আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ০৪/০৫/২০২৬ : বহু প্রতীক্ষিত বিধানসভা নির্বাচনের গণনা শুরু হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। এই গণনারদিকে নজর রয়েছে গোটা দেশের। সবে মাত্র গণনা শুরু হয়েছে। এই মুহূর্তে এগিয়ে আছে বিজেপি.
রাজ্যে মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২৯৩টি আসনে গণনা শুরু করা হয়েছে। বাকি একটি আসন অর্থাৎ দলটা বিধানসভা কেঁড়ে আগামী ২১ তারিখে নতুন করে গ্রহণ করা হবে. সেই ভোটের ফল প্রকাশিত তবে চলতি মাসের ২৪ তারিখে।
আজ সকাল থেকেই গণনার কাজ চলছে রাজ্যের বিভিন্ন গণনা কেন্দ্রে। প্রথমে পোস্টাল ব্যালট গোনা হয়েছে, তাতে দেখা গিয়েছে এগিয়ে ছিল বিজেপি। এরপর শুরু হয়েছিল ইভিএম মাধ্যমে ভোট গণনার কাজ. এই মুহূর্তে তৃতীয় আউনের গণনা শেষ হয়েছে, বেশ কিছু যাওয়ায় চতুর্থ আউনদের গণনা চলছে।
এই মুহূর্তে মোট ২53টি আসনের মধ্যে বিজেপি 156টি, তৃণমূল কংগ্রেস,৯৫টি, বামেরা ১টি ও অন্যান্যরা (হুমাযুন কবীর) ১টি আসনে এগিয়ে আছে. ভবানীপুর কেন্দ্রে নন্দীগ্রামে এগিয়ে আছেন শুভেন্দু অধিকারী।
আজ খবর আপডেট : এই মুহূর্তে ২৯৩টি আসনের মধ্যে বিজেপি এগিয়ে আছে ১৯২ টি আসনে, এবং তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে আছে ৯৭ টি আসনে। বামেরা এগিয়ে আছে ২টি এবং AJUP এগিয়ে আছে ২ টি আসনে।
এই মাত্র তৃণমূল সুপ্রীমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের কর্মীদের ভেঙে না পড়ার বার্তা দিলেন। মন খারাপ করতে বারণ করলেন। এদিকে বাতাসে গেরুয়া আবির উড়িয়ে বিজয় উল্লাস করতে শুরু করেছে বিজেপি সমর্থকেরা।
ফলতায় হল না ভোট, গুণ্ডাবাহিনীর বিরুদ্ধে পথে মহিলারা
আজ খবর (বাংলা), (রাজ্য), কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০২/০৫/২০২৬ : ডায়মন্ড হারবার, মগরাহাটের ১৫টি বুথে আজ ফের শুরু হল নির্বাচন। গ্রামের মানুষ লাইনে দাঁড়িয়ে ফের ভোট দিচ্ছেন এখানকার ১৫টি বুথে।
মগরাহাটে ১৫টি বুথে ঠিকমত ভোট গ্রহণ করা হয় নি বলেই নির্বাচন কমিশন এই অঞ্চলে ফের ভোট গতরাহানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেই মত এখানকার ১৫টি বুথে আজ ফের শুরু হয়েছে ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া। পাশাপাশি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাতেই ফলতা অঞ্চলেও ফের ভোট গ্রহণের কথা বলা হয়েছিল, কিন্তু নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই অঞ্চলে ভোট গণনার পরে কোনো একদিন ভোটগ্রহণ করা হতে পারে।
মগরাহাট অঞ্চলে মানুষ আজ সকাল থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিতে শুরু করেছেন। কোথাও কোনো অশান্তির খবর পাওয়া যায় নি. আজ সকাল ৯ টা পর্যন্ত মোগরাহাতে ১৬.৬৮ শতাংশ এবং ডায়মন্ড হারবার অঞ্চলে ১৫.৮৩ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানা গিয়েছে নির্বাচন কমিশন সূত্রে। এখানে বিজেপির প্রার্থী হলেন দীপক কুমার হালদার এবং তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হলেন পান্না লাল হালদার, তিনি ঐ অঞ্চলেরই বিধায়ক।
শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে ঠায় বসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ৩০/০৪/২০২৬ : স্ট্রং রুম নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের যাবতীয় অভিযোগ নস্যাৎ করে দিল নির্বাচন কমিশন। জানিয়ে দেওয়া হল স্ট্রং রুম একেবারেই নিরাপদ রয়েছে।
স্ট্রং রুমে ইভিএম বলে দেওয়া হতে পারে বলে অভিযোগ তুলেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমো মমতা বান্দ্যোপাধ্যায়। তিনি তৃণমূলের নেতা কর্মীদের রাত জেগে স্ট্রং রুম পাহারা দেওয়ার বার্তা দিয়েছিলেন এসময় মাধ্যমে ভিডিও প্রকাশ করে. আজ পোস্টাল ব্যালট করা হয়. সেই ব্যালট বাক্স উন্মুক্ত করা হবে এবং সেই কারণে বিকেল চারটের মধ্যেই সব রাজনৈতিক দলকে ইমেইল করে উপস্থিত থাকার জন্যে ইনফরমেশন দেওয়া হয়. নির্বাচন আঃইকারিক মনোজ আগারওয়াল বলেন তৃণমূল কংগ্রেস ত্যেকে শশী পাঞ্জা ঠিক সময়ে এসে উপস্থিত হননি। এরপর ব্যালট বাক্স সিল করে দেওয়া হয়.
