আজ খবর (বাংলা), [খেলা], মুম্বই , মহারাষ্ট্র, ১২/০৫/২০২৫ : রোহিত শর্মার পর এবার টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণ করলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি।
তাঁর অবসর নিয়ে জল্পনা চলছিলই, আজ টেস্ট খেলা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক তথা ভারতীয় দলের ভরসাযোগ্য ব্যাটার বিরাট কোহলি। সাদা পোশাকে ২২ গজের পিচে ব্যাট হাতে নামতে আর দেখতে পাওয়া যাবে না বিরাটকে। সোমবার ১৪ বছরের ক্রিকেট জীবনে অন্তত টেস্ট খেলায় ইতি টানলেন বিরাট। টেস্ট খেলা থেকে অবসরের কথা বিরাট আজ নিজেই এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন। তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বিসিসিআই।
৩৬ বছর বয়সী বিরাট কোহলি মোট ১২৩টি টেস্ট ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন দেশের হয়ে। তাঁর সংগ্রহে আছে মোট ৯২৩০ রান. এর মধ্যে রয়েছে ৩০টি সেঞ্চুরি আর ৩১টি অর্ধ সেঞ্চুরি। টেস্ট ক্রিকেটে তাঁর সেরা ইনিংসটিতে অপরাজিত থেকে মোট ২৫৪ রান তুলেছিলেন। শচীন তেন্ডুলকর, রাহুল দ্রাবিড় এবং সুনীল গাভাস্করের পর টেস্ট ক্রিকেটে বিরাট কোহলিই চতুর্থ সর্বোচ্য রানের অধিকারী।
টেস্ট ক্রিকেট থেকে তাঁর অবসরের পর বিরাট কোহলিকে তাঁর অসামান্য পারফর্মেন্সের জন্যে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে বিসিসিআই এবং আইসিসি।
আজ খবর (বাংলা) [বিনোদন], মুম্বই , মহারাষ্ট্র, ১২/০৫/২০২৫ : গতকাল ছিল বিশ্ব মাতৃ দিবস। গোটা দুনিয়ার পাশাপাশি বলিউডও স্মরণ করেছে মা’কে।
সুপারস্টার সলমন খান গতকাল তাঁর মাকে স্মরণ করতে গিয়ে বলেছেন, “বিশ্বের দুই অসাধারণ নারীকে আমি আমার মা হিসেবে পেয়েছি। একজন হলেন সালমা খান এবং অন্যজন হলেন হেলেন।” এই দুই নারীকে তিনি বিশ্বের সেরা মা বলে মনে করেন বলে এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন সলমন খান। তিনি একটি ছবিও পোষ্ট করেছেন, যে ছবিতে দেখা যাচ্ছে সলমন ও তার দুই মা হাসিমুখে ক্যামেরাকে পোজ দিয়েছেন। সঙ্গে রয়েছেন সলমন খান।
অভিনেত্রী কাজল মাদার্স ডে উপলক্ষে যে ছবি পোস্ট করেছেন সেখানেও দুই মা’কে দেখা যাচ্ছে। সেই ছবিতেও হাসিমুখে পোজ দিতে দেখা যাচ্ছে তিনজনকে। একজন হলেন কাজলের নিজের মা প্রাক্তন অভিনেত্রী তনুজা এবং আর এক জন হলেন তাঁর শাশুড়ি অর্থাৎ অজয় দেবগনের মা বীনা দেবগন। এই দুজন সম্বন্ধে কাজল বলেন , “আমার জীবনে এঁরা দুজনেই যেন ফুটে থাকা ফুলের মত।”
গতকাল মাকে স্মরণ করেছেন আর এক সুপারস্টার সঞ্জয় দত্ত। মা নার্গিসকে তিনি স্মরণ করেছেন এবং এক্স হ্যান্ডেলে মায়ের সাথে তাঁর বেশ পুরোনো কিছু ছবিও শেয়ার করেছেন। বিশ্ব মাতৃ দিবসে মা দুলারী খেরকে স্মরণ করেছেন অনুপম খের। সদ্য বাবা হয়েছেন ক্রিকেটার কে এল রাহুল। তিনি তাঁর সন্তানের জননী আথিয়া শেট্টিকে মাতৃ দিবস উৎসর্গ করেছেন। আথিয়া অভিনেতা সুনীল শেট্টির মেয়ে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], নতুন দিল্লী, ভারত, ১২/০৫/২০২৫ : বেশ কিছুদিন পর ফের শান্তি এসেছিল রাত্রে। ভয়ে ভয়ে ঘুমোতে যেতে হয় নি। আক্রমণ আসে নি পাকিস্তানের দিক থেকে। তাই কিছুটা স্বস্তিতে থাকলেও সদা সতর্ক সেনাবাহিনী।
