আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], নতুন দিল্লী, ভারত, ২৫/০৪/২০২৬ : দলের ১০ সাংসদের মধ্যে সাত সাংসদ দল ছেড়ে চলে গিয়েছেন বিজেপিতে, রীতিমত টালমাটাল পরিস্থিতি আম আদমি পার্টিতে। ঘর সামলাতে নতুন কৌশল নিতে চলেছেন অরবিন্দ কেজরিওয়ালেরা।
রাজ্যসভায় ১০ জন সাংসদ ছিল আম আদমি পার্টির, সেই দশজনের মধ্যে সাত জন দল ছেড়ে চলে গেলেন বিজেপিতে। ভয়ানক ক্ষতি হল আপ দলের, তা বোঝাই যাচ্ছে। কিন্তু এই ক্ষতি পূরণ করা হবে কি ভাবে ? পুরসভার ভোট প্রচারে গিয়ে গুজরাট থেকে গভীর রাতে ফিরে আজ দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড মনীশ সিসোদিয়া সাক্ষাৎ করেন দলের আহবায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সাথে। দিল্লীতে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সাথে নতুন কৌশল নিয়ে দুজনের দীর্ঘক্ষণ বৈঠক হয়েছে।
হঠাৎ করে দল ছেড়ে দেওয়া সাংসদদের গতকাল রাতেই গদ্দার বলা হয়েছিল আপ এর তরফ থেকে। রাঘব চাড্ডা, সন্দীপ পাঠক, অশোক মিত্তালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আপ এর তরফ থেকে রাজ্যসভায় চিঠি দেওয়া হচ্ছে। চিফ হুইপের কাছে এই সাত সাংসদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করছে আম আদমি পার্টি।
রাজ্য সভার উপ নেতার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর থেকেই রাঘব চাড্ডারা বেসুরো গাইছিলেন, যার ফলে সাত সাংসদকে দল ছেড়ে বেরিয়ে গিয়ে পদ্ম শিবিরে যোগ দিতে দেখা গেলো।
“গত ৫০ বছরে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ভোট দেখলো রাজ্যবাসী “
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ , ২৩/০৪/২০২৬ : এই বছর নির্বাচনের চিত্রটাই যেন একটু অন্যরকম। নজিরবিহীনভাবে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেই রাজ্যে চলছে প্রথম দফার ভোট গ্রহণ। সামান্য কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া খুব বেশি অশান্তির খবর পাওয়া যায় নি পশ্চিমবঙ্গে।
অভূতপূর্বভাবে দুপুর দু’টোর মধ্যেই রাজ্যে প্রায় ৬০ % ভোট পড়ে গিয়েছে। একেই ভোটার তালিকায় নিবির সংরক্ষনের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ্ মানুষের নাম বাদ পড়েছে, তার ওপর আবার বেলা গড়াতে না গড়াতেই এতো সংখ্যক মানুষের ভোট দান! চিন্তার ভাঁজ পরার কথা শাসকের কপালে। কয়েকটা জায়গায় বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর ছাড়া আজকের ভোট গ্রহণ পর্বকে শান্তিপূর্ণ বলাই যায়।
নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কৃষ্ণনগরে জনসভা করতে এসে তিনি বলেন, “অন্যান্যবার মেরে ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে দেয়, বলে আত্মহত্যা করেছে। সেসব এবার নেই গত ৫০ বছরে পশ্চিমবঙ্গে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ভোট হতে চলেছে।”
নির্বাচনের লাইভ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন – www.aajkhabor.in
News Update : 09:30 — আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ২৩/০৪/২০২৬ : পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয়েছে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট গ্রহণ। মানুষ সকাল থেকেই বুথগুলিতে এসে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিয়ে যাচ্ছেন। এবার কিন্তু বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ একসাথে নিয়ে রেখেছে নির্বাচন কমিশন। সেই চ্যালেঞ্জগুলো ঠিকমত করা যাচ্ছে কিনা, শান্তিপূর্ণভাবে অবাধ ভোট করানো যাচ্ছে কি না , সেই দিকে নজর থাকবে কমিশনের।
