আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২১/০৫/২০২৫ : সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের যে প্রতিনিধি দল বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পৌঁছে গিয়ে ভর্তি ও পাকিস্তানের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে চলেছে, সেই দলে অন্তর্ভুক্তি হয়েছে তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভারতীয় প্রতিনিধি দলে অন্তর্ভুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। তবে তাঁর এই স্বাগত জানানোর পাশাপাশি ছিল কিছুটা কটাক্ষও। দিলীপ ঘোষ আজ বলেছেন “তৃণমূল কংগ্রেস পাকিস্তানের বিরোধিতায় কিছু কথা বলেছে। সেটা না বললে অবশ্য এই দেশে তাদের রাজনীতি করতেই অসুবিধা হয়ে যেত। যাই হোক ভারতীয় প্রতিনিধি দলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্তর্ভুক্তিতে আমি খুশি। তবে আমি চেয়েছিলাম মুর্শিদাবাদে হিংসার ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসও একটি প্রতিনিধি দল পাঠাক।”
আজই কলকাতা হাইকোর্টের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি মুর্শিদাবাদ হিংসা নিয়ে তাঁদের রিপোর্ট জমা করেছে। সেই রিপোর্টে উঠে এসেছে, কিভাবে সেখানে উত্তেজনার শুরু হয়েছিল, কিভাবে তা ছড়িয়ে পড়েছিল। পুলিশের ভূমিকা কি ছিল। কেন্দ্রীয় বাহিনী কিভাবে সেখানে নিরাপত্তা দিয়েছিল। ইত্যাদি। এই রিপোর্ট জমা পড়ার পরেই দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্য প্রকাশ্যে এসেছে।
ভারত সরকার বেশ কয়েকটি প্রতিনিধি দল গঠন করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাঠাচ্ছে, সেই প্রতিনিধি দলের কাজ হবে বিভিন্ন দেশে গিয়ে সন্ত্রাসবাদ এর বিরুদ্ধে ভারত কি মনোভাব গ্রহণ করেছে, কিভাবে লড়াই চালাচ্ছে তা তুলে ধরা.।
আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২১/০৫/২০২৫ : মুর্শিদাবাদের হিংসার ঘটনায় পুলিশ ছিল নিষ্ক্রিয় এবং অনুপস্থিত, এই পর্যবেক্ষণ কলকাতা হাইকোর্টের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির।
কিছুদিন আগে মুর্শিদাবাদে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল, সেই ঘটনার পিছনে প্রকৃত সত্য খুঁজে বের করতে কলকাতা হাইকোর্ট একটি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গড়ে দিয়েছিল। সেই কমিটি হাইকোর্টে তাদের রিপোর্ট জমা করেছে। সেই রিপোর্টে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে।
ঐ রিপোর্ট বলছে, ‘মুর্শিদাবাদে সেদিনের সেই হিংসার ঘটনার পিছনে ছিল স্থানীয় এক কাউন্সিলরের উস্কানি। সেদিনের হিংসায় মোট ১১৩টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এলাকার মানুষ বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে মালদহে আশ্রয় নিয়েছিল, কিন্তু পুলিশের চাপে তাদেরকে ফিরে আসতে হয়েছিল বেতবনা গ্রামে। অথচ যখন হিংসার ঘটনা ঘটেছিল সেই সময় পুলিশ ছিল একেবারেই নিষ্ক্রিয় এবং অনুপস্থিত। এলাকার মানুষ সেখানে চান যাতে নিরাপত্তার স্বার্থে বিএসএফ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোনো ক্যাম্প স্থাপন করা হয়।’
রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে যে, গ্রামে হিংসার দিন অর্থাৎ শুক্রবার বিকেল ৪টের সময় এবং শনিবার বিকেল ৪টের সময় পুলিশকে ফোন করে ডাকার চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু পুলিশ ফোন তোলেনি। গ্রামবাসীদের ক্রমাগত হুমকির মুখে পড়তে হয়েছিল , দুষ্কৃতীরা শাসিয়ে গিয়েছে যে বিএসএফ তাদের কতক্ষন রক্ষা করবে ? রিপোর্টেও বলা হয়েছে যে ঐ এলাকায় দুষ্কৃতীরা জলের লাইনও কেটে দিয়ে গিয়ে ছিল, যাতে বাড়িতে আগুন লাগালেও জল দিয়ে তা নেভানো না যায়। দুষ্কৃতীরা বাড়িতে ঢুকে সব জামাকাপড় কেরোসিন তেল ঢেলে পুড়িয়ে দিয়েছিল, যাতে মহিলাদের গায়ে কোনো কাপড় না থাকে।
ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির রিপোর্টে বলা হয়েছে, ধুলিয়ানে মুদিখানার দোকান, হার্ডওয়ারের দোকান, ইলেক্ট্রিকের দোকান, কাপড়ের দোকান এবং যে সব দোকানে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাওয়া যায় সেইসব দোকানগুলিকে ভেঙ্গে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করা হয়েছিল। প্রথম আক্রমণটি করা হয়েছিল ১১ই এপ্রিল ধুলিয়ানে দুপুর আড়াইটে নাগাদ। সেদিন ধুলিয়ানের একটি শপিং ম্যলে ভাংচুর চালানো হয়, সমস্ত জিনিসপত্র লুঠ হয়ে যায় এবং ম্যলটি বন্ধ করে দেওয়া হয়.।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, দুষ্কৃতীরা দাস পরিবারের বাড়ির প্রধান দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে। তারপর প্রথমে চন্দন দাস (৪০) এবং তারপরেই তার বাবা হরগোবিন্দ দাসকে(৭২) টানতে টানতে বাইরে নিয়ে আসে। তাদেরকে বেধড়ক মারধর করা হয়। তাদের কুড়ুল জাতীয় ধারালো জিনিস দিয়ে ক্রমাগত কুপিয়ে যাওয়া হয়। যতক্ষণ না তাদের মৃত্যু হচ্ছে ততক্ষন একজন দাঁড়িয়ে থাকে ঘটনাস্থলে।
ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটিতে সদস্য হিসেবে ছিলেন যোগিন্দর সিং, রেজিস্ট্রার (আইন) জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, সত্য অর্ণব ঘোষাল, সদস্য সম্পাদক, ওয়েস্ট বেঙ্গল লিগ্যাল সার্ভিস অথরিটি এবং সুগত চক্রবর্তী ওয়েস্ট বেঙ্গল জুডিশিয়াল সার্ভিসের রেজিস্ট্রার। এঁদেরকে নিয়েই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গড়ে দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট।
В наше время, когда технологии развиваются с ускорением, казино sultan games предлагает своим игрокам мобильный доступ к играм и функциям. Это означает, что вы можете играть в любое время и в любом месте, где есть доступ к интернету.
Мобильное приложение казино Sultan Games позволяет игрокам играть в игры, делать ставки и получать бонусы на свой смартфон или планшет. Это удобно и практично, особенно для тех, кто не может или не хочет играть на компьютере.
Если вы ищете способ играть в казино Sultan Games с мобильного устройства, вам нужно только скачать приложение и зарегистрироваться. Затем вы сможете играть в игры, получать бонусы и делать ставки.
Кроме того, казино Sultan Games предлагает султан казино промокод бездепозитный бонус, который позволяет игрокам начать играть с дополнительными средствами. Это отличный способ начать играть в казино Sultan Games.
В целом, мобильный доступ к казино Sultan Games – это удобный и практичный способ играть в любое время и в любом месте. Если вы ищете казино, которое предлагает мобильный доступ, то казино Sultan Games – это отличный выбор.
Важно! Если вы ищете султан казино рабочее зеркало, то вы можете найти его на официальном сайте казино Sultan Games. Там вы сможете играть в игры, получать бонусы и делать ставки.
Никогда не забывайте о безопасности и конфиденциальности своих данных!
Удобство игры в любом месте
Сегодня казино Sultan Games предлагает игрокам возможность играть в любом месте, где есть доступ к интернету. Мобильная версия казино позволяет игрокам играть на своих смартфонах или планшетах, что делает игру еще более доступной и комфортной.
Мобильное казино Sultan Games – это идеальное решение для тех, кто хочет играть в любое время и в любом месте. Игроки могут играть в любые игры, включая слоты, карточные игры и игры с долями, на своих мобильных устройствах.
Преимущества мобильного казино
Мобильное казино Sultan Games имеет несколько преимуществ, которые делают игру еще более комфортной и доступной. В частности, игроки могут:
– играть в любое время и в любом месте, где есть доступ к интернету;
– играть на своих мобильных устройствах, что делает игру еще более доступной;
– получать доступ к всему спектру игр, включая слоты, карточные игры и игры с долями;
– получать доступ к различным бонусам и акциям, которые могут помочь игрокам увеличить свои выигрыши;
– получать доступ к поддержке клиентов, которая работает круглосуточно, чтобы помочь игрокам в случае каких-либо вопросов или проблем.
