মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যঅধ্যায় বলেন, “আমরা পুরীর মন্দিরকে, জগন্নাথধামকে শ্রদ্ধা করি. আমরা কালী মন্দিরকে শ্রদ্ধা করি, গুরুদোয়ারকে শ্রদ্ধা করি. দেশের সর্বত্র মন্দির রয়েছে, সেগুলিকে আমরা শ্রদ্ধা করি. কিন্তু দীঘার মন্দির নিয়ে এত ক্রোধ কেন ?
অক্ষয় তৃতীয়ার দিন দীঘায় শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দীঘার জগন্নাথ মন্দিরকে তিনি ‘জগন্নাথ ধাম’ হিসেবে ব্যক্ত করেছেন। তাঁর এই বক্তব্য নিয়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে পুরীতে। পুরীর মন্দিরের সেবায়েতরা জানিয়েছিলেন ভারতে চারটি মন্দির ধাম হিসেবে পরিচিত। সেগুলি হল রামেশ্বরম, দ্বারকা, বদ্রীনাথ জগন্নাথধাম। দীঘার এই নতুন জগন্নাথ মন্দির কোনোমতেই পুরীর প্রাচীন মন্দিরের সমান হতে পারে না, ধাম হতে পারে না.
পুরীর মন্দিরের ঐতিহ্যকে নকল করে দীঘার মন্দিরের ব্যবস্থাপনাকেও কটাক্ষ করেছেন অনেকেই। যেমন পুরীর রাজার মোট সোনার ঝাড়ু দিয়ে মন্দির চত্বর ঝাড়ু দেওয়া, জগন্নাথ মন্দিরে মত কাঠ ভেসে আসা. এখানে ভেসে আসা শ্রীজগন্নাথের মূর্তি কি কাঠ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে সেটা নিয়েও প্রশ্নের ঝড় তেছে পুরীর সেবায়েতদের মধ্যে। কারন পুরীতে এই মূর্তি বানানোর নিদিষ্ট কিছু নিয়ম আছে. পুরীতে এই ব্যাপারে প্রবল বিতর্ক ও প্রতিবাদ হয়েছে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ৩০/০৪/২০২৫ : গতকাল কলকাতার ফলপট্টিতে যে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে তাতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৪, ঘটনাস্থল থেকে এখনও ধোঁয়া বের হতে দেখা যাচ্ছে।
গতকাল কলকাতার ফল পট্টি বলে পরিচিত মেছুয়াবাজারের কাছে একটি বহুতল হোটেলে আগুন লেগে গিয়েছিল। হোটেলের নাম ঋতুরাজ হোটেল। গতকাল হঠাৎ করেই এই হোটেলে আগুন লেগে গিয়েছিল এবং তা ঐ বহুতলেই ছড়িয়ে পড়েছিল। গতকাল রাতেই সেখানে ছুটে গিয়েছিল দমকল। হোটেলের ভিতরেই অনেকে আটকে পড়েছিলেন। হোটেলের ম্যানেজার ছয়তলার জানলা ভেঙে ওপর থেকে লাফ দেন. তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর.
