প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভুটানের সাথে ভারতের সমঝোতা অনেক দিনের, সামরিক সহযোগিতাও কাম্য বলে মনে করে দুই দেশ
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ৩০/০৬/২০২৫ : ভারতীয় সেনা প্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী আজ ৪ দিনের সরকারি সফরে ভূটান গেলেন, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি করার লক্ষ্য নিয়ে।
এই সফরে সেনাধ্যক্ষ ভূটানের রাজা জিগমে খেসর নামগিয়েল ওয়াংচুকের সঙ্গে দেখা করবেন। তিনি রয়েল ভূটান আর্মির চিফ অপারেশনস অফিসার লেফটানেন্ট জেনারেল বাটু শেরিং-এর সঙ্গেও আলাপ আলোচনা করবেন। সেনাপ্রধান ভারতীয় দূতাবাস, ইন্ডিয়ান মিলিটারি ট্রেনিং টিম এবং প্রজেক্ট ডিএএনটিএকে – এর শীর্ষ পদাধিকারীদের সঙ্গেও আলোচনা করেবেন।
এই সফর ভারত ও ভূটানের মধ্যে গভীর এবং সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মৈত্রীর প্রতিফলন এবং নিকট ও বিশ্বস্ত অংশীদারের প্রতি ভারতের দায়বদ্ধতার পরিচায়ক।
বিশাল স্কুল ভবনটিকে যেন রাতের বেলায় হানাবাড়ি বলে ভুল হয়
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], ধূপগুড়ি, জলপাইগুড়ি, ৩০/০৬/২০২৫ : ফাঁকা মাঠের মধ্যে স্কুল ভবন একটা রয়েছে বটে, তবে সেই স্কুলে না আছে তেমন পড়ুয়াদের ভীড়, না আছে একাধিক শিক্ষক। এভাবেই চলছে আস্ত একটা জুনিয়ার হাই স্কুল।
এই স্কুলটির অবস্থান জলপাইগুড়ি জেলার ধুপগুড়িতে, নাম নিরঞ্জন পাঠ জুনিয়ার হাই স্কুল। এই স্কুলে পড়ুয়াদের সংখ্যা মাত্র ১৪ এবং শিক্ষক রয়েছেন মাত্র ১ জন. তাঁর নাম নিরঞ্জন রায়. তিনি একাধারে শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক, সাফাই কর্মী, এবং আরও অনেক কিছু। স্কুলটিতে রয়েছে শ্রেণী কক্ষ, বেঞ্চ, ব্ল্যাকবোর্ড, আলো, পাখা সব কিছুই। শুধুমাত্র নেই পড়ুয়া আর শিক্ষক। পানীয় জলের ব্যবস্থা, শৌচাগার এমনকি স্কুল সংলগ্ন খেলার মাঠ আছে, অথচ খাতায় কলমে ১৪ জন থাকলেও সারাদিনে ক্লাস করতে আসে তিন চারটি পড়ুয়া।
জলপাইগুড়ি জেলার ধুপগুড়ি ব্লকের মাগুরমারি ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের গোসাইহাট লেবুতলা এলাকায় ২০১১ সালে স্থাপিত হয়েছিল পঞ্চম শ্রেণী থেকে অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়াদের জন্য নিরঞ্জন পাঠ জুনিয়র হাই স্কুল। যা বর্তমানে মুখ থুবড়ে পড়ে রয়েছে। অবাক করা বিষয় এই এত বড় স্কুলের দায়িত্বে রয়েছে মাত্র একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। যিনি একা হাতে কখনো স্কুলের সাফাই কর্মী, কখনো লাইবেরিয়ান, কখনো দপ্তরি তো কখনো আবার পড়ুয়াদের জন্য হয়ে উঠছে শিক্ষাগুরু। তার ওপর বাড়তি স্কুলের কাগজে-কলমের একাধিক কাজ এই গেস্ট টিচারকেই সামলাতে হয়।। পঞ্চম থেকে সপ্তম শ্রেণী পর্যন্ত মাত্র ১৪ জন ছাত্রর হিসেবটা সরকারি খাতায় থাকলেও উপস্থিতির হার মাত্র হাতে গোনা তিন থেকে পাঁচজন। এভাবেই একটি জুনিয়র হাইস্কুল চলছে। কোন হেলদোল নেই স্থানীয় প্রশাসন থেকে শুরু করে ব্লক প্রশাসন এমনকি শিক্ষা বোর্ডের। এই অভিযোগ স্থানীয় মানুষের। গ্রামবাসী অভিভাবকদের দাবি স্কুলের শিক্ষক না থাকায় পড়ুয়া সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। হয়তো একটা সময় গিয়ে স্কুলটাই বন্ধ হয়ে যাবে। