Aaj Khabor

কসবা কলেজের ছাওয়া নন্দীগ্রামেও, দাদাগিরি টিএমসিপি ছাত্রনেতার 

এ যেন কসবা কাণ্ডের জেরক্স কপি, ধর্ষণের মত কান্ড না ঘটলেও দাদাগিরির অভিযোগ উঠছেই 

আজ  খবর (বাংলা), [রাজনীতি] নন্দীগ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, ০৬/০৭/২০২৫ : প্রথম বর্ষের পড়ুয়া হয়েও কলেজের অস্থায়ী কর্মী তৃণমূল ছাত্রনেতা, কসবা কলেজের বেনিয়মের ছায়া বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিধানসভা এলাকায়,শোরগোল নন্দীগ্রামে। 

 নন্দীগ্রাম সীতানন্দ কলেজেই এবার কসবা কলেজের বেনিয়মের মতো ঘটনা প্রকাশ্যে এলো।নন্দীগ্রাম সীতানন্দ কলেজের টিএমসিপির সভাপতি,  তিনি আবার প্রথম বর্ষের ছাত্র,  তিনিই  আবার কলেজের গ্রুপ ডি অস্থায়ী কর্মী।  কয়েকদিন ধরেই খবরের শিরোনামে রয়েছে কসবা কলেজের গভর্নিং বডিসহ পরিচালন কমিটির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। 

সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ ছাত্রনেতা মনোজিৎ মিশ্র  যেমন  কলেজের প্রাক্তন ছাত্র এবং  তাকে কলেজের গভর্নিং বডিসহ পরিচালন কমিটি কলেজে অস্থায়ী কর্মী হিসেবে নিয়োগ করেছিল। সেই সুযোগকে হাতিয়ার করে সে কলেজে দাদাগিরি করত।  সেই একই ছবি উঠে এলো বিরোধী দলনেতার শুভেন্দু অধিকারীর বিধানসভা কেন্দ্র নন্দীগ্রাম সীতানন্দ কলেজে। 

সুমিত মন্ডল বর্তমানে নন্দীগ্রাম সীতানন্দ কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি এবং প্রথম বর্ষের ছাত্র। তাকে নাকি গভর্নিং বডিসহ কলেজ কর্তৃপক্ষ অস্থায়ী কর্মী হিসেবে কলেজের নিয়োগ করেছে।

অস্থায়ী কর্মী হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে, কিন্তু  সেখানে বিতর্ক নয়,  বিতর্ক তৈরি হয়েছে তার রোজকার দাদাগিরি নিয়ে। 

প্রশ্ন উঠেছে অনেক  ! কিছুদিন আগে এবিভিপির পতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে নন্দীগ্রাম সীতানন্দ কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদ এবং এবিভিপির মধ্যে একটি বাদানুবাদের সৃষ্টি হয়।  সেই ঘটনা কভার  একটি সংবাদ মাধ্যমের কর্মীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়  এবং তাকে ঠেলে কলেজ থেকে বের করে দেয় এই সুমিত মন্ডল। সেদিনই  কলেজের দাদাগিরি ছবি প্রকাশ্যে চলে আসে। বিষয়টিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি এবিভিপি।

নন্দীগ্রাম সীতানন্দ কলেজের বর্তমান  ABVP র ছাত্র নেতা নন্দীগ্রাম সীতানন্দ কলেজের সহ-সভাপতি সৃজন ভূঁইয়া অভিযোগ করেছেন,  “সুমিত মন্ডল প্রথম বর্ষের ছাত্র, দীর্ঘ কয়েক বছর কলেজে রয়েছে, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি,  সে কি করে একটা কলেজের অস্থায়ী কর্মী হিসেবে নিয়োগ হতে পারে? এ ও কি  সম্ভব ? ” 

অপরদিকে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই সুমিত মণ্ডল সংবাদ মাধ্যমের সামনে সাফ জানিয়েছে, 

