আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ৩০/০৪/২০২৬ : কলকাতায় স্ট্রং রুমের সামনে দুই রাজনৈতিক দলের ভীড় বাড়ছে, আর সেই ভীড়কে ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা।
আজ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমাজ মাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করে বলে তৃণমূল কর্মীদের সতর্ক করে বলেন, “স্ট্রং রুমের সামনে সতর্ক নজরদারি চালানোর জন্যে। না হলে ইভিএম বদলে যেতে পারে। আজ রাত্রি ৯টা নাগাদ এই ধরনের ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা আছে. ” তৃণমূল কর্মীদের নেত্রী রাত জেগে পাহারা দিতে বলেন।
এর মধ্যেই কলকাতার ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের সামনে তৃণমূল এবং বিজেপির কর্মীদের ভীড় বাড়তে দেখা যায়. সেখানে তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ এবং শশী পাঁজাকে ধর্ণা দিতেও দেখা যায়. মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও হয়ত সেখানে দেখতে পাওয়া যাবে কিছুক্ষনের মধ্যেই। হয়ত তৃণমূলের আরও কিছু নেতা নেত্রী সেখানে পৌঁছাবেন।
এর মধ্যেই তৃণমূলকংগ্রেসের কর্মী সমর্থকেরা জয় বাংলা, স্লোগান তুলতে শুরু করেন। পাল্টা বিজেপি কর্মীরা জয় শ্রী রাম স্লোগান তুলতে শুরু করলে ঐ এলাকায় উত্তেজনা দেখা যায়. এর মধ্যেই ঐ এলাকায় পৌঁছে যান বিজেপি নেতা তাপস রায় ও সন্তোষ পাঠক . তাঁদের সাথে উপস্থিত পুলিশ কর্মীদের বচসা বেঁধে যায়. তাঁরা ওই জায়গা থেকে ভীড় হঠাতে অনুরোধ করেন।
আজ খবর (বাংলা) [রাজ্য], কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ২৯/০৪/২০২৬ : রাজ্যে প্রথম দফার মত দ্বিতীয় দফাতেও কি রেকর্ড হারে ভোটদান হবে ? মানুষ কি এই দফাতেও রেকর্ড পরিমাণে ভোট দেবে ? সেদিকেই তাকিয়ে আছে রাজ্যবাসী।
রাজ্যে এবার দুই দফায় ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া চলছে। প্রথম দফায় প্রায় ৯৩ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছিলেন। আজ দ্বিতীয় বা শেষ দফাতে কত ভোট পড়ে সেই দিকে নজর থাকছে সকলের। অনেকেই বলছেন বেশি ভোট পড়লে তা প্রতিষ্ঠান বিরোধী ভোট বলেই ধরা হয়। কিন্তু এ বছর বহু সংখ্যক মানুষের নাম যেমন ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তেমন বহু নতুন ভোটারের নাম সংযোজিত হয়েছে।
এই বছর যেভাবে নির্বাচন কমিশন কঠোর মনোভাব নিয়ে ভোট পরিচালনা করেছে, যেভাবে এসআইআর করে ভুয়ো ভোটারের নাম বাদ দিয়েছে। যেভাবে সমাজ বিরোধীদের দল বেঁধে আটক করেছে, যেভাবে প্রচুর পরিমাণ আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ানরা নির্ভয়ে ভোট দিতে বলেছেন, তাতেই মানুষ এবার দ্বিধাহীনভাবে ভোট দিতে উদ্বুদ্ধ হয়েছে। এর ফলেই বেশি সংখ্যক ভোট পড়েছে ইভিএম এ। এবার সাধারণ মানুষের মধ্যে ভোটদানের উৎসাহ অনেক বেশি রয়েছে. ফলে ভোট অনেকটাই বেশি পড়েছে। আজ দ্বিতীয় দফায় সকাল ১১ টার সময় প্রায় ৩৫% ভোট পড়ে গিয়েছে। কলকাতা সহ দক্ষিণ বঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ভোট রয়েছে। আগামী ৪ই মে ভোটের ফলাফল জানা যাবে।
আজ খবর (বাংলা), [দেশ], নতুন দিল্লী, ভারত, ২৭/০৪/২০২৬ : ভোটের সময় পশ্চিমবঙ্গেপ্রায় ৫১০কোটি ১০ লক্ষ টাকার নিষিদ্ধ বস্তু ও সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করেছে নির্বাচন কমিশন। আজ পিআইবি সূত্রে এই খবর পাওয়া গিয়েছে।