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য অবশ্য জানিয়েছেন গোটা বিষয়টি সকলে জানা থাকলেও সরকার কোন ভ্রুক্ষেপ নিচ্ছে না। বর্তমানে একজন শিক্ষক দিয়ে চলছে গোটা স্কুলটি। তিনিও আগামী বৎসর অবসর নেবেন। তার আগে স্কুলের হাল ফেরাতে শিক্ষক নিয়োগ করবে কি না , তা নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা! পড়ুয়ারাও চাইছে স্কুলে আরো শিক্ষক নিয়োগ হোক নয়তো স্কুলটাই বন্ধ হবে, পড়াশোনায় একেবারে লাটে উঠে গেছে। স্কুলের এই বর্তমান পরিস্থিতি দেখে স্থানীয় মানুষ তাদের বাচ্চাদের পার্শ্ববর্তী উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয় গুলিতে পড়ুয়া ভর্তি করাচ্ছেন। এদিকে সু বিশাল এই স্কুলটি সকলের অজান্তেই বন্ধ হয়ে যেতে বসেছে। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় দুর্নীতি সহ শিক্ষার যে অবস্থা সে জায়গায় দাঁড়িয়ে একটি সরকারি জুনিয়র হাই স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়া কার্যত সমাজের ক্ষতি।
আইন কলেজে গনধর্ষন মামলায় পুলিশ এখনো পর্যন্ত যা কিছু করেছে, তা যথেষ্ট প্রশংসা কুড়িয়েছে। মানুষ তাকিয়ে আছে বাকিটুকুর দিকে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ৩০/০৬/০২০২৫ : কলকাতা আইন কলেজে গণধর্ষণের ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে অভিযুক্তদেরকে শাস্তি দেওয়ার জোরালো আশ্বাস দিল কলকাতা পুলিশ।
ধর্ষণের ঘটনা ঘটে যাওয়ার ১২ ঘন্টার মধ্যেই মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং চতুর্থ অভিযুক্তকেও গতকাল গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ফরেনসিক দল ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এসেছে। অভিযুক্ত এবং অভিযোগকারিণী দুজনেরই মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। অভিযুক্তদেরকে ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে ঘটনা কিভাবে ঘটেছিল তা পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। অভিযুক্তদের ব্যবহৃত পোশাক ও মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
অভিযুক্তদের জেরা পর্ব এখনও চলছে। সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। আপাতত ওই কলেজটিকে বন্ধ রাখা হয়েছে। অপরাধীদের যত দ্রুত সম্ভব কঠোরতম আইনি বিচারের মাধ্যমে শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে বদ্ধ পরিকর রয়েছে কলকাতা পুলিশ। আইনজীবীরা মনে করছেন এই ঘটনা গণধর্ষণের মত অপরাধের আওতায় পরে এবং এর জন্যে সর্বোচ্য ২০ বছরের জেল কিংবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], পোর্ট ব্লেয়ার,আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, ৩০/০৬/২০২৫ : আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপ পুঞ্জের কাছাকাছি সমুদ্র এলাকায় বার বার ভূকম্পন অনুভূত হয়ে চলেছে।
সোমবার একই দিনে তৃতীয়বারের জন্যে ভূমিকম্প অনুভূত হল আন্দামান সাগরে। রিখটার স্কেলে ভূকম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৭ ; বেলা ১২:০৬ মিনিটে ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে এই অঞ্চলে। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল এই ভূকম্পনের কেন্দ্রস্থল বলে জানা গিয়েছে। আজই সকাল ১০টা বেজে ৯ মিনিট নাগাদ এই অঞ্চলে প্রথম ভূকম্পন অনুভূত হয়েছিল, সেটির মাত্রা ছিল ৪.৭; তারপর বেলা ১১:২২ নাগাদ ফের ভূকম্পন হয়েছিল। সেই ভূকম্পনের মাত্রা রিখটার স্কেলে ছিল ৪.৬;
