আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, ০৮/০৪/২০২৫ :পেলিং থেকে শিলিগুড়ি ফেরার পথে গাছ ভেঙে পরলো পর্যটকদের গাড়ির উপর।
পেলিং থেকে শিলিগুড়ি ফেরার পথে একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে, যখন হঠাৎ করে একটি গাছ পর্যটকদের গাড়ির উপর ভেঙে পড়ে। এতে বেশ কয়েকজন পর্যটক আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আবহাওয়া খারাপ ছিল না, তবে তবুও কেন গাছটি ভেঙে পড়ল তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।
ঘটনাটি ঘটার পর স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করেন। তবে এখনও জানা যায়নি, মোট কতজন পর্যটক জখম হয়েছেন বা গাড়িটিতে কতজন ছিলেন। গাছটি ভেঙে পড়ার কারণে সড়কটি কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়, ফলে যান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কিছুক্ষণ পর সড়কে যান চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক হয়।
জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়িতে রাম নবমীর মিছিলের পরের দিনই বড়সড় ভাঙ্গন দেখা দিলো বিজেপিতে। ১৬ নং ওয়ার্ডে প্রায় শতাধিক বিজেপি কর্মী সমর্থক তৃণমূল বিধায়কের হাত ধরে যোগদান করলেন তৃনমূল কংগ্রেসে।
উপস্থিত ছিলেন ধুপগুড়ির বিধায়ক ড: নির্মলচন্দ্র রায়, তৃণমূল নেতা রাজেশ কুমার সিং সহ অন্যান্য তৃণমূল নেতা কর্মীরা। যোগদান শিবিরে উপস্থিত প্রত্যেকেই তৃণমূলের নাম স্লোগান দিতে শুরু করেন।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ] শ্রীনগর, জম্মু ও কাশ্মীর, ০৮/০৪/২০২৫ : পার্লামেন্ট থেকে পাস্ হওয়ার পর ওয়াকফ বিল আইন নিয়ে অশান্ত হয়ে উঠল জম্মু ও কাশ্মীরের বিধানসভা। এতটাই অশান্ত হয়ে উঠল যে আধ ঘন্টার জন্যে সভা মুলতুবি রাখতে হল।
জম্মু ও কাশ্মীর বিধানসভায় পিপলস ডেমোক্রেটিভ পার্টি, আওয়ামী ইত্তেহাদ পার্টি সহ বিরোধী দলগুলি ওয়াকফ আইন নিয়ে আলোচনার জন্যে এডজার্ন মোশন ডাকতে চায়। কিন্তু ৫৮ ধারা অনুযায়ী স্পিকার তা খারিজ করে দেন। এরপর পিডিপির বিধায়ক ওয়াহিদ পারাকে মার্শাল দিয়ে বাইরে বের করে দেওয়া হয়।এর আগে অন্তত ২০ জন বিধায়ক ওয়াকফ আইন নিয়ে আলোচনা করতে চেয়েছিলেন।
৫৮ ধারা অনুযায়ী কোনো বিল যদি আদালতে বিচারাধীন হয়, তাহলে সেটা নিয়ে বিধানসভায় আলোচনা করা যাবে না। ওয়াকফ বিল নিয়ে ইতিমধ্যেই AIMIM সহ দেশের অন্যান্য বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি সুপ্রীম কোর্টে বিচারের জন্যে আবেদন জানিয়েছে। সেই কারনে বিধানসভায় এই বিল নিয়ে আলোচনা করতে দেন নি স্পিকার। কিন্তু এরপরেই ওয়াকফ বিল নিয়ে আলোচনার প্রেক্ষিতে বিধানসভা কক্ষের মধ্যেই বাকবিতন্ডা শুরু হয়ে যায়। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে জম্মু ও কাশ্মীরের বিধানসভা।
