পরিকাঠামো সম্প্রসারণের ফলে বাড়ছে মানব-বন্যপ্রাণ সংঘাত, কেন্দ্র ও রাজ্যকে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান
আজ খবর (বাংলা) [পশু বসুন্ধরা], নতুন দিল্লী, ভারত, ২৬/০৩/২০২৬ : উন্নয়নের জোয়ারে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বন্যপ্রাণ ক্রমশ চাপে পড়ছে—এই উদ্বেগ প্রকাশ করে জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান জানালেন রাজ্যসভার সাংসদ হর্ষ বর্ধন শৃঙ্গলা। তিনি বলেন, “দ্রুতগতির পরিকাঠামো উন্নয়ন, সড়ক ও রেলপথ নির্মাণ এবং শহরায়নের ফলে বন্যপ্রাণীদের আবাসস্থল সংকুচিত হয়ে পড়ছে, যার ফলে বাড়ছে মানব-বন্যপ্রাণ সংঘাত।”
শৃঙ্গলা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, “উন্নয়ন প্রকল্পগুলি বাস্তবায়নের সময় পরিবেশ ও বন্যপ্রাণ সুরক্ষার বিষয়টি সমান গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা উচিত।” তিনি কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলিকে আহ্বান জানান, যেন প্রকল্প অনুমোদনের আগে যথাযথ পরিবেশগত মূল্যায়ন করা হয় এবং বন্যপ্রাণ সংরক্ষণের জন্য কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, “বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ শুধুমাত্র পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও টেকসই পৃথিবী গড়ার ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” এই প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট সকল দফতর ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপরও জোর দেন তিনি।
\আজ খবর (বাংলা) [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ২৬/০৩/২০২৬ : অবশেষে স্বপ্ন সত্যি হল. দেশের চা শ্রমিকরা জমির মালিকানা সত্বা পেতে চলেছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাঁরা।
ইংরেজ শাসন আবাসন হওয়ার পর আরও ৭৫ বছর কেটে গেলেও জমির মালিকানা পান নি দেশের চা শ্রমিকরা। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর তৎপরতায় এবার জমির মালিকানা পেলেন চা শ্রমিকরা। চা বাগানে যে সব শ্রমিকরা কাজ করেন, তাঁরা দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাস করেন। তাঁরা বিভিন্ন রকম নাগরিক সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকতেন। এমনকি স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অন্যান্য জরুরি পরিষেবাও তাঁরা পেতেন না. কিন্তু এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সহায়তায় দেশের অসংখ্য চা শ্রমিক জমির মালিকানা পেলেন।
দেশে বহু চা শ্রমিক আছেন যাঁরা হয়তো কয়েক প্রজন্ম ধরে চা শ্রমিক হিসেবে চরম দারিদ্রের সাথে লড়াই চালাচ্ছেন। এই শ্রমিকদের নিজস এ জমি বলতে কিছুই ছিল না. এবার প্রধানমন্ত্রীর তৎপরতায় তাঁর নিজেদের মালিকানায় জমি পেলেন। প্রধানমন্ত্রী মোদীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাঁরা। এবার এই চা সমীকরা একটি করে বাড়ি পাওয়ার আশা করছেন। নরেন্দ্র মোদীর ওপর সমম্পূর্ণ ভরসা রেখেছেন তাঁরা।
ওই দিন তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে চার্জশিট প্রকাশ করা হবে
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৬/০৩/২০২৬ : আগামী ২৮ তারিখে ফের রাজ্যে আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেদিন তিনি তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত সরকারের বিরুদ্ধে ‘চার্জশিট’ পেশ করতে চলেছেন।
বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে আগামী ২৮ তারিখ ভোটের প্রচার করতে ফের রাজ্যে আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ওই দিন তিনি যে জনসভা করবেন, সেই সভায় গত ১৫ বছরে তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যে সরকার চালাতে গিয়ে যে সব দুর্নীতি করেছে, তার বিশদ খতিয়ান তুলে ধরবেন, সেই খতিয়ানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘চার্জশিট’। সেদিন অমিত শাহ একেরপর এক চার্জশিট পেশ করে তৃণমূল কংগ্রেসকে বিদ্ধ করতে চান। ঐ দিন প্রচারে তিনি তৃণমূল সরকারের ব্যর্থতার কথাও তুলে ধরবেন বলে জানা গিয়েছে।
