আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ৩০/১২/২০২৫ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ যেভাবে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি পার্টির ভীত মজবুত করেছেন, গেরুয়া শিবিরকে তিনি যেভাবে তৈরি করে দিয়েছেন, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে তারই প্রতিফলন ঘটবে, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এবার পরিবর্তন করতে প্রস্তুত হয়ে রয়েছেন, বলে মন্তব্য করলেন বিজেপির সিনিয়ার নেতা দিলীপ ঘোষ.
গতকাল সন্ধ্যেবেলায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আসামের গুয়াহাটি থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেছেন। বর্ষশেষে অমিত শাহের রাজ্যে সফরকে প্রশংসা করে ডিইপি ঘোষ বলেছেন, “অমিত শাহের পশ্চিমবঙ্গ সফর রাজ্য বিজেপিকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে। তাঁর উপস্থিতি, নেতৃত্ব পার্টির কর্মীদেরকে আরও মোটিভেট করবে। তিনি দেশের বর্তমান রাজনীতিতে অত্যন্ত সদর্থক ভূমিকা গ্রহণ করে থাকেন।”
দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে এবারের নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানুষ এখানে পরিবর্তনের জন্যে প্রস্তুত হয়ে আছেন। আমাদের রাজ্যে জাখানি কিছু ঘটেছে সেখানে ঠিক সময়ে পৌঁছে গিয়েছেন অমিত শাহ, দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন একেবারে সামনে থেকে। এবারেও এখানে তেমন কিছুই ঘটতে চলেছে। এই রাজ্যে ভোটের আর বেশিদিন বাকি নেই, অমিত শাহও ঠিক সময়ে পৌঁছে গিয়েছে পার্টি কর্মীদের উজ্জীবিত করতে। ”
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ৩০/১২/২০২৫ : দুর্গাঙ্গন ও বাবরি মসজিদ এই দুই প্রকল্প নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন বিজেপি সংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো।
এদিন বিজেপি সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো বলেন, “দুর্গাঙ্গন ও বাবরি মসজিদ এই দুই প্রকল্পই মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়ের নিজের প্রকল্প। অন্তিম সময় তিনি রাম নাম করতে চাইছেন। কিন্তু এখন আর রাম নাম করে কোনো লাভ হবে না।” তিনি বলেন, “গত ১৫ বছর ধরে তিনি হিন্দু জনগোষ্ঠীর ওপর অত্যাচার চালিয়ে এসেছেন। মুর্শিদাবাদের হিন্দুদের পালিয়ে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। দুর্গাপূজা করার জন্যে তাদেরকে আদালতে যেতে হয়েছে। বাংলার মানুষ কিছুই ভোলে নি। এর জন্যে তাঁকে (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে) জবাব দিতে হবে। বাংলার মানুষ তাঁকে শিক্ষা দেবে। ২০২৬এর নির্বাচনে জনগণ তাঁকে বিদায় জানাবে।”
কলকাতার নিউ টাউনে দেবী দুর্গার পূজার জন্যে দুর্গাঙ্গনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়। ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানকে তিনি বাংলা ও বাংলার ,মানুষকে উৎসর্গ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, “ইউনেস্কো থেকে প্রাপ্ত সম্মানের পর সেই সন্মান রক্ষার্থেই ওই দুর্গাঙ্গন তৈরি করাটা খুবই প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছিল। দুর্গাঙ্গন প্রস্তুতির জন্যে একটি ট্রাস্ট গঠন করাও হয়েছে। এই দুর্গাঙ্গন বছরের ৩৬৫ দিনই খোলা থাকবে।”
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ৩০/১২/২০২৫ : পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের সময় নানারকম অসঙ্গতির কারনে যে সব নাম বাদ পড়ে গিয়েছে, সেই সব নামের তালিকা প্রকাশ করতে নির্বাচন কমিশনকে জানালেন তৃণমূল নেত্রী শশী পাঁজা।
এদিন শশী পাঁজা বলেন, “আমাদের রাজ্যে শুনানি শুরু হয়েছে ২৭শে ডিসেম্বর। রাজ্যের বহু বয়স্ক প্রবীণ নাগরিকদের শারীরিক কষ্ট সহ্য করেও কমিশনের দপ্তরে যেতে হচ্ছে। কোনো যেতে নাম বাদ হয়ে যাচ্ছে ! অথচ কমিশনের কেউ অনুপস্থিত থাকলে সেখানে কেউ তারিখ দিচ্ছে না. গোটা বিষয়টি বেশ আমানাৰিক এবং অসাংবিধানিক। ” গত শনিবারই তৃণমূল কংগ্রেসের পাঁচ সদস্যের একটি দল নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে গিয়ে রাজ্যের নির্বাচন কমিশন অধিকর্তার সাথে গিয়ে দেখা করে এসেছেন, এই পাঁচ সদস্যের দলে ছিলেন স্পশী পাঁজাও।
তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে জানা গিয়েছে, “তৃণমূলের প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে এসেছে যে নির্বাচন কমিশন যে কার্জকলাপগুলি করে চলেছে তা জনগণের বিশ্বাসকে নাড়িয়ে দেয়. এতে নির্বাচন কমিশনের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট হবে. নির্বাচন কমিশন যেন প্রতিতাপদক্ষেপ আইনিভাবেই নেয় এবং বৈধ ভোটারদেরকে বাতিল হয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে.”
