আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৮/০৪/২০২৫ : আজ বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষের বিয়ে। তাঁর হঠাৎ বিয়ের খবরে উৎসুক হয়ে উঠেছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষ। দিলীপবাবু বিয়ে করছেন আর এক বিজেপি নেত্রী রিংকু মজুমদারকে।
এতদিন বিষয়টি গোপনেই ছিল, কিন্তু প্রথম হাটে হাঁড়ি ভেঙেছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। কুণাল তাঁর সমাজমাধ্যমে দিলীপ ঘোষের বিয়ের বিষয়টি ফাঁস করেন। খবর পৌঁছে যায় সংবাদমাধ্যমে। দিলীপ ঘোষ বিয়ে করছেন রিংকু মজুমদারকে। রিংকু একজন তথ্য প্রযুক্তি কর্মী, বিবাহ বিচ্ছিন্না, এক সন্তানের জননী। তিনিও বিজেপি মহিলা সেলের একজন সক্রিয় কর্মী। আজ তাঁর সাথেই বিবাহ বন্ধনে যুক্ত হচ্ছেন বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
রিংকু মজুমদার
কিছুক্ষন আগেই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে, আর তারপরেই বঙ্গ রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন পড়ে যায়। শুভেচ্ছার বন্যা বইতে শুরু করে। দিলীপ ঘোষের নিউ টাউনের বাড়ি আইডিয়াল ভিলা সেজে ওঠে। সুকান্ত মজুমদার, রাহুল সিনহা, লকেটচ্যাটার্জি, শমীক ভট্টাচার্য সহ বিজেপির তাবড় নেতারা তাঁর বাড়িতে এসে শুভেচ্ছা জানিয়ে যান। ওই বাড়িতে দিলীপ ঘোষের মা রয়েছেন, যিনি বিয়ের বিষয়টি তত্বাবধান করছেন। দিলীপবাবু জানিয়েছেন, ‘মায়ের আবদার রাখতেই তিনি বিয়ে করছেন’। তবে দিলীপবাবুর এক ভাই ও বৌদি এই বিয়ের ব্যাপারে কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন .সংবাদ মাধ্যমকে। তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রীমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষকে। কুনাল ঘোষও দিলীপবাবুকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। আজ সন্ধ্যেবেলাতেই এই বিয়ের আসর বসবে এবং আইনিভাবে দিলীপ-রিংকু বিবাহ বন্ধনে যুক্ত হবেন।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৮/০৪/২০২৫ : মুর্শিদাবাদে অশান্তির পর যাঁরা মালদায় গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন এবার তাঁদের সাথে সাক্ষাৎ করতে যাবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের একটি দল.
গত ১১ তারিখে মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন জায়গায় যখন হিংসার আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল, তখন বেশ কিছু হিন্দু পরিবার নিজেদের বাঁচাতে ঘরবাড়ি ছেড়ে গঙ্গার ওপারে মালদা জেলায় গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিল। পরবর্তীকালে রাজ্য সরকারের ঐ পরিবারগুলি শরণার্থীর মত জীবন যাপন করছে। এই ব্যবস্থাপনায় তাঁদের মানবাধিকার ক্ষুণ্ন হচ্ছে কিনা, মুর্শিদাবাদ থেকে পালিয়ে আসতে গিয়ে তাঁদের কি কি সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে তা বিশদে জেনে নেওয়ার জন্যেই জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আগামীকাল মালদায় গিয়ে তাঁদের সাথে দেখা করবেন এবং কথা বলবেন।
ওয়াকফ সংশোধন আইন বাতিল করার দাবী নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় অশান্তি শুরু হয়েছিল, কিন্তু ক্রমে তা ছড়িয়ে পড়েছিল মালদায়, উত্তর দিনাজপুরে এবং নদীয়া জেলায়। আদালতের নির্দেশে মুর্শিদাবাদের কিছু জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী নামাতে হয়। সেই কেন্দ্রীয় বাহিনী এখনো মোতায়েন রয়েছে মুর্শিদাবাদে। আক্রান্ত পরিবারগুলি রয়েছে মালদার শরণার্থী শিবিরে। আগামীকাল এই পরিবারগুলির সাথেই দেখা করতে যাবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।