এই বছর দুই দফায় ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে। অশান্তি এড়াতে অন্যান্যবার সাত দফা, আট দফায় ভোট গ্রহণ করানো হত। কিন্তু এবার মাত্র দুই দফায় ভোট গ্রহণ করা হবে। সুতরাং এটা নির্বাচন কমিশনের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আজ মোট ১৫২টি আসনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। প্রথম দফায় উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, কালিম্পঙ, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহ ছাড়াও দক্ষিণবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, নদীয়া এবং হুগলি জেলায় ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে।
পশ্চিমবঙ্গে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহন করার জন্যে এবার প্রচুর পরিমাণে কেন্দ্রীয় বাহিনী আনা হয়েছে। এই বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট গ্রহণ রীতিমত নজিরবিহীন। এবার রাজ্যে মোট ২,৪০৭ কোম্পানী আধা সামরিক বাহিনী জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে। রাজ্যের স্পর্শ কাতর এলাকাগুলিতে বেশি সংখ্যক জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে। প্রতিটা বুথে চারজন করে জওয়ান থাকছেন। এবার এই জওয়ানদের কাজকর্মে পুরো স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। সুতরাং ভোট শান্তিপূর্ণ করতে যে কোনো ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
এবার নির্বাচন উপলক্ষে যথেষ্ট কঠোর মনোভাব দেখিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বুথে বুথে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো, বুথের ভিতরে প্রবেশের ওপর নিয়ন্ত্রণ, বাইক চলাচলে নিয়ন্ত্রণ, মদের দোকান দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রাখা, কমিশনের নিজস্ব মনিটরিং সব কিছুতেই চ্যালেঞ্জ নিয়েছে কমিশন। এবার রাজনৈতিক গুন্ডাদেরকেও আগে থাকতে আটক করা হয়েছে, অর্থাৎ যারা কিনা গোলমাল পাকাতে পারে তাদেরকে আগে থেকেই আটক করা হয়েছে।
তবে নির্বাচন কমিশন এবার যেভাবে এসআইআর করে ভুয়ো ভোটারদের বিয়োজন করেছে এবং নতুন ভোটারদের সংযোজন করেছে, তা সত্যিই দৃষ্টান্তমূলক। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে এটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল নির্বাচন কমিশনের সামনে। আজ মালদহ এবং মুর্শিদাবাদের ভোট নিয়ে অবশ্যই চিন্তায় থাকবে কমিশনের আঃইকারিকরা। তবে সর্বত্রই নির্বিঘ্নে ভোট প্রক্রিয়া মিটিয়ে মে মাসের ৪ তারিখে গণনা এবং তার পরের কয়েকটা দিন এই রাজ্যে শান্তিপূর্ণ রাখাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ নির্বাচন কমিশনের সামনে।
আজ খবর আপডেট (বাংলা), [ভোটের খবর ] — সকাল ১১:৩০ — রাজ্যের যে ১৬টি জেলায় আজ প্রথম দফার ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে, সেই সব জায়াগায় মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবেই ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া চলছে। তবে তার মাঝেই বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনার খবর এস পৌঁছেছে।
