Aaj Khabor

আদমপুরে গিয়ে ‘নায়ক’দের মাঝে মিশে গেলেন প্রধানমন্ত্রী 

আজ খবর (বাংলা), [দেশ] আদমপুর, পাঞ্জাব, ১৩/০৫/২০২৫ :  অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমে দেশের অসাধারণ সামরিক জয়লাভের কান্ডারি যাঁরা সেই বীর  সেনা জওয়ানদের অভিনন্দন জানাতে পঞ্জাবের আদমপুরে পৌঁছে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। 

আদমপুর বিমান ঘাঁটিতে পৌঁছে নরেন্দ্র মোদী ভারতের বীর  বায়ু সেনা ও অন্যান্য সেনা জওয়ানদের মাঝে মিশে গেলেন।  শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানালেন দেশের বীর  সেনানীদের।  আজ সকালেই প্রধানমন্ত্রী আদমপুরের বায়ু সেনার বিমান ঘাঁটিতে পৌঁছে যান। সেখানে প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে সেনা জওয়ানরা উচ্ছাসে ফেটে পড়েন। প্রধানমন্ত্রীও সেনা জওয়ানদের ভীড়ে মিশে যান। 

সেনা জওয়ানদের ভীড়ে মিশে যাওয়ার ছবি প্রধানমন্ত্রী তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন. এরপর তিনি ভারত মাতা কি জয় স্লোগান তুল্লে সেনাবাহিনীও সেই স্লোগানে মেতে ওঠে. প্রধানমন্ত্রী সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। 

কিন্তু শুভেচ্ছা সংবর্ধনার জন্যে প্রধানমন্ত্রী আদমপুরকেই বেছে নিলেন কেন ? কারন আদমপুর এয়ার বেশ ছিল অপারেশন সিঁদুরের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গা। এই জায়গা থেকেই অপারেশন সিঁদুরের জন্যে একের পর এক মিসাইল দাগা  হয়েছিল পাকিস্তানে থাকা জঙ্গী ঘাঁটিগুলিকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার জন্যে। আর যে সব সেনা জাওয়ানদেরকে শুভেচ্ছা জানাতে প্রধানমন্ত্রী দিল্লী থেকে তড়িঘড়ি আদমপুরে পৌঁছে গেলেন, সেই সেনা জাওয়ানরাই হলেন অপারেশন সিঁদুরের নেপথ্য নায়ক।  

ভারতের বায়ু সেনা অপারেশনের বায়ু সেনার ডিরেক্টর জেনারেল এয়ার মার্শাল এ কে ভারতী  জানিয়েছেন, “তাঁদের উদ্দেশ্য এবং লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানের মাটিতে থাকা জঙ্গী ঘাঁটিগুলি। সীমান্ত থেকে ১৬৫ কিলোমিটার ভিতরে ঢুকে সেই ঘাঁটিগুলি গুঁড়িয়ে দেওয়ার কাজ করেছে ভারতীয় বায়ু সেনার এই ইউনিট। তবে পাকিস্তানের সেনা ঘাঁটি অথবা সাধারণ মানুষ কোনোটাই ভারতীয় সেনাবাহিনী টার্গেট হিসেবে নেয় নি। আমরা জঙ্গিদেরকে দেখিয়ে দিয়েছি ভারতীয় মা ও বোনেদের মাথার সিঁদুর সরিয়ে নেওয়ার কি ভয়ঙ্কর পরিনাম হতে পারে।”


Loading

কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও এখনও  উপত্যকায় গুলির লড়াই 

আজ খবর (বাংলা), [দেশ] , শ্রীনগর, জম্মু ও কাশ্মীর, ১৩/০৫/২০২৫ :   জম্মু ও কাশ্মীরে বাচ্ছাদের স্কুলগুলি খুলে গেলেও সোপিয়ানে  ফের শোনা গেল গুলির আওয়াজ। সেখানে এই মুহূর্তে জঙ্গীদের সাথে এনকাউন্টার চলছে নিরাপত্তা বাহিনীর।

