আজ খবর (বাংলা), [বিনোদন], মুম্বই , মহারাষ্ট্র, ০১/০৫/২০২৫ : একটা দুর্দান্ত লুকে ক্যামেরার সামনে এলেন করিনা কাপুর খান। একটা নীল রঙের মিজো কস্টিউম পড়ে তিনি অসাধারণ একটি পোজ দিলেন ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে।
ফ্যাশনের দিক থেকে করিনা কোনোদিনই ফ্যানদেরকে নিরাশ করেন নি। নতুন নতুন লুকে তিনি পোজ দিয়েছেন। আর তাঁর সেইসব নতুন নতুন লুকগুলি সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করতেও ভোলেন নি.। এবারেও সেই ব্যাপারটির অন্যথা হয় নি। একটি মিজো কস্টিউমে পড়ে করিনা ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়ে খুশি করেছেন ফ্যানদেরকে।
করিনাকে ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটি ঘন নীল রঙের মিজো স্কার্ট পরে আছেন। সেই স্কার্টের দুটি কাঁধ খোলা। মিজোরামের এই কস্টিউমে বেশ স্টাইলিশ লাগছে করিনাকে। তাঁর মুখে ছড়িয়ে রয়েছে মোহময়ী হাসির লুক। এই লুকে অবশ্য তাঁকে আগেও দেখা গিয়েছে। তবে মিজো স্যুটে এই প্রথমবার তিনি ক্যামেরার সামনে হাজির হলেন। হান্না খিয়াংতে এই স্যুটের ডিজাইনার, তিনি মিজোরামের রাজধানী আইজলের বাসিন্দা। মিজোরামের মহিলাদের নানারকম ডিজাইনার পোশাককের সম্ভার নিয়ে হান্না তাঁর কেরিয়ার শুরু করেছিলেন ২০১৩ সালে।
আজ খবর (বাংলা), [খেলা] চেন্নাই, তামিলনাড়ু, ০১/০৫/২০২৫ : চিপকের স্টেডিয়ামেচেন্নাই সুপার কিংসকে হারিয়ে সুপার সিক্সে উঠল পাঞ্জাব কিংস। কিন্তু স্লো ওভার করার জন্যে শাস্তির কোপে পড়লেন স্কিপার শ্রেয়স আয়ার।
চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে খেলতে নেমে পাঞ্জাবের প্রভসিমরন সিং-এর অসাধারন অর্ধ শতরান এবং যজুবেন্দ্র চাহালের দুর্দান্ত হ্যাট্রিক উইকেট জয় ছিনিয়ে নিয়ে এল পাঞ্জাব কিংস। এদিন আগে ব্যাট করে সিএসকে ১৯.২ ওভারে মোট ১৯০ রান করে অলআউট হয়ে যায়. রান তাড়া করতে নেমে পাঞ্জাব কিংস ২ বল বাকি থাকতেই ১৯৪ রান তুলে নেয়া। ৪ উইকেটে জিতে যায় পাঞ্জাব। সেইসঙ্গে সুপার সিক্সে জায়গা করে নেয় শ্রেয়স আয়াররা।
এদিন পাঞ্জাবের হয়ে বল হাতে মাঠে নেমে চাহল ৩ ওভার বল করে ৩২ রান দিয়ে মোট ৪টি উইকেট তুলে নিয়েছেন। আইপিএল যতই এগোচ্ছে, ততই চাহলের বলের দাপট বাড়তে দেখা যাচ্ছে। ব্যাট হাতে পাঞ্জাবের প্রভসিমরন সিং ৩৬ বলে ৫৪ রান করেন, প্রিয়াংশ আর্য ১৫ বলে ২৩ রান করেন, শ্রেয়স আয়ার ৪১ বলে ৭২ রান করেন।শশাঙ্ক সিং ১২ বলে ২৩ রান তোলেন। কিংসদের সম্মিলিত রান দলকে সুপার সিক্সে জায়গা করে দেয়.