“কলেজ কর্তৃপক্ষ আমাকে ভালো মনে করেছে,  তারা আমাকে একটা কাজের দায়িত্ব দিয়েছে,  তবে আমি কোন সরকারি বেতন পাই না, আমাকে কাজের মূল্য হিসেবে কলেজ কর্তৃপক্ষ একটা সাহায্য করে, সেই টাকায় আমি পড়াশোনা করি”।

এখানেই উঠেছে প্রশ্ন,  কোন কিছু সাহায্য নিয়ে পড়াশোনা করাটা কোন অপরাধের নয়। তাই বলে টিএমসিপি-র ছাত্রনেতা হিসেবে দাদাগিরি ? সেটা কি মেনে নেওয়া যায় ?  প্রকাশ্যে  সেই ছবি উঠে এসেছে যেখানে দেখা গিয়েছে সংবাদ মাধ্যমের কর্মীকে ফেলে বের করে দেওয়া হচ্ছে কলেজ থেকে এবং সেই কাজের নেতৃত্বে কে রয়েছে ? তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি সেই সুমিত মন্ডল।


Aaj Khabor

  • দার্জিলিং শহরে তুষারপাত

  • নতুন বছরে নতুন সাজে আরও তিনটি ওয়েব সাইট নিয়ে আসছে ‘আজ খবর’

  • চলতি মাসেই পাসপোর্ট আদালত বসবে কলকাতায়

  • লক্ষ লক্ষ মানুষ স্নান করলেন হরিদ্বার, প্রয়াগরাজে

  • শাসক দলের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে হাইকোর্টে বিজেপি

  • মুস্তাফিজুরকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ বিসিসিআই-এর

  • সব ঠিক করে ফেলো, নাহলে মহাকাল তোমাকে শেষ করে দেবে : মিঠুন

  • সততা আর সাহসিকতার জন্যে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পেলেন বাঙালি জওয়ান

  • জলের দাবীতে বালতি কলসী নিয়ে পথ অবরোধ মহিলাদের

  • জগন্নাথ দেবের আশীর্ব্বাদেই রাজ্যে পরিবর্তন আসবে : দিলীপ ঘোষ

Loading

একুশের প্রস্তুতি মঞ্চে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান কোচবিহারে 

ভোটের আগে দলবদলের ঘটনা আরও বাড়বে। রাজ্যের সব প্রান্তেই এমন ঘটনা ঘটবে। বড় নেতারাও নিশ্চয়ই দলবদল করবেন। 

আজ খবর (বাংলা),  [রাজনীতি], কোচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ, ০৪/০৭/২০২৫ : আগামী বছরের ভোটের দামামা  গিয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলি নিজেদের প্রস্তুতি পারবো শুরু করে দিয়েছে সেই ভোটযুদ্ধের দিকে তাকিয়ে। আর এই  প্রস্তুতির মাঝেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন কোচবিহারের বেশ কয়েকজন।

একুশের প্রস্তুতি সভা থেকে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান। হাতে আর মাত্র কয়েক দিনের অপেক্ষা তারপরেই একুশে জুলাই। সেই একুশে জুলাইকে সামনে রেখে জেলা ব্লগ অঞ্চল সর্বত্রই শুরু হয়েছে একুশের প্রস্তুতি সভা। এদিন খলিসামারি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে খলিশা মারি পঞ্চানন স্মৃতি বিদ্যাপীঠ স্কুলের মাঠে অনুষ্ঠিত হলো একুশের প্রস্তুতি সভা। 

এদিনের সভা থেকে বেশ কয়েকজন বিজেপির কর্মী এবং নেতৃত্ব বিজেপি দল ত্যাগ করে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন।এদিনেরএই সভায় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের উৎসাহ ছিল চোখে পরার মত। 