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কিছু সময়ের জন্যে হলেও যুদ্ধ বিরতি চলছে। যদিও গতকাল রাতে সেই যুদ্ধবিরতি বোঝাপোড়াকে লংঘন করেই পাকিস্তানের দিক থেকে বেশ কিছু ড্রোন উড়ে আসতে  দেখা গিয়েছে। এই ড্রোনগুলিকে নিষ্ক্রিয় করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।  যুদ্ধবিরতি থাকা সত্বেও পাকিস্তানের দিক থেকে মাঝে মাঝেই উড়ে আসতে  দেখা যাচ্ছে কিছু ড্রোনকে, এই পরিস্থিতিই পুরো দস্তুর স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে দিচ্ছে না জম্মু ও কাশ্মীর উপত্যকাকে।  কোথাও যেন একটু শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের মনে। 

পাকিস্তানের সাথে সংঘাতের আবহে অনেকটাই বদল এলেও এখনও  ধরা পড়েনি পহেলগাওঁয়ে নিরীহ পর্যটকদেরকে যারা গুলি চালিয়ে মেরেছিল সেই জঙ্গীরা।  তারা এখনো শাস্তি পায় নি। গোটা উপত্যকায় সেই জঙ্গীদের মাথার দাম ঘোষণা করা হয়েছে ২০ লক্ষ টাকা করে।  যে বা যারা এই জঙ্গীদের খবর এনে দেবে তার পরিচয় গোপন রাখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে কাশ্মীর পুলিশের পক্ষ থেকে। এর মধ্যেই খবর এসেছে সোপিয়ানের  জঙ্গলে লুকিয়ে আছে জঙ্গীরা।এরা  সেই পহেলগাঁওয়ের জঙ্গীরাও হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।  এই তথ্য পেয়েই নিরাপত্তা বাহিনী ছুটে গিয়েছে সোপিয়ান অঞ্চলে।

 দক্ষিণ কাশ্মীরের সোপিয়ান জায়গাটি জম্মু থেকে ২১৬ কিলোমিটার এবং শ্রীনগর থেকে ৫৫ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত। পহেলগাঁও থেকে দূরত্ব ৭১ কিলোমিটার আর সোপিয়ানের  সবচেয়ে কাছের পাকিস্তান সীমান্ত হল আগলার নামে একটি ছোট্ট গ্রাম। সোপিয়ান থেকে দূরত্ব মাত্র ২২ কিলোমিটার। যদি জঙ্গীরা পহেলগাঁওয়ের দিক থেকে ঘন জঙ্গল ভেদ করে সোপিয়ানে  এসে থাকে তাহলে তাদের উদ্দেশ্য নিশ্চয়ই কোনোভাবে লাইন অফ কন্ট্রোল (LOC)  পার করে পাকিস্তানে পৌঁছে যাওয়া। কিন্তু সেটা সম্ভব হতে দেওয়া যায় না। 

সোপিয়ানের বিশাল এলাকা কর্ডন করে ঘিরে ফেলেছে নিরাপত্তা বাহিনী। এই দলে আছে কাশ্মীর পুলিশ, সিআরপিএফ এবং আর্মির জওয়ানরা। সোপিয়ান অরণ্যের ভিতরে রীতিমত চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। দুই পক্ষই গুলি চালিয়েছে। এর মধ্যে একজন জঙ্গীকে গুলি করে খতম করা গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। বাকিদের খোঁজে এখনও  তল্লাশি চালানো হচ্ছে। 


Loading

এরপর পাকিস্তানের সাথে কথা হবে পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে : মোদী

আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ১২/০৫/২০২৫ : আজ কিছুক্ষন আগেই রাত্রি আটটার  সময় ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জাতির উদ্দেশ্যেভাষণ দিলেন। 

প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশ্যে তাঁর ভাষণে ঠিক যা কিছু বলযেন, তাতে এই ভাষণকে কোনো রাষ্ট্রের বিজয়ী ভাষণ হিসেবে ব্যক্ত করলে অত্যুক্তি হবে না।  প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “অপারেশন সিঁদুর পাকিস্তানের মাটিতে জন্ম নেওয়া পাকিস্তানের মদতে বেড়ে ওঠা  জঙ্গিদেরকে তাদের কল্পনাতীত শাস্তি দিয়েছে। তারা ভাবতেও পারে নি যে ভারত তাদের  অভ্যন্তরে ঢুকে গিয়ে এতটা নির্মম প্রহার করতে পারবে। ভারতীয় সেনাবাহিনী যেভাবে পাকিস্তানে থাকা জঙ্গিঘাঁটিগুলিকে ধূলিস্যাৎ করে দিয়েছে তাতে গোটা বিশ্বের কাছে ভারতের শক্তি সম্বন্ধে একটা সঠিক বার্তা দেওয়া গিয়েছে।”