আজ খবর (বাংলা), [বিনোদন], নতুন দিল্লী, ভারত, ০৮/০৪/২০২৫ : রেশম তলোয়ার সর্বদাই কন্ঠস্বরের শক্তিতে বিশ্বাস করতেন। একজন দৃষ্টিহীন শিল্পী হিসেবে তিনি জানতেন যে, তাঁর কন্ঠস্বর শব্দের চেয়েও বেশি কিছু বহন করে। এতে আবেগ, অভিব্যক্তি এবং চরিত্রগুলিকে জীবন্ত করে তোলার ক্ষমতা রয়েছে। তিনি প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে কন্ঠস্বরের মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক জগতে নিজের স্থান তৈরি করে নিয়েছেন।
দিল্লিতে আয়োজিত ওয়েভস্ অ্যানিমি অ্যান্ড ম্যানগা কন্টেস্ট (ডব্লিউএএম) – এ ভয়েস অ্যাক্টিং বিভাগে জয়লাভ করেছেন তিনি। প্রমাণ করে দিয়েছেন যে, শিল্পী সত্ত্বা যে কোনও বাধা অতিক্রম করতে পারে। রেডিও জকি, ভয়েস ওভার এবং অডিও এডিটিং – এ রেশম তাঁর দক্ষতা ইতিমধ্যে প্রমাণ করেছেন। ডব্লিউএএম-তে জয়লাভ তাঁকে আরও বড় মঞ্চ করে দিয়েছে। তাঁর প্রতিভা শিল্প নেতৃত্বদের কাছে প্রশংসিত হয়েছে। এর থেকে বোঝা যায়, ডব্লিউএএম শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়, সৃজনশীল প্রতিভা তুলে ধরার মাধ্যম।
মিডিয়া অ্যান্ড এন্টারটেইনমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া (এমইএআই)এর সহযোগিতায় কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক ম্যানগা অ্যান্ড অ্যানিমি ক্ষেত্রে উৎসাহ যুগিয়েছে। এর লক্ষ্যই হ’ল – ভারতের উদীয়মান প্রতিভাকে তুলে ধরা, যাতে এক্ষেত্রে স্রষ্ঠারা তাঁদের প্রতিভা প্রদর্শনের সুযোগ পান। ১১টি শহরে রাজ্যস্তরের এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে, যার সমাপ্তি ঘটবে মুম্বাইয়ের জিও ওয়ার্ল্ড সেন্টারে পয়লা থেকে ৪ মে আয়োজিত ওয়ার্ল্ড অডিও ভিজ্যুয়াল এন্টারটেইনমেন্ট সামিট (ওয়েভস্) ২০২৫ – এর মধ্য দিয়ে। ম্যানগা হ’ল – এক ধরনের কমিক বই বা গ্রাফিক উপন্যাস, যা জাপানে শুরু হয়েছিল। ম্যানগা’কে যা বিশেষ করে তোলে তা হল এর চরিত্রগুলি। আর অন্যদিকে, অ্যানিমি হ’ল – ম্যানগা’কে জীবন্ত করে তোলার মতো কার্টুন সংস্করণ, যা পর্দায় দেখা যায়। ভারতে গত ১০ বছরে ম্যানগা ও অ্যানিমি ক্রমশই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। দেশে প্রায় ১৮০ মিলিয়ন অ্যানিমি ভক্ত রয়েছেন। ভারত হল চীনের পরেই বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অ্যানিমি বাজার। নারুতো, ড্রাগন বল, ওয়ান পিস, অ্যাটাক অন টাইটান এবং মাই হিরো অ্যাকাডেমিয়ার মতো অনুষ্ঠানগুলি ব্যাপক জনপ্রিয়। ভারত জুড়ে এর বিপুল অনুরাগী রয়েছেন। ২০২৩ সালে ভারতে অ্যানিমির বাজার মূল্য ছিল ১,৬৪২.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০৩২ সালের মধ্যে তা বেড়ে ৫০৩৬.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছবে। নেটফ্লিক্স, অ্যামাজন প্রাইম ভিডিও, ডিজনি প্লাস হটস্টার – এর মতো প্ল্যাটফর্মগুলি ভারতীয় দর্শকদের জন্য অ্যানিমি দেখা সহজ করে তুলেছে।পাশাপাশি ম্যানগা খুব সহজেই পাওয়া যায় অ্যামাজন ও ফ্লিপকাটের মতো ই-বাণিজ্যিক প্ল্যাটফর্মগুলিতে।