এদিনের এই সভায় উপস্থিত ছিলেন কোচবিহার জেলা তৃণমূল কংগ্রেস চেয়ারম্যান গিরীন্দ্রনাথ বর্মন, প্রাক্তন বিধায়ক হিতেন বর্মন, শীতলকুচি ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি তপন কুমার গুহ, চেয়ারম্যান আবেদ আলী মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মদন বর্মন, অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি ফটিক চন্দ্র বর্মন, স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান কল্পনা বর্মন সহ অন্যান্যরা। 


Loading

দিলীপ ঘোষ কি দল বদলাতে চলেছেন ? উঠছে প্রশ্ন

বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি, প্রাক্তন সাংসদ, অভিজ্ঞ নেতা সব কিছুই ছিলেন তিনি। কিন্তু এখন দলের সব অনুষ্ঠানে তিনি ডাক পান না. দলের সাথে কি তাঁর দূরত্ব তৈরি হয়েছে ? দিলীপ ঘোষ নিজে কি ভাবছেন ? 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], নিউ টাউন,  কলকাতা, ০৪/০৭/২০২৫ : শুক্রবার সকালে নিউটাউন ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে আসেন প্রাক্তন সাংসদ তথা বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। উপস্থিত সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন —

আপনি কি তৃণমূলে চলে যাবেন?

আমার রাজনৈতিক ভবিষ্যত পার্টি ঠিক করবে। ভগবানের খাতায় লেখা আছে। আমাকে বিজেপি নিয়ে এসে একটা জায়গা দিয়েছিল। আমি নিজে থেকে আসিনি। পার্টি চেয়েছে তাই আমি এসেছি। পার্টি আমাকে রাজ্য সভাপতি করেছে, বিধায়ক করেছে, সাংসদ করেছে, জাতীয় নেতা করেছে। আমি নিজে থেকে কিছু চাইনি। পার্টি আমাকে গাড়ি দিয়েছে, সিকিউরিটি দিয়েছে। আমি নিজে এগুলোর কোনোটাই চাইনি। পার্টি যদি মনে করে আমি এখন সাধারণ কর্মী হিসেবে কাজ করব, তাহলে তাই করব। আমাকে ডাকলে আমি যাই। না ডাকলে যাইনা। 

দিলীপ ঘোষ মানেই তো চমক। আমরা কি আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কোনো চমক দেখব?

কল্পনা করতে তো পয়সা লাগে না। অনেকেই করছে। ২১ তারিখ পর্যন্ত কল্পনার ডেট দেওয়া হয়েছে। তারিখ পে তারিখ। কিছু একটা মার্কেটে থাকে। দিলীপ ঘোষ মার্কেটে আছে। 

তৃণমূলের সঙ্গে তিক্ততা নেই তো আর?

আমার সঙ্গে কুণাল অরূপের অনেক আগে থেকে পরিচয়। এখনও আছে। আগামী দিনেও থাকবে। দিলীপ ঘোষ ওরকম ভাবে ভাবেনা। কাল শত্রু ছিল আজ বন্ধু হল আবার পরেরদিন শত্রু হল, দিলীপ ঘোষ ওইভাবে ভাবে না। যারা ওরকম করে তাদের সমস্যা আছে। দিলীপ ঘোষের এরকম কোনো সমস্যা নেই। 

আমি জগন্নাথ মন্দির গিয়ে কারুর প্রতিনিধিত্ব করিনি

আমাকে মুখ্যসচিব চিঠি দিয়েছিলেন। আমি একজন সম্মানীয় নাগরিক। সেই হিসেবে গেছি। সরকারি প্রকল্প। কিন্তু আমি মনে করি ওই মন্দির তৈরিতে আমার ট্যাক্সের টাকা আছে। এটা কারুর পৈতৃক সম্পত্তি নয়। বহু লোক আমাকে ডাকে।