ভোটের সময় মদ সহ নানারকম বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়। বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। সেই সময় গাড়িগুলিকে নাকা চেকিং করা হয়। উদ্ধার করা হয় নগদ অর্থ সহ নানারকম সামগ্রী। এই বছর নির্বাচন কমিশন যথেষ্ট কঠোর মনোভাব দেখিয়েছে প্রথম থেকেই। ভোটের সময় তল্লাশি চালিয়ে এখনও পর্যন্ত এই রাজ্যে প্রায় ৫১০ কোটি ১০ লক্ষ টাকার সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
নির্বাচনের সময় বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে মোট ৩০ কোটি নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। মদ ধরা পড়েছে মোট ১২৬ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকার। বাজেয়াপ্ত হওয়া মোট মদের পরিমাণ হল ৪৮.৪৬.১৮৩ লিটার। মোট ৫৮ কোটি ২৮ লক্ষ্য টাকার মূল্যবান ধাতু (সোনা রুপা) বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে আর সেই সাথে ১১০ কোটি ১২ লক্ষ টাকার মাদক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য নিষিদ্ধ বা আপত্তিকর সামগ্রী যা কিছু বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তার মূল্য ১৮৪ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকা।
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি] গোঘাট, হুগলি, ২৭/০৪/২০২৬ : ভোটের প্রচারের শেষ লগ্নে এসে হুগলির গোঘাটে আক্রান্ত হলেন তৃণমূল সাংসদ মিতালি বাগ। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আজই ভোটের প্রচার শেষ হয়ে যাচ্ছে। প্রচারের শেষ দিনে এসে আক্রান্ত হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মিতালি বাগ। আজ আরামবাগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভা ছিল। সেই জনসভায় যাচ্ছিলেন সাংসদ মিতালি বাগ। হুগলির গোঘাটে কিছু লোক তাঁর গাড়ির কনভয় আটকে দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে। তারা মিতালি বাগের গাড়ির সামনের কাঁচ ভেঙে দেয়।
এই ঘটনায় আহত হয়েছেন সাংসদ নিজেই। তাঁকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ডাক্তাররা জানিয়েছেন তিনি স্থিতিশীল আছেন। তাঁর শারীরিক পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে। গোটা ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছে। তৃণমূল সমাজ মাধ্যমে লিখেছে, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যেভাবে আমাদের নেতাকর্মীদের হুমকি দিয়ে বলছেন যে বাড়ির বাইরে বের হলে উল্টো করে টাঙ্গিয়ে দেওয়া হবে, সেইসব বক্তব্যের ফলেই এই ধরনের ঘটনা ঘটছে এই রাজ্যে।”
আজ খবর (বাংলা), [রাজনীতি], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ২৭/০৪/২০২৬ : এবার নির্বাচন বিধি লংঘন করার অভিযোগ নিয়ে অবজারভারের বিরুদ্ধে আদালতের শরণাপন্ন হল তৃণমূলকংগ্রেস।
তৃণমূলকংগ্রেসের তরফ থেকে প্রাক্তন পুলিশ কর্তা এবং তৃণমূল প্রার্থী রাজীব কুমার অভিযোগ করছেন যে মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী গৌড় ঘোষের সাথে পুলিশ অবজারভার পারমার স্মিত পুরুষোত্তম দাসের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে। তাঁরা নিজেদের মধ্যে গোপন বৈঠকও সেরে নিয়েছেন। পুলিশ অবজারভার এবং বিজেপি প্রার্থীর এই গোপন আঁতাতের অভিযোগ তুলে তৃণমূল কংগ্রেস হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেছে।