মুর্শিদাবাদের নওদায় গতকাল রাতে বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনায় এক ব্যক্তির জখম হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস বলছে বোমাবাজি করেছিল হুমায়ুন কবিরের দল, আম জনতা উন্নয়ন পার্টির লোকেরা। এদিকে হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন “বোমাবাজি করেছিল তৃণমূল কংগ্রেসের দুষ্কৃতীরা।” আজ সকাল থেকেই উত্তেজনা দেখা যায় নওদা এলাকার ৯ এবং ১০ নম্বর বুথের সামনে। এখানে তৃণমূল কর্মীদের সাথে বচসা এবং ধাক্কাধাক্কি হয় হুমায়ুন কবিরের লোকেদের। হুমায়ূনকে ঘিরে ধরে ‘চোর’ এবং ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দেওয়া হলে হুমায়ুনও পাল্টা চোর চোর স্লোগান দিতে থাকেন। এরপর তিনি রাজ্য সড়কের ওপর দলবল নিয়ে বসে পড়েন এবং রাজ্য সড়ক অবরোধ করেন।
মুর্শিদাবাদে ডোমকল থেকেও অশান্তির খবর এসেছে। এখানে ২২০ নম্বর বুথের কাছে এক সিপিএম কর্মীকে মারধর করার খবর পাওয়া গিয়েছে। অভিযোগের তীর তৃণমূলের দিকে। এই ঘটনার রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এছাড়াও গন্ডগোলের খবর এসেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্ডিপুর থেকে। কোচবিহার জেলার তুফানগঞ্জের বারকোদলি গ্রামে বুথ জ্যামের খবর আসে। সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠি উঁচিয়ে তেড়ে যায় এবং ভীড় হঠিয়ে দেয়। আলিপুর দুয়ারের ১২/১৭৬ নম্বর বুথে দলবল নিয়ে তৃণমূল প্রার্থী সুমন কানজিলাল ঢুকে পড়েন। বাহিনীর সাথে বচসার পর তাঁকে বুথ থেকে বেরিয়ে যেতে হয়।
রাজ্যের বিরোধী দল নেতা আজ বলেছেন, “কোথাও কোনোরকম গুন্ডামি সহ্য করা হবে না। ” তিনি আজ সকালেই নন্দীগ্রামে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। খড়্গপুর সদরে ভোট দিয়েছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। সকাল ৯টা পর্যন্ত রাজ্যে ভোট পড়েছিল ১৮% – ২০ % , তবে সকাল ১১ টা পর্যন্ত প্রায় ৩০% ভোট পড়েছে রাজ্যে।
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি] চেন্নাই, তামিলনাড়ু, ২২/০৪/২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের কটাক্ষ দেশের রাজনৈতিক মহলকে রীতিমত নাড়িয়ে দিয়েছে। দেশের রাজনৈতিক মহলে কান পাতলেই আজ এই কটাক্ষ নিয়ে আলোচনা শুনতে পাওয়া যাচ্ছে।
দেশের বিরোধী দল কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে গতকাল তামিলনাড়ুতে একটি সাংবাদিক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে টেররিস্ট (জঙ্গী) বলে আক্রমণ করেছিলেন। দেশের প্রধানমন্ত্রীকে জঙ্গী বলায় গোটা দেশেই সমালোচনার ঝড় উঠতে শুরু করে। দেশের বিরোধী দলনেতা যদি দেশের প্রধানমন্ত্রীকেই টেররিস্ট আখ্যা দেয়, সেটা আমাদের শত্রু দেশে কি বার্তা প্রেরণ করে ? এই বিষয়টি নিয়ে তুমুল সমালোচিত হন মল্লিকার্জুন খাড়গে। বিজেপি শিবির রীতিমত চেপে ধরে তাঁকে।
ভুল মন্তব্য করে ফেলেছেন বুঝতে পেরে মল্লিকার্জুন সাফাই দিয়ে বলেন, “যেভাবে কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলিকে কাজে লাগিয়ে নরেন্দ্র মোদী দেশের বিরোধী দলগুলিকে টেরোরাইজ (ভয় প্রদর্শন) করতে চাইছেন, সেটাকেই তিনি বলতে চেয়েছেন। কিন্তু ভুলবশত তিনি নরেন্দ্র মোদীকেই টেররিস্ট বলে ফেলেছেন। কেউ যেন তাঁর বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা না করে।”
