Aaj Khabor

উলোট পুরান, জ্যান্ত বিষধর সাপকে গিলে খেলো ব্যাঙ 

আফ্রিকা বা আমেরিকায় এ দৃশ্য একেবারে বিরল নয়, তবে ভারতে এই দৃশ্য আগে কেউ দেখেছে বলে মনে করতে পারছে না কেউ। 

আজ খবর (বাংলা ), [রাজ্য],  মালবাজার,জলপাইগুড়ি, ০১/০৭/২০২৫ : উলট পুরাণ! আস্ত বিষধর সাপ গিলে খেল ব্যাঙ, এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল মাল মহকুমার ধোলাবাড়িতে। 

প্রকৃতির খেয়ালে ঘটে গেল এক অভাবনীয় ঘটনা। যা বিশ্বাস করাও কঠিন, চোখে না দেখলে যেন গল্পই মনে হয়! মাল মহকুমার ক্রান্তি ব্লকের ধোলাবাড়ি এলাকায় দেখা গেল এক বিরল দৃশ্য—একটি বিশালাকৃতির ব্যাঙ ধীরে ধীরে গিলে খেল এক বিষধর শাখামুটি সাপকে যাকে ইংরেজিতে ব্রান্ডেড ক্রেট বলা হয় । ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করে হতবাক হয়ে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা। আর তারপর থেকেই এলাকায় শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধোলাবাড়ি গ্রামের এক প্রান্তে কয়েকজন বাসিন্দা হঠাৎই লক্ষ্য করেন, একটি বড় ব্যাঙ একটি সাপকে মুখে পুরে ফেলছে। ভারতবর্ষের অন্যতম বিষধর প্রজাতির সাপকে। এমন ঘটনা দেখে আশপাশের মানুষজন দৌড়ে এসে ভিড় জমায়। মোবাইল ক্যামেরায় বন্দি হয়ে যায় সেই অদ্ভুত  দৃশ্য।

বছরের পর বছর ধরে সবাই জেনে এসেছে যে ব্যাঙ হল সাপের খাদ্য। সাপ ব্যাঙ শিকার করে খায়, এটাই প্রকৃতির চক্র। কিন্তু এখানে ঘটল সম্পূর্ণ উল্টো। একেবারে যেন “উলট পুরাণ”। নিজের চোখে সেই দৃশ্য দেখে চক্ষু চড়কগাছ প্রত্যেকেরই।

ঘটনার সত্যতা জানতে যোগাযোগ করা হয় বন দপ্তরের স্থানীয় আধিকারিকদের সঙ্গে। যদিও তাঁরা ঘটনাটি সরাসরি প্রত্যক্ষ করেননি, তবে এই বিষয়ে জানতে পেরে প্রথমে অবাক হলেও পরে জানান, আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশে এমন দৃশ্য নতুন নয়। সেখানে বড় আকারের কিছু প্রজাতির ব্যাঙ, বিশেষত ‘বুলফ্রগ’, সাপ, ছোট পাখি এমনকি ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণীকেও গিলে ফেলার ক্ষমতা রাখে। ভারতের পরিবেশে এই ধরনের ঘটনা খুবই বিরল হলেও একেবারে অসম্ভব নয় বলেই মত তাঁদের।

এই ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।  এলাকার বাসিন্দারা  বলেন, “সাপে ব্যাঙ খায়—এ তো শুনেই এসেছি। কিন্তু ব্যাঙ সাপ খায়, তা নিজে না দেখলে কখনও বিশ্বাস করতাম না। প্রকৃতি যে কত কিছু লুকিয়ে রেখেছে, তা চোখে না দেখলে বোঝা যায় না।”

সব মিলিয়ে, এই অস্বাভাবিক ঘটনাটি ফের প্রমাণ করল, প্রকৃতি কখনও কখনও নিজের নিয়ম ভেঙেই নতুন রহস্য তৈরি করে। আর সেই রহস্যময় মুহূর্তের সাক্ষী রইলো জলপাইগুড়ি জেলার মাল মহকুমার ধোলাবাড়ি এলাকা।


Loading

পথ সারমেয়দের পুলিশ বন্ধু নিজের হাতে রেঁধে খাওয়ান দু’বেলা 

নিজের হাতে রেঁধে পথ কুকুরদের খাওয়ান  থানার সব ইন্সপেক্টর। কোনোদিন অভুক্ত থাকেনি চারপেয়েরা। 

