আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] কোচবিহার, পশ্চিমবঙ্গ,০৩/০১/২০২৬ : কোচবিহারে জনসভা করতে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তুমুল সমালোচনা করলেন বিজেপি নেতা তথা সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তী।
মিঠুন চক্রবর্তী বলেছেন, “লক্ষীর ভান্ডার অবশ্যই ভালো প্রকল্প, এইপ্রকল্পের টাকা আসলে জনগনের টাকা। তাই এই টাকা নিয়ে বাংলার লক্ষীরা কোনো ভুল কাজ করেন নি। তবে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প সম্বন্ধেও ভেবে দেখাউচিত। এই প্রকল্পে চিকিৎসার জন্যে কেন্দ্র সরকার ৫ লক্ষ্য টাকা পর্যন্ত অর্থ সাহায্য দিচ্ছে। দেশের সর্বত্র মানুষ এই প্রকল্পের সুবিধা পেলেও এই রাজ্যে সেই সুবিধা মানুষ পাচ্ছেন না। বিজেপি এই রাজ্যে ক্ষমতায় এলে এই প্রকল্প অবশ্যই শুরু করে দেওয়া হবে।”
মিঠুন বলেন, “এই রাজ্যে আইন শৃঙ্খলার পরিবেশ নেই। এখানে রয়েছে শুধুই দুর্নীতি। এই রাজ্যে কাজের সুযোগ নেই। এই রাজ্যে কোনো রকম উন্নয়ন নেই। তৃণমূল কংগ্রেসের হিন্দু কর্মীরাও দুর্নীতির সাথে যুক্ত হয়ে গিয়েছে। আপনারা কাশ্মীর ফাইল সিনেমাটা দেখেছেন ? সেখানে দেখা গিয়েছে কিভাবে কাশ্মীরি পন্ডিতদের কাশ্মীর ছেড়ে চলে যেতে হয়েছিল। এই পশ্চিমবঙ্গকেও পশ্চিম পাকিস্তান বানানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তাই হিন্দুদের একজোট হতে হবে। নাহলে বিপদ ঘনিয়ে আসবে।”
শাসক দলকে সতর্ক করে মিঠুন বলেছেন, “এই রাজ্যে এখনও পুরো পরিবেশ নষ্ট হয়ে যায় নি। এখনই সব ঠিক করে ফেলো, নাহলে মহাকাল তোমাকে শেষ করে দেবে।”
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], বসিরহাট, উত্তর ২৪ পরগণা , ০২/০১/২০২৬ : শৌর্য ও সাহসিকতার জন্যে বাঙালি জওয়ান পেলেন রাষ্ট্রপতি পুরস্কার। গর্বিত করলেন নিজের গ্রাম, রাজ্য এবং গোটা দেশকে। তিনি বসিরহাটের সেনা জওয়ান তপন কুমার ঘোষ.