 মোদী বলেন, “এরপর থেকে ভারতে জঙ্গী কার্যকলাপ করার আগে পাকিস্তান বার বার ভাবনা চিন্তা  করবে।  এবার থেকে জঙ্গীপনা এবং জঙ্গিদেরকে মদতদাতা দুজনকেই সমান অপরাধী বলে মনে করবে ভারত। এটা  মনে রাখতে হবে যে অপারেশন সিঁদুর স্থগিত রাখা হয়েছে, বন্ধ হয়ে যায় নি।  ভারত প্রত্যাঘাত শুরু করার তিনদিনের মাথায় পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি চেয়ে ফোন করেছিল। ” এখানে প্রধানমন্ত্রী  বলেছেন, “পুরোপুরি  পিটুনি  খাওয়ার পর পাকিস্তানের  মিলিটারি অপারেশনের ডিরেক্টর জেনারেল যুদ্ধবিরতি চেয়ে ভারতের মিলিটারি অপারেশন ডিরেক্টর জেনারেলকে ফোন করেছিলেন।োর বিভিন্ন দেশের কাছেও সাহায্য ও সমর্থন চেয়ে কাতর আবেদন জানাচ্ছিল।” তারপরেও যুদ্ধবিরতি লংঘন করে ভারত সীমান্তে হামলা চালিয়েছিল পাকিস্তান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এরপর নিউক্লিয়ার ব্ল্যাকমেইল করলেও আমরা মানব না, ভারতীয় সেনা সবরকম পরিস্থিতির জন্যে তৈরি আছে। “

এখানেই প্রশ্ন ওঠে তাহলে কি পাকিস্তানের দিক থেকে যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের পাশাপাশি পরমাণু হুমকিও দেওয়া হয়ে ছিল ?  এদিন তাঁর ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পাকিস্তানকে তাদের জমিতে গড়ে ওঠা সন্ত্রাসবাদকে শেষ করতেই হবে, না হলে গোটা পাকিস্তানই একদিন শেষ হয়ে যাবে।”  এদিন মোদী বলেছেন, “সন্ত্রাস আর কথাবার্তা চালানো একসঙ্গে হতে পারে না।  সন্ত্রাস আর বাণিজ্য একসাথে হতে পারে না।   এরপর পাকিস্তানের সাথে ভারতের কথা হতেই পারে, তবে এবার কথা  হবে শুধুমাত্র সন্ত্রাসবাদ নিয়ে। কথা হবে পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে।  সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে  ভারত জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে চলেছে, ভবিষ্যতেও চলবে। অপারেশন সিঁদুর হল নিউ নরম্যাল।”


Loading

সাদা পোশাকে আর দেখা যাবে না বিরাটকে 

আজ খবর (বাংলা), [খেলা], মুম্বই , মহারাষ্ট্র, ১২/০৫/২০২৫ : রোহিত শর্মার পর এবার টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণ করলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি।

তাঁর অবসর নিয়ে জল্পনা চলছিলই, আজ টেস্ট খেলা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক তথা ভারতীয় দলের ভরসাযোগ্য ব্যাটার বিরাট কোহলি। সাদা পোশাকে ২২ গজের পিচে  ব্যাট হাতে নামতে আর দেখতে পাওয়া যাবে না বিরাটকে। সোমবার ১৪ বছরের ক্রিকেট জীবনে অন্তত টেস্ট খেলায় ইতি টানলেন বিরাট। টেস্ট খেলা থেকে অবসরের কথা বিরাট আজ নিজেই এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন। তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বিসিসিআই।

