আজ খবর (বাংলা), [দেশ], পানাজি, গোয়া, ০৩/০৫/২০২৫ : গোয়ার একটি মন্দিরে পদপিষ্ট হয়ে মারা গেলেন ৬ জন, গুরুতরভাবে জখম হয়েছেন আরও ৫0 জন মানুষ।
গোয়ার পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর গোয়ার বিচোলিমের কাছে শিরগাঁওয়ে লাইরাই মন্দিরে প্রচন্ড ভীড় হয়েছিল ভক্তদের, সেখানেই পদপিষ্ট হয়ে ৬ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় ওই মন্দিরে অন্তত ৫0 জন গুরুতরভাবে জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। আহতদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলা হয়েছে।
গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্তকে এই বিষয়ে নিজের উদ্বেগ প্রকাশ করে ফোন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গোটা বিষয়টি তিনি মুখ্যমন্ত্রীর থেকে জেনে নিয়েছেন এবং পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী ঘটনাস্থলে গিয়ে সমস্ত বিষয়টি নিজে তদারকি করছেন। ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিশ। এই দুর্ঘটনা ঠিক কিভাবে ঘটল তা জানতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ০১/০৫/২০২৫ : প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটি মেঘালয়ের শিলং –এর কাছে মাওলিংখুং থেকে অসমের শিলচরের নিকটবর্তী পাঁচগ্রাম পর্যন্ত ৬ নম্বর জাতীয় মহাসড়ক বরাবর ১৬৬.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ৪ লেনের গ্রীণ ফিল্ড হাই স্পিড করিডর প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে। হাইব্রিড অ্যানুইটি মোডে এই প্রকল্প রূপায়ণে মূলধনী খরচ ধরা হয়েছে ২২,৮৬৪ কোটি টাকা।
এর ফলে গুয়াহাটি থেকে শিলচরে যাতায়াত অনেক সহজ হবে। দেশের মূল ভূ-খন্ডের সঙ্গে ত্রিপুরা, মিজোরাম, মণিপুর এবং অসমের বরাক উপত্যকার সংযোগ উন্নততর হবে। এই প্রকল্প ২৭, ১০৬, ২০৬ এবং ৩৭ নম্বর জাতীয় মহাসড়ককে সংযুক্ত করায় গুয়াহাটি, শিলং ও শিলচর সহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বড় শহরগুলিতে যাতায়াত আরও সহজ হয়ে উঠবে।
লজিটিক্স পরিষেবা আরও উন্নত হওয়ায় গতি আসবে অর্থনৈতিক বিকাশে। পাশাপাশি উত্তর –পূর্বাঞ্চলে পর্যটনেরও প্রসার হবে আরও দ্রুত।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ০১/০৫/২০২৫ : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বধীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার রাজনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত কমিটি আসন্ন জনগণনার মধ্যে জাতগণনার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশ ও সমাজের সার্বিক স্বার্থরক্ষায় বর্তমান সরকারের দায়বদ্ধতার প্রতিফলন এই সিদ্ধান্ত।
সংবিধানের ২৪৬ ধারা অনুযায়ী জনগণনার বিষয়টি সপ্তম তপসিলে কেন্দ্রের এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে। কয়েকটি রাজ্য জাতপাত সংক্রান্ত সমীক্ষা চালালেও তা বহুলাংশেই অসম্পূর্ণ। বহু ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে বিষয়টির মধ্যে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গী প্রকট। ফলে সমাজে এই নিয়ে একটা সন্দেহ রয়ে গেছে। সেকথা মাথায় রেখেই জনগণনার মূল পরিসরের মধ্যে জাতগণনার বিষয়টিকেও নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত হয়েছে – যাতে রাজনৈতিক প্রভাবে সামাজিক স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার এই সিদ্ধান্তের ফলে ভারতীয় সমাজ অর্থনৈতিক এবং আরও নানা দিক থেকে শক্তিশালী হয়ে উঠবে। দেশের বিকাশের কাজ হবে বিঘ্নহীন। একথা মনে রাখা দরকার সমাজের অর্থনৈতিক দিক থেকে অনগ্রসরদের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণের সংস্থান কোনও অস্থিরতা তৈরী করে নি।