আজ খবর (বাংলা) কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৭/০৪/২০২৫ : দক্ষিন বঙ্গের বেশ কিছু জেলায় ঝড় বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা বলেছে আলিফ[ওর আবহাওয়া দপ্তর।
মধ্যপ্রদেশ থেকে আসাম পর্যন্ত রয়েছে নিম্নচাপ অক্ষরেখা। এই অক্ষরেখাটি ছত্রিশগড় ঝাড়খন্ড গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের উপর দিয়ে গেছে।আর এর টানেই মূলত সাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে বাতাসে।
ঝড় বৃষ্টি বেশি হওয়ার আশঙ্কা আজ এবং আগামীকাল। কয়েক জেলায় কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতি। বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি চলবে রবিবার পর্যন্ত। সোমবার আংশিক মেঘলা আকাশ। মঙ্গলবার থেকে পরিষ্কার আকাশ; তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়বে আগামী সপ্তাহে।
আজও কাল দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলাতে কালবৈশাখীর সতর্কতা। বেশিরভাগ জেলাতেই ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝড়ো বাতাস বইতে পারে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা মাঝারি বৃষ্টি। শিলা বৃষ্টি বিক্ষিপ্তভাবে এবং বজ্রপাতের আশঙ্কা থাকবে।
আজ বৃহস্পতিবার ৭ জেলায় কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতি। পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান মুর্শিদাবাদ নদিয়া উত্তর ২৪ পরগনা হুগলি এবং হাওড়া জেলাতে কালবৈশাখী বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির আশঙ্কা।
আগামীকাল ও কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতি এবং ভারী বৃষ্টি হতে পারে। ভারী বৃষ্টি পূর্ব বর্ধমান হুগলি এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাতে। কালবৈশাখীর মতো পরিস্থিতি পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর ঝাড়গ্রাম দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা পূর্ব বর্ধমান হুগলি ও হাওড়া জেলাতে।
উত্তরবঙ্গে ও আজ ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জলপাইগুড়ি কোচবিহার আলিপুরদুয়ার জেলাতে। ৬০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝড়ো বাতাস তার সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সতর্কতা থাকছে মালদা এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাতে।
আগামীকাল শুক্রবার বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি ও দমকা ঝড়ো বাতাস বইবে দার্জিলিং কালিম্পং জলপাইগুড়ি এবং মালদা ও দুই দিনাজপুর জেলাতে। কলকাতাতেও আজ বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড় বৃষ্টির আশঙ্কা। বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা মাঝারি বৃষ্টির সঙ্গে ৫০ কিলোমিটার ঘণ্টায় গতিবেগ পর্যন্ত দমকা ঝড়ো বাতাস বইতে পারে কলকাতার কিছু অংশে।
ফুলে আসলে একটি আত্মজীবনী নির্ভর ফিল্ম। অভিনয় করেছেন প্রতীক গান্ধী, পত্রলেখা প্রমুখ। নির্দেশক অনন্ত মহাদেবন। এই সিনেমাটি তৈরি হয়েছে মহাত্মা জ্যোতিরাও ফুলের আত্মজীবনী নিয়ে। ব্যবসায়ী হলেও জ্যোতিরাও ফুলে ছিলেন আপাদমস্তক একজন সমাজসেবী। তিনি ও তাঁর স্ত্রী সাবিত্রীবাই ফুলে মমাহারাষ্ট্রে প্রথম মেয়েদের স্কুল তৈরি করেছিলেন। জ্যোতিরাও ফুলের জন্মদিন ছিল এপ্রিল মাসের ১১ তারিখ। আর সেই দিনেই তাঁর নির্মিত ফুলে ফিল্মটি রিলিজ করবেন বলে মনস্থ করেছিলেন অনুরাগ কাশ্যপ। অনেক চেষ্টা করেও ১১ তারিখে সেন্সর বোর্ডের আপত্তির কারনে ফুলে রিলিজ করতে পারেন নি অনুরাগ। সেন্সর বোর্ডের ওপর তিনি তাঁর হতাশা ব্যক্ত করেছেন। তাঁর ফিল্ম নিয়ে প্রথম আপত্তি জানায় ব্রাম্ভনরা. জ্যোতিরাও ফুলে তাঁর জীবনে জাতপাতের বিরুদ্ধে প্রবলভাবে লড়াই করে গিয়েছেন। সেন্সর বোর্ডের বক্তব্য নরেন্দ্র মোদীর জমানায় জাতপাত বলে আর কিছুই নেই. তাই এই ছবি রিলিজ করার অনুমতি দেওয়া যায় নি. সেন্সর বোর্ডের সাথে অনুরাগের দ্ব্যান্ড এখনও চলছে, সেইসঙ্গে ঝুলে রয়েছে ফুলে ফিল্মের ভাগ্য।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ,১৭/০৪/২০২৫ : চাকরিহারা প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষকদের কিছুটা হলেও স্বস্তি এল সুপ্রীম কোর্টের নতুন নির্দেশে। আগামী ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত স্কুল যেতে পারবেন তাঁরা।