৩৬ বছর বয়সী বিরাট কোহলি মোট ১২৩টি টেস্ট ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন দেশের হয়ে। তাঁর  সংগ্রহে আছে মোট ৯২৩০ রান. এর মধ্যে রয়েছে ৩০টি সেঞ্চুরি আর ৩১টি অর্ধ সেঞ্চুরি। টেস্ট ক্রিকেটে তাঁর সেরা ইনিংসটিতে অপরাজিত থেকে মোট ২৫৪ রান তুলেছিলেন। শচীন তেন্ডুলকর, রাহুল দ্রাবিড় এবং সুনীল গাভাস্করের পর টেস্ট ক্রিকেটে বিরাট কোহলিই চতুর্থ সর্বোচ্য রানের অধিকারী। 

টেস্ট ক্রিকেট থেকে তাঁর অবসরের পর বিরাট  কোহলিকে তাঁর অসামান্য পারফর্মেন্সের জন্যে শুভেচ্ছা ও  অভিনন্দন জানিয়েছে বিসিসিআই এবং আইসিসি। 


Loading

বলিউড পালন করল বিশ্ব মাতৃ দিবস 

আজ খবর (বাংলা) [বিনোদন], মুম্বই , মহারাষ্ট্র, ১২/০৫/২০২৫ :  গতকাল ছিল বিশ্ব মাতৃ দিবস। গোটা দুনিয়ার পাশাপাশি বলিউডও স্মরণ করেছে মা’কে।

সুপারস্টার সলমন খান গতকাল তাঁর মাকে স্মরণ করতে গিয়ে বলেছেন, “বিশ্বের দুই অসাধারণ নারীকে আমি আমার মা হিসেবে পেয়েছি। একজন হলেন সালমা খান এবং অন্যজন হলেন হেলেন।” এই দুই নারীকে তিনি বিশ্বের সেরা মা বলে মনে করেন বলে এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন সলমন খান। তিনি একটি ছবিও পোষ্ট করেছেন, যে ছবিতে দেখা যাচ্ছে সলমন ও তার দুই মা হাসিমুখে ক্যামেরাকে পোজ দিয়েছেন। সঙ্গে রয়েছেন সলমন খান।

অভিনেত্রী কাজল মাদার্স ডে  উপলক্ষে যে ছবি পোস্ট করেছেন সেখানেও দুই মা’কে দেখা যাচ্ছে। সেই ছবিতেও হাসিমুখে পোজ দিতে দেখা যাচ্ছে তিনজনকে।  একজন হলেন কাজলের নিজের মা প্রাক্তন অভিনেত্রী তনুজা এবং আর এক জন হলেন তাঁর শাশুড়ি অর্থাৎ অজয় দেবগনের মা বীনা দেবগন। এই দুজন সম্বন্ধে কাজল বলেন , “আমার জীবনে এঁরা দুজনেই যেন ফুটে থাকা ফুলের মত।”

গতকাল মাকে স্মরণ করেছেন আর এক সুপারস্টার সঞ্জয় দত্ত। মা নার্গিসকে তিনি স্মরণ করেছেন এবং এক্স হ্যান্ডেলে মায়ের সাথে তাঁর বেশ পুরোনো কিছু ছবিও শেয়ার করেছেন।  বিশ্ব মাতৃ দিবসে মা দুলারী খেরকে  স্মরণ করেছেন অনুপম খের। সদ্য বাবা হয়েছেন ক্রিকেটার কে এল রাহুল। তিনি তাঁর সন্তানের জননী আথিয়া শেট্টিকে মাতৃ দিবস উৎসর্গ করেছেন। আথিয়া অভিনেতা সুনীল শেট্টির মেয়ে। 


Loading

অন্য দেশে থাকা জঙ্গীদের নিকেশ করার রেকর্ড করেছে ভারত 

আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], নতুন দিল্লী, ভারত, ১২/০৫/২০২৫ :    বেশ কিছুদিন পর ফের  শান্তি এসেছিল রাত্রে।  ভয়ে ভয়ে ঘুমোতে যেতে হয় নি।  আক্রমণ আসে নি পাকিস্তানের দিক থেকে। তাই কিছুটা স্বস্তিতে থাকলেও সদা  সতর্ক  সেনাবাহিনী। 