আন্দামান সাগর এমনিতেই ভূকম্পন প্রবন এলাকা এবং ভূকম্পনের দিক থেকে এই দ্বীপ পূঞ্জের অবস্থান দেশের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায়। কিন্তু একইদিনে তিন তিনবার এই এলাকায় ভূকম্পন হয়ে যাওয়ায় চিন্তিত আন্দামান প্রশাসন। যদিও এই এলাকায় এখনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয় নি। গত ২৫ তারিখেও এই আন্দামান সাগরেভূকম্পন অনুভূত হয়েছিল। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৪.৬; আজকের ভূমিকম্পে সেভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায় নি।
আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক], ঢাকা,বাংলাদেশ, ২৮/০৬/২০২৫ : নানারকম আশঙ্কা এবং শর্তাবলির বেড়াজালকে এড়িয়ে অবশেষে শান্তিতেই রথযাত্রা উৎসব পালিত হল বাংলাদেশে।
প্রতি বছর ঢাকায় ইসকন রথযাত্রা উৎসবের আয়োজন করে. এই বছরেও ঢাকার রাজপথে ইসকনের রথ বেরিয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষ সেই রথের দড়িতে টান দিয়েছেন। বাংলাদেশে হিন্দুদের অন্যতম সর্ব বৃহৎ উৎসব হল এই রথযাত্রা। বিগত কয়েক মাসে বাংলাদেশে প্রচুর হিংসার ঘটনা ঘটেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন। সংখ্যা লঘুদের ওপর ব্যাপক নির্যাতনের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। এমনকি বেশ কিছু জায়গায় সংখ্যালঘুদের উপাসনালয়গুলিকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। ইসকনের এক সাধুকে বিনা বিচারে দীর্ঘদিন জেল খাটতে হয়েছে।
বাংলাদেশের এই রাজনৈতিক আবহে রথযাত্রা সুষ্ঠুভাবে করা যাবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছিল। রথযাত্রার ক্ষেত্রেও নানারকম শর্ত আরোপ করতে চেয়েছিল কিছু মৌলবী। বলা হয়েছিল কোনো মসজিদের সামনে দিয়ে রথ নিয়ে যাওয়া যাবে না। মসজিদে আজান দেওয়ার সময় রথ নিয়ে যাওয়া চলবে না। তবে শেষ পর্যন্ত বিপুল পুলিশ প্রহরায় শেষ পর্যন্ত রথযাত্রা সম্পন্ন হয়েছে।
এদিন জগন্নাথদেবের রথ স্বামীবাগ আশ্রম থেকে জয়কালী মন্দির হয়ে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের কাছে গিয়ে পৌঁছেছে। উল্টো রথের দিন অর্থাৎ আগামী ৫ তারিখে ঠিক একই রুট ধরে রথ ফিরে আসবে ইসকন মন্দিরে। এদিন রথযাত্রার কারনে সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করা হয়েছিল দুপুরে কিছুক্ষনের জন্যে ঐ পথ যানবাহন নিয়ে ব্যবহার না করতে।
নবনীরের বাসিন্দাদের দিঘা জগন্নাথ দর্শনের আশ্বাস, অন্যদিকে শহর কাঁপালো আইন কলেজে নির্যাতনের অভিযোগ।
নবনীরে প্রসাদ বিতরণ করছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য]কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৮/০৬/২০২৫ : মুখ্যমন্ত্রীর খুব স্নেহের নবনীর বৃদ্ধাশ্রম। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রথ যাত্রার দিন চেতলায় অবস্থিত বৃদ্ধাশ্রম নবনীরে আসে দিঘা জগন্নাথ ধামের প্রসাদ।
সেই মহাপ্রসাদ আবাসিকদের হাতে তুলে দিলেন পুর ও নগর উন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী ও মেয়র ফিরহাদ হাকিম। আবাসিক দের আদর করে তাঁদের হাতে প্রসাদ দিলেন তিনি। এছাড়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে তাঁদেরকে দিঘা জগন্নাথ মন্দিরের দর্শন করতে নিয়ে যাওয়ার কথাও আবাসিকদের জানালেন তিনি। তিনি জানান যে, মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছিলেন যে নবনীরের আবাসিক দের হাতে জগন্নাথ ধামের প্রসাদ বিতরণ করতে। একই ভাবে অনেক কাউন্সিলররা তাঁদের নিজেদের ওয়ার্ডগুলিতে প্রসাদ বিলি করেছেন।