এই হ্যাবাহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মোট ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ কমিশনার মনোজ কুমার ভার্মা জানিয়েছেন, আগুন এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে, তবে এই অগ্নিকান্ড ১৪জনের প্রাণ নিয়েছে। উদ্ধারকার্য চালানো হচ্ছে। কিভাবে এই বহুতল হোটেলে আগুন লেগে গিয়েছিল সেটা এখনো জানা যায় নি, তবে পুলিশের একটি দল তৈরি করা হয়েছে যারা এই ব্যাপারে তদন্ত করে দেখছে। বিজেপি ও কংগ্রেসের তরফ থেকে এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দেখানো হয়েছে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২২/০৪/২০২৫ : রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসকে কলকাতার ইস্টার্ন কমান্ড হাসপাতাল থেকে একটি প্রাইভেট হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।
রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস মুর্শিদাবাদে হিংসা পীড়িতদের সাথে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে কলকাতায় ফিরে এসেই তিনি বুকে অস্বস্তি অনুভব করেন। বুকে একটা চাপ চাপ ভাব ছিল বলে তিনি জানিয়েছেন। রাজভবনের চিকিৎসক তাঁকে হাসপাতালে যাওয়ার কথা বলেন। এরপর রাজ্যপালকে ইস্টার্ন কমান্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ডাক্তাররা তাঁর চিকিৎসা শুরু করেন।
শালবনি যাওয়ার পথে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে দেখতে কমান্ড হাসপাতালে গিয়েছিলেন। এরপর আজ রাজ্যপালকে ইস্টার্ন কমান্ড হাসপাতাল থেকে ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এই হাসপাতালে নিয়ে এসে নতুন করে ফের তাঁর চিকিৎসা শুরু করা হয়। বেসরকারি এই হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে রাজ্যপালের শারীরিক পরিস্থিতি বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ১৮/০৪/২০২৫ : এবার উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরেই ঢুকে পড়ল পূর্ণ বয়স্ক একটি হাতি। ক্যাম্পাসের মধ্যে ছড়িয়েছে আতঙ্ক।
গতকাল রাত্রে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মধ্যে একটি পূর্ণ বয়স্ক হাতি ঢুকে পড়ে। সেই হাতিটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যামপাসের মধ্যেই এদিক সেদিক ঘুরে বেড়াতে থাকে। এতেই আতঙ্কিত হয়ে ওঠেন ক্যাম্পাসের বাসিন্দা এবং পড়ুয়ারা। হাতিটিকে প্রথমে দেখতে পান বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারাই। রাতেই হাতি দেখতে স্থানীয় মানুষজন ভীড় করেন।
আজ ভোর হতেই বাগডোগরা বন বিভাগ থেকে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছে যান বন দপ্তরের কর্মী ও আধিকারিকরা। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর থেকে হাতিটিকে বের করে ফের জঙ্গলে ঠেলে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয় লাগোয়া জনবসতি রয়েছে, তাই তাকে অরণ্যের দিকে নিয়ে যাওয়ার কাজ দিনের বেলায় করা হবে না, এই কাজটি করা হবে রাতের অন্ধকারে। ইতিমধ্যেই হাতি দেখতে প্রচুর মানুষ ভীড় করেছেন। সেই কারনে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৮/০৪/২০২৫ : মুর্শিদাবাদে অশান্তির পর যাঁরা মালদায় গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন এবার তাঁদের সাথে সাক্ষাৎ করতে যাবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের একটি দল.
গত ১১ তারিখে মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন জায়গায় যখন হিংসার আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল, তখন বেশ কিছু হিন্দু পরিবার নিজেদের বাঁচাতে ঘরবাড়ি ছেড়ে গঙ্গার ওপারে মালদা জেলায় গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিল। পরবর্তীকালে রাজ্য সরকারের ঐ পরিবারগুলি শরণার্থীর মত জীবন যাপন করছে। এই ব্যবস্থাপনায় তাঁদের মানবাধিকার ক্ষুণ্ন হচ্ছে কিনা, মুর্শিদাবাদ থেকে পালিয়ে আসতে গিয়ে তাঁদের কি কি সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে তা বিশদে জেনে নেওয়ার জন্যেই জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আগামীকাল মালদায় গিয়ে তাঁদের সাথে দেখা করবেন এবং কথা বলবেন।
