ভোট আসছে, তাই উত্তেজনা ছড়াচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়। রাজনৈতিক মহলে বাড়ছে চাপান উতোর। তবে গ্রামের মহিলাদেরকে নিগ্রহ করা ঘটনা মোটেই সমর্থন যোগ্য নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল.
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], ফালাকাটা, আলিপুরদুয়ার, ০৫/০৭/২০২৫ : তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত পঞ্চায়েতের এক সদস্য গ্রামের মহিলাদের মারধর করছেন, বিবাদে জড়িয়ে পড়ছেন , এমন একটি ভিডিও আজ ভাইরাল হয়েছে। স্থানীয় বিধায়ক ও রাজ্যের বিরোধী দলনেতা এই ভিডিও পোস্ট করেছেন। এই নিয়ে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
সম্প্রতি আলিপুরদুয়ার জেলার ফালাকাটার কুঞ্জননগরে তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য দ্বারা আক্রান্ত হতে দেখা গিয়েছে গ্রামের মহিলাদের। এই ভিডিওটি সোশ্যাল মাধ্যমে পোস্ট করেন ফালাকাটার বিধায়ক দীপক বর্মন। এবং তারপরে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও পোস্ট করে।
পঞ্চায়েত সদস্যর নাম অসিত কর। ময়রাডাঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা। কুঞ্জ নগর ফালাকাটা আলিপুরদুয়ার জেলা।
(ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি আজ খবর)
রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় বহাল তবিয়তে থাকা মনোজিৎ এখন কড়া পুলিশ পাহারায়। প্রভাবশালী তকমা দিল পুলিশই
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৪/০৭/২০২৫ : আজ একেবারে ভোররাতে মনোজিৎদেরকে নিয়ে কসবা আইন কলেজে তথ্যানুসন্ধানে গিয়েছিল পুলিশ। পাশাপাশি গোটা কলেজের থ্রিডি ম্যাপিং করা হয়েছে। এদিকে আদালতের নির্দেশেই কসবা আইন কলেজ আগামী সোমবার থেকে খুলে দেওয়া হচ্ছে।
আজ ভোর রাতে কসবা কাণ্ডের মূল অপরাধী মনোজিৎ মিশ্র ও অপর দুই অভিযুক্তকে কসবা আইন কলেজে নিয়ে যায় পুলিশ। তারপর থেকে টানা চার ঘন্টা ধরে ধর্ষণ কাণ্ডের পুঙ্খানুপুঙ্খ নাট্যরূপ সাজিয়ে তোলা হয়, তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। লাগাতার জেরা করার পর তাদেরকে ফের নিয়ে চলে যায় পুলিশ। জিজ্ঞসাবাদের সম্পূর্ণ ভিডিও তুলে রাখা হয়। জেরা পর্বের বিষয়ে সাংবাদিকদের কিছু জানানো হয় নি পুলিশের তরফ থেকে।
পাশাপাশি আজ কসবা আইন কলেজের থ্রি ডি ম্যাপিং করা হয়। যাতে এরপর অন্যত্র গিয়ে এই তদন্তের জন্যে জিজ্ঞসাবাদ করতে কোনো অসুবিধা না হয়। কলেজের মেইন গেট থেকে শুরু করে গোটা কলেজ ভবন এবং গার্ড রুম যেখানে অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল, সেইসব জায়গার থ্রিডিম্যাপিং করানো হয়।আসলে এই মামলায় এভিডেন্স এবং সাক্ষী দুইয়ের ওপরেই জোর দিতে চাইছে পুলিশ। আগামী ১০ তারিখে (১০/০৭/২৫) গোটা মামলার কেস ডায়রি জমা করার কথা রয়েছে বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চে।
কসবা ধর্ষণ কাণ্ডের মূল অপরাধী মনোজিৎ মিশ্রকে পুলিশই প্রভাবশালী তকমা দিয়েছে। এই ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরেই কসবা কলেজে একজন দুস্কৃতির মত আচরণ করে আসছিল। তারপরেও সে রাজনৈতিক দলের আশ্রয়ে দিব্যি নিজের রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছিল। সে এই কলেজের প্রাক্তনী ছিল এবং এখানেই সে একজন অস্থায়ী কর্মী হিসেবে কাজ করছিল। সেই কাজ থেকে অবশ্য আগেই তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। কিন্তু কিভাবে এই কলেজে সে এই কাজ পেল, তা নিয়ে অনেকগুলি মতামত সামনে আসছে। তবে এটা পরিষ্কার যে একজন টিএমসিপি নেতা কলেজে গিয়ে রাজনৈতিক দাদাদের আস্কারায় রীতিমত দাদাগিরি চালিয়ে গিয়েছে দিনের পর দিন। বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও পুলিশ আজ পর্যন্ত তাকে কিচ্ছুটি বলে নি। আজ অবশ্য তার অস্থায়ী কর্মী হিসেবে কাজ করার জন্যে হাজিরা খাতাটি বাজেয়াপ্ত করে নিয়ে গিয়েছে পুলিশ।