পাকিস্তানকে তাদের জঙ্গী কাজ কর্মের জন্যে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হয়েছে বলে দাবী করেছে বিজেপি। সোমবার বিজেপি সাংসদ সম্বিৎ পাত্র বলেন, “প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে কথা দিয়েছিলেন যে ভারত এমনভাবে পাকিস্তানের ওপর প্রত্যাঘাত করবে যা তারা কল্পনাও করতে পারবে না। ভারতের আক্রমণ হবে তাদের কল্পনার অতীত। বাস্তবে ঠিক তাই ঘটেছে। ভারতীয় সেনাবাহিনী পাকিস্তানের মাটিতে গড়ে ওঠা সন্ত্রাসবাদকে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। পাক সেনাবাহিনীর সবকয়টি সামরিক আস্তানাকে ভারত নিজেদের অস্ত্রের আওতায় নিয়ে আসতে পেরেছে।”
আসামের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মা বলেছেন, “ভারতীয় সেনাবাহিনী শত্রু দেশের ভিতরে থাকা জঙ্গি ডেরাগুলিকে একেবারে ধূলিস্যাৎ করে দিয়েছে। শতাধিক জঙ্গীকে খতম করে দিয়েছে। এর আগে অন্য কোনো দেশ আর একটি দেশের থাকা এত সংখ্যক জঙ্গীকে নিকেশ করতে পারে নি। নরেন্দ্র মোদীই এটা প্রথমবার করে দেখালেন। অপারেশন সিঁদুর সামরিক অভিযানের একটি সার্থক নাম, এই অভিযানের উদ্দেশ্যই ছিল পাকিস্তানের মাটি থেকে সন্ত্রাসবাদকে নির্মূল করা। সেই উদ্দেশ্যে প্রায় সবটাই সাফল্যের সাথে করা গিয়েছে। অপারেশন সিঁদুর এখনো শেষ হয় নি। কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে এখনও বেঁচে থাকা সন্ত্রাসবাদীদের ওপর।”
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ১২/০৫/২০২৫ : পাকিস্তানের সাথে ভারতের সংঘাত নিয়ে সাংবাদিকদের যাবতীয় প্রশ্নের উত্তর দিলেন তিন বাহিনীর প্রধানরা।
জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে গত ২২শে এপ্রিল যে নিরীহ ২৬ পর্যটকের প্রাণ গিয়েছে, তারপর দেশের তিন সেনাবাহিনীকে মুক্ত হস্তে সক্রিয় করে দিয়েছিল ভারত সরকার শুধুমাত্র শত্রুদের কঠোর শাস্তি দেওয়ার জন্যে। তারপর কেটে গিয়েছে বেশ কয়েকটা দিন। জঙ্গী এবং জঙ্গীদের অবিভাবক পাকিস্তানকে ঠিক কিভাবে শায়েস্তা করা হল তা জানাতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন ভারতের তিন সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান। তাঁদের সাথে ছিলেন ভারতের মিলিটারি অপারেশনের ডিরেক্টর জেনারেল।
তিন বাহিনীর প্রধানরা জানিয়েছেন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যথেষ্ট কঠোর মনোভাব নিয়েই ভারতীয় সেনাবাহিনী সংঘাতের পথে এগিয়েছিল। পাকিস্তানের মাটি থেকে সন্ত্রাস উৎখাত করতেই ভারত পাকিস্তানের মাটিতে আক্রমণ চালিয়েছিল। পাকিস্তানের ওপর গোলা বর্ষণ করে প্রায় সব কয়টি জঙ্গীদের লঞ্চ প্যাড ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া গিয়েছে। সেইসঙ্গে অন্তত ১০০ জন জঙ্গীকে নিকেশ করা গিয়েছে। ভারত শুধুমাত্র জঙ্গিডেরাগুলিকে টার্গেট করেই আক্রমণ শানিয়েছিল, যাতে পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের খুব কম ক্ষয়ক্ষতি হয়পাকিস্তানের