ফিরহাদ হাকিম জানান যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চেয়েছেন যে নবনীরের আবাসিকদের দিঘা জগন্নাথ মন্দিরের দর্শন করাতে, সেখানে তাঁদেরকে আবাসিকদের নিয়ে আসতে। তাই তিনি সবাইকে বলে দিয়েছেন যে যারা সুস্থ আছেন বা যেতে পারবেন, তাঁদেরকে লাক্সারি বাস করে দিঘা জগন্নাথ মন্দির নিয়ে যাওয়া হবে।
আজ রথযাত্রা হলেও সারাদিন খবরের সব গুরুত্বটুকু কেড়ে নিয়েছিল আইন কলেজে গণধর্ষণের ন্যক্কারজনক একটি ঘটনা। যদিও এদিন কলেজের মধ্যে গণধর্ষণ নিয়ে ফিরহাদ হাকিম জানান যে “এটা খুবই নিন্দজনক ঘটনা। পুলিশ নিশ্চয়ই কঠোর ব্যবস্থা নেবে।” যদিও এই বিষয়ে বিশদে তিনি কিছু জানেন না। এই ব্যাপারে তিনি সবটা জেনে নিয়ে তারপরেই কিছু বলতে পারবেন।
আজ শহর কাঁপলো একটি ন্যক্করজনক ঘটনার জন্যে। ঘটনাটি অবশ্য বুধবার সন্ধ্যেবেলায় ঘটেছে, তবে প্রকাশ্যে এসেছে আজ। বুধবার সন্ধ্যেবেলায় এক টিএমসিপি নেতা কসবা আইন কলেজের এক ছাত্রীকে আরও দুইজনের সাহায্যে গণধর্ষণ করে। ঐ নেতা ঐ কলেজেরই প্রাক্তন ছাত্র। মেয়েটিকে ভয় দেখানোও হয়, তার নগ্ন ছবি ভিডিও করে রাখা হয়। কিন্তু তা সত্বেও কোনো বাধা না মেনে মেয়েটি থানায় এফআইআর করে। পুলিশ তিনজনকেই গ্রেপ্তার করেছে। গোটা ঘটনাটি নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় হয়ে গিয়েছে। তৃণমূলের দিকে তোপ দেগেছে বিজেপি। থানা ঘেরাও করেছে। ধস্তাধস্তি হয়েছে পুলিশ ও অবরোধকারীদের মধ্যে। অভয়া কাণ্ডের পর ফের একই ধরনের ঘটনা ঘটায় অস্বস্তিতে রাজ্য সরকার।
এসসিও সমঝোতা পত্রে সাক্ষর করতে চান নি রাজনাথ সিং, তারপর তাঁর সাথে বৈঠক হয় চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর। এবার কি তবে চীনের আগ্রাসন কমবে ? নাকি পাক সমর্থন বাড়বে চীন ?
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং ও চীন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ডং জুন
আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক], নতুন দিল্লী, ভারত, ২৭/০৬/২০২৫ : প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং ২৬ জুন, ২০২৫ তারিখে চীনের ক্যুইংদাও-তে সাংহাই সহযোগিতা সংগঠনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীদের বৈঠকের পাশাপাশি চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী অ্যাডমিরাল ডং জুন-এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন। দুই মন্ত্রীর মধ্যে ভারত-চীন সীমান্তে শান্তি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে স্বাভাবিক করার জন্য উভয় পক্ষ যে পদক্ষেপ গ্রহণ করছে, তার প্রশংসা করেন। তিনি স্থায়ী সংযোগ বজায় রাখা ও উত্তেজনা কম করার জন্য জটিল বিষয়গুলি সমাধানে জোর দেন।
রাজনাথ সিং সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং এর সঙ্গে যুক্ত বিষয়গুলি আবারও কার্যকর করে তোলার ওপর জোর দেন। তিনি এশিয়া ও বিশ্বের স্থিতিশীলতার জন্য সহযোগিতার পাশাপাশি সুপ্রতিবেশীসুলভ পরিবেশ তৈরির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি ২০২০ সালে সীমান্ত অচলাবস্থা দেখা দেওয়ার পর আস্থার যে অভাব দেখা দিয়েছে, তা ফিরিয়ে আনতে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