ভোটের আগে দলবদলের ঘটনা আরও বাড়বে। রাজ্যের সব প্রান্তেই এমন ঘটনা ঘটবে। বড় নেতারাও নিশ্চয়ই দলবদল করবেন।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কোচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ, ০৪/০৭/২০২৫ : আগামী বছরের ভোটের দামামা গিয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলি নিজেদের প্রস্তুতি পারবো শুরু করে দিয়েছে সেই ভোটযুদ্ধের দিকে তাকিয়ে। আর এই প্রস্তুতির মাঝেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন কোচবিহারের বেশ কয়েকজন।
একুশের প্রস্তুতি সভা থেকে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান। হাতে আর মাত্র কয়েক দিনের অপেক্ষা তারপরেই একুশে জুলাই। সেই একুশে জুলাইকে সামনে রেখে জেলা ব্লগ অঞ্চল সর্বত্রই শুরু হয়েছে একুশের প্রস্তুতি সভা। এদিন খলিসামারি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে খলিশা মারি পঞ্চানন স্মৃতি বিদ্যাপীঠ স্কুলের মাঠে অনুষ্ঠিত হলো একুশের প্রস্তুতি সভা।
এদিনের সভা থেকে বেশ কয়েকজন বিজেপির কর্মী এবং নেতৃত্ব বিজেপি দল ত্যাগ করে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন।এদিনেরএই সভায় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের উৎসাহ ছিল চোখে পরার মত।
এদিনের এই সভায় উপস্থিত ছিলেন কোচবিহার জেলা তৃণমূল কংগ্রেস চেয়ারম্যান গিরীন্দ্রনাথ বর্মন, প্রাক্তন বিধায়ক হিতেন বর্মন, শীতলকুচি ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি তপন কুমার গুহ, চেয়ারম্যান আবেদ আলী মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মদন বর্মন, অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি ফটিক চন্দ্র বর্মন, স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান কল্পনা বর্মন সহ অন্যান্যরা।
বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি, প্রাক্তন সাংসদ, অভিজ্ঞ নেতা সব কিছুই ছিলেন তিনি। কিন্তু এখন দলের সব অনুষ্ঠানে তিনি ডাক পান না. দলের সাথে কি তাঁর দূরত্ব তৈরি হয়েছে ? দিলীপ ঘোষ নিজে কি ভাবছেন ?
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], নিউ টাউন, কলকাতা, ০৪/০৭/২০২৫ : শুক্রবার সকালে নিউটাউন ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে আসেন প্রাক্তন সাংসদ তথা বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। উপস্থিত সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন —
আপনি কি তৃণমূলে চলে যাবেন?
আমার রাজনৈতিক ভবিষ্যত পার্টি ঠিক করবে। ভগবানের খাতায় লেখা আছে। আমাকে বিজেপি নিয়ে এসে একটা জায়গা দিয়েছিল। আমি নিজে থেকে আসিনি। পার্টি চেয়েছে তাই আমি এসেছি। পার্টি আমাকে রাজ্য সভাপতি করেছে, বিধায়ক করেছে, সাংসদ করেছে, জাতীয় নেতা করেছে। আমি নিজে থেকে কিছু চাইনি। পার্টি আমাকে গাড়ি দিয়েছে, সিকিউরিটি দিয়েছে। আমি নিজে এগুলোর কোনোটাই চাইনি। পার্টি যদি মনে করে আমি এখন সাধারণ কর্মী হিসেবে কাজ করব, তাহলে তাই করব। আমাকে ডাকলে আমি যাই। না ডাকলে যাইনা।
দিলীপ ঘোষ মানেই তো চমক। আমরা কি আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কোনো চমক দেখব?