পাকিস্তানকে তাদের জঙ্গী কাজ কর্মের জন্যে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হয়েছে  বলে দাবী করেছে বিজেপি। সোমবার বিজেপি সাংসদ  সম্বিৎ পাত্র বলেন, “প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে কথা দিয়েছিলেন যে ভারত এমনভাবে পাকিস্তানের ওপর প্রত্যাঘাত করবে যা তারা কল্পনাও করতে পারবে না। ভারতের আক্রমণ হবে তাদের কল্পনার অতীত। বাস্তবে ঠিক তাই ঘটেছে। ভারতীয় সেনাবাহিনী পাকিস্তানের মাটিতে গড়ে ওঠা সন্ত্রাসবাদকে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। পাক সেনাবাহিনীর সবকয়টি সামরিক আস্তানাকে ভারত  নিজেদের অস্ত্রের আওতায় নিয়ে আসতে  পেরেছে।” 

আসামের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মা  বলেছেন, “ভারতীয় সেনাবাহিনী শত্রু দেশের ভিতরে থাকা জঙ্গি ডেরাগুলিকে একেবারে ধূলিস্যাৎ করে দিয়েছে। শতাধিক জঙ্গীকে খতম করে দিয়েছে। এর আগে অন্য কোনো দেশ আর একটি দেশের  থাকা এত  সংখ্যক জঙ্গীকে নিকেশ করতে পারে নি। নরেন্দ্র মোদীই এটা  প্রথমবার করে দেখালেন।  অপারেশন সিঁদুর সামরিক অভিযানের একটি সার্থক নাম, এই অভিযানের উদ্দেশ্যই ছিল পাকিস্তানের মাটি থেকে সন্ত্রাসবাদকে নির্মূল করা। সেই উদ্দেশ্যে প্রায় সবটাই সাফল্যের সাথে করা গিয়েছে। অপারেশন সিঁদুর এখনো শেষ হয় নি। কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে এখনও  বেঁচে  থাকা সন্ত্রাসবাদীদের ওপর।” 


Loading

পাকিস্তানের যে কোনো তৎপরতা ভারতের চোখ এড়িয়ে যাবে না 

আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ১২/০৫/২০২৫ :  পাকিস্তানের সাথে ভারতের সংঘাত নিয়ে সাংবাদিকদের যাবতীয় প্রশ্নের উত্তর দিলেন তিন বাহিনীর প্রধানরা। 

জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওতে গত ২২শে এপ্রিল যে নিরীহ ২৬ পর্যটকের প্রাণ গিয়েছে, তারপর দেশের তিন সেনাবাহিনীকে মুক্ত হস্তে সক্রিয় করে দিয়েছিল ভারত সরকার শুধুমাত্র শত্রুদের কঠোর শাস্তি দেওয়ার জন্যে। তারপর কেটে গিয়েছে বেশ কয়েকটা দিন। জঙ্গী এবং জঙ্গীদের অবিভাবক পাকিস্তানকে ঠিক কিভাবে শায়েস্তা করা হল তা জানাতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন ভারতের তিন সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান। তাঁদের সাথে ছিলেন ভারতের মিলিটারি অপারেশনের ডিরেক্টর জেনারেল।  

তিন বাহিনীর প্রধানরা জানিয়েছেন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যথেষ্ট কঠোর মনোভাব নিয়েই ভারতীয় সেনাবাহিনী সংঘাতের পথে এগিয়েছিল। পাকিস্তানের মাটি থেকে সন্ত্রাস উৎখাত করতেই ভারত পাকিস্তানের মাটিতে আক্রমণ চালিয়েছিল। পাকিস্তানের ওপর গোলা বর্ষণ করে প্রায় সব কয়টি জঙ্গীদের লঞ্চ প্যাড ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া গিয়েছে। সেইসঙ্গে অন্তত ১০০ জন জঙ্গীকে নিকেশ করা গিয়েছে। ভারত শুধুমাত্র জঙ্গিডেরাগুলিকে টার্গেট করেই আক্রমণ শানিয়েছিল, যাতে পাকিস্তানের সাধারণ  মানুষের খুব কম ক্ষয়ক্ষতি হয়পাকিস্তানের