Мобильное казино Sultan Games – это идеальное решение для тех, кто хочет играть в любое время и в любом месте. Игроки могут играть в любые игры, включая слоты, карточные игры и игры с долями, на своих мобильных устройствах.
Таким образом, мобильное казино Sultan Games – это идеальное решение для тех, кто хочет играть в любое время и в любом месте. Игроки могут играть в любые игры, включая слоты, карточные игры и игры с долями, на своих мобильных устройствах.
Преимущества мобильной версии
Удобство и доступность
Мобильная версия казино Sultan Games предлагает вам доступ к играм в любое время и в любом месте. Вы можете играть, где угодно, когда угодно, не ограничиваясь местом и временем. Это особенно полезно для тех, кто имеет ограниченный доступ к компьютеру или интернету.
Кроме того, мобильная версия казино Sultan Games обеспечивает вам доступ к вашим аккаунтам и балансам, что позволяет вам управлять вашими средствами и играть в любое время.
Безопасность и конфиденциальность
Мобильная версия казино Sultan Games обеспечивает вам безопасность и конфиденциальность, используя защищенный интерфейс и надежные методы защиты данных. Вы можете быть уверены, что ваши данные и аккаунт безопасны.
Преимущества мобильной версии
Мобильная версия казино Sultan Games имеет несколько преимуществ, включая:
– Удобство и доступность;
– Безопасность и конфиденциальность;
– Возможность играть в любое время и в любом месте;
– Возможность управлять вашими средствами и аккаунтами;
– Возможность получать бонусы и промокоды, такие как сultan casino промокод бездепозитный бонус, sultan games промокод;
– Возможность играть в любые игры, включая слоты, карточные игры и рулетку.
Как начать играть на мобильном устройстве
Для начала играть на мобильном устройстве, вам нужно выполнить несколько простых шагов:
Установите приложение казино Sultan Games на свой мобильный устройство.
Откройте приложение и зарегистрируйте свой аккаунт.
Выберите игру, которая вам понравилась, и начните играть.
Важно: перед началом игры, убедитесь, что вы достигли возраста 18 лет и что игра является легальной в вашей стране.
Кроме того, вам может потребоваться ввод сультан казино рабочего зеркало, чтобы получить доступ к играм. Вам нужно будет ввести сультан казино промокод, чтобы получить бонусы и другие преимущества.
Казино Sultan Games предлагает игрокам широкий спектр игр, включая:
Слоты, такие как Book of Ra, Starburst и другие.
Карточные игры, такие как Blackjack и Baccarat.
Игры с живыми дилерами, такие как Roulette и Poker.
Кроме того, казино Sultan Games предлагает игрокам различные бонусы и акции, чтобы помочь им начать играть и получать наибольшую выгоду.
Таким образом, если вы еще не знакомы с казино Sultan Games, то это отличный момент, чтобы начать играть на мобильном устройстве. Удачи!
