
![]()

![]()

একশন কিং চাক নরিসকে স্মরণ অক্ষয় কুমারের
আজ খবর (বাংলা), [বিনোদন] মুম্বই , মহারাষ্ট্র, ২১/০৩/২০২৬ : অ্যাকশন সিনেমার ইতিহাসে এক অমলিন নাম চাক নরিস। তাঁর প্রয়াণে বিশ্বজুড়ে ভক্তদের পাশাপাশি শোক প্রকাশ করেছেন বলিউডের খ্যাতনামা অভিনেতা অক্ষয় কুমার।
সোশ্যাল মিডিয়ায় এক আবেগঘন বার্তায় অক্ষয় কুমার জানান, ছোটবেলা থেকেই চাক নরিসের কাজ তাঁকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। অ্যাকশন দৃশ্য, মার্শাল আর্টের দক্ষতা এবং অনন্য ব্যক্তিত্ব—সব মিলিয়ে চাক নরিস ছিলেন তাঁর কাছে এক আদর্শ।
অক্ষয়ের কথায়, “তাঁর কাজ শুধু বিনোদন নয়, বরং এক প্রজন্মের কাছে সাহস ও আত্মবিশ্বাসের প্রতীক।” তিনি আরও বলেন, চাক নরিসের অবদান কখনও ভোলার নয় এবং তাঁর স্মৃতি চিরকাল বেঁচে থাকবে।
এই শ্রদ্ধার মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হল, হলিউডের এই কিংবদন্তি তারকার প্রভাব শুধু আমেরিকায় নয়, ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতেও গভীরভাবে ছড়িয়ে রয়েছে।
![]()

“তৃণমূলের একমাত্র উদ্দেশ্য হল রাজ্য থেকে বিজেপিকে বিতাড়িত করা”
![]()

আজ খবর (বাংলা), আজকের রাশিফল — ২১/০৩/২০২৬ :
![]()

রাজ্যে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা, অস্ত্র পাচারের অভিযোগ তুলে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব মুখ্যমন্ত্রী
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২০/০৩/২০২৬ : পশ্চিমবঙ্গ ধীরে ধীরে “অঘোষিত রাষ্ট্রপতি শাসন”-এর দিকে এগোচ্ছে বলে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । তাঁর দাবি, “কেন্দ্রীয় সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে রাজ্যে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে এবং বিভিন্ন উপায়ে প্রশাসনিক কাঠামোকে দুর্বল করে দিচ্ছে।”
মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, “রাজ্যে অস্ত্র পাচারের ঘটনাও বেড়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলছে। এই সমস্ত ঘটনার পেছনে কেন্দ্রের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভূমিকা থাকতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।”
মমতা এদিন আরও বলেন, “গণতান্ত্রিক কাঠামো বজায় রাখতে রাজ্য সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে, কিন্তু কেন্দ্রের এই ধরনের পদক্ষেপ রাজ্যের স্বাভাবিক প্রশাসনিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে।”
তিনি কেন্দ্রকে আক্রমণ করে দাবি করেন, ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে রাজ্যকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা দেশের ফেডারেল কাঠামোর জন্যও বিপজ্জনক’।
![]()