এরই পাশাপাশি বিজেপি নিজেদের ইশতেহার প্রকাশের প্রস্তুতিও নিয়েছে। দলীয় ইশতেহার প্রকাশের আগে অমিত শাহের মত নেতার অনুমোদন নেওয়াও হতে পারে। বিজেপি সম্ভবত এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রকাশ করতে চলেছে তাদের ইশতেহার।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], খড়গপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২৬/০৩/২০২৬ : তৃণমূলের বিরুদ্ধে ফের একবার সুর চড়ালেন খড়্গপুরের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ।
দিলীপ ঘোষ আজ সাংবাদিকদের বলেন, “রাজ্য সরকার রাজ্যের মুসলিম সম্প্রদায়ের সাথে আদৌ ন্যায় বিচার করে নি। রাজ্যে যে রাজনৈতিক দলগুলি মুসলিম সম্প্রদায়ের হয়ে কথা বলে, তারাও বুঝতে পেরেছে যে বিগত দিনগুলিতে রাজ্য সরকার মুসলিমদের প্রতি সুবিচার করে নি। তাই ভোটারদের ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে পুনর্বিবেচনা করা উচিত। যাদেরকে তাঁরা এতদিন ধরে ভোট দিয়ে আসছেন, মুসলমানদের ভাবা উচিত যে আর কতদিন তাদেরকে তাঁরা ভোট দিয়ে যাবেন। আমরাও মুসলমানদের উন্নতি চাই।
খড়্গপুর থেকে বিজেপির নির্বাচন প্রার্থী হয়েছেন প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।শাসক দল তাঁর আক্রমণের নিশানায় থাকে বরাবর। আজও ছিল. তবে আজ তিনি প্রধানত মুসলিম ভোট নিয়েই বেশি কথা বললেন।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] পানিহাটি, উত্তর ২৪ পরগণা , ২৬/০৩/২০২৬ : আর জি কর হাসপাতালের নির্যাতিতার মা রত্না দেবনাথ আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির হয়ে প্রার্থী হচ্ছেন উত্তর ২৪ পরগণার পানিহাটি কেন্দ্র থেকে। আজ থেকেই তিনি ভোটের প্রচারে নামছেন।
আর জি কর হাসপাতালে ধর্ষিতা এবং খুন হতে হয়েছিল ঐ মেডিকেল কলেজেরই এক পড়ুয়া ডাক্তারকে। নির্যাতিতার সমর্থনে সেই সময় প্রতিবাদে মুখর হয়েছিল গোটা রাজ্য। প্রতিবাদ জানিয়ে রাতের পর রাত জেগেছিল। তবু বিচার অধরা রয়ে গিয়েছে। নির্যাতিতার বাবা- মা মনে করেন তাঁদের মেয়ের আসল খুনি বুক ফুলিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাঁদের মেয়ে এখনও সুবিচার পান নি।
এবার শুধু নিজের মেয়েই নয়, এই ধরনের ঘটনায় রাজ্যে সব মেয়েদের সুবিচার পাইয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার করে ভোট যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে চলেছেন নির্যাতিতার মা রত্না দেবনাথ। তিনি বিজেপির হয়ে উত্তর ২৪ পরগণার পানিহাটি কেন্দ্র থেকে আজ থেকেই প্রচারে নামছেন। এদিন তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, “এটাও একটা বিজয়, আমি ভোটে দাঁড়িয়েছি। নির্বাচনের লড়াইয়ে আমি জিতবো না, পানিহাটির সব মানুষ জিতবে। এই সরকার মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মৌলিক অধিকার কেড়ে নিয়েছে। অথচ সবাইকে সমান অধিকার দেওয়া উচিত। আমার মেয়ে আর জি কর মেডিকেল কলেজে পড়তে গিয়ে নিহত হয়েছে। তারপর থেকে অনেক ঘটনায় ঘটছে ঐ হাসপাতালে। আমি জনগণকে বলব, আমার কাছে আর কিছুই নেই, আমার ঘর শূন্য, তাই আপনারা আমার পাশে দাঁড়ান। আমি আমার মেয়ের মৃত্যুর বিচার আদায় করতে চাই।”
মেষ রাশি : আপনি আপনার শারীরিক সক্ষমতা বজায় রাখতে কিছু ক্রীড়া কার্যকলাপ উপভোগ করতে পারেন। জমিজমায় বিনিয়োগ করা লাভদায়ক হবে। যা আপনাকে সুখী করে তাই করুন, কিন্তু চেষ্টা করুন অন্যের ঝামেলায় না জড়াতে। আপনার কাজে লেগে থাকুন এবং আপনাকে সাহায্য করার জন্য আজ যারা কোমর বেঁধে লেগেছেন তাদেরকে গণ্য করবেন না। আপনার বিবাহিত জীবনে সবকিছুই আজ সুখী মনে হচ্ছে।