Loading

রেজিস্ট্রেশন বাতিল ড. শান্তনু সেনের, দু’বছর ডাক্তারি করতে পারবেন না 

দলের মুখপাত্র ছিলেন, রাজ্য সভার সদস্য ছিলেন, তিনি ডাক্তারও ছিলেন 

আজ খবর (বাংলা),  [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৩/০৭/২০২৫ :  তৃণমূল নেতা ড. শান্তনু সেনের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করে দেওয়া হল। বিদেশী ডিগ্রি অবৈধভাবে ব্যবহারের অভিযোগে তাঁর ডাক্তারির রেজিস্ট্রেশন বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।

ওয়েস্টবেঙ্গল মেডিকেল কাউন্সিল আগামী দুই বছরের জন্যে ড. শান্তনু সেনের ডাক্তারির রেসাজিস্ট্রেশন বাতিল করে দিয়েছে। এর ফলে আগামী দুই বছর শান্তনু সেন আর ডাক্তারি করতে পারবেন না। ড. সেন ডাক্তারির পাশাপাশি ছিলেন একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবীদ। তিনি একসময় পুরসভার কাউন্সিলর ছিলেন। পরে রাজ্যসভার সদস্য হয়েছিলেন। বেশ কিছুদিন ধরে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেছেন।  আর জি কর-এর  অভয়া কাণ্ডের জোরালো প্রতিবাদ করেছিলেন তিনি। 

তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ এই যে তিনি বিদেশী ডিগ্রি অবৈধভাবে ব্যবহার করেছেন। ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিকেল কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ড. সুদীপ্ত রায় বলেছেন “শান্তনু সেন তাঁর প্রেসক্রিপশনে যে বিদেশী ডিগ্রির কথা লিখতেন, সেটা আদৌ  কোনো ডিগ্রি নয়, সেটা আসলে সাম্মানিক ফেলোশিপ।  কিন্তু তাকেই ডিগ্রি হিসেবে প্রেসক্রিপশনে লিখে তিনি মানুষকে বিভ্রান্ত করতেন।  এই অভিযোগেই শান্তনু সেনকে দুই বছরের জন্যে সাসপেন্ড করা হয়েছে। “

তাঁর বিরুদ্ধে এই শাস্তি সম্পর্কে শান্তনু সেন বলেন, “এটা  একটা রাজনৈতিক চক্রান্ত ছাড়া আর কিছু নয়, যিনি এই চক্রান্ত করলেন তিনি আদ্যপান্ত দুর্নীতিগ্রস্ত, আপনারা খবর নিয়ে দেখুন। তবে আমিও এর শেষ দেখে ছাড়ব। আমি এইসব নেতাকে গুরুত্ব দিই না। আমার নেতা মমতা বন্দ্যোপধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর কেউ নয়।



Loading

বঙ্গ বিজেপির নতুন সভাপতি হলেন শমীক ভট্টাচার্য 

২৬এর ভোটে জয়ের বিপুল প্রত্যাশা নিয়ে রাজ্য বিজেপির সভাপতি পদে শমীক ভট্টাচার্য 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৩/০৭/২০২৫ :   বঙ্গ বিজেপির সভাপতি নির্বাচিত হলেন বিজেপির সিনিয়র নেতা শমীক ভট্টাচার্য্য।  বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাঁকে রাজ্য বিজেপির সভাপতি পদে গুরু দায়িত্ব দিল।  

রাজ্য বিজেপির সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য্য। রাজ্যের প্রতিটি প্রান্ত  থেকে শুভেচ্ছার জোয়ারে ভাসছেন তিনি।  শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে শুরু করে একেবারে নিচুতলার কর্মীরাও তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথ পার করেছেন শমীক  ভট্টাচার্য্য। বিভিন্ন সময়ে দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাও যথেষ্ট রয়েছে তাঁর।  দলের মধ্যে সেভাবে কেউই বিরোধী নন শমীকবাবুর। তাঁর নাম প্রথম যিনি প্রস্তাব করেছিলেন, তিনি হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সুতরাং দলের সব সিদ্ধান্ত নিতে একসাথে বসে কাজ করার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা দেখা দেবে না বলেই মনে করছে বিজেপি নেতৃত্ব। 