বারাণসীর এক ছাত্রী অ্যাঞ্জেল যাদব ডব্লিউএএম বারাণসীতে ম্যানগা বিভাগে যেভাবে তাঁর সৃজনশীল প্রতিভা তুলে ধরেছেন, তা বিচারকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। তাঁর শিল্পকর্ম কলকাতার বৈভবী স্টুডিও-কে এতটাই মুগ্ধ করেছিল যে, তারা তাঁকে চাকরির প্রস্তাব দিয়েছিল। এর পাশাপাশি, ভুবনেশ্বর ডব্লিউএএম – এ পেশাদার ম্যানগা শিল্পী রণদীপ সিং – এর কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা যায়। এর থেকে বোঝা যায় যে, ডব্লিউএএম কিভাবে জীবন বদলে দিচ্ছে এবং এখানে অংশগ্রহণকারীরা প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ব বাজারে নিজেদের প্রতিভা বিকাশে সুযোগ পাচ্ছেন।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ০৮/০৪/২০২৫ : মহিলাদের শিক্ষা, দক্ষ করে তোলা এবং কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে কেন্দ্র সরকারের অবিরত উদ্যোগের ফলে মহিলাদের সামনে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। আরও বেশি সংখ্যায় এখন ঘরে-বাইরে লাভজনক কাজে তাঁরা যুক্ত হতে পারছেন। গত কয়েক দশকে নিউক্লিয়ার ফ্যামিলির দ্রুত বৃদ্ধি ঘটেছে। ফলে কর্মরতা মহিলারা যাঁরা আগে যৌথ পরিবারের সাহায্য পেতেন, সন্তানদের ভালো যত্ন এবং সুরক্ষার জন্য তাঁদের এখন ডে-কেয়ার সার্ভিসের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। পালনা কর্মসূচির মাধ্যমে ডে-কেয়ার ক্রেশের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
২০২২-এ তদানীন্তন ন্যাশনাল ক্রেশ স্কিম পুনর্গঠিত হয় এবং তার নাম দেওয়া হয় পালনা কর্মসূচি, মিশন শক্তির সামর্থ্য উপকর্মসূচির অধীনে। কেন্দ্রীয় সরকারি পালনা কর্মসূচি ঠিক মতো রূপায়িত হচ্ছে কি না, তার দেখভাল করার দায়িত্ব থাকে রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির ওপর। ৬০ শতাংশ অর্থ দেয় কেন্দ্র এবং ৪০ শতাংশ অর্থ দেয় কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি। উত্তরপূর্ব এবং বিশেষ শ্রেণীর রাজ্যগুলির ক্ষেত্রে এই অনুপাত ৯০:১০। বিধানসভা নেই এমন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির ক্ষেত্রে কেন্দ্র পুরোপুরি ১০০ শতাংশ আর্থিক সাহায্য দিয়ে থাকে।