ওয়াকফ সংশোধন আইন বাতিল করার দাবী নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় অশান্তি শুরু হয়েছিল, কিন্তু ক্রমে তা ছড়িয়ে পড়েছিল মালদায়, উত্তর দিনাজপুরে এবং নদীয়া জেলায়। আদালতের নির্দেশে মুর্শিদাবাদের কিছু জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী নামাতে হয়। সেই কেন্দ্রীয় বাহিনী এখনো মোতায়েন রয়েছে মুর্শিদাবাদে। আক্রান্ত পরিবারগুলি রয়েছে মালদার শরণার্থী শিবিরে। আগামীকাল এই পরিবারগুলির সাথেই দেখা করতে যাবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।
আজ খবর (বাংলা) কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৭/০৪/২০২৫ : দক্ষিন বঙ্গের বেশ কিছু জেলায় ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা বলেছে আলিফ[ওর আবহাওয়া দপ্তর।
মধ্যপ্রদেশ থেকে আসাম পর্যন্ত রয়েছে নিম্নচাপ অক্ষরেখা। এই অক্ষরেখাটি ছত্রিশগড় ঝাড়খন্ড গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের উপর দিয়ে গেছে।আর এর টানেই মূলত সাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে বাতাসে।
ঝড় বৃষ্টি বেশি হওয়ার আশঙ্কা আজ এবং আগামীকাল। কয়েক জেলায় কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতি। বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি চলবে রবিবার পর্যন্ত। সোমবার আংশিক মেঘলা আকাশ। মঙ্গলবার থেকে পরিষ্কার আকাশ; তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়বে আগামী সপ্তাহে।
আজও কাল দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলাতে কালবৈশাখীর সতর্কতা। বেশিরভাগ জেলাতেই ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝড়ো বাতাস বইতে পারে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা মাঝারি বৃষ্টি। শিলা বৃষ্টি বিক্ষিপ্তভাবে এবং বজ্রপাতের আশঙ্কা থাকবে।
আজ বৃহস্পতিবার ৭ জেলায় কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতি। পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান মুর্শিদাবাদ নদিয়া উত্তর ২৪ পরগনা হুগলি এবং হাওড়া জেলাতে কালবৈশাখী বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির আশঙ্কা।
আগামীকাল ও কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতি এবং ভারী বৃষ্টি হতে পারে। ভারী বৃষ্টি পূর্ব বর্ধমান হুগলি এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাতে। কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতি পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর ঝাড়গ্রাম দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা পূর্ব বর্ধমান হুগলি ও হাওড়া জেলাতে।
উত্তরবঙ্গে ও আজ ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জলপাইগুড়ি কোচবিহার আলিপুরদুয়ার জেলাতে। ৬০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝড়ো বাতাস তার সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সতর্কতা থাকছে মালদা এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাতে।
আগামীকাল শুক্রবার বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি ও দমকা ঝড়ো বাতাস বইবে দার্জিলিং কালিম্পং জলপাইগুড়ি এবং মালদা ও দুই দিনাজপুর জেলাতে। কলকাতাতেও আজ বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড় বৃষ্টির আশঙ্কা। বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা মাঝারি বৃষ্টির সঙ্গে ৫০ কিলোমিটার ঘণ্টায় গতিবেগ পর্যন্ত দমকা ঝড়ো বাতাস বইতে পারে কলকাতার কিছু অংশে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], গঙ্গারামপুর, দক্ষিণ দীনাজপুর , ১৭/০৪/২০২৫ : শ্রদ্ধা নাকি কুসংস্কার?আজও মাটিতে শোওয়ার ইতিহাস বয়ে বেড়ায় পীরপাল!