পুরুষোত্তম দাস নামে ঐ অবজারভারের আওতাধীন একটি অঞ্চলে এক হোটেলে বিজেপি প্রার্থীর সাথে একটি গোপন বৈঠকের কথাও জানানো হয়েছে অভিযোগে। ঐ বৈঠকের যাবতীয় তথ্য প্রমান সিসিটিভি / ভিডিও ফুটেজ সহ যুক্ত করা হয়েছে তৃণমূলের অভিযোগের সাথে। এই অভিযোগের ফলে আদালত কি ব্যবস্থা নেয় এবং নির্বাচন কমিশন কি ব্যবস্থা গ্ৰহণ করে এখন সেটাই দেখার।
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি], নতুন দিল্লী, ভারত, ২৫/০৪/২০২৬ : দলের ১০ সাংসদের মধ্যে সাত সাংসদ দল ছেড়ে চলে গিয়েছেন বিজেপিতে, রীতিমত টালমাটাল পরিস্থিতি আম আদমি পার্টিতে। ঘর সামলাতে নতুন কৌশল নিতে চলেছেন অরবিন্দ কেজরিওয়ালেরা।
রাজ্যসভায় ১০ জন সাংসদ ছিল আম আদমি পার্টির, সেই দশজনের মধ্যে সাত জন দল ছেড়ে চলে গেলেন বিজেপিতে। ভয়ানক ক্ষতি হল আপ দলের, তা বোঝাই যাচ্ছে। কিন্তু এই ক্ষতি পূরণ করা হবে কি ভাবে ? পুরসভার ভোট প্রচারে গিয়ে গুজরাট থেকে গভীর রাতে ফিরে আজ দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড মনীশ সিসোদিয়া সাক্ষাৎ করেন দলের আহবায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সাথে। দিল্লীতে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সাথে নতুন কৌশল নিয়ে দুজনের দীর্ঘক্ষণ বৈঠক হয়েছে।
হঠাৎ করে দল ছেড়ে দেওয়া সাংসদদের গতকাল রাতেই গদ্দার বলা হয়েছিল আপ এর তরফ থেকে। রাঘব চাড্ডা, সন্দীপ পাঠক, অশোক মিত্তালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আপ এর তরফ থেকে রাজ্যসভায় চিঠি দেওয়া হচ্ছে। চিফ হুইপের কাছে এই সাত সাংসদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করছে আম আদমি পার্টি।
রাজ্য সভার উপ নেতার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর থেকেই রাঘব চাড্ডারা বেসুরো গাইছিলেন, যার ফলে সাত সাংসদকে দল ছেড়ে বেরিয়ে গিয়ে পদ্ম শিবিরে যোগ দিতে দেখা গেলো।
“গত ৫০ বছরে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ভোট দেখলো রাজ্যবাসী “
আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য], কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ , ২৩/০৪/২০২৬ : এই বছর নির্বাচনের চিত্রটাই যেন একটু অন্যরকম। নজিরবিহীনভাবে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যেই রাজ্যে চলছে প্রথম দফার ভোট গ্রহণ। সামান্য কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া খুব বেশি অশান্তির খবর পাওয়া যায় নি পশ্চিমবঙ্গে।
অভূতপূর্বভাবে দুপুর দু’টোর মধ্যেই রাজ্যে প্রায় ৬০ % ভোট পড়ে গিয়েছে। একেই ভোটার তালিকায় নিবির সংরক্ষনের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ্ মানুষের নাম বাদ পড়েছে, তার ওপর আবার বেলা গড়াতে না গড়াতেই এতো সংখ্যক মানুষের ভোট দান! চিন্তার ভাঁজ পরার কথা শাসকের কপালে। কয়েকটা জায়গায় বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর ছাড়া আজকের ভোট গ্রহণ পর্বকে শান্তিপূর্ণ বলাই যায়।
নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কৃষ্ণনগরে জনসভা করতে এসে তিনি বলেন, “অন্যান্যবার মেরে ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে দেয়, বলে আত্মহত্যা করেছে। সেসব এবার নেই গত ৫০ বছরে পশ্চিমবঙ্গে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ভোট হতে চলেছে।”