তৃনমুলংগ্রেস জানিয়েছে, “আমরা বাংলার গণতান্ত্রিক অধিকারের জন্যে পাহারা দিচ্ছি। কোনো শক্তি, কোনো ষড়যন্ত্র, কোনো বিজেপি — ইসিআই সিস্টেমকে কোনোভাবেই জনগণের কণ্ঠরোধ বা অধিকার অধিকার দেওয়া হবে না. ”
আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক] ঢাকা, বাংলাদেশ, ৩০/১২/২০২৫ : প্রয়াত হলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টির (BNP ) চেয়ারম্যান বেগম খালেদা জিয়া।
মঙ্গলবার ভোর ৬টা নাগাদ ফজরের নমাজের পর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন খালেদা জিয়া, এই খবর নিশ্চিত করা হয়েছে বিএনপির তরফ থেকেই। মৃত্যুকালে খালেদা জিয়ার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর. তাঁকে ঢাকার এভারগ্রীন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল গত নভেম্বর মাসের ২৩ তারিখে। তাঁর শরীরে ফুসফুসে সংক্রমণ ছিল। তাঁর ডায়াবিটিস ছিল, হার্টের সমস্যা ছিল, কিডনির সমস্যাও ছিল বলে জানা গিয়েছে। লিভারেও সিরোসিস ছিল।
খালেদা জিয়ার পুত্র তারিক রহমন গত সপ্তাহেই দেশে ফিরেছেন, তাঁকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরেই প্রচুর মানুষ ভীড় করেছিলেন। ২০০৭-০৮ সালে তারিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। গত বছর তিনি জেল থেকে লন্ডনে চলে গিয়েছিলেন এবং সেখানেই থাকছিলেন। শেখ হাসিনার জমানা এখন আর নেই, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হয়ে গিয়েছে। আগামী বছর ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা আছে। গত সপ্তাহেই তারিক রহমান দেশে ফিরে এসেছেন, তুমুল সমর্থনে বাংলাদেশে স্বাগত জানানো হয়েছে তাঁকে।
আজ খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ বাংলাদেশ। শোক জ্ঞাপন করেছেন মহম্মদ ইউনুস। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীই শোকবার্তা পাঠিয়েছেন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে।
আজ খবর (বাংলা), [বিনোদন], মুম্বই , মহারাষ্ট্র, ২৯/১২/২০২৫ : ‘বর্ডার ২’ ছবির জন্যে নতুন গান তৈরি হয়েছে, এই গানটি হল “ঘর কব আওগে ?” (কবে ঘরে ফিরছো ?). সুপারহিট বর্ডার ছবির সিক্যুয়েল ‘বর্ডার ২’ তৈরি করা হয়েছে, আর এই ছবিতেই নতুন এই গানটি থাকবে বলে জানা গিয়েছে।
‘বর্ডার’ ছবিতে ‘সন্দেশে আতে হ্যায়’ বলে একটি গান ছিল, আর এই গানটি সুপার ডুপার হিট করেছিল। সেই গানটিতে এই লাইনটি ছিল — ‘ঘর কব আওগে’, ‘বর্ডার ২’ ছবিতে এই লাইনটি দিয়েই গেঁথে নেওয়া হয়েছে নতুন গান। ১৯৭১ সালের ইন্দো-পাক যুদ্ধের আবহে তৈরি হয়েছে এই ছবি। আর এই ছবিতেই থাকছে নতুন এই গানটি। সম্প্রতি ‘বর্ডার ২’ এর টিজার প্রকাশিত হয়েছে।
‘ঘর কব আওগে’ গানটির সুর দিয়েছেন অনু মালিক। গানটি গেয়েছেন সোনু নিগম, অরিজিৎ সিং, বিশাল মিশ্র ও দিলজিৎ দোসাঞ্জ। সানি দেওলের এই ছবিটির টিজার প্রকাশ্যে এসেছে কিছুদিন আগে বিজয় দিবসের দিন এবং ছবিটি মুক্তি পেতে চলেছে আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৬এর ২৩শে জানুয়ারি। ঐ দিনেই নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্মদিন।