কুসংস্কার নাকি শ্রদ্ধা ? তারই জেরে গোটা গ্রাম এখনও খাট ব্যবহার করেন না। শুয়ে থাকেন মাটিতে। কুসংস্কারে বিশ্বাসী হয়ে হোক বা শ্রদ্ধায়, এখনও পর্যন্ত কাঠের তৈরি চৌকি বা খাটে কেউই ঘুমোন না।দক্ষিন দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর ব্লকের বেলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের পীরপাল গ্রামে এটাই দস্তুর। দেশ এগিয়ে চলেছে। কত রকমারি খাট ব্যবহার করেন দেশের মানুষ। কিন্তু পীরপালের মানুষ তা থেকে অনেক দূরে। যদি কারও খাটে শোবার ইচ্ছে হয়, তাহলে মাটির তৈরি খাট বানিয়ে নেন। নতুবা মাটিতেই ঘুমোন সকলে।
কেন? তার পিছনে রয়েছে এক ইতিহাস। স্থানীয় বাসিন্দাদের মুখে মুখে ফেরে তা। জনশ্রুতি অনুযায়ী, ১৭০৭ সালে পীরপালের মাটিতে ইখতিয়ারউদ্দিন মহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজির দেহ সমাধিস্থ করা হয়।এরপর তিনি দেবতা বা পীর রুপে আবির্ভূত হন। এমনটাই বিশ্বাস গ্রামবাসীদের। বীর যোদ্ধা মাটিতে শায়িত অথচ গ্রামবাসী খাটে শোবেন? তা কী হতে পারে। গ্রামবাসীদের বিশ্বাস, গ্রামবাসীরা খাটে বা চৌকিতে ঘুমোলে তাদের কাছে নাকি স্বপ্নাদেশ আসে। এমনকী, মেরে ফেলারও ভয় দেখানো হয়। আর সেই ভয়েই পীরপালের মানুষ চৌকি বা খাটে শোন না। গ্রামের আনাচে কানেচ এও শোনা যায়, যাঁরা জনশ্রুতি অমান্য করে খাট ব্যবহার করেছিলেন, তাঁদের কেউ কেউ নাকি অসুস্থ হয়েও পড়েন।স্বাভাবিকভাবেই ভয় আরও চেপে বসে মনে। গ্রামবাসীরা জানালেন, এসব দেখে কে ঝুঁকি নেবে বলুন। পরিবারের সকলে অসুস্থ হয়ে পড়লে দু’একদিনের শোওয়ার সুখ নিয়ে কী লাভ ?
তবে ইতিহাসবিদরা অবশ্য বিষয়টিকে অন্যভাবে ব্যাখ্যা করছেন।ইতিহাসবিদদের মতে, স্বপ্নাদেশ বা ভীতি নয়। বখতিয়ার খলজি ছিলেন যোদ্ধা। সেই যোদ্ধাকে শ্রদ্ধা জানাতেই গ্রামবাসীরা মাটিতে শোন। কারণ, মাটিতেই যে সমাধিস্থ করা হয়েছিল সেই যোদ্ধাকে। জেলার ইতিহাসবিদরা জানাচ্ছেন, ১৭০৭ সালে সুলতানি রাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে বখতিয়ার খলজি পাল বংশের লক্ষন সেনকে পরাজিত করে সংগ্রামপুর, দেবীকোট সহ গোটা গৌড় দখল করে নেন। লক্ষন সেন প্রাণ নিয়ে তৎকালীন বঙ্গে আশ্রয় নেন এবং তার সৈনরা পরাজিত হয়ে নদিয়া শহর পর্যন্ত ত্যাগ করতে বাধ্য হন। অন্যদিকে, বখতিয়ার খলজির তিব্বত ও কামরূপ অভিযান বিফল হয়। সৈনবাহিনীও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরাজয়ের গ্লানি সহ্য করতে না পেরে বখতিয়ার খলজি অসুস্থ হয়ে পড়েন।আর তাঁকে ঘুরে দাঁড়াতে হয়নি। শয্যাশায়ী অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয় অল্প কিছুদিনের মধ্যে। বাংলার ১২০৬ বঙ্গাব্দে (ইংরেজি ১৭০৭ খ্রীষ্টাব্দে) তাঁর মৃত্যু হয়।বখতিয়ার খলজির মৃত্যুর পিছনে তার প্রধান সেনাপতির হাত ছিল বলেও অনেকে মনে করেন।