শুধু তাই নয়, বিজেপি দলের মধ্যে  স্বচ্ছ ভাবমূর্তি আছে. ‘মুখে যা কিছু এল সেটাই বলে দিতে হবে’ এই ধারণায় বিশ্বাসী নন শমীক ভট্টাচার্য। বুঝে শুনে কথা বলেন তিনি, যথেষ্ট প্রাজ্ঞ ।  ৬১ বছর বয়সী এই রাজনৈতিক ২০২০ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বঙ্গ বিজেপির মুখপাত্র ছিলেন। পিছনে সংঘ পরিবার, আর এসএসএর সমর্থন রয়েছে।  শমীক ভট্টাচার্য বঙ্গ বিজেপির সভাপতি পদপাওয়ায় দলের অভ্যন্তরে খুশির জোয়ার দেখতে পাওয়া যাচ্ছে।  কার্যত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি সভাপতি পদ পেলেন বলা যায়। সভাপতি হয়ে তিনি বলেন, “একই সূত্রে বাঁধিয়াছি সহস্র জীবন”। 

আজ দক্ষিণ কলকাতার লেক কালীবাড়িতে পুজো দিয়ে রাজ্যবাসীর মঙ্গল  কামনা করেছেন বিজেপির নতুন রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। 


Loading

২১ জুলাইয়ের আগে জলপাইগুড়ি তৃণমূলে অন্দরের বিদ্রোহ

সামনেই ২১শে  জুলাই,  সংখ্যালঘু ভোট ব্যাংক নিয়ে তৃণমূলের আন্ডারে ক্ষোভ জন্মেছে, চিন্তায় তৃণমূল  নেতৃত্ব 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] জলপাইগুড়ি,পশ্চিমবঙ্গ, ০৩/০৭/২০২৫ :  সংখ্যালঘুদের  শুধুমাত্র ভোট ব্যাংক হিসেবেই ব্যবহার করে তৃণমুল , গোপন বৈঠক থেকে বিদ্রোহের আওয়াজ।

২১ জুলাইয়ের আগে জলপাইগুড়ি তৃণমূলে অন্দরের বিদ্রোহ।

২১ জুলাই শহিদ দিবসের আগে জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। দলের সংখ্যালঘু সেলের নেতাদের অভিযোগ, দলীয় কাঠামোয় তাদের প্রান্তিক করে রাখা হচ্ছে, উন্নয়নের নামে চলছে পক্ষপাত এবং সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সংখ্যালঘু নেতৃত্বকে উপেক্ষা করা হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে সম্প্রতি  বানারহাট ব্লকের তেলিপাড়ায় সংখ্যালঘু সেলের জেলা কার্যালয়ে একটি গোপন বৈঠকে মিলিত হন জেলার বিভিন্ন ব্লকের সংখ্যালঘু নেতারা। বৈঠকের মূল উদ্যোক্তা সংখ্যালঘু সেলের জেলা সভাপতি মিজানুর রহমান। বৈঠকে সরাসরি মাদার তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। অভিযোগ, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে দল কেবলমাত্র ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করছে, কিন্তু সংগঠনের মূলস্রোতে তাদের জায়গা দেওয়া হচ্ছে না।

বিক্ষোভের পেছনে রয়েছে ২৮শে জুনের একটি ঘটনা। সেদিন শহরের আর্ট গ্যালারিতে ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা শেষে দুই সংখ্যালঘু তৃণমূল কর্মীকে আটক করে কোতোয়ালি থানার পুলিশ। উপস্থিত ছিলেন সংখ্যালঘু জেলা সভাপতি মিজানুর রহমান ও সদর সভাপতি আব্দুল বারি। তাঁরা পুলিশকে বাধা দিলেও কোনও কর্ণপাত হয়নি। পরে জেলা সভাপতি মহুয়া গোপ ও অন্যান্য নেতৃত্বের দ্বারস্থ হলেও মেলেনি প্রতিকার।