দরিদ্র পরিবারের ছেলে দেশ রক্ষার শপথ নিয়েছিলেন , তাই অদম্য ইচ্ছা শক্তি সততা ও নিষ্ঠার পুরস্কার স্বরূপ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাকে বিশেষ সম্মানে সম্মানিত করলেন।
উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার বসিরহাট পৌরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের দাসপাড়ার বাসিন্দা, তপন কুমার ঘোষের বাবা সন্তোষ ঘোষের ছোট্ট একটি কাঠের দোকান ছিল। হতদরিদ্র পরিবারের ছেলে ছোটবেলা থেকে স্বপ্ন দেখতো দেশের জন্য কিছু করার। তাই ১৯৮৫ সালে বিএসএফের কনস্টেবলের পদে প্রথম চাকরি। তারপর একে একে চাকরির পদোন্নতি করে ইন্সপেক্টর হয়ে অবসর গ্রহণ। তাঁর দীর্ঘ ৩৯ বছর চাকুরী জীবনে ইচ্ছাশক্তি ও সততার জন্য বারবার দেশের এক সীমান্ত থেকে অন্য সীমান্ত তিনবারের কাশ্মীরের এল ও সি আবার কখনো পাঞ্জাব দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তের সীমান্ত পাহারাদারের কাজ করে গেছেন। সামনে থেকে কারগিল যুদ্ধে সৈনিক হিসেবে লড়াই করেছেন।
এরপ বিএসএফের চাকরি নতুন যাঁরা পেয়েছেন, তাঁদেরকে তিনি বিভিন্ন ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে দেশ রক্ষা কিভাবে সততার সঙ্গে করতে হবে, বাস্তবের সেই পথ দিয়েছেন। সততা, নিষ্ঠা ও ন্যায়ের জন্য তাঁর দীর্ঘ চাকরি জীবনে ছয়বার পদোন্নতি হয়েছে। 2025 সালে ৩১ শে জানুয়ারি তিনি অবসর নেন, তাঁকে বিশেষ সম্মানে সম্মানিত করলেও তিনি সেই সময় রাষ্ট্রপতি হাত থেকে পুরস্কার নিতে পারেন নি। তাই এবার রাষ্ট্রপতি বিশেষ সম্মানে সম্মানিত করলেন তপন কুমার ঘোষকে।
রাজ্যপাল সি বি আনন্দ বোস সেই রাষ্ট্রপতি পুরস্কার তাঁর হাতে তুলে দেন। পুরস্কার পেয়ে ঘোষ পরিবার খুশি। আবেগে আপ্লুত, এমনকি গ্রামের মানুষ তাকে নিয়ে গর্বিত। তপন কুমার এর স্ত্রী ও ছেলেমেয়ে রয়েছে। বাবা সন্তোষ কুমার ঘোষ কয়েক বছর আগে মারা যান। ছেলের এই সম্মান নিজের চোখে দেখে যেতে পারলেন না, কিন্তু মা উমা ঘোষ ছেলের জন্য গর্বিত। পুরস্কার পেয়ে তপনবাবু জানান “সবাইকে দেশ রক্ষার র কাজে এগিয়ে আসতে হবে এবং সততা অনুষ্ঠানের জন্য লড়াই করতে হবে পাশাপাশি ভালো মানুষ হয়ে থাকতে হবে এবং সবাইকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে । এই শপথ নিয়েই সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।”
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] হিঙ্গলগঞ্জ, উত্তর ২৪পরগণা , ০২/০১/২০২৬ : জলের দাবীতে বালতি কলসি নিয়ে রাস্তা অবরোধ করল গ্রামের মহিলারা। হিঙ্গলগঞ্জের স্কুলপাড়া এলাকার ঘটনা ।
বিক্ষোভকারীদের দাবি-দীর্ঘ তিন বছর আগে এই এলাকায় পানীয় জলের সমস্যা মেটানোর জন্য জলের হাই ট্যাঙ্ক তৈরি হয়েছে । কিন্তু এখনো পর্যন্ত এই ট্যাঙ্ক এর সাথে এলাকার জলের পাইপ লাইনের কোন সংযোগ করা হয়নি বা এখনো এলাকার মানুষ এই ট্যাংক থেকে জল পাচ্ছে না। বহুবার এলাকার মানুষ স্থানীয় প্রতিযোগীদের জানিয়েছে কিন্তু কোন কাজ হয়নি। অবশেষে আজ এলাকার মহিলারা বালতি কলসি নিয়ে হাসনাবাদ হিঙ্গলগঞ্জ রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায়।
এই এলাকায় বহু বছর ধরে পানীয় জলের সমস্যা । এই এলাকায় প্রায় পাঁচ হাজার পরিবার জলের সমস্যায় ভুগছে বিগত কয়েক বছর ধরে । কয়েক কিলোমিটার দূর থেকে তাদের পানীয় জল নিয়ে আসতে হয় শীত/গ্রীষ্ম/বর্ষা মাথায় করে ।
সেই সমস্যা মিটানোর উদ্যোগে এখানে তৈরি হয়েছে হাই ওয়াটার ট্যাঙ্ক । গ্রামের মানুষ আশায় বুক বেঁধেছিল যে এবার তাদের জলের সমস্যা মিটবে ।
কিন্তু বিগত তিন বছর ধরে সেই হাই ওয়াটার ট্যাঙ্ক তৈরি হয়ে পড়ে আছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত এলাকার মানুষের জলের সমস্যা মিটলো না।
যে ঠিকাদার এই হাইওয়াটার ট্যাঙ্ক তৈরি করেছিল তার বিরুদ্ধে পোস্টার নিয়ে বিক্ষোভ দেখায় এলাকার মানুষ ।
এলাকার দাবি অবিলম্বে এই হাই ওয়াটার ট্যাঙ্ক চালু করতে হবে ।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] ইকো পার্ক, কলকাতা, ০২/০১/২০২৬ : রাজনীতির ময়দানে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ. তাঁর সক্রিয় হয়ে ওঠাকে কটাক্ষ করেছেন তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ. এবার সাংবাদিকদের এবং কুনাল ঘোষের প্রতিটা কথার জবাব নিজেই দিয়ে দিলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ.