বৃষ রাশি : যোগব্যায়ামের সাহায্য নিন- যা আপনাকে শারীরিক মানসিক ও আধ্যাত্মিকভাবে সুস্থ থাকতে শেখাবে যাতে আপনার মেজাজের উন্নতি হয়। আজ জমি বা যে কোনও সম্পত্তিতে বিনিয়োগ আপনার জন্য মারাত্মক হতে পারে। এমন একজন আত্মীয়ের সাথে দেখা করুন যিনি সুস্থ নেই। আপনার স্ত্রী অসাধারণ নন। আপনি আপনার জীবনের ভালবাসার মানুষটির থেকে একটি চমৎকার বিস্ময় পেতে পারেন।
মিথুন রাশি : আপনি অবসর যাপনের আনন্দ উপভোগ করবেন। যারা অদ্যাবধি অযথা অর্থ ব্যয় করছিলেন তারা বুঝবেন যে আর্থিক অভাবের মধ্যে হঠাৎ প্রয়োজনীয়তা দেখা দেবে, অর্থ উপার্জন এবং সঞ্চয় করা কতটা কঠিন। এই মূহূর্তে বাচ্চা আর পরিবার আপনার প্রধান লক্ষ্য। স্পর্শ, চুম্বন, আলিঙ্গন বিবাহিত জীবনে একটি খুব বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আপনি আজ তা অনুভব করতে যাচ্ছেন।
কর্কট রাশি : শরীর ভালো থাকবে। যারা ক্ষুদ্রতর ব্যবসায় পরিচালনা করছেন তারা আজ তাদের বন্ধ হওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে কোনও পরামর্শ নিতে পারেন, যা তাদের আর্থিকভাবে লাভবান করতে পারে। নতুন মক্কেলদের সাথে আপস আলোচনা করার জন্য এই দিনটি চমৎকার। আপনি কি জানেন যে আপনার স্ত্রী সত্যিই আপনার জন্য দেবদূত।
সিংহ রাশি : আর্থিক লেনদেন অবিচ্ছিন্নভাবে সারা দিন চলবে এবং দিন শেষ হওয়ার পরে আপনি যথেষ্ট পরিমাণে সঞ্চয় করতে সক্ষম হবেন। আপনার আজ কর্মক্ষেত্রে একজন অসাধারণ ব্যক্তির সঙ্গে দেখা হতে পারে। ছাত্ররা বন্ধুদের চক্করে মূল্যবান সময় যেন নষ্ট কর না। আপনি সারা দিন আপনার জীবন সঙ্গীর সঙ্গে উচ্ছ্বাস উপভোগ করবেন।
কন্যা রাশি : আপনি কিছু আঘাতের সম্মুখীন হলে চরম সাহস এবং শক্তি প্রদর্শন করা প্রয়োজন। আপনি আপনার আশাবাদী মনোভাব দ্বারা সহজেই এর থেকে অতিক্রম করতে পারবেন। পরিবারের সদস্যদের সাথে কিছু হালকা মূহুর্ত কাটান। আনন্দদায়ক সফর সন্তোষজনক হবে। দিনটি আপনার বিবাহিত জীবনের জন্য সত্যিই দারুণ। আপনি আপনার সঙ্গীকে কতটা ভালবাসেন সেটা তাকে জানান।
তুলা রাশি : আপনি খুব আবেগপ্রবণ হবেন- সুতরাং আপনি আঘাত পেতে পারেন এমন পরিস্থিতি থেকে দূরে থাকুন। আজ থেকে সঞ্চয় শুরু করুন এবং অতিরিক্ত ব্যয় এড়িয়ে চলুন। বন্ধুরা সন্ধ্যেবেলার জন্য আকর্ষণীয় কিছু পরিকল্পনা করে আপনার দিনটি উজ্জ্বল করে তুলবে। বিতর্ক বা অফিস রাজনীতি; আজ আপনি সবকিছুতেই শাসন করবেন। প্রাণোচ্ছল হাসিপূর্ণ একটি দিন যেখানে বেশির ভাগ জিনিসই আপনার ইচ্ছা অনুসারে এগোবে।
বৃশ্চিক রাশি : আপনি আপনার দিন যোগ এবং ধ্যান দিয়ে শুরু করতে পারেন। এই রাশিচক্রের লোকেরা যারা বিদেশ থেকে ব্যবসা করে থাকে তারা আজ আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আপনার ঘনিষ্ঠ কেউ এক অত্যন্ত অনিশ্চিত মেজাজে থাকবে। এই রাশিচক্রের শিশুরা আজ খেলাধুলায় আঘাতের সম্ভাবনা থাকায় পিতামাতাদের তাদের মনোযোগ দেওয়া উচিত। একটি দীর্ঘ সময় পরে, শুধুমাত্র ভালবাসা দিয়ে আপনি এবং আপনার সঙ্গী একটি শান্তিপূর্ণ দিন কাটাবেন।
ধনু রাশি : জটিল পরিস্থিতিতে ঘাবড়ে যাবেন না।সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ নিন– এতে আপনার মন ভালো থাকবে। আজ, আপনি অর্থ-সম্পর্কিত সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন, আপনি কঠোর পরিশ্রম ও ধৈর্যের মাধ্যমে আপনার লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবেন। মনের কথা বলতে ভয় পাবেন না। আপনি আপনার স্ত্রীর সঙ্গে আবার পুরাতন সুন্দর রোমান্টিক দিনগুলি আজ হৃদয়ে পোষণ করুন।
মকর রাশি : আপনার ব্যক্তিগত সমস্যা মানসিক সুখ নষ্ট করতে পারে কিন্তু এই চাপ সামলাতে আকর্ষণীয় কিছু পড়ার মাধ্যমে মানসিক ব্যায়ামে নিজেকে জড়িয়ে রাখুন। আর্থিক সমস্যা আপনার গঠনমূলক চিন্তার সামর্থ্যকে বিনষ্ট করবে। পরিবারের সদস্যদের হাসিখুশি প্রকৃতি ঘরের পরিবেশ উজ্জ্বল করতে তুলবে। তবু আজ পরিবারে উত্তপ্ত তর্কের সময় পুরানো সুন্দর দিনের কথা মনে রাখতে ভুল করবেন না।