এই ঘটনার পর থেকেই জেলার সংখ্যালঘু সেলে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জেলা সভাপতি বৈঠক ডাকেন, কিন্তু সেখানে আরও বিস্ফোরক হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। জেলা সভাপতির সামনেই ক্ষোভ উগরে দেন ব্লক নেতৃত্ব।

জেলা সংখ্যালঘু সভাপতি মিজানুর রহমান সংবাদমাধ্যমকে বলেন,

“নেতৃত্বের ক্ষোভ যথার্থ। বহু তৃণমূল নেতা সংখ্যালঘু নেতৃত্বকে গুরুত্ব দিতে চান না। উন্নয়নের নামে অর্থ এলেও সংখ্যালঘুরা প্রকৃত উপকার পাচ্ছেন না।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ডোমা-মাইনরিটি ডিপার্টমেন্টের অর্থে ধূপগুড়িতে দোকানঘর নির্মাণ হলেও সেখানে সংখ্যালঘুদের জায়গা দেওয়া হয়নি।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ঘটনা ২১ জুলাইয়ের মতো বড় কর্মসূচিকে সামনে রেখে দলের ভাবমূর্তিতে বড় ধাক্কা দিতে পারে। বিরোধীরা দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘুদের ‘ভোটব্যাঙ্ক’ হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ করে এসেছে। এবার সেই অভিযোগ যেন ঘর থেকেই উঠতে শুরু করেছে।

এখন দেখার, মাদার তৃণমূল নেতৃত্ব এই বিক্ষোভ সামাল দিতে কী পদক্ষেপ নেয়।


Loading

অবিলম্বে কলকাতা বিমানবন্দর চত্বর সিল করে দেওয়া হোক : শুভেন্দু 

কলকাতা বিমানবন্দর দেশের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর, এখানে নিরাপত্তার ঝুঁকি রয়েছে বলে মনে করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৬/০৬/২০২৫ : কলকাতা বিমানবন্দরের সীমানা অবিলম্বে সিল করে দেওয়ার আহবান জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। 

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “কলকাতা বিমানবন্দর নিরাপত্তার ঝুঁকি নিয়ে চলছে।  এখানে বিমানবন্দরের চত্বরেই মাটিতে বসে পড়ে  প্রার্থনা করা হয়। বাইরের লোক বিমানবন্দর চত্বরে ঘোরাফেরা করে। এইসব লোকেদের চীন ও বাংলাদেশের সাথে যোগাযোগ রয়েছে। এইসব লোকগুলো যখন তখন বিমানবন্দর চত্বরে ঘোরাফেরা করে।  এখনও  পর্যন্ত এই বিমানবন্দরের সীমানা সম্পূর্ণ  সিল করা হয় নি।” সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া  এক সাক্ষাৎকারে এই কথা বলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। 

তিনি আরও বলেন, “ইতিমধ্যে কেন্দ্র সরকারের অনুদানে কলকাতা বিমানবন্দরে আরও দুটি রানওয়ে  তৈরি করা হয়েছে। এই রান ওয়েগুলির কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে,  কিন্তু তা সত্বেও দুটি রানওয়ের একটি চালু করা গেলেও অপরটি করা যায় নি।  কেন ? কেননা ওই  রানওয়ের অন্তর্গত রয়েছে একটি মসজিদ। এটা  চলতে দেওয়া যায় না।”

শুভেন্দু অধিকারী এদিন বলেন, “দেশের প্রত্যেকটি রাজ্য যোগ দিবস পালন করলেও পশ্চিমবঙ্গ ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টিকে এড়িয়ে গিয়েছে। দেশের বিজেপি ও অবিজেপি শাসিত সব রাজ্যই যোগ দিবস পালন করেছে। শরীরকে সুস্থ রাখতে প্রত্যেকেরই উচিত যোগা করা।”


