দুষ্কৃতীরা সেই জায়গায় হামলা চালায়। সেই জায়গায় থাকা এক ভাড়াটিয়াকে বেধড়ক মারধর করা হয়। ভাড়াটিয়ার স্বামীকে ঘর বন্দী করে তার স্ত্রীকে মারধর করে দুষ্কৃতীরা। সেই সঙ্গে তাদেরকেও মারধর করা হয়। প্রাণভয়ে এখন ঘর ছাড়া তারা। প্রাণনাশের আতঙ্কে নিজের দোকানেও যেতে পারছেন না এই ব্যবসায়ী। 

এই অবস্থায় কালিয়াচক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। কিন্তু পুলিশ কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় অবশেষে মালদা জেলা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন আক্রান্ত ওই ভাড়াটিয়া এবং জমির মালিক। তবে যদিও এই ঘটনায় কালিয়াচক থানার পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। 

এদিকে নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনীতি। বিজেপির অভিযোগ তৃণমূলের ছত্রছায়ায় এই সমস্ত মাটি মাফিয়ারা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। জানে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেবে না।

পাল্টা বিজেপিকে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। 


Loading

শুভাংশুরা ফের মহাকাশে যাত্রা করবেন আগামী ১৯ তারিখ 

দু’বার বাতিল হয়ে গেলেও সব বাধা সরিয়ে ফের একবার মহাকাশের পথে পাড়ি দিতে চলেছেন শুভাংশুরা। তাঁদের সাফল্য কামনায় ভারতবর্ষ।

আজ খবর (বাংলা) [দেশ] নতুন দিল্লী, ভারত, ১৪/০৬/২০২৫ : ভারতীয় নভোশ্চর শুভাংশু শুক্লাদের মহাকাশ অভিযানের দিন ফের একবার নির্ধারিত করা হয়েছে। আগামী ১৯শে জুন শুভাংশুরা মহাকাশের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। 

পরপর দু’বার বাতিল হয়েছে শুভাংশুদের মহাকাশ যাত্রা। প্রথমবার তাঁদের যাত্রা বাতিল করা হয়েছিল খারাপ আবহাওয়ার জন্যে। মহাকাশযান উৎককেপং করে যায় নি।  দ্বিতীয়বার তাঁদের অভিযান আটকে গিয়েছিল মহাকাশযানে যান্ত্রিক ত্রুটির জন্যে। তবে সেই সব যান্ত্রিক ত্রুটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে , এবং  সমস্ত সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। একটি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে জানানো হয়েছে মহাকাশযানটি এখন সব দিক থেকেই ত্রুটিমুক্ত হয়েছে। 

শুভাংশুদের এক্সিওম অভিযান হবে আগামী ১৯ তারিখ। সেই দিন চার নভোশ্চরকে নিয়ে উড়ে যাবে মহাকাশযান। তাঁরা  পৌঁছে যাবেন মহাকাশে থাকা  স্পেস স্টেশনে।  সেখানে কিছুদিন গবেষণার কাজ করে ফের পৃথিবীতে ফিরে আসবেন তাঁরা। শুভাংশু শুক্লাদের অভিযানের সর্বোতভাবে সাফল্য কামনা করছে ভারতবাসী। 


Loading

বাংলাদেশে রবীন্দ্রনাথের কাছারিবাড়িতে হামলার ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে

সিরাজগঞ্জে ঠাকুর পরিবারের কাছারিবাড়িতে হামলার ঘটনার নেপথ্য কারণ কি ? বাংলাদেশ পুলিশ কি বলছে ?

আজ খবর (বাংলা) [আন্তর্জাতিক,] ঢাকা,বাংলাদেশ,১৩/০৬/২০২৫ : নিজস্ব সংবাদদাতা : বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জে কবিগুরু র্বান্দ্রনাথঠাকুরের কাছারিবাড়িতে হামলার ঘটনায় মোট পাঁচজন হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ।  বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়। 