কুম্ভ রাশি : স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যাগুলি অস্বস্তি বয়ে আনতে পারে। বিবেচকের মত বিনিয়োগ করুন। মহিলা সহকর্মীরা নতুন কাজ সম্পূর্ণ করার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। এই রাশির জাকতকেরা আজ নিজের জন্য বেশকিছু সময় পাবেন। আপনি এই সময়ের ব্যবহার আপনার ইচ্ছা পূরণে করতে পারেন।আপনার স্ত্রী তার জীবনে আপনার মূল্য বর্ণনা করতে আজ কিছু সুন্দর শব্দ নিয়ে আপনার কাছে আসতে পারে।
মীন রাশি : পরিবারের প্রয়োজনীয়তা অনুসারে আপনি আপনার সঙ্গীর সাথে কিছু মূল্যবান জিনিস কিনতে যেতে পারেন, যা আপনার আর্থিক পরিস্থিতি কিছুটা টানটান করে তুলতে পারে। আপনার ভালোবাসার মানুষটিকে কোন কঠোর কিছু না বলতে চেষ্টা করুন-অন্যথায় আপনাকে পরে অনুতাপ করতে হতে পারে। বসের নজরে পড়ার আগে হাতের কাজ শেষ করুন।আপনার সঙ্গী আজ তার নিজের কাজ নিয়ে খুব বেশী নিবিষ্ট থাকবেন, যা আপনাকে সত্যিই খুব হতাশ বোধ করাবে।
Royal Bengal Tiger— নামটা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে জঙ্গলের এক অদম্য রাজা। কিন্তু এই শক্তিশালী প্রাণীটিকে ঘিরে রয়েছে বহু অজানা তথ্য, আর তার থেকেও বড় কথা— কিছু না বলা গল্প, যা আমাদের ভিতরটা নাড়িয়ে দেয়।
কিছু অজানা তথ্য
রয়েল বেঙ্গল টাইগারের ডোরাকাটা দাগ প্রতিটি বাঘের ক্ষেত্রে আলাদা— মানুষের আঙুলের ছাপের মতোই ইউনিক।
এরা চমৎকার সাঁতারু— ৫-৬ কিমি পর্যন্ত নদী পেরিয়ে যেতে পারে সহজেই।
একেকটি বাঘের শিকার ক্ষেত্র (territory) প্রায় ২০ থেকে ১০০ বর্গকিমি পর্যন্ত হতে পারে।
ভারতের Sundarbans অঞ্চলের বাঘেরা লোনা জলে টিকে থাকার জন্য আলাদা ভাবে অভিযোজিত।
গল্প ১: “মা বাঘিনীর শেষ লড়াই”
সুন্দরবনের এক নির্জন জঙ্গলে একটি মা বাঘিনী তার দুই ছানাকে নিয়ে বাস করত। প্রতিদিন খাবারের জন্য তাকে লড়াই করতে হত— কখনও হরিণ, কখনও বুনো শূকর।
একদিন খাবারের খোঁজে বেরিয়ে সে আর ফিরল না। পরে জানা যায়, মানুষের বসতিতে ঢুকে পড়ায় তাকে ‘মানুষখেকো’ সন্দেহে মেরে ফেলা হয়।
জঙ্গলের গভীরে তখন দুই ছোট্ট ছানা মায়ের অপেক্ষায়… না খেয়ে, একা… ধীরে ধীরে তারা-ও হারিয়ে যায়।
এই গল্প শুধু একটি বাঘিনীর নয়— এটা মানুষের ভয় আর ভুল বোঝাবুঝির করুণ পরিণতি।
“যে বাঘ মানুষকে বাঁচিয়েছিল”
একবার প্রবল ঝড়ে সুন্দরবনের এক মৎস্যজীবী জঙ্গলের মধ্যে আটকে পড়ে। চারিদিকে জল, অন্ধকার আর ভয়।
হঠাৎ সামনে এসে দাঁড়ায় এক বিশাল রয়েল বেঙ্গল টাইগার। ভয়ে স্থির হয়ে যায় মানুষটি।
কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে বাঘটি তাকে আক্রমণ করেনি। বরং কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে ধীরে ধীরে জঙ্গলের ভেতরে চলে যায়।
পরদিন সকালে সেই পথ ধরে হাঁটতেই মৎস্যজীবীটি পৌঁছে যায় নিরাপদ জায়গায়।
সে আজও বলে—
“ওই বাঘটা যদি চাইত, আমায় শেষ করে দিতে পারত। কিন্তু সেদিন সে যেন আমায় পথ দেখিয়ে দিল।
বাঘের সংখ্যা আমাদের দেশে বেড়েছে। ২০১৮ সালে আমাদের দেশে বাঘের সংখ্যা ছিল ২৯৬৮টি. ২০২২ সালে সেই সংখ্যাটি হয়েছে ৩৬৮২ টি. ভারতে সুন্দরবন ছাড়াও অন্য যে সব অরণ্যে রয়েল বেঙ্গল টাইগার দেখতে পাওয়া যায়, সেগুলি হল মধ্যপ্রদেশ, কর্নাটক, উত্তরাখন্ড, মহারাষ্ট্র এবং অরুণাচল প্রদেশে। কর্নাটকের বন্দীপুরা ও নাগরহোলে প্রচুর বাঘ রয়েছে তবে তাদের চেয়েও বেশি রয়েল বেঙ্গল টাইগার আছে উত্তরাখণ্ডের জিম করবেট ন্যাশনাল পার্কে। দেশে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের সংখ্যা বাড়তে শুরু করলেও চোরা শিকারিরা এখনো বাঘ হত্যা করে চলেছে। বন দপ্তরের কাছে এই চোরা শিকারিরা আজ একটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে থেকে গিয়েছে।
“ম্যানগ্রোভের ভূত”: সুন্দরবনে এরা ম্যানগ্রোভ পরিবেশে নিজেদের মানিয়ে নিয়েছে, ফলে অত্যন্ত দুর্লভ হয়ে উঠেছে; দ্বীপগুলোর মধ্যে সাঁতার কাটে এবং প্রায়শই জলের মধ্যেই শিকার করে।
জীবাণুনাশক লালা:তাদের লালায় জীবাণুনাশক গুণ রয়েছে, যা তারা চেটে ক্ষত নিরাময়ে ব্যবহার করে।
অনন্য ছদ্মবেশ: তাদের ডোরাকাটা শরীর প্রতিটি বাঘের ক্ষেত্রেই স্বতন্ত্র—কোনো দুটি বাঘের শরীরের নকশা একই রকম হয় না।