গত ৩রা এপ্রিল সুপ্রীম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল বাংলার প্রায় ২৬ হাজার এসএসসি শিক্ষকের চাকরি আর থাকছে না।
তাঁদের মধ্যে কারা যোগ্য এবং কারা অযোগ্য সেটা নিয়েও স্থির সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারে নি সুপ্রীম কোর্ট। দেশের শীর্ষ আদালতের এই ধরনের নির্দেশে পশ্চিমবাংলায় হৈ হৈ পড়ে যায়। শুরু হয় চাকরি বাঁচানোর জন্যে আন্দোলন, ধর্ণা। আন্দোলনকারীদের সাথে রাজ্য সরকার দফায় দফায় বৈঠকে বসেও কোনো সুরাহা হয় না। এরই মধ্যেই এই বিষয়টি নিয়ে সুপ্রীম কোর্ট বৃহস্পতিবার একটি নতুন নির্দেশ দিল. সেই নির্দেশে বলা হয়েছে চাকরি চলে যাওয়া প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক আপাতত স্কুলে যেতে পারবেন। তবে এই ব্যাপারে রাজ্য সরকারকে বা কমিশনকে হলফনামা জমা দিতে হবে. আগামী ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত চাকরি বজায় থাকছে এই প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষকের। তাঁরা স্কুলেও যেতে পারবেন। সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী আগামী ৩১শে মে তারিখের মধ্যে নতুন নিয়েগের বিজ্ঞাপ্তি জারি করতে হবে। আগামী ৩১শে ডিসেম্বরের মধ্যে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে। তবে গ্রূপ সি ও ডি কর্মীরা চাকরি করতে পারবেন না।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], গঙ্গারামপুর, দক্ষিণ দীনাজপুর , ১৭/০৪/২০২৫ : শ্রদ্ধা নাকি কুসংস্কার?আজও মাটিতে শোওয়ার ইতিহাস বয়ে বেড়ায় পীরপাল!
কুসংস্কার নাকি শ্রদ্ধা ? তারই জেরে গোটা গ্রাম এখনও খাট ব্যবহার করেন না। শুয়ে থাকেন মাটিতে। কুসংস্কারে বিশ্বাসী হয়ে হোক বা শ্রদ্ধায়, এখনও পর্যন্ত কাঠের তৈরি চৌকি বা খাটে কেউই ঘুমোন না।দক্ষিন দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর ব্লকের বেলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের পীরপাল গ্রামে এটাই দস্তুর। দেশ এগিয়ে চলেছে। কত রকমারি খাট ব্যবহার করেন দেশের মানুষ। কিন্তু পীরপালের মানুষ তা থেকে অনেক দূরে। যদি কারও খাটে শোবার ইচ্ছে হয়, তাহলে মাটির তৈরি খাট বানিয়ে নেন। নতুবা মাটিতেই ঘুমোন সকলে।
কেন? তার পিছনে রয়েছে এক ইতিহাস। স্থানীয় বাসিন্দাদের মুখে মুখে ফেরে তা। জনশ্রুতি অনুযায়ী, ১৭০৭ সালে পীরপালের মাটিতে ইখতিয়ারউদ্দিন মহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজির দেহ সমাধিস্থ করা হয়।এরপর তিনি দেবতা বা পীর রুপে আবির্ভূত হন। এমনটাই বিশ্বাস গ্রামবাসীদের। বীর যোদ্ধা মাটিতে শায়িত অথচ গ্রামবাসী খাটে শোবেন? তা কী হতে পারে। গ্রামবাসীদের বিশ্বাস, গ্রামবাসীরা খাটে বা চৌকিতে ঘুমোলে তাদের কাছে নাকি স্বপ্নাদেশ আসে। এমনকী, মেরে ফেলারও ভয় দেখানো হয়। আর সেই ভয়েই পীরপালের মানুষ চৌকি বা খাটে শোন না। গ্রামের আনাচে কানেচ এও শোনা যায়, যাঁরা জনশ্রুতি অমান্য করে খাট ব্যবহার করেছিলেন, তাঁদের কেউ কেউ নাকি অসুস্থ হয়েও পড়েন।স্বাভাবিকভাবেই ভয় আরও চেপে বসে মনে। গ্রামবাসীরা জানালেন, এসব দেখে কে ঝুঁকি নেবে বলুন। পরিবারের সকলে অসুস্থ হয়ে পড়লে দু’একদিনের শোওয়ার সুখ নিয়ে কী লাভ ?