বাংলাদেশের পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, “বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জের শাজাদপুরে অবস্থিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পারিবারিক কাছারিবাড়িটি একটি সংরক্ষিত স্মৃতি সৌধ।  এখানে প্রতি বছর হাজার হাজার দর্শনার্থী আসেন এই ভবনটিকে দর্শন করতে। গত ৮ই জুন, একজন দর্শনার্থী এবং ঐ  ভবনের এক কর্মাচারীর মধ্যে একটি ভুল বোঝাবুঝির জন্যে সংঘাত সৃষ্টি হয়। তারই ফলস্বরূপ কয়েকজন ঐ  ভবনে হামলা চালিয়েছিল। গোটা ঘটনার তদন্ত করে পুলিশ ঐ  ঘটনায় মোট পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।”

বাংলাদেশ পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় শাহনাওয়াজ নামে  এক ব্যক্তিকে ঐ  ভবনের প্রত্নতত্ব বিভাগের তত্বাবধায়ক হাবিবুর রহমান আটকে রেখেছিলেন এবং মারধর করেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ সেই ব্যাপারেও তদন্ত চালাচ্ছে।  ১০ই জুন কিছু মানুষ শাহনাওয়াজের পক্ষে মানব বন্ধন তৈরি করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে থাকেন এবং হাবিবুরের শাস্তির দাবী জানাতে থাকেন। 

বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে “রবীন্দ্র স্মৃতি সৌধ পুরোটাই অক্ষত আছে।  ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক উদ্দেশ্যে সেখানে কোনো ভাংচুরের ঘটনা ঘটে নি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সন্মান তেমনি আছে যেমনটা আগেও ছিল। তাঁকে অসম্মান বা অবমাননা করার মত কোনো ঘটনা ঘটে নি। বরং এটা  লক্ষণীয় যে এ বছর ২৫শে  বৈশাখ শিলাইদহ, কুষ্টিয়া, শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ ও নওগাঁয়  কবির ১৬৪ তম  জন্মবার্ষিকীযথেষ্ট জাঁকজমকের সাথে পালন করা হয়েছে।”


Loading

করিশ্মা কাপুরের প্রাক্তন স্বামী সঞ্জয় কাপুর প্রয়াত 

কার মৃত্যু কখন আসে কেউ তা জানে না. যে ব্যক্তি কিছুক্ষন আগেই অন্যের আত্মার শান্তি কামনা করছিলেন, সেই ব্যক্তির আত্মার শান্তির জন্যে এখন আর সবাইকে শান্তি কামনা করতে হচ্ছে। 

আজ খবর (বাংলা), [বিনোদন], মুম্বই , মহারাষ্ট্র, ১৩/০৬/২০২৫ :  প্রয়াত হলেন বলিউডের অভিনেত্রী করিশ্মা কাপুরের প্রাক্তন স্বামী সঞ্জয় কাপুর। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি আজ শেষ নিঃশ্বাস  ফেলেছেন বলে তাঁর পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে।

সঞ্জয় কাপুর ছিলে একজন সফল ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট। তিনি ছিলেন সোনা কম্পস্টারের চেয়ারম্যান। তাঁদের সংস্থা ইলেকট্রিক গাড়ির জটিল প্রযুক্তির অংশগুলি তৈরি করে। সাঁজপি ছিলেন অভিনেত্রী করিশ্মা কাপুরের স্বামী। তাঁদের একটি মেয়ে ও একটি ছেলে রয়েছে। ২০১৬ সালে সঞ্জয়ের সাথে করিশ্মার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। তারপর তিনি বিয়ে করেন রিচা সচদেবকে।

সঞ্জয় কাপুর বর্তমানে ইংল্যান্ডেই থাকছিলেন। সেখানেই পোলো খেলতে খেলতে তিনি একটি মৌমাছি খেয়ে ফেলেন, তারপরেই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন বলে জানানো হয়েছে তাঁর পরিবারের তরফ থেকে।  মৃত্যুর আগে তিনি আমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার জন্যে শোকাহত হয়ে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছিলেন। মৃতদের জন্যে প্রার্থনা করেছিলেন, আর এখন তাঁর জন্যেই অন্যান্যদেরকে প্রার্থনা করতে হচ্ছে। মৃত্যুকালে সঞ্জয় কাপুরের বয়স হয়েছিল ৫০ বছর।


Loading

একজনকে পাওয়া গেল জীবিত অবস্থায় 

কথায় বলে’রাখে হরি তো মারে কে ?’  ও যেন সেই ঘটনা। এতটা ভয়ঙ্কর বিমান দুর্ঘটনা সত্বেও প্রাণে বেঁচে গেলেন এক যাত্রী, তাকেহাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