কিন্তু মল্লিকার্জুন খাড়গের এই বক্তব্যেই ক্ষান্ত হচ্ছে না বিজেপি শিবির। তাঁরা রীতিমত প্রধানমন্ত্রীর কাছে মল্লিকার্জুন খাড়গেকে ক্ষমা চাইতে বলেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু, নির্মলা সীতারামন এই বিষয়টি নিয়ে রীতিমত সমালোচনা করেছেন খাড়গের।
নির্মলা সীতারামান বলেন, “কংগ্রেস বরাবরই প্রধানমন্ত্রীকে গালিগালাজ করে. কিন্তু কংগ্রেস সভাপতি যে কথাটি সাংবাদিকদের বলেছেন তার বিরুদ্ধে আমরা নির্বাচন কমিশনকে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়েছি।” কিরেন রিজিজু বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যেভাবে জঙ্গীদের জবাব দেন, ঠিক সেভাবেই দেশের জনগণ কংগ্রেসকে জবাব দিয়ে দেবে।”
অপারেশন সিঁদুর এখনো বন্ধ করা হয় নি, পাকিস্তানী জঙ্গীরা সক্রিয় হলেই ফের শুরু করা হবে অপারেশন সিঁদুর : ভারত
আজ খবর (বাংলা), [দেশ] নতুন দিল্লী, ভারত, ২২/০৪/২০২৬ : জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গী আক্রমণের ঘটনার পর কেটে গেল এক বছর। গত বছর আজকের দিনেই জঙ্গীদের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে গিয়েছিলেন ২৬ নিরীহ পর্যটক।
জম্মু কাশ্মীরে পহেলগাঁওয়ে বৈশরণ ভ্যালিতে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকদের ওপর আক্রমন করেছিল পাক মদতপুষ্ট সশস্ত্র জঙ্গীরা। পর্যটকদের রীতিমত লাইনে দাঁড় করিয়ে তাঁদের ধর্ম জিজ্ঞাসা করে পোশাক খুলিয়ে একের পর এক মানুষকেগুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। ঐ নারকীয় ঘটনায় গত বছর আজকের দিনেই মোট ২৬ জন পর্যটক মারা গিয়েছিলেন।
এরপর ওই জঙ্গীদের খোঁজে ভারতীয় সেনা জওয়ানরা চিরুনি তল্লাশি চালাতে শুরু করেছিল। কিন্তু নরাধম জঙ্গীদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। এরপর ভারত অপারেশন সিঁদুর অভিযান চালিয়ে পাকিস্তানে থাকা জঙ্গী শিবিরগুলিকে মিসাইল দিয়ে উড়িয়ে দিতে থাকে। পাকিস্তানে থাকা একের পর এক জঙ্গী শিবির ধ্বংস করতে থাকে। বহু জঙ্গী সেই অভিযানে খতম হয়ে গেলেও খোঁজ পাওয়া যায় নি পহেলগাঁওয়ে হামলা চালানো জঙ্গীদের।
কিন্তু হাল ছাড়ে নি ভারত, অবশেষে উচ্চ হিমালয়ের তুষার অঞ্চলের গুহায় লুকিয়ে থাকা ঐ জঙ্গীদের খুঁজে বের করে নিকেশ করা হয়। তবে ভারত ঘোষণা করেছে অপারেশন সিঁদুর অভিযান আপাতত স্থগিত রাখা হলেও তা বন্ধ করে দেওয়া হয় নি। এরপর জঙ্গীরা ফের মাথা চাড়া দেওয়ার চেষ্টা করলেই ভারত তার অভিযান ফের সক্রিয় করে তুলবে। তছনছ করে দেবে পাকিস্তানে থাকা জঙ্গী ঘাঁটিগুলিকে।
আজ সারা দেশ একসাথে পহেলগাঁওয়ের স্মৃতিতে শোক পালন করছে। রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে দেশের প্রধানমন্ত্রী থেকে জনসাধারণ সকলেই ঐ ঘটনায় এখনো ব্যথিত হয়ে রয়েছেন। এই ঘটনার এক বছর আজ প্রত্যেকেই নিজেদের শোক ব্যক্ত করেছেন।
“অনুপ্রবেশকারীরা ৫ তারিখে দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্যে প্রস্তুত থাকুন “
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], শালবনি, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২১/০৪/২০২৬ : ভোটের আগে প্রচারের শেষ লগ্নে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সমালোচনার তীব্রতা বৃদ্ধি করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
এদিন শালবনির জনসভা থেকে অমিত শাহ তৃণমূলের বিরুদ্ধে গর্জে উঠে বলেন, “দিদি আপনার সময় শেষ হয়ে গিয়েছে। এবার আপনার যাওয়ার পালা। টা টা বাই বাই দিদি।” আজ ভোটের আগে চন্ডিপুরেও শেষ শোভাযাত্রায় অংশ নিয়ে অমিত শাহ বলেন, “দিদি আপনার সময় শেষ হয়ে গিয়েছে। এবার আপনি আসুন। টা টা বাই বাই।”