এই মুহূর্তে দুই দেশের ডিজিএমও পর্যায়ের হটলাইন বৈঠকের পর যুদ্ধবিরতি চলছে দুই দেশের মধ্যে। কিন্তু রাতের অন্ধকারে যুদ্ধ বিরতি লংঘন করেই পাকিস্তানের তরফ থেকে ভারতে হামলা চালানো হয়েছে, যার যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। সেনাপ্রধানরা জানিয়েছেন পাকিস্তানের যে কোনো জায়গা ভারতীয় সেনাবাহিনীর নজরদারিতে রয়েছে। পাকিস্তান তাদের মাটি থেকে যে কোনো রকম তৎপরতা নিক না কেন তা ভারতের নজর এড়িয়ে যাবে না।
আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক], নতুন দিল্লী, ভারত, ১০/০৫/২০২৫ : ফের একবার পাকিস্তানের ওপর ভরসা করে ঠকে যেতে হল ভারতকে। আসলে ভারত তো আর পাকিস্তানের ওপর নয়, ভরসা করেছিল আমেরিকার ওপর, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর। কিন্তু পাকিস্তান আমেরিকাকেও দেওয়া কথা লঙ্ঘন করে ফেলল।
ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রী যা ঘোষণা করেছিলেন, তাতে বোঝা যাচ্ছিল আমেরিকার মধ্যস্থতায় ভারত – পাকিস্তান দুই দেশ যুদ্ধ বিরতি শুরু করবে। আজ বিকেল ৫টা থেকে সোমবার বেলা ১২টা পর্যন্ত এই যুদ্ধ বিরতি চলবে। এই ব্যাপারে দুই দেশের ডিজিএমও পর্যায়ের বৈঠকে দুই দেশই যুদ্ধ বিরতিতেই সম্মত হয়েছে। কিন্তু সেই ঘোষণার কিছুক্ষন পরেই পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির কথা ভুলে গিয়ে বোমা বর্ষণ শুরু করে দিল। এক ঘণ্টার মধ্যেই শ্রীনগরে তারা অন্তত ৫০টি বোমা বিস্ফোরণ করিয়েছে। রাজস্থান এবং গুজরাট সীমান্ত দিয়েও তারা ড্রোন আক্রমণ করেছে। ভারত অত্যন্ত সংযতভাবে এর জবাব দিয়েছে। ভারতীয় সেনাবাহিনী কড়া নজরদারি চালিয়ে গিয়েছে।
এরপরেই চীন প্রকাশ্যে ঘোষণা করে দিল যে তারা পাকিস্তানকে সমর্থন দিচ্ছে। আর তার ঠিক পরেই বাংলাদেশ ঘোষণা করল তাদের দেশে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হচ্ছে। অর্থাৎ এরপর বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের নেতা বা সদস্যদের জেলে পুড়তে এবং শাস্তি দিতে আর কোনো বাধা রইল না। এরপর নিশ্চয়ই ভারতের আশ্রয়ে থাকা শেখ হাসিনাকেও বাংলাদেশের হাতে প্রত্যর্পণের জন্যে চাপ দেওয়া হবে। শুধু তাই নয়, এর মধ্যেই হয়ত ফের একবার বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়নও শুরু করা হবে এবং তা হয়ত ফলাও করে প্রচার করাও হবে ।
এই মুহূর্তে পাকিস্তান পশ্চিম দিক থেকে, চীন উত্তর দিক থেকে এবং বাংলাদেশ পূর্ব দিক থেকে হয়ত ঘিরে ধরতে চাইবে ভারতকে। আর এই সময়ে বিশ্বের অনেক দেশ ভারতের পাশে থাকার বার্তা প্রাথমিকভাবে দিলেও এখনো প্রকাশ্যে পাশে এসে দাঁড়ায় নি। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে কোনো বড় গেম প্ল্যান মাথায় নিয়েই পাকিস্তান কথা দিয়েও যুদ্ধ বিরতি চুক্তি না মেনে ভারতকে আক্রমণের সাহস দেখাতে শুরু করেছে। পিছনে আছে শক্তিশালী কেউ। তবে ভারত কোনোভাবেই কম যায় না। ভারত অর্থনৈতিকভাবে, কূটনৈতিকভাবে, সামরিকভাবে এতটাই এগিয়ে রয়েছে যে এই ধরনের পরিস্থিতি অনায়াসেই সামলে নিতে পারবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল.।
আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক], নতুন দিল্লী, ভারত, ১০/০৫/২০২৫ : আপাতত পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ থেমে গেল। দুই দেশের কোনো পক্ষই আর একে অপরকে আক্রমণ করবে না বলে ঠিক হয়েছে।
ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের সচিব বিক্রম মিশ্রি জানিয়ে দিলেন, ‘পাকিস্তানের মিলিটারি অপারেশনের ডিরেক্টর জেনারেলের সাথে ভারতের মিলিটারি অপারেশন ডিজির বৈঠক হয়েছে। আপাতত দুই দেশ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, জল, স্থল ও আকাশপথে ভারত ও পাকিস্তান কেউই আর অপরের দিকে কোনো রকম আক্রমণ চালাবে না। দুই পক্ষই স্থিতিশীল পরিস্থিতি বজায় রাখবে। সুতরাং দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ আপাতত স্থগিত রইল। ‘
আজ দুপুর ৩:৩৫ মিনিটে পাকিস্তানের ডিজিএমও ভারতের ডিজিএমওর সাথে বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ভারত পাকিস্তান দুই দেশ যুদ্ধ বন্ধ করবে। কেউই আর কাউকে আক্রমণের পথে যাবে না। এই যুদ্ধ বিরতি আজ বিকেল ৫:০০টা থেকে শুরু করা হবে। আগামী ১২ তারিখে ফের একবার বৈঠকে বসবে দুই পক্ষ। ততক্ষন যুদ্ধবিরতি চলবে।
আজ দুই দেশের যুদ্ধ বিরতির বিষয়টি প্রথম প্রকাশ্যে আনেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সমাজমাধ্যমে জানান, ভারত ও পাকিস্তান দুই দেশ যুদ্ধ বিরতিতে রাজি হয়েছে। এরপর সাংবাদিক বৈঠকে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের সচিব জানিয়ে দেন যে দুই দেশ যুদ্ধ বিরতিতে রাজি হয়েছে। তাই আজ বিকেল ৫টা থেকে যুদ্ধ বিরতি বজায় রাখবে। যদিও ভারতের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে যদি পাকিস্তানের দিক থেকে আক্রমণ করা হয় তাহলে ভারতও ফের আক্রমনের পথে যাবে।
এই ঘোষণার পরেই দেশের বিভিন্ন জায়গায় ক্ষোভ দেখা দিতে শুরু করেছে। বিশেষ করে কংগ্রেস এবং বামেরা ক্ষোভ দেখতে শুরু করে। অনেকেই মন্তব্য করেন যে, ভারত ও পাকিস্তানের যুদ্ধের বিষয়টি অত্যন্ত গোপনীয়, এই ব্যাপারে ডোনাল্ড ট্রাম্প হস্তক্ষেপ করেন কি ভাবে ? কিভাবে ভারত সরকারিভাবে কিছু ঘোষণা না করলেও ডোনাল্ড ট্রাম্প সমাজ মাধ্যমে ঘোষণা করে দেন ? ২৬ জন নিরীহ মানুষের চিতার উত্তাপ এখনো ঠান্ডা হয় নি। বিএসএফ জওয়ান পি কে সাউ এখনো ঝালদার বাড়িতে ফিরে যেতে পারেন নি, তিনি পাকিস্তানে জেলে বন্দী আছেন। এতজন ভারতীয় জওয়ান প্রাণের বাজি রেখে যুদ্ধ করছেন সেই দেশের বিরুদ্ধে, যারা বছরের পর বছর জঙ্গী তৈরির কারখানা তৈরি করে রেখে দিয়েছে নিজেদের জমিতে। কিভাবে দুই তিনদিনের মাথায় ভারত পাক যুদ্ধ শেষ হয়ে যায় ? কার আঙ্গুলি হেলনে ? একি ভারতের অসম্মান নয় ? এ কি ভারতের কূটনৈতিক পরাজয় নয় ? এই সব কিছু নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। ১৪০ কোটি মানুষের প্রশ্ন।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ১০/০৫/২০২৫ : গত ৭ তারিখে অপারেশন সিঁদুর পাকিস্তানের ওপর যে প্রত্যাঘাত করেছিল, সেই আঘাতে জঙ্গী শিরোমনি মাসুদ আজাহারের জামাই খতম হয়ে গিয়েছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে।