আজ খবর (বাংলা), [দেশ], আহমেদাবাদ,  গুজরাট,, ১২/০৬/২০২৫ :  আজ দিন শুরু হতে না হতেই দুপুরবেলায় গুজরাটে মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনার খবর এসে পৌঁছেছে।  এই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে প্রায় সব বিমানযাত্রী, পাইলট ও কেবিন ত্রু -এর বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

‘প্রায়’ শব্দটি ব্যবহার করা হল, কারন ঐ  অভিশপ্ত বিমানের মধ্যে একজন ভাগ্যবান যাত্রীকে গুরুতরভাবে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। বিমান দুর্ঘটনার জেরে তিনি গুরুতরভাবে জখম হয়েছেন, সম্ভবত পুড়েও গিয়েছেন, তবে তাঁর দেহে এখনো প্রাণ রয়েছে। তিনি প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন।  তাঁকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে। 

আমেদাবাদ পুলিশ জানিয়েছে, “বিমানটি আহমেদাবাদ থেকে উড়ে গিয়ে একটি ডাক্তারদের হোস্টেলে ধাক্কা মেরেছিল।মৃতের সংখ্যা এখনই বলা সম্ভব হচ্ছে না। বিমানটি লোকালয়ে আছড়ে পড়ায়  মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।  গ্যাটউইক গামী বিমানটিতে মোট ২৪২ জন যাত্রী ছিলেন, তার মধ্যে ১৬৯ জন ভরতীয়, ৫৩ জন ব্রিটিশ, ৭ জন পর্তুগীজ এবং ১ জন কানাডিয়ান ছিলেন।”

আমেদাবাদ পুলিশ জানিয়েছে, “তদন্ত ও উদ্ধারকাজ চালানোর সময় ১ জনকে জীবিত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। তিনি ওই অভিশপ্ত বিমানের ১১এ আসনে বসেছিলেন।” তাঁর নাম রমেশ বিশ্বাসকুমার,. তিনি গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। একটি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে। 


Loading

গ্রামের মধ্যেই ১২ ফুটের পাইথন, চাঞ্চল্য 

অরণ্যের মধ্যে খাদ্য সংকট, তাই বন থেকে বাইরে বেরিয়ে আসতে হচ্ছে পশুদের। ধরা পড়ল ১২ ফুট লম্বা বিশালাকার পাইথন 

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], বানারহাট,জলপাইগুড়ি, ১২/০৬/২০২৫ :  লোকালয়ের থেকে উদ্ধার বিশাল আকৃতির পাইথন” ঘটনায় চাঞ্চল্য বানারহাটে।

বুধবার রাতেই বানারহাট ব্লকের মধ্য শালবাড়ি এলাকার বেরুবাগ নদীতে স্থানীয় বাসিন্দারা দেখতে পায় একটি বিশাল আকৃতির পাইথন। সেই সময় স্থানীয় বাসিন্দারা ১২ ফুট দৈর্ঘ্যের পাইথনটিকে উদ্ধার করে, বেঁধে রাখে প্রাথমিক স্কুলের মাঠে। এদিকে পাইথনের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেই একের পর এক ভিড় জমান এ লেখার বাসিন্দারা, পরবর্তীতে খবর দেওয়া হয় মরারঘাট রেঞ্জের খট্টিমারি বিটের বন কর্মীদের বন কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে ১২ ফুট দৈর্ঘ্যের পাইথনটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। তবে বনদপ্তর  সূত্রে খবর পাইথনটিকে পর্যবেক্ষণের পর মরার ঘাট রেঞ্জের জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হবে। 

তবে ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি,  এর আগেও একাধিকবার ওই এলাকা থেকে পাইথন উদ্ধার হয়েছে,  বিভিন্ন সময় গবাদি পশু হাঁস-মুরগি সাবার করছে। তার জেরে আতঙ্কিত রয়েছে এলাকার মানুষরা। তাদের আশঙ্কা গ্রামের পাশেই রয়েছে খট্টিমারি জঙ্গল। সেই জঙ্গল থেকেই খাদ্যের লোভে গ্রামে চলে আসছে পাইথন।