কল্পনা করতে তো পয়সা লাগে না। অনেকেই করছে। ২১ তারিখ পর্যন্ত কল্পনার ডেট দেওয়া হয়েছে। তারিখ পে তারিখ। কিছু একটা মার্কেটে থাকে। দিলীপ ঘোষ মার্কেটে আছে।
তৃণমূলের সঙ্গে তিক্ততা নেই তো আর?
আমার সঙ্গে কুণাল অরূপের অনেক আগে থেকে পরিচয়। এখনও আছে। আগামী দিনেও থাকবে। দিলীপ ঘোষ ওরকম ভাবে ভাবেনা। কাল শত্রু ছিল আজ বন্ধু হল আবার পরেরদিন শত্রু হল, দিলীপ ঘোষ ওইভাবে ভাবে না। যারা ওরকম করে তাদের সমস্যা আছে। দিলীপ ঘোষের এরকম কোনো সমস্যা নেই।
আমি জগন্নাথ মন্দির গিয়ে কারুর প্রতিনিধিত্ব করিনি
আমাকে মুখ্যসচিব চিঠি দিয়েছিলেন। আমি একজন সম্মানীয় নাগরিক। সেই হিসেবে গেছি। সরকারি প্রকল্প। কিন্তু আমি মনে করি ওই মন্দির তৈরিতে আমার ট্যাক্সের টাকা আছে। এটা কারুর পৈতৃক সম্পত্তি নয়। বহু লোক আমাকে ডাকে।
দলের মুখপাত্র ছিলেন, রাজ্য সভার সদস্য ছিলেন, তিনি ডাক্তারও ছিলেন
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৩/০৭/২০২৫ : তৃণমূল নেতা ড. শান্তনু সেনের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করে দেওয়া হল। বিদেশী ডিগ্রি অবৈধভাবে ব্যবহারের অভিযোগে তাঁর ডাক্তারির রেজিস্ট্রেশন বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।
ওয়েস্টবেঙ্গল মেডিকেল কাউন্সিল আগামী দুই বছরের জন্যে ড. শান্তনু সেনের ডাক্তারির রেসাজিস্ট্রেশন বাতিল করে দিয়েছে। এর ফলে আগামী দুই বছর শান্তনু সেন আর ডাক্তারি করতে পারবেন না। ড. সেন ডাক্তারির পাশাপাশি ছিলেন একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবীদ। তিনি একসময় পুরসভার কাউন্সিলর ছিলেন। পরে রাজ্যসভার সদস্য হয়েছিলেন। বেশ কিছুদিন ধরে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেছেন। আর জি কর-এর অভয়া কাণ্ডের জোরালো প্রতিবাদ করেছিলেন তিনি।
তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ এই যে তিনি বিদেশী ডিগ্রি অবৈধভাবে ব্যবহার করেছেন। ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিকেল কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ড. সুদীপ্ত রায় বলেছেন “শান্তনু সেন তাঁর প্রেসক্রিপশনে যে বিদেশী ডিগ্রির কথা লিখতেন, সেটা আদৌ কোনো ডিগ্রি নয়, সেটা আসলে সাম্মানিক ফেলোশিপ। কিন্তু তাকেই ডিগ্রি হিসেবে প্রেসক্রিপশনে লিখে তিনি মানুষকে বিভ্রান্ত করতেন। এই অভিযোগেই শান্তনু সেনকে দুই বছরের জন্যে সাসপেন্ড করা হয়েছে। “
তাঁর বিরুদ্ধে এই শাস্তি সম্পর্কে শান্তনু সেন বলেন, “এটা একটা রাজনৈতিক চক্রান্ত ছাড়া আর কিছু নয়, যিনি এই চক্রান্ত করলেন তিনি আদ্যপান্ত দুর্নীতিগ্রস্ত, আপনারা খবর নিয়ে দেখুন। তবে আমিও এর শেষ দেখে ছাড়ব। আমি এইসব নেতাকে গুরুত্ব দিই না। আমার নেতা মমতা বন্দ্যোপধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর কেউ নয়।
২৬এর ভোটে জয়ের বিপুল প্রত্যাশা নিয়ে রাজ্য বিজেপির সভাপতি পদে শমীক ভট্টাচার্য
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি]কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৩/০৭/২০২৫ : বঙ্গ বিজেপির সভাপতি নির্বাচিত হলেন বিজেপির সিনিয়র নেতা শমীক ভট্টাচার্য্য। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাঁকে রাজ্য বিজেপির সভাপতি পদে গুরু দায়িত্ব দিল।