Loading

শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের  বিশেষ বৈঠকে ঠিক হল উন্নয়নের সব কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে 

শিলিগুড়ির মহকুমা পরিষদের বৈঠকে মিলিত হয়ে তৃণমূলের নেতারা সিদ্ধান্ত নিলেন উন্নয়নের সাথে কোনো সমঝোতা করা চলবে না

শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের বিশেষ বৈঠক 

আজ খবর (বাংলা),[রাজনীতি]  শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ২৪/০৬/২০২৫ : নিজস্ব প্রতিনিধি :  শিলিগুড়ি ও সমতল এলাকায় উন্নয়ন প্রকল্প চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যে বৈঠক করলো তৃণমূল নেতৃত্ব।  উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ যেভাবে চলছিল ঠিক সেভাবেই বাকি কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানিয়ে দিলেন তৃণমূল নেতারা। 

শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের এই বিশেষ বৈঠকে যে বিষয়টি উঠে এসেছে তা হল, উন্নয়নের কাজকর্ম এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে দলের তৃণমূল স্তর থেকে শুরু করে শীর্ষ স্তর পর্যন্ত একটা সুষম সমন্বয় থাকা অত্যন্ত জরুরি। আজকের বৈঠকে সেই কাজটাই করা হল। দলের মধ্যে কিছু ভুল বোঝাবুঝি অবশ্যই আছে, সেই ভুল বোঝাবুঝির জায়াগাগুলিকেও মেরামত করে নেওয়া হল আজকের বৈঠকে। ব্লক স্তরের নেতাদের সাথে শীর্ষ স্তরের প্রত্যেক নেতাদের আলাপচারিতার মাধ্যমে এই কয়েক ঘণ্টা ধরে এই আলোচনা করা হল। 

এই বৈঠকের শেষে তৃণমূল নেতৃত্ব জানিয়েছে, ‘এই অঞ্চলে অনেক কাজই করা হয়েছে, বাকি যে কাজগুলি রয়েছে, তাও দ্রুত শেষ করে ফেলার ব্যাপারে আজকের বৈঠকে আলোচনা করা হয়েছে। উন্নয়নের কাজ কোনোভাবেই আটকে  .থাকবে না।’ এই বৈঠকের পরবর্তী পর্যায়ে আগামী ২১শে  জুলাই নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 


Loading

কালীগঞ্জের এই জয় জনগণের : আলিফা 

কালীগঞ্জে তৃনমূল যে  জিতবে তা আগে থেকেই জানত পদ্ম শিবির 

আলিফা  আহমেদ, তৃণমূল

আজ খবর (বাংলা),  [রাজনীতি], কালীগঞ্জ, নদীয়া,  ২৪/০৬/২০২৫ :  কালীগঞ্জ উপনির্বাচনে জিতে তৃণমূল প্রার্থী আলিফা  আহমেদ বললেন, “আমরা সবসময়ই মানুষের জন্যে কাজ করি।”

কালীগঞ্জ উপ নির্বাচনে জিতে তৃণমূল প্রার্থী আলিফা আহমেদ বলেন, “আমরা সবসময়ই মানুষের জন্যে কাজ করে যায়। এটাই তৃণমূল কংগ্রেসের দস্তুর। অন্যদের মত ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করি না। আমরা সবসময়ই মানুষের পাশে থাকি, তাদের জন্যে কাজ করি আর সেই কারণেই আমরা মানুষের আশীর্বাদ পাই। তাই আমরা তাদের সকলের কথা বলি। আমার এই জয়কেও আমি জনগণের কাছে উৎসর্গ করলাম। এই জয় সকলের।”