ম্যাচ জিতলেও স্লো ওভার বল করায় শ্রেয়স আয়ারকে জরিমানা দিতে হবে. জরিমানার অর্থ ১২ লক্ষ টাকা। তবে ধোনির পারফর্মেন্স নিয়ে ফের সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
আইএসএল-এ দ্বিমুকুট জয়ী মোহন বাগান সুপার জায়ান্ট কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে লড়াই করে হেরে গেল এফ সি গোয়ার কাছে। কোয়ার্টার ফাইনালে কেরালাকে হারিয়ে মোহনবাগান আত্মবিশ্বাসে ফুটছিল। সেই মোহন বাগান আজ গোয়ার কাছে যে ৩-১ গোলে হেরে যাবে সেটা ভাবা যায় নি। যদিও গোয়া এই মূহুর্তে কেরালার চেয়ে অনেক বেশি ব্যালান্সড টিম বলে মনে করা হচ্ছে।
গোয়া দলটিও যেমন তারুণ্যে ভরা তেমন অভিজ্ঞ ফুটবলারও রয়েছে। এই অসাধারন ব্যালান্সটাই আজ সেমিফাইনালে নিয়ে গেল গোয়াকে। পাঞ্জাব এফ দিকে হারিয়ে গোয়া এই জায়গায় এসেছিল।
আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক] ঢাকা, বাংলাদেহ, ৩০/০৪/২০২৫ : বাংলাদেসে দীর্ঘ ৫ মাস কারাবাসের পর জামিন পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ প্রভু (দাস)।
শুভ অক্ষয় তৃতীয়ার দিনেই বাংলাদেশ থেকে এলো সুখবর। গত বছর নভেম্বর মাসে বাংলাদেশে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল চিন্ময় কৃষ্ণ প্রভুকে। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই বন্দী ছিলেন। আজ তিনি বাংলাদেশের কারাগার থেকে মক্তি পেতে চলেছেন। তাঁর জামিন হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এই প্রায় মাস ছয়েক মিথ্যা অভিযোগে ও বিনা বিচারে তাঁকে আটকে রাখা হয়েছিল জেলে।
জেলের মধ্যেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন, কিন্তু তা সত্ত্বেও তাঁকে ভাল চিকিৎসা কিংবা ওষুধ পথ্য দেওয়া হয় নি বলে অভিযোগ উঠেছিল একাধিকবার। চিন্ময় প্রভুর উপাসনা ব্যাহত হয়েছে বার বার। অথচ তাঁর অপরাধ ঠিক কি সেটাও সরকারিভাবে জানায় নি বাংলাদেশের তদারকি সরকার। শুধু বলা হয়েছিল দেশদ্রোহিতার অভিযোগে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে আটক করা হয়েছিল। যিনি বাংলাদেশে বন্যাত্রাণে গিয়ে দুর্গতদের পাশে থাকেন, অনাথদের পাশে থাকেন , তাঁকেই দেশদ্রোহিতার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাঁর হয়ে বাংলাদেশের যে সব আইনজীবিরা তাঁর হয়ে সওয়াল জবাব করতে চেয়েছিলেন, সেই সময় তাঁরাও আক্রান্ত হয়েছিলেন বাংলাদেশ দুষ্কৃতীদের হাতে। সেই সময় চিন্ময় কৃষ্ণ প্রভুর মুক্তির জন্যে সরব হয়েছিলেন ভারতীয় সনাতনী হিন্দুরা। আজ চিন্ময় প্রভুর মুক্তি বিশ্বজুড়ে হিন্দুদের জয় বলে মনে করা হচ্ছে।
জামিন মিললেও চিন্ময় প্রভু আজই মুক্তি পাবেন কিনা, নাকি বাংলাদেশ ইউনুস সরকারের অভিযোগে আরও কিছুদিন তাঁকে জেলেই কাটাতে হবে সেই ব্যাপারে সন্দেহ দেখা দিচ্ছে। আগামী তিনদিন বাংলাদেশ সরকারের ছুটি। এরপর বাংলাদেশ সরকার তাঁর বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে। কিন্তু যাই হোক না কেন, তাঁর জামিন এখন সুনিশ্চিত তাই তিনি আজ বা কাল কারাগার থেকে বের হয়ে আসতে পারবেন বলে মনে করা হচ্ছে। এখন তাঁর নিরাপত্তা সম্বন্ধে নিশ্চিত হতে চাইছেন তাঁর ভক্তেরা।
গতকাল মাধ্যরাত্রেই পাকিস্তান সাংবাদিক বৈঠক ডেকে ভারতের সম্ভাব্য আক্রমণের কথা স্বীকার করে নেয়। পাকিস্তান অভিযোগ করে যে ভারত অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে পাকিস্তানের ওপর হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিয়েছে। পহেলগাঁওতে যা কিছু হয়েছিল তা নিরপেক্ষভাবে ভারতের সাথে যৌথভাবে তদন্ত করে দেখতে চেয়েছিল পাকিস্তানও কিন্তু ভারত ইচ্ছাকৃতভাবেই সেই প্রস্তাবে সারা দেয় নি. এখন বার বার হামলার হুমকি দিতে চকাইছে।