ময়নাগুড়িতে পদ্মে ভাঙ্গন। শক্তি বাড়ল ঘাসফুলের। এদিন বিজেপি ছেড়ে প্রায় ৫০ জন বিজেপি কর্মী সমর্থক তৃণমূলে যোগদান করলেন। জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি বিধানসভার চূড়াভান্ডার অঞ্চলে একই বুথের দুই জায়গা থেকে প্রায় ৫০ জন বিজেপি কর্মী সমর্থক তৃণমূলে যোগদান করেন বলে তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি করা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে।
জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রামমোহন রায়ের হাত থেকে এই পতাকা তুলে নেন বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা। সামনেই ২০২৬ বিধানসভা ভোট, আর এই যোগদানে কিছুটা হলেও অস্বস্তিতে বিজেপি। তবে এই যোগদানকে তীব্র কটাক্ষা করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির বক্তব্য “এই ধরনের খবর বিজেপি নেতৃত্বের জানা নেই।” তৃণমূল কর্মীদের কেউ তৃণমূলে যোগদান করিয়ে প্রচারে আসার চেষ্টা করছে বলে কটাক্ষ বিজেপির। আর এতেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], শান্তিপুর,নদীয়া, ২৯/১২/২০২৫ : নদীয়ার শান্তিপুরে এক একজন যুবতী নিজেকে দাবি করছেন যে তিনি নদিয়া জেলা মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের কোর কমিটির সদস্য। ইতিমধ্যে সে খবর বাইরে আসতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
জানা যায়, গত ২৫শে ডিসেম্বর বড়দিন উপলক্ষে নদীয়ার শান্তিপুর ব্লকের বাগাছরা গ্রাম পঞ্চায়েতের ষষ্ঠিতলা এলাকার বাসিন্দা প্রিয়া সরকার নামে এক মহিলা বাচ্চাদের নিয়ে একটি মধ্যাহ্নভোজনের আয়োজন করেছিলেন। সেই অনুষ্ঠানে নদীয়া জেলার ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস থেকে শুরু করে স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামী, শান্তিপুর ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সন্দীপ ঘোষ, সহ একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তিকে এবং প্রশাসনিক কর্তাদের আমন্ত্রণপত্রে নাম দিয়ে আমন্ত্রণ করেছিলেন।
সেক্ষেত্রে আমন্ত্রণপত্রে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড তথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারন সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর ছবি ছিল। অনুষ্ঠানের জন্য দু রকমের আমন্ত্রণপত্র তৈরি করা হয়েছিল একটিতে তিনি নিজেকে ‘সমাজ সেবিকা’ বলে উল্লেখ করলেও অপর আরেকটি আমন্ত্রণপত্রে তিনি নিজেকে নদিয়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের কোর কমিটির সদস্যাবলে দাবি করেছেন। আর এতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
বক্তব্য রাখতে গিয়ে ওই মহিলা প্রিয়া বিশ্বাস সাংবাদিকদের জানান তিনি মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের নদীয়া জেলার কোর কমিটির সদস্যা। এরপরেই শান্তিপুরের তৃণমূল বিধায়ককে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান নদীয়া জেলায় এই রকমের কোন কোর কমিটি আছে বলে তাঁর জানা নেই। যদিও ওই মহিলাকে তিনি বিশেষভাবে চেনেন না, তবে দু:স্থ বাচ্চাদের পাশে থেকে মধ্যাহ্ন ভোজনের যে কাজ তিনি করেছেন সে কারণে তাই সেই আমন্ত্রণপত্র বিধায়ককে যেটা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কোর কমিটি বলে উল্লেখ নেই. তবে সাংবাদিকদের একটি চিঠি তিনি দিয়েছেন যেখানে কোর কমিটি বলে উল্লেখ রয়েছে। বিষয়টি তিনি খতিয়ে দেখবেন এবং ওই মহিলাকে ডেকে জিজ্ঞাসা করবেন বলে জানিয়েছেন।