বখতিয়ারের মৃত্যুর পর পীরপালে তাঁকে সমাধিস্থ করা হয়।যেহেতু তিনি বীরযোদ্ধা ছিলেন তাই তিনি পীর রুপে আবির্ভূত হন বলে গ্রামবাসীরা মনে করেন। তারপর থেকে এলাকার, বিশেষ করে বয়স্করা, চৌকি অথবা খাটে ঘুমোন না। যদিও এই জনশ্রুতি মানতে নারাজ জেলার ইতিহাসবিদ সুমিত ঘোষ।তাঁর যুক্তি, বখতিয়ার খলজি বীরযোদ্ধা ছিলেন। তাঁকে সম্মান জানাতেই পীরপালের মানুষ মাটিতে ঘুমোন।তবে এটাও ঠিক, এলাকার মানুষের মধ্যে কিছু কুসংস্কার রয়েছে। পীরপালের বয়স্ক ব্যক্তি রাজেন রায়, চন্দন রায় জানান,”কয়েকশো বছর আগে থেকে এই গ্রামের মানুষ মাটিতে ঘুমোয়। স্বপ্নাদেশের ভয়েই চৌকি বা খাটে কেউ ঘুমোন না। কেউ আবার জোর করে খাট ব্যবহার করলে পরিবারের সকল সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়ে”।
শ্রদ্ধাই হোক বা স্বপ্নাদেশের ভয়, ইতিহাসের এক যোদ্ধাকে যে এখনও মনে রেখেছেন গ্রামের মানুষ, তার প্রমাণ কিন্তু এই মাটিতে শোওয়ার চল।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৩/০৪/২০২৫ : হিংসা বিদ্ধস্ত মুর্শিদাবাদে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টহলদারী বাড়ানোর সাথে সাথে প্রচুর পরিমানে গ্রেপ্তারি করতে জানানো হয়েছে পুলিশের তরফ থেকে।
গত কয়েকদিন মুর্শিদাবাদ জেলার জায়গায় ওয়াকফ সংশোধনী আইনের বিরোধিতায় হিংসাত্মক ঘটনা ঘটে চলেছিল। ক্ষিপ্ত আন্দোলনকারীরা পথ অবরোধ করেছিল, বিভিন্ন দোকানপাটে ভাংচুর চালিয়েছিল। পুলিশকে আক্রমণ করা হচ্ছিল। বিভিন্ন যানবাহনে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছিল, এমনকি পুলিশের গাড়িও পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।
বিজেপি নেতারা বার বার অভিযোগ করেছেন মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন জায়গায় হিন্দুদের ওপর অত্যাচার করা হচ্ছে, একটি মন্দিরও ভেঙে দেওয়া হয়েছে। যদিও এই ধরনের হিংসাত্মক আন্দোলনকে সম্পূর্ণ সমর্থন করেনি ওই অঞ্চলেরই বহু রাজনৈতিক নেতারা। রাজ্যের বিরোধী দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করে জানিয়েছেন, অন্তত ৩০০টি হিন্দু পরিবার মুর্শিদাবাদ ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছে. তাদের অবিলম্বে ঘরে ফেরাতে হবে সম্পূর্ণ নিরাপত্তা দিয়ে। “
মুর্শিদাবাদের জঙ্গীপুর, সুতি, ধুলিয়ান সামসেরগঞ্জ সর্বত্রই হিংসা ছড়িয়ে পরে. পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রচুর পুলিশ যেমন তাদের বিশাল বাহিনী ঘটনাস্থলে মোতায়েন করেছে তেমনি মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন জেলায় বিএসএফ জাওয়ানদেরকে মোতায়েন করা হয়েছে। এরপরেই শান্ত হতে শুরু করেছে অশান্ত মুর্শিদাবাদ, মালদা, দিনাজপুর ও নদীয়া জেলাগুলি। সর্বত্র টহলদারি চালানো হচ্ছে, নজর রাখছেন বাহিনীর উচ্চপদস্থ অফিসারেরা। এখনো পর্যন্ত হিংসা ছড়ানোর