নির্বাচনের লাইভ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন – www.aajkhabor.in
News Update : 09:30 — আজ খবর (বাংলা), [রাজ্য] কলকাতা,পশ্চিমবঙ্গ, ২৩/০৪/২০২৬ : পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয়েছে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট গ্রহণ। মানুষ সকাল থেকেই বুথগুলিতে এসে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিয়ে যাচ্ছেন। এবার কিন্তু বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ একসাথে নিয়ে রেখেছে নির্বাচন কমিশন। সেই চ্যালেঞ্জগুলো ঠিকমত করা যাচ্ছে কিনা, শান্তিপূর্ণভাবে অবাধ ভোট করানো যাচ্ছে কি না , সেই দিকে নজর থাকবে কমিশনের।
এই বছর দুই দফায় ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে। অশান্তি এড়াতে অন্যান্যবার সাত দফা, আট দফায় ভোট গ্রহণ করানো হত। কিন্তু এবার মাত্র দুই দফায় ভোট গ্রহণ করা হবে। সুতরাং এটা নির্বাচন কমিশনের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আজ মোট ১৫২টি আসনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। প্রথম দফায় উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, কালিম্পঙ, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহ ছাড়াও দক্ষিণবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, নদীয়া এবং হুগলি জেলায় ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে।
পশ্চিমবঙ্গে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহন করার জন্যে এবার প্রচুর পরিমাণে কেন্দ্রীয় বাহিনী আনা হয়েছে। এই বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট গ্রহণ রীতিমত নজিরবিহীন। এবার রাজ্যে মোট ২,৪০৭ কোম্পানী আধা সামরিক বাহিনী জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে। রাজ্যের স্পর্শ কাতর এলাকাগুলিতে বেশি সংখ্যক জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে। প্রতিটা বুথে চারজন করে জওয়ান থাকছেন। এবার এই জওয়ানদের কাজকর্মে পুরো স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। সুতরাং ভোট শান্তিপূর্ণ করতে যে কোনো ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
এবার নির্বাচন উপলক্ষে যথেষ্ট কঠোর মনোভাব দেখিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বুথে বুথে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো, বুথের ভিতরে প্রবেশের ওপর নিয়ন্ত্রণ, বাইক চলাচলে নিয়ন্ত্রণ, মদের দোকান দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রাখা, কমিশনের নিজস্ব মনিটরিং সব কিছুতেই চ্যালেঞ্জ নিয়েছে কমিশন। এবার রাজনৈতিক গুন্ডাদেরকেও আগে থাকতে আটক করা হয়েছে, অর্থাৎ যারা কিনা গোলমাল পাকাতে পারে তাদেরকে আগে থেকেই আটক করা হয়েছে।
তবে নির্বাচন কমিশন এবার যেভাবে এসআইআর করে ভুয়ো ভোটারদের বিয়োজন করেছে এবং নতুন ভোটারদের সংযোজন করেছে, তা সত্যিই দৃষ্টান্তমূলক। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে এটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল নির্বাচন কমিশনের সামনে। আজ মালদহ এবং মুর্শিদাবাদের ভোট নিয়ে অবশ্যই চিন্তায় থাকবে কমিশনের আঃইকারিকরা। তবে সর্বত্রই নির্বিঘ্নে ভোট প্রক্রিয়া মিটিয়ে মে মাসের ৪ তারিখে গণনা এবং তার পরের কয়েকটা দিন এই রাজ্যে শান্তিপূর্ণ রাখাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ নির্বাচন কমিশনের সামনে।