আজ শাখাওয়াত স্কুলের স্ট্রং রুমে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ফিরহাদ হাকিম। বেশ কিছুক্ষন এই দুজনকে ভিতরে বসে থাকতে দেখা যায়. এদিকে সাখাওয়াতের বাইরে তৃণমূলের একটি বড় গাড়িকে ঘিরে ধরেন বিজেপি কর্মীরা। তাঁরা জানতে চান তৃণমূলের গাড়িটি শাখাওয়াত স্ট্রং রুমের সামনে কি উদেশ্যে দেড় ঘণ্টার বেশি সময় ধরে দাঁড়িয়েছিল। পুলিশ জোর করে বিজেপি কর্মীদের সেখান থেকে সরিয়ে দেন. কিভাবে একটি স্ট্রং রুমের বাইরে একটি রাজনৈতিক দলের গাড়ি দাঁড়িয়ে রইল ? কোন অনুমতিতে মমতা ও ফিরহাদ স্ট্রং রুমের ভিতরে ঢুকলেন ? এই প্রশ্ন করছেন বিজেপি আর্মীরা। মমতা ও ফিরহাদের অভিযোগ নিয়ে নির্বাচন কমিশন বলেছেন, “ওটা পাবলিসিটি।”
আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ২৯/০৪/২০২৬ : রাজ্যে প্রথম দফার মত দ্বিতীয় দফাতেও কি রেকর্ড হারে ভোটদান হবে ? মানুষ কি এই দফাতেও রেকর্ড পরিমাণে ভোট দেবে ? সেদিকেই তাকিয়ে আছে রাজ্যবাসী।
রাজ্যে এবার দুই দফায় ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া চলছে। প্রথম দফায় প্রায় ৯৩ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছিলেন। আজ দ্বিতীয় বা শেষ দফাতে কত ভোট পড়ে সেই দিকে নজর থাকছে সকলের। অনেকেই বলছেন বেশি ভোট পড়লে তা প্রতিষ্ঠান বিরোধী ভোট বলেই ধরা হয়। কিন্তু এ বছর বহু সংখ্যক মানুষের নাম যেমন ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তেমন বহু নতুন ভোটারের নাম সংযোজিত হয়েছে।
এই বছর যেভাবে নির্বাচন কমিশন কঠোর মনোভাব নিয়ে ভোট পরিচালনা করেছে, যেভাবে এসআইআর করে ভুয়ো ভোটারের নাম বাদ দিয়েছে। যেভাবে সমাজ বিরোধীদের দল বেঁধে আটক করেছে, যেভাবে প্রচুর পরিমাণ আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ানরা নির্ভয়ে ভোট দিতে বলেছেন, তাতেই মানুষ এবার দ্বিধাহীনভাবে ভোট দিতে উদ্বুদ্ধ হয়েছে। এর ফলেই বেশি সংখ্যক ভোট পড়েছে ইভিএম এ। এবার সাধারণ মানুষের মধ্যে ভোটদানের উৎসাহ অনেক বেশি রয়েছে. ফলে ভোট অনেকটাই বেশি পড়েছে। আজ দ্বিতীয় দফায় সকাল ১১ টার সময় প্রায় ৩৫% ভোট পড়ে গিয়েছে। কলকাতা সহ দক্ষিণ বঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ভোট রয়েছে। আগামী ৪ই মে ভোটের ফলাফল জানা যাবে।
“গত ৫০ বছরে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ভোট দেখলো রাজ্যবাসী “
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ , ২৩/০৪/২০২৬ : এই বছর নির্বাচনের চিত্রটাই যেন একটু অন্যরকম। নজিরবিহীনভাবে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেই রাজ্যে চলছে প্রথম দফার ভোট গ্রহণ। সামান্য কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া খুব বেশি অশান্তির খবর পাওয়া যায় নি পশ্চিমবঙ্গে।
অভূতপূর্বভাবে দুপুর দু’টোর মধ্যেই রাজ্যে প্রায় ৬০ % ভোট পড়ে গিয়েছে। একেই ভোটার তালিকায় নিবির সংরক্ষনের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ্ মানুষের নাম বাদ পড়েছে, তার ওপর আবার বেলা গড়াতে না গড়াতেই এতো সংখ্যক মানুষের ভোট দান! চিন্তার ভাঁজ পরার কথা শাসকের কপালে। কয়েকটা জায়গায় বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর ছাড়া আজকের ভোট গ্রহণ পর্বকে শান্তিপূর্ণ বলাই যায়।
নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কৃষ্ণনগরে জনসভা করতে এসে তিনি বলেন, “অন্যান্যবার মেরে ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে দেয়, বলে আত্মহত্যা করেছে। সেসব এবার নেই গত ৫০ বছরে পশ্চিমবঙ্গে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ভোট হতে চলেছে।”
নির্বাচনের লাইভ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন – www.aajkhabor.in
News Update : 09:30 — আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ২৩/০৪/২০২৬ : পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয়েছে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট গ্রহণ। মানুষ সকাল থেকেই বুথগুলিতে এসে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিয়ে যাচ্ছেন। এবার কিন্তু বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ একসাথে নিয়ে রেখেছে নির্বাচন কমিশন। সেই চ্যালেঞ্জগুলো ঠিকমত করা যাচ্ছে কিনা, শান্তিপূর্ণভাবে অবাধ ভোট করানো যাচ্ছে কি না , সেই দিকে নজর থাকবে কমিশনের।
এই বছর দুই দফায় ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে। অশান্তি এড়াতে অন্যান্যবার সাত দফা, আট দফায় ভোট গ্রহণ করানো হত। কিন্তু এবার মাত্র দুই দফায় ভোট গ্রহণ করা হবে। সুতরাং এটা নির্বাচন কমিশনের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আজ মোট ১৫২টি আসনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। প্রথম দফায় উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, কালিম্পঙ, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহ ছাড়াও দক্ষিণবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, নদীয়া এবং হুগলি জেলায় ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে।
পশ্চিমবঙ্গে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহন করার জন্যে এবার প্রচুর পরিমাণে কেন্দ্রীয় বাহিনী আনা হয়েছে। এই বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট গ্রহণ রীতিমত নজিরবিহীন। এবার রাজ্যে মোট ২,৪০৭ কোম্পানী আধা সামরিক বাহিনী জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে। রাজ্যের স্পর্শ কাতর এলাকাগুলিতে বেশি সংখ্যক জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে। প্রতিটা বুথে চারজন করে জওয়ান থাকছেন। এবার এই জওয়ানদের কাজকর্মে পুরো স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। সুতরাং ভোট শান্তিপূর্ণ করতে যে কোনো ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
এবার নির্বাচন উপলক্ষে যথেষ্ট কঠোর মনোভাব দেখিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বুথে বুথে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো, বুথের ভিতরে প্রবেশের ওপর নিয়ন্ত্রণ, বাইক চলাচলে নিয়ন্ত্রণ, মদের দোকান দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রাখা, কমিশনের নিজস্ব মনিটরিং সব কিছুতেই চ্যালেঞ্জ নিয়েছে কমিশন। এবার রাজনৈতিক গুন্ডাদেরকেও আগে থাকতে আটক করা হয়েছে, অর্থাৎ যারা কিনা গোলমাল পাকাতে পারে তাদেরকে আগে থেকেই আটক করা হয়েছে।
তবে নির্বাচন কমিশন এবার যেভাবে এসআইআর করে ভুয়ো ভোটারদের বিয়োজন করেছে এবং নতুন ভোটারদের সংযোজন করেছে, তা সত্যিই দৃষ্টান্তমূলক। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে এটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল নির্বাচন কমিশনের সামনে। আজ মালদহ এবং মুর্শিদাবাদের ভোট নিয়ে অবশ্যই চিন্তায় থাকবে কমিশনের আঃইকারিকরা। তবে সর্বত্রই নির্বিঘ্নে ভোট প্রক্রিয়া মিটিয়ে মে মাসের ৪ তারিখে গণনা এবং তার পরের কয়েকটা দিন এই রাজ্যে শান্তিপূর্ণ রাখাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ নির্বাচন কমিশনের সামনে।