জন্যে মোট ১৫০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশেই হিংসা বিদ্ধস্ত এলাকাগুলিতে আধা সামরিক বাহিনীকে নামানো হয়েছে। আদালত এই বিষয়ে কেন্দ্র সরকার ও রাজ্য সরকার দুই পক্ষের তরফ থেকেই রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। আগামী ১৭ তারিখে এই মামলার শুনানী হবে. সেই শুনানীতে দুই পক্ষকেই রিপোর্ট পেশ করতে হবে. পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুর্শিদাবাদ ও উত্তর ২৪ পরগনার কথা উল্লেখ করে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১২/০৪/২০২৫ : একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, কলকাতার বাতাসে ভাসমান অতিক্ষুদ্র ধূলিকণার ‘বিষক্রিয়ার মান’ বৃদ্ধি পেয়েছে।
পার্টিকুলেট ম্যাটার বা পিএম ২.৫ অর্থাৎ ২.৫ মাইক্রো মিটার বা তার চেয়েও ছোট ব্যাসার্ধের ধূলিকণা মানুষের স্বাস্থ্যের পক্ষের বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। এই ধরনের ধূলিকণার কারণে হৃদরোগ সহ বিভিন্ন ধরনের শ্বাসকষ্টের শিকার হচ্ছেন।
বায়ু দূষণের মোকাবিলায় ভারত সরকার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। ২০১৯ সালে চালু করা হয়েছে ন্যাশনাল ক্লিন এয়ার কর্মসূচি (এনসিএপি)। এর মাধ্যমে ২০২৬ সালের মধ্যে ক্ষুদ্র ধূলিকণার পরিমাণ ৪০ শতাংশ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।
ভারত সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের অধীন সংস্থা বোস ইন্সটিটিউট-এর পক্ষ থেকে এই অতিক্ষুদ্র ধূলিকণার দূষণ নিয়ে সমীক্ষা চালানো হয়েছে। অধ্যাপক অভিজিৎ চ্যাটার্জি এবং তাঁর অধীনে শিক্ষারত দুই প্রাক্তন পিএইচডি পড়ুয়া ডঃ অভিনন্দন ঘোষ ও ডঃ মনামি দত্ত এক সমীক্ষায় বায়ু দূষণের মাত্রা চিহ্নিত করেছেন।
তাঁদের সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, পিএম ২.৫ হঠাৎ-ই বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তা প্রায় 130 µg m-3 -তে পৌঁছে গিয়েছে। তাঁরা দেখেছেন, দূষণমুক্ত কর্মসূচির মাধ্যমে দূষণের মাত্রা কমানো সম্ভব হয়েছে, রাস্তার ধূলিকণা, বাড়ি ভেঙে ফেলা বা নির্মাণের ফলে সৃষ্ট ধূলিকণা, গাড়ির ধোঁয়া নির্গমন, শিল্প দূষণ প্রভৃতি ক্ষেত্রে দূষণ কমানো অনেকটাই সম্ভব হয়েছে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১২/০৪/২০২৫ : সেদিন (৯ তারিখ) এসএসসি বিল্ডিংএর সামনে চাকরিহারা শিক্ষকদের ওপর পুলিশ যেভাবে লাঠিচার্জ লাথি চার্জ করেছিল, তার নিন্দার ঝড় উঠেছিল সব মহলেই। কিন্তু সেদিন পুলিশকেও আক্রান্ত হতে হয়েছিল, আহত হতে হয়েছিল বলে জানালেন পুলিশ কর্তারা। সাংবাদিকদের ডেকে একটি বৈঠক করে সেদিনকার অডিও এবং ভিডিও তুলে ধরা হল সংবাদ মাধ্যমের সামনে।