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], নতুন দিল্লী, ভারত, ০/০৫/২০২৫ : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আগামী ২২ মে, ২০২৫-এ (বৃহস্পতিবার) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের জয়চণ্ডী পাহাড় স্টেশন (পুরুলিয়া)- সহ ১০৩টি অমৃত ভারত স্টেশনের উদ্বোধন করবেন। একই দিনে পশ্চিমবঙ্গের পানাগড় এবং কল্যাণী ঘোষপাড়া রেলস্টেশনও প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করবেন। অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের অধীনে পশ্চিমবঙ্গের মোট ১০০টি স্টেশনকে নতুন রূপ দেওয়ার কাজ চলছে।
অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের অধীনে রেলস্টেশনগুলির পুনর্গঠন এই অঞ্চলের রেল পরিকাঠামোকে আধুনিক করে তোলার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। যাত্রী সুবিধা ও প্রবেশযোগ্যতা বাড়ানো এবং টেকসই নকশার ব্যবস্থা করায় এই উন্নয়ন শুধুমাত্র যাত্রার অভিজ্ঞতাই উন্নত করবে না, এই অঞ্চলের অর্থনীতিতেও যথেষ্ট অবদান রাখবে।
পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলার আদ্রা ডিভিশনের জয়চণ্ডী পাহাড় স্টেশন যাত্রী ও মালবাহী পরিবহনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এই স্টেশনের পুনর্গঠন অভূতপূর্ব সময়ে সম্পন্ন হয়েছে, যাতে যাত্রীদের উন্নত পরিষেবা প্রদান করা যায়।
জয়চণ্ডী পাহাড় স্টেশনে আধুনিক সুযোগ-সুবিধার যেমন লিফট, সৌন্দর্যায়নের প্রয়োজনে মধুবনী চিত্র স্টেশনের হলঘরে, বিশ্রামাগার, ডরমিটরি, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির অপেক্ষাকক্ষ, টাইল-ব্যবহারে প্ল্যাটফর্ম মেঝের উন্নয়ন, ইত্যাদি সংযুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি, প্রতিবন্ধীদের জন্য র্যাম্প, পানীয় জলের বুথ ও শৌচাগার, মোরামসযুক্ত গাড়ি রাখার জায়গা, প্রতিবন্ধীদের জন্য বুকিং কাউন্টার, স্টেশন ও আশপাশের এলাকার উন্নয়ন, মূল প্রবেশপথে রাস্তা সংস্কার এবং গাড়ি রাখার এলাকায় রাস্তা প্রশস্ত করার কাজও সম্পন্ন হয়েছে।
পরিকাঠামোগত উন্নয়নের এই কাজগুলি প্রদর্শনের জন্য জয়চণ্ডী পাহাড় স্টেশনে একটি মিডিয়া ট্যুরেরও আয়োজন করা হয় সম্প্রতি। ছাপা ও বৈদ্যুতিন সংবাদ মাধ্যম, রেলপ্রেমী ও সামাজিক মাধ্যমের প্রভাবশালীরা নতুন স্টেশনটি পরিদর্শন করেন। এই পরিদর্শনের সময় সংবাদপত্রের প্রতিনিধিদের স্টেশনের বিভিন্ন সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], বালুরঘাট, দক্ষিণ দিনাজপুর, ২০/০৫/২০২৫ : দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া আত্রেয়ী নদীবাঁধ নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সমালোচনার সুর চড়ালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার।
আত্রেয়ী নদী নিয়ে প্রচুর বিক্ষোভ হচ্ছে। কিছুদিন ধরে এই নদীর ড্যামে ডুবে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে বেশ কয়েকটি। এবার এই নদীর ওপর দেওয়া বাঁধের একাংশ ভেঙে নদীর জলে বয়ে যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য সরকারের দিকেই তোপ দাগলেন সুকান্ত মজুমদার। সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য, “রাজ্য সরকারএত উন্নয়নের বন্যা বইয়ে দিয়েছে, যে সেই বন্যায় নদীবাঁধও ভেসে চলে যাচ্ছে।”