বিশাল শ্বদন্ত: সমস্ত বড় বিড়াল প্রজাতির মধ্যে এদের শ্বদন্তই সবচেয়ে লম্বা, যা চার ইঞ্চি পর্যন্ত দীর্ঘ হতে পারে।
একাকী ও রক্ষাকারী: এরা মূলত একাকী জীবনযাপন করে, কেবল প্রজনন বা শাবক লালন-পালনের জন্য মিলিত হয়, তবুও এরা নিজেদের শাবকদের প্রতি অত্যন্ত রক্ষাকারী।
শীর্ষ শিকারীর ভূমিকা: এরা বাস্তুতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য, বন্য শূকর ও হরিণের মতো শিকারের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখে।
প্রাচীন ইতিহাস:চীনে আবিষ্কৃত বাঘের জীবাশ্ম ২০ লক্ষ বছর পুরোনো বলে মনে করা হয়।
বিশাল এলাকা: তারা গাছ ও পাথরের উপর মূত্র এবং কস্তুরী ছিটিয়ে নিজেদের এলাকা চিহ্নিত করে।
সাঁতার কাটার ক্ষমতা:অনেক বিড়ালের মতো নয়, এরা জল ভালোবাসে এবং শিকারের জন্য দীর্ঘ দূরত্ব সাঁতার কাটতে পারে।
বিপন্ন অবস্থা:রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার আইইউসিএন রেড লিস্টে বিপন্ন হিসেবে তালিকাভুক্ত, যার জনসংখ্যার সিংহভাগ ভারতে পাওয়া যায়।
অসামান্য নাইট ভীশন দৃষ্টি : এরা রাতের অন্ধকারেও পরিষ্কার দেখতে পায়।
রয়েল বেঙ্গল টাইগার শুধু শক্তির প্রতীক নয়— এরা প্রকৃতির ভারসাম্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ।”
রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস কি এবার জিততে পারবে ? নাকি বিজেপি গড়বে নতুন সরকার ?
এবং তারপর, (আজ খবর) [রাজনীতি] , ২৪/০৩/২০২৬ : আর কিছুদিন পরেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। আর এই নির্বাচনকে ঘিরে রাজ্যে উত্তেজনার পারদ রোজই চড়তে শুরু করেছে। বিজেপি দাবী করছে যে এবার হারতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস, পরাজিত হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। বিজেপির প্রথম যুক্তিটি হল যেহেতু রাজ্যে এসআইআর করা হয়েছে, তাই তৃণমূল কংগ্রেসকে যে ভুয়ো ভোটাররা এতদিন জিতিয়ে এসেছে তারা আর ভোট দেওয়ার সুযোগই পাবে না। ফলে এবার আর সেভাবে ছাপ্পা ভোটের ভয় নেই। ভোটের ফলাফল শাসক দলের বিরুদ্ধে যাবে।
দ্বিতীয়ত, প্রশাসনিক কাজে তৃণমূলের ফেভারিট আধিকারিকদের অনেককেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের আধিকারিক, আমলা, পুলিশ কর্তাদের কেউ এবার আর শাসক দলকে অতিরিক্ত সুবিধা দিতে পারবে না। তৃতীয়ত, সংখ্যালঘু ভোট এবার আর তৃণমূল দলের সাথে সেভাবে নেই। তৃণমূল দল থেকে বহিস্কৃত বিধায়ক হুমায়ুন কবীর তৃণমূল ছেড়ে নতুন দল ঘোষণা করে ওবেইসির মিম দলের সাথে হাত মিলিয়েছেন, ওদিকে নওয়াজ সিদ্দিকী সাহেবের আইএসএফ দলটি নিজের শক্তি বৃদ্ধি করেছে। সুতরাং সংখ্যালঘু ভোট ভাগ হচ্ছেই। এক্ষেত্রেও তৃণমূলের ভোট কমছে।
চতুর্থত, নির্বাচন কমিশন এবার অনেক বেশি কঠোর। অনেক নতুন নিয়ম এসেছে। একটা বুথে ভোটারের সংখ্যাও সীমিত। এবার মাত্র দুই দফায় ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীও থাকছে পর্যাপ্ত পরিমাণে। তার ওপর সরকারি কর্মী, শিক্ষক সমাজ, চিকিৎসক সমাজ অনেকেই শাসক দলের বিরুদ্ধ মনোভাবাপন্ন হয়ে রয়েছে। রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই বার কয়েক ধাক্কা খেয়েছে হাইকোর্ট আর সুপ্রীম কোর্টে। বিরোধী ইন্ডি জোটের শক্তিও কমেছে। আরজিকর হাসপাতালে অভয়া নিয়েও চূড়ান্ত ক্ষোভ রয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে আরজিকর হাসপাতালেই লিফ্ট কাণ্ড নিয়ে নতুন ঝড় উঠেছে। সব দিক থেকেই এবার নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যথেষ্ট ব্যাকফুটে রয়েছেন।
কিন্তু সত্যিই কি তাই ? বিজেপি কি সত্যিই বুদ্ধির জোরে তৃণমূলকে টেক্কা দিতে পারবে ? জন সমর্থন কি সত্যিই এবার রাজ্যে গেরুয়া শিবিরকেই চাইছে ? রাজ্যে বিজেপির সংগঠন কি সত্যিই এতটা মজবুত যে শেষ হাসিটা হাসতে পারবে পদ্ম শিবির ? আসুন দেখে নিই, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কি কি কারনে তিনি নির্বাচনে জিততে পারেন, আর কি কি কারণে তিনি হারতে পারেন !