নদীয়ার কালীগঞ্জ উপ নির্বাচনে তৃণমূল  কংগ্রেসের হয়ে প্রার্থী হয়েছিলেন আলিফা আহমেদ, বিজেপির হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন আশিস ঘোষ এবং কংগ্রেসের হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন কাবিলউদ্দিন শেখ. এই নির্বাচনে তৃণমূলের আলিফা  ৫০ হাজারেরও বেশি ভোটে জয়লাভ করেছেন।  ভোটে জিতে তাঁর বিপুল জয় আলিফা জনগণের উদ্যেশ্যে উৎসর্গ করেছেন এবং এই জয়ের জন্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন। আলিফা ‘দাদা’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন। নদীয়ার কালীগঞ্জের এই আসনটিতে বিধায়ক ছিলেন তৃণমূলের নাসিরুদ্দিন আহমেদ। তাঁর মৃত্যুর পর এই আসনে ভোটে জিতে এলেন তৃণমূলেরই আলিফা।


Loading

এখানে গণতন্ত্র নেই : সুকান্ত মজুমদার 

তৃনমুলের বিজয় উল্লাস প্রাণ কেড়ে নিল  একটি বাচ্ছা মেয়ের, এটাই কি গণতন্ত্রের নমুনা ? প্রশ্ন বিজেপির 

সুকান্ত মজুমদার (বিজেপি)

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৪/০৬/২০২৫ : কালীগঞ্জের মত জায়গাগুলিতে গণতন্ত্র বলে আর কিছু নেই বলে  করেছেন বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার।

উপ নির্বাচনের দিন যখন তৃণমূল সমর্থকেরা কালীগঞ্জে বিজয় উল্লাসে মেতেছিল, সেই সময় একটি বাড়িকে লক্ষ্য করে কেউ বোমা ছুঁড়ে দেয়। আর সেই বোমা ফেটেই মৃত্যু হয় ১৩ বছর বয়সী এক নাবালিকার। সেদিন  একটি বোমা বিস্ফোরণ গোটা গ্রামের চিত্রটাই বদলে দেয়। এই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও শোকাহত হয়েছেন এবং এই ঘটনার নিরপেক্ষ পুলিশি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। 

বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের আচরণ এবং ঐ  এলাকায় গণতন্ত্রহীনতাকেই দায়ী করেছেন। তিনি বলেছেন, “ঐ  জায়গাটি মুসলিম অধ্যুষিত। মুসলিম ভোট বেশি। এই মুসলিম ভোটকেই টার্গেট করে থাকে তৃণমূল কংগ্রেস। মুসলিম ভোটের ওপর ভরসা করে থাকা তৃণমূল কংগ্রেস সেদিন বিজয় উল্লাস পালন করছিল। সেদিন কেউ একজন সিপিএম সমর্থকদের বাড়ি লক্ষ্য করে বোমা ছোঁড়ে। যেখানে বোমাটি ফাটে, ঠিক সেখানেই দাঁড়িয়েছিল ১৩ বছর বয়সী একটি মেয়ে। ঘটনাস্থলেই মেয়েটি লুটিয়ে পরে।  তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও বাঁচানো যায় নি। মেয়েটি মারা যায়।

এই ঘটনাটিকেই কটাক্ষ করে বিবৃতি দিয়েছেন বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। 


Loading

congtogel

slot gacor

link slot gacor

slot

hartacuan

slot

slot gacor

slot gacor

slot gacor

situs slot toto

playaja

hartacuan

slot gacor

situs slot gacor

link slot online

slot gacor

link slot gacor

slot bet 200

slot dana

slot online

slot gacor

slot777

slot deposit pulsa

situs gacor resmi

link slot gacor

slot gacor

slot gacor

slot toto

link slot

slot

slot

situs slot

slot gacor

login congtogel

situs togel

togel online

slot wdyuk

congtogel

bandar togel

hartacuan

congtogel

slot gacor

slot gacor

slot gacor

londonslot link alternatif

slot gacor

wdyuk

togel online

togel online

situs toto

indosloto

situs toto

watitoto

congtogel

congtogel

danatoto

slot gacor