১) কুণাল ঘোষ বলেছেন, “দীঘা জগন্নাথ মন্দির দর্শন আপনার ভাগ্য ফেরালো।”
দিলীপ ঘোষ : “উনি প্রবচন দিতেই থাকেন। লোকে মজা পায়। উনি সব ব্যাপারেই মন্তব্য করে থাকেন। ২৬ এর নির্বাচনে জগন্নাথ দেবের আশীর্বাদেই রাজ্যে পরিবর্তন হবে। “
২) “আপনার ভাগ্যে যে zone পড়বে তার মধ্যে অন্তত ৩৫ টি আসন তৃণমূলের দুর্ভেদ্য দুর্গ। “
পার্টি যাকে যে দায়িত্ব দেবে সেটা সে করবে। আমার এখনও জোন ভাগ নিয়ে কিছু জানা নেই। আমি ৩ বার ভোটে লড়েছি। ৩ বার সভাপতি বা অন্য দায়িত্ব সামলেছি। নিজের ছাড়াও অন্যের হয়ে প্রচার করেছি। ২১ এর ভোটে আমি প্রার্থী ছিলাম না।
৩) “একা শুভেন্দুকে দিয়ে হবে না বুঝেই কি আপনাকে স্বমহিমায় ফেরালো দলের হাই কম্যান্ড?”
“পার্টি তো কোনো একক ব্যক্তির ভরসায় চলতে পারেনা। কিছু প্রমিনেন্ট মুখ থাকে যাদের অভিজ্ঞতা বেশি। তাদের গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনো একজন গোটা পশ্চিমবঙ্গ জিতিয়ে দেবে সেটা সম্ভব নয়।”
৪) আপনার তো এমন দুর্দিনও গেছে যেখানে প্রধানমন্ত্রী রাজ্যে এসেছেন আর আপনাকে বিমান ধরে অন্য জায়গায় চলে যেতে হয়েছে
“হতে পারে। পার্টি এক্সপেরিমেন্ট করে মাঝে মাঝে। আগে তো ভোটে লড়তে হয়নি। তখন দল ভেবেছিল একেকটা মুখকে একেকবার সামনে আনি। দেখি পাবলিক কিভাবে রিয়াক্ট করে। মাঝে কিছুদিন সেই প্রক্রিয়া চলেছে।”
গতবার আইএএফ নিয়েও আপনারা একই ভাবে বিস্তর চর্চা করেছিলেন। রেজাল্ট কি হল? আমার মনে হয় ওই দলের সঙ্গে কোনো না কোনো পার্টির সেটিং হবে। গতবার নওশাদ সিদ্দিকী বড় বড় সভা করেছিল। আর হুমায়ূন কবির এখনও পর্যন্ত নিজের এলাকা ছেড়ে বেরোননি। তার পার্টির কি ভবিষ্যত? উনি সকালে একরকম বলেন। বিকেলে আরেক রকম। মানুষ তো এইভাবে বিশ্বাস করবে না। উনি আগে ওনার উদ্দেশ্য স্পষ্ট করুন। উনি জল মাপছেন। দাম বাড়াচ্ছেন।
৬) হুমায়ূনের ব্রিগেড সমাবেশ
“উনি আগেও অনেক বড় বড় কথা বলেও কিছুই করতে পারেন নি। উনি যদি সত্যিই ব্রিগেডে ১০ লাখ মানুষ জমা করতে পারেন নিঃসন্দেহে ওনার পার্টি একটা বড় শক্তি হিসেবে উঠে আসবে।”
৭) অভিষেক আজ থেকে আবার ফুল অ্যাকশনে
“ভোটে সব পার্টি অ্যাক্টিভ হয়। ওরাও করছে। আমরাও করব। ডায়লগ দিয়ে ইলেকশন জেতা যায়না। সিপিএম কে একসময় অজেয় ভাবা হতো। কেউ ভাবতেই পারেনি সিপিএম হেরে যেতে পারে। তারপর সিপিএম এমন ভাবে হারল আর কোনোদিন খুঁজে পাওয়া গেল না। বিজেপি অলরেডি সাড়ে ৩ হাজার পথসভা করে ফেলেছে। আমাদের রাজ্য সভাপতি উত্তর থেকে দক্ষিণ ট্যুর শুরু করবেন। আমরাও থাকব।”
৮) শীতকালে শীত ঘুম ভাঙ্গল দিলীপ ঘোষের?
“আমার শীত ঘুম ভাঙ্গেনি। আমি রোজ ইকো পার্ক এসেছি। এখানেই আপনাদের সঙ্গে কথা বলেছি। কার কাছে কখন কার গুরুত্ব কমবেশি সেটা পার্টি জানে। দিলীপ ঘোষ আগেও যা ছিল এখনও তাইই আছে। ভোটের মুখে আমাকে যে কাজ দেওয়া হল সেটাই করব।”