রাজ্য বিজেপির সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য্য। রাজ্যের প্রতিটি প্রান্ত থেকে শুভেচ্ছার জোয়ারে ভাসছেন তিনি। শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে শুরু করে একেবারে নিচুতলার কর্মীরাও তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথ পার করেছেন শমীক ভট্টাচার্য্য। বিভিন্ন সময়ে দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাও যথেষ্ট রয়েছে তাঁর। দলের মধ্যে সেভাবে কেউই বিরোধী নন শমীকবাবুর। তাঁর নাম প্রথম যিনি প্রস্তাব করেছিলেন, তিনি হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সুতরাং দলের সব সিদ্ধান্ত নিতে একসাথে বসে কাজ করার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা দেখা দেবে না বলেই মনে করছে বিজেপি নেতৃত্ব।
শুধু তাই নয়, বিজেপি দলের মধ্যে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি আছে. ‘মুখে যা কিছু এল সেটাই বলে দিতে হবে’ এই ধারণায় বিশ্বাসী নন শমীক ভট্টাচার্য। বুঝে শুনে কথা বলেন তিনি, যথেষ্ট প্রাজ্ঞ । ৬১ বছর বয়সী এই রাজনৈতিক ২০২০ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বঙ্গ বিজেপির মুখপাত্র ছিলেন। পিছনে সংঘ পরিবার, আর এসএসএর সমর্থন রয়েছে। শমীক ভট্টাচার্য বঙ্গ বিজেপির সভাপতি পদপাওয়ায় দলের অভ্যন্তরে খুশির জোয়ার দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। কার্যত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি সভাপতি পদ পেলেন বলা যায়। সভাপতি হয়ে তিনি বলেন, “একই সূত্রে বাঁধিয়াছি সহস্র জীবন”।
আজ দক্ষিণ কলকাতার লেক কালীবাড়িতে পুজো দিয়ে রাজ্যবাসীর মঙ্গল কামনা করেছেন বিজেপির নতুন রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
আগে থেকে গোপন খবর পেয়ে ডাকাতির ছক ভেস্তে দেওয়া অনাস্যিবিপুল প্রশংসার যোগ্য, কৃতিত্ব গোয়েন্দা বিভাগেরও
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ০৩/০৭/২০২৫ : শিলিগুড়ি শহরে বড়সড় ডাকাতির ছক ভেস্তে দিল শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের ভক্তিনগর থানার পুলিশ। গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে মঙ্গলবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে তিনজন দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। তবে পুলিশের উপস্থিতির আঁচ পেয়ে জনা সাতেক দুষ্কৃতী শেষ পর্যন্ত পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
ভক্তিনগর থানার পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার গভীর রাতে খবর আসে যে, শিলিগুড়ির শালুগাড়া এলাকার জীবনদ্বীপ বিল্ডিং সংলগ্ন স্থানে প্রায় দশজন দুষ্কৃতী জড়ো হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে অভিযান চালায় ভক্তিনগর থানার এন্টি ক্রাইম উইং-এর একটি বিশেষ দল। অভিযানে তিনজন দুষ্কৃতীকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
ধৃতদের নাম – আমজাদ আহমেদ, মোহাম্মদ হাবিব (দুজনেরই বাড়ি আশরাফ নগরে) এবং কমল থাপা (বাড়ি খোলাচাঁদ ফাপরি)। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা শহরে ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছিল। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ডাকাতির জন্য আনা বিভিন্ন সরঞ্জাম, তিনটি মোবাইল ফোন এবং একটি মোটরবাইক।
আজ, বুধবার ধৃতদের জলপাইগুড়ি আদালতে পেশ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, পলাতক দুষ্কৃতীদের খোঁজে ইতিমধ্যে অভিযান শুরু হয়েছে এবং গোটা ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে ভক্তিনগর থানার একটি বিশেষ দল।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] জলপাইগুড়ি,পশ্চিমবঙ্গ, ০৩/০৭/২০২৫ : সংখ্যালঘুদের শুধুমাত্র ভোট ব্যাংক হিসেবেই ব্যবহার করে তৃণমুল , গোপন বৈঠক থেকে বিদ্রোহের আওয়াজ।