স্বাধীনতার পর থেকেই জনগণনার পরিসর থেকে জাতগণনার বিষয়টি বাদ রাখা হয়। ২০১০ –এ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত ডঃ মনমোহন সিং লোকসভাকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে জাতগণনার বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় বিবেচনা করা হবে। বিষয়টি এগিয়ে নিয়ে যেতে একটি মন্ত্রিগোষ্ঠীও গঠন করা হয় এবং বেশিরভাগ রাজনৈতিক দলই জাতগণনার পক্ষে মত দেয়। তা সত্ত্বেও পূর্ববর্তী সরকার জাতগণনার পরিবর্তে কার্যত এই নিয়ে একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল – যা পরিচিত সোশিও-ইকোনমিক অ্যান্ড কাস্ট সেন্সাস বা এসইসিসি হিসেবে।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ৩০/০৪/২০২৫ : গতকাল দেশের তিন সেনা প্রধান, চিফ ডিফেন্স স্টাফ ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রীকে নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের যে গোপন বৈঠক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী করেছিলেন, তাতে সেনাবাহিনীকে তিনি দায়িত্ব ও সবুজ সংকেত দিয়েছেন যাতেজঙ্গী কার্যাপলাপের জন্যে পাকিস্তানকে চরম শাস্তি দেওয়া যায়। আর আজ তিনি ক্যাবিনেটের সাথে চূড়ান্ত বৈঠকও সেরে নিলেন। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে ভারত পুরদস্তুর প্রস্তুত।
আজ প্রধানমন্ত্রী নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠক ছাড়াও আরও দুটি বৈঠক করেছেন, একটি রাজনীতি সম্পর্কিত, অন্যটি অর্থনৈতিক সম্পর্কিত। ভারত যে পদক্ষেপ করতে চলেছে, তার জন্যে এই দুটি বৈঠকও জরুরি হয়ে পড়েছিল. কিন্তু আমাদের দেশ এই মুহূর্তে কি ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে তা এখনও পর্যন্ত খোলসা করে নি সরকারিভাবে। আজ দুপুর তিনটে নাগাদ বড় কিছু ঘোষণা করতে চলছে ভারত সরকার। সেই ঘোষণার দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা বিশ্ব।
এই মুহূর্তে পাকিস্তান রীতিমত আতঙ্কে কাঁপছে। প্রহর গুনছে কখন ভারত আক্রমণ করবে ভেবে। ভারতের তিন বাহিনীই এই মুহূর্তে এটাক মোডেই রয়েছে। এর মধ্যেই খবর পাওয়া গিয়েছে পাক সেনাদের মধ্যে অনেকে ছুটি নিতে শুরু করেছে। পাক সেনাবাহিনীর কর্তাদের খোঁজ মিলছে না. পাক সেনার এই ধরনের গণ ছুটি পাক সরকারকে চিন্তায় ফেলেছে।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ] নতুন দিল্লী, ভারত, ২৯/০৪/২০২৫ : সেনাবাহিনীকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়ে মুক্তহস্ত করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জঙ্গীদের শায়েস্তা করতে এবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধেও যে কোন রকম ব্যবস্থা নিতে পারবে ভারতীয় সেনাবাহিনী। একের পর এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়ে যাচ্ছিল, কখনো ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, কখনো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আবার কখনো বা প্রধানমন্ত্রী নিজে। বার বার বৈঠক করে নিরাপত্তার বিষয়টিকে সুনিশ্চিত করে বুঝে নিতে চাইছিলেন নরেন্দ্র মোদী। কিছুক্ষন আগেই চিফ ডিফেন্স স্টাফ, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও সেনাবাহিনীর তিন প্রধানকে নিয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাথে অত্যন্ত গোপন বৈঠক সেরে নিয়েছেন। সেখানেই কোনো বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যেভাবে দেশের সবচেয়ে উচ্চ ও গুরুত্বপূর্ণ আসনে থাকা কয়েকজন লাগাতার বৈঠক করে যাচ্ছিলেন, তাতে করে বোঝাই যাচ্ছিল, ভারত এবার একটা অতি বড় কিছু করতে চলেছে। উচিত শিক্ষা দিতে চলেছে সন্ত্রাসবাদের আঁতুরঘর পাকিস্তানকে। পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের হত্যাকাণ্ডের নেতৃত্বে ছিল একজন পাক কমান্ডো , যে কিনা বর্তমানে লস্কর ই তৈবার নেতা, সেই রাক্ষস মুসাকে নিকেশ করতেই হবে। বিভিন্ন তথ্য থেকেই বোঝা যাচ্ছে এই জঙ্গীদের পিছনে ছিল পাকিস্তানের হাত. আর তাই গত কয়েক দশক ধরে ভারতকে