প্রথমে দেখে নেওয়া যাক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেস যদি জিতে যায়, তাহলে কোন কোন বিষয় তাদেরকে জিতিয়ে দিতে পারে ?
১. শক্তিশালী গ্রাসরুট সংগঠন (Booth Level Strength)
তৃণমূল কংগ্রেস-এর সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তাদের বুথ-স্তরের সংগঠন। গ্রাম থেকে শহর—প্রতিটি এলাকায় কর্মী নেটওয়ার্ক থাকলে ভোট ম্যানেজমেন্ট সহজ হয়। পশ্চিমবঙ্গে এই নেটওয়ার্ক এখনও অনেক জায়গায় শক্তিশালী।
২. নারী ভোটব্যাঙ্ক (Women Voters)
মমতা সরকারের প্রকল্পগুলো—যেমন:
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার
কন্যাশ্রী
রূপশ্রী
এই স্কিমগুলো নারী ভোটারদের মধ্যে বড় প্রভাব ফেলে। অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনে করেন, নারী ভোটই তৃণমূলের “game changer”।
৩. ওয়েলফেয়ার পলিটিক্স (Direct Benefit Schemes)
ফ্রি রেশন, স্বাস্থ্যসাথী, ছাত্রছাত্রীদের স্কলারশিপ—এইসব সরাসরি সুবিধা ভোটারদের মধ্যে একটা “security feeling” তৈরি করে।যারা সরাসরি সুবিধা পাচ্ছেন, তারা সাধারণত সরকারকে সমর্থন করতে চান।
৪. বিরোধীদের বিভক্তি
প্রধান বিরোধী হিসেবে ভারতীয় জনতা পার্টি থাকলেও—
স্থানীয় স্তরে নেতৃত্ব সমস্যা
কংগ্রেস ও বামেদের সঙ্গে ভোট ভাগ হওয়া
এতে anti-incumbency vote একজোট নাও হতে পারে।
৫. “বাংলা বনাম বহিরাগত” ন্যারেটিভ
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার আঞ্চলিক পরিচয় (Bengali identity) তুলে ধরেন।এই আবেগ অনেক ভোটারকে প্রভাবিত করে, বিশেষ করে গ্রামীণ ও মধ্যবিত্ত অংশে।
৬. ব্যক্তিগত ইমেজ (Strong Leadership Image)
মমতার ইমেজ:
“মাটি থেকে উঠে আসা নেতা”
সরাসরি মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ
অনেক ভোটার এখনও তাঁকে “accessible leader” হিসেবে দেখেন।
৭. সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক
সংখ্যালঘু ভোট পশ্চিমবঙ্গে বড় ফ্যাক্টর।
যদি এই ভোট একদিকে যায়, তাহলে ফলাফল অনেকটাই প্রভাবিত হয়।
৮. নির্বাচনী কৌশল (Campaign Strategy)
Door-to-door campaign
Local issue-based messaging
Social media + ground mix strategy
এই hybrid model এখন বেশ কার্যকর।
তবে জয়ের পথে বাধাও আছে
Balanced analysis হিসেবে বলি—সবকিছু একপাক্ষিক নয়:
দুর্নীতির অভিযোগ (SSC, coal scam ইত্যাদি)
anti-incumbency (দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার ক্লান্তি)
কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত
বেকারত্ব ইস্যু
এগুলো যদি বড় ফ্যাক্টর হয়ে ওঠে, তাহলে ফল বদলাতেও পারে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিততে পারেন যদি:
নারী + সংখ্যালঘু ভোট ধরে রাখতে পারেন
গ্রাসরুট সংগঠন সক্রিয় থাকে
বিরোধীরা একজোট না হয়
কিন্তু ভোটের ফল পুরোপুরি নির্ভর করবে ground sentiment + last-mile campaign execution-এর ওপর .