পালনা কর্মসূচির লক্ষ্য, ৬ মাস থেকে ৬ বছর বয়সী শিশুদের জন্য সুরক্ষিত নিরাপদ পরিবেশ দেওয়া, পুষ্টির ব্যবস্থা করা, স্বাস্থ্য এবং সার্বিক বিকাশে সাহায্য করা এবং বৃদ্ধির প্রতি নজর রাখা ও টিকাকরণের ব্যবস্থা করা। মা যে কোনো কাজেই যুক্ত হন না কেন, পালনায় ক্রেশের সুবিধা তিনি পাবেন।
যে প্রধান পরিষেবাগুলি দেওয়া হয়ে থাকে, সেগুলি হল-
ডে-কেয়ারের সুবিধা, যার মধ্যে থাকবে শয়নের ব্যবস্থা ৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য আগাম উদ্দীপনা কার্যাবলী ৩-৬ বছর বয়সী শিশুদের জন্য বিদ্যালয়-পূর্ব শিক্ষাদান স্থানীয় স্তরে অতিরিক্ত পুষ্টির ব্যবস্থা বৃদ্ধির প্রতি নজর রাখা, স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং টিকাকরণ
চাইল্ড কেয়ার সুবিধার সুযোগ বৃদ্ধি করার অঙ্গ হিসেবে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রক মাতৃত্বকালীন সুবিধা আইন সংশোধন করে ৫০ অথবা অধিক কর্মচারী আছে এমন সকল প্রতিষ্ঠানের জন্য ক্রেশের সুবিধা রাখা বাধ্যতামূলক করেছে।
দু-ধরনের ক্রেশ আছে। শুধুমাত্র ক্রেশ অর্থাৎ যেগুলি স্ট্যান্ড অ্যালোন ক্রেশ এবং অঙ্গনওয়াড়ী-কাম-ক্রেশ(এডাব্লুসিসি)। মিশন শক্তির নীতি-নির্দেশিকা অনুযায়ী স্ট্যান্ড অ্যালোন ক্রেশের জন্য একজন কর্মী এবং একজন সহায়ক রাখার সংস্থান আছে। তেমনই এডাব্লুসিসি-র জন্য ইতিমধ্যে কর্মরত অঙ্গনওয়াড়ী কর্মী এবং সহায়কদের পাশাপাশি একজন ক্রেশ সহায়ক এবং একজন ক্রেশ কর্মী রাখার সংস্থান করা হয়েছে। নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রক পালনা কর্মসূচিতে ২০২৪-২৫-এ ১৭০০০টি নতুন অঙ্গনওয়াড়ী কাম ক্রেশ স্থাপনের লক্ষ্য নিয়েছে। ২০২৫-এর মার্চ পর্যন্ত ৩৪টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ১১৩৯৫টি এডাব্লুসিসি-র অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
অঙ্গনওয়াড়ী কর্মীদের তত্ত্বাবধানে ক্রেশ কর্মীরা নজর রাখবেন শিশুদের ঘুম ও বিশ্রামের ওপর। ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করবেন। শিশুদের পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস তৈরি করতে প্রশিক্ষণ দেবেন, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করবেন এবং আশা, এডাব্লুডাব্লু, প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র, এডাব্লুসি-র সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন। খাবার স্বাস্থ্যকরভাবে ও বয়স অনুযায়ী রান্না হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করবেন। শিশুদের খেলনা দেওয়ার আগে তার গুণমান পরীক্ষা করবেন বিধি অনুযায়ী।
২০২৫-এর ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১,৭৬৭টি এডাব্লুসিসি কাজ করছে। বর্তমান সুবিধাপ্রাপকদের সংখ্যা ২৮,৭৮৩। এর পাশাপাশি ১,২৮৪টি স্ট্যান্ড অ্যালোন ক্রেশ আছে দেশজুড়ে যার বর্তমান সুবিধাপ্রাপকের সংখ্যা ২৩,৩৬৮।