যদিও ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যের শাসকদলকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে বিরোধীদল বিজেপি। রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার এ প্রসঙ্গে জানান তৃণমূল কংগ্রেসের এটাই হচ্ছে নিয়ম; এক একজন একই পদের জন্য বিভিন্ন সময় নিজেদের সেই পদের দাবিদার বলে উল্লেখ করেন। পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে সমস্ত জায়গাতে এইরকম পদ ভাঙিয়ে দুর্নীতি করতে সচেষ্ট হয়। তবে প্রধানমন্ত্রী হোক বা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জন সেবামূলক কাজে যে কেউ তাদের ছবি ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু কোন রাজনৈতিক বিষয়ে কোনোভাবেই অনুমতি ছাড়া কারোর ছবি লাগানো উচিত নয়।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ২৯/১২/২০২৫ : শিলিগুড়িতে ৫ হাজার চা শ্রমিক যোগদান করলো ভাড়াটিয়া জনতা পার্টিতে। উত্তরবঙ্গে আরও শক্তি বাড়লো বিজেপির।
বিধানসভা ভোটের আগে উত্তরবঙ্গে বিজেপিতে ৫ হাজারের বেশি চা ও কারখানা শ্রমিকদের যোগদান।বিধানসভা নির্বাচনের আগে উত্তরবঙ্গে শক্তি বাড়ালো বিজেপি। রবিবার শিলিগুড়ির মাল্লাগুড়িতে অবস্থিত বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে এক যোগদান সভার আয়োজন করা হয়। এই সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ছেড়ে প্রায় ৫হাজারের বেশি চা বাগান ও কারখানার শ্রমিক বিজেপিতে যোগ যোগদান করেন।বিভিন্ন দল ছেড়ে মূলত বিজেপির ভারতীয় চা শ্রমিক ইউনিয়নে শামিল হন তাঁরা।
এদিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আলিপুরদুয়ার জেলার সাংসদ মনোজ টিগ্গা, শিলিগুড়ির বিধায়ক শংকর ঘোষ,মাটিগাড়া নকশালবাড়ির বিধায়ক আনন্দময় বর্মন,ফাঁসিদেওয়ার বিধায়ক দুর্গা মুর্মু সহ উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলার বিজেপি বিধায়কেরা। সভায় জলপাইগুড়ি,মেখলিগঞ্জ ও মালবাজার সাব ডিভিশনের বিভিন্ন চা বাগান এবং বোতল কারখানার শ্রমিক নেতা ও শ্রমিকেরা অংশ নেন। এদিন সাংসদ মনোজ টিগ্গার হাত থেকে দলীয় পতাকা গ্রহণ করে শ্রমিকেরা আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দেন। এই যোগদানের ফলে আগামী দিনে উত্তরবঙ্গে দল আরও মজবুত হবে বলে আশাবাদী সাংসদ মনোজ টিগ্গা।
আজ খবর (বাংলা) [দেশ] ইয়ালমানচিল্লি, অন্ধ্রপ্রদেশ, ২৯/১২/২০২৫ : ফের মর্মান্তিক দুর্ঘটনার কবলে রেল। রবিবার গভীর রাতে দাউদাউ করে আগুন ধরে যায় টাটানগর-এর্নাকুলাম এক্সপ্রেসে।
এই ট্রেনের দু’টি কোচ একেবারে আগুনের গ্রাসে চলে যায়। জানা গিয়েছে, দুই কোচ মিলিয়ে মোট ১৫৮জন যাত্রী ছিলেন। ইতিমধ্যেই তাঁদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে আগুনে পুড়ে। তবে এখনও মৃতের সংখ্যা বাড়েনি।
প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, ট্রেনে আগুন লাগার ঘটনাটি ঘটেছে অন্ধ্রপ্রদেশের ইয়ালামানচিল্লিতে। এই এলাকাটি বিশাখাপত্তনম থেকে ৬৬ কিলোমিটার দূরে। পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার রাত পৌনে একটা নাগাদ আগুন লাগার খবর আসে তাঁদের কাছে। প্যান্ট্রি কারের ঠিক পাশেই থাকা বি১ এবং এম২ কোচে দাউদাউ করে আগুন ধরে যায়। দুই বাতানুকূল কামরায় যথাক্রমে ৮২জন এবং ৭৬জন যাত্রী ছিলেন।