ভারতের সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে পাকিস্তান নৌ বাহিনীকে সতর্ক করেছে। বন্দরগুলিতে হাই এলার্ট জারি করেছে। পাকিস্তানের জন্যে আকাশপথ নিষিদ্ধ করেছে ভারত। নিজেদের দেশের আকাশে অসামরিক বিমান চলাচল অন্তত ৫০% কমিয়ে দিয়েছে তারা। খাইবার পাখতুনখোয়ার একটি রান ওয়েকে সামরিক রান এ হিসেবে ঘোষণা করেছে। গোটা দেশেই রীতিমত সতর্ক বার্তা দেওয়া হয়েছে যে আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘন্টার মধ্যেই ভারত আক্রমণ করতে পারে পাকিস্তানকে।
পাকিস্তান দেশবাসীকে বোঝাতে চাইছে, পহেলগাঁওয়ে একটি হত্যাকাণ্ডের জেরে বদলা নিতে চাইছে ভারত। এক্ষেত্রে ভারত কোনো রকম তদন্ত করে দেখে নি, পাকিস্তানকে তদন্ত করতেও দেওয়া হয় নি. এই ব্যাপারে ভারত একাই আক্রান্ত, একাই অভিযোগকারী, একই উকিল আর একাই বিচারক হিসেবে কাজ করছে। ভারত রীতিমত একতরফাভাবে পাকিস্তানের ওপর হামলা চালাতে চাইছে।
ইতিমধ্যেই রাষ্ট্র সংঘ ফোনে কথা বলেছেন দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীদের সাথে। শোনা যাচ্ছে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রীকে রাষ্ট্রসঙ্ঘ যথেষ্ট তিরস্কার করেছে। ভারতের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে তারা।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ৩০/০৪/২০২৫ : গতকাল দেশের তিন সেনা প্রধান, চিফ ডিফেন্স স্টাফ ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রীকে নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের যে গোপন বৈঠক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী করেছিলেন, তাতে সেনাবাহিনীকে তিনি দায়িত্ব ও সবুজ সংকেত দিয়েছেন যাতেজঙ্গী কার্যাপলাপের জন্যে পাকিস্তানকে চরম শাস্তি দেওয়া যায়। আর আজ তিনি ক্যাবিনেটের সাথে চূড়ান্ত বৈঠকও সেরে নিলেন। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে ভারত পুরদস্তুর প্রস্তুত।
আজ প্রধানমন্ত্রী নিরাপত্তা সংক্রান্ত ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠক ছাড়াও আরও দুটি বৈঠক করেছেন, একটি রাজনীতি সম্পর্কিত, অন্যটি অর্থনৈতিক সম্পর্কিত। ভারত যে পদক্ষেপ করতে চলেছে, তার জন্যে এই দুটি বৈঠকও জরুরি হয়ে পড়েছিল. কিন্তু আমাদের দেশ এই মুহূর্তে কি ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে তা এখনও পর্যন্ত খোলসা করে নি সরকারিভাবে। আজ দুপুর তিনটে নাগাদ বড় কিছু ঘোষণা করতে চলছে ভারত সরকার। সেই ঘোষণার দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা বিশ্ব।
এই মুহূর্তে পাকিস্তান রীতিমত আতঙ্কে কাঁপছে। প্রহর গুনছে কখন ভারত আক্রমণ করবে ভেবে। ভারতের তিন বাহিনীই এই মুহূর্তে এটাক মোডেই রয়েছে। এর মধ্যেই খবর পাওয়া গিয়েছে পাক সেনাদের মধ্যে অনেকে ছুটি নিতে শুরু করেছে। পাক সেনাবাহিনীর কর্তাদের খোঁজ মিলছে না. পাক সেনার এই ধরনের গণ ছুটি পাক সরকারকে চিন্তায় ফেলেছে।
আজ খবর (বাংলা), [আন্তর্জাতিক], নতুন দিল্লী, ভারত, ৩০/০৪/২০২৫ : পাকিস্তানের সাথে ভারত কি করবে, কখন করবে এবং কিভাবে করবে তা সেনাবাহিনীর ওপরেই ছেড়ে দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এরপর থেকেই আতঙ্কে কাঁপছে পাকিস্তান।