চাকরি, ভাতা থেকে উন্নয়ন—কী কী প্রতিশ্রুতি থাকছে জানুন বিস্তারিত
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২০/০৩/২০২৬ : আগে তৃণমূল কংগ্রেস দলীয় মুখপত্র ইস্তেহার প্রকাশ করল. এই ইস্তেহারের দিদির ১০ প্রতিজ্ঞা। ভোটারদের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মোট ১০টি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এই ইস্তেহারের মাধ্যমে।
কি রয়েছে তৃণমূলের এই ইস্তেহারে ?
লক্ষীদের জয়, স্বনির্ভরতা অক্ষয় — লক্ষীর ভান্ডারে অনুদানের পরিমাণ মাসে ৫০০ টাকা করে বাড়বে। অর্থাৎ ভোটে জিতে নতুন সরকার গঠন করলে মাসে লক্ষহীর ভাণ্ডারে ১,৫০০ টাকা করে (বছরে ১৮ হাজার টাকা করে. তফসিলি বা জনজাতির মহিলারা পাবেন মাসে ১,৭০০ টাকা করে অর্থাৎ বছরে ২০,৪০০ টাকা।
যুবদের পাশে,জীবিকার আশ্বাসে — জীবিকাহীন যুবদের বাংলার যুব সাথী প্রকল্পে ১৫০০ টাকা প্রতি মাসে (১৮০০০ টাকা প্রতি বছর) সহায়তা দেওয়া হবে.
বাজেটে কৃষি, কৃষকের হাসি — কৃষক পরিবারগুলিকে নিরবিচ্ছিন্ন সহায়তা। ভূমিহীন কৃষকদের আর্থিক সাহায্য। কৃষির সামগ্রিক উন্নয়নে ৩০ হাজার কোটি টাকার বাজেট।
নিশ্চিত বাসস্থান, চিন্তার অবসান — বাংলার সব পরিবারের জন্যে নিশ্চিত পাকা বাড়ি।
ঘরে ঘরে নল, পরিশ্রুত পানীয় জল — বাংলার সব পাইপলাইনের মাধ্যমে পরিশ্রুত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য।
সুস্বাস্থ্যের অধিকার, বাংলার সবার — প্রতি বছর প্রতিটা ব্লক ও টাউনে দুয়ারে চিকিৎসা ক্যাম্পের মাধ্যমে চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য। বাড়ির দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য পরিষেবা।
শিক্ষাই সম্পদ, ভবিষ্যৎ নিরাপদ — বাংলার শিক্ষায়তনের অধীনে সমস্ত সরকারি স্কুলের পরিচালনগত উন্নয়ন।
পুবের বাণিজ্যের কান্ডারি, বাংলাই দিশারী — বিশ্বমানের লজিস্টিক, বন্দর, বাণিজ্যিক পরিকাঠামো এবং একটি অত্যাধুনিক ট্রেড সেন্টার সহ বাংলা পূর্ব ভারতের বাণিজ্যের প্রবেশদ্বার।
প্রবীণদের পাশে, যত্নের আশ্বাসে — বর্তমান সকল উপভোক্তার জন্যে নিরবিচ্ছিন্ন বার্ধক্য ভাতার সহায়তা। সব প্রবীণদের এই প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসাই লক্ষ্য।
প্রশাসনিক সুবিধার নতুন দিগন্ত বাংলার — সত্যি নতুন জেলা তৈরি। ভৌগোলিক পুনর্গঠনের মাধ্যমে নতুন পুরসভা তৈরি।
![]()

প্রার্থী না-পসন্দ
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], বসিরহাট, উত্তর ২৪পরগণা , ২০/০৩/২০২৬ : তৃণমূল প্রার্থী প্রচারে এলে এলাকায় ঢুকতে দেবো না-দাবি তৃণমূল কর্মীদের।
এবার তৃণমূলের প্রার্থী নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ্যে, বসিরহাট উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী তৌসিফুর রহমান এর বিরুদ্ধে পড়লো পোস্টার। তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা চাইছে আবু তাহের মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ (রনি) কে প্রার্থী হিসেবে । আর তাই এই বিক্ষোভের পোস্টার ।
পোস্টারে লেখা বহিরাগত প্রার্থী মানছিনা মানবোনা,ভূমিপুত্র চাই। তৃণমূল প্রার্থী তৌসিফুর রহমান বহিরাগত । বাড়ি- কলকাতায় । তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র । তাকে প্রার্থী ঘোষণা হওয়ার পরেই বসিরহাট উত্তর বিধানসভা কেন্দ্র জুড়ে তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে গুঞ্জন শুরু হয়েছিল প্রার্থী বাতিলের দাবিতে । সেই গুঞ্জন এবার প্রকাশ্যে এলো ।
কোথাও প্রচারে- তৃণমূলের কর্মীবৃন্দ , আবার কোথাও-তৃণমূলের লোগো (জলছবি) লাগানো পোস্টারে লেখা – বসিরহাট উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রে- বহিরাগত প্রার্থী মানছিনা মানবোনা। আর এই বিষয়ে হাসনাবাদ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি এসকেন্দার গাজী বলেন- এটা বিরোধীদের চক্রান্ত । বসিরহাট উত্তরে বিরোধীদের কোন জায়গা নেই । তারা জানে তারা জিততে পারবে না , তাই তৃণমূল দলের ভাব মূর্তি নষ্ট করার জন্য এসব পোস্টার লাগাচ্ছে।
যদিও তৃণমূলের এই দাবি নস্যাৎ করে বিজেপির দাবি- তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এতটাই প্রকাশ্যে এসেছে যে ওরা নিজেদের প্রশ্নের নিজেরা লাগিয়ে আমাদের বিজেপির দলের নামে দোষ দিচ্ছে । বহিরাগত প্রার্থী ওরা নিজেরাই মানতে পারছে না।
![]()

আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি] কোলাঘাট, পূর্ব মেদিনীপুর। ২০/০৩/২০২৬ : সাত সকালেই ফুল মার্কেট এবং রেলস্টেশনে নির্বাচনী প্রচার সিপিআইএম প্রার্থী ইব্রাহিম আলীর।
২০২৬ এর নির্ঘণ্টও বেজে গিয়েছে সমস্ত রাজনৈতিক দল ইতিমধ্যে ময়দানে নেমেছে প্রচার পর্বের মধ্য দিয়ে নিজেদের জয়ের লক্ষ্যে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় বামেদের অন্যান্য প্রার্থী ঘোষণা হলেও বাকি ছিল পাঁশকুড়া পূর্ব এবং পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের নাম ঘোষণা, তবে গতকাল নাম ঘোষণার পর পূর্ব পাঁশকুড়া বিধানসভার সিপিআইএম প্রার্থী হলেন প্রাক্তন বিধায়ক ইব্রাহিম আলী।
সাত সকাল থেকেই কোলাঘাট রেল স্টেশন এবং ফুল বাজারে প্রচার পর্ব সারতে দেখা গেল তাঁকে। উন্নয়নের বার্তা নিয়ে প্রচার ময়দানে বাম পার্থী।
এমনকি তৃণমূল বিজেপির সেটিং খেলা চলছে বলে দাবি বামপ্রার্থী ইব্রাহীম আলির, আর তাকেই হাতিয়ার করে সাধারণ মানুষের কাছে প্রচারের মাঠে বাম প্রার্থী।
![]()

সুষ্ঠূ ও অবাধ ভোট করাতে মরিয়া নির্বাচন কমিশন
আজ খবর (বাংলা), [দেশ] নতুন দিল্লী, ভারত,১৮/০৩/২০২৬ : ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI) ১৫ই মার্চ আসাম, কেরল, পুদুচেরী, তামিলনাড়ু এবং পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন এবং ৬টি রাজ্যের উপ-নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করেছে।
এই ৫টি রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে নির্বাচনের বিভিন্ন ধাপের সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন পরিচালনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে, ২৫ লক্ষেরও বেশি নির্বাচন আধিকারিক নিয়োগ করা হয়েছে। এই নির্বাচনে মোট ভোটদাতার সংখ্যা ১৭.৪ কোটিরও বেশি। অর্থাৎ, প্রতি ৭০ জন ভোটারের জন্য প্রায় ১ জন নির্বাচন আধিকারিক নিযুক্ত।
নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার শ্রী জ্ঞানেশ কুমার জানান, নির্বাচন যাতে হিংসা ও প্ররোচনামুক্ত হয়, তা নিশ্চিত করতে এবং ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন, তা দেখতে আধিকারিকদের সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত কর্মীদের মধ্যে প্রায় ১৫ লক্ষ ভোটগ্রহণ কর্মী, ৮.৫ লক্ষ নিরাপত্তা কর্মী, ৪০ হাজার ভোটগণনা কর্মী, ৪৯ হাজার মাইক্রো অবজার্ভার, ২১ হাজার সেক্টর অফিসার এবং ভোটগণনার জন্য ১৫ হাজার মাইক্রো অবজার্ভার সহ অন্যান্য আধিকারিকরাও থাকছেন।
২.১৮ লক্ষেরও বেশি বিএলও সহ নির্বাচনী কর্মীবাহিনী থাকছেন ভোটারদের সুবিধার্থে। ফোন নম্বরের মাধ্যমে এবং ECINet অ্যাপে ‘Book-a-call to BLO’ সুবিধাও ভোটদাতাদের জন্য থাকছে। ডিইও/আরও পর্যায়ে যেকোনও অভিযোগ বা জিজ্ঞাসার স্বার্থে কল সেন্টার নম্বর +91 (STD Code) 1950-ও খোলা থাকছে।
জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর ২৮A ধারা অনুযায়ী, ভোটের কাজে নিযুক্ত সকল কর্মীকে নির্বাচন কমিশনের অধীনে কর্মরত বলে গণ্য করা হবে। বিধানসভা নির্বাচন ও উপ-নির্বাচন চলাকালীন কমিশনের ‘চোখ ও কান’ হিসেবে দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে ৮৩২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ১,১১১ জন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক মোতায়েন থাকছেন। এঁদের মধ্যে ৫৫৭ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক, ১৮৮ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক এবং ৩৬৬ জন ব্যয় পর্যবেক্ষক। এই কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের অধিকাংশই ইতিমধ্যেই তাঁদের নির্ধারিত বিধানসভা কেন্দ্রে পৌঁছে গেছেন।
নির্বাচনী পর্যবেক্ষকরা তাঁদের যোগাযোগের বিবরণ দেবেন এবং তাঁরা প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে প্রার্থী, রাজনৈতিক দল বা তাঁদের প্রতিনিধি কিংবা সাধারণ জনগণের সঙ্গে সাক্ষাতে নির্বাচন-সংক্রান্ত অভিযোগ শুনবেন।
![]()