এদিন অমিত শাহ বলেন, “৪ তারিখে আমাদের এখানে ভোটের গণনা হবে। ৫তারিখে বাংলাদেশের অনুপ্রবেশকারীরা নিজেদের প্রস্তুত রাখবেন এই দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্যে। ” চন্ডিপুরে এসে অমিত শাহ উন্নয়নের বার্তাও দেন। যেহেতু চন্ডিপুর অঞ্চলে প্রচুর পান চাষীরা থাকেন, তাই তাঁদের উন্নয়নের জন্যে কৃষি গবেষণা প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এরপর ফের তিনি বলেন, “২৩ তারিখে মমতার গুন্ডারা যেন বাড়ি থেকে না বের হয়, কারণ বাইরে থাকবে আধা সামরিক বাহিনী।”
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২১/০৪/২০২৬ : ভোটের সময়পশ্চিমবঙ্গে মোটর সাইকেল চলাচলের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণের জারি করলো নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে বলা হয়েছে, “কোনো রাজনৈতিক শোভাযাত্রায় মোটর সাইকেল ব্যবহার করা যাবে না। কোথাও কোনো বাইক নিয়ে মিছিল করা যাবে না। ভোটের দিন বুথের কাছে বাইক বা মোটর সাইকেল নিয়ে আসা যাবে না। ভোটের দিন কার্যত বাইক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আনতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। জরুরী ক্ষেত্রে মোটর সাইকেল বা বাইক চালাতে হলেও বাইকের পিছনে কাউকেই বসানো যাবে না।”
ভোটের দিনগুলিতে সন্ধ্যে ৬টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত বাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকছে। অবশ্য জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রে ছাড় থাকবে। চিকিৎসার প্রয়োজনেও বাইক ব্যবহার করা যাবে। অভিভাবকরা তাদের পড়ুয়া শিশুদের স্কুলে নিয়ে আসার অন্য বাইক ব্যবহার করতে পারবে. তবে সেক্ষেত্রেও প্রয়োজনে পুলিশের অনুমতি নিতে হতে পারে।
শান্তিপূর্ণভাবে ভোট পর্ব শেষ করতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন। তার জন্যে যা যা পদক্ষেপ নেওয়ার দরকার তা তারা নিচ্ছে। আগামী ২৩ তারিখে ভোট রয়েছে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে এবং দক্ষিণ বঙ্গের কিছু জেলাতে । আধা সামরিক বাহিনী এবং পুলিশ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নেমে পড়েছে রাস্তাঘাটে। ভোটের সময় সিভিক বা হোমগার্ডদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], আসানসোল,পশ্চিম বর্ধমান,২০/০৪/২০২৬ : আসানসোলের সাতটি আসনেই বিজেপি জিতবে বলে দাবী করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি কিষেন রেড্ডি। গতকাল বিজেপি প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে আসানসোলে এসে তিনি এই দাবি করেছেন।
আসানসোলে মোট সাতটি আসন রয়েছে। সেগুলি হল পাণ্ডবেশ্বর, রানীগঞ্জ, জামুরিয়া, আসানসোল দক্ষিণ, আসানসোল উত্তর, কুলটি ও বারাবনি। এবার এই সাতটি আসনেই বিজেপির জয় আসবে এবং তৃণমূল কংগ্রেস হারবে বলে দাবি করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি কিষেন রেডি।
তিনি বলেন, “গত ১৫ বছর ধরে তৃণমূল কংগ্রেসের গুণ্ডারাজ্ ও দুর্নীতি মানুষ দেখে নিয়েছে। এই এলাকা শাসন করে তৃণমূলের মাফিয়ারা। এখানে বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীরা অত্যাচার করে। সাধারণ মানুষ এইসব দেখে দেখে বিরক্ত হয়ে গিয়েছে। তারা সবাই এই পরিস্থিতি থেকে পরিত্রান চায়। পশ্চিমবাংলার মানুষ পরিবর্তন চায়. তাই এবার তৃণমূলের পরাজয় নিশ্চিত। আসানসোলের সাতটি আসনেই তৃণমূলের হার এবং বিজেপির জয় হবে, এটা একেবারে নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে।”