মিশন শক্তির নীতি নির্দেশিকা অনুযায়ী স্থানীয় প্রয়োজন অনুসারে ক্রেশের সময় নির্ধারণ করতে হবে। মাসের মধ্যে ২৬ দিন খুলে রাখতে হবে। এলাকার বেশিরভাগ মায়ের কাজের নির্ঘণ্ট অনুযায়ী দৈনিক সাড়ে ৭ ঘণ্টা খোলা রাখতে হবে।
ক্রেশ কর্মী এবং ক্রেশ সহায়িকাদের সাম্মানিক দেওয়া হয়ে থাকে। স্ট্যান্ড অ্যালোন ক্রেশের ক্ষেত্রে ক্রেশ কর্মীদের ৬৫০০ টাকা, সহায়কদের ৩২৫০ টাকা এবং এডাব্লুসিসি-র ক্ষেত্রে ক্রেশ কর্মীদের ৫,৫০০ টাকা এবং ক্রেশ সহায়কদের ৩০০০ টাকা সাম্মানিক দেওয়া হয়ে থাকে। এক একটি ক্রেশে অন্যূন ২৫ জন শিশু রাখা যেতে পারে। শিশুদের বাড়ির কাছে অথবা মায়েদের কর্মস্থলের কাছাকাছি ক্রেশের অবস্থান হওয়া বাঞ্ছনীয়।
৬ মাস থেকে ৬ বছর পর্যন্ত শিশুদের উপযুক্ত পরিবেশ দিতে পালনা কর্মসূচি শিশুদের সার্বিক যত্ন, পুষ্টি, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করে। একাধিক মন্ত্রকের সহযোগিতা এবং স্থানীয় প্রয়োজনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার বিষয়টি থাকায় পালনা স্বাস্থ্যকর, আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং লিঙ্গ সংবেদনশীল কর্মসূচি।
আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক], নতুন দিল্লী, ভারত, ০৮/০৪/২০২৫ : কেন্দ্রীয় অর্থ ও কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রী শ্রীমতী নির্মলা সীতারমন আজ ৮-১৩ এপ্রিল ব্রিটেন এবং অস্ট্রিয়ায় সরকারি সফরে গেলেন। শ্রীমতী সীতারমনের দুটি দেশেই মন্ত্রিপর্যায়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা।
সফরে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ইন্ডিয়া-ইউকে ইকোনমিক অ্যান্ড ফিনান্সিয়াল ডায়ালগের ত্রয়োদশ মন্ত্রিপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেবেন। কথা বলবেন ব্রিটেন এবং অস্ট্রিয়ার বিনিয়োগকারী, বুদ্ধিজীবী এবং বাণিজ্য প্রতিনিধিদের সঙ্গে।
ইন্ডিয়া-ইউকে ইকোনমিক অ্যান্ড ফিনান্সিয়াল ডায়ালগের ত্রয়োদশ পর্ব অনুষ্ঠিত হবে ৯ এপ্রিল ২০২৫। যৌথ সভাপতিত্ব করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী এবং ব্রিটেনের চ্যান্সেলর অফ দ্য এক্সচেকার।
দুই দেশের মধ্যে ত্রয়োদশ ইকোনমিক অ্যান্ড ফিনান্সিয়াল ডায়ালগ একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক মঞ্চ যেখানে মন্ত্রি পর্যায়ে, আধিকারিক পর্যায়ে কর্মীগোষ্ঠীর মধ্যে বিশেষ আলোচনার সুযোগ হয়। এছাড়া বিনিয়োগ, আর্থিক পরিষেবা, আর্থিক বিধি, ইউপিআই আন্তঃসংযোগ, কর এবং অবৈধ আর্থিক লেনদেন সহ আর্থিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নিয়ামক কর্তৃপক্ষের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হয়। এবারের আলোচনায় জোর দেওয়া হবে আইএফএসসি গিফ্ট সিটি, বিনিয়োগ, বিমা ও অবসরভাতা, ফিনটেক এবং ডিজিটাল অর্থনীতি ক্ষেত্রে সহযোগিতা নিয়ে।
কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ভারত-ব্রিটেন বিনিয়োগকারী গোল টেবিল বৈঠকে মুখ্য ভাষণ দেবেন। এছাড়া ব্রিটেনের বাণিজ্য মন্ত্রীর সঙ্গে তিনি সিটি অফ লন্ডনের সহযোগিতায় গোল টেবিল বৈঠকে পৌরোহিত্য করবেন।
সফরের পরবর্তী পর্যায়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অস্ট্রিয়ার শীর্ষস্থানীয় সরকারি নেতাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। যার মধ্যে আছেন অস্ট্রিয়ার অর্থমন্ত্রী এবং ফেডারেল চ্যান্সেলার। এর পাশাপাশি অস্ট্রিয়ার প্রধান সিইও-দের সঙ্গে একটি বৈঠকে অস্ট্রিয়ার অর্থনীতি, শক্তি ও পর্যটন মন্ত্রীর সঙ্গে যৌথভাবে শ্রীমতী সীতারমন পৌরোহিত্য করবেন।
আজ খবর (বাংলা), [খেলা] মুম্বই , মহারাষ্ট্র, ০৮/০৪/২০২৫ : আইপিএল এলেই জ্বলে ওঠেন পেসার ভুবনেশ্বর কুমার। রয়াল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর হয়ে খেলতে নেমে বল হাতে তিনি আইপিএলে সব থেকে বেশি উইকেট নেওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্র্যাভোকেও টপকে গেলেন।
মুম্বাই ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে দর্শকরা দেখলেন, যে ম্যাচ আরসিবির থেকে দূরে সরে যাচ্ছিল, সেই ম্যাচেই মহা মূল্যবান উইকেটটি ঠিক সময়ে তুলে নিলেন ভুবনেশ্বর কুমার। গোটা ম্যাচে ভুবি ৪৮টা রান দিয়েছে ঠিকই, কিন্তু মুম্বইয়ের হয়ে যে তিলক ভার্মা ম্যাচটাকেই পকেটে পুরে নিয়ে চলে যাচ্ছিল, সেই তিলক ভার্মার মহামূল্যবান উইকেটটি চুপচাপ তুলে নিল ভুবনেশ্বর কুমার।
গতকাল রয়াল চ্যালাঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর সাথে ম্যাচে টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ফিল্ডিং নিয়েছিল। ব্যাট হাতে খেলতে নেমে বিরাট কোহলি ৪২ বলে ৬৭ রান করেন (তাঁর ইনিংসে ছিল ২টো ছক্কা আর ৮টা চার), দেবদূত পাদিক্কাল তোলেন ২২ বলে ৩৭ রান (২ টো চার, ৩টি ছক্কা), রজত পাটিদার ৩২ বলে ৬৪ রান তোলেন (৫টা চার, ৪টি ছক্কা), জিতেশ শর্মা তোলেন ১৯ বলে ৪০ রান (২ টো চার, ৪টা ছক্কা), তিনি অপরাজিত থেকে যান। ব্যাঙ্গালুরুর মোট রান গিয়ে দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ২২১। মুম্বইয়ের হয়ে এদিন বল হাতে হার্দিক পান্ডিয়া ৪৫ রান দিয়ে ২ উইকেট, বোল্ট ৫৭ রান দিয়ে ২ উইকেট এবং ভিগনেস পুটুর একটি উইকেট পান।