পাকিস্তানকে আক্রমণ করার ব্যাপারে ভারতীয় সেনাবাহিনীকে সম্পূর্ণ খোলা ছেড়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী, তিনি জানিয়েছেন, ‘এবার যা কিছু করবে তা সেনাবাহিনীই করবে’। ভারতীয় ফৌজ ঠিক কি করবে সেটা হয়ত বা আজকের বৈঠকে ঠিক করা হবে। আজ সকাল ১১ টায় একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক রয়েছে, যেখানে হয়ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সেনাবাহিনী, এই বৈঠকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এর উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দিল্লীর এক সভায় যোগ দিয়ে জানিয়েছিলেন, “আমাদের হাতে সময় খুব কম, কিন্তু লক্ষ্য অনেক বড় রয়েছে।” প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য মাথায় রাখছেন ভারতের চিফ ডিফেন্স স্টাফ। সেনাবাহিনীর সর্বাধিনায়ক আজ তাঁর তিন বাহিনীকে নিয়ে সেনা বৈঠকে বসে সিদ্ধান্ত নেবেন কিভাবে এবং কখন ভারত ঝাঁপিয়ে পড়বে তাদের লক্ষ্যে। ভারতের আকাশ সীমা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে পাকিস্তানের জন্যে, সমুদ্রসীমাও বন্ধ করে দেওয়ার পথে ভারত। যদি তাই হয়, তাহলে শুধু হাতে নয়, অর্থনৈতিকভাবেও ব্যাপক সমস্যায় পড়তে চলেছে পাকিস্তান।
এই মুহূর্তে পাকিস্তান বলতে চাইছে, ভারত অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে পাকিস্তানকে আক্রমন করে ধ্বংস করতে চাইছে। এই ব্যাপারে পাকিস্তান ইউ এন-এর সাহায্যও চেয়েছে। পাকিস্তানিরা বেশ বুঝতে পারছে আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘন্টার মধ্যে ভারত পাকিস্তানকে আক্রমন করতে চলেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারত ও পাকিস্তান দুই দেশের সাথেই যোগাযোগ রেখে চলেছে। তবে পহেলগাঁও ইস্যুতে তারা ভারতের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। আর এখানেই আরও চাপে পাকিস্তান।
ভারতের বক্তব্য অত্যন্ত স্পষ্ট, ভারতে বলছে গত কয়েক দশক ধরে পাকিস্তান তাদের জমিতে জঙ্গীদের রীতিমত চাষ করে এসেছে। স্লিপার সেল ছড়িয়েছে ভারত জুড়ে। আর বছরভর ভারতে পাঠিয়েছে জঙ্গীদের নাশকতা করার জন্যে। বিগত বছরগুলিতে অসংখ্য সেনা জওয়ান ও সাধারণ মানুষ রক্ত দিয়েছেন এবং প্রাণ হারিয়েছেন সেইসব জঙ্গীদের নাশকতার কারনে। প্রতি বছর যুদ্ধ বিরতি চুক্তি ভেঙে পাকিস্তানই সীমান্তের ওপার থেকে বিনা প্ররোচনায় গুলি চালিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক নষ্ট করে ; এই সব কিছুই বন্ধ হওয়া দরকার চিরতরে। আর সেই কারণেই পাকিস্তানের প্রতি ভারত এবার কঠোর মনোভাব গ্রহণ করেছে।
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ৩০/০৪/২০২৫ : গতকাল কলকাতার ফলপট্টিতে যে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে তাতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৪, ঘটনাস্থল থেকে এখনও ধোঁয়া বের হতে দেখা যাচ্ছে।
গতকাল কলকাতার ফল পট্টি বলে পরিচিত মেছুয়াবাজারের কাছে একটি বহুতল হোটেলে আগুন লেগে গিয়েছিল। হোটেলের নাম ঋতুরাজ হোটেল। গতকাল হঠাৎ করেই এই হোটেলে আগুন লেগে গিয়েছিল এবং তা ঐ বহুতলেই ছড়িয়ে পড়েছিল। গতকাল রাতেই সেখানে ছুটে গিয়েছিল দমকল। হোটেলের ভিতরেই অনেকে আটকে পড়েছিলেন। হোটেলের ম্যানেজার ছয়তলার জানলা ভেঙে ওপর থেকে লাফ দেন. তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর.