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], ভুবনেশ্বর। ওড়িশা, ২০/০৪/২০২৬ : ওড়িশা রাজ্যের জন্যে ডাবল ইঞ্জিন সরকার বিশাল অংকের বিনিয়োগ আনতে চলেছে। এই রাজ্যে দ্রুত উন্নয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।
ওড়িশায় রেল পরিকাঠামো উন্নয়নে বড়সড় অগ্রগতি হয়েছে বলে জানালেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তাঁর মতে, বর্তমানে রাজ্যে প্রায় ৯০,০০০ কোটি টাকার রেল প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলছে, যা দেশের মধ্যে অন্যতম বৃহৎ বিনিয়োগ।
রেলমন্ত্রী বলেন, “গত কয়েক বছরে ওড়িশায় রেল নেটওয়ার্কের ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। নতুন লাইন নির্মাণ, ডবলিং এবং বিদ্যুতায়নের কাজ দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে। এর ফলে শুধু যাত্রী পরিষেবাই নয়, পণ্য পরিবহন ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হচ্ছে।”
তিনি আরও জানান, “প্রকল্পগুলির কাজ আগের তুলনায় অনেক দ্রুত সম্পন্ন হচ্ছে, যা রাজ্যের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।” এই উন্নয়নের ফলে শিল্প, বাণিজ্য এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।
রেল মন্ত্রকের মতে, ওড়িশাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ রেল হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে একাধিক প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে এবং সেগুলির বাস্তবায়ন এখন জোরকদমে চলছে। ওড়িশায় অ্যাডভান্সড থ্রীডি গ্লাস সেমিকন্ডাক্টর প্ল্যান্ট বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্র সরকারের। এর ফলে ওই রাজ্যে কর্ম সংস্থান অনেকটাই বেড়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], বিষ্ণুপুর, বাঁকুড়া, ১৯/০৪/২০২৬ : নির্বাচনের আগে শেষ রবিবারের ভোট প্রচারে আজ বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুরে গিয়ে জনসভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী. তাঁর জনসভায় প্রচুর মানুষের ভীড় হয়েছিল। ঐ জনসভা থেকে আজ তৃণমূল কংগ্রেসকে রাজনৈতিকভাবে ব্যাপক আক্রমণ করেছেন তিনি।
আজ বিষ্ণুপুরের জনসভা থেকে হুঙ্কার দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন। “আমি তৃণমূলের গুন্ডাদের, সিন্ডিকেটের মাথাদের এবং দুর্নীতিবাজদের শেষ সুযোগ দিচ্ছি, ২৯ তারিখের মধ্যে স্থানীয় থানায় গিয়ে আত্মসমর্পন করুন। না হলে ৪ঠা মে তারিখের পর আর কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না. কাউকে রেয়াত করা হবে না. তৃণমূলের মাফিয়া এবং সিন্ডিকেটের মাথারা কান খুলে শুনে নিন, আপনাদের আমরা আর সহ্য করবো না.”
এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন, ভোটের দিনগুলিতে যেন তৃণমূলের গুন্ডারা বাড়িতেই থাকে, ঘর থেকে যেন না বের হয়. আজ প্রধানমন্ত্রী অনুরূপ বার্তা দিয়ে গেলেন তৃণমূলের গুনাদের উদ্দেশ্যে। রাজ্যে ভোটের সময় থাকছে আড়াই লাখ কেন্দ্রীয় বাহিনী। অসংখ্য নতুন নবম তৈরি করেছে নির্বাচন কমিশন। অথচ শান্তিপূর্ণভাবে ভোট পর্ব মেটাতে বদ্ধ পরিকর নির্বাচন কমিশন।