মে মাসের ৭ তারিখে ভারতীয় সশস্ত্র সেনা পাকিস্তানের ৯টি জায়গায় নিখুঁতভাবে মিসাইল আক্রমণ করেছিল। সেই আক্রমণে পাকিস্তানের ৯টি জায়গায় জঙ্গীদের সম্পূর্ণভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। ঐ আক্রমনে প্রচুর পাকিস্তানি জঙ্গী খতম হয়েছিল। সেদিন মারা গিয়েছিল পাঠানকোট হত্যাকাণ্ডের মূল নায়ক আব্দুর রউফ. এই জঙ্গী আসলে মাসুদ আজাহারের ভাই। ভারতের ঐ মিসাইল আক্রমণেই মারা গিয়েছে জৈশ ই মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজাহারের আর এক আত্মীয় মহম্মদ ইউসুফ আজাহার। এই কুখ্যাত জঙ্গী কাঠমান্ডু থেকে দিল্লীর আইসি ৮১৪ বিমান অপহরণের মূল ষড়যন্ত্রকারী ছিল। ইউসুফ জঙ্গী শিবিরগুলোতে অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ করে. জম্মু ও কাশ্মীরে অনেকগুলি নাশকতার ঘটনায় জড়িত এই ইউসুফ।
সাত তারিখে ভারতের অপারেশন সিঁদুরের হানায় অন্যান্য জঙ্গীদের সাথে খতম হয়েছিল আরও এক কুখ্যাত জঙ্গী। তার নাম হাফিজ মহম্মদ জামিল। সেও ছিল মাসুদ আজাহারের এক ভাই. সেদিন ভারত ৯টি জায়গায় টার্গেট করে মোট ২১টি জঙ্গী শিবির ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে। ঐ আক্রমণে ১০০র বেশি জঙ্গীর নিধন সম্ভব হয়েছে। সেদিন ভারত রীতিমত কোমর ভেঙে দিয়েছিল পাকিস্তানী জঙ্গীদের। ভারত আজ জানিয়ে দিয়েছে, আগামী দিনে পাকিস্তানের যে কোনো জঙ্গী কার্যকলাপ ভারতের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ’ ঘোষণার সামিল হিসেবে গণ্য করা হবে. এবং সেক্ষেত্রে ভারত প্রত্যাঘাত করতে দুইবার ভাববে না। দ্রুত আক্রমনের পথে যাবে।
গতকাল গভীর রাতে রাজস্থানের বাড়মেরে মিসাইল হানা চালিয়েছিল পাকিস্তান। বারমের শহরের খোলা জমিতে পড়েছিল সেই মিসাইলটি , যদিও সেই মিসাইল বিস্ফোরণ ঘটাতে পারেনি। তবে এর থেকেই প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে যে পাকিস্তান সব কিছু ছেড়ে শুধুমাত্র সাধারণ মানুষকেই টার্গেট করেছে। যেহেতু মিসাইল থেকে কোনো বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে নি তাই বাড়মেরে কোনো রকম ক্ষয় ক্ষতির ঘটনা ঘটে নি।
গতকাল সন্ধ্যাবেলা থেকেই রাজস্থান ও গুজরাটের সীমান্তবর্তী প্রায় সমস্ত শহরেই ব্ল্যাকআউট করা হয়ে ছিল। ক্রমাগত সাইরেন বাজিয়ে সতর্ক রাখা হয়েছিল সাধারণ মানুষকে। রাজস্থানের সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলিতে বিএসফ ২৪ ঘন্টাই কড়া নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে যাতে পাক সেলিং এর ফাঁকে সীমান্তের ওপার থেকে কোনো ভাবে অনুপ্রবেশের ঘটনা না ঘটে।
আজ ভোর হতেই বাড়মের শহরের একটা খোলা জমিতে একটি মিসাইল পরে থাকতে দেখা যায়। পাকিস্তানের ওই মিসাইলটি সেনাবাহিনী আকাশেই নিষ্ক্রিয় করেছিল কিনা তা বোঝা যায় নি। মিসাইল দেখতে ভীড় করে গ্রামবাসীরা। পুলিশ এসে ভীড় সরিয়ে দেয় এবং গ্রামবাসীদের সতর্ক করে দেয়। ঐ মিসাইলটিকে নিষ্ক্রিয় করার এবং সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।
আজ খবর (বাংলা), [[দেশ]. নতুন দিল্লী, ভারত, ০৯/০৫/২০২৫ : গতকাল গভীর রাত্রি পর্যন্ত চলেছে ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ। ভয়ানক সেই লড়াইয়ের সাক্ষী থেকেছে গোটা বিশ্ব।
গতকাল যুদ্ধের ময়দানে ভারতের পরাক্রম ছিল দেখার মত। পাকিস্তানের ড্রোন নির্ভর আক্রমণকে রীতিমত পর্যুদস্ত করে রেখেছিল ভারতের অপারেশন সিঁদুর। পাকিস্তানের প্রতিটি আক্রমনকে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়েছে। তাদের অন্তত ৫০টি ড্রোন খতম করে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটা মিসাইলের আক্রমন তাকিয়ে দিয়েছে সুদর্শন চক্র নাম পরিচিত এস-৪০০. এই অসাধারন অস্ত্রটিকে অতিক্রম করা যে ওঠে নি পাকিস্তানের। প্রত্যেক মিসাইল ও ড্রোনের আক্রমন ভারত সফলভাবেই নিষ্ক্রিয় করে দিতে পেরেছে।