এই মুহূর্তে দুই দেশের ডিজিএমও  পর্যায়ের হটলাইন বৈঠকের পর যুদ্ধবিরতি চলছে দুই দেশের মধ্যে। কিন্তু রাতের অন্ধকারে যুদ্ধ বিরতি লংঘন করেই পাকিস্তানের তরফ থেকে ভারতে হামলা চালানো হয়েছে, যার যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।  সেনাপ্রধানরা জানিয়েছেন পাকিস্তানের যে কোনো জায়গা ভারতীয় সেনাবাহিনীর নজরদারিতে রয়েছে। পাকিস্তান তাদের মাটি থেকে যে কোনো রকম তৎপরতা নিক না কেন তা ভারতের নজর এড়িয়ে যাবে না। 


Loading

 কথা দিয়েও কথা রাখল না পাকিস্তান

আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক], নতুন দিল্লী, ভারত, ১০/০৫/২০২৫ : ফের একবার পাকিস্তানের ওপর ভরসা করে ঠকে যেতে হল ভারতকে। আসলে ভারত তো আর পাকিস্তানের ওপর নয়, ভরসা করেছিল আমেরিকার ওপর, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর। কিন্তু পাকিস্তান আমেরিকাকেও দেওয়া কথা লঙ্ঘন  করে ফেলল।

ভারতের বিদেশ সচিব  বিক্রম মিশ্রী যা ঘোষণা করেছিলেন, তাতে বোঝা যাচ্ছিল আমেরিকার মধ্যস্থতায় ভারত – পাকিস্তান দুই দেশ যুদ্ধ বিরতি শুরু করবে। আজ বিকেল ৫টা  থেকে সোমবার বেলা ১২টা  পর্যন্ত এই যুদ্ধ বিরতি চলবে। এই ব্যাপারে দুই দেশের ডিজিএমও  পর্যায়ের বৈঠকে দুই দেশই  যুদ্ধ বিরতিতেই সম্মত হয়েছে।  কিন্তু সেই ঘোষণার কিছুক্ষন পরেই পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির কথা ভুলে গিয়ে বোমা বর্ষণ শুরু করে দিল। এক ঘণ্টার মধ্যেই শ্রীনগরে তারা অন্তত ৫০টি বোমা বিস্ফোরণ করিয়েছে। রাজস্থান এবং গুজরাট সীমান্ত দিয়েও তারা ড্রোন আক্রমণ করেছে।  ভারত অত্যন্ত সংযতভাবে এর জবাব দিয়েছে। ভারতীয় সেনাবাহিনী কড়া  নজরদারি চালিয়ে গিয়েছে। 

এরপরেই চীন প্রকাশ্যে ঘোষণা করে দিল যে তারা পাকিস্তানকে সমর্থন দিচ্ছে। আর তার  ঠিক পরেই বাংলাদেশ ঘোষণা করল তাদের দেশে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হচ্ছে। অর্থাৎ এরপর বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের নেতা বা সদস্যদের জেলে পুড়তে এবং শাস্তি দিতে আর কোনো বাধা রইল না। এরপর নিশ্চয়ই ভারতের আশ্রয়ে থাকা শেখ হাসিনাকেও বাংলাদেশের হাতে প্রত্যর্পণের জন্যে চাপ দেওয়া হবে। শুধু তাই নয়, এর মধ্যেই হয়ত ফের একবার বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়নও  শুরু করা হবে এবং তা হয়ত ফলাও করে প্রচার করাও হবে ।

 এই মুহূর্তে পাকিস্তান পশ্চিম দিক থেকে, চীন উত্তর দিক থেকে এবং বাংলাদেশ পূর্ব দিক থেকে হয়ত  ঘিরে ধরতে চাইবে ভারতকে।  আর এই সময়ে বিশ্বের অনেক দেশ ভারতের পাশে থাকার বার্তা প্রাথমিকভাবে দিলেও এখনো প্রকাশ্যে পাশে এসে দাঁড়ায় নি। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে কোনো বড় গেম প্ল্যান মাথায় নিয়েই পাকিস্তান কথা দিয়েও  যুদ্ধ বিরতি চুক্তি না মেনে ভারতকে আক্রমণের সাহস দেখাতে শুরু করেছে। পিছনে আছে শক্তিশালী কেউ। তবে ভারত কোনোভাবেই কম যায় না। ভারত অর্থনৈতিকভাবে, কূটনৈতিকভাবে, সামরিকভাবে এতটাই এগিয়ে রয়েছে যে এই ধরনের পরিস্থিতি অনায়াসেই সামলে নিতে পারবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল.। 