এই ব্যাপারে জয়েন্ট সিপি ক্রাইম রূপেস কুমার বলেন, “৯ তারিখে শর্ট নোটিশে আমরা খবর পাই, চাকরি হারা শিক্ষকরা জমায়েত করেছেন DI অফিসে।আমাদের পুলিশ Arrengement করা হয়েছিল। যাতে শান্তিপূর্ণ ভাবে ওনারা প্রতিবাদ করতে পারেন। বালিগঞ্জ থেকে এসে ওনারা জোর করে গেট খোলার চেষ্টা করেছিলেন। প্রথম ব্যারিকেড ভেঙে, পরের গেট এ ঢোকার চেষ্টা হয়। ভিতরে এন্ট্রি করে শেষ লেয়ারের গেট (কলাপসিবল গেট) এ জমা হয়ে পরের প্যাডলক ভেঙে ফেলার চেষ্টা করেন। আমরা একটা ভিডিও দেখাচ্ছি যেখানে প্রভোক করছেন গেট ভেঙে দেওয়ার জন্য। পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য।ওই সময়ও পুলিশ শান্তিপূর্ণ ভাবে আটকানোর চেষ্টা করে। সেদিন পুলিশের উপর অ্যাসল্ট করা হয়েছে। তারপর পুলিশ ব্যবস্থা নেয়। আন্দোলনকারীরা ১২:১৫ নাগাদ পৌঁছানোর পর ১২: ১৮ ফার্স্ট ব্যারিকেড ভেঙেছেন। পুলিশ একদম শেষ পর্যায়ে ব্যবস্থা নিয়েছে। তার আগে পর্যন্ত শান্তি বজায় রাখতে স্বরকমভাবে চেষ্টা করে গিয়েছিল।”
তিনি আরও বলেন, “প্রথম ভিডিও তে সাউন্ড আসছে যে আমরা ভেঙে দেবো। পুলিশ সবসময় শান্ত থাকতে অনুরোধ রেখেছে। পরের ছবিতেও দেখুন, ব্যারিকেড ভাঙবার চেষ্টা হয়েছে। পুলিশ কিন্তু কোনও ফোর্স তখনও করেনি। স্কেলিং করার চেষ্টা হয়েছে মহিলা পুলিশ কর্মীর বডির উপরে উঠে পা দিয়ে স্কেল করবার চেষ্টা হয়েছে। কংক্রিট স্ল্যাব দিয়ে ভিতর ঢুকে প্যাডলক ভাঙবার চেষ্টা হলো। গেটের তালা ভেঙে ফেলা হবে বলে শোনা যাচ্ছে শুনুন। পরিষ্কার অডিও। প্রভোক করার পর গেটের তালা ভেঙে ফেলা হবে বলে শোনা যাচ্ছে শুনুন। পরিষ্কার ওডিও। প্রভোকে করার সাথে সাথে পুলিশের উপর আঘাত হানবার চেষ্টা করেছেন ওনারা। লাস্ট লেয়ারের পর তারা একজন পুলিশ কর্মীকে মারবার চেষ্টা করেছেন। ১২:২৮ থেকে ১২:৩০ পুলিশ কর্মীকে অ্যাসল্ট করা হয়। ভিডিও এভিডেন্স দেখালাম। আমাদের মোট ১৩ পুলিশ অফিসিয়াল ইনজিওর্ড। সার্জেন্ট সঞ্জয় মন্ডল এখন রুবি হাসপাতালে ভর্তি, আইএসআই লিটন দাস গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁর মেডিকেল চেক আপ হয়েছে (ইনিই সেদিন শিক্ষকদের লাঠি মেরেছিলেন, তাঁর ছবি ভাইরাল হয়েছে )।”
সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিপি মনোজ কুমার বর্মা। তিনি বলেন, “It was a teacher’s programme.কেউ ওখানে গিয়ে ওই পরিস্থিতি করবে এটা আশাপ্রদ ছিল? তালা লাগানো আর তালা ভাঙ্গা দুটো এক নয়। প্রথম হলো, যাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এসেছে, তার মেডিকেল রিপোর্ট দেখবেন একটু।Teacher দের প্রতিবাদ কর্মসূচি তে এই পরিস্থিতি হবে এটা এক্সপেকটেড ছিল না। ওর ইনজুরি বিভিন্ন জায়গায় আছে। কবে হাঁটতে পারবে সেটা আমরা জানি না। পুলিশের বিরুদ্ধে অনেক কিছু বলে হচ্ছে। গুন্ডা বলা হচ্ছে। কিন্তু এটা এক্সপেকটেড নয়, পুলিশকে কেউ injured করবে পুলিশ একশন নেবে না ?