রান তাড়া করতে গিয়ে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ১২ ওভারে ৯৯ রান তোলে, কিন্তু ৪টি উইকেট হারায়। ঠিক এই সময় তিলক ভার্মা ব্যাট হাতে ঝড় তুলে মুম্বইকে আশার আলো দেখাতে থাকেন, তিনি ৪টি চার ও ৪টি ছক্কার সাহায্যে ২৯ বলে ৫৬ রান তোলেন। তাঁর ঝোড়ো ব্যাটের দাপট দেখে মনে হচ্ছিল ম্যাচটাই বুঝি তিনি পকেটে করে নিয়ে চলে যাবেন। ঠিক এই সময় তাঁর মহামূল্যবান উইকেটটি তুলে নেন ভুবনেশ্বর কুমার। ভার্মা ছাড়া মুম্বইয়ের হার্দিক পান্ডিয়া খুবই ভালো খেলেছেন, তিনি ৩টি চার ও ৪টি ছক্কার মাধ্যমে মাত্র ১৫ বলে ৪২ রান তুলেছেন।
এদিন ব্যাঙ্গালুরুর হয়ে ক্রোনাল পান্ডিয়া ৪৫ রান দিয়ে ৪ উইকেট পেয়েছেন, জোস হ্যাজেলউড ৩৭ রান দিয়ে ২টি উইকেট পেয়েছেন এবং ভুবনেশ্বর কুমার ৪৮ রান দিয়ে ১টি উইকেট পেয়েছেন তবে সেটাই সবচেয়ে মূল্যবান উইকেট, যার ওপর ভর করে মুম্বই এক সময় জেতার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ব্যাঙ্গালুরুর কাছে তাদের ১২ রানে হার স্বীকার করতে হল। আরসিবি ৩টি ম্যাচ জিতে (তিনটিই এওয়ে ম্যাচ) এবং ৪টি ম্যাচে হেরে এই মুহূর্তে টেবিলের ৩ নম্বরে রয়েছে। সেখানে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স মোট ৮টি ম্যাচ খেলে ১টিতেই জিতেছে, বাকি ম্যাচগুলিতে হেরেছে, তারা এখন টেবিলের ৮ নম্বরে রয়েছে।
বিজেপি বিধায়ক দীপক বর্মন বলেন,২০১৮ সালের কেস। ৭/৮ বছর হয়ে গেছে। সমস্ত মিথ্যা অভিযোগ থেকে মুক্ত হলাম। বিচারপতি আজ জানালেন এই কেস থেকে আপনারা মুক্ত। তিনি বলেন,আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল টাকা লুঠ, শ্লীলতাহানি ও অস্ত্র হাতে হামলার অভিযোগ।তার সাফ কথা ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। নিশ্চয় মুক্ত হলাম। ভালো লাগছে।
এ ব্যাপারে তৃনমূল নেতা মৃদুল গোস্বামী বলেন, তৃনমূল কে কেন জড়ানো হল বুঝলাম না। ব্লক সভাপতি, পঞ্চায়েত, দলের কোন নেতৃত্ব অভিযোগ করেছিল? প্রশ্ন তোলেন তৃনমূল নেতা মৃদুল গোস্বামী। তিনি আর ও বলেন, এটা সাধারন মানুষ অভিযোগ করেছিলেন। দলের কোন নেতা অভিযোগ করেন নি। এটা পলিটিক্যাল ব্যাপার নয়। অনেক কেস আদালতে বেকসুর খালাস হয় । তিনি প্রশ্ন তোলেন অভিযোগ কারী কে? তখন তো আমি তৃনমূলের সভাপতি ছিলাম। আমাদের দলের কেউ জড়িত নয়।
এদিকে এটি হাস্যকর কেস বলে আখ্যা দেন দীপক বাবুর আইনজীবী ভাস্কর দে
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা , পশ্চিমবঙ্গ, ০৭/০৪/২০২৫ : বিধানসভার বাইরে রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা অধিকারী।
উপস্থিত সাংবাদিকদের শুভেন্দু বলেন, ” নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে মাত্র সাত হাজার চাকরিহারা শিক্ষকদের ডেকেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাকিদের আর ডাকেন নি, ভিতরেও ঢুকতে দেওয়া হয় নি। তার মানে এই সাত হাজার শিক্ষকদেরকে মমতা যোগ্য বলে মনে করছেন। আর বাকিরা অযোগ্য ! কাদাপাড়ার পার্টি অফিস থেকে এই শিক্ষকদের ভিতরে প্রবেশ করার পাস্ জোগাড় করতে হয়েছে। নেতাজি ইনডোরে শিক্ষক ছাড়াও বাকিরা যারা আছে তারা হল সাদা পোশাকের পুলিশ।আর যারা বসে আছে, তারা সাদা পোশাকের পুলিশ। তারা আছে মুখ্যমন্ত্রীকে রক্ষা করতে। স্টেডিয়ামের অনেক আসন ফাঁকাই পড়ে আছে।”