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে হারতেও পারেন—এটা সম্পূর্ণই নির্ভর করছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নেতিবাচক ফ্যাক্টরের ওপর। বাস্তবভিত্তিকভাবে এগুলো বোঝা জরুরি —
১. Anti-Incumbency (দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার ক্লান্তি)
২০১১ থেকে টানা শাসন করছে তৃণমূল কংগ্রেস।
অনেক ভোটারের মধ্যে “পরিবর্তন চাই” মনোভাব তৈরি হতে পারে গ্রামীণ এলাকায় এই ফ্যাক্টর বেশি কাজ করে
২. দুর্নীতির অভিযোগ (Corruption Factor)
SSC নিয়োগ কেলেঙ্কারি
কয়লা ও গরু পাচার ইস্যু
বিরোধীরা এই ইস্যুগুলোকে বড় করে তুললে “clean image” ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে
৩. কর্মসংস্থান সমস্যা (Unemployment)
যুব সমাজের বড় অংশ চাকরি ও সুযোগ নিয়ে অসন্তুষ্ট।
“চাকরি নেই” ইস্যু যদি ভোটের কেন্দ্রে আসে, সেটা বড় ক্ষতি করতে পারে
৪. আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে অসন্তোষ
কিছু ক্ষেত্রে:
রাজনৈতিক হিংসা
স্থানীয় দাদাগিরি
নারী নিরাপত্তা ইস্যু
এই বিষয়গুলো মিডিয়া ও সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি ছড়ালে negative perception তৈরি হয়
৫. বিরোধীদের শক্তিশালী সংগঠন (Rise of BJP)
ভারতীয় জনতা পার্টি গত কয়েক বছরে বাংলায় সংগঠন অনেক শক্ত করেছে।
যদি তারা:
booth-level শক্তি বাড়ায়
শক্তিশালী মুখ তুলে ধরে
তাহলে সরাসরি প্রতিযোগিতা কঠিন হয়ে যাবে
৬. বিরোধীদের একজোট হওয়া
যদি:
BJP + Congress + Left tacit understanding করে অথবা ভোট বিভাজন কমে যায়
তাহলে anti-TMC vote একত্রিত হয়ে যেতে পারে
৭. গ্রামীণ অসন্তোষ (Rural Distress)
পঞ্চায়েত স্তরে দুর্নীতির অভিযোগ
স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ
গ্রামীণ ভোট swing করলে ফল দ্রুত বদলায়
৮. সংখ্যালঘু ভোটে ভাঙন
তৃণমূলের বড় শক্তি সংখ্যালঘু ভোট।
যদি:
নতুন কোনো দল প্রভাব ফেলে
ভোট ভাগ হয়ে যায়
তাহলে বড় ধাক্কা লাগতে পারে
৯. কেন্দ্রীয় এজেন্সির চাপ
CBI, ED তদন্ত নিয়ে বিরোধীরা narrative তৈরি করে।
এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে “government under pressure” ইমেজ তৈরি হতে পারে
এবার বিজেপি নির্বাচনে জেতার জন্যে মরিয়া প্রচেষ্টা চালাচ্ছে, নিজেদের শাসন ধরে রাখতে বদ্ধ পরিকর তৃণমূল কংগ্রেসও. এরপর আমরা দেখে নেবো কোন জেলার কি কি পরিস্থিতি সাম্প্রতিক অবস্থাকে কতটা চাপে রেখেছে। কোন জেলায় কে এগিয়ে থাকছে, কে কতটা পিছিয়ে থাকছে। (আগামীকাল)
“সব ফেভারিট অফিসার আর ভুয়ো ভোটারদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে “
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], খড়গপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২৪/০৩/২০২৬ : পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুর থেকে নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থ দিলীপ ঘোষ প্রশ্ন তুলেছেন ‘মুখ্যমন্ত্রী কেন এতটা ভয় পেয়েছেন ? কেন তিনি এতটা শংকিত ভোট নিয়ে ?’
দিলীপ ঘোষ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আজ তীব্র কটাক্ষ করে বলেছেন, “যে ফেক ভোটারদের ওপর ভরসা করে তৃণমূল কংগ্রেস এতো ধমক চমক দিতো, তাদেরকে বের করে দেওয়া হয়েছে। আর সেই ভুয়ো সমর্থন নেই, তাই ভোটের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এতটা শঙ্কিত হয়ে উঠেছেন, এতো ভয় পাচ্ছেন। তাঁর ভয় পাওয়াটা স্বাভাবিক।”
দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফেভারিট অফিসারদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাঁর ভুয়ো ভোটাররাও এখন আর নেই। এই কারণেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ এতটা ভীত হয়ে উঠেছেন। এই নির্বাচনে তিনি একেবারে অসহায় হয়ে পড়েছেন।”