৯) প্রতিষ্ঠা দিবসে ফের গোষ্ঠী কোন্দল তৃণমূলে
“কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল তৈরির সময় এরা সমস্ত বদ গুণ নিয়ে এসেছে। ওটা তৃণমূলের ডিএনএতেই আছে। কংগ্রেস গোষ্ঠী কোন্দল করতে করতে শেষ হয়ে গেছিল। তৃণমূল সেই পথেই হাঁটছে। ক্ষমতা চলে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে।”
১০) কি ভোকাল টনিক দিলেন অমিত শাহ?
আমি নিজে কোনো ভোকাল টনিক দিই নি। কাজ শুরু করিনি এখনও।
আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], ময়নাগুড়ি, জলপাইগুড়ি, ০২/০১/২০২৬ : সাতসকালে জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি বাজারে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য। ঘটনাস্থলে পুলিশ এবং দমকল সহ বহু মানুষ আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগিয়েছেন। বেশ কয়েকটি দোকান পুড়ে ছাই।
ময়নাগুড়ি পুরাতন বাজারে এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে ময়নাগুড়ি পুরসভা এবং থানার আইসি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে আগুন নিয়ন্ত্রণ এবং আগুন লাগার কারণ জানার চেষ্টা করছে।দমকলের দুটো ইঞ্জিন পৌঁছে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। বিদ্যুতের সট সার্কিট থেকেই আগুন লাগতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা। প্রাথমিকভাবে জানা যায় কমপক্ষে ১০ টি দোকান পুড়ে ছাই। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দমকল এবং পুলিশের পাশাপাশি পৌরসভা। ঘটনাস্থলে ময়নাগুড়ি পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান উপস্থিত।
বাজারের ভিতরে একটি মিষ্টির দোকানে বেশ কিছু গ্যাস সিলিন্ডার ছিল। দ্রুত সেগুলি সরিয়ে ফেলার ব্যবস্থা করা হয়। ভাইস চেয়ারম্যান ঝুলন গোস্বামী বলেন, পুরসভার পক্ষ থেকে বারবার ব্যবসায়ীদের বলা হয়েছে, বাজারে ঢোকার রাস্তা বাধামুক্ত রাখতে। কিন্তু সেকথা শোনেননি ব্যবসায়ীরা। দোকানের সামগ্রী বাজারে ঢোকার রাস্তায় রেখে দেন তাঁরা। যদিও আজ দমকল খুব ভাল কাজ করেছে। ভোররাতে আগুন লাগে। এই ঘটনায় মোট দশটি দোকান পুড়ে গিয়েছে।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ০১/০১/২০২৬ : বছরের প্রথম দিনেই বাংলা পেলো উপহার। ভারতীয় রেল জানিয়ে দিলো যে দেশের প্রথম স্লিপার বন্দে ভারত ট্রেন পাবে বাংলা আর আসাম। এই ট্রেন চলবে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন দিয়ে।