Loading

মহম্মদ ইউনূসের সাথে দেখাই করলেন না ইউকে প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার 

ইউকে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতের কথা থাকলেও মহম্মদ ইউনুসকে ফিরতে হল খালি হাতেই। দেখায় করলেন না স্টারমার।

আজ খবর (বাংলা)  [আন্তর্জাতিক] ঢাকা, বাংলাদেশ, ১২/০৬/২০২৫ :  বাংলাদেশের তদারকি সরকারের উপদেষ্টা  মহম্মদ ইউনূসের সাথে দেখাই করলেন না ইউকের  প্রধানমন্ত্রী কায়ার স্টারমার। পূর্ব নির্ধারিত বৈঠকও বাতিলকরে দেওয়া হল। 

চলতি মাসের ১০ থেকে ১৩ তারিখ পর্যন্ত ইংল্যান্ডে সফর করছেন বাংলাদেশের তদারকি সরকারের উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস। এই সফরের মাঝে তিনি চেয়েছিলেন ইউকের প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমারের সাথে একটা সাক্ষাৎ করে নেবেন। সেই অনুযায়ী তাঁর সরকারের তরফ থেকেআবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু সেই আবেদন পত্রপাঠ খারিজ করে দিলেন ইউকে প্রধানমন্ত্রী। তিনি দেখাই  করতে চাইলেন না মহম্মদ ইউনূসের সাথে।  ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাতের আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ করেন ইংল্যান্ডে থাকা এক বাংলাদেশী কূটনীতিক। অবশ্য এই বৈঠককে পূর্ব নির্ধারিত হিসেবে দেখতে চেয়েছে বাংলাদেশ।

এদিকে মহম্মদ ইউনুস ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করতে যাবেন এমন খবর পেয়ে ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে চিঠি দিয়েছিল আওয়ামী লীগ। স্টারমারের ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশের স্বঘোষিত তদারক মহম্মদ ইউনূসের সাক্ষাতের ব্যাপারে নিজেদের উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল আওয়ামী লীগ। তারা ইংরেজ সরকারকে সতর্ক করে লিখেছিল, “এই ধরনের সাক্ষাৎ কোনো অনির্বাচিত ও অসাংবিধানিক প্রশাসনকে বৈধতা প্রদান করে।” আওয়ামী লীগের এই চিঠি পেয়েই মহম্মদ ইউনূসের সাথে বৈঠক বাতিল করে দেওয়া হয়। 


Loading

আদালতে তোলার সময় সজোরে থাপ্পড় খেল শ্বেতা খান 

তার নির্দেশে সেক্স চক্রে যোগ না দেওয়ায় পাঁচ মাস ধরে অকথ্য অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছিল এক তরুণীকে. এবার আদালতে তোলার সময় ঠাস করে থাপ্পড় খেতে হল মক্ষীরানী শ্বেতা খানকে।

শ্বেতা খান

আজ খবর (বাংলা),  [রাজ্য] হাওড়া,পশ্চিমবঙ্গ, ১২/০৬/২০২৫ : শ্বেতা খানকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় থাপ্পড় মারলেন যুব তৃণমূল নেত্রী।  যদি থাপ্পড় মেরে ঘটনাস্থল থেকে চলে যান ঐ মহিলা। 

শ্বেতা খানকে বৃহস্পতিবার দুপুরে হাওড়া আদালতে পেশ করে পুলিশ। যখন পুলিশের  গাড়ি থেকে নামিয়ে শ্বেতা খানকে আদালতে পেশ করা হচ্ছিল,  সেই সময় তৃণমূলের এক যুবনেত্রী তাকে থাপ্পড় মারেন। ধৃত শ্বেতা খানকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল। বিক্ষোভ সামলাতেই রীতিমতো হিমশিম খেয়ে যায় হাওড়া পুলিশ। এরপর এক প্রকার টানতে টানতে শ্বেতা খানকে আদালতের এজলাসে নিয়ে যায় পুলিশ। 