২১ জুলাইয়ের আগে জলপাইগুড়ি তৃণমূলে অন্দরের বিদ্রোহ।
২১ জুলাই শহিদ দিবসের আগে জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। দলের সংখ্যালঘু সেলের নেতাদের অভিযোগ, দলীয় কাঠামোয় তাদের প্রান্তিক করে রাখা হচ্ছে, উন্নয়নের নামে চলছে পক্ষপাত এবং সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সংখ্যালঘু নেতৃত্বকে উপেক্ষা করা হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে সম্প্রতি বানারহাট ব্লকের তেলিপাড়ায় সংখ্যালঘু সেলের জেলা কার্যালয়ে একটি গোপন বৈঠকে মিলিত হন জেলার বিভিন্ন ব্লকের সংখ্যালঘু নেতারা। বৈঠকের মূল উদ্যোক্তা সংখ্যালঘু সেলের জেলা সভাপতি মিজানুর রহমান। বৈঠকে সরাসরি মাদার তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। অভিযোগ, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে দল কেবলমাত্র ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করছে, কিন্তু সংগঠনের মূলস্রোতে তাদের জায়গা দেওয়া হচ্ছে না।
বিক্ষোভের পেছনে রয়েছে ২৮শে জুনের একটি ঘটনা। সেদিন শহরের আর্ট গ্যালারিতে ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা শেষে দুই সংখ্যালঘু তৃণমূল কর্মীকে আটক করে কোতোয়ালি থানার পুলিশ। উপস্থিত ছিলেন সংখ্যালঘু জেলা সভাপতি মিজানুর রহমান ও সদর সভাপতি আব্দুল বারি। তাঁরা পুলিশকে বাধা দিলেও কোনও কর্ণপাত হয়নি। পরে জেলা সভাপতি মহুয়া গোপ ও অন্যান্য নেতৃত্বের দ্বারস্থ হলেও মেলেনি প্রতিকার।
এই ঘটনার পর থেকেই জেলার সংখ্যালঘু সেলে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জেলা সভাপতি বৈঠক ডাকেন, কিন্তু সেখানে আরও বিস্ফোরক হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। জেলা সভাপতির সামনেই ক্ষোভ উগরে দেন ব্লক নেতৃত্ব।
জেলা সংখ্যালঘু সভাপতি মিজানুর রহমান সংবাদমাধ্যমকে বলেন,
“নেতৃত্বের ক্ষোভ যথার্থ। বহু তৃণমূল নেতা সংখ্যালঘু নেতৃত্বকে গুরুত্ব দিতে চান না। উন্নয়নের নামে অর্থ এলেও সংখ্যালঘুরা প্রকৃত উপকার পাচ্ছেন না।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ডোমা-মাইনরিটি ডিপার্টমেন্টের অর্থে ধূপগুড়িতে দোকানঘর নির্মাণ হলেও সেখানে সংখ্যালঘুদের জায়গা দেওয়া হয়নি।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ঘটনা ২১ জুলাইয়ের মতো বড় কর্মসূচিকে সামনে রেখে দলের ভাবমূর্তিতে বড় ধাক্কা দিতে পারে। বিরোধীরা দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘুদের ‘ভোটব্যাঙ্ক’ হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ করে এসেছে। এবার সেই অভিযোগ যেন ঘর থেকেই উঠতে শুরু করেছে।
এখন দেখার, মাদার তৃণমূল নেতৃত্ব এই বিক্ষোভ সামাল দিতে কী পদক্ষেপ নেয়।
ঘটনার রিপোর্ট যেমন দিতে হবে, তেমনই এই মামলায় পুলিশি তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্টও দিতে হবে হাইকোর্টকে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], ককলকাটা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৩/০৭/২০২৫ : রাজ্য সরকারের থেকে কসবা আইন কলেজে গনধর্ষনের ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট চেয়ে পাঠালো কলকাতা হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে হাইকোর্ট প্রশ্ন তুলেছে কেন এই মামলায় ঐ কলেজের গভর্নিং বডিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয় নি।