দেশের প্রথম স্লিপার বন্দে ভারত ট্রেন চলবে কলকাতা আর গুয়াহাটির মধ্যে। আজ এই সুখবর এসেছে ভারতীয় রেলের তরফ থেকে। এই রেলপথের শুভ সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলে জানা গিয়েছে। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, স্লিপার বন্দে ভারত ট্রেনের টেস্টিং, ট্রায়াল সবকিছুই সফলভাবে করা হয়েছে। এই ট্রেনের প্রথম রুট হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে কলকাতা-গুয়াহাটি রুটটিকে। রেলমন্ত্রী সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছে নরেন্দ্র মোদী খুব শীঘ্রই এই রুটে স্লিপার বন্দে ভারত ট্রেনটিকে সবুজ পতাকা নাড়িয়ে শুভ উদ্বোধন করবেন।
বন্দে ভারতের স্লিপার কোচ যাত্রী সাধারণকে আন্তর্জাতিক মানের ভ্রমন অভিজ্ঞতা প্রদান করবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই ট্রেনের নিরাপত্তার দিকটিকেই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। ট্রেনে থাকবে অতিরিক্ত সাসপেনশন, যাতে ট্রেনে দুলুনি কম হয়। এছাড়াও ট্রেনে থাকবে অত্যাধুনিক ব্যবস্থাপনা। গুয়াহাটি থেকে হাওড়া স্টেশনের ৩এসি কোচের ভাড়া পড়বে আনুমানিক ২৩০০ টাকা করে। ২ এসি কোচের ভাড়া পড়বে ৩০০০ টাকা করে। ফার্স্ট এসি কোচের ভাড়া পড়বে ৩৬০০ টাকা করে।
স্লিপার কোচগুলির বার্থগুলিকে যথেষ্ট আরামদায়ক করা হয়েছে। যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দের কথা মাথায় রেখেই এই ট্রেন তৈরি করা হয়েছে। কোচের মধ্যে যথেষ্ট আলো থাকছে, টয়লেটগুলিকে অত্যাধুনিক করা হয়েছে। ফায়ার এলার্ম এবং সিসিটিভি মনিটরিং থাকছে। ট্রেনে থাকছে অতিরিক্ত সাসপেনশন, যাতে দুলুনি আরও কম হয়. আপৎকালীন নানারকম ব্যবস্থাপনা থাকছে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ০১/০১/২০২৬ : স্বাগত ২০২৬। ইংরেজি ক্যালেন্ডারের নতুন বছরের প্রথম দিনে ‘আজ খবর’এর সমস্ত পাঠক, পাঠিকা, বিজ্ঞাপনদাতা, শুভানুধ্যায়ী ও গুণগ্রাহীকে শুভেচ্ছা জানাই। আজ পয়লা জানুয়ারির দিনে মানুষ ছুটি কাটানোর আমেজ উপভোগ করছেন। বিভিন্ন জায়গায় জমে উঠেছে পিকনিক। বাতাসে হিমেল পরশ ছুটির আনন্দকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
আজকের দিনে বহু মানুষ ভীড় করেছেন দক্ষিণেশ্বরে ভবতারিনীর মন্দিরে। আজকের দিনেই কল্পতরু হয়েছিলেন ঠাকুর শ্রী রামকৃষ্ণদেব। আজ তাই ভক্তেরা ভীড় করেছেন কল্পতরু উৎসবে শামিল হতে।গঙ্গার ধারে দক্ষিনেশ্বর মন্দিরে আজ প্রচন্ড ভীড়। সকলেই প্রার্থনা করছেন ঠাকুরের কাছে। দক্ষিণেশ্বরে মায়ের পুজো দিতে বিশাল লাইন পড়েছে ভক্তদের।