তবে ইতিহাসবিদরা অবশ্য বিষয়টিকে অন্যভাবে ব্যাখ্যা করছেন।ইতিহাসবিদদের মতে, স্বপ্নাদেশ বা ভীতি নয়। বখতিয়ার খলজি ছিলেন যোদ্ধা। সেই যোদ্ধাকে শ্রদ্ধা জানাতেই গ্রামবাসীরা মাটিতে শোন। কারণ, মাটিতেই যে সমাধিস্থ করা হয়েছিল সেই যোদ্ধাকে। জেলার ইতিহাসবিদরা জানাচ্ছেন, ১৭০৭ সালে সুলতানি রাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে বখতিয়ার খলজি পাল বংশের লক্ষন সেনকে পরাজিত করে সংগ্রামপুর, দেবীকোট সহ গোটা গৌড় দখল করে নেন। লক্ষন সেন প্রাণ নিয়ে তৎকালীন বঙ্গে আশ্রয় নেন এবং তার সৈনরা পরাজিত হয়ে নদিয়া শহর পর্যন্ত ত্যাগ করতে বাধ্য হন। অন্যদিকে, বখতিয়ার খলজির তিব্বত ও কামরূপ অভিযান বিফল হয়। সৈনবাহিনীও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরাজয়ের গ্লানি সহ্য করতে না পেরে বখতিয়ার খলজি অসুস্থ হয়ে পড়েন।আর তাঁকে ঘুরে দাঁড়াতে হয়নি। শয্যাশায়ী অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয় অল্প কিছুদিনের মধ্যে। বাংলার ১২০৬ বঙ্গাব্দে (ইংরেজি ১৭০৭ খ্রীষ্টাব্দে) তাঁর মৃত্যু হয়।বখতিয়ার খলজির মৃত্যুর পিছনে তার প্রধান সেনাপতির হাত ছিল বলেও অনেকে মনে করেন।বখতিয়ারের মৃত্যুর পর পীরপালে তাঁকে সমাধিস্থ করা হয়।যেহেতু তিনি বীরযোদ্ধা ছিলেন তাই তিনি পীর রুপে আবির্ভূত হন বলে গ্রামবাসীরা মনে করেন। তারপর থেকে এলাকার, বিশেষ করে বয়স্করা, চৌকি অথবা খাটে ঘুমোন না। যদিও এই জনশ্রুতি মানতে নারাজ জেলার ইতিহাসবিদ সুমিত ঘোষ।তাঁর যুক্তি, বখতিয়ার খলজি বীরযোদ্ধা ছিলেন। তাঁকে সম্মান জানাতেই পীরপালের মানুষ মাটিতে ঘুমোন।তবে এটাও ঠিক, এলাকার মানুষের মধ্যে কিছু কুসংস্কার রয়েছে। পীরপালের বয়স্ক ব্যক্তি রাজেন রায়, চন্দন রায় জানান,”কয়েকশো বছর আগে থেকে এই গ্রামের মানুষ মাটিতে ঘুমোয়। স্বপ্নাদেশের ভয়েই চৌকি বা খাটে কেউ ঘুমোন না। কেউ আবার জোর করে খাট ব্যবহার করলে পরিবারের সকল সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়ে”।
শ্রদ্ধাই হোক বা স্বপ্নাদেশের ভয়, ইতিহাসের এক যোদ্ধাকে যে এখনও মনে রেখেছেন গ্রামের মানুষ, তার প্রমাণ কিন্তু এই মাটিতে শোওয়ার চল।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], হায়দ্রাবাদ, তেলেঙ্গানা, ১৭/০৪/২০২৫ : এনফোর্সমেন্ট ডিরেকটোরেট গান্ধী পরিবারের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিতেই ইডি অফিসের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন শুরু করলেন তেলেঙ্গানার প্রদেশ কংগ্রেস সমর্থকেরা।
গতকাল দিল্লীর রাউস এভিনিউ আদালতে হেরাল্ড মামলায় গান্ধী ও রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তাই আজ ইডির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে কংগ্রেস। যদিও কংগ্রেস পার্টির তরফ থেকে জানানো হয়েছে এই চার্জশিট আসলে রাজনৈতিক অভিসন্ধিমূলক। প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর স্বামী রবার্ট বঢরা বলেছেন, “গান্ধী পরিবারকে হেনস্থা করতেই কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলিকে ব্যবহার করা হচ্ছে।” দেশের বিভিন্ন জায়গাতেই কংগ্রেস সমর্থকেরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন।