গত ২৫শে জুন দক্ষিণ কলকাতার কসবা অঞ্চলে আইন কলেজে প্রথম বর্ষের এক ছাত্রীকে গণধর্ষণ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। দিন দুয়েকের মধ্যেই এই ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসে। এই ঘটনার খবর পেয়ে ফের আলোড়ন সৃষ্টি হয় গোটা রাজ্যে। পুলিশ জানিয়েছিল এই ঘটনার জেরে মূল তিন অভিযুক্তকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনা ঘটার মাত্র ২৪ঘন্টার মধ্যেই অভিযুক্তেরা পুলিশ হেফাজতে চলে যায়। এরপর আরও একজন নিরাপত্তা রক্ষীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছিল কলকাতা পুলিশ।
সাংবাদিক বৈঠক করে পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল যে এই ঘটনার অভিযুক্তরা কেউ পার পাবে না। তাদের কঠোর শাস্তিপেতে হবে। দেখা যায় এই ঘটনার অভিযুক্তেরা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্য। তা সত্বেও তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করা হয় এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার কথা বলা হয়। বিজেপির তরফ থেকে একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম তৈরি করে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই হস্তক্ষেপ করেছে জাতীয় মহিলা কমিশন। তাঁরা ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন তবে ভিডিও করতে গিয়ে পুলিশি বাধার সম্মুখীন হন বলে অভিযোগ উঠেছে।
গত মঙ্গলবার আলিপুর আদালত অভিযুক্তদের আগামী ৮ই জুলাই পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। চতুর্থ অভিযুক্তকে অবশ্য ৪ তারিখ পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।
মুক্তি পেতে চলেছে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর নতুন ছবি ম্যাডাম সেনগুপ্তা, ছবিতে উঠে আসতে পারে রাজ্যের বর্তমান বাস্তব চিত্রগুলি।
আজ খবর (বাংলা), [বিনোদন], কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ০৩/০৭/২০২৫ : মেয়ের রহস্য মৃত্যু নিয়ে তদন্তে নামছেন ম্যাডাম সেনগুপ্তা। নতুন এই বাংলা ছবিতে টান টান উত্তেজনায় উঠে আসতে পারে রাজ্যের বর্তমান চিত্রগুলি। অর্থাৎ বাস্তবমুখী রাজনৈতিক চিত্রগুলি।
আগামীকাল মুক্তি পেতে চলেছে নতুন বাংলা ছবি ‘ম্যাডাম সেনগুপ্তা’। যিনি একজন বিখ্যাত কার্টুনিস্ট, যাঁর তরুণী মেয়ে ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। একদিন হঠাৎ তার রহস্যমৃত্যু হয়। প্রাথমিক আঘাত কোনো রকমে কাটিয়ে তার মা একজন প্রখ্যাত শিল্পী হয়েও সত্যের অনুসন্ধানে নেমে পড়তে চান. তাঁর এই অনুসন্ধান পর্বে রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি ফুটে উঠতে চায় দর্শকদের সামনে। নানা ঘাত প্রতিঘাত কাটিয়ে শিল্পী সেনগুপ্ত হয়ে ওঠেন ‘ম্যাডাম সেনগুপ্তা’।
‘ম্যাডাম সেনগুপ্তা’ ছবিটি প্রযোজনা করেছেন প্রদীপ কুমার নন্দী (নন্দী মুভিজ), পরিচালা করেছেন সায়ন্তন ঘোষাল। মুখ্য চরিত্রে অর্থাৎ ম্যাডাম সেনগুপ্তা হয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তা , এছাড়াও অন্যান্য চরিত্রগুলিতে অভিনয় করেছেন রাহুল বোস , অনন্যা চ্যাটার্জি, কৌশিক সেন, পরান বন্দ্যোপাধ্যায়, খরাজ মুখার্জি, সুব্রত দত্ত, দেবপ্রিয় মুখার্জি, শান্তিয়াল মুখার্জি, রতন সরখেল, রৌনক দে ভৌমিক ও ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য্য। ছবিতে সংগীত পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন অনুপম রায় এবং আবহ সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন ইন্দ্রদীপ দাসগুপ্ত।