আত্রেয়ী নদীর বাঁধের একটি সিঁড়ির অংশ এদিন ভেঙে পড়েছিল। সেই নিয়ে বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার বলেন, “কয়েক মাস আগেই এখানে ব্রিজ ভেঙে গিয়েছিল, তারপর এই ৪০ ফুটের নদীবাঁধেরও একাংশ ভেঙে পড়ল. মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় আমাদের রাজ্যের সর্বত্র উন্নয়নের বন্যা বইয়ে দিচ্ছে রাজ্য সরকার। কিন্তু তাঁরই অনুপ্রেরণায় এই ব্যর্থতার দায় কে নেবে ? এটা কি সরকারি ইঞ্জিনিয়ারদের ব্যর্থতা নাকি নির্মাণ সংস্থার জালিয়াতি ? কিন্তু একটা বিষয় পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে আমাদের রাজ্য তৃণমূল শাসনে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রয়েছে। দুর্নীতির জন্যেই এই বাঁধ ভেঙে যাচ্ছে, যা দেখে অর্থ পিশাচদের বেশ খুশি দেখাচ্ছে।”
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২০/০৫/২০২৫ : আজ রাজ্যে সাতসকালেই দুটি পৃথক দুর্ঘটনা ঘটে গিয়েছে। একটি নদীয়া জেলায় এবং অপরটি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়। এর মধ্যে একটি জায়গায় মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।
প্রথম ঘটনাটি ঘটেছে নদীয়ার করিমপুরের কাছে। এখানে একটি যাত্রীবাহী বাস একটি মারুতি ভ্যানকে ধাক্কা মেরে রাস্তার ধরে থাকা একটি গাছে ধাক্কা মারে। বাস ও গাছের মাঝে চার চাকা মারুতি ভ্যান গাড়িটি রীতিমত চিঁড়ে চ্যাপ্টা হয়ে গিয়েছে। এই ঘটনায় মারুতি ভ্যানের মধ্যে থাকা চালক সহ ৫ জনেরই মৃত্যু হয়েছে ঘটনাস্থলে। বাসযাত্রীদের মধ্যে দুজন আহত হয়েছেন, তাঁদেরকে করিমপুর হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহগুলোকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বাসটি কলকাতা থেকে করিমপুরের দিকে যাচ্ছিল আর মারুতি ভ্যানটি সম্ভবত মুর্শিদাবাদ থেকে আসছিলো।
দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে। এখানে একটি মারুতি গাড়ি সজোরে ধাক্কা মারে উল্টো দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশাকে। অটো রিকশার ভিতরে থাকা ৬ জন যাত্রী গুরুতরভাবে জখম হয়েছেন। আশংকাজনক অবস্থায় তাঁদেরকে বারুইপুর স্টেট্ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অটো রিকশাটি তালগোল পাকিয়ে রাস্তার ধারে জঙ্গলের মধ্যে উল্টে পড়ে গিয়েছে, সেটিকে উদ্ধার করার কাজ চলছে। মারুতি গাড়িটির সামনের দিকটা ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। একেবারেই দুমড়ে মুচড়ে গিয়েছে।
আজ খবর (বাংলা), (খেলা], কাঠমান্ডু, নেপাল, ২০/০৫/২০২৫ : পর্বতারোহন ফের প্রাণ কাড়ল দুই অভিযাত্রীর। নেপালে মাউন্ট লোৎসে আরোহন করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন দুই অভিযাত্রী, এঁদের মধ্যে একজন ভারতীয়। অন্যজন রোমানিয়ার বাসিন্দা।
নেপালের অভিযান যাঁরা সংগঠন করেন তাঁদের সূত্রে জানা গিয়েছে, গত রবিবার বিশ্বের চতুর্থ উচ্চতম শৃঙ্গ লোৎসে জয় করতে গিয়ে এক ভারতীয়ও অভিযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। ঐ ভারতীয় অভিযাত্রীর নাম রাকেশ বিশনই (৩৯). তিনি গতবার মাউন্ট এভারেস্ট জয় করার উদ্দেশ্যে অভিযান চালিয়েছিলেন। এবার তাঁর গন্তব্য ছিল মাউন্ট লোৎসে (৮৫১৬ মিটার). এই শৃঙ্গ জয় করতে গিয়ে রাকেশ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। রাকেশের মৃত্যু হয়েছে ক্যাম্প ফোরের কাছে ইয়েলো ব্যান্ডের কাছেই। তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
আর একটি পৃথক ঘটনায় ঐ লোৎসে শৃঙ্গ জয় করতে গিয়েই মৃত্যু হয়েছে এক রোমানিয়ার অভিযাত্রীর, তাঁর নাম বার্না সল্ট ভাগো (৪৮). তিনি ছিলেন একজন দক্ষ পর্বতারোহী ও ভিডিও ফটোগ্রাফার। তাঁকে শেষবার গিয়েছিল সামিট শৃঙ্গের কয়েকশো মিটার নিচে। অর্থাৎ হয় তিনি লোৎসে শৃঙ্গ জয় করে নামছিলেন, অথবা শৃঙ্গ জয় করার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। আসল তথ্য হয়ত বা পাওয়া যাবে তাঁরই তোলা ভিডিওগ্রাফি থেকে।