আজ খবর আপডেট (বাংলা), [ভোটের খবর ] — সকাল ১১:৩০ — রাজ্যের যে ১৬টি জেলায় আজ প্রথম দফার ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে, সেই সব জায়াগায় মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবেই ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া চলছে। তবে তার মাঝেই বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনার খবর এস পৌঁছেছে।
মুর্শিদাবাদের নওদায় গতকাল রাতে বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনায় এক ব্যক্তির জখম হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস বলছে বোমাবাজি করেছিল হুমায়ুন কবিরের দল, আম জনতা উন্নয়ন পার্টির লোকেরা। এদিকে হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন “বোমাবাজি করেছিল তৃণমূল কংগ্রেসের দুষ্কৃতীরা।” আজ সকাল থেকেই উত্তেজনা দেখা যায় নওদা এলাকার ৯ এবং ১০ নম্বর বুথের সামনে। এখানে তৃণমূল কর্মীদের সাথে বচসা এবং ধাক্কাধাক্কি হয় হুমায়ুন কবিরের লোকেদের। হুমায়ূনকে ঘিরে ধরে ‘চোর’ এবং ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দেওয়া হলে হুমায়ুনও পাল্টা চোর চোর স্লোগান দিতে থাকেন। এরপর তিনি রাজ্য সড়কের ওপর দলবল নিয়ে বসে পড়েন এবং রাজ্য সড়ক অবরোধ করেন।
মুর্শিদাবাদে ডোমকল থেকেও অশান্তির খবর এসেছে। এখানে ২২০ নম্বর বুথের কাছে এক সিপিএম কর্মীকে মারধর করার খবর পাওয়া গিয়েছে। অভিযোগের তীর তৃণমূলের দিকে। এই ঘটনার রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এছাড়াও গন্ডগোলের খবর এসেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্ডিপুর থেকে। কোচবিহার জেলার তুফানগঞ্জের বারকোদলি গ্রামে বুথ জ্যামের খবর আসে। সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠি উঁচিয়ে তেড়ে যায় এবং ভীড় হঠিয়ে দেয়। আলিপুর দুয়ারের ১২/১৭৬ নম্বর বুথে দলবল নিয়ে তৃণমূল প্রার্থী সুমন কানজিলাল ঢুকে পড়েন। বাহিনীর সাথে বচসার পর তাঁকে বুথ থেকে বেরিয়ে যেতে হয়।
রাজ্যের বিরোধী দল নেতা আজ বলেছেন, “কোথাও কোনোরকম গুন্ডামি সহ্য করা হবে না। ” তিনি আজ সকালেই নন্দীগ্রামে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। খড়্গপুর সদরে ভোট দিয়েছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। সকাল ৯টা পর্যন্ত রাজ্যে ভোট পড়েছিল ১৮% – ২০ % , তবে সকাল ১১ টা পর্যন্ত প্রায় ৩০% ভোট পড়েছে রাজ্যে।
আজ খবর (বাংলা) [রাজনীতি] চেন্নাই, তামিলনাড়ু, ২২/০৪/২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের কটাক্ষ দেশের রাজনৈতিক মহলকে রীতিমত নাড়িয়ে দিয়েছে। দেশের রাজনৈতিক মহলে কান পাতলেই আজ এই কটাক্ষ নিয়ে আলোচনা শুনতে পাওয়া যাচ্ছে।
দেশের বিরোধী দল কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে গতকাল তামিলনাড়ুতে একটি সাংবাদিক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে টেররিস্ট (জঙ্গী) বলে আক্রমণ করেছিলেন। দেশের প্রধানমন্ত্রীকে জঙ্গী বলায় গোটা দেশেই সমালোচনার ঝড় উঠতে শুরু করে। দেশের বিরোধী দলনেতা যদি দেশের প্রধানমন্ত্রীকেই টেররিস্ট আখ্যা দেয়, সেটা আমাদের শত্রু দেশে কি বার্তা প্রেরণ করে ? এই বিষয়টি নিয়ে তুমুল সমালোচিত হন মল্লিকার্জুন খাড়গে। বিজেপি শিবির রীতিমত চেপে ধরে তাঁকে।