আজ খবর আপডেট (বাংলা), [ভোটের খবর ] — সকাল ১১:৩০ — রাজ্যের যে ১৬টি জেলায় আজ প্রথম দফার ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে, সেই সব জায়াগায় মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবেই ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া চলছে। তবে তার মাঝেই বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনার খবর এস পৌঁছেছে।
মুর্শিদাবাদের নওদায় গতকাল রাতে বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনায় এক ব্যক্তির জখম হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস বলছে বোমাবাজি করেছিল হুমায়ুন কবিরের দল, আম জনতা উন্নয়ন পার্টির লোকেরা। এদিকে হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন “বোমাবাজি করেছিল তৃণমূল কংগ্রেসের দুষ্কৃতীরা।” আজ সকাল থেকেই উত্তেজনা দেখা যায় নওদা এলাকার ৯ এবং ১০ নম্বর বুথের সামনে। এখানে তৃণমূল কর্মীদের সাথে বচসা এবং ধাক্কাধাক্কি হয় হুমায়ুন কবিরের লোকেদের। হুমায়ূনকে ঘিরে ধরে ‘চোর’ এবং ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দেওয়া হলে হুমায়ুনও পাল্টা চোর চোর স্লোগান দিতে থাকেন। এরপর তিনি রাজ্য সড়কের ওপর দলবল নিয়ে বসে পড়েন এবং রাজ্য সড়ক অবরোধ করেন।
মুর্শিদাবাদে ডোমকল থেকেও অশান্তির খবর এসেছে। এখানে ২২০ নম্বর বুথের কাছে এক সিপিএম কর্মীকে মারধর করার খবর পাওয়া গিয়েছে। অভিযোগের তীর তৃণমূলের দিকে। এই ঘটনার রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এছাড়াও গন্ডগোলের খবর এসেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্ডিপুর থেকে। কোচবিহার জেলার তুফানগঞ্জের বারকোদলি গ্রামে বুথ জ্যামের খবর আসে। সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠি উঁচিয়ে তেড়ে যায় এবং ভীড় হঠিয়ে দেয়। আলিপুর দুয়ারের ১২/১৭৬ নম্বর বুথে দলবল নিয়ে তৃণমূল প্রার্থী সুমন কানজিলাল ঢুকে পড়েন। বাহিনীর সাথে বচসার পর তাঁকে বুথ থেকে বেরিয়ে যেতে হয়।
রাজ্যের বিরোধী দল নেতা আজ বলেছেন, “কোথাও কোনোরকম গুন্ডামি সহ্য করা হবে না। ” তিনি আজ সকালেই নন্দীগ্রামে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। খড়্গপুর সদরে ভোট দিয়েছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। সকাল ৯টা পর্যন্ত রাজ্যে ভোট পড়েছিল ১৮% – ২০ % , তবে সকাল ১১ টা পর্যন্ত প্রায় ৩০% ভোট পড়েছে রাজ্যে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২১/০৪/২০২৬ : ভোটের সময়পশ্চিমবঙ্গে মোটর সাইকেল চলাচলের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণের জারি করলো নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে বলা হয়েছে, “কোনো রাজনৈতিক শোভাযাত্রায় মোটর সাইকেল ব্যবহার করা যাবে না। কোথাও কোনো বাইক নিয়ে মিছিল করা যাবে না। ভোটের দিন বুথের কাছে বাইক বা মোটর সাইকেল নিয়ে আসা যাবে না। ভোটের দিন কার্যত বাইক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আনতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। জরুরী ক্ষেত্রে মোটর সাইকেল বা বাইক চালাতে হলেও বাইকের পিছনে কাউকেই বসানো যাবে না।”