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], শান্তিপুর, নদীয়া, ০১/০৭/২০২৫ : ডিউটির ফাঁকে নিজের হাতে রান্না করে থানা এবং থানা সংলগ্ন প্রায় কুড়ি থেকে ২৫ টি পথের সারমেয়র দায়িত্ব নিয়ে খাওয়া দেওয়ার ব্যবস্থা করে চলেছেন শান্তিপুর থানার সাব-ইন্সপেক্টর। তার এই কর্মকাণ্ডে খুশি থানার অন্যান্য আধিকারিক থেকে শুরু করে শান্তিপুরের সাধারণ মানুষও।

কথায় বলে জীবে প্রেম করে যে জন সে জন সেবিছে ঈশ্বর! তারই জ্বলন্ত উদাহরণ দেখা গেল শান্তিপুর থানায়। সাব ইন্সপেক্টর বিপ্লব ব্যানার্জি আজ হয়ে উঠেছে পথকুকুরদের বন্ধু। কর্মব্যস্ততার মাঝেও প্রতিদিন শান্তিপুর থানায় একাধিক সারমেওদের দিনে তিন থেকে চারবার খাবার খাওয়ান তিনি।  তার কারণ এদের মধ্যে অধিকাংশই থাকে অভুক্ত।  

ডিউটির চাপের মধ্যেও এক ব্যতিক্রমী নজির গড়লেন শান্তিপুর থানার এক সাব-ইন্সপেক্টর। নিজের কর্তব্য পালনের ফাঁকে তিনি নিয়মিত তিন বেলা করে খাওয়াচ্ছেন একাধিক পথকুকুরকে। শুধুই ডিউটি নয়, তাঁর এই মানবিক দায়িত্ববোধ ও পশুপ্রেম নজর কেড়েছে সাধারণ মানুষের। জানা যায়, এই সাব-ইন্সপেক্টর রোজ সকালে, দুপুরে ও রাতে নিজের হাতে খাবার  রান্না করে  খাওয়ান থানা এবং থানা সংলগ্ন প্রায় ১০ থেকে ১২ টি কুকুরকে। খাবার হিসেবে তিনি দিচ্ছেন ভাত, মাংস, কখনও বিস্কুট বা দুধ। শুধু খাওয়ানো নয়, তিনি খেয়াল রাখছেন যেন কোন কুকুর অসুস্থ না হয় কিংবা গরমে কষ্ট না পায়—তাদের জন্য রাখা হচ্ছে পর্যাপ্ত জলও।এই কাজে সাহায্য করছেন তাঁর কিছু সহকর্মীও। 

এলাকার বিশাল উৎসবে যখন শহরজুড়ে ব্যস্ততা ও উত্তেজনা তুঙ্গে, তখন এমন একটি নিঃশব্দ, স্নেহময় উদ্যোগ নিঃসন্দেহে সমাজে মানবিকতার বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে। শুধু আইনরক্ষা নয়, মানবিকতার রক্ষাকবচ হয়ে উঠছেন এই কর্তব্যরত পুলিশ আধিকারিক।


Loading

বোমাবাজির ঘটনায় ফের উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ, নিহত ১

বোমাবাজি আর খুনের ঘটনায় ফের উত্তেজনা ছড়িয়েছে মুর্শিদাবাদে। 

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], বহরমপুর, মুর্শিদাবাদ, ০১/০৭/২০২৫ : ফের বোমাবাজির ঘটনা ঘটল মুর্শিদাবাদে। এই ঘটনায় নিহত হয়েছেন একজন। ঘটনাস্থলে প্রচুর পুলিশ। 

আজ সকালে ফের বোমাবাজির ঘটনা ফহতায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলার আলী নগর গ্রামের ভিতরে। এই জায়গাটি নওদা  থানার অন্তর্গত।  বোমাবাজির ঘটনা শুরু হতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় নওদা  থানার পুলিশ। পরে ঐ  গ্রামে পুলিশের বিশাল একটি বাহিনী পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশের তরফ থেকে জানায় হয়েছে ঐ  গ্রামে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে. 