Loading

অদৃশ্য কারণে ভারত পাক সংঘর্ষ স্থগিত হয়ে গেল 

আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক], নতুন দিল্লী, ভারত, ১০/০৫/২০২৫ :  আপাতত পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ থেমে গেল।  দুই দেশের কোনো পক্ষই আর একে অপরকে  আক্রমণ করবে না বলে ঠিক হয়েছে। 

ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের সচিব বিক্রম মিশ্রি  জানিয়ে দিলেন, ‘পাকিস্তানের মিলিটারি অপারেশনের ডিরেক্টর জেনারেলের সাথে ভারতের মিলিটারি অপারেশন ডিজির বৈঠক হয়েছে। আপাতত দুই দেশ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, জল, স্থল ও আকাশপথে ভারত ও পাকিস্তান কেউই আর অপরের দিকে কোনো রকম আক্রমণ চালাবে না।  দুই পক্ষই স্থিতিশীল পরিস্থিতি বজায় রাখবে। সুতরাং দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ আপাতত স্থগিত রইল। ‘

আজ দুপুর ৩:৩৫ মিনিটে পাকিস্তানের ডিজিএমও  ভারতের ডিজিএমওর সাথে বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ভারত পাকিস্তান দুই দেশ যুদ্ধ বন্ধ করবে। কেউই আর কাউকে আক্রমণের পথে যাবে না।  এই যুদ্ধ বিরতি আজ বিকেল ৫:০০টা  থেকে শুরু করা হবে।  আগামী ১২ তারিখে ফের একবার বৈঠকে বসবে দুই পক্ষ। ততক্ষন যুদ্ধবিরতি চলবে।

আজ দুই দেশের যুদ্ধ বিরতির বিষয়টি প্রথম প্রকাশ্যে আনেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সমাজমাধ্যমে জানান, ভারত ও পাকিস্তান দুই দেশ যুদ্ধ বিরতিতে  রাজি হয়েছে।  এরপর সাংবাদিক বৈঠকে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের সচিব জানিয়ে দেন যে দুই দেশ যুদ্ধ বিরতিতে রাজি হয়েছে। তাই আজ বিকেল ৫টা  থেকে যুদ্ধ বিরতি বজায় রাখবে। যদিও ভারতের তরফ  থেকে জানানো হয়েছে যে যদি পাকিস্তানের দিক থেকে আক্রমণ করা হয় তাহলে ভারতও ফের আক্রমনের পথে যাবে। 

এই ঘোষণার পরেই  দেশের বিভিন্ন জায়গায় ক্ষোভ দেখা দিতে শুরু করেছে। বিশেষ করে কংগ্রেস এবং বামেরা ক্ষোভ দেখতে শুরু করে।  অনেকেই মন্তব্য করেন যে,  ভারত ও পাকিস্তানের যুদ্ধের বিষয়টি অত্যন্ত গোপনীয়, এই ব্যাপারে ডোনাল্ড ট্রাম্প হস্তক্ষেপ করেন কি ভাবে ? কিভাবে ভারত সরকারিভাবে কিছু ঘোষণা  না করলেও ডোনাল্ড ট্রাম্প সমাজ মাধ্যমে ঘোষণা করে দেন ?  ২৬ জন নিরীহ মানুষের চিতার উত্তাপ এখনো ঠান্ডা হয় নি।   বিএসএফ জওয়ান পি কে সাউ এখনো ঝালদার বাড়িতে ফিরে যেতে পারেন নি, তিনি পাকিস্তানে জেলে বন্দী আছেন। এতজন ভারতীয় জওয়ান প্রাণের বাজি রেখে যুদ্ধ করছেন সেই দেশের বিরুদ্ধে, যারা বছরের পর বছর জঙ্গী তৈরির কারখানা তৈরি করে রেখে দিয়েছে নিজেদের জমিতে। কিভাবে দুই তিনদিনের মাথায় ভারত পাক যুদ্ধ শেষ হয়ে যায় ? কার আঙ্গুলি হেলনে ? একি  ভারতের অসম্মান নয় ? এ কি ভারতের কূটনৈতিক পরাজয় নয় ? এই সব কিছু নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।  ১৪০ কোটি মানুষের প্রশ্ন। 