ভোটের দিনগুলিতে সন্ধ্যে ৬টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত বাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকছে। অবশ্য জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রে ছাড় থাকবে। চিকিৎসার প্রয়োজনেও বাইক ব্যবহার করা যাবে। অভিভাবকরা তাদের পড়ুয়া শিশুদের স্কুলে নিয়ে আসার অন্য বাইক ব্যবহার করতে পারবে. তবে সেক্ষেত্রেও প্রয়োজনে পুলিশের অনুমতি নিতে হতে পারে।
শান্তিপূর্ণভাবে ভোট পর্ব শেষ করতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন। তার জন্যে যা যা পদক্ষেপ নেওয়ার দরকার তা তারা নিচ্ছে। আগামী ২৩ তারিখে ভোট রয়েছে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে এবং দক্ষিণ বঙ্গের কিছু জেলাতে । আধা সামরিক বাহিনী এবং পুলিশ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নেমে পড়েছে রাস্তাঘাটে। ভোটের সময় সিভিক বা হোমগার্ডদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
আজ সকালে ইডি আধিকারিকরা যে তিনটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে, সেই তিনটি বাড়ির দু’টি বাড়ি কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বলে জানতে পারা গিয়েছে। অপর একটি বাড়ির মালিক সান এন্টারপ্রাইসের মালিক জয় এস কামদার। সোনা পাপু ও কামডারের অর্থপাচারের নির্দিষ্ট ইনপুট পেয়েই আজ এই দুজনের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে ইডি।
সোনা পাপু ওরফে বিশ্বজিৎ পদদারের সাথে জয় এস কামদারের এবং অন্যান্যদের ঘণিষ্ঠ সম্পর্কের কথা জানার পর গত ১লা এপ্রিল মোট ১৮টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। সেই তল্লাশির পর আজ ফের তল্লাশি চালালো ইডির কলকাতা ইউনিট। আজ কামডারের একটি বাড়িতে এবং কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হল.
এর আগে সোনা পাপুর হেফাজত থেকে অনেক কিছুই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। প্রায় দেড় কোটি নগদ টাকা, লক্ষ লক্ষ টাকার গহণা , জমি জমার কাগজপত্র, প্রচুর আপত্তিকর সামগ্রী এবং একটি আমেরিকান মেড রিভলবার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। এছাড়াও একটি ফরচুনা গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। আজ এখনো তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে ইডি।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ,১৮/০৪/২০২৬ : দেশের বিভিন্ন গণনা চেকিং এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই অনুযায়ী বিভিন্ন মডেল গাড়ি ইঞ্জিনে তল্লাশি তৈরি করা হচ্ছে। বিভিন্ন গাড়ি থেকে উদ্ধার করা হচ্ছে লক্ষ টাকা।
দেশের বিভিন্ন চেক গাড়িগুলিকে নাকা করা হচ্ছে এবং তল্লাশি তৈরি করা হচ্ছে। জেলার বিভিন্ন জেলা হাই ওয়ে বা ছোট শহরের ধরই গড়ে উঠছে তল্লাশি। নির্বাচন কমিশনার কঠোর নির্দেশ দিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া সব গাড়ি চেকিং করা যাবে। সেই অনুযায়ী সব গাড়িকে চেক করা হচ্ছে। নাক চেকিং শুরু হতেই রাজ্যের বেশ কিছু জায়গায় গাড়ির মধ্যে নিয়ে যাও যে গাড়িগুলি থেকে নগদ টাকা পাওয়া যায়, সেই টাকা কার ? কেন নিয়ে নেওয়া? তার সত্তর দিতে পারেন নিরাদু।