বোমাবাজির ঘটনায় আলীনগর গ্রামের একজন নিহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।  তাঁর নাম রফিকুল শেখ বলে জানা যাচ্ছে। তবে বোমার লক্ষয় ছিলেন আফিকুল, বোমা গিয়ে লাগে রফিকুলের গায়ে। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর রক্তাক্ত দেহ নিয়ে গ্রামবাসীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। কে বা করা বোমাবাজি করেছে, কেই বা রফিকুলকে খুন করে চলে গেল তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, জমি নিয়ে বিবাদের জেরেই এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।  এই ঘটনায় কাউকে এখনো পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয় নি. 


Loading

রেলিং ভেঙে নদীতে গাড়ি, কোনোক্রমে উদ্ধার চালক 

ভারী বর্ষায় ঝাড়খণ্ডের নদীগুলি ভয়াল রূপ ধারণ করেছে, তার ওপর রেলিং ভেঙে নদীতে পড়ল গাড়ি। কোনোক্রমে প্রাণ বাঁচল চালকের।

আজ খবর (বাংলা), [দেশ], গিরিডি, ঝাড়খন্ড, ০১/০৭/২০২৫ : সেতুর রেলিং ভেঙে নিচে বারাক নদীতে পরলো ভারী যান। স্থানীয়দের তৎপরতায় কোনোক্রমে প্রাণ বাঁচলো চালকের।

গিরিডিহ-ডুমরি প্রধান সড়কে, বারাক নদীর উপর সেতু থেকে পড়ে যায় একটি গাড়ি। গাড়িটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একেবারে রেলিং ভেঙে অনেকটা নিচে নদীতে পড়ে যায় ঐ  গাড়িটি। দুর্ঘটনার সময় ঐ  পথ দিয়ে যাচ্ছিলেন কিছু গ্রামবাসী। দুর্ঘটনা ঘটতেই তাঁরা নদীতে এমএ উদ্ধারকাজে হাত লাগান। মূলত তাঁদের তৎপরতায় প্রাণ বাঁচে ঐ  চালকের। 

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ‘মঙ্গলবার সকালে সেতু পার হওয়ার সময়, চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন, যার ফলে ভারী যানটি সেতুর রেলিং ভেঙে সরাসরি নদীতে পড়ে যায়।” এই  ঘটনার খবর পেয়ে প্রশাসনের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। একই সময়ে, স্থানীয় এক জেলে চালককে উদ্ধার করেছেন এবং পুলিশ বর্তমানে দুর্ঘটনাগ্রস্ত ঐ ট্রেলরকে ক্রেনের সাহায্যে নদী থেকে টেনে তোলার চেষ্টা করছে। যান্ত্রিক ত্রুটি নাকি চালকের ভুল কিভাবে ঘটে গেল দুর্ঘটনা ?  কি ঘটেছিল তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। 


Loading

পাচারের আগেই ধরা পড়ল চোরাই কাঠ 

শিলিগুড়ি থেকে প্রায়ই অবৈধ চোরাই কাঠ পাচার হয়ে যাওয়ার খবর আসে, এবার পাওয়া গেল সেই চোরাই কাঠ পাচার হয়ে যাওয়ার আগেই ধরা পড়ার ঘটনাও। 

আজ খবর (বাংলা),  [রাজ্য], শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ০১/০৭/২০২৫ : শিলিগুড়িতে অবৈধ কাঠ পাচার রুখে দিল বনদপ্তর, এই ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১ জনকে। 

অবৈধভাবে কাঠ পাচারের আগেই বড় সাফল্য পেলেন  ডাবগ্রাম রেঞ্জের বনকর্মীরা। গোপন সূত্রে পাওয়া খবরে ভিত্তি করে বৈকুন্ঠপুর ডিভিশনের ডাবগ্রাম রেঞ্জের বন আধিকারিকরা অভিযান চালান শিলিগুড়ির জলপাইমোড় এলাকায়।

অভিযানে দেখা যায়, একটি চারচাকা গাড়ি ও একটি স্কুটিতে করে স্টিক কাঠ ও শাল কাঠ পাচার করা হচ্ছিল। জানা গেছে, কাঠগুলো বিহারে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। বনদপ্তর এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতের নাম বিশ্বনাথ বর্মন, তাঁর বাড়ি শিলিগুড়ির মাটিগাড়া এলাকায়।

তবে স্কুটি চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, তার খোঁজে তল্লাশি চলছে। আটক গাড়ি ও কাঠ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বন আইনে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে।