রক্তাক্ত করতে থাকা পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দেওয়াটা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। আর তাই পহেলগাঁওয়ের ঘটনার ঠিক সাতদিনের মাথায় ভারত প্রত্যাঘাতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সন্ত্রাসবাদের ক্ষেত্রে ‘নো টলারেন্স’। এবার শুধুই প্রত্যাঘাত আর প্রত্যাঘাত। ছাড়া হবে না কাউকেই, রেহাই পাবে না কেউ। বড়সধপরিকর ভারত। আগামীকাল দেশের সর্বোচ্য পদাধিকারীরা ফের একবার বৈঠকে বসবেন এবং তারপরেই হট বড় ঘোষণা হতে পারে দেশবাসীর জন্যে।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ২৯/০৪/২০২৫ : ফের এক অত্যন্ত জরুরি বৈঠকে বসলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। খুব সম্ভবত সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন তিনি। বৈঠকের পৌরোহিত্য করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
ওই বৈঠকে মোদীর সাথে উপস্থিত রয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল ও চিফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহান। এছাড়াও ঐ বৈঠকে উপস্থিত আছেন আর্মি চিফ জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী, নেভি চিফ এডমিরাল দীনেশ কুমার ত্রিপাঠি, এয়ার চিফ মার্শাল অমর প্রীত সিং. দেশের যুদ্ধ বিষয়ক তিন প্রধান, তাঁদের চিফ,ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী যখন প্রধানমন্ত্রীর সাথে অত্যন্ত জরুরি বৈঠকে বসেন, তখন তাকে যুদ্ধের চূড়ান্ত প্রস্তুতিই বলা যেতে পারে।
এর আগে গতকাল প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। এছাড়াও চিফ ডিফেন্স স্টাফ অনিল চৌহানও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিঙ্গার সাথে সাক্ষাৎ করে কোনো এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ফলাফল নিয়ে সবিস্তারে আলোচনা করেছেন। এই বৈঠকগুলি থেকেই মনে করা হচ্ছে যে ভারত প্রাথমিকভাবে যুদ্ধের দিকেই এগিয়ে গিয়ে থাকতে পারে। তবে এই বৈঠকগুলি করা হচ্ছে অত্যন্ত গোপনভাবে। তাই যতক্ষণ না কিছু ঘটছে ততক্ষন অপেক্ষা ছাড়া আর কিছুই করে উঠতে পারছে না পাকিস্তান। এই মুহূর্তে আশঙ্কার প্রহর গুনছে তারা।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী , ভারত, ২৯/০৪/২০২৫ : এই মুহূর্তে একটি ব্রেকিং নিউজ পাওয়া যাচ্ছে, আর তা হল দিল্লীতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর ঘরে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক চলছে। এই বৈঠকের পরেই কি এমন কিছু পদক্ষেপ ভারত করতে চলেছে যা কিনা শুরু হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর ঘরে ! সেটা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।
ভারত কি এখনই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ নিয়ে ঝাঁপাবে ? এই প্রশ্ন ঘুরে বেড়াচ্ছে অর্ধেক দুনিয়া জুড়ে। কিছুদিন ধরেই ভারত এমন কিছু প্রস্তুতি নিয়েছে যা কিনা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ইঙ্গিতবহ। ভারত সম্ভবত এবার বড় কিছু করতে চলেছে বলে মনে করছে পাকিস্তানই। তবে পাকিস্তান শুধু ভারত থেকেই হুমকি পায় নি, আফগানিস্তানের তালিবান সরকার সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে তারা পাক-আফগান সীমান্তে ডুরান্ড লাইন মানে না। পাকিস্তান বিদ্রোহে জেরবার বালুচিস্তান নিয়েও। সব মিলিয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে পাকিস্তান।