ভোটের আগে যথেষ্ট কঠোর অবস্থানের ক্ষমতার রাজ্য, কেন্দ্রীয় নাহিনী এবং পুলিশ নির্বাচন। নাক চেকিং প্রধান রাজ্যের বেশ কিছু জায়গা থেকে নগদ অর্থ উদ্ধার করা বলে পুলিশকে জানানো হচ্ছে। তমলু পণ্য আজ একটি গাড়ি থেকে নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে। কলকাতার বালিগঞ্জ থেকেও তল্লাশি ৮০ হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পাটুলি এবং ট্যাংরার দুই জায়গা থেকে পুলিশ উদ্ধার করেছে ৩,৭৬,৫০০ টাকা। মধ্য মধ্য রাত্রে শিলিগুড়ি থেকে তল্লাশি প্রায় ১০ লক্ষ টাকা ও ফাঁসিদেওয়ার কাছে ১৯ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। শিলিগুড়ি সেভকেও একটি থেকে গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে ১০ লক্ষ টাকা। এছাড়াও বালুঘাট ও হিলির মধ্যবর্তী এলাকায় একটি গাড়ি থেকে উদ্ধৃত করা হয়েছে ২ লক্ষ টাকা। বাজেয়াপ্ত নৈকট্য এই কোনো হিসাবে কেউ দিতে পারে না।
রাজ্যের সব গান নাকা চেকিং পছন্দের কেউ নগদ অর্থ নিয়ে যাচ্ছে তার উপর নজরদারি করা হচ্ছে। নজরদারি চালাতে আকাশে ড্রোন ওড়ানো হচ্ছে।
আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], কালিয়াচক, মালদা, ০২/০৩/২০২৬ : গতকাল কালিয়াচকের ঘটনায় অত্যন্ত ক্ষুব্ধ দেশের শীর্ষ আদালত। গোটা ঘটনার তদন্ত সিবিআই অথবা এনআইএর হাতে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হল।
গতকাল কালিয়াচকে বিচারপতিদের ঘেরাও এবং জাতীয় সড়ক অবরোধ করে যে গন্ডগোল শুরু হয়েছিল তা আজও জারি রয়েছে। গতকাল মধ্যরাত্রে বিচারপতিদের উদ্ধার করা গেলেও গতকালের মত আজও জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে রয়েছে। এসআইআর করে রাজ্যের ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার প্রতিবাদেই এই অবরোধের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল মালদার কালিয়াচকের কাছে মোথাবাড়ি বিডিও অফিসে ৭ বিচারপতিকে আটক করে রেখে দেওয়া হয়েছিল ঘন্টার পর ঘন্টা। তাঁদের জলপান পর্যন্ত করতে দেওয়া হয় নি। সাত জনের মধ্যে ছিলেন তিন মহিলা বিচারপতিও।
শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ গিয়ে কোনোমতে বিচারপতিদের উদ্ধার করে সরিয়ে নিয়ে গেলেও জাতীয় সড়ক অবরোধ সরানো যায় নি। জাতীয় সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে পড়ে হাজার হাজার গাড়ি। উত্তরবঙ্গের সাথে সড়কপথে যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। আজ এই ঘটনায় হস্তক্ষেপ করে সুপ্রীম কোর্ট। দেশের শীর্ষ আদালত বলে, “পশ্চিমবঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রীতিমত ভেঙে পড়েছে। বলতে খুব খারাপ লাগছে যে এই রাজ্য এমন একটি জায়গা, যেখানে সবকিছুই রাজনীতির মাধ্যমে সাধিত হয়। এখানে সবকিছুর মেরুকরণ হয়েছে রাজনীতি দিয়ে। কালিয়াচকের ঘটনায় মালদার ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট ও ডিআইজিকে শোকজ করা হয়েছে। শো কোজ করা হয়েছে পুলিশ সুপারকেও।
গোটা ঘটনার তদন্ত এনআইএ অথবা সিবিআইকে দিয়ে করানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে। অবিলম্বে জাতীয় সড়ক অবরোধ মুক্ত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তবে এই মুহূর্তে শুধু কালিয়াচক নয়, অবরোধ চলছে ইংরেজবাজার এবং নারায়ণপুরেও। গোটা ঘটনার জন্যে নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপিকে দায়ী করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আবার বিজেপির তরফ থেকেও দায় চাপানো হয়েছে তৃণমূলের ঘাড়ে। ভোট এসে গিয়েছে,, এই ধরনের অভূতপূর্ব ঘটনার সাক্ষী থাকলো গোটা রাজ্য। সাক্ষী থাকল রাজনৈতিক চাপান উতোরের।