প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যেতে পারে,আলিপুরের গোপন আস্তানা থেকে বুধবার রাতে গ্রেফতার  হন শ্বেতা খান ওরফে ফুলটুসি বেগম।  সোদপুরে তরুণীকে নির্যাতনের ঘটনায় এবার গ্রেফতার হন শ্বেতা খান ওরফে ফুলটুসি বেগম। আলিপুরের একটি গোপন আস্তানা থেকে বুধবার সন্ধ্যায় তাকে গ্রেফতার করে হাওড়া পুলিশ। এর আগে বুধবার সকালে আলিপুরের একটি ফ্ল্যাট থেকে গ্রেফতার হয় ফুলটুসি বেগমের ছেলে আরিয়ান খান। 

আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় শ্বেতা খান বার বার সাংবাদিকদের বলতে থাকে যে,গুড্ডু খান নাম একজন তাদেরকে ফাঁসিয়ে দিয়েছে। নির্যাতিতা মেয়েটিকে সেই নাকি হায়ার করে নিয়ে এসেছিল। ঘটনা আসলে কি, সেটা তদন্ত করে দেখার কাজ পুলিশের। 

এবার হাওড়া পুলিশ মুখোমুখি মা ও ছেলেকে বসিয়ে ওই সোদপুরের তরুণীকে শারীরিক অত্যাচারের ঘটনায় জেরা করবে বলে সূত্রের খবর। বৃহস্পতিবার শ্বেতা খান ওরফে ফুলটুসি বেগমকে হাওড়া আদালতে পেশ করে পুলিশ। এদিকে, সোদপুরে তরুণী নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্ত আরিয়ান খান গ্রেফতার হয়। বুধবার গল্ফগ্রীন এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। কলকাতা পুলিশের সাহায্য নিয়ে অবশেষে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। 

অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও  তথ্য হাতে পেতে চাইছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, আরিয়ান খান ও তার মা শ্বেতা খানের খোঁজে কয়েকদিন ধরেই তল্লাশি চালায় পুলিশ। কিন্তু কোনোভাবেই তাদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে মোবাইলের সূত্র ধরে আরিয়ানের হদিশ মেলে। তারপরেই তাকে কলকাতা পুলিশের সাহায্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার সকালেই আটক করা হয়েছিল আরিয়ানের দিদা তথা শ্বেতার মাকে। তাকেও আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। 

এই ঘটনায় আটক করা হয়েছে আরিয়ানের সহযোগী জোয়াকেও। তাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। আরিয়ানের খোঁজ মিললেও মা শ্বেতা ওরফে ফুলটুসির খোঁজ পাচ্ছিল না পুলিশ। ছেলে ও মাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ফুলটুসির খোঁজ পেতে মরিয়া ছিল পুলিশ। বড় প্রোডাকশন হাউসে কাজ দেওয়ার নাম করে তরুণীদের টোপ দেওয়া হত বলে অভিযোগ। তারপরে তাঁদের দিয়ে সেক্স র‍্যাকেট চালানোর প্রস্তাব দেওয়া হত। তেমনই সোদপুরে তরুণীকেও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। রাজি না হওয়ায় অকথ্য অত্যাচার চালানো হয়। বর্তমানে সাগর দত্ত হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি ওই তরুণী। তাঁর শরীরের অবস্থা খুব খারাপ বলে জানা গিয়েছে।

পুলিশের ধারণা ছিল কলকাতার বাইরে যান নি শ্বেতা খান। শহরের কোথাও গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে সে। ছেলে আরিয়ানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে অভিযুক্ত শ্বেতার খোঁজ পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল পুলিশ। অবশেষে খোঁজ মিলল বুধবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ কলকাতার আলিপুরে। সেখান থেকেই গ্রেফতার হন শ্বেতা খান। আর বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে পেশ করার সময় তৃণমূল যুবনেত্রীর সজোরে থাপ্পড় হজম করতে হল শ্বেতা খানকে। এদিকে আজ আদালত চত্বরে দাঁড়িয়ে বেশ কিছু লোক সাংবাদিকদের কাছে দাবি জানালেন যে শ্বেতা আদৌ তৃণমূলের কেউ নয়।  সে তৃণমূলের বদনাম করার চেষ্টা করেছে। 


Loading

গুজরাটে মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনা, সব যাত্রীর মৃত্যুর আশঙ্কা 

কিভাবে এতবড়ো দুর্ঘটনা ঘটে গেল ? দুর্ঘটনা ? নাকি অন্তর্ঘাত ? যদি ষঢ়যন্ত্র হয়, তাহলে কে আছে এর পিছনে ?  শত্রুদেশের চক্রান্ত নয় তো ?