এই হ্যাবাহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মোট ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ কমিশনার মনোজ কুমার ভার্মা জানিয়েছেন, আগুন এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে, তবে এই অগ্নিকান্ড ১৪জনের প্রাণ নিয়েছে। উদ্ধারকার্য চালানো হচ্ছে। কিভাবে এই বহুতল হোটেলে আগুন লেগে গিয়েছিল সেটা এখনো জানা যায় নি, তবে পুলিশের একটি দল তৈরি করা হয়েছে যারা এই ব্যাপারে তদন্ত করে দেখছে। বিজেপি ও কংগ্রেসের তরফ থেকে এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দেখানো হয়েছে।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ] নতুন দিল্লী, ভারত, ২৯/০৪/২০২৫ : সেনাবাহিনীকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়ে মুক্তহস্ত করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জঙ্গীদের শায়েস্তা করতে এবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধেও যে কোন রকম ব্যবস্থা নিতে পারবে ভারতীয় সেনাবাহিনী। একের পর এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়ে যাচ্ছিল, কখনো ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, কখনো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আবার কখনো বা প্রধানমন্ত্রী নিজে। বার বার বৈঠক করে নিরাপত্তার বিষয়টিকে সুনিশ্চিত করে বুঝে নিতে চাইছিলেন নরেন্দ্র মোদী। কিছুক্ষন আগেই চিফ ডিফেন্স স্টাফ, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও সেনাবাহিনীর তিন প্রধানকে নিয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাথে অত্যন্ত গোপন বৈঠক সেরে নিয়েছেন। সেখানেই কোনো বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যেভাবে দেশের সবচেয়ে উচ্চ ও গুরুত্বপূর্ণ আসনে থাকা কয়েকজন লাগাতার বৈঠক করে যাচ্ছিলেন, তাতে করে বোঝাই যাচ্ছিল, ভারত এবার একটা অতি বড় কিছু করতে চলেছে। উচিত শিক্ষা দিতে চলেছে সন্ত্রাসবাদের আঁতুরঘর পাকিস্তানকে। পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের হত্যাকাণ্ডের নেতৃত্বে ছিল একজন পাক কমান্ডো , যে কিনা বর্তমানে লস্কর ই তৈবার নেতা, সেই রাক্ষস মুসাকে নিকেশ করতেই হবে। বিভিন্ন তথ্য থেকেই বোঝা যাচ্ছে এই জঙ্গীদের পিছনে ছিল পাকিস্তানের হাত. আর তাই গত কয়েক দশক ধরে ভারতকে রক্তাক্ত করতে থাকা পাকিস্তানকে উচিত শিক্ষা দেওয়াটা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। আর তাই পহেলগাঁওয়ের ঘটনার ঠিক সাতদিনের মাথায় ভারত প্রত্যাঘাতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সন্ত্রাসবাদের ক্ষেত্রে ‘নো টলারেন্স’। এবার শুধুই প্রত্যাঘাত আর প্রত্যাঘাত। ছাড়া হবে না কাউকেই, রেহাই পাবে না কেউ। বড়সধপরিকর ভারত। আগামীকাল দেশের সর্বোচ্য পদাধিকারীরা ফের একবার বৈঠকে বসবেন এবং তারপরেই হট বড় ঘোষণা হতে পারে দেশবাসীর জন্যে।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ২৯/০৪/২০২৫ : ফের এক অত্যন্ত জরুরি বৈঠকে বসলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। খুব সম্ভবত সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন তিনি। বৈঠকের পৌরোহিত্য করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
ওই বৈঠকে মোদীর সাথে উপস্থিত রয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল ও চিফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহান। এছাড়াও ঐ বৈঠকে উপস্থিত আছেন আর্মি চিফ জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী, নেভি চিফ এডমিরাল দীনেশ কুমার ত্রিপাঠি, এয়ার চিফ মার্শাল অমর প্রীত সিং. দেশের যুদ্ধ বিষয়ক তিন প্রধান, তাঁদের চিফ,ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী যখন প্রধানমন্ত্রীর সাথে অত্যন্ত জরুরি বৈঠকে বসেন, তখন তাকে যুদ্ধের চূড়ান্ত প্রস্তুতিই বলা যেতে পারে।
এর আগে গতকাল প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। এছাড়াও চিফ ডিফেন্স স্টাফ অনিল চৌহানও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিঙ্গার সাথে সাক্ষাৎ করে কোনো এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ফলাফল নিয়ে সবিস্তারে আলোচনা করেছেন। এই বৈঠকগুলি থেকেই মনে করা হচ্ছে যে ভারত প্রাথমিকভাবে যুদ্ধের দিকেই এগিয়ে গিয়ে থাকতে পারে। তবে এই বৈঠকগুলি করা হচ্ছে অত্যন্ত গোপনভাবে। তাই যতক্ষণ না কিছু ঘটছে ততক্ষন অপেক্ষা ছাড়া আর কিছুই করে উঠতে পারছে না পাকিস্তান। এই মুহূর্তে আশঙ্কার প্রহর গুনছে তারা।