Loading

ক্রিটিকাল খনিজ সামগ্রী পেতে ৫ দেশে সফর করবেন মোদী 

উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে এগিয়ে যেতে হলে বিরল কিছু খনিজ দ্রব্যের যথেষ্ট প্রয়োজন, যা শুধুমাত্র আমদানি করেই  যোগাতে পারবে না ভারত। 

আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক] নতুন দিল্লী, ভারত, ০১/০৭/২০২৫ : একবিংশ শতাব্দীতে ভারত যে প্রযুক্তি ব্যবহার করছে, সেই প্রযুক্তির জন্যে কিছু বিরল খনিজ সামগ্রীর প্রয়োজন হয়ে পড়ে।  এই খনিজ পাওয়া যায় এমন দেশগুলিতে সফর করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। 

উন্নত প্রযুক্তির পথে চলতে গিয়ে ভারতের বেশ কিছু খনিজ সামগ্রীর প্রয়োজন হয়ে পড়ছে। ভারত এইসব ক্রিটিকাল খনিজ দ্রব্যের ক্ষেত্রে আমদানির ওপরেই নির্ভরশীল। এই খনিজ দ্রব্যগুলো হল তামা, বিসমাত, টাইটেনিয়াম, নিকেল, ফসফরাস, পটাশ,  কোবাল্ট, টিন, সিলিকন ইত্যাদি।  এই খনিজ দ্রব্যগুলো আফ্রিকার দেশগুলিতে ভরপুর রয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশেও আছে।  এই ক্রিটিকাল খনিজ সামগ্রী পেতে এবার মনোযোগী হয়েছে ভারত, আর এই কারণেই আগামীকাল পাঁচ দেশে সফর করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। 

আগামীকাল থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী  সফর করবেন ঘানা, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ত্রিনিদাদ ও টোবাগো এবং নামিবিয়ায়। এই দেশগুলি থেকে ভারত শুধুমাত্র খনিজ দ্রব্য আমদানি করতেই চায় তা নয়, বরং এই দেশগুলির সাথে অংশীদারি এবং দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে চায়।  এতে করে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।  দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।  এই লক্ষ্যে আফ্রিকার মহাদেশের দেশগুলির পাশাপাশি ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলির দিকেও বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দেবে ভারত।


Loading

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সাথে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সখ্যতা রয়েছে : ক্যারোলিন 

ইন্দো-প্যাসিফিক মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের প্রভাব রুখতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের ওপরেই ভরসা রাখছে। 

আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক], ওয়াশিংটন ডিসি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ০১/০৭/২০২৫ :  ইন্দো-প্যাসিফিক মহাসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত বন্ধু দেশ হিসেবে ভারতের ভূমিকার ভুয়াসী প্রশংসা করল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।  এই বিষয়ে সোমবার সাংবাদিকদের সামনেই একটি বিবৃতি রাখেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিনা লিভিট।  তিনি এই বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর খুব ভাল সম্পর্ক থাকার কোথাও তুলে ধরেন।

সাংবাদিকরা যখন ক্যারোলিনাকে প্রশ্ন করেন যে ইন্দো প্যাসিফিক মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের প্রভাবকে কি চোখে দেখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ? তখন তিনি বলেন, “ঐ  অঞ্চলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত দিক থেকে খুব ভালো বন্ধু দেশ হিসেবে কাজ করছে ভারত।  আর সেই দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের খুব ভালো সম্পর্ক রয়েছে। “

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিনার এই বক্তব্য তখন পাওয়া গেল, ঠিক যে সময় ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয় শংকর চার দেশের জোট নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই উচ্চ পর্যায়ের জোট বৈঠক করছেন।  চার দেশের এই কোয়াড বৈঠকে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও ভারত। ২০০৪ সালে ভারত মহাসাগরে সুনামির মত যৌথ মানবিক পরিস্থিতি থেকেই এই কোয়াড জোট তৈরি হয়েছিল। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ভালোভাবে এই জোট কাজ করছে।

\ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রী জানিয়েছেন, “এই বছরের শেষের দিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কোয়াড শীর্ষ বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্যে দিল্লীতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, ডোনাল্ড ট্রাম্প সেই আমন্ত্রণ স্বীকার করেছেন বলে গত ১৮ই জুন জানিয়েছিলেন বিক্রম মিশ্রী।


Loading

সামরিক শক্তি দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার লক্ষ্যে সেনাপ্রধান গেলেন ভুটানে 