ভবিষ্যতে যাতে এটা না হয় তার জন্য আমরা ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছি। আর জি কর- এর পর অনেক ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে পুলিশ কর্মীদের। প্রতি সপ্তাহে আমরা মিটিং করি। থানা লেভেল এ প্রতি মাসে মিটিং হয়। বারবার এটা বলা হয় কোথায় কি করতে হবে। How to deal with public, how to deal with women আমরা শেখাই। Every time আমরা এটা বোঝাই, শেখাই।Every time আমরা এটা বোঝাই সেখাই।আমি খবর পাওয়ার পর আমি জানাই। যে টিচার্স ওখানে থাকবে। সেদিনকার ঝামেলায় করা কারা ছিল আমরা তদন্ত করছি। We’re not disclosing their identity for investigation।I don’t know আপনারা কলকাতা পুলিশের কি নিয়ম থানায় থাকে তা জানেন কিনা।
জয়েন্ট সিপি ক্রাইম রূপেস কুমার
সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিপি মনোজ কুমার বর্মা। তিনি বলেন, “It was a teacher’s programme.কেউ ওখানে গিয়ে ওই পরিস্থিতি করবে এটা আশাপ্রদ ছিল? তালা লাগানো আর তালা ভাঙ্গা দুটো এক নয়। প্রথম হলো, যাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এসেছে, তার মেডিকেল রিপোর্ট দেখবেন একটু।Teacher দের প্রতিবাদ কর্মসূচি তে এই পরিস্থিতি হবে এটা এক্সপেকটেড ছিল না। ওর ইনজুরি বিভিন্ন জায়গায় আছে। কবে হাঁটতে পারবে সেটা আমরা জানি না। পুলিশের বিরুদ্ধে অনেক কিছু বলে হচ্ছে। গুন্ডা বলা হচ্ছে। কিন্তু এটা এক্সপেকটেড নয়, পুলিশকে কেউ injured করবে পুলিশ একশন নেবে না ?ভবিষ্যতে যাতে এটা না হয় তার জন্য আমরা ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছি। আর জি কর- এর পর অনেক ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে পুলিশ কর্মীদের। প্রতি সপ্তাহে আমরা মিটিং করি। থানা লেভেল এ প্রতি মাসে মিটিং হয়। বারবার এটা বলা হয় কোথায় কি করতে হবে। How to deal with public, how to deal with women আমরা শেখাই। Every time আমরা এটা বোঝাই, শেখাই।Every time আমরা এটা বোঝাই সেখাই।আমি খবর পাওয়ার পর আমি জানাই। যে টিচার্স ওখানে থাকবে। সেদিনকার ঝামেলায় করা কারা ছিল আমরা তদন্ত করছি। We’re not disclosing their identity for investigation।I don’t know আপনারা কলকাতা পুলিশের কি নিয়ম থানায় থাকে তা জানেন কিনা।
Duty official যখন কেউ থাকে তখন কোনো কেস রেজিস্টার হলে সে হয় আইও। চেঞ্জ করা হয়, অনেক বার চেঞ্জ করা হয়েছে। পরেও চেঞ্জ করা হয়। His name was there. He was duty officer of that time।He was initial IOHe was duty officer when the case was recorded
বড়ি ক্যামরা আছে। প্রচুর প্রমাণ আছে। এভিডেন্স আগে আমরা দেখি। অ্যারেস্ট পরেও আমরা করি। বাইরের কারা ছিল আমরা আইডেন্টিফাই করেছি। তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম পরিচয় আমরা এখন বলব না। Whatever is lawful that steps will be done.”