দুই মন্ত্রী বর্তমানে সীমান্তে উত্তেজনা হ্রাস, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং সীমান্ত সম্পর্কিত বিষয়গুলিতে অগ্রগতির জন্য বিভিন্ন স্তরে আলোচনা বজায় রাখতে সম্মত হয়েছেন।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে ৭৫ বছরের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলকের কথা উল্লেখ করেন। তিনি ৫ বছর পর কৈলাশ মানস সরোবর যাত্রা পুনরায় শুরু হওয়ায় এর প্রশংসা করেন।
রাজনাথ সিং চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীকে ২২ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁও-এ নির্দোষ নাগরিকদের ওপর যে ঘৃণ্য সন্ত্রাসবাদী হামলা চালানো হয়েছে সে সম্পর্কে এবং পাকিস্তানে জঙ্গি নেটওয়ার্ক ধ্বংস করার লক্ষ্যে ভারত যে অপারেশন সিঁদুর চালিয়েছিল, সে বিষয়েও অবহিত করেন।
আশা রাহুলের হারমোনিয়ামের ওপর পুষ্পস্তবক রেখে অপলক তাকিয়ে রইলেন তাঁর পঞ্চমের চোখের দিকে
আজ খবর (বাংলা), [বিনোদন], মুম্বই , মহারাষ্ট্র, ২৭/০৬/২০২৫ : সুরসম্রাট রাহুল দেব বর্মনের জন্মদিন পালন করতে আজ আশা ভোঁসলে পৌঁছে গিয়েছিলেন মুম্বইয়ে দেব বর্মন ভবনে। লিজেন্ড রাহুলদেব বর্মনের বয়স হল ৮৬ বছর।
রাহুল দেবের জন্মদিন আশা ভোঁসলের কাছে সব সময়ই একটা বিশেষ দিন। তাই তো পদ্ম ভূষণ আশা ভোঁসলে তাঁর প্রাক্তন স্বামীকে শ্রদ্ধা জানাতে মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী আশিস সেলারের সাথে পৌঁছে গিয়েছিলেন দেব বর্মন ভবনে। আশা রাহুলের বাড়িতে ছিলেন বেশ কিছুক্ষন, আর সেই সময়টুকু কেটেছে আবেগ ঘনভাবেই। আশা বেশ কিছুক্ষন রাহুলের ছবির দিকে অপলক তাকিয়ে থাকেন। তারপর একটি মালা ছবিতে পরিয়ে দেন। একটি পুষ্প স্তবক রাখেন রাহুলের প্রিয় হারমোনিয়ামটা ওপর।
স্পষ্টতঃ দেখা যায় আশা ভোঁসলের চোখের কোল ভিজে গিয়েছে। এরপর আশা ভোঁসলে তাঁর পঞ্চমকে হাত জোর করে প্রণাম করেন। আর তার পরেই একটি কেক কাটেন রাহুলের ছবির সামনে দাঁড়িয়ে। এই মুহূর্তগুলো বয়ে যাচ্ছিল একেবারে নীরবতার মধ্যে দিয়ে। ফের একবার প্রণাম করে আশা সরে আসেন রাহুলের ছবির সামনে থেকে।
এদিন সাংবাদিকদের আশা বলেন, “বহুদিন ধরেই পঞ্চমের সাথে গান গেয়েছি। তাঁর বাবার সাথেও গান গেয়েছি। অনেক অনেক স্মৃতি রয়েছে তাঁদের সাথে। সেইসব কথা আমার মনে পড়ে যায়। মন খারাপ হয়ে ওঠে। তবে পঞ্চম অনেক দিন হয়ে গেল আমাদের মধ্যে আর নেই। সময় এগিয়ে চলে নিজের খেয়ালে। তাকে তো আর ধরে রাখা যায় না।”
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], পুরী ও দীঘা, ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গ, ২৭/০৬/২০২৬ : আজ রথযাত্রা, দেশের বিভিন্ন জায়গায় রথের দড়িতে টান পড়েছে। জগন্নাথ দেব চলেছেন মাসির বাড়িতে। সঙ্গে রয়েছেন দাদা বলভদ্র ও বোন সুভদ্রা।
পুরীতে রথের উৎসবে হাজির হয়েছেন লক্ষ লক্ষ ভক্তের দল। বহু প্রতীক্ষিত শ্র্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উপলক্ষে প্রতি বছরের মত এবছরেও ভীড় উপচে পড়েছে। মা লক্ষীকে বিদায় জানিয়ে জগন্নাথদেব পুরীর মন্দির থেকে ভক্তদের কাঁধে চেপে এবং তাঁর নন্দীঘোষ রথে বিরাজমান হয়েছেন। রথের দড়িতে টান পড়তেই বিজয় উল্লাসে মেতে উঠেছে মর্ত্যবাসী। ‘জয় জগন্নাথ’ ধ্বনিতে একটু একটু করে রথ এগিয়ে চলেছে মাসির বাড়ি অর্থাৎ গুন্ডিচা মন্দিরের দিকে।