প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভুটানের সাথে ভারতের সমঝোতা অনেক দিনের, সামরিক সহযোগিতাও কাম্য বলে মনে করে দুই দেশ 

আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ৩০/০৬/২০২৫ : ভারতীয় সেনা প্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী আজ ৪ দিনের সরকারি সফরে ভূটান গেলেন, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি করার লক্ষ্য নিয়ে। 

এই সফরে সেনাধ্যক্ষ ভূটানের রাজা জিগমে খেসর নামগিয়েল ওয়াংচুকের সঙ্গে দেখা করবেন। তিনি রয়েল ভূটান আর্মির চিফ অপারেশনস অফিসার লেফটানেন্ট জেনারেল বাটু শেরিং-এর সঙ্গেও আলাপ আলোচনা করবেন। সেনাপ্রধান ভারতীয় দূতাবাস, ইন্ডিয়ান মিলিটারি ট্রেনিং টিম এবং প্রজেক্ট ডিএএনটিএকে – এর শীর্ষ পদাধিকারীদের সঙ্গেও আলোচনা করেবেন। 

এই সফর ভারত ও ভূটানের মধ্যে গভীর এবং সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মৈত্রীর প্রতিফলন এবং নিকট ও বিশ্বস্ত অংশীদারের প্রতি ভারতের দায়বদ্ধতার পরিচায়ক। 


Loading

অতবড়  জুনিয়ার হাইস্কুলে শিক্ষক ১, পড়ুয়া হাতে গোনা

বিশাল স্কুল ভবনটিকে যেন রাতের বেলায় হানাবাড়ি বলে ভুল হয় 

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], ধূপগুড়ি, জলপাইগুড়ি, ৩০/০৬/২০২৫ : ফাঁকা মাঠের মধ্যে স্কুল ভবন একটা রয়েছে বটে, তবে সেই স্কুলে না আছে তেমন পড়ুয়াদের ভীড়, না আছে একাধিক শিক্ষক। এভাবেই চলছে আস্ত একটা জুনিয়ার হাই স্কুল। 

এই স্কুলটির অবস্থান জলপাইগুড়ি জেলার ধুপগুড়িতে, নাম নিরঞ্জন পাঠ  জুনিয়ার হাই স্কুল।  এই স্কুলে পড়ুয়াদের সংখ্যা মাত্র ১৪ এবং শিক্ষক রয়েছেন মাত্র ১ জন. তাঁর নাম নিরঞ্জন রায়. তিনি একাধারে শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক, সাফাই কর্মী, এবং আরও অনেক কিছু।  স্কুলটিতে রয়েছে শ্রেণী কক্ষ, বেঞ্চ, ব্ল্যাকবোর্ড, আলো, পাখা সব কিছুই। শুধুমাত্র নেই পড়ুয়া আর শিক্ষক। পানীয় জলের ব্যবস্থা, শৌচাগার এমনকি স্কুল সংলগ্ন খেলার মাঠ আছে, অথচ খাতায় কলমে ১৪ জন  থাকলেও সারাদিনে ক্লাস করতে আসে তিন চারটি পড়ুয়া।  

