
“অপরাধীরা রেহাই পাবে না”
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০৭/০৫/২০২৬ : শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথের হত্যাকাণ্ডের পর রীতিমত ক্ষোভে ফুঁসছেন বিজেপি কর্মী সমর্থক থেকে সাধারণ মানুষ। ভোট পরবর্তী এই হিংসার ঘটনায় হতবাক রাজ্যবাসী।
বিজেপির অন্যতম মুখপাত্র শাহজাদ পুনাওয়ালা বলেন, “তৃণমূলের ডিএনএ তে রাজনৈতিক সন্ত্রাস রয়েছে। গত ১৫ বছর ধরে তৃণমূল পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গলরাজ কায়েম করে রেখেছিল। মধ্যমগ্রামের ঘটনা শুধুমাত্র শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ককে হত্যা করাই নয়, এটা একটা সংগঠিত সন্ত্রাসের ঘটনা। অন্য একটি ঘটনায় রোহিত রায় নামে এক বিজেপিকর্মীকেও হত্যা করা হয়েছে।”
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেছেন, “এই ঘটনার পিছনে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের কিছু ভীরু ও বর্বর মানসিকতার লোক। ” বিজেপি নেতা অর্জুন সিং অভিযোগ করেছেন “শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথকে যেভাবে হত্যা করা হল, তাতে বোঝাই যাচ্ছে এটা ছিল পূর্ব পরিকল্পিত হত্যার ছক, এবং এই হত্যাকারীদের নিয়োগ করেছেন অভিষেক ব্যানার্জি। ”
মধ্যমগ্রাম হত্যাকাণ্ডে খুন হয়ে যাওয়া চন্দ্রনাথ রথের ছোট ভাই দেব কুমার বলছেন তাঁদের পরিবার খুনিদের কঠোর শাস্তি চান। চন্দ্রনাথের মা’ও একই কথা বলেছেন। বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন, “মধ্যমগ্রামে চন্দ্রনাথের হত্যার ঘটনা পুরোপুরি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। এই ঘটনার সাথে যুক্ত যে কেউ এমনকি তৃণমূলেরও যদি কেউ হয় সে রেহাই পাবে না। ”
শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ খুনের ঘটনায় ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়ে গিয়েছে। এই ঘটনায় সিআইডি আইজির নেতৃত্বে SIT গঠন করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। এখনো পর্যন্ত এই ঘটনায় মোট তিন জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য্য বলেছেন, “কোনোভাবেই অপরাধীরা রেহাই পাবে না। আগামী ৯ তারিখে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউনে দেশের ২০ জন ভিভিআইপির উপস্থিতিতে শপথ গ্রহণ করবে বিজেপি সরকার। সেই কারণে অনেক কথা আমি এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। শপথ গ্রহণের পর সেগুলো বলব।”
![]()