এ বছর রথ উপলক্ষে সেজে উঠছে দীঘার জগন্নাথ দেবের মন্দিরটিও। কিছুদিন আগেই উদ্বোধন হয়েছিল, আর এই বছর প্রথম রথের দড়িতে টান পড়ল। রথ উপলক্ষে দীঘায় প্রচুর ভক্তের ভীড় হয়েছে। রথের দড়িতে টান দিতে দীঘায় আগেই পৌঁছে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দীঘার মানুষ আজ এক অন্যরকম মহোৎসবের সাক্ষী থেকে গেলেন। রথ উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্র দুয়ারে রেশন প্রকল্পের মাধ্যমে জগন্নাথ দেবের প্রসাদ বিতরণ করা হয়েছে।
আজ রাজ্যের অন্যান্য জায়গাতেও রথ যাত্রা পালিত হচ্ছে মহা ধুমধামের সাথে। ইসকনের রথযাত্রায় এ বছর বেশ ভীড় লক্ষ্য করা গিয়েছে। হুগলির মাহেশের রথেও একই অবস্থা। উত্তর কলকাতার শহরতলি রথতলাতেও রথ বেরিয়েছে। গুপ্তিপাড়াতেও আজ রথের দড়িতে টান পড়েছে। মহিষাদল রাজবাড়ীর রথ উৎসবও পালিত হয়েছে। বর্ধমানের আমাদপুরের রথযাত্রা বেশ বিখ্যাত, গোটা গ্রাম পরিক্রমা করে এই রথ। এই রথের চাকার মাটি দিয়েই তৈরি করা হয় দূর্গা মূর্তি। হুগলির চন্দনগরেও পালিত হয়েছে রথযাত্রা। নদীয়ার যাগবলহাট রথযাত্রাও পালিত হয়েছে মহা সোৎসাহে। হুগলির গরল গাছাতেও মুখার্জি বাড়ির রথ উৎসব পালিত হয়েছে। নৈহাটির কাঁঠালপাড়ায় বঙ্কিম চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাবার তৈরি রথযাত্রা পালিত হয়েছে। এছাড়াও কলকাতার খিদিরপুর অঞ্চলে জগন্নাথ মন্দির থেকেও প্রতি বছরের মত এ বছরেও রথ বেরিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
আইন কলেজের মধ্যেই বেআইনি কাজকর্ম। এই ঘটনায় বিজেপি দুষছে তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারকে। তারা বলছে এই ঘটনায় এক তৃণমূল সদস্য জড়িত আছে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৭/০৬/২০২৫ : কলকাতার একটি আইন কলেজের মধ্যে গণ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। কলকাতার কসবা ল’ কলেজে ওই কলেজেরই এক ছাত্রীর ওপর গণ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার ২৪ ঘন্টার অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার রাতে। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার পরে. কলেজের এক ছাত্রীকে তিনজন মাইল গণ*ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তেরা হয় ঐ কলেজেরই প্রাক্তন ছাত্র অথবা ঐ কলেজের স্টাফ সদস্য বলে জানা গিয়েছে। অভিযুক্তদের নাম মনোজিৎ মিশ্র (৩১), জায়েয আহমেদ (১৯) ও প্রমিত মুখোপাধ্যায় (২০). এই তিন জনের মধ্যে বৃহস্পতিবার দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তৃতীয় জনকে আজ গ্রেপ্তার করা হয়েছে.
তিন অভিযুক্তকে হাজির করা হয়েছিল। পুলিশ এদেরকে নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়েছে। মেয়েটিটর চিকিৎসা চলছে একটি হাসপাতালে।
এই ভয়ঙ্কর বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে বিজেপি। পদ্ম নেতা অমিত মালব্য বলেন,”আর জি কর হাসপাতালের ঘটনা এখনো ফিকে হয়ে একটা ঘটনা ঘটে গেল. পশ্চিমবাংলায় এতটাই উন্নয়ন হচ্ছে যে এই ধরনের ঘটনা প্রায়ই থাকছে। অভিজ্যুক্তদের সাথে একজন তৃণমূল সদস্যও ছিল বলে আমরা জানতে পারছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনকালে পশ্চিমবঙ্গ মহিলাদের জন্যে ত্রাস এবং আতঙ্কে পরিণত হয়েছে।”