জলপাইগুড়ি জেলার ধুপগুড়ি ব্লকের মাগুরমারি ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের গোসাইহাট লেবুতলা এলাকায় ২০১১ সালে স্থাপিত হয়েছিল পঞ্চম শ্রেণী থেকে অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়াদের জন্য নিরঞ্জন পাঠ জুনিয়র হাই স্কুল। যা বর্তমানে মুখ থুবড়ে পড়ে রয়েছে। অবাক করা বিষয় এই এত বড় স্কুলের দায়িত্বে রয়েছে মাত্র একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। যিনি একা হাতে কখনো স্কুলের সাফাই কর্মী, কখনো লাইবেরিয়ান, কখনো দপ্তরি তো কখনো আবার পড়ুয়াদের জন্য হয়ে উঠছে শিক্ষাগুরু। তার ওপর বাড়তি স্কুলের কাগজে-কলমের একাধিক কাজ এই গেস্ট টিচারকেই সামলাতে হয়।। পঞ্চম থেকে সপ্তম শ্রেণী পর্যন্ত মাত্র ১৪ জন ছাত্রর হিসেবটা সরকারি খাতায় থাকলেও উপস্থিতির হার মাত্র হাতে গোনা তিন থেকে পাঁচজন। এভাবেই একটি জুনিয়র হাইস্কুল চলছে। কোন হেলদোল নেই স্থানীয় প্রশাসন থেকে শুরু করে ব্লক প্রশাসন এমনকি শিক্ষা বোর্ডের। এই অভিযোগ স্থানীয় মানুষের। গ্রামবাসী অভিভাবকদের দাবি স্কুলের শিক্ষক না থাকায় পড়ুয়া সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। হয়তো একটা সময় গিয়ে স্কুলটাই বন্ধ হয়ে যাবে। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য অবশ্য জানিয়েছেন গোটা বিষয়টি সকলে জানা থাকলেও সরকার কোন ভ্রুক্ষেপ নিচ্ছে না। বর্তমানে একজন শিক্ষক দিয়ে চলছে গোটা স্কুলটি। তিনিও আগামী বৎসর অবসর নেবেন। তার আগে স্কুলের হাল ফেরাতে শিক্ষক নিয়োগ করবে কি না , তা নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা! পড়ুয়ারাও চাইছে স্কুলে আরো শিক্ষক নিয়োগ হোক নয়তো স্কুলটাই বন্ধ হবে, পড়াশোনায় একেবারে লাটে উঠে গেছে। স্কুলের এই বর্তমান পরিস্থিতি দেখে স্থানীয় মানুষ তাদের বাচ্চাদের পার্শ্ববর্তী উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয় গুলিতে পড়ুয়া ভর্তি করাচ্ছেন। এদিকে সু বিশাল এই স্কুলটি সকলের অজান্তেই বন্ধ হয়ে যেতে বসেছে। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় দুর্নীতি সহ শিক্ষার যে অবস্থা সে জায়গায় দাঁড়িয়ে একটি সরকারি জুনিয়র হাই স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়া কার্যত সমাজের ক্ষতি।


Loading

আইন কলেজে গণধর্ষণের মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস কলকাতা পুলিশের 

আইন কলেজে গনধর্ষন মামলায় পুলিশ এখনো পর্যন্ত যা কিছু করেছে, তা যথেষ্ট প্রশংসা কুড়িয়েছে। মানুষ তাকিয়ে আছে বাকিটুকুর দিকে। 

আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ৩০/০৬/০২০২৫ :  কলকাতা আইন কলেজে গণধর্ষণের ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে অভিযুক্তদেরকে শাস্তি দেওয়ার জোরালো আশ্বাস দিল কলকাতা পুলিশ। 

ধর্ষণের ঘটনা ঘটে যাওয়ার ১২ ঘন্টার  মধ্যেই মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং চতুর্থ অভিযুক্তকেও গতকাল গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ফরেনসিক দল ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এসেছে। অভিযুক্ত এবং অভিযোগকারিণী দুজনেরই মেডিকেল পরীক্ষা  সম্পন্ন হয়েছে। অভিযুক্তদেরকে ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে ঘটনা কিভাবে ঘটেছিল তা পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। অভিযুক্তদের ব্যবহৃত পোশাক ও মোবাইল  ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। 

অভিযুক্তদের জেরা পর্ব এখনও  চলছে। সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে।  আপাতত ওই কলেজটিকে বন্ধ রাখা হয়েছে। অপরাধীদের যত দ্রুত সম্ভব কঠোরতম আইনি বিচারের মাধ্যমে শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে বদ্ধ পরিকর রয়েছে কলকাতা পুলিশ।  আইনজীবীরা মনে করছেন এই ঘটনা গণধর্ষণের মত অপরাধের আওতায় পরে এবং এর জন্যে সর্বোচ্য ২০ বছরের জেল কিংবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। 


Loading

congtogel

slot gacor

link slot gacor

slot

hartacuan

slot

slot gacor

slot gacor

slot gacor

situs slot toto

playaja

hartacuan

slot gacor

situs slot gacor

link slot online

slot gacor

link slot gacor

slot bet 200

slot dana

slot online

slot gacor

slot777

slot deposit pulsa

situs gacor resmi

link slot gacor

slot gacor

slot gacor

slot toto

link slot

slot

slot

situs slot

slot gacor

login congtogel

situs togel

togel online

slot wdyuk

congtogel

bandar togel

hartacuan

congtogel

slot gacor

slot gacor

slot gacor

londonslot link alternatif

slot gacor

wdyuk

togel online

togel online

situs toto

indosloto

situs toto

watitoto

congtogel

congtogel

danatoto

slot gacor