আজ খবর (বাংলা), [দেশ] আহমেদাবাদ, গুজরাট,১২/০৬/২০২৫ :  মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, গুজরাটের আকাশে ভেঙে পড়ল একটি বিমান। মৃতের সংখ্যা ২০০র বেশি বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। 

আমেদাবাদ থেকে লন্ডনগামী (গ্যাটউইক) একটি এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান (এআই ১৭১) ২৪২ জন প্যাসেঞ্জারকে নিয়ে আহমেদাবাদ বিমানবন্দর থেকে উড়েছিল, কিন্তু উড়ানের পরেই সেই বিমানে আগুন লেগে যায় এবং সেই বিমানটি আমেদাবাদের কাছেই মেঘানি নগরে একটি নির্মীয়মান বহুতলের ওপর ভেঙে পরে.  গোটা বিমানটি দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে। বিমানের সব যাত্রী মারা গিয়েছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।  শুধু তাই নয়, যেহেতু বিমানটি একটি নির্মীয়মান বহুতলের ওপরে ভেঙে পড়েছে, তার ফলে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। 

এখনো পর্যন্ত ৫০ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে ঐ  বিমানটির ধ্বংস স্তুপ থেকে।  দমকলের বেশ কয়েকটি ইঞ্জিন ঐ  বিমানের আগুন নেভানোর জন্যে কাজ করে চলেছে।  ঐ  বিমানে যাত্রী হিসেবে ছিলেন বিজয় রুপাণী, যিনি পর পর দুবার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। দুর্ঘটনার খবর পেয়েই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উদ্ধারকাজে সব রকম সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। ঘটনাস্থলে দুজন মন্ত্রীকে পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীর সাথেও কথা বলে নিয়েছেন। যে কোনোরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি আটকাতে  আমেদাবাদ বিমানবন্দরে রয়েছে পুলিশের একটি বাহিনী। 

আহমেদাবাদ বিমানবন্দর থেকে ওরার কিছুক্ষনের মধ্যেই এআই ১৭১ বিমানটি ভযেজে পরে জনবহুল এলাকায়। বিমানটিতে ২৪২ জন যাত্রী ছাড়াও ছিলেন দুজন পাইলট এবং ১০ জন কেবিন ত্রু।  দুই পাইলট যথেষ্ট অভিজ্ঞ ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন আট হাজারের বেশি ঘন্টা এবং আর একজনের দেড় হাজারের বেশি ঘন্টা বিমান অভিজ্ঞতা ছিল. টেক অফের  পরেই পাইলটরা মে’ডে কল করেছিলেন বলে জানা যায়. সক্রিয় হয়েছিল এমার্জেন্সি প্রটোকল. ‘মে ডে’  হল বিমান উড়ানের ভাসায় আন্তর্জাতিক কোড,যাতে  বিমানটি বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে পড়েছে। মে ডে  মানে  মি. এক্ষেত্রে ঠিক কি হয়েছিল সেটা তদন্তে নিশ্চয়ই ধরা পড়বে। এটা  কি নিছক দুর্ঘটনা ? নাকি অন্তর্ঘাত ? সেটা জানা দরকার। 



Loading

গতকাল প্রবল গন্ডগোলের পর আজ থমথমে মহেশতলা, রয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী 

কেন বার বার ঘটছে এই সংঘাত ?  কেন পুলিশকে আক্রান্ত হতে হচ্ছে ? রাজ্যে কেন বার বার ঘটছে এই ঘটনা ? 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি]  কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১২/০৬/২০২৫ : মহেশতলায় ফের সংঘাত দেখা দিয়েছে। সরকারি জমির ওপর অবস্থিত কোনো একটি নির্মাণকে ঘিরে সেখানে অশান্তি তৈরি হয় বলে জানা যাচ্ছে।  গতকাল এই ঘটনা নিয়ে মহেশতলায় তুমুল গন্ডগোলের সৃষ্টি হয়েছিল. পুলিশকে এলাকায় লাঠি চার্জ করতে  হয়েছে, কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়তে হয়েছে।

কেউ বলছেন একটি দোকান ঘরকে নিয়ে অশান্তির সূত্রপাত,  কেউ বলছেন একটি মন্দির তথা একটি তুলসী মঞ্চকে নিয়ে অশান্তির সূত্রপাত হয়েছিল মহেশতলায়। অশান্তির আগুন হঠাৎ করেই দাউ দাউ করে জ্বলে উঠেছিল। ভাংচুর করা হয় বেশ কিছু দোকানে, দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকটি অটো  ও গাড়িতে। ইঁট  ও পাথর বৃষ্টি করা হয় পুলিশের দিকে। তাতে অবস্থা আরও ঘোরালো হয়।  পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে লাঠি চার্জ করতে হয়, কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটাতে হয়।  গ্রেপ্তার করা হয় অনেককে।

গতকাল মহেশতলায় তুলসীমঞ্চ ভেঙে দেওয়া হয়েছে এই অভিযোগে বিজেপি বিধায়করা বিধানসভায় তুলসী গাছ নিয়ে যান এবং বিক্ষোভ দেখান। আজ বিধানসভায় প্রবেশ করার মুখে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী গতকাল হিন্দুদের ওপর আক্রমণের তীব্র নিন্দা করেছেন। তিনি এই ঘটনার জন্যে হিন্দু বিরোধী আখ্যা দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে  দিয়েছেন।

প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীর অবশ্য বলেন, “গতকাল পুলিশ সঠিক ভূমিকাই  নিয়েছিল। গতকালের হামলায় পুলিশকেও মার খেতে হয়েছিল, তারপরেই পুলিশ মার্ দিয়েছিল।” পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ। তিনি বলেন, “বিজেপি নেতাদের উস্কানিতেই এই ধরনের ঘটনা ঘটছে।” 

বিজেপি নেতা অর্জুন সিং  বলেন, “এই ধরনের সংঘাত কিভাবে বুঝে নিতে হয় তা আমরা জানি। আমি আমার দলকে বলব কড়া  হাতে এইসব কিছুকে রুখে দিতে । আমাদের মহেশতলায় পৌঁছানো দরকার। আমরা পথে নেমে প্রতিবাদ করব।” 

রাজনৈতিক চাপানউতোর যাই  হোক না কেন, কিছু মানুষ এই ধরনের সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছে কেন ? এটা  কি শুধুই রাজনৈতিক সংঘাত ? সাম্প্রদায়িক সংঘাত ?  নাকি অন্য কিছু ? পুলিশের কাছে কি এতবড় ঘটনার  কোনো আগাম তথ্য ছিল না ?  গতকাল পুলিশকেও আক্রমন করা হয়েছিল, কিন্তু তা সত্বেও মাথা ঠান্ডা রেখে পুলিশ গোটা পরিস্থিতি সামলেছে।  সেক্ষেত্রে পুলিশের প্রশংসা প্রাপ্য।  কিন্তু এই ধরনের ঘটনা বার বার কেন ঘটে চলেছে ? কখনো মুর্শিদাবাদে, কখনো মহেশতলায় ? রাজ্য সরকারের এই বিষয়গুলি নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করা উচিত এবং সমাধানের পথ খোঁজা উচিত  বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক থেকে শুরু করে ৮ থেকে ৮০ জন সাধারণ।


Loading

congtogel

slot gacor

link slot gacor

slot

hartacuan

slot

slot gacor

slot gacor

slot gacor

situs slot toto

playaja

hartacuan

slot gacor

situs slot gacor

link slot online

slot gacor

link slot gacor

slot bet 200

slot dana

slot online

slot gacor

slot777

slot deposit pulsa

situs gacor resmi

link slot gacor

slot gacor

slot gacor

slot toto

link slot

slot

slot

situs slot

slot gacor

login congtogel

situs togel

togel online

slot wdyuk

congtogel

bandar togel

hartacuan

congtogel

slot gacor

slot gacor

slot gacor

londonslot link alternatif

slot gacor

wdyuk

togel online

togel online

situs toto

indosloto

situs toto

watitoto

congtogel

congtogel

danatoto

slot gacor