শুভেন্দু বলেন, “২০২২ সালে বিচারপতি অভিজিৎ গাঙ্গুলি পাঁচ-সাড়ে পাঁচ হাজার শিক্ষাকর্মী অযোগ্য বলেছিলেন। সেই সময় যদি সেই অনুযায়ী রাজ্য সরকার অযোগ্যদের তালিকা আদালতে পেশ করত তাহলে আজ আর এই দিন দেখতে হত না। মাত্র পাঁচ- সাড়ে পাঁচ হাজার লোকের চাকরি যেত, সেই সময় রাজ্য সরকার ইগো দেখিয়ে বসে রইল। যোগ্য অযোগ্যদের তালিকা দিল না আদালতকে। তারই পরিণামে আজ এই অবস্থা তৈরি হয়েছে। শিক্ষকদের এই পরিস্থিতির জন্যে রাজ্য সরকারই দায়ী। “
শুভেন্দু আরও বলেন, “শিক্ষা ক্ষেত্রে কে কত টাকা খেয়েছে, তা প্রকাশ হয়ে যেতে বসেছে। ৭২ মিনিটের ফুটেজ সিবিআইয়ের কাছে আছে. সেখানে সুজয় কৃষ্ণ ভদ্র সব কিছুই বলেছেন। লিপ্স এন্ড বাউন্ড কোম্পানির ডিরেক্টর কে বা কারা সব কিছুই প্রকাশ্যে এসে যাবে। “
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], জলপাইগুড়ি, পশ্চিমবঙ্গ, ০৭/০৪/২০২৫ : দক্ষিণ কলকাতায় যখন চাকরিহারাদের আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তখন উত্তর বঙ্গের জলপাইগুড়িতে তাঁর ওপরেই অবিশ্বাস বাড়িয়ে আন্দোলনে নামলেন চাকরিহারারা। দক্ষিণে আশ্বাস, উত্তরে অবিশ্বাস চাকরিহারাদের।
জলপাইগুড়িতে মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগের দাবিতে চলা অবস্থান বিক্ষোভ মঞ্চে যোগ দিলেন সদ্য চাকরি হারা শিক্ষকরা।
সোমবার জলপাইগুড়ি জেলা কংগ্রেস এবং সদর ব্লক কংগ্রেস কমিটির পক্ষ থেকে জেলা স্কুল পরিদর্শক কার্যালয় চত্বরে শুরু হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগের দাবিতে অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি।
এবার সেই আন্দোলনে সামিল হতে দেখা গেলো সদ্য চাকরি হারানো শিক্ষকদেরকে। এই প্রসঙ্গে চাকরি হারানো শিক্ষক দেব প্রিয় সাহা হতাশার সুরে বলেন, “আজকে কলকাতায় ইনডোর স্টেডিয়ামে চাকরি হারানো শিক্ষকদের সাথে মমতা বন্দ্যোপধ্যায়ের যে সভা রয়েছে সেই সভায় মুখ্যমন্ত্রী যাই বলুন, ওনার ওপর এর আমরা আর আস্থা রাখতে পারছি না। আর সেই কারণেই যাই নি কলকাতায়, কারন এর আগেও উনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, অথচ যোগ্য অযোগ্য দের পৃথক করার যে কথা বার বার কলকাতা হাই কোর্ট বলেছিল সেটি তিনি করেন নি। তিনি যোগ্য এবং অযোগ্য দের মিলিয়ে দিয়েছেন। যে কারণে সর্বোচ্চ আদালত এমন এক নির্দেশ দিলো যে আমাদের চাকরিটা ও চলে গেছে। আজ যদি বেতন বন্ধ করে দেয়, তাহলে আমাদের মতো যারা আছে, তাদের বেঁচে থাকাটাই মুসকিল হয়ে যাবে। আমার এবং আমার স্ত্রীর দুজনেরই চাকরি চলে গিয়েছে।”