দক্ষিনেশ্বর মন্দির চত্বরে প্রচুর মানুষের ভীড়ে যাতে কোনোরকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তার জন্যে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তার বিষয়টি দেখছেন ডিসি (সাউথ), অনুপম সিং। তাঁর নেতৃত্বে গোটা দক্ষিনেশ্বর অঞ্চলকে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে জলপুলিশকেও। ফেরিঘাটের ওপর নজরদারি চালানো হচ্ছে। নৌকাগুলিতে যাত্রীর চাপ খুব বেশি রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], নতুন দিল্লী, ভারত, ৩/১২/২০২৫ : একবার রাজ্য সরকারকে কঠোর নির্দেশ দিল কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। সেই নিরেশ অবিলম্বে পালন করতে বলা হয়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেসের যে প্রতিনিধি দল কলকাতার বিবিদিবাগে নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে গিয়েছিলেন সেই দলকেই নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন শহরে থাকা বহুতল আবাসন এবং বস্তিগুলিতে আলাদা বুথ তৈরি করা হবে. বিজেপি জানিয়েছিল এর আগে ভোটের সময় বহুতল আবাসনগুলিতে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল। যার ফলে সেই আবাসনের বহু মানুষ আর ভোট দিতে পারেন নি. এবার অবশ্য সেটা আর সম্ভব হবে না. বহুতলম আবাসন এবং মধ্যেও আলাদা বুথ তৈরি করে দেওয়া হবে, যাতে করি সংলগ্ন মানুষরা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন।
শুধু তাই নয়, নির্বাচনী প্রক্রিয়া চলাকালীন তৃণমূলকংগ্রেসের নিচুতলার কর্মাদের হুমকির সামনে যাতে নির্বাচন কর্মীদের পড়তে না হয়, সেই ব্যাপারেও সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে ওই প্রতিনিধি দলকে। শুধু তাই নয় আজ নির্বাচন কমিশন রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়ে জানিয়েছে বিএলও দের বর্ধিত ভাতা যেন তাদের প্রদান করা হয়. এই নির্দেশগুলি অবিলম্বে পালন করতে বলা হয়েছে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ৩১/১২/২০২৫ : পশ্চিমবঙ্গ সফরে এসে দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে একের পর এক বৈঠক সেরে নিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। গোটা দলকে চাঙ্গা করে গেলেন তিনি।
গুয়াহাটি সফর শেষ করে সোজা চলে এসেছেন পশ্চিমবঙ্গে আর এই রাজ্যে এসে একটুও সময় নষ্ট না করে একের পর এক বৈঠক নিলেন অমিত শাহ। ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে রণনীতি ঠিক করলেন। টার্গেট আগেই ঠিক করে দিয়েছিলেন। এবার বিজেপি দুই তৃতীয়াংশ ভোট প্রাপ্তির লক্ষ্যে ভোটে নামতে চলেছে। সেই লক্ষ্যে অবিচল থেকে ঠিক কিভাবে কাজ করা উচিত হবে, সেই ব্যাপারেই একের পর এক রণনীতি ও পদক্ষেপ তৈরি করে দিয়ে যাচ্ছেন অমিত শাহ।
তিনি আজ যে বৈঠকে বসেছিলেন সেই বৈঠকেউপস্থিত ছিলেন রাজ্যের সব বিজেপি বিধায়ক ও সাংসদেরা। তিনি প্রত্যেককে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, প্রত্যেক আসনে আসলে প্রার্থী থাকবেন আর কেউ, কিন্তু লড়াইটা হবে নরেন্দ্র মোদীর সাথে বিপক্ষের। সুতরাং সেই বুঝে লড়াইয়ের ময়দানে নামতে হবে তৃণমূল কংগ্রেসকে ৩৬০ ডিগ্রির এক ডিগ্রিও ছাড়া চলবে না।