এদিকে ভারত জঙ্গীদের সাফ করতে বদ্ধ পরিকর। এই ব্যাপারে অর্ধেক দুনিয়া এসে দাঁড়িয়েছে ভারতের পাশে। প্রধানমন্ত্রী ভারতের সেনাবাহিনীর উচ্চস্তরে যা কিছু আলোচনা করার তা করে ফেলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর ঘর থেকে যে সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবার সেসব বাস্তবায়ন করার পালা। আর সম্ভবত সেই কারণেই আজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর ঘরে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক ডাকা হয়েছে। ওই বৈঠকে উপস্থিত আছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, স্বরাষ্ট্র সচিব গবিন্দ মোহন। এছাড়াও আছেন বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের ডিরেক্টর জেনারেল, অসম রাইফেলস এবং ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ডের ডিরেক্টর জেনারেল এবং সিআইএসএফ-এর ডিজি।
এই মুহূর্তে কাশ্মীরে যে অভিযানগুলি চালানো হচ্ছে সেগুলি যথেষ্ট স্পর্শকাতর হওয়ায় সেগুলি সম্বন্ধে কোনো রকম আপডেট দেওয়া হচ্ছে না. তবে জম্মু ও কাশ্মীরের অন্তত ৪৮টি পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ করে দিয়ে চিরুনি তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পহেলগাঁওয়ের বৈশরণ উপত্যাকার আশেপাশে যে ঘন পাইন অরণ্য রয়েছে, সেখানে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। সেখানে দুজন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও যারা সেদিন জঙ্গীদের হত্যাকান্ড সফল করতে সাহায্য করেছিল খোঁজ চলছে তাদেরও। তাদের একটি তাল;ইকা তৈরি করা হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই সেদিন যে ঘোড়াওলা বা জিপার লাইনাররা সেখানে উপস্থিত ছিল, যারা প্রত্যক্ষদর্শী, তাদেরকে জেরা করার কাজ চালানো হচ্ছে।
এদিকে গতকাল মধ্যরাত্রে পাক রেঞ্জাররা বিনা প্ররোচনায় ভারত সীমান্তের চৌকি লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। ভারতও সমানে জবাব দিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], শ্রীনগর, জম্মু ও কাশ্মীর, ২৮/০৪/২০২৫ : এই মুহূর্তে জম্মু ও কাশ্মীর ‘রাজ্য’ শিরোপার দাবী জানাতে চান না মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা।
জম্মু ও কাশ্মীরের রাজ্য তকমা কেড়ে নিয়েছিল কেন্দ্র সরকার। এরপর দীর্ঘদিন ধরেই জম্মু ও কাশ্মীরকে কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। তারপর ভোট হয়েছে, নতুন মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন ওমর আবদুল্লা। দীর্ঘদিন ধরেই জম্মু ও কাশ্মীরকে রাজ্য তকমা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবী জানিয়ে আসছিলেন ওমর আব্দুল্লারা। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি অন্য কথা বলছে। এই মুহূর্তে রাজ্য তকমা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবী নতুন করে আর তুলতে চান না ওমর আবদুল্লা।
তাহলে সেই দাবী থেকে কি তিনি ফিরে আসছেন ? ওমর আবদুল্লা আজ জানালেন, “রাজ্য তকমা ফেরানোর দাবী থেকে তাঁরা আদৌ ফিরে আসছেন না।” তবে এই মুহূর্তে পহেলগাঁওয়ে যে নারকীয় হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, তার বিরুদ্ধে দেশবাসীর সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করতে চান তিনি। জঙ্গীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামতে চান তিনি। তাই এই মুহূর্তে রাজ্য তকমার চেয়েও বেশি জরুরি জঙ্গীদের শাস্তি দেওয়া বলে মনে করছেন তিনি।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ২৭/০৪/২০২৫ : আকাশ সীমা বন্ধ থাকায় দেশের বেসরকারি বিমান সংস্থাগুলিকে নতুন নির্দেশ পাঠালো কেন্দ্র সরকার।
সম্প্রতি আন্তর্জাতিক আকাশসীমা বন্ধ এবং আকাশসীমা ব্যবহারের ওপর বিধি-নিষেধ আরোপের প্রেক্ষিতে বেশ কিছু উড়ানের যাত্রাপথের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেছে। এর ফলে, উড়ানের সময় বেড়েছে এবং কারিগরি কারণে বিরতি নেওয়ার সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পেয়েছে। যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য, সুরক্ষা ও বিধিনিয়ম মেনে চলা সুনিশ্চিত করতে অসামরিক বিমান চলাচল নির্দেশনালয় সব বিমান সংস্থাকে অবিলম্বে যাত্রী পরিচালনার ব্যবস্থা উন্নত করার নির্দেশ দিয়েছে।