এবারে পশ্চিমবঙ্গে আর আট দফায় ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে না. মাত্র দুই দফায় ভোট হতে চলেছে। প্রথম দফার ভোট হবে ২৩ তারিখে এবং দ্বিতীয় দফার ভোট হবে এপ্রিল মাসের ২৯ তারিখে আর মে মাসের ৪ তারিখে হবে গণনা।
মেষ রাশি : সবরকম নেশা বর্জন করলে উন্নতি হবে। আজ আর্থিক উপার্জন নিশ্চিত রয়েছে। সঞ্চয় মনোযোগী হন। আজ দূর থেকে আপনার ঠিকানায় কোনো খুশির খবর আসতে চলেছে। যা আপনার গোটা পরিবারকেই আনন্দ দেবে। কর্মক্ষেত্রে কাজে গতি আসবে। বিবাহিত জীবন ভালো কাটবে।
বৃষ রাশি : যে কাজটা ভালো পারেন সেই কাজেই মন দিন. সাফল্য আসবে। আজ আর্থিক দুশ্চিন্তা বাড়বে। কর্মক্ষেত্রেও সাবলীলভাবে কাজ করে উঠতে পারবেন না। কে আপনার ক্ষতি করতে পারে তা বুঝে নিতে হবে।আজ নিজেকে যেমন সময় দিতে হবে, তেমন পরিব্বারকেও সময় দিতে হবে।
মিথুন রাশি : বন্ধুরা আজ আপনার সহায়ক থাকবে এবং আপনাকে নানাভাবে সাহায্য করবে। বাড়িতে কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করলে বেশ কিছু অর্থ ব্যয় হয়ে যাবে। আর্থিক বিষয়টি নিয়ে চিন্তায় থাকবেন। বিবাহিত সঙ্গী আজ নিকট বন্ধুর মত ব্যবহার করবে। সর্বোপরি একটা ভালো দিন কাটবে।
কর্কট রাশি : পরিবারের সাথে আজ বেশি সময় কাটাতে পারলে নিজেকে অনেকটা হালকা লাগবে, তাদের সাথে নিজের সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনা করলেও সমাধান পাওয়া যেতে পারে। কোথাও অর্থ লগ্নীর আগে সঠিক পরামর্শ নেওয়া উচিত হবে। কর্মক্ষেত্রে প্রশংসা পাবেন, বিবাহিত জীবন সুখের।
সিংহ রাশি : আজ আপনার হাতে অর্থ আসতে পারে, কিন্তু সেই ব্যাপারে বাবা বা মায়ের সাথে আলোচনা করে নিন. আর্থিক দিক থেকে আজ একটা মিশ্র দিন. কঠোর পরিশ্রমের পাশাপাশি নিজের বুদ্ধি ও বিবেচনার ওপর ভরসা করতে হবে. মাথা ঠান্ডা রাখুন। আকস্মিক সফরের জন্যে তৈরী থাকুন।
কন্যা রাশি : আজ আপনার আর্থিক উন্নতি নিশ্চিত। ধূমপানের মত নেশা থেকে দূরে থাকুন। দূর থেকে কোনো খুশির খবর আসতে চলেছে আপনার কাছে, যা গোটা পরিবারকেই আনন্দ দেবে। কর্মক্ষেত্রে কাজে গতি আসবে। প্রেমের ক্ষেত্র অত্যন্ত ভালো। বিবাহিতা জীবন খুশিতে ভরে থাকবে।
তুলা রাশি : আজ আপনাকে সীমিত খরচের মধ্যেই চালাতে হবে. আর্থিক ক্ষেত্র বেশ দুর্বল। তাই উপার্জন কম হবে। গুরুজনের সাথে বিতর্কে যাবেন না, তাঁদের সাথে মুখ সামলে কথা বলুন। আপনি তাঁদেরকে শ্রদ্ধা করেন সেটাই বোঝাবার চেষ্টা করুন। জীবন সঙ্গীও আপনাকে ভুল বুঝতে পারে।
বৃশ্চিক রাশি : কাছেপিঠে কোথাও আপনি যেতেই পারেন তবে বেড়াতে যাওয়া উচিত হবে না. আজ নতুন কোনো সূত্র থেকে আর্থিক উপার্জনের সম্ভাবনা আছে. কোনো সুযোগকেই হাতছাড়া করবেন না। কোনো ধর্মস্থানে যেতে পারেন। বিবাহিত জীবন সুখে কাটবে। আজ বিনিয়োগের ঝুঁকি নেবেন না।
ধনু রাশি : যোগ ব্যায়াম করে শরীরকে সুস্থ রাখুন। গহনা বা ঘরোয়া কোনো আসবাব কিনতে গিয়ে আজ অনেকটা অর্থ ব্যয় হতে পারে। যাকে এতদিন আপনি শত্রু বলে চিনতেন, আজ সেই আপনার ভালো বন্ধু হিসেবে পরিচিত হবে। দিনের শেষে আর্থিক উপার্জনের যথেষ্ট সম্ভাৱনা রয়েছে।
মকর রাশি : আজ আপনার পারিবারিক কৃতিত্বের দিন, সন্তানের কৃতিত্বে খুশি হবেন। ভাইয়ের সাহায্য পাবেন। আজ বেশ কিছু অর্থ আপনি খরচ করতে বাধ্য হবেন। আজ ব্যবসায়ীদের ভালো দিন, প্রভূত অর্থাগম হতে পারে। বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বাইরে যেতে হতে পারে। বিবাহিত জীবন সুখে কাটবে।
কুম্ভ রাশি : মানসিক চাপ সামলাতে আজ অনেক পদক্ষেপ নিতে হতে পারে। আপনি আধ্যাত্মিক প্রচেষ্টাও অবলম্বন করে দেখতে পারেন, তাতে শান্তি পাবেন। কিছুটা সময় ধ্যান করুন। নিজের ওপর ভরসা রাখুন, অর্থ উপার্জনের একাধিক সুযোগ আসবে, সেগুলিকে যেতে দেবেন না। রাতে বিশ্রাম নিন
মীন রাশি : নিজের মানসিক দ্বন্দকে পরাজিত করুন, আত্মবিশ্বাসের সাথে কাজ করুন, মনের মধ্যে ভয়কে ঠাঁই দেবেন না. মানসিক চাপ স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে। আজ উপার্জন যেমন হবে তেমন খরচও হয়ে যাবে সমান তালে, তাই সঞ্চয় তেমন হবে না। বেড়াতে যাওয়া পণ্ড হতে পারে শারীরিক কারণে। বিবাহিতা জীবন সুখে কাটবে।