লোকো পাইলটদের চোখে পড়ে দুই কামরায় আগুন ধরেছে। সঙ্গে সঙ্গে ট্রেন থামিয়ে দেওয়া হয়। আগুনের শিখা দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা। কোনওমতে তাঁদের কামরা থেকে নামিয়ে আনা হয়। স্থানীয় দমকলবাহিনির সাহায্যে আগুন নেভানোর কাজ শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত দু’টি কামরাই পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। যাত্রীদের উদ্ধার করা গেলেও তাঁদের যাবতীয় জিনিসপত্র চলে গিয়েছে আগুনের গ্রাসে।
আগুন নেভানোর পর বি১ কামরা থেকে এক বৃদ্ধের দগ্ধ দেহ উদ্ধার হয়। ৭০ বছর বয়সি ওই বৃদ্ধের নাম চন্দ্রশেখর সুন্দর। তিনি বিজয়ওয়াড়ার বাসিন্দা। দাউদাউ আগুনে জ্বলতে থাকা কামরা থেকে তিনি বেরতে পারেননি। তবে বাকি যাত্রীরা সকলেই সুস্থ আছেন বলে রেলের তরফে জানানো হয়েছে। পুড়ে যাওয়া দুই কামরা সরিয়ে ফের গন্তব্যের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে ট্রেনটি। সবমিলিয়ে ২ হাজার যাত্রী ছিলেন ওই ট্রেনে।
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], নন্দীগ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর, ২৯/১২/২০২৫ : নন্দীগ্রামে গেরুয়া শিবিরে ব্যাপক ভাঙন!! নন্দীগ্রামের ২ টি ব্লক থেকেই গেরুয়া শিবির ছেড়ে প্রায় ৮০ জন আদি বিজেপি নেতৃত্ব ও কর্মীদের ঘাসফুল শিবিরে যোগদান! নন্দীগ্রামে ঘাঁটি শক্ত হচ্ছে তৃণমূলের বলে দাবি রাজনৈতিক মহলের।
বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬ যত এগিয়ে আসছে, নন্দীগ্রামে ততই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদানের হিড়িক উঠছে। রবিবার নন্দীগ্রাম ২ নং ব্লকের খোদামবাড়ি দু’নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্মী সভাতে খোদামবাড়ী ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের আমড়াতলা , খোদামবাড়ী ও অন্যান্য গ্রাম থেকে প্রায় ৪০ জন আদি বিজেপির সক্রিয় কর্মীরা তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুজিত রায়ের হাত থেকে তৃণমূলের পতাকা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান করলেন। যোগদানকারী মোহন তুঙ্গ বলেন- ২০২১ সালে শুভেন্দু অধিকারীকে বুক চিতিয়ে লড়াই করে জিতিয়েছিলাম, তারপরে যোগ্যতম সম্মান আমরা পাইনি, তাই দল ছাড়তে বাধ্য হয়েছি।
তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুজিত রায় বলেন যত দিন যাচ্ছে ততই তৃণমূলে যোগদানের সংখ্যাটা বাড়ছে,যোগদানকারী বিজেপি কর্মীদের স্বাগত জানান সুজিত রায়,পাশাপাশি বলেন আদি বিজেপির কর্মীরাও স্বাগত।অন্যদিকে নন্দীগ্রাম ১ ব্লকের নন্দীগ্রামের চারগোলিয়া ৮৫ নম্বর বুথের ১০ টি পরিবারের প্রায় ৩০ জন বিজেপি নেতৃত্ব বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগ দেন ।
যদিও এই যোগদানকে কটাক্ষ করেছে বিজেপি নেতৃত্ব মন্ডল সভাপতি সৌমিত্র দে, তিনি বলেন “মোহন তুঙ্গ ও অন্যান্যরা গত সমবায় সমিতিতে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করেছিল তাই ওরা অনেক আগেই থেকে তৃণমূলের সঙ্গে বা তৃণমূল এতে যুক্ত ছিল। এতে বিজেপির কোন ক্ষতি হবে না।