প্রধান পদক্ষেপগুলির মধ্যে রয়েছে : (১) স্বচ্ছ যোগাযোগ : যাত্রীদের অবশ্যই যাত্রাপথের পরিবর্তন, কতটা বেশি সময় লাগবে এবং যাত্রাপথে কোথাও থামতে হবে কিনা তা স্পষ্ট করে জানাতে হবে। চেকিং ও বোর্ডিং-এর সময় ডিজিটাল সতর্কতার মাধ্যমে এই বার্তা দিতে হবে।
(২) উড়ান চলাকালীন উন্নত পরিষেবা : যাত্রার সময় যাতে পর্যাপ্ত খাবার, পানীয় জল এবং বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা থাকে, বিমান সংস্থাগুলিকে তা সুনিশ্চিত করতে হবে।
(৩) চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রস্তুতি : যাত্রার সময় আকাশপথে পর্যাপ্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকতে হবে। যেসব বিমানবন্দরে প্রযুক্তিগত বিরতি নিতে হবে, সেইসব জায়গাতেও জরুরি চিকিৎসা পরিষেবার ব্যবস্থা রাখতে হবে।
(৪) গ্রাহক সহায়তা প্রস্তুতি : যাত্রায় বিলম্বের জন্য কোনো ক্ষতি হলে, অন্য বিমান ধরতে না পারলে যাত্রীদের প্রয়োজনীয় সহায়তা অথবা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। এজন্য বিমান সংস্থাগুলির কল সেন্টার এবং গ্রাহক পরিষেবা দলগুলিকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।
(৫) যাত্রাকালীন সমন্বয় : বিমান পরিবহণ, গ্রাহক পরিষেবা, বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনা, আকাশপথের পরিষেবা এবং চিকিৎসা সম্পর্কিত ব্যবস্থার মধ্যে নিশ্ছিদ্র সমন্বয় রাখতে হবে।
প্রতিটি বিমান সংস্থাকেই বাধ্যতামূলকভাবে এই নির্দেশিকা মেনে চলতে হবে। এই নির্দেশিকা লঙ্ঘন করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই নির্দেশিকা অবিলম্বে কার্যকর করা হচ্ছে। পরবর্তী বিজ্ঞপ্তি জারি না করা পর্যন্ত এটি বলবৎ থাকবে।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ]নতুন দিল্লী, ভারত, ২৭/০৪/২০২৫ : ভারত সরকার নির্দেশ দিয়েছে যাতে ভারতে বসবাসকারী সব পাকিস্তানি ভারত ছেড়ে চলে যায়। আজ তার শেষ দিন। এদিকে দেখা যাচ্ছে, শুধুমাত্র রাজধানী দিল্লীতেই ৫ হাজার জন পাকিস্তানি বসবাস করছিলেন।
পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের ওপর নারকীয় হত্যাকাণ্ডের পর গত শুক্রবার ভারত সরকার এদেশে বসবাসকারী পাকিস্তানিদের ভিসা বাতিল করে দেশে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। পাকিস্তানী ভিসা বাতিলের শেষ দিন আজ। আজকের মধ্যেই সব পাকিস্তানিকে ভারত ছেড়ে দেশে ফিরে যেতে হবে। যারা মেডিকেল ভিসা, লং লিভ ভিসা এবং ডিপ্লোম্যাট ভিসা নিয়ে পাকিস্তান থেকে এদেশে এসেছিল তাদের ভারতে থাকার শেষ দিন ২৯ তারিখ পর্যন্ত। তারপর থেকে তাদের ভিসা বাতিল করে দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই ভারত ছেড়ে বহু পাকিস্তানী নাগরিক দেশে ফিরে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
এদিকে ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো ইতিমধ্যেই অন্তত ৫০০০ জনের নামের তালিকা তৈরি করেছে যারা আদতে পাকিস্তানের নাগরিক অথচ বসবাস করে নতুন দিল্লীতে। এই তালিকা আইবি তুলে দিয়েছে দিল্লী পুলিশের হাতে। এবার পুলিশ ব্যবস্থা নেবে যাতে আজকের মধ্যে এই পাকিস্তানিরা ভারত ছেড়ে চলে যায়। দিল্লী পুলিশের স্পেশ্যাল ব্রাঞ্চ ও ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো ইতিমধ্যেই ঐ পাকিস্তানিদের ভারত ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে এবং তাদের দেশ ছাড়ার প্রক্রিয়া শুরুও করে দিয়েছে।
বাত অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন, এপ্রিল মাসের শেষ রবিবারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর মন কি বাত অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন ‘পহেলগাঁওতে যারা সেদিন এই ভয়ঙ্কর হত্যা কান্ড সংঘটিত করেছিল আর যারা তার পিছনে থেকে গিয়েছে তাদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে. কাউকে ছাড়া হবে না’।