ভুল মন্তব্য করে ফেলেছেন বুঝতে পেরে মল্লিকার্জুন সাফাই দিয়ে বলেন, “যেভাবে কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলিকে কাজে লাগিয়ে নরেন্দ্র মোদী দেশের বিরোধী দলগুলিকে টেরোরাইজ (ভয় প্রদর্শন) করতে চাইছেন, সেটাকেই তিনি বলতে চেয়েছেন। কিন্তু ভুলবশত তিনি নরেন্দ্র মোদীকেই টেররিস্ট বলে ফেলেছেন। কেউ যেন তাঁর বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা না করে।”
কিন্তু মল্লিকার্জুন খাড়গের এই বক্তব্যেই ক্ষান্ত হচ্ছে না বিজেপি শিবির। তাঁরা রীতিমত প্রধানমন্ত্রীর কাছে মল্লিকার্জুন খাড়গেকে ক্ষমা চাইতে বলেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু, নির্মলা সীতারামন এই বিষয়টি নিয়ে রীতিমত সমালোচনা করেছেন খাড়গের।
নির্মলা সীতারামান বলেন, “কংগ্রেস বরাবরই প্রধানমন্ত্রীকে গালিগালাজ করে. কিন্তু কংগ্রেস সভাপতি যে কথাটি সাংবাদিকদের বলেছেন তার বিরুদ্ধে আমরা নির্বাচন কমিশনকে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়েছি।” কিরেন রিজিজু বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যেভাবে জঙ্গীদের জবাব দেন, ঠিক সেভাবেই দেশের জনগণ কংগ্রেসকে জবাব দিয়ে দেবে।”
অপারেশন সিঁদুর এখনো বন্ধ করা হয় নি, পাকিস্তানী জঙ্গীরা সক্রিয় হলেই ফের শুরু করা হবে অপারেশন সিঁদুর : ভারত
আজ খবর (বাংলা), [দেশ] নতুন দিল্লী, ভারত, ২২/০৪/২০২৬ : জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গী আক্রমণের ঘটনার পর কেটে গেল এক বছর। গত বছর আজকের দিনেই জঙ্গীদের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে গিয়েছিলেন ২৬ নিরীহ পর্যটক।
জম্মু কাশ্মীরে পহেলগাঁওয়ে বৈশরণ ভ্যালিতে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকদের ওপর আক্রমন করেছিল পাক মদতপুষ্ট সশস্ত্র জঙ্গীরা। পর্যটকদের রীতিমত লাইনে দাঁড় করিয়ে তাঁদের ধর্ম জিজ্ঞাসা করে পোশাক খুলিয়ে একের পর এক মানুষকেগুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। ঐ নারকীয় ঘটনায় গত বছর আজকের দিনেই মোট ২৬ জন পর্যটক মারা গিয়েছিলেন।
এরপর ওই জঙ্গীদের খোঁজে ভারতীয় সেনা জওয়ানরা চিরুনি তল্লাশি চালাতে শুরু করেছিল। কিন্তু নরাধম জঙ্গীদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। এরপর ভারত অপারেশন সিঁদুর অভিযান চালিয়ে পাকিস্তানে থাকা জঙ্গী শিবিরগুলিকে মিসাইল দিয়ে উড়িয়ে দিতে থাকে। পাকিস্তানে থাকা একের পর এক জঙ্গী শিবির ধ্বংস করতে থাকে। বহু জঙ্গী সেই অভিযানে খতম হয়ে গেলেও খোঁজ পাওয়া যায় নি পহেলগাঁওয়ে হামলা চালানো জঙ্গীদের।
কিন্তু হাল ছাড়ে নি ভারত, অবশেষে উচ্চ হিমালয়ের তুষার অঞ্চলের গুহায় লুকিয়ে থাকা ঐ জঙ্গীদের খুঁজে বের করে নিকেশ করা হয়। তবে ভারত ঘোষণা করেছে অপারেশন সিঁদুর অভিযান আপাতত স্থগিত রাখা হলেও তা বন্ধ করে দেওয়া হয় নি। এরপর জঙ্গীরা ফের মাথা চাড়া দেওয়ার চেষ্টা করলেই ভারত তার অভিযান ফের সক্রিয় করে তুলবে। তছনছ করে দেবে পাকিস্তানে থাকা জঙ্গী ঘাঁটিগুলিকে।
আজ সারা দেশ একসাথে পহেলগাঁওয়ের স্মৃতিতে শোক পালন করছে। রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে দেশের প্রধানমন্ত্রী থেকে জনসাধারণ সকলেই ঐ ঘটনায় এখনো ব্যথিত হয়ে রয়েছেন। এই ঘটনার এক বছর আজ প্রত্যেকেই নিজেদের শোক ব্যক্ত করেছেন।