Loading

অপারেশন সিঁদুর মাসুদের  ভাইদেরকে খতম করেছে নিখুঁতভাবে

আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ১০/০৫/২০২৫ :  গত ৭ তারিখে অপারেশন সিঁদুর পাকিস্তানের ওপর যে প্রত্যাঘাত করেছিল,  সেই আঘাতে জঙ্গী শিরোমনি মাসুদ আজাহারের জামাই খতম হয়ে গিয়েছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। 

মে মাসের ৭ তারিখে ভারতীয় সশস্ত্র সেনা পাকিস্তানের ৯টি জায়গায় নিখুঁতভাবে মিসাইল আক্রমণ করেছিল। সেই আক্রমণে পাকিস্তানের ৯টি জায়গায় জঙ্গীদের সম্পূর্ণভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। ঐ  আক্রমনে প্রচুর পাকিস্তানি জঙ্গী খতম হয়েছিল। সেদিন মারা গিয়েছিল পাঠানকোট হত্যাকাণ্ডের মূল নায়ক আব্দুর রউফ. এই জঙ্গী আসলে মাসুদ আজাহারের ভাই।  ভারতের ঐ  মিসাইল আক্রমণেই মারা গিয়েছে জৈশ ই মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজাহারের আর এক আত্মীয় মহম্মদ ইউসুফ আজাহার। এই কুখ্যাত জঙ্গী কাঠমান্ডু থেকে দিল্লীর আইসি ৮১৪ বিমান অপহরণের মূল ষড়যন্ত্রকারী ছিল। ইউসুফ জঙ্গী শিবিরগুলোতে  অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ করে. জম্মু ও কাশ্মীরে অনেকগুলি নাশকতার ঘটনায় জড়িত এই ইউসুফ।

সাত তারিখে ভারতের অপারেশন সিঁদুরের হানায় অন্যান্য জঙ্গীদের সাথে খতম হয়েছিল আরও এক  কুখ্যাত জঙ্গী। তার নাম হাফিজ মহম্মদ জামিল।  সেও ছিল মাসুদ আজাহারের  এক ভাই. সেদিন ভারত ৯টি জায়গায় টার্গেট করে মোট ২১টি জঙ্গী শিবির ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে। ঐ  আক্রমণে ১০০র বেশি জঙ্গীর নিধন সম্ভব হয়েছে।  সেদিন ভারত রীতিমত কোমর ভেঙে দিয়েছিল পাকিস্তানী জঙ্গীদের। ভারত আজ জানিয়ে দিয়েছে, আগামী দিনে পাকিস্তানের  যে কোনো জঙ্গী কার্যকলাপ ভারতের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ’ ঘোষণার সামিল হিসেবে গণ্য করা হবে. এবং সেক্ষেত্রে ভারত প্রত্যাঘাত করতে দুইবার ভাববে না। দ্রুত আক্রমনের  পথে যাবে।  


Loading

congtogel

slot gacor

link slot gacor

slot

hartacuan

slot

slot gacor

slot gacor

slot gacor

situs slot toto

playaja

hartacuan

slot gacor

situs slot gacor

link slot online

slot gacor

link slot gacor

slot bet 200

slot dana

slot online

slot gacor

slot777

slot deposit pulsa

situs gacor resmi

link slot gacor

slot gacor

slot gacor

slot toto

link slot

slot

slot

situs slot

slot gacor

login congtogel

situs togel

togel online

slot wdyuk

congtogel

bandar togel

hartacuan

congtogel

slot gacor

slot gacor

slot gacor

londonslot link alternatif

slot gacor

wdyuk

togel online

togel online

situs toto

indosloto

situs toto

watitoto

congtogel

congtogel

danatoto

slot gacor