এ বছর নেপালে মোট ৯ অভিযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছেন দুই ভারতীয়।
মাউন্ট লোৎসে বিশ্বের চতুর্থ উচ্চতম শৃঙ্গ ৮৫১৬ মিটার), এর অবস্থান মাউন্ট এভারেস্টের পাশেই। বিশ্বের উচ্চতম শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্টের আর একদিকে রয়েছে মাউন্ট মাকালু। প্রতি বছর এই শৃঙ্গগুলি জয় করতে গোটা পৃথিবী থেকে অভিযাত্রীরা ভীড় করেন নেপালে। অনেকেই শৃঙ্গ জয় করে ফিরে যান নিজের দেশে, আবার কিছু অভিযাত্রীর আর ফেরা হয় না। হয় তাঁরা চিরতরে হারিয়ে যান হিমালয়ের কোলে অথবা তাঁদের মৃতদেহ ফেরে ঘরে।
এ বছর নেপালে অভিযাত্রীদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে বেশ কয়েকজনের। লোৎসে পর্বত ধরে নেপালে এ বছর ৯ অভিযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। মাউন্ট এভারেস্টে দুই জন (তার মধ্যে একজন সুব্রত ঘোষ, ভারতীয়), লোৎসেতে দুজন (ভারতীয় ও রোমানিয়ান), মাউন্ট কাঞ্চেনজঙ্ঘায় একজন (ফরাসি), মাউন্ট মাকালুতে একজন (আমেরিকান) এবং আমদাবালামে একজন (অস্ট্রীয়) মারা গিয়েছেন।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], নতুন দিল্লী, ভারত, ২০/০৫/২০২৫ : ভারতীয় জনতা পার্টি অভিযোগ করে বলেছে দেশের বিরোধী দলের নেতা পাকিস্তানের ভাষায় কথা বলছেন। রাহুল গান্ধীকে উদ্দেশ্য করে বিজেপি নেতারা সমালোচনার সুর চড়িয়েছেন।
কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী জানতে চেয়েছিলেন যে ‘অপারেশন সিঁদুরের জন্যে ভারতীয় সেনাবাহিনীর মোট কয়টি বিমান ধ্বংস হয়েছিল ?’ রাহুল গান্ধীর এই প্রশ্নের জবাবে বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও অন্যান্য নেতারা মুখ না খুললেও, বিজেপির নেতা ও মুখপাত্র সি আর কেশবন রাহুল গান্ধীকে এক হাত নিয়েছেন এবং বলেছেন, “দেশের বিরোধী দলের নেতা এখন পাকিস্তানের ভাষায় কথা বলছেন। দেশ ও সেনাবাহিনীকে তিনি সন্দেহের চোখে দেখছেন। তিনি ফ্যাক্ট জানতে চাইছেন।”
বিজেপির তরফ থেকে কেশবন বলেছেন, “রাহুল গান্ধী দেশের বিরোধী দলনেতা হওয়া সত্বেও দেশ এবং সরকারকে একেবারেই বিশ্বাস করতে পারছেন না। এমনকি তিনি দেশের সেনাবাহিনীকেও বিশ্বাস করতে পারছেন না। তাঁর এখন প্রমান চাই। রাহুল গান্ধী যে ভাবে বক্তব্য রেখেছেন, এইভাবে পাকিস্তানের কোনো প্রচার আধিকারিক কথা বলেন। দেশের বিরোধী দলনেতা এখন পাকিস্তানের ভাষাতেই কথা বলছেন। সেই ভাষাতেই প্রশ্ন করছেন।”
“রাহুল গান্ধী ফ্যাক্ট জানতে চাইছেন, তিনি দেশ ও সেনাবাহিনীকে বিশ্বাস করেন না” : কেশবন (বিজেপি)
কেশবন বলেন, “রাহুল গান্ধী জানতে চেয়েছেন অপারেশন সিঁদুরের সময় কয়টি ভারতীয় যুদ্ধবিমান নষ্ট হয়েছিল। রাহুল গান্ধীর করা এই টুইটকে পাকিস্তান এবার প্রচারের অঙ্গ হিসেবে তুলে ধরেছে। রাহুল গান্ধীর এই প্রশ্নটিকে এবার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে পাকিস্তান। রাহুল গান্ধীই যেন পাকিস্তানের পোস্টার বয়। এই টুইটকে কেন্দ্র করে পাকিস্তান ভারতীয় সেনাবাহিনীকে নিয়ে মজা করতে শুরু করেছে, রীতিমত ব্যঙ্গ করতে শুরু করেছে।”
কেশবন এরপর ১১ই মে তারিখে অপারেশন সিঁদুর নিয়ে যে সাংবাদিক বৈঠক হয়েছিল, সেটির কথা তুলে ধরে জানিয়ে দেন, “এই প্রেস ব্রিফিংয়ে সব কিছু বলা হয়েছিল। সেখানে সব তথ্য আছে, তবে রাহুল গান্ধী অবশ্য ভারতীয় সেনাবাহিনীকে বিশ্বাস করতে পারেন না।”
আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক ], নতুন দিল্লী, ভারত, ১৯/০৫/২০২৫ :: আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট অসুস্থ জো বাইডেনের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে পাশে থাকার বার্তা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