গতকাল তৃণমূল কংগ্রেস তথা মমতা বন্দোপাধ্যায়ের তুমুল সমালোচনা করেছিলেন অমিত শাহ।অনেকগুলি প্রশ্ন তিনি রেখেছেন সাধারণ মানুষের সামনে। আজ তিনি এই রাজ্যে বিজেপির বাস্তব সাংগঠনিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন। নানারকম স্ট্র্যাটেজি তিনি তৈরি করে দিয়ে গেলেন নেতা নেত্রীদের জন্যে। অমিত শাহকে রাজ্য সফরে পেয়ে উজ্জীবিত গেরুয়া শিবির।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ,৩০/১২/২০২৫ : কলকাতায় এসেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় বইয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। গতকাল সন্ধ্যেবেলায় আসামের গুয়াহাটি থেকে তিনি কলকাতা বিমানবন্দরে অবতরণ করেছেন। বিমানবন্দর থেকেই তিনি শুভেন্দু অধিকারী ও শমীক ভট্টাচার্যকে গাড়িতে তুলে নিয়েছিলেন, প্রয়োজনীয় আলোচনাও সেরে নিয়েছিলেন।
মঙ্গলবার অমিত শাহ বলেন, “গত ১৪ বছর ধরে বাংলা ভয় ও দুর্নীতির পরিচায়ক হয়ে উঠেছে। এই রাজ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সরকারের লাগামছাড়া দুর্নীতি পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। নরেন্দ্র মোদী যে সব প্রকল্পগুলি চালু করেছেন, সেইসব প্রকল্পগুলি এই রাজ্যে এসে সিন্ডিকেটের ছায়ায় ঢাকা পড়ে যাচ্ছে। বিগত ১৪ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের নামের সাথে ভয় আর দুর্নীতি একেবারে মিলে মিশে গিয়েছে। বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে পুনরুদ্ধার করার কাজ করবে বিজেপি। বাংলার সাথে বিজেপির একটি ঘনিষ্ট সূত্র রয়েছে, বিজেপি তৈরি করেছিলেন ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি। তিনি ছিলেন এই বঙ্গভূমির সন্তান। এই রাজ্যের মহান নেতা ছিলেন তিনি।”
এদিন অমিত শাহ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আপনি বলুন তো, দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে কোন সরকার জমি দিতে অগ্রাহ্য করেছে ? সেটা আপনার সরকার। সীমান্তে কাঁটাতারের প্রাচীর তৈরি করতে আপনার সরকার জমি দেয় নি দেশকে। অনুপ্রবেশকারীরা বাংলাদেশ থেকে আপনার রাজ্যেই প্রথমে প্রবেশ করে। সেক্ষেত্রে আমি জানতে চাই আপনার পাটোয়ারী আর পুলিশ কি করে ? এই অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানো হয় না কেন ? বাংলার সরকার কি জবাব দিতে পারবে কেন আসাম ও ত্রিপুরা সরকার অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠিয়ে দেয় ? এখানে অনুপ্রবেশকারীদের জায়গা দেওয়া হয় আপনার নজরদারিতেই। আপনি আপনার ভোটব্যাংক বাড়াতে পশ্চিমবঙ্গের জনবিন্যাসটাই বদলে দিতে চান ?”