চার্জশিট জমা দেওয়ায় এই মামলার গুরুত্ব আরও বেড়ে গেল. গতকাল ইডির চার্জশিটের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ সিজিও কমপ্লেক্স অভিযান সংগঠিত হয়েছে। এই মামলার আদালতে দিন হয়েছে ২৫শে এপ্রিল. রাহুল গান্ধী ও সোনিয়া গান্ধীর ৬৬১ কোটি টাকার সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে তদন্তকারী সংস্থা ইডি। এরই প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন জায়াগায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন কংগ্রেস সমর্থকেরা। দোষী প্রমাণিত মামলায় জেল হয়ে যেতে পারে রাহুল ও সোনিয়ার।
তেলেঙ্গানার কংগ্রেস নেতারা বলছেন, “কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরেই কেন্দ্রে ক্ষমতায় ছিল, কিন্তু তারা কখনোই এই ধরনের আচরণ করেনি বিরোধীদের বিরুদ্ধে। দেশের জন্যে এই গান্ধী পরিবার বার বার প্রাণ পর্যন্ত বিসর্জন দিয়েছে.. মোদী সরকার চায় না দেশে একজন তরুণ প্রধানমন্ত্রী আসুন, সেইজন্যেই রাহুল গান্ধীর নষ্ট করতে তারা এইসব ব্যবস্থা করেছে। ২০২৯ সালে কংগ্রেস কেন্দ্রে ক্ষমতায় ফিরে এই অস্থিরতা বন্ধ করবে। “
আজ খবর (বাংলা), [খেলা], মুলানপুর, পাঞ্জাব, ১৬/০৪/২০২৫ : পাঞ্জাবের কাছে এভাবে যে শোচনীয় পরাজয় আসবে, তা বোধ হয় স্বপ্নেও ভাবতে পারেন নি কে কে আর-এর সমর্থকেরা। রবে এই শোচনীয় হারের দায় নিজের মাথায় নিয়েছেন স্কিপার অজিঙ্কা রাহানে।
গতকাল আগে ব্যাট করে পাঞ্জাব সর্বসাকুল্যে তুলতে পেরেছিল ১১১ রান. নির্ধারিত ওভারের অনেক আগেই অল আউট হয়ে নিজেদের ইনিংস শেষ করে ফেলেছিল পাঞ্জাব। কেকেআর–এর সামনে ১১২ রানের টার্গেট। হালকা মেজাজে খেলতে নেমে আউট হয়ে দলের চাপ বাড়িয়ে দেন সুনীল নারিন। এরপর কলকাতা নাইট রাইডার্স যেন লাল ঝড়ে নিমেষে উড়ে গেল। পরপর উইকেট পড়তে থাকে নাইট রাইডার্সের। রাসেলের দুটো ওভার বাউন্ডারি আর একটি বাউন্ডটি বিন্দুমাত্র অক্সিজেন জোগাতে পারে নি নাইট বাহিনীকে।
সামান্য ১১২ রান তুলতে পারল না নাইট ব্রিগেড। নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই লুটিয়ে পড়ল. ম্যাচটা দুর্দান্ত খেলে বের করে নিয়ে গেলো পাঞ্জাব। নাইট রাইডার্সের এই শোচনীয় হার মেনে নিতে পারেন নি নাইট সমর্থকেরা। এই পরাজয়ের দায় স্বীকার করেছেন অজিঙ্কা রাহানে। তিনি বলেছেন, “ঠিক সময়ে খেলার মোড় ঘোরাতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। আমার নিজেরই আরও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত ছিল. আরও ভাল ব্যাটিং করা উচিত ছিল. এই হারের দায় আমিও মাথা পেতে নিচ্ছি।”
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ১৫/০৪/২০২৫ : কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে মুর্শিদাবাদের হিংসাত্মক ঘটনা প্রবাহ সম্বন্ধে বিস্তারিতভাবে অবহিত করানো হয়ছে। যেখানে প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী এটা ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে যে মুর্শিদাবাদের ঘটনায় বাংলাদেশ থেকে দুষ্কৃতীরা মুর্শিদাবাদে বেআইনিভাবে প্রবেশ করে হিংসার ঘটনায় অংশ নিয়ে থাকতে পারে। আবার এটাও হতে পারে যে বাংলাদেশিও দুষ্কৃতিদের সাহায্য করেছিল স্থানীয় কিছু নেতারা।
ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক মুর্শিদাবাদ সহ অন্যান্য স্পর্শকাতর জেলাগুলিকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই স্পর্শকাতর বিষয়টি নিয়ে রাজ্যের চিফ সেক্রেটারি এবং ডিজিপির সাথে সম্পর্ক রেখে চলেছে। এর আগে ডিজিপি জানিয়েছিলেন মুর্শিদাবাদে উত্তেজনা থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যাচ্ছে। এবং গভীরভাবে নিরীক্ষণ করা হচ্ছে। বিএসএফকে স্থানীয়ভাবে পোস্টিং করানোর কাজও করা হয়েছে। গণ্ডগোল করার অভিযোগে অন্তত ১৫০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ওয়াকফ সংশোধন আইনের প্রতিবাদে মুর্শিদাবাদ থেকে হিংসার আগুন ছড়িয়েছিল জেলার বিভিন্ন জায়গায়। সেই আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল নদীয়া, মালদা এবং উত্তর দিনাজপুরের বিভিন্ন জায়গায়। এরপর কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে মুর্শিদাবাদে বিএসএফকে মোতায়েন করা হয়েছিল আর তার পরেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে. গোটা ব্যাপারটির গুরুত্ব বুঝে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক মুর্শিদাবাদে সীমান্ত এলাকায় আধা সামরিকবাহিনী মোতায়েন করেছে ..
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি]কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ১৫/০৪/২০২৫ : মুর্শিদাবাদে কিছুদিন ধরে যে হিংসার ঘটনা ঘটেছে তা নিয়ে বিচার চাইতে বিজেপি নেত্রী প্রিয়াঙ্কা টিব্রিয়াল একটি পাবলিক ইন্টারেস্ট লিটিগেশন (PIL ) দাখিল করতে চলেছেন কলকাতা হাইকোর্টে।
বিজেপি নেতারা অভিযোগ করেছেন, “মুর্শিদাবাদে হিন্দুরা আক্রান্ত হয়ে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন এবং এই ব্যাপারে জেহাদিদের পাশে দাঁড়িয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”
প্রিয়াঙ্কা বলেছেন, “আজ পয়লা বৈশাখ, বাঙালির নতুন বছর শুরু হচ্ছে। এর মধ্যেই খবর আসছে বাঙালি হিন্দুরা ঘর ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে অন্যত্র। পালাতে হচ্ছে কেননা মুখ্যমন্ত্রী জেহাদিদেরকেই সমর্থন করছেন। তবে যাঁরা পালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা রাজ্যের মধ্যেই কোথাও না কোথাও গিয়ে আশ্রয় নিচ্ছেন। তাঁরা আশা করছেন সমস্যা হয়ত তাড়াতাড়ি মিটে যাবে।”
প্রিয়াঙ্কা জানিয়েছেন, “আগামীকাল তিনি হাইকোর্টে একটি পি আই এল এর জন্যে আবেদন করবেন, তবে সেটা করা হবে সন্দেশখালি নিয়ে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার সন্দেশখালিতে সাধারণ মানুষের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সেই ক্ষতিপূরণ করবে রাজ্য সরকার। সেই মর্মেই আমিন আবেদন জানাতে চলেছি কলকাতা হাইকোর্টে।”