অসুস্থ আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তাঁর প্রস্টেট ক্যান্সার ধরা পড়েছে। খবর পেয়ে কিছুটা ভেঙে পড়লেও নিজেকে সামলে নিয়েছেন বাইডেন। স্ত্রী জিল-এর সাথে এক ফ্রেমে হাসিমুখে ছবি তুলে সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন তিনি। সেই ছবিতে বাইডেন এবং তাঁর স্ত্রী জিলকে হাসিমুখেই দেখা গিয়েছে। বাইডেনের দ্রুত আরোগ্য বার্তা দিয়েছেন তাঁর সহকর্মীরা এবং আমেরিকা সরকারের অন্যান্যরাও।
বাইডেনের আরোগ্য চেয়ে বার্তা দিয়েছেন আমেরিকার আর এক প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও তাঁর স্ত্রী মিশেল ওবামা। ৮২ বছর বয়স্ক বাইডেনের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন তাঁরা। আমেরিকার বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও জো বাইডেনের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে যে বাইডেনের প্রস্টেট ক্যান্সার যথেষ্ট বেড়ে গিয়েছে, এবং এখন তা রয়েছে গ্রেড গ্রূপ ৫এ. তাঁর গ্লিসন স্কোর ৯;
আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের দ্রুত আরোগ্য চেয়ে পোস্ট করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি তাঁর পোস্টে লিখেছেন, ““ডঃ জিল বাইডেন এবং তাঁর পরিবারের পাশে আছি।”
প্রধানমন্ত্রী এক্স –এ পোস্ট করেছেন, “জো বাইডেনের স্বাস্থ্যের খবর শুনে গভীর উদ্বিগ্ন। ওঁর দ্রুত ও সম্পূর্ণ আরোগ্যের জন্য শুভেচ্ছা জানাই। আমরা ডঃ জিল বাইডেন ও তাঁর পরিবারের পাশে আছি।”
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], অমৃতসর, পঞ্জাব, ৯/০৫/২০২৫ : ‘অপারেশন সিঁদুর’ চলার সময় অমৃতসরের স্বর্ণ মন্দির কর্তৃপক্ষ ভারতীয় সেনাকে মন্দির চত্বরে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম লাগানোর অনুমতি দিয়েছিল বলে দাবী করলেন সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুমের ইভান ডিকুনহা।
অপারেশন সিঁদুর চলার সময় পাকিস্তানের দিক থেকে অমৃতসরের স্বর্ণ মন্দির উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি পেয়েছিলেন গোয়েন্দারা। সেইমত স্বর্ণমন্দির কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেছিল ভারতীয় সেনাবাহিনী। সেই সময় সেনাবাহিনীর পাশে থেকে তাদেরকে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার বার্তা দিয়েছিল মন্দির কর্তৃপক্ষ। শুধু তাই নয়, এই প্রথমবার রাতের বেলায় স্বর্ণ মন্দিরের আলো নিভিয়েও দেওয়া হয়েছিল। মন্দির চত্বর সম্পূর্ণ অন্ধকারে ডুবে ছিল বেশ কিছুক্ষনের জন্যে।
অমৃতসরের শিখ তীর্থ ক্ষেত্র স্বর্ণ মন্দির উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল পাকিস্তান। তারা ড্রোন দিয়ে আক্রমণও চালিয়েছিল। কিন্তু স্বর্ণ মন্দিরের সব আলো নিভিয়ে দেওয়ায় পাকিস্তানি ড্রোন স্বর্ণ মন্দির খুঁজে পায় নি। সেদিন স্বর্ণ মন্দির ভারতীয় সেনাবাহিনীকে সব রকম সহযোগিতা করেছিল, শুধু তাই নয়, তারা স্বর্ণ মন্দির চত্বরেই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম মোতায়েন করার অনুমতিও দিয়েছিল বলে জানিয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুমের ইভান ডিকুনহা।
সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ডিকুনহা জানিয়েছেন, সেদিন আকাশে উদ্দেশ্যহীনভাবে উড়তে থাকা পাকিস্তানি ড্রোনটি আমাদের চোখে ধরা পড়ে গিয়েছিল। আমাদের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম তাকে মাঝ আকাশেই সফলভাবে নিষ্ক্রিয় করে দিয়েছিল।.