গতকাল রাত্রে পাকিস্তানের প্রায় প্রত্যেকটি শহরে জঙ্গী হানায় বিস্ফোরণ হয়েছে। পাকিস্তান খুব ভালো করেই বুঝতেপারছে এভাবে আর বেশিক্ষণ লড়াই করে এঁটে ওঠা যাবে না শক্তিধর ভারতের সাথে। গতকাল বেশ কয়েকজন জঙ্গিকেও খতম করা হয়েছে। শুধু তাই নয় গতকাল পাকিস্তানের চারটি যুদ্ধ বিমানকে গুলি করে নামানো হয়েছে। তার মধ্যে একটি এফ ১৬ বিমানও রয়েছে। পাকিস্তানের যুদ্ধবিমানের একজন পাইলটকে ধরা হয়েছে। সেই পাকিস্তানি পাইলট এখন বন্দী রয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর হাতে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার কাজ শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
গতকাল ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে পাকিস্তান হাড়ে হাড়ে বুঝতে আছে, এ ভারত ঠিক সেরকম ভারত নয়, যে ভারতের রিপোর্ট তাদের কাছে ছিল. এ ভারত অন্য ভারত, এ ভারত সত্যিই ১৪০ কোটির ভারত, এ ভারত রীতিমত শক্তিশালী ভারত। যুদ্ধ করতে গিয়ে পাকিস্তান এতটাই বিপর্যস্ত হয়ে গিয়েছে যে সেই দেশের শেয়ার বাজার একেবারে নিচে নেমে গিয়েছে। টাকা চেয়ে বিশ্ব ব্যাংকের কাছে দরবার করেছিল তারা, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশতঃ বিশ্বব্যাংক পাকিস্তানকে ফিরিয়ে দিয়েছে, তারা ভারতের পাশে থাকার বার্তা শুনিয়ে দিয়েছে।
আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক], নতুন দিল্লী, ভারত , ০৮/০৫/২০২৫ : পাকিস্তানের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম শেষ করে দিল ভারতীয় সেনাবাহিনী। ভারতের সঙ্গে লড়তে নেমে রীতিমত নড়বড়ে অবস্থা পাকিস্তানের।
ভারতকে প্রত্যাঘাত করতে পাকিস্তান দুটি যুদ্ধবিমান নিয়ে আক্রমণের পথে গিয়েছিল। কিন্তু ভারতের সেনাবাহিনী তা আগে থেকেই জেনে যায় এবং পাকিস্তানের মিসাইল লঞ্চারকেই উড়িয়ে দেয়। এতে করে পাকিস্তানের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমটিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে এখন যদি ভারত যুদ্ধবিমান নিয়ে পাকিস্তানের আকাশ সীমায় ঢুকে পড়ে সেটা জানতেই পারবে না পাকিস্তান। এই মুহূর্তে আকাশপথে পাকিস্তানকে আক্রমণ করলে রীতিমত বেসামাল অবস্থা হয়ে যেতে হবে পাকিস্তানকে। আকাশপথে নজরদারি করার জন্য যে উন্নতমানের রাডারের দরকার হয়, ভারত এদিন সেই রাডারটিকেই উড়িয়ে দিয়েছে। ফলে তাদের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমই নষ্ট হয়ে গিয়েছে।
এদিকে পাঞ্জাবের ফিরোজপুর এলাকা থেকে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স আজ এক অনুপ্রবেশকারীকে আটক করেছে। অবৈধভাবে ঐ ব্যক্তি পাকিস্তান থেকে ভারতে প্রবেশ করার চেষ্টা করছিল। বিএসএফ তাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ভারত পাকিস্তান সীমান্তে এই মুহূর্তে বিএসএফকে হাই এলার্ট মোডে রাখা হয়েছে। প্রতি মুহূর্তে